হুমায়ূন

হুমায়ূন নিয়ে কি ভাবছো?

Rizon Talukdar: *হুমায়ূন* বাকের ভাই(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)

কৃষ্ণ পক্ষ: *হুমায়ূন* হিমু

আফ্রোদিতির যুবরাজ: *হুমায়ূন* নিজেকে হিমু ভাবতে কার না ভালো লাগে। হিমুর বিপরীতে একজন রূপা থাকলে জীবনটাই অন্যরকম হয়ে উঠত। বাস্তবে ছেলেদের জীবনে হিমুদের কিঞ্চিত ছাপ থাকলেও মেয়েদের মাঝে *রূপা*র খোজ পাওয়া যায় না। রূপারা শুধুমাত্র বইতেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবে নেই (ফুঁপিয়েকান

sangbad24.net: *হুমায়ূন* বাকের ভাই

আমিনুল ইসলাম: *হুমায়ূন* আহমেদ স্যারের মৃন্ময়ী চরিত্র টা আমার খুবই প্রিয়

সাঁঝের বাতি: *হুমায়ূন* অবশ্যই শুভ্র! এই চরিত্রটা নিয়ে লেখালেখি হুমায়ুন আহমেদ কম করলেও যতটা প্রভাব আমার জীবনে রেখে গেছে সে জন্য আমি তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ!

নাফিসা আনজুম রাফা: "আমি বলি, এই যে ব্রাদার হ্যালো আমি কে? এইটুকু আমাকে শুধু বলো। কোথ্থেকে এসেছি আমি, ঠিকানাটা কী এই জীবনে কী দেখেছি, কী দেখিনি। দেখেছি মায়াময় দুই দুয়ারী ঘর সেইখানে বাস করে অশ্রু কারিগর। তাকে ঘিরে টলমল করে নীলমণি দুঃখ সাগর।" -------শুভ জন্মদিন কথার জাদুকর।অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করে,বলে কিবা হবে।থাক না অব্যক্ত,নাবলা কথন।

*হুমায়ূন* *কথার-জাদুকরের-জন্মদিন*

ঈশান রাব্বি: *হুমায়ূন* আহমেদের হিমু চরিত্র টা বেশী ভাল লাগে যদিও স্টারওয়ার্ড এ হিমুর নাম নাই (রাগী)

*হুমায়ূন*

রশিদা আফরোজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আম্মা ও হুমায়ূন আহমেদ


‘লোকটার কি কোনো কাজ নেই? শুনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এতো বই লিখলে ছাত্র পড়ায় কখন?’ তরকারি কাটতে কাটতে আম্মা নিজের মনে বিরক্তির সাথে কথাগুলি বলতে থাকেন'। লোকটা হলেন হুমায়ূন আহমেদ, সময়টা ১৯৯৩ এর অক্টোবর, বড়াপু আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন চোখের ডাক্তারের কাছে, ফিরে এসে আম্মাকে জানালেন, ডাক্তার চশমা দিয়েছেন, আর অমনি আম্মা হুমায়ূন আহমেদকে বকাঝকা করতে শুরু করলেন। আম্মার ধারণা, হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে পড়ে আমার চোখ খারাপ হয়েছে।

আম্মার বয়স ৮১। উনার প্রিয় উপন্যাস আনোয়ারা (এখনো বাসায় আছে), প্রেমের সমাধি। আমার একটা চরম বদ অভ্যাস হলো (ছিলো) আলো পর্যাপ্ত থাকুক আর না থাকুক, শুয়ে শুয়ে বই পড়া। বই থাকতো বালিশের পাশে, আম্মা দুপুরে শুতে এসে পত্রিকা, বই যা পেতেন সেটাই পড়তেন। হুমায়ূন আহমেদের বই বিশেষ করে হিমুকে নিয়ে লেখা বইগুলি পড়ে বলতেন, কী যে সব পড়িস, দুনিয়ার পাগলা-পাগলা কথা। তবে ‘বৃষ্টিবিলাস’ পড়ে আম্মার খুব ভালো লেগেছিল, বললেন, এই বইটা খুব সুন্দর।

হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি, তার মধ্যে একটা হলো রান্না। প্রায় প্রতিটি বইতে রান্নাবিষয়ক টুকিটাকি কিছু থাকে, আমি সেসব প্র্যাকটিসও করেছি। শুধু একটা রেসিপি কোনোদিন করতে পারিনি, আর তা পারিনি আম্মার কারণে। শিউলি ফুলের কচি পাতাকে শুকনো মরিচ ও বেশি রসুন দিয়ে কড়া ভাজা (মৃন্ময়ী)। আম্মা বলেন, একটা পাগল মানুষ কি লিখলো না লিখলো সেটা রান্না করতে হবে! বাপ-দাদার যুগেও কেউ শিউলি পাতা ভেজে খেয়েছে বলে শুনিনি।

বৃষ্টি নামলেই আমি উঠোনে নেমে পড়তাম। বছরের পর বছর বৃষ্টিতে ভিজে আমার কোনোদিন জ্বর হয়নি তবু আম্মা জানালায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেড়ে বকা দিতে থাকেন, বৃষ্টির শব্দের কারণে সেসব বকা কানে আসে না, ঠোঁট নাড়া দেখে হাসতে থাকি। ঘরে ঢুকলে একই সংলাপ দেন, জ্বর হলে আমার ঘরে তোর জন্য কোনো জায়গা নাই, হুমায়ূন আহমেদের বউকে আম্মা ডাকবি, তার বাড়িতে গিয়ে থাকবি। হা হা হা। বৃষ্টিতে ভেজার ব্যাপারটা হুমায়ূন আহমেদীয় বলেই আম্মার ধারণা।


হিমু সমাচার



পরীক্ষার আগে রুটিন দেখে টেবিল সাজাই। টেবিলে বই-নোটসের সাথে থাকে হুমায়ূন আহমেদের হিমু। যেহেতু আমি অতি আবেগপ্রবণ মানুষ, তাই পরীক্ষা চলাকালীন সময় সাবধানে নিজেকে আগলে রাখি। রুম থেকে খাওয়া, বাথরুমের প্রয়োজন ছাড়া বের হই না যদি কারো কোনো কথা মাথায় ঢুকে যায় সেই ভয়ে , টিভি দেখি না যদি নাটকের কোনো দৃশ্য মাথায় ঢুকে যায়! গল্পের বই পড়ি না যদি দুঃখের কিছু পড়ে মন খারাপ হয়ে যায়! হিমু হলো নির্ভেজাল আনন্দদায়ক বই। দুপুরে বই না পড়লে ঘুমাতে পারি না, হিমু কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে ঘুমাই। মনে একধরনের ফূর্তি ফূর্তি ভাব বজায় থাকে।

হিমুর কাছ থেকে আমি শিখেছি মাইলের পর মাইল হাঁটাহাঁটি করা (অবশ্যই সেন্ডেল পায়ে)। এতে কখনো রিক্সা ভাড়া সাশ্রয় হয়, মন খারাপ থাকলে বা মন অস্থির থাকলে মন স্থির হয়, ব্যায়াম হয়, কখনো কিছু করার না থাকলে সময় কেটে যায়। আরেকটা ব্যাপার হয়েছে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে সেটা হলো মানুষ দেখা। একা হাঁটলে চারপাশের জগতকে ভালোভাবে অনুভব করা যায়। হাঁটতে গিয়ে বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন আচরণ চোখে পড়েছে, রাস্তার পাশে ঘর করে বাস করা মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের খণ্ড-খণ্ড চিত্র দেখেছি, মানুষের রাগ, মেজাজ, ভালোবাসা কিংবা ভালোমানুষী চোখে পড়েছে।

বিভিন্ন বিষয়েই হিমুর জ্ঞান। যেমন: সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি। হিমুর মানুষকে ভালোবাসার ব্যাপারটাও আমাকে মুগ্ধ করে। ভিক্ষুকের সাথে একত্রে বসে খিচুড়ি খাওয়ার ব্যাপারটা ভালো লাগলেও এই কাজটা আমি পারিনি আজতক। তবে একটা উপকার হয়েছে। দরিদ্র মানুষের বাড়ি গিয়ে মাটিতে বসে আরাম করে খেতে পারি। অথচ একজীবনে গ্রামে বেড়াতে গেলে আশপাশের কারো বাড়ি যেতাম না কেবল খেতে হবে বলে।

কিছু বদ কর্মও শিখেছি। যেমন : মানুষকে বিভ্রান্ত করা। মুখে মুখে কথা বলা মানে তর্ক করা। অদ্ভুত কিছু করে আনন্দ পাওয়া। এখন অবশ্য এসব থেকে নিজেকে বিরত রাখি কিন্তু এক সময় এসব করেছি মনে পড়লে অনুতপ্ত হই।

ছাত্রজীবনে হিমু পড়ে হাসতে হাসতে বলতাম, ফানি বয়! আর এখন হিমু পড়ে ভুরু কুঁচকে বলি, ফাজিল ছোকরা। থাপড়ায়ে দাঁত ফেলে দেয়া দরকার।


ক্লাসে হুমায়ূন



ক্লাস টেনে পড়ার সময় আমরা তুমুল হুমায়ূন আহমেদ পড়ি। ইসলাম শিক্ষার স্যার ছিলেন ভীষণ ভালো মানুষ। উনার ক্লাসে তুই-তিনজন একসাথে হুমায়ূন পড়তাম পাঠ্যবইয়ের তলায় রেখে। স্যার কোনোদিনই টের পাননি। টিফিন পিরিয়ডে বেঞ্চের উপর বই রেখে মোটমাট ৩/৪ জন মিলে একসাথে গোগ্রাসে সেটা গিলতাম। আমার পড়া হুমায়ূন আহমেদের ৫০তম বইটি পড়ি সে বছরই। বইয়ের নাম 'গৌরীপুর জংশন'।
উনার লেখা 'অমানুষ' বইটা পড়ে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। ভয় পেয়েছিলাম 'দ্য এক্সরসিস্ট' পড়ে। বেশি হেসেছিলাম 'এলেবেলে' আর 'বহুব্রীহি' পড়ে। 'বহুব্রীহি' তো ছিল আমার কাছে মেডিসিনের বিকল্প। বন্ধুদের কারো অসুখ হলে এই বইটা পড়তে দিতাম। খুব কেঁদেছিলাম 'নন্দিত নরকে' পড়ে। বেশি পড়েছি 'দ্বৈরথ'। এই বইটা প্রতি জন্মদিনের সকালে পড়ে দিন শুরু করতাম। মজার ব্যাপার হলো এই বই নিয়ে আমার ভেতর এমন ঘোর কাজ করতো যে একবার হুমায়ূন আহমেদকে ভয়েস মেসেজে জানিয়েছিলাম, উনি যদি কোনোদিন 'দ্বৈরথ' নিয়ে মুভি বানান তাহলে সোমা চরিত্রটা আমাকেই দিতে হবে।

এখনো আমি হুমায়ূন আহমেদ পড়ি। কতো কতোবার পড়া বই তবু দমবন্ধ করে পড়ি। উনার নাটক, মুভি বারবার দেখলেও ক্লান্তি আসে না।


...এবং বাবা



হুমায়ূন আহমেদের ব্যক্তিগত জীবনের একটা অধ্যায় নিয়ে যখন তুমুল হট্টগোলময় অবস্থা, আমি চুপ ছিলাম। এটাকে কি বলে জানি না। আমি এই বিষয়টাতে বরাবরই দ্বিধাময় অস্বস্তিতে পড়ে যেতাম। কারণ আমার কল্পনার জগতে এই লেখকটাই যে বাবা হয়ে দিনের পর দিন ছায়া দিয়েছেন। সঙ্গ দিয়েছেন। আমার ১৫ বছর বয়সে যখন আব্বা মারা যান, ব্যাপারটা আমি নিতে পারিনি। বিশ্বাসও করতে পারতাম না যেন। সে সময়ই হুমায়ূন আহমেদ লিখতেন উনার কন্যাদের কথা। উনার বইগুলোতেও থাকতো অসাধারণ পিতার চরিত্র। সেইসব বাবারা কেমন করে যেন আমার বাবা হয়ে যেতেন জানি না।

২০০৭ সালের দিকে আমার এক বন্ধু যিনি হুমায়ূন আহমেদের কাছের মানুষদের একজন, তার কাছ থেকে মোবাইল নাম্বার নিয়ে এসএমএস করেছিলাম। লিখেছিলাম, বাবা বাবা...। আমাকে অবাক করে দিয়ে উনি পাল্টা উত্তরে লিখেছেন, ডটার, আমি ভালো আছি। আরেকদিন লিখেছিলেন, একদিন নুহাশ পল্লীতে এসে সারাদিন বেড়িয়ে যাও।

উনি মারা গেছেন এটা শোনার পর চিৎকার করে কাঁদতে গিয়েও পারিনি। নিজের জন্মদাতা পিতার মৃত্যতেও তাই হয়েছিল। সারাটা শরীর কাঁদছিল কিন্তু চোখে পানি নেই। টেলিভিশনের সামনে উবু হয়ে বসেছিলাম সারাক্ষণ। কফিনের দিকে অপলক তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ টের পেলাম, আমি দ্বিতীয়বারের মতো বাবাহারা হলাম।


*হুমায়ূন*
ছবি

ঋষিত: ফটো পোস্ট করেছে

হুমায়ূন আহমেদ

*হুমায়ূন_আহমেদ* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ূন*

ঋষিত: পৃথিবীতে কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়...... কষ্ট যেমন চিরস্থায়ী নয়, আবার সুখ ও চিরস্থায়ী নয়। ------- হুমায়ূন আহমেদ।

*হুমায়ূন_আহমেদ* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ূন*

ঋষিত: হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায় । সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে। ----------- হুমায়ূন আহমেদ।

*হুমায়ূন_আহমেদ* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ূন*

ঋষিত: তুমি একটি খারাপ কাজ করেছ তার মানে তুমি একজন মানুষ। আর এখন তুমি কাজটির জন্য লজ্জিত তার মানে,তুমি একজন ভাল মানুষ। ---- হুমায়ূন আহমেদ।

*হুমায়ূন_আহমেদ* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ূন*

ঋষিত: “বিবাহ এবং মৃত্যু এই দুই বিশেষ দিনে লতা-পাতা আত্মীয়দের দেখা যায়। সামাজিক মেলামেশা হয়। আন্তরিক আলাপ আলোচনা হয়।” ------- হুমায়ূন আহমেদ ।

*হুমায়ূন_আহমেদ* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ূন*

ঋষিত: “যে মানব সন্তান ক্ষুদ্র কামনা জয় করতে পারে সে বৃহৎ কামনাও জয় করতে পারে।” ------------হুমায়ূন আহমেদ

*হুমায়ূন_আহমেদ* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ূন*

দীপ্তি: যার রাগ বেশি সে নিরবে অনেক ভালোবাসতে জানে, যে নিরবে ভালোবাসতে জানে তার ভালোবাসার গভীরতা বেশি,আর যার ভালোবাসার গভীরতা বেশি তার কষ্টও অনেকবেশি l --------------- হুমায়ূন আহমেদ

*সেরামবচন* *হুমায়ূন*

কবি: অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল হুমায়ূন আহমেদ এর "কোথাও কেউ নেই" পড়ার। তবে এইটা বেশ আলোচিত গল্প দেখে, চরিত্রগুলো সবার মুখে মুখে... একটু ঠাণ্ডা মেজাজে পড়তে চাচ্ছিলাম! আজকে মনে হয় সেইরকম একটা সময় :)

*হুমায়ূন*

কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হুমায়ন আহমেদ... হুম, একটা নাম! কারো কাছে গল্পের যাদুকর, কারো কাছে এক সস্তা লেখক। তিনি কি ছিলেন, আমি সেই তর্কে যাবনা। তবে আজ তার মৃত্যুদিনে আমি এই জন্যেই তাকে স্মরণ করবো, কারন আমার বিরক্তিকর দুপুরগুলো কে অসাধারণ করে তোলার জন্য!

সস্তা লেখা নাকি ক্লাসিক এতশত ভাবিনি কখনো, শুধু ভেবেছিলাম হিমু হওয়া দরকার। হিমু হতে না পারলে জীবনটা মনে হয় বৃথা। কিন্তু তারপরে যখন "সবাই গেছে বনে" বইটা পড়লাম, জীবনটা তখন সত্যিই কেমন জানি লাগতেছিল। আসলেই কি পড়ালেখা, চাকরি এর মাঝেই জীবন? এরকম প্রশ্ন মাথায় চলে আসছিল।তারপরে শুভ্র যখন পড়লাম, আহা বেচারা সারাদিন আমার মত কম্পিউটার চাপে আর মায়ের বকা শোনে।

যারা ক্লাসিক ক্লাসিক নাচে, তারা ক্লাসিক হিসাবে মানে কিনা জানিনা... তবে আমাকে যদি আমার পড়া সেরা ৫বাংলা উপন্যাস এর তালিকা করতে দেন আমাকে অবশ্যই "এইসব দিনরাত্রি" রাখতে হবে। যারা উপন্যাসটা পড়েছেন, তারা সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছে হুমায়ন আহমেদ একটা বাজে লোক! কি দরকার ছিল টুনির ক্যান্সারে মরে যাওয়ার! কি হত যদি মাস্টার সাহেব তার সুখি নীলগঞ্জ দেখে মারা যেত?

আর "জোছনা ও জননীর গল্প" নিজের জীবন + ইতিহাস + এতগুলা চরিত্র এবং ঘটনা, সত্যি অসাধারণ একটা বই ছিল... কথা হচ্ছে, এত কথা না লিখলেও হয়... যারা হুমায়ন আহমেদ কি জানে তাদের কাছে তার পরিচয় দিয়ে কোন লাভ নেই! আর যারা চিনেনা তাদের কাছে চিরকাল অজানাই থাক...

তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চাইলে আরও অনেক অনেক কিছু লিখতে পারতাম, নিচে এসে দেখি মিসির আলীকেই উল্লেখ করা হয়নাই, রুপা বাদ গেছে... আরও বহু বহু কিছু... তবুও আমাদের কিছু ভাইয়েরা বলবে, "he is over rated according to his job . " আফসোস! শেষ করার আগে তারই কিছু লাইন,
"পৃথিবীতে ফিনিক ফোটা জোছনা আসবে,
শ্রাবন মাসে টিনের চালে বৃষ্টির সেতার বাজবে!
সেই অলৌকিক সঙ্গীত শোনার জন্য আমি থাকবো না...
কোন মানে হয়..?"
*হুমায়ুন* *হুমায়ূন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★