হেলথ টিপস

হেল্‌থটিপস নিয়ে কি ভাবছো?
৫/৫

লিজা : বরবটির যত গুন- বরবটি পুষ্টিমান সমৃদ্ধ একটি সবজি- এর ভিটামিন'কে' অষ্টিওআর্থরাইটিস-এর সমস্যা থেকে অস্থিসন্ধিকে সুরক্ষা দেয়।এটি উচ্চ রক্ত চাপ ও বুকজ্বালা নিবারণ করে। এতে যথেষ্ট আয়রন থাকে। এতে থাকা এন্টিঅক্সিজেন শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেয়।ফলে সহজে শরীরে চর্বি জমতে পারে না।

*টিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেল্‌থটিপস* *বরবটি* *হেলদিফুড*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

অটিস্টিক শিশুরা কোন না কোন বিষয়ে পারদর্শী হয়। তা আবার সুস্থ অনেক শিশুর চেয়েও ভাল ফলাফল করে দেখাতে সক্ষম হয়। পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে অবশ্যই অত্যন্ত ধৈর্য্য, ভালবাসা, উদারতামূলক মনোভাব নিয়ে এদের সাথে কাজ করতে হবে। সেই জন্য যা দরকার তা হলো প্রথমে শিশুটিকে বিশেষ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করতে হবে। তার জন্য দরকার বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সেখানে অবশ্যই শিশুকে পাঠিয়ে মা, বাবা বা পরিবারের সদস্যরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে সহযোগিতা করতে হবে। শিশুর মূল সমস্যা চিহ্নিত করে, তা সমাধানের জন্য সহযোগিতা মূলক মনোভাব প্রদর্শন করতে হবে। অটিজম শিশুকে নিজের ঘরের বাহিরে সেটা স্কুল হোক বা সামাজিক কোন পরিবেশ হোক বা বিনোদন কেন্দ্র হোক সব জায়গাতেই যেন শিশুটি খাপ খাওয়াতে পারে তার জন্য বিশেষভাবে পরিবারকে সচেতন হয়ে শিশুকে তৈরি করে পাঠাতে হবে। তবেই, সমাজের সহযোগিতামূলক আচরণ ফলপ্রসু হয়ে শিশুটির মেধার বিকাশের ক্ষেত্রে উপকার হবে।

অটিজম শিশুদের খাদ্য তালিকা নিয়ে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে গবেষণা করে দেখা গেছে আবার অনেক অটিস্টিক ব্যক্তির নিজের অভিজ্ঞতামূলক উক্তির মাধ্যমে জানা গেছে, অনেকগুলো খাদ্য তাদের আচরণগত সমস্যা ঘটায়, অস্থিরতা বাড়ায়, আক্রমণাত্মক করে তোলে, ঘুম কমিয়ে দেয়, ইত্যাদি আরও সমস্যা দেখা দেয়। সেই খাদ্যগুলো হল ময়দা, চিনি, দুধ, টেস্টিং সল্ট জাতীয় খাদ্য। প্রিজারভেটিভ জাতীয় খাদ্য, সাগরের মাছ, চর্বি জাতীয় খাদ্য ইত্যাদি।প্রত্যেক পরিবারে মা-বাবা বা অন্য সদস্যরা মনেপ্রাণে হয়ত আশা করছেন বাচ্চাটির অস্থিরতা কমুক, কিন্তু খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন না করলে এর ফল থেকে বঞ্চিত হবেন।
 এবার আসা যাক নিয়মানুবর্তিতার কথায়। এই অটিজম শিশুরা খুব বেশি নিয়মমাফিক চলতে পছন্দ করে। তাদেরকে খুব ছোট বেলা থেকে রুটিন মাফিক প্রত্যেকটি কাজ ঘড়ি ধরে করালে এবং কোন কাজটার পর কোন কাজটা হবে? তাকে কি করতে হবে, কোথায় যেতে হবে, কতক্ষণ থাকতে হবে এই কথাগুলো রুটিন সাজিয়ে সবসময় তার ভিতরে পূর্ব থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রচেষ্টা চালালে তার অস্থিরতা কমে যাবে। কারণ সে অভ্যস্থ হয়ে পড়বে কখন কোন্‌ সময় তাকে কি করতে হবে। তা তার ভিতরের ঘড়ির সময়ই তাকে বলে দেবে।
নিয়মানুবর্তিতা আমাদের সকলের জীবনে এমন একটা জিনিস যার ফলাফল খুবই মিষ্টি হয়। অটিজম শিশুকে বোঝা মনে না করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ব্যায়াম, অকুপেশান থেরাপি, নিয়মানুবর্তিতা, ভালবাসা ইত্যাদি দিয়ে সামাজিক পরিবেশে মেশার উপযুক্ত করে ছেড়ে দিলে সেখান থেকে সমাজের মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতা পেয়ে তার অটিজম ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তবে সেই কাজটির সিংহভাগ মা-বাবাই করতে হবে। পরিবারের যেই সদস্য বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের যেই সহকারী বা প্রশিক্ষক ধৈর্য্য সহকারে বা অটিজম ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি না জেনে তার সাথে কথা বলতে আসবে সেই সদস্য বা শিক্ষক সহকারী অটিজম শিশুটির জন্য বিপদজনক হবে। সেইদিকে পরিবার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান এদের সকলেরই বিশেষ নজরদারীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অটিজম শিশুদের সাথে খুব যত্নের সাথে কাজ করলে যেমন খুব ভাল কিছু দেখাতে পারে আবার অবহেলা বা মিসম্যানেজমেন্টের কারণে তাদের মেধার বিকাশ থেমে যায়।

পরিশেষে বলব আমরা বাঙালিরা উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে পারিবারিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে অনেক বেশি দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করি না এটা আমাদের সামাজিক রীতি নীতির প্রচলিত প্রথা। সেই কারণে অটিস্টিক শিশুটিকে পারিবারিক বন্ধনে রাখার সুযোগ অন্য দেশের চেয়ে এই দেশে বেশি হয়। একটি অটিজম পরিবার যেন গোটা দেশের প্রতিটি পরিবারেরই দায়বদ্ধতা এই মনোভাব সবার মধ্যে বিস্তার লাভ করুক। আল্লাহ প্রদত্ত এই বিশেষ শিশুগুলোকে নিয়ে কাজ করলে এর পুরস্কার নিশ্চয়ই আল্লাহ দিবেন। তবে আল্লাহ পাঠিয়েছেন আল্লাহ দেখবেন এই মনোভাব না রেখে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে। আল্লাহ তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করেন।কোন না কোন বিষয়ে পারদর্শী হয়। তা আবার সুস্থ অনেক শিশুর চেয়েও ভাল ফলাফল করে দেখাতে সক্ষম হয়। পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে অবশ্যই অত্যন্ত ধৈর্য্য, ভালবাসা, উদারতামূলক মনোভাব নিয়ে এদের সাথে কাজ করতে হবে। সেই জন্য যা দরকার তা হলো প্রথমে শিশুটিকে বিশেষ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করতে হবে। তার জন্য দরকার বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সেখানে অবশ্যই শিশুকে পাঠিয়ে মা, বাবা বা পরিবারের সদস্যরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে সহযোগিতা করতে হবে। শিশুর মূল সমস্যা চিহ্নিত করে, তা সমাধানের জন্য সহযোগিতা মূলক মনোভাব প্রদর্শন করতে হবে। অটিজম শিশুকে নিজের ঘরের বাহিরে সেটা স্কুল হোক বা সামাজিক কোন পরিবেশ হোক বা বিনোদন কেন্দ্র হোক সব জায়গাতেই যেন শিশুটি খাপ খাওয়াতে পারে তার জন্য বিশেষভাবে পরিবারকে সচেতন হয়ে শিশুকে তৈরি করে পাঠাতে হবে। তবেই, সমাজের সহযোগিতামূলক আচরণ ফলপ্রসু হয়ে শিশুটির মেধার বিকাশের ক্ষেত্রে উপকার হবে।
 শুধু অটিজম নয় সুস্থ স্বাভাবিক একজন মানুষ থেকে আমরা প্রথমে যেটা আশা করি, তা হল সে মানুষটির ভাল আচরণ। অটিজম শিশুর ক্ষেত্রেও আচরণগত সমস্যাগুলো যত লোপ পাবে তত বেশি সে সামাজিক হয়ে উঠবে এবং প্রশিক্ষণ নিতে সক্ষম হবে। সেইক্ষেত্রে অটিজম শিশুদের খাদ্য তালিকা নিয়ে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে গবেষণা করে দেখা গেছে আবার অনেক অটিস্টিক ব্যক্তির নিজের অভিজ্ঞতামূলক উক্তির মাধ্যমে জানা গেছে, অনেকগুলো খাদ্য তাদের আচরণগত সমস্যা ঘটায়, অস্থিরতা বাড়ায়, আক্রমণাত্মক করে তোলে, ঘুম কমিয়ে দেয়, ইত্যাদি আরও সমস্যা দেখা দেয়। সেই খাদ্যগুলো হল ময়দা, চিনি, দুধ, টেস্টিং সল্ট জাতীয় খাদ্য। প্রিজারভেটিভ জাতীয় খাদ্য, সাগরের মাছ, চর্বি জাতীয় খাদ্য ইত্যাদি।

প্রত্যেক পরিবারে মা-বাবা বা অন্য সদস্যরা মনেপ্রাণে হয়ত আশা করছেন বাচ্চাটির অস্থিরতা কমুক, কিন্তু খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন না করলে এর ফল থেকে বঞ্চিত হবেন। এবার আসা যাক নিয়মানুবর্তিতার কথায়। এই অটিজম শিশুরা খুব বেশি নিয়মমাফিক চলতে পছন্দ করে। তাদেরকে খুব ছোট বেলা থেকে রুটিন মাফিক প্রত্যেকটি কাজ ঘড়ি ধরে করালে এবং কোন কাজটার পর কোন কাজটা হবে? তাকে কি করতে হবে, কোথায় যেতে হবে, কতক্ষণ থাকতে হবে এই কথাগুলো রুটিন সাজিয়ে সবসময় তার ভিতরে পূর্ব থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রচেষ্টা চালালে তার অস্থিরতা কমে যাবে। কারণ সে অভ্যস্থ হয়ে পড়বে কখন কোন্‌ সময় তাকে কি করতে হবে। তা তার ভিতরের ঘড়ির সময়ই তাকে বলে দেবে।

নিয়মানুবর্তিতা আমাদের সকলের জীবনে এমন একটা জিনিস যার ফলাফল খুবই মিষ্টি হয়। অটিজম শিশুকে বোঝা মনে না করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ব্যায়াম, অকুপেশান থেরাপি, নিয়মানুবর্তিতা, ভালবাসা ইত্যাদি দিয়ে সামাজিক পরিবেশে মেশার উপযুক্ত করে ছেড়ে দিলে সেখান থেকে সমাজের মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতা পেয়ে তার অটিজম ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তবে সেই কাজটির সিংহভাগ মা-বাবাই করতে হবে। পরিবারের যেই সদস্য বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের যেই সহকারী বা প্রশিক্ষক ধৈর্য্য সহকারে বা অটিজম ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি না জেনে তার সাথে কথা বলতে আসবে সেই সদস্য বা শিক্ষক সহকারী অটিজম শিশুটির জন্য বিপদজনক হবে। সেইদিকে পরিবার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান এদের সকলেরই বিশেষ নজরদারীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অটিজম শিশুদের সাথে খুব যত্নের সাথে কাজ করলে যেমন খুব ভাল কিছু দেখাতে পারে আবার অবহেলা বা মিসম্যানেজমেন্টের কারণে তাদের মেধার বিকাশ থেমে যায়।

পরিশেষে বলব আমরা বাঙালিরা উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে পারিবারিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে অনেক বেশি দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করি না এটা আমাদের সামাজিক রীতি নীতির প্রচলিত প্রথা। সেই কারণে অটিস্টিক শিশুটিকে পারিবারিক বন্ধনে রাখার সুযোগ অন্য দেশের চেয়ে এই দেশে বেশি হয়। একটি অটিজম পরিবার যেন গোটা দেশের প্রতিটি পরিবারেরই দায়বদ্ধতা এই মনোভাব সবার মধ্যে বিস্তার লাভ করুক। আল্লাহ প্রদত্ত এই বিশেষ শিশুগুলোকে নিয়ে কাজ করলে এর পুরস্কার নিশ্চয়ই আল্লাহ দিবেন। তবে আল্লাহ পাঠিয়েছেন আল্লাহ দেখবেন এই মনোভাব না রেখে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে। আল্লাহ তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করেন। সুত্রঃ ইন্টারনেট

*অটিজম* *স্বাস্থ্যকথা* *হেল্‌থটিপস* *টিপস*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

 ১. আপনার মস্তিষ্ক রঙ পছন্দ করে। রঙিন কলম ব্যবহার করুন ভালো মানের, জেল পেন নয়। কিংবা ব্যবহার করুন রঙিন কাগজ। রঙ স্মরণ রাখতে সাহায্য করে।


২. আপনার মস্তিষ্ক কার্যকরভাবে মনোযোগী হতে পারে একটানা ২৫ মিনিট। এ সময় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। অতএব প্রতি আধা ঘণ্টা পড়াশোনার পর ১০ মিনিট করে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন। এ সময় উঠানে যেতে পারেন, একটা শার্ট ইস্ত্রি করতে পারেন, ঘরদোর পরিষ্কার করতে পারেন।


৩. দ্রুত শিখতে ও সর্বোত্তম উপায়ে স্মরণে রাখার জন্য মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিতে হয়। পরিশ্রান্ত হলে ২০ মিনিট বিশ্রাম নিন। নইলে পড়াশোনার সময় নষ্ট করা হবে।


৪. আপনার মস্তিষ্ক একটি মোটরের মতো। এর জন্য জ্বালানি প্রয়োজন। আপনি নিশ্চয়ই ময়লা জ্বালানি দেবেন না আপনার মোটর গাড়িতে। অতএব মস্তিষ্ক তো আরো মূল্যবান। অতএব মগজকে যথাযথ খাবার দিতে হবে। জাঙ্ক ফুড, কৃত্রিম খাবার, রাসায়নিক আপনার দেহ ও মনকে দুর্বল করে দেবে। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, আপনার খাবার আপনার আইকিউ’র ওপর প্রভাব ফেলে।


৫. আপনার মস্তিষ্ক ইলেকট্রো কেমিক্যাল কর্মকাণ্ডের এক সাগরের মতো। বিদ্যুৎ ও রাসায়নিক উভয়ই পানিতে ভালোভাবে প্রবাহিত হয়। অতএব আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। পানি আর কৃত্রিম পানীয় কিন্তু এক নয়।


৬. আপনার মস্তিষ্ক প্রশ্ন পছন্দ করে। যখন ক্লাসে প্রশ্ন করেন কিংবা একটা বই পড়েন, মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে জবাব খোঁজে। এতে শেখা হয় দ্রুত।


৭. মস্তিষ্ক ও দেহের মধ্যে আছে ছন্দচক্র। দিনের মধ্যে এমন সময় আছে যখন আপনি অধিকতর সচেতন থাকেন। আপনি শেখার সময় বাঁচাতে পারবেন, যদি পড়াশোনা করেন আপনার পিক পিরিয়ডে।


৮. শরীর ও দেহ যোগাযোগ রক্ষা করে অব্যাহতভাবে। পড়ার সময় বসে সামনে ঝুঁকে থাকুন এতে মন সচেতন থাকে। ভালো মানের মানানসই চেয়ার ব্যবহার করুন।


৯. গন্ধ মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্ককে সচল রাখতে অ্যারোমা থেরাপি ব্যবহার করুন। পিপারমেন্ট, লেমন ও সিনেমন নিয়ে পরীক্ষা চালাতে পারেন।


১০. মস্তিষ্কের প্রয়োজন অক্সিজেন। বাইরে যান, ব্যায়াম করুন।


১১. মস্তিষ্ক সুপরিসর স্থান চায়। আঁটসাঁট জায়গায় পড়তে বসবেন না।


১২. মস্তিষ্ক চায় আপনার পড়ার জায়গাটা সাজানো-গোছানো হোক। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, সুশৃঙ্খল সাজানো-গোছানো জায়গায় বেড়ে ওঠা শিশুরা লেখাপড়ায় ভালো করে। কারণ বাইরের শৃঙ্খলা থেকে মস্তিষ্ক অভ্যন্তরীণ জ্ঞানকেও সাজাতে শেখে।


১৩.মগজের গর্তের ভেতরের কোষগুলো স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি তথ্য জমা করে। কার্টিসল তা ধ্বংস করে দেয়। পাউনের সময় কার্টিসল জন্ম নেয়। অতএব মানসিক পাউন স্মৃতিতে আঘাত হানে। ব্যায়াম করে তা থেকে মুক্ত হোন।


১৪.মস্তিষ্ককে আপনি না বললে মস্তিষ্ক কিছুই জানে না। আপনি তাকে কী বলছেন? নিজের কথা নিজে শুনুন। নেতিবাচকতা থামান। এর বদলে আনুন আরো ইতিবাচক ও উৎসাহব্যঞ্জক কথা।

সূত্রঃ ইন্টারনেট
*টিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *ব্রেন* *হেল্‌থটিপস*

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল: অনেকেই জানে না জামের বীজ এর উপকারিতা। জামের বীজের মধ্যে রয়েছে জাম্বলিন নামে গ্লুকোসাইট। গ্লুকোসাইট স্টার্চকে শর্করাতে রূপান্তরের হাত থেকে বাঁচায় যা নারী-পুরুষের মেহ রোগ নিয়ন্ত্রণ করে।

*হেল্‌থটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★