হেয়ারস্টাইল

হেয়ারস্টাইল নিয়ে কি ভাবছো?

পূজা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কার্লি চুল স্ট্রেইট করার ঘরোয়া কোনো পদ্ধতি আছে কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*চুলেরযত্ন* *হেয়ারস্টাইল* *কোঁকড়াচুল* *কার্লিচুল*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিন সকালে হাজার ব্যস্ততার মাঝে খুব সহজ এবং মাত্র ৫ মিনিটেই আপনি নিজেই কোন পার্লারে না গিয়েই ঘরে বসে এই হেয়ার স্টাইলটি ট্রাই করে দেখতে পারেন। হেয়ারস্টাইলের নাম ব্যালেরিনা বান।

আসুন জেনে নেই সুন্দর ব্যালেরিনা বান কিভাবে করতে হয় –

হেয়ার স্টাইল উপকরনঃ

  • চিরুনি
  • কিছু ববি পিন
  • দুটি ইলাস্টিক হেয়ার ব্যান্ড
  • মিডিয়াম হোল্ড হেয়ার স্প্রে

পদ্ধতিঃ

সবার প্রথমে আবশ্যই চুল অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে। কোন হেয়ার স্টাইল করার আগে চুলের সব জট ছাড়িয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে চুলগুলো দুই ভাগে বা তিনভাগে ভাগ করে জট ছাড়িয়ে নিন। এতে চুলের জট ছাড়াতে কোনোরকম ঝামেলা হবে না। মাথার সামনের এক সাইডে বা চাইলে মাঝে ২ ইঞ্চির মত সিঁথি করে কিছু চুল আলাদা করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিতে পারেন। আর বাকি চুলগুলো সব আঁচড়ে পিছন দিকে ছবির মত করে উচুতে একটি পনিটেল করুন। চুলের কালারের সাথে মিলিয়ে কাল বা ট্রান্সপারেন্ট ইলাস্টিক ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারে।

  • এই ধাপে পনিটেল এবং সামনের আলাদা করা চুল নিয়ে আমরা ফ্রেঞ্চ বেণী করব। বেণী করার জন্য তো তিন ভাগ চুল লাগে, সেই মোতাবেক আমরা সামনের চুল থেকে দুই ভাগ চুল এবং পনিটেল থেকে একভাগ চুল নিব। এবার বেণীর করতে থাকেন। সামনের থেকে একটু চুল নিয়ে আর পনিটেল থেকে সামান তালে চুল নিয়ে ফ্রেঞ্জ বেণী করুন।
  • দুপাশ থেকে ফ্রেঞ্চ বেণী করে আসতে আসতে দেখবেন সামনের চুল আর অবশিষ্ট নেই। তখন কেবল পনিটেল থেকে একভাগ নিয়ে বেণীটি করে যেতে হবে। ছবিটি দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে ব্যাপারটি।
  • এভাবে একপেশি ফ্রেঞ্চ বেণীটি ঠিক ছবির মত রাউন্ড শেপে করতে থাকুন। বেণীটি করার সময় খুব বেশি টাইট করে করবেন না তাহলে খোঁপাটি ছড়িয়ে যাবে। দেখতে তখন আর ভাল লাগবে না। তবে বেণী করার সময় আস্তে আস্তে বেণীর চুল টেনে টেনে দিবেন এতে করে বেণীটি মোটা এবং সুন্দর লাগবে।
  • বেণী একেবারে চুলের আগা পর্যন্ত করুন এবং শেষ হয়ে গেলে আরেকটি ইলাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে আটকে নিন। এরপর খোঁপার চারপাশ দিয়ে পেছিয়ে শেষ অংশটুকু ববি পিন দিয়ে আটকে নিন।
  • ব্যস, মাত্র ৫ মিনিটেই হয়ে গেল সুন্দর এই ব্যালেরিনা বান। তেমন ঝামেলা ছাড়াই হাতের কাছে থাকা জিনিসগুলো দিয়েই আপনি এই হেয়ার স্টাইলটি নিজেই করতে পারবেন।
*ব্যালেরিনাবান* *হেয়ারস্টাইল* *ঈদেরসাজ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিনে পোশাকের পাশাপাশি যারা সাজের চমক দিয়ে অন্যকে চমকে দিতে চান তাদের জন্য পারফেক্ট মেকওভারের অন্যতম শর্ত হচ্ছে পারফেক্ট হেয়ারস্টাইল। নট পনিটেইল একটি অতি সিম্পল এবং আকর্ষণীয় একটি হেয়ারস্টাইল। এটি একটি টিনএজ লুক হেয়ারস্টাইল, টিনেজার মেয়েদের সিম্পলভাবে হেয়ারস্টাইল করলেই বেশি ভালো দেখায়।

এতে বিশেষ কিছুই লাগবে না, চুল একটু লম্বা হতে হবে আর সাথে হেয়ার ব্রাশ ও হেয়ার ক্লিপ থাকলেই আপনি এটি করে ফেলতে পারবেন।

চলুন পদ্ধতিগুলো সমন্ধে জেনে নেই:
(১) প্রথমে চুল ভালোভাবে আঁচরে নিতে হবে, এক্ষেত্রে আপনি উষ্কখুষ্ক ভাব সরাতে হেয়ার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এরপর চুল একপাশে এনে একে দুটিভাগে ভাগ করে নিতে হবে।

(২) এবার চুলে নট বাঁধার মত করেই নট করতে হবে। প্রথম নটটি দেয়ার পর দ্বিতীয়টি দিয়ে ফেলতে হবে।

(৩) নটের শেষ মাথায় ইলাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে আঁটকে দিতে হবে। এবার নটটি পিন দিয়ে আঁটকে দিতে হবে।

(৪) এবার কিছুটা ট্রেন্ডি ভাব নিয়ে আসতে নটের নিচের চুলে হালকা টিজিং করে ফেলতে হবে।

 

*ঈদেরসাজ* *হেয়ারস্টাইল* *চুলেরসাজ* *বিউটিটিপস*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তরুণদের পছন্দ ও রুচিভেদে চুলের ছাঁটের ভিন্নতা আসতে পারে। শুধু তা-ই নয়, ব্যক্তিত্বের দিকটি খেয়াল রেখেও অনেকে চুলের ছাঁট দিয়ে থাকেন। এ ছাড়া মাচো লুক, লং-শর্ট হেয়ার কাট, লেয়ার কাট, লং স্পাইক ও হট স্পাইকের মতো চুলের কাট বেশ চলছে। ঈদের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারেন চুল। খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন আপনার ব্যক্তিত্ব ও চেহারার সঙ্গে মানানসই হয়। এ ছাড়া অনেকে চুলটাকে স্ট্রেইট করে দুই পাশে অাঁচড়ে রাখতে পারেন। কেউ কেউ আবার স্ট্রেইট চুলকে সামনের দিকে ব্যাংগস কাট করতে পারেন। ঈদে এ কাট বেশ ট্রেন্ডি।


ঈদ উপলক্ষে শুধু চুলের ছাঁটের দিকে নজর দিলেই হবে না, চুলের যাতে যত্নআত্তি ভালো হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। হেয়ার জেল বা ক্রিম ব্যবহার করার প্রবণতা তরুণদের মধ্যে বেশি বলে চুল সহজেই ময়লা হয়। কেননা, তেল বা জেল দেয়া চুলে ধুলোবালু বেশি লাগে। তাই নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল পরিষ্কার করতে হবে। তবু অনেক সময় চুলের গোড়ায় ময়লা থেকেই যায়। এতে চুল ঝরে পড়ার সমস্যা দেখা দেয় অথবা চুলের গোড়া আলগা হয়ে পড়ে। এসব সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে সপ্তাহে অন্তত একবার হেয়ার স্পা করানো উচিত, যাতে আপনার চুলের মূল শক্ত হয় এবং পরিষ্কার থাকে। এ ছাড়া অলিভ স্পা করালেও চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

*ঈদফ্যাশন* *চুলেরযত্ন* *হেয়ারস্টাইল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনআদিকাল থেকে চুল রূপসজ্জার অন্যতম অনুসঙ্গ। আধুনিক যুগের নানান রকম স্টাইলিশ চুলের আবেদনকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে। যে যারমত বাহারি স্টাইল ও কাটছাট দিয়ে আরও ফ্যাশনেবল হয়ে উঠছে। চুল ফ্যাশনের এই স্টাইলে আপনার সঙ্গী হতে পারে হরেক রকম হেয়ার ব্যান্ড। যদিও মাথার চুল আটকে রাখাই ব্যান্ডের কাজ। তারপরও নান্দনিক সব ব্যান্ডের মাধ্যমেই তৈরি করে ফেলা যায় চুলের বাহারি সব স্টাইল। সাধারণ জিনিসেই ফুটিয়ে তোলা যায় অসাধারণত্ব। 

হরেক রকম হেয়ার ব্যান্ড

কিনতে ক্লিক করুন

বর্তমান বাজারে হরেক রকমের স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড পাওয়া যায়। কাপড়ের ওপর প্রিন্ট অথবা ছোট চেকের ব্যান্ডগুলো জনপ্রিয়তা পেয়েছে বেশ। এগুলো অবশ্য কিছুটা মোটা ধাঁচের হচ্ছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফ্লাওয়ার শেপ হেয়ার ব্যান্ড। এ ছাড়াও প্লাস্টিকের তৈরি কালো, সাদা, মেরুনসহ বিভিন্ন রঙের ব্যান্ড রয়েছে। সাদা পুঁতিগুলোকে কালো সুতায়ও সাজানো হচ্ছে। কখনো পাথরের ঝলকানিতে মাথার শোভা বাড়াচ্ছে। মোট কথা, বিভিন্ন রঙে এবং নকশার খেলায় খেলে যাচ্ছে উপকরণটি। কিনতে ক্লিক করুনসোজা চুলে এ ব্যান্ডগুলো বেশি মানানসই, তবে কোঁকড়া চুলেও এনে দেয় আলাদা সৌন্দর্য। ছোট চুল ও বড় চুলে সমান মানানসই। হালকা বেণি, ফ্রেঞ্চ বেণি ও ঝুঁটি করে ব্যান্ড পরে নিলেই হবে। যে কোনো পোশাকের সঙ্গেই ব্যান্ড মানানসই, তবে শাড়ির সঙ্গে না পরলেই ভালো। বয়সের সঙ্গে মিলিয়ে পরলেই বেশি ভালো লাগবে। পোশাক ও অনুষ্ঠানের সঙ্গে মানানসই ব্যান্ডই পরা উচিত। শুধু ব্যান্ড ব্যবহার করে চেহারায় পরিবর্তন আনা যায়। দরকার চেহারা, চুল ও স্টাইলের কথা চিন্তা করে জিনিসটি কেনা। চুলের স্টাইলে বাড়তি সৌন্দর্য আনার এ উপকরণটি তা না হলে দেখতে বেমানান লাগবে।


চুলের সাজে

কিনতে ক্লিক করুন
বড় হোক, ছোট হোক চুলের সাজ বাড়াতে, চেহারায় ভিন্নধর্মী লুক আনতে জুড়ি নেই ব্যান্ডের। ব্যান্ডের সঙ্গে চুল বেঁধে রাখলে ভালো লাগবে না। কোঁকড়া হোক কিংবা সোজা, খোলা চুলেই ব্যান্ড ব্যবহার করা উচিত। চেহারার গঠনের সঙ্গে মিল রেখে ব্যান্ড পরা উচিত।
লম্বাটে চেহারার অধিকারীরা ব্যান্ড পরার সময় পাশ দিয়ে কিছুটা চুল বের করে রাখবেন। এতে চেহারার লম্বা ভাবটি কেটে যাবে। কপাল বড় থাকলে তাও ঢেকে যাবে।
কিনতে ক্লিক করুনএকইভাবে পরবেন গোল কিংবা ফোলা গালের অধিকারীরা। সামনের দিক দিয়ে অথবা গালের দুই পাশ দিয়ে চুল থাকলে ভালো লাগবে।
ছোট মুখ যাদের, তারা সব চুল পেছনে টেনে নিয়ে পরবেন।
কোঁকড়া চুলের আছে আলাদা সৌন্দর্য। ব্যান্ড পরলে এতে যোগ হয় আলাদা মাত্রা। কপাল থেকে সব চুল টেনে পরতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, কপাল ও ব্যান্ডের মধ্যে দূরত্ব যেন একদমই না থাকে। কপাল থেকে খুব বেশি পেছনে চলে না যায়। অর্থাৎ ব্যান্ড কপালের কাছাকাছি পরতে হবে।
ব্যান্ডের সঙ্গে জুতার একটা সামঞ্জস্য রাখতে হবে। ব্যান্ড পরলে অবশ্যই হিল ছাড়া ফ্ল্যাট জুতা পরবেন।

কোথায় থেকে কিনবেন:

কিনতে ক্লিক করুন

রাজধানীর নিউমার্কেট, আজিমপুর, গুলিস্থান, ধানমন্ডি, উত্তরা ও বনানীর মার্কেট গুলোতে নান্দনিক সব হেয়ার ব্যান্ড পেয়ে যাবেন। তাছাড়াও অনলাইনে কেনা যাবে দেশের প্রায় সবগুলো অনলাইন শপ থেকে। তবে বিশ্বস্থতার সাথে দ্রুত ডেলিভারীর নিশ্চয়তা দিয়ে পণ্য সরবারহ করছে দেশ সেরা শপিংমল আজকের ডিল। তাদের কাছ থেকে স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*হেয়ারব্যান্ড* *চুলেরসাজ* *হেয়ারস্টাইল* *স্মার্টশপিং*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

.কার্লি ফ্যাশানের যুগ চললেও এখনও অনেকেই স্ট্রেইট চুলের ভক্ত আছেন যারা এখনও রিবনডিং করার জন্য পার্লারে ছুটে যাচ্ছেন বা স্ত্রেইটনার দিয়ে চুল সোজা করছেন। এক ঘেয়েমি কোঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো স্টাইল আপনার লুকটাকে বোরিং করে তুলছে, তাই যদি এমনটি হয় কোন রকম কেমিকেল বা হিট ছাড়াই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন আপনার মনের মত হেয়ার স্টাইল তাহলে কেমন হয় বলুন তো? সহজলভ্য ঘরোয়া উপাদান যা আপনার হাতের কাছেই আছে সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আজ দেখে নিন কিভাবে আপনি আপনার চুলকে সাজিয়ে তুলবেন আপনার আকাঙ্ক্ষিত স্টাইলে!!

স্টেপ ০১ গোসল করে নিন।

স্টেপ ০২ যখন আপনার চুল ভেজা থাকবে – নিচু করে এবং টাইট করে একটি পনিটেইল করুন।
স্টেপ ০৩ ববি পিন ব্যবহার করুন যদি প্রয়োজন হয় – যদি আপনার চুল লেয়ার করা থাকে বা ব্যাংস করা থাকে তাহলে সবগুলো চুল ওই রাবার ব্যান্ডে আঁটবে না। তখন ববি পিন দিয়ে শক্ত করে চুলগুলো আটকে নিন।

স্টেপ ০৪ চিরুনি দিয়ে পনিটেইলে থাকা চুলগুলো ভালো ভাবে আঁচড়ে নিন যেন কোন জট না থাকে। আপনি লক্ষ্য করবেন চুল গুলো এখনি কেমন সোজা হয়ে আসছে। কিন্তু এটাই শেষ ধাপ নয়।

স্টেপ ০৫ প্রথম ব্যান্ডের আশে পাশে আরেকটি লুপ তৈরি করুন – প্রথম যে ব্যান্ডটা দিয়ে পনিটেইল করা হয়েছে তার থেকে ৩ ইঞ্চি নিচে আরেকটি ব্যান্ড দিয়ে আটকে দিন। আপনার চুলের দৈর্ঘের ওপর ব্যান্ডের সংখ্যা নির্ভর করবে। এভাবে পনিটেইলের শেষ পর্যন্ত রাবার ব্যান্ড দিয়ে চুল বাঁধতে থাকুন।
স্টেপ ০৬ এবার চুল টিকে শুকোতে দিন বা আপনার যদি তাড়া থাকে সেক্ষেত্রে হেয়ার ড্রাই ব্যবহার করুন।

স্টেপ ০৭ যদি আপনার মনে হয় চুল শুকিয়ে এসেছে তাহলে ব্যান্ডগুলো খুলে ফেলুন আর চুলগুলো ভালো ভাবে আঁচড়ে ছেড়ে দিয়ে রাখুন সম্পূর্ণ ভাবে শুকানোর জন্য।
দেখলেন তো কত সহজে আপনি পেয়ে গেলেন আপনার বহু আকাঙ্খিত সোজা চুল। যার জন্য না জানি কত টাকাই না খরচ করেছেন। এভাবে প্রত্যেকদিন গোসলের পর এটি করতে থাকুন আস্তে আস্তে দেখবেন আপনি পেয়ে যাচ্ছেন সোজা চুল।

এবার আসুন জানা যাক কিচেন ক্যাবিনেটে লুকিয়ে থাকা উপকরণ গুলোর মাধ্যমে আপনি কিভাবে পাবেন স্ট্রেইট চুল।

০১. নারকেল এবং লেবুঃ

তাজা নারকেলের দুধের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণটিকে কয়েক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে সংরক্ষন করুন। একটি ঘন ক্রিমি লেয়ার দেখা যাবে পাত্রের উপরে। এই লেয়ারটাই দরকার চুল সোজা করার জন্য। পুরো চুলে এটি লাগিয়ে নিন এমনকি স্কাল্পেও লাগাবেন। ১৫-২০ মিনিট ধরে চুল টিকে স্টিম করুন। সব শেষে ধুয়ে ফেলুন সমস্ত চুল। এভাবে নিয়মিত করতে থাকলে আপনি ধীরে ধীরে দেখবেন আপনার চুল সোজা হতে শুরু করেছে।

০২. সেলেরিঃ

কয়েকটি ফ্রেশ সেলেরি পাতা ক্রাশ করে নিন এবং পানিতে মিশিয়ে দিন। এরপর পানির ভেতর হাত দিয়ে পাতাগুলো আরও ভালো ভাবে কঁচলে নিন যেন পাতার নির্যাস পানিতে মিশে যায়। তারপর মিশ্রণটি বোতলে সংরক্ষণ করে রাখুন ১দিন। এতে করে পাতার ভেতর চুল সোজা করার যে যে উপাদান আছে সব ভালো ভাবে ডেভেলপ করে। প্রতিদিন গোসলের আগে স্কাল্পে এই সলিউশন লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন তারপর শাম্পু করে ফেলুন। যারা বিদেশে থাকেন তাদের জন্য এই উপাদানটি খুঁজে পাওয়া কোন ব্যাপার না। কিন্তু আমার বাংলাদেশের সাজগোজ পাঠকদের হয়ত একটু সমস্যা হতে পারে। তাই আপনাদের অনুরোধ করবো আপনারা অন্য টিপস গুলো অনুসরন করুন।

০৩. দুধের পুষ্টিঃ

আমরা সবাই জানি দুধ ময়েশরাইজারের কাজ করে আর এটিই চুল সোজা করার জন্য সহায়ক। ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নেয়া দুধ নিন আধা কাপ এবং আধা কাপ পানি দুধের সাথে মিশিয়ে নিন। এবার একটা স্প্রে বোতলে মিশ্রণটি ভরে সমস্ত চুলে স্প্রে করুন। তারপর আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

০৪. ক্যাস্টর অয়েলঃ

ক্যাস্টর অয়েলে আছে চুলের গ্রোথ আর চুল সোজা করার গুনাগুণ। এই তেল চুলের স্কাল্পে ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন, তারপর চিরুনি দিয়ে চুল বরাবর আঁচড়াতে থাকুন। যখন চুল আঁচড়াবেন তখন ব্লো ড্রাই করুন হাই হিটে। ব্লো ড্রাই করার পর চুলে যেন তেলতেলে ভাব না থাকে, চুল হতে হবে শুষ্ক। তারপর একটি ভেজা তোয়ালে দিয়ে চুল জড়িয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা ধরে। এটা চুলকে অতিরিক্ত হিট থেকে soothe করবে আর স্ট্রেইটনেস বজায় থাকবে।

০৫. মধু এবং দুধঃ

এই কম্বিশন শুধু ত্বকের জন্য নয় চুলের জন্য-ও ম্যাজিকের মত কাজ করে। এক চামচ মধুর সাথে এক কাপ দুধ মেশান। সঙ্গে কয়েকটি স্ত্রাবেরও ক্রাশ করে দিন। এই পেস্ট ২- ৩ ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ভালো মানের শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ দিন করুন সিল্কি , স্টেইট চুলের জন্য।

০৬. ফুলারস আর্থঃ

ফুলারস আর্থ বা মুলতানি মাটি তো আমরা সবাই চিনি। কিন্তু এতো দিন জানতাম এটি ত্বকের ডীপ ক্লিনজিং এর জন্য ব্যবহার করা হয় কিন্তু এটি চুলের যত্নেও অনন্য। এক কাপ মুলতানি মাটির সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ, দুই চামচ চালের গুঁড়ো আর পানি মেশান। মিশ্রণটি অনেক পাতলা হতে হবে যাতে সমস্ত চুল কোট করা যায়। চুলে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রাখুন আর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে থাকুন। সপ্তাহে ২-৩বার এটি করুন। দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার কোঁকড়া চুল কেমন সোজা হয়ে আসছে।

০৭. সয়াবিন তেলঃ

অয়েল ট্রিটমেন্ট চুলের যেকোনো সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে ভালো উপায়। এক চা চামচ সয়াবিন তেলের সাথে দুই চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে নিন তারপর হাল্কা গরম করে স্কাল্পে দিন। এভাবে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। ভালো ফলাফল পাবেন।

০৮. বানানা হেয়ার প্যাকঃ

• দুটি ম্যাসড কলার সাথে দুই টেবিল চামচ মধু, দই এবং অলিভ অয়েল আর ১টি ডিমের সাদা অংশ মেশান। এই প্যাক পুরো চুলে লাগিয়ে মাথায় একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে ফেলুন। তারপর ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবেও আপনার চুল অনেকটা সোজা দেখাবে।

• ৩ তেলের সংমিশ্রণ – উষ্ণ গরম অলিভ অয়েল, নারকেল তেল আর ক্যাস্টর অয়েল নিয়ে আধা কাপ মিশ্রণ তৈরি করুন। এর সাথে আধা কাপ এলোভেরা জেল মেশান, তারপর ৬ ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল মেশান। চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ১-২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

অনেকদিন যাবত চুল সোজা করার জন্য আমাদের দেশের নারীরা কেমিক্যাল বা হিটের সাহায্য নিয়ে আসছেন। উপরে দেয়া টিপসগুলো ফলো করুন অবশ্যই উপকার পাবেন সঙ্গে বোনাস হিসেবে থাকবে আপনার চুলের নিরাপত্তার গ্যারানটি। তবে যথেষ্ট ধৈয্য ধরতে হবে।

লিখেছেনঃ রোজেন
*চুলেরযত্ন* *হেয়ারস্টাইল* *ফ্যাশন*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

মাথাটারে কি যে অবস্থা বানায়লাইছে!!! পুরাই আনারস

বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ছেলের চুল কাটানের দিবস

*হেয়ারস্টাইল* *আনারসস্টাইল*

হাফিজ উল্লাহ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

চুলে রং করার আগে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন
http://www.somoyerkonthosor.com/news/211991
জন্মগতভাবে কারো চুল কালো, কারো সোনালি, কারো বা বাদামি। কিন্তু চুলের ওই রং অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে। অথবা একই রকম চুল দেখে ক্লান্ত অনেকেই। এ থেকে উত্তরণের উপায়- চুলের রং বদলে ফেলা। চুলের রং বদলের জন্য ন্যাচারাল ব্ল্যাক, জেট ব্ল্যাক, ব্রাউন, ডার্ক ব্রাউন, রেডিশ ব্রাউন, গ্রে, বার্গেন্ডি, লাইট হানি ব্রাউন, মিডিয়াম অ্যাশ ব্রাউন, মিডিয়াম গোল্ডেন ব্রাউন, ডার্ক অবার্ন, চেস্টনাটের মতো বিভিন্ন রং পাওয়া যায় বাজারে। এসব থেকে বেছে নিতে হবে আপনার পছন্দের রঙটি। তবে হেয়ার কালার করানোর আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখবেন। নইলে চুলের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। প্রথমেই চুলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন। রুক্ষ ও ভঙ্গুর হলে আপনার চুল রং করানোর উপযুক্ত নয়। রং করানোর জন্য উপযুক্ত ঝলমলে স্বাস্থ্যকর চুল। এই চুলে কালার দীর্ঘদিন থাকে এবং দেখতেও ভালো লাগে। রুক্ষ চুলে কালার ঠিক মতো হয়না তাই কালার করানোর পর দেখতেও ভালো লাগেনা। আপনার চুল যদি রুক্ষ হয় তবে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট অথবা হেয়ার স্পা করিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসুন। ...বিস্তারিত
*হেয়ারস্টাইল* *হেয়ারকালার*
১২৯ বার দেখা হয়েছে

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কাজে-অকাজে দিনের বেশিরভাগ সময়ই বাসার বাইরে থাকতে হয়। দিনভর গরমে বাড়তি এক ভোগান্তির নাম ধুলোময় বাতাস। চোখ, মুখ আর চুল ভরে যায় ময়লাতে। এদিকে মাথাভর্তি চুলের কারণে ময়লার সঙ্গে জমে ঘাম। একসময় দেখা দেয় মাথাব্যথা, খুশকি, চুলপড়া, চুল রুক্ষ্ম হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা। এসব ঝামেলা এড়াতে গরমের দিনে চাই চুলের আরামদায়ক কাট।

গরমে ছেলেদের চুল কিছুটা ছোট রাখাই ভালো। চুল ছোট করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন অনেকেই। ছোট চুলের উপকারিতা বলতে গেলে মাথায় বাতাস লাগা, গরমে ঘাম না জমা, চুলে ময়লা কম হওয়াকে বোঝায়। তাই ফ্যাশনের সঙ্গে আনতে পারেন চুলের কাটের ভিন্নতা। আসুন জেনে নেয়া যাক, গরমে ছেলেদের আরামদায়ক কিছু চুলের কাট সম্পর্কে।

ফেড কাট

চুলের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম রেখে যে কাট দেওয়া হয় সেটিই ফেড কাট। এই স্টাইলের চুলের কাটে মাথার পেছনে এবং কানের ওপরে চুল প্রায় থাকে না। কানের ১ ইঞ্চি ওপর থেকে চুল বড় হওয়া শুরু করে। অপরদিকে মাথার পেছনে ওপরের অর্ধেক থেকে চুল হালকা বড় হতে থাকে। যারা অনেক বেশি ক্যাজুয়াল তাদের জন্য এ হেয়ার স্টাইল মানানসই।

হোয়াইট ওয়ালস কাট

এই হেয়ার স্টাইলে কানের ওপরের চুল ছোট করে কাটা থাকে। মাথার পেছনের চুলগুলো লেয়ারের মতো করে বের হয়ে আসে। যাদের মাথা লম্বা আকৃতির তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।

কায়েজার কাটজুলিয়াস কায়েজারের নামানুসারে এ হেয়ার স্টাইলের নাম রাখা হয়েছে। এই স্টাইলের চুলের কাটে মাথার ওপরের চুলগুলো ১ থেকে ২ ইঞ্চি পর্যন্ত লেয়ার করা থাকে, সামনের দিকের চুলগুলো কপালের ওপর ফেলে রাখা হয়, যা আপনাকে দেবে স্টাইলিশ লুক।

ব্রাশ কাট

ব্রাশ কাট করতে চাইলে আপনাকে কানের ওপরের চুলগুলোকে একদম ছোট করে কাটতে হবে। মাথার ওপরের চুলগুলোর দৈর্ঘ্য সমান করতে হবে।

বোর কাট

এই হেয়ার স্টাইল করতে চুল ক্লিপার দিয়ে কাটতে হবে। এ ক্ষেত্রে চুলের দৈর্ঘ্য হবে ১ ইঞ্চির ৮ ভাগের এক ভাগ। এ স্টাইলে পুরো মাথার চুল সমান থাকবে, যা দেখতে অনেকটা কদম ফুলের মতো। যাদের মাথা একটু বড় এবং চুল অনেক ঘন ও মোটা তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।

লেয়ার স্পাইক

লেয়ার স্পাইক স্টাইলে চুল কাটতে হলে কপালের ওপরের চুল ছোট করে স্পাইক করতে হবে। মাথার ওপরের দিকের চুল তুলনামূলক বড় হবে। কিন্তু পেছনের দিকে লেয়ার কাট হবে।

ত্রুক্র কাট

ছোট চুলের স্টাইলের মধ্যে ত্রুক্র কাট বেশ কিছুদিন থেকে জনপ্রিয়। ত্রুক্র কাটের মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য আছে, যা চেহারার গড়নের ওপর নির্ভর করে বাছাই করা উচিত। এ স্টাইলে মাথার পেছনের এবং পাশের চুল খুব ছোট করে কাটা হয়। কিন্তু ওপরের চুলগুলো ক্রমেই কিছুটা বড় ও খাড়া করে রাখা হয়। এ ত্রুক্র কাট দুই ধরনের হয়- এক্সট্রা শর্ট এবং হাই অ্যান্ড টাইট।

ক্ল্যাসিক কাট

সব সময়ের সঙ্গে মানানসই ক্ল্যাসিক কাট। মুখমণ্ডলেএবং মাথার আকৃতি বিবেচনা করে এ হেয়ার স্টাইল নেওয়া হয়। এ স্টাইলে মাথার একপাশে সিঁথি করে চুল আঁচড়ানো থাকে, এটি এখন পর্যন্ত বেস্ট ফরমাল হেয়ার স্টাইল হিসেবে জনপ্রিয়।

স্পাইক হেয়ার স্টাইল

এ হেয়ার স্টাইল টিনএজারদের অনেক প্রিয় একটি স্টাইল। এ স্টাইলে মাথার সামনের চুলগুলো ক্রমেই ছোট থেকে বড় হয়ে স্পাইক হয়।

- বাংলামেইল২৪ডটকম/টিটি

*গরমেরঅসুখ* *হেয়ারস্টাইল*
ছবি

তানিয়া শারমিন: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

বিচিত্র হেয়ার কাট

*ফটো* *হেয়ারকাট* *হেয়ারস্টাইল*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
সাকিবের নতুন হেয়ার স্টাইলের গোপন রহস্য!!
ভাই, আপনার নতুন হেয়ারস্টাইলের রহস্যটা কি বলা যাবে?
অসম্ভব অনন্ত ভাই, আপনার ভাবি যদি শুনে তাইলে কাল আমারে মাঠেই নামতে দিবো না...
*ক্রিকেটরঙ্গ* *জোকস* *হেয়ারস্টাইল* *বেশফান* *বেসম্ভব*
ছবি

মো:আ:মোতালিব: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

আমার একটা পুরানো ছবি-হেয়ার / চুলের স্টাইল ..... জনপ্রিয় খেলোয়ারের ছবি-হেয়ার / চুলের স্টাইল .....

(হাসি২)(হাসি২)(হাসি২)

*হেয়ারস্টাইল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★