হ্যাকার

হ্যাকার নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে আমি জিমেইল হ্যাকের ঝুঁকি কমাতে পারি?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*জিমেইল* *হ্যাক* *হ্যাকার*

মোঃ ইউসুফ শরীফ : *হ্যাকার* তুরস্কের হ্যাকারদের কাছে বাংলাদেশ তিন ব্যাংকের বিপুল তথ্য! http://alokitoblog.com/moredetails.php?sub_id=75

জোকস

সাদাত সাদ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

বল্টু অনেক গুলো টাকা পলিথিনে ভরে মাটির ভেতরে রাখছিল সেই দৃশ্য পিন্টু দেখিয়া কহিল, কিরে বেটা করছিস কি টাকা গুলো সব পচে যাবে তো বল্টুঃ টাকা পচে যাবে যাক হ্যাকার রা তো পাবে না
*উত্তমকাজ* *পুরাইধরা* *বল্টু* *হ্যাকার* *নিরাপদ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোমানিয়াকে হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্য বলা যায়। সেখানকার স্কুলেই শেখানো হয় সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত পাঠ৷ ওই  দেশে স্বশিক্ষিত হ্যাকারের কোনও অভাব নেই। কম খরচে রোমানিয়ার হ্যাকারদের দিয়ে কাজ করানো যায় বলে অনেকে এখন ওই দেশের হ্যাকারদের দিকে হাত বাড়াচ্ছে। এই সুযোগে রোমানিয়া হয়ে উঠেছে সাইবার জগতের ‘হটস্পট’।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাষ্য, সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ ব্যক্তিদের চাহিদা বাড়ছে। কম খরচ আর প্রযুক্তি দক্ষতার কারণে হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে রোমানিয়া। অথচ এক সময় দেশটির দুই তৃতীয়াংশ সফটওয়্যার ছিল অবৈধ। রোমানিয়ার প্রযুক্তি দক্ষ ব্যক্তিরা পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বেশি বেতনের সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক কাজগুলো।

মাস তিনেক আগে কমিউটার গেম নির্মাতা গ্যাব্রিয়েল কারলিগ সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করার জন্য তার পেশা পরিবর্তন করেছেন। তার আগে পাঁচ বছর গেম তৈরিতে কাজ করেছেন তিনি। এখন পেশা বদলে সাইবার নিরাপত্তার কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিসকোর তথ্য অনুযায়ী, রোমানিয়াতে গেম সংক্রান্ত চাকরির সুযোগ কমছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ কর্মীর চাহিদা হু হু করে বাড়ছে।

গ্যাব্রিয়েল কারলিগ সংবাদ সংস্থাকে বলছেন, এখন পরিবর্তনের যুগ। একজন পেশাদার হিসেবে প্রতিদিন নিজেকে উন্নত করে তোলায় এখানে টিকে থাকার একমাত্র উপায়। গ্যাব্রিয়েলের মত, রোমানিয়ার অনেকেই এখন এ পেশায় আসছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিমানটেকের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ব্রাউনের মতে, ২০১৯ সাল নাগাদ সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দক্ষ লোকের ঘাটতি ১৫ লাখে পৌঁছাবে।

বিটডিফেন্ডার, অ্যাভিরা, হেইমডালের মতো প্রতিষ্ঠান চলতি বছরেই রোমনিয়াতে তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মী সংখ্যা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দেশে তারা কয়েকশোরও বেশি কর্মী নিয়োগ করেছে। কারণ, দেশটিতে পশ্চিম ইউরোপের তুলনায় খুব কম খরচেই সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ কর্মী সহজে পাওয়া যায়। ব্রেইনস্পটিং নামের একটি কর্মী নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে জুনিয়র স্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ৫৮০ ডলারের মতো বেতন পান। মধ্য স্তরের বিশেষজ্ঞদের বেতন এক হাজার ৫০০ ডলার থেকে দুই হাজার ৫০০ ডলার আর উচ্চপর্যায়ের কোনও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বেতন পেতেন তিন হাজার ৫০০ ডলারের মতো।

ব্রেইনস্পটিংয়ের পরামর্শক মারিয়া হসটিউক বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলো সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ খুঁজলেও তারা ওয়েবে চাকরির বিজ্ঞাপন দেন না। বেশিরভাগ চাকরি হয় সুপারিশে।’ রোমানিয়ার অধিকাংশ সাইবার নিরাপত্তা ইঞ্জিনিয়াররা স্বশিক্ষিত। স্কুলে তারা যে কম্পিউটার সায়েন্সের জ্ঞান অর্জন করেন তা কাজে লাগিয়েই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন তারা। গেম নির্মাতা গ্যাব্রিয়েল বলেন, যখন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়তেন তখন শখের বসে এ বিষয়টি শিখেছিলেন। এ ছাড়া হ্যাকারদের বিভিন্ন পুরোনো গল্প এখানকার হ্যাকারদের এ বিষয়ে ক্যারিয়ার গঠনে উদ্বুদ্ধ করে।hacker

যারা এই বিষয়ে শিখতে আগ্রহী তাদের জন্য ‘সাইব্রারি’ নামের একটি বিনা মূল্যের অনলাইন কোর্স দারুণ কাজে লাগবে। সাইব্রারির সহ-প্রতিষ্ঠাতা রায়ান কোরে বলেন, রোমানিয়ানদের বেসিক বা মূল বিষয়গুলো আগে থেকেই জানা থাকে। অধিকাংশ এই প্ল্যাটফর্মটি নিরাপত্তা দক্ষতার জ্ঞান আরও বাড়াতে ব্যবহার করে।

কোরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রাথমিক স্তরের কোর্সগুলো বেশি জনপ্রিয়। এক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক প্লাস, সিসিএনএ, লিনাক্স প্লাসে বেশি আগ্রহ দেখা যায়। কিন্তু রোমানিয়ায় উচ্চতর কোর্সগুলোতে মানুষের বেশি আগ্রহ দেখা যায়। এর মধ্যে আছে ম্যালওয়্যার অ্যানালাইসিস, অ্যাডভান্সড পেনিট্রেশন টেস্টিং প্রভৃতি।

২০১৫ সালের শেষ তিন মাসে সাইব্রারির চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তায় কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের প্রযুক্তি কর্মকর্তাদের। সমীক্ষায় ৪৩৫ জন কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করে সাইব্রারি। তাদের ৮০ শতাংশ সাইবার নিরাপত্তায় লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যার কথা বলেন। এর কারণ হিসেবে ৪০ শতাংশ বলেন, দক্ষতার অভাব, ১৮ শতাংশ বলেন বিশেষজ্ঞদের আকর্ষণ করার মতো রসদের অভাব আর ১৪ শতাংশ বলেন, কর্মীদের অবস্থানের কারণে নিয়োগে সমস্যা হয়। রোমানিয়ার বৃহত্তম সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটডিফেন্ডার। প্রতিষ্ঠানটিতে বিশ্বজুড়ে ৯০০ জনের বেশি কর্মী আছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়নের অধিকাংশ কর্মী স্থানীয়।

বিটডিফেন্ডারের নিয়োগ কর্মকর্তা এলভিস পপোভিসি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ নিয়োগে এক থেকে তিন মাস সময় লেগে যায়। এতে সাক্ষাৎকার কারিগরি পরীক্ষার বিষয় থাকে। এ ক্ষেত্রে নতুন লোক নিয়োগের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রোমানিয়ায় কাজ করছে আরেক অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাভিরা। রোমানিয়ায় ১০০ জনের বেশি কর্মী আছে অ্যাভিরার। প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক এলেনা নাসতাসা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের অধিকাংশ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ প্রোগ্রামার হিসেবে ডেস্কটপ ও মোবাইলের নিরাপত্তা অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে কাজ করে। এ ছাড়া ম্যালওয়্যারের নমুনা পরীক্ষার কর্মীও আছে। এলেনা বলেন, রোমানিয়ায় এখন অনেকে নতুন সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম শুরু করছে বলে লোক নিয়োগ দেওয়া কঠিন। কারণ, তরুণদের নিয়োগ দিয়ে তারা এখানেই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

কনটেন্ট সহযোগিতা: কলকাতা২৪
*হ্যাকিং* *হ্যাকার* *ক্যারিয়ার*
ছবি

টেক টনিক: ফটো পোস্ট করেছে

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট হ্যাক মুক্ত করলো ‘সাইবার ৭১’

পাকিস্তানী হ্যাকারদের কবল থেকে মুক্ত হয়েছে সিলেট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট। সোমবার দুপুর থেকে সিলেট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়। এর আগে গত বুধ ও শুক্রবার দুই দফায় ওয়েবসাইটটি হ্যাক করে টিম পাক সাইবার এক্সপার্ট ও ‘পাক সাইবার এটাকার্স টিম’। জানা গেছে, গত বুধবার সিলেট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট পাকিস্তানী হ্যাকারদের কবলে পড়ে। নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর হ্যাকাররা ওয়েবসাইটে লিখে রাখেন ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ` এবং সাইটটি ‘পাক সাইবার এটাকার্স টিম’ হ্যাক করেছে বলে দাবি করেন হ্যাকাররা।

*চটখবর* *হ্যাকার* *ওয়েবসাইট* *তথ্যপ্রযুক্তি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান বিশ্বে হ্যাকিং কথাটি খুবই প্রচলিত। তবে প্রযুক্তি বিশ্বে বেশ আগে থেকেই হ্যাকিং শব্দটি প্রচলিত হয়ে আসছে। ‘হ্যাকিং’ অর্থ সাধারন ভাষায় কম্পিউটার থেকে তথ্য চুরি আর যারা এই কাজে নিয়োজিত হয় তাদেরকে হ্যাকার বলে। পূর্বের ধারণার চেয়েও সহজ যেকোনো নিরাপদ তথ্য হ্যাকিং করা আর এর প্রমাণ মিলল গত সপ্তাহে ভ্যানকুভারে হয়ে যাওয়া ক্যানসেকওয়েস্ট সিকিউরিটি কনফারেন্সে।

কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জেনো কোভাহ এবং কোরে ক্যালেনবার্গ দেখিয়েছেন কিভাবে বায়োস চিপের মাধ্যমে হ্যাকিং সঙ্ঘটিত হয়। বায়োস চিপ হল- ১টি কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে ফার্মওয়্যার কর্তৃক ধারণকারী মাইক্রোচিপ। BIOS ১টি কম্পিউটার বুট করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে সাহায্য করে। এই মূল সফটওয়্যারে সংক্রমন করে যা কিনা অ্যান্টিভাইরাস এবং অন্যান্য নিরাপত্তা পণ্যের নীচে পরিচালিত হয়। এবং সাধারণত এগুলো স্ক্যান করেনা অ্যান্টিভাইরাস। ফলে গুপ্তচররা খুব সহজেই এখানে ম্যালওয়্যার দিয়ে দিতে পারে এবং এই ম্যালওয়্যার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম মুছে ফেললে বা পুনরায় ইন্সটল করলেও থেকে যায়।

পরবর্তিতে হ্যাকিং আক্রমন দূর থেকে ইমেইলের মাধ্যমে অথবা সিস্টেমে ফিজিক্যাল ইন্টারডিকশনের মাধ্যমে করা যায়। উইয়ার্ড রিপোর্ট অনুযায়ী গবেষকরা একে ‘ইনকারশন ভালনারেবিলিটিস’ বলে।
আর এটিই হ্যাকার কে BIOS এ প্রবেশের অনুমতি দেয়। আর একবার BIOS আপোস করে ফেললে সিস্টেম তাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়। এরপর তারা সিস্টেমের সব ধরণের নিয়ন্ত্রন নিতে সক্ষম হয়।

কোভাহ, বিজনেস ইনসাইডারে বলেন, তারা ১০০০০ এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড মেশিন বিশ্লেষণ করে দেখেন অন্তত ৮০ শতাংশের BIOS এ দুর্বলতা আছে। সর্বাধিক ভীতিকর বিষয় হচ্ছে, কম্পিউটার ব্যবহারকারী গোপনীয়তা ভিত্তিক নিরাপত্তা সফ্টওয়্যার ব্যবহার করার পরও একবার BIOS আপোস করলে এনক্রিপ্ট করা তথ্যও প্রবেশযোগ্য। এর উদাহরণ স্বরূপ গবেষকরা টেইল সিস্টেমের কথা বলেন যা অপরিমেয় নিরাপত্তার জন্য পরিচিত ১টি বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। এই অপারেটিং সিস্টেম এডওয়ার্ড স্নোডেন এবং গ্লেন তাদের ডেটা শেয়ারের জন্য ব্যবহার করতেন। কোভাহ এবং কোরে বলেন, তাদের এই পদ্ধতিতে টেইলের ডেটাও এক্সেস করা সম্ভব।

জেনো কোভাহ এবং কোরে ক্যালেনবার্গ আশা করেন, ফার্মওয়্যার নিরাপত্তা সত্যিই কি এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন করবে।
(সংকলিত)
*হ্যাকিং* *হ্যাকার* *তথ্যপ্রযুক্তি*
খবর

নাকিব ওসমান : একটি খবর জানাচ্ছে

৮ এপ্রিল ৫ কোটি কম্পিউটারে হ্যাকারদের হামলা!
http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/277530.html
৮ এপ্রিল ৫ কোটি কম্পিউটারে *হ্যাকার* দের হামলা! *খবর* ...বিস্তারিত
*টেক* *তথ্যপ্রযুক্তি* *জানো* *সাম্প্রতিক* *হ্যাকার* *খবর*
১৩৫ বার দেখা হয়েছে

জিয়াউদ্দিন বাবলু: (হিহিহি)(হিহিহি) মনের পাসওয়ার্ড ভাঙ্গতে জানি আমি প্রেমিক হ্যাকার(হার্ট) হরহামেশাই প্রেমে পড়ি (লজ্জা) ভয় করিনা ছ্যাকার(বস) (চাখাই) বিঃদ্রঃ-আপাতত অবসরে আছি,ডরাইয়েন (না)(শয়তানিহাসি)

*পাসওয়ার্ড* *হ্যাকার* *ছ্যাকা* *ছড়া* *অবসর*

Aziz_bappy: *হ্যাকার* ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানী হত্যার পরপর দেশে অন্তত ১০টির বেশি হ্যাকার টিমের জন্ম হয়েছে।(বিজয়)(বিজয়)

Aziz_bappy: *হ্যাকার* বি সি এ আজ করছে কি ? হোয়াই নো হ্যাক অ্যান্ড ফাক্ড বি এস এফ সাইট । http://ksmgreentech.com/ http://www.muthumalaisalt.com/ http://www.thamizhagaseithigal.com/ http://acmebiocare.com/ http://bonsuninternational.com/ http://careershapers.biz/a

Aziz_bappy: *হ্যাকার* মালিক বা দখলদার নন এমন কেউ কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করার মাধ্যমে কারো ক্ষতি হলে তা হবে হ্যাকিং অপরাধ ও অজামিনযোগ্য অপরাধ।(চিন্তাকরি)

Aziz_bappy: *হ্যাকার* আইসিটি আইনে শাস্তির মেয়াদ বেড়েছে ,হ্যাক করলে শাস্তি ৭ থেকে ১৪ বছরের জেল। যা করবেন একটু বুঝে শুনে। (চিন্তাকরি)

গোলাম মুক্তাদির: ঠিক এই সময়টাতে কি করছিলেন ? (এদিকেআসো) দেশে *আজকাল* যে পরিমাণ *হ্যাকার* গজাইছে !! তাতে আমি মনে করছিলাম *খোঁচা* দিছে (খিকখিক)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★