হুমায়ুন আজাদ

হুমায়ুন-আজাদ নিয়ে কি ভাবছো?

Mahi Rudro: . ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল, ভালো থেকো। ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালি গান, ভালো থেকো। ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা। ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা। ভালো থেকো।

*ভালোথেকো* *হুমায়ুন-আজাদ*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

“আগে কাননবালারা আসতো পতিতালয় থেকে আর এখন আসে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে”- হুমায়ুন আজাদ
এই প্রবচনটি নিয়ে ৯০ দশকে প্রচুর পরিমাণে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়; সমালোচিত; বিতর্কিত হয়।

হুমায়ুন আজাদ নিজেই ব্যাখ্যা করেছিলেন, ““কাননবালা ছিলেন এক সময়ের বিখ্যাত অভিনেত্রী; প্রখ্যাত নায়িকা। আমাদের বাঙলায় অভিনয়ের যে ইতিহাস, তাতে দেখা যায় পতিতা পল্লী থেকেই প্রথম নায়িকাদের মঞ্চে  নেয়া হয়েছে। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েদের অভিনয় করতে দেয়া হতো না। কিন্তু আজকাল তো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেয়েরা চলচিত্রে যাচ্ছে, অভিনয় করছে এবং সারা পৃথিবীতে এখন প্রায় সবাই অভিনেত্রী হওয়ার জন্য পাগল। অনেকে কাননবালা কথাটির অর্থই বোঝে নি, তারা ভেবেছে কাননবালা বলতে আমি সহরাওয়ার্দি উদ্যানের রাতের মেয়েদের বুঝিয়েছি- মুর্খদের নিয়ে এই বিপদ। কানন বালা বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তার অর্থ যারা বিভ্রান্ত হয়েছিলেন তারা ভুল অর্থ করেছিলেন। আমি বিস্মিত হয়ে লক্ষ্য করেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পন্ডিতেরাও কাননবালা কথাটির অর্থ বোঝেন নি। প্রবচনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণীদের সম্পর্কে ছিল না, ছিল তাদের সম্পর্কে যারা অভিনেত্রী হওয়াকেই মনে করে জীবনের স্বার্থকতা। এমন একটা সাংস্কৃতিক রোগ ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে যে অভিনেত্রী হতে না পারলে সব বৃথা। আমাদের অসুস্থ বুর্জোয়া শ্রেণীটি অর্থের মূল্যের থেকে বাহ্যিক ঝলসানোকেই বেশি দাম দেয়; মেধাবী ছাত্রীটির থেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে অভিনেত্রী ছাত্রীটিকে। আমি এর বিরুদ্ধে। অভিনেত্রী হওয়ার জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার দরকার পড়ে না, যে অভিনেত্রী হতে চায় তার সরাসরি অভিনেত্রী হওয়ার চেষ্টা করাই উচিত, এতে গরীব দেশের অর্থের অপচয়ও কমে। বিশ্ববিদ্যালয় অভিনেত্রী তৈরির স্থান নয, জ্ঞানী তৈরির স্থান। অভিনেত্রী হচ্ছে পুরুষতন্ত্রের ভোগ্যপন্য, আমি চাই না আমার ছাত্রী ভোগ্যপন্য হোক। ”

--------------------------------------হুমায়ুন আজাদ'র পেইজ থেকে
ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল, ভালো থেকো।
ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালি গান, ভালো থেকো।
ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা।
ভালো থেকো পাখি সবুজ পাতারা।
ভালো থেকো

চর, ছোট কুড়ে ঘর, ভালো থেকো।
ভালো থেকো চিল, আকাশের নীল, ভালো থেকো।
ভালো থেকো পাতা, নিশির শিশির।
ভালো থেকো জল, নদীটির তীর।
ভালো থেকো গাছ, পুকুরের মাছ, ভালো থেকো।
ভালো থেকো কাক কুহুকের ডাক, ভালো থেকো।
ভালো থেকো মাঠ, রাখালের বাশিঁ।
ভালো থেকো লাউ, কুমড়োর হাসি।
ভালো থেকো আম, ছায়া ঢাকা গ্রাম, ভালো থেকো।
ভালো থেকো ঘাস, ভোরের বাতাস, ভালো থেকো।
ভালো থেকো রোদ, মাঘের কোকিল,
ভালো থেকো বক আড়িয়ল বিল,
ভালো থেকো নাও, মধুমতি গাও,ভালো থেকো।
ভালো থেকো মেলা, লাল ছেলেবেলা, ভালো থেকো।
ভালো থেকো, ভালো থেকো, ভালো থেকো।

,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,
ভালো থাকুন আজাদ স্যার,,,
ভালো থাকুক আপনার চিন্তা,,,,,
,,(বৃষ্টি),,,ভালো থাকুক আপনার বোধের অষ্টপ্রহর প্রহরায়,,,,,(বৃষ্টি),,,
ভালো থাকুক,,,,,(বৃষ্টি),,,
*হুমায়ুন-আজাদ* *বোধ* *নারী* *পুরুষতন্ত্র*

বিম্ববতী: প্রিয়তমা, তুমি হাতখানি রাখো আমার গুমোট বুকে। শুনতে পাচ্ছো শব্দ? কে যেনো হাতুড়ি ঠুকে চলছে? সেখানে এক মিস্ত্রি থাকে,যে বানিয়ে চলেছে এক শবাধার । কার জন্যে জানো?—– আমার, আমার । উল্লাসে বিদ্বেষে নিরন্তর সে হাতুড়ি ঠুকছে দুই হাতে, কিছুতে ঘুমোতে পারছিনা আমি, দিনে কিংবা রাতে। মিস্ত্রি, দ্রুত করো, তুমি কাজ শেষ করো তাড়াতাড়ি, ,,,,(বৃষ্টি),,,,যাতে আমি অবশেষে শান্তিতে ঘুম যেতে পারি,,,,,(বৃষ্টি),,,

*জল-ডুব* *হেনরিক-হাইনে* *হুমায়ুন-আজাদ* *কবিতা*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অজস্র জন্ম ধরে
আমি তোমার দিকে আসছি,,,(মেঘ),,,,
,,,,কিন্তু পৌঁছুতে পারছি না,,,,,,,,,,,(মেঘ),,,,
তোমার দিকে আসতে আসতে
আমার এক একটা দীর্ঘ জীবন ক্ষয় হয়ে যায়
পাঁচ পঁয়সার মোম বাতির মত,,,,

আমার প্রথম জন্মটা কেটে গিয়েছিলো
শুধু তোমার স্বপ্ন দেখে দেখে,
,,,,,এক জন্ম আমি শুধু তোমার স্বপ্ন দেখেছি,,,,,(মেঘ),,,
আমার দুঃখ,
তোমার স্বপ্ন দেখার জন্যে
আমি মাত্র একটি জন্ম পেয়েছিলাম,,,,,

আরেক জন্মে
,,,আমি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পরেছিলাম তোমার উদ্দেশ্য,,,,,,,(মেঘ),,,,
পথে বেরিয়েই আমি পলি মাটির উপর আকাঁ দেখি
তোমার পায়ের দাগ
তার প্রতিটি রেখা
আমাকে পাগল করে তোলে,,,,
ঐ আলতার দাগ,আমার চোখ,আর বুক আর স্বপ্নকে
এতো লাল করে তুলে,,,,,(মেঘ),,,,
যে আমি তোমাকে সম্পূর্ন ভুলে যাই,,,,
,,,,ঐ রঙ্গীন পায়ের দাগ প্রদক্ষীন করতে করতে
আমার ঐ জন্মটা কেটে যায়,,,,,(মেঘ),,,,

আমার দুঃখ !
মাত্র একটি জন্ম
আমি পেয়েছিলাম
সুন্দর কে প্রদক্ষীন করার,,,,

আরেক জন্মে
তোমার কথা ভাবতেই-
আমার বুকের ভিতর থেকে সবচে দীর্ঘ
আর কোমল,আর ঠাণ্ডা নদীর মত
কি যেন প্রবাহিত হতে শুরু করে,,,,(মেঘ),,,,(মেঘ),,,,
সেই দীর্ঘশ্বাসে তুমি কেঁপে উঠতে পারো ভেবে
,,,,,আমি একটা মর্মান্তিক দীর্ঘশ্বাস বুকে চেপে
কাটিয়ে দেই সম্পুর্ন জন্মটা,,,,,,,(মেঘ),,,,
আমার দুঃখ ,আমার কোমলতম দীর্ঘশ্বাসটি ছিল
মাত্র এক জন্মের সমান দীর্ঘ,,,

আমার ষোঁড়শ জন্মে
একটি গোলাপ আমার পথ রোধ করে,
,,,,,আমি গোলাপের সিঁড়ি বেয়ে তোমার দিকে উঠতে থাকি,,,,,(মেঘ),,,
উঁচুতে ! উঁচুতে !! আরো উঁচুতে !!!
আর এক সময় ঝড়ে যাই চৈত্রের বাতাসে,,,

আমার দু:খ মাত্র একটি জন্ম
আমি গোলাপের পাপঁড়ি হয়ে
,,,,তোমার উদ্দেশ্য ছড়িয়ে পরতে পেরেছিলাম,,,,,,,,,(মেঘ),,,,

এখন আমার সমস্ত পথ জুড়ে
,,,টলমল করছে একটি অশ্রু বিন্দু,,,,,(মেঘ),,,(মেঘ),,,,

ঐ অশ্রু বিন্দু পেরিয়ে এ জন্মে হয়তো
,,,,,,(বৃষ্টি),,,,আমি তোমার কাছে পৌঁছুতে পারবনা,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,
তাহলে ,আগামী জন্ম গুলো আমি কার দিকে আসবো ?

----------------------------হুমায়ুন আজাদ








*জল-ডুব* *হুমায়ুন-আজাদ* *কবিতা*

বিম্ববতী: আমাকে ভালবাসার পর আর কিছুই আগের মত থাকবে না তোমার,,,,,,,,(বৃষ্টি),,, শহর আর সভ্যতার ময়লা স্রোত ভেঙে তুমি যখন চৌরাস্তায় এসে ধরবে আমার হাত,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,, তখন তোমার মনে হবে এ-শহর আর বিংশ শতাব্দীর জীবন ও সভ্যতার নোংরা পানিতে একটি নীলিমা-ছোঁয়া মৃণালের শীর্ষে তুমি ফুটে আছো এক নিষ্পাপ বিশুদ্ধ পদ্ম,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,, পবিত্র অজর,,,,(বৃষ্টি),,,,,

*জল-ডুব* *হুমায়ুন-আজাদ* *কবিতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★