১৯৭১

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে কি কি ঘটেছিলো?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*১৯৭১* *৩রাডিসেম্বর* *মুক্তিযুদ্ধ*

মোহাম্মাদ শহিদুল্লাহ রায়হান: রাইফেল তাক করা মাত্র বিরু চিৎকার করতে লাগল, ‘ দাদা, বড় ভয় লাগে”। ও দাদা ভয় লাগে। মনা মৃদু স্বরে বলল, “ ভয় নাই। আমারে শক্ত কইরা ধর”। বিরু প্রান পন শক্তিতে ভাইকে আকরে ধরল। -1971 by Humayun Ahmed E-বুক *1971*

*1971*

Risingbd.com: মুক্তিযুদ্ধে এক দুরন্ত কিশোরের গল্প ১৯৭১ সালে যখন দেশে যুদ্ধ বাঁধল তখন একদিন কয়েকজন বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিল-‘আমরা যুদ্ধে যাব’। বাবার পকেট থেকে ১০টাকা নিয়ে এক টুকরো কাগজে লিখে....বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/1olfoa9

*মুক্তিযুদ্ধ* *দুর্দান্তকিশোর* *১৯৭১* *ইতিহাস* *গল্প*

নিরাপদ নিউজ: হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধ: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দুটো পদক্ষেপ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রামের মানুষ স্বাধীনতার পর পর অটো মেটিক জিন্নাহ সড়ককে শেখ মুজিব সড়কে নামকরণ করে ফেলেছিলেন। ৪৪ বছর পর এসে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত...বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2016/02/02/news-id:127873/

*বঙ্গবন্ধু* *মুক্তিযুদ্ধ* *১৯৭১* *সারাবাংলা* *বেশম্ভব* *আড্ডা*

আল ইমরান: কিছু লোকজনকে বলতে শুনি, বাংলাদেশ নাকি এখনো ৭১ এ আটকে আছে। এই দেশের নাকি আর সামনে নেয়া যাচ্ছে না। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, গাছ যত বড়ই হোক শেকড় বা মাটি থেকে আলাদা হয়ে গেলে কি তার বৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব? ৭১ আমাদের চেতনা, ৭১ আমাদের অহংকার, ৭১ আমাদের অস্তিত্বের শেকড়...... এই শেকড়কে ভুলে কিভাবে বড় হওয়া সম্ভব আমার জানা নেই। আমি শিওর ওই লোকগুলোরও সেটা জানা নেই। অনেকের আবার ৭১ এর চেতনা বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শুনলেই গায়ে আগুন ধরে। অনেকে আবার বলেন চেতনা ব্যবসায়ী। আমার প্রশ্ন তাদের কাছে, ব্যবসা কি নিয়ে হচ্ছে না বলতে পারেন? মানুষের আবেগ নিয়ে, বিবেক নিয়ে, ধর্ম নিয়ে, ব্যবসা চলছে অহরহ। সেখানে শুধু চেতনার কথাই উদ্দ্যেশ্যমুলকভাবে কেন আসে? কিছু প্রশ্নের উত্তর হয় না। কিছু প্রশ্ন নিজেই নিজের উত্তর। তাই আর বেশি কিছু বলছি না। অযথা ট্যাগা ট্যাগি না করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের জন্য কিছু করাই ৭১ এর চেতনা। মুক্তিযোদ্ধারা কেউ ছিলেন ধনীর দুলাল আবার কেউ ছিলেন একেবারে গরীব চাষি, কেউ হিন্দু, কেউ মুসল্মান, কেউ বৌদ্ধ, কেউ খ্রিষ্টান, সর্বোপরি জাতী, ধর্ম, বর্ন, পদ নির্বিশেষে সবাই একসাথে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। সত্যিকারের সেই চেতনা বুকে ধারন করে থাকলে কিছু করে দেখান। হয়ত বলতে পারেন আমার একার পক্ষে কি করা সম্ভব। একা আমরা সবাই কিন্তু সবাই মিলে একা নই। নিজ নিজ অবস্থান থেকে নেয়া একটা ছোট উদ্দ্যোগ অনেক বড় সফলতায় পরিনত হতে পারে। তাই আসুন ভেদাভেদ ভুলে একসাথে মনে প্রানে বিজয় উদযাপন করি। প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের কথা, মুক্তিযোদ্ধাদের কথা, স্বাধীনতার সঠিক মর্ম উপলব্ধি করতে সাহায্য করি। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

*মুক্তিযুদ্ধ* *১৯৭১* *বিজয়দিবস* *১৬ইডিসেম্বর* *মহানস্বাধীনতা*

আল ইমরান: আমার ফেসবুক বন্ধু কালপুরুষ কাফকা ( ছদ্মনাম) এর একটা কবিতা..... তোমার খোঁজে ওরা আমার বাড়ি সার্চ করতে এলো; সমস্ত যুদ্ধাক্রান্ত শহর জানে আমাদের প্রেম! আলমারি রান্নাঘর বাথরুম ছাদ বিছানা এমনকি ফুল গাছগুলো টেনে টেনে দেখলো সেখানে তুমি লুকিয়ে আছো কিনা তোমাকে না পেয়ে— ওরা চার জন আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো ওরা কী কোরে জানলো অরুণ তুমি আমার বুকের মধ্যে থাকো!

*মুক্তিযুদ্ধ* *১৯৭১*

Risingbd.com: মিত্রবাহিনীর হামলা ও আক্রমণে কাঁপছে ঢাকা এইদিনে ঢাকা বিজয়ে প্রচন্ড হামলা চলতে থাকে রাজধানীর চারদিকে। নিয়াজিদের হৃৎকম্প তখন তুঙ্গে। ১৩ ডিসেম্বর রাত থেকে ১৪ ডিসেম্বর ভোর পর্যন্ত পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে মিত্রবাহিনীর কামান অবিরাম গোলা ছুড়ে চলেছে। গভর্নর মালিকের মন্ত্রিসভা ....বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/1Rjnv3p

*স্বাধীনতাযুদ্ধ* *যুদ্ধ* *১৯৭১সাল* *১৯৭১* *বিজয়েরমাস* *১৬ই-ডিসেম্বর* *ডিসেম্বর* *ভাগ্য* *দেশজুড়ে* *ইতিহাস* *বাংলারইতিহাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ১২ ডিসেম্বর ২০১৬। বাঙ্গালি জাতির গৌরগাঁথা বিজয় উৎসবের আর মাত্র ৩ দিন বাঁকি। আজকের এই দিন অর্থাৎ ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল বহু ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে বাংলাদেশের চারদিক থেকে মুক্তিবাহিনীর বিজয়ের খবর আসতে থাকে। পাকিস্তানি বাহিনী একের পর এক জায়গায় নাস্তানাবুদ হতে থাকে। ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিনে নীলফামারী , গাইবান্ধা, নরসিংদী, সরিষাবাড়ী, ভেড়ামারা, শ্রীপুরসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলা শত্রু মুক্ত হয়।
 
১২ ডিসেম্বর, ১৯৭১। একাত্তরের রক্তঝরা এ দিনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল গুল হাসান টেলিফোন করে জেনারেল নিয়াজীকে আশ্বস্ত করেন, ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় দিক থেকে বন্ধুরা এসে পড়বেন। গুল হাসানের কাছ থেকে এ আশ্বাস শুনে ঢাকায় পাকিস্তানী সামরিক কর্তৃপক্ষ নিজেদের প্রতিরক্ষার আয়োজন নিরঙ্কুশ করতে ২৪ ঘণ্টার জন্য কারফিউ জারি করে ঘরে ঘরে তল্লাশি চালায়। এ সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এ দেশীয় দোসর আলবদর বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সহানুভূতিশীল পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের আটক ও হত্যা শুরু করে।
 
চীন এ সময় পাকিস্তানী ঘাতকদের সমর্থনে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আজকের দিনে পিকিং রেডিও ঘোষণা করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতের মাধ্যমে মূলত চীনকেই দমন করতে চায়। বিশ্বে আধিপত্য বিস্তারকেই ভারতের মাধ্যমে ‘তথাকথিত’ বাংলাদেশ সমর্থনের অন্যতম কারণ। এছাড়াও আজকের এ দিনে চীনা প্রতিনিধি হুয়াং হুদা নিউইয়র্কে আলেকজান্ডার হেগকে জানান, চীন কেবল আরেকবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে আগ্রহী। উপমহাদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিন্তু চীন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতসহ মিত্র দেশগুলো।
 
চারদিকে শুধুই মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়, আর পাক হানাদারদের পরাজয়ের খবর। ঢাকাবাসী এ সময় অভীষ্ট আনন্দ আর অজানা আশঙ্কার এক অদ্ভুত দোলাচলে ছিলেন। অতি কট্টোর পাকিস্তান সমর্থকরাও এখন আর দেশটির অখ-তা সম্পর্কে বড় কথা বলার সাহস দেখাচ্ছে না। স্বাধীনতার ওই মাহেন্দ্রক্ষণটি কখন আসবে সেই মুহূর্তটি দেখতে অধীর অপেক্ষায় ঢাকাবাসী।
 
এদিকে ঢাকা বিজয় করতে চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী ঘেরাও করে ফেলে। ডিসেম্বরের এ দিন বিকেলেই ভারতের চার গার্ডস ইউনিট ঢাকার ডেমরা ঘাটের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছে যায়। সূর্যাস্তের আগেই জামালপুর ও ময়মনসিংহের দিক থেকে জেনারেল নাগরার বাহিনী টাঙ্গাইলে প্যারাস্যুট ব্যাটেলিয়নের সঙ্গে যুক্ত হয়। এর ফলে ঢাকা অভিযানের সর্বাপেক্ষা সম্ভাবনাপূর্ণ পথের ব্যবহার শুরু করা সম্ভব হয়ে ওঠে।
 
এদিকে দেশের বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা হামলা ও যৌথবাহিনীর ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে ভীতসন্ত্রস্ত পাকিস্তানী বাহিনী বিভিন্ন এলাকার ক্যাম্প ছেড়ে পালাতে থাকে। নিজ ভূমির সার্বভৌমত্ব ও পৃথক একটি পতাকার জন্য তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণ মরিয়া হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তহীন বৈষম্য আর নিপীড়নের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হওয়ার দুর্বার আন্দোলনের শেষ অধ্যায়ে পৌঁছে গেছে বীর বাঙালী।
 
এদিন বঙ্গোপসাগর থেকে ২৪ ঘণ্টার দূরত্বে মার্কিন সপ্তম নৌবাহিনী নিশ্চল দাঁড়িয়েছিল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ততদিনে পাকিস্তানী বাহিনী পালিয়েছে। অধিকাংশ অঞ্চলই তখন কার্যত স্বাধীন হয়ে পড়ে। আর ঢাকার বিজয় নিশ্চিত করা তখন শুধু সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
(মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংগৃহীত)
*বিজয়েরমাস* *১৯৭১* *মুক্তিযুদ্ধ*

মনিরুল: সবকটা জানালা খুলে দাওনা আমি গাইব গাইব বিজয়েরই গান ওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ।। চোখ থেকে মুছে ফেল অশ্রুটুকু এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই হারানো স্মৃতি বেদনাতে একাকার করে মন ডাক দিলে ওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ। কেউ যেন ভুল করে গেয়ো নাকো মন ভাঙা গান।। আজ আমি সারানিশি থাকব জেগে ঘরের আলো সব আঁধার করে। তৈরি রাখব আতর গোলাপ এদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে ওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ। কেউ যেন ভুল করে গেয়ো নাকো মন ভাঙা গান।। সবকটা জানালা খুলে দাওনা আমি গাইব গাইব বিজয়েরই গান ওরা আসবে চুপি চুপি যারা এই দেশটাকে ভালোবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ।। আমি গাইব গাইব বিজয়েরই গান।।।

*বিজয়* *১৯৭১* *ডিসেম্বর*

রং নাম্বার: পায়ের তলায় রক্ত-- আজ সেই ভয়াল কাল রাত, ১৯৭১ সালের মার্চের এই রাতেই হানাদার পাক বাহিনী নিরিহ বাংলার মানুষের উপর অমানবিক অস্ত্র হামলা চালায়। আজকের সেই রাতে ঢাকা শহর পরিণত হয়েছিল রক্ত বন্যার শহর। আজকের রাতে রাস্তায় চলতে শুধু মনে হয় পায়ের তলায় অজস্র রক্ত। রক্তের উপর দিয়ে চলছি আমরা। ২৫শে মার্চের স্মরণে এই দিনটাকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস করার দাবী রইল

*কালরাত* *গণহত্যা* *রক্তাক্তইতিহাস* *১৯৭১* *বাংলাদেশেরজন্মইতিহাস*

জাহিদ অভাজন: [স্বাধীনতা-এইদেশআমার] শুরু হল বিজয়ের মাস। যাদের সীমাহীন আত্মত্যাগে অর্জিত এই মহান বিজয়, স্বাধীন বাংলাদেশ, তাদের সকলের প্রতি আমার চির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ১ ডিসেম্বর ২০১৪ https://www.youtube.com/watch?v=zVjbVPFeo2o

*১৯৭১* *স্বাধীনতা* *বিজয়েরমাস* *বাংলাদেশ* *বিজয়দিবস*

আফ্রোদিতির যুবরাজ: *১৯৭১* অনেক কিছুই বলার আছে। তবে এককথায় বলব আমাদের গর্বের ইতিহাস এটা।

NAZMUL: *১৯৭১* নিয়ে আলাদা ভাবে ভাবার কিছু নেই. এটা মিশে আছে আমাদের চেতনার সাথে, মনের সব ভাবনার সাথে, প্রতিটা ছন্দের সাথে.

মারিয়া আক্তার অর্পিতা: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যারা মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা তৈরী করতেন এবং করেছেন তারা আসলেই (গুরু)...সেই সিনেমাগুলির মধ্যে সব চাইতে বেশি ভালো লাগছে "জীবন থেকে নেওয়া" এবং "আলোর মিছিল"..."কতো ফুল ফুটে আর ঝরে...এই পৃথিবীর তরে...সে কথা কি কোনো দিন,কখনো কারো মনে পরে..." আলোর মিছিল এর এই গানটি সত্যি অসাধারণ লাগে আমার কাছে,যারা অভিনয় করেছেন তারা (বস)

*১৯৭১* *স্বাধীনতা* *পুরনোদিনেরগান* *মুক্তিযুদ্ধেরসিনেমা*

Rezuanur Rahman Dip: *১৯৭১* আমরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক ইতিহাস পড়ি অনেক গল্প পড়ি সাহিত্য পড়ি। সেগুলো পড়ার পর চেয়েও গুরত্ব্বপূরণ হলো সেটা উপলব্ধি করা।

মাহনূর তাবাসসুম মীম: আমার অস্তিত্বে,অস্থি-মজ্জায়,স্বাধীনতায়, ভালো কি মন্দ থাকায়,বিমূর্ত নিস্তব্ধতায়, এই নাগরিক সভ্যতায়,মৌণ অস্থিরতায়, প্রচন্ড উন্মাদনায়,হাসি আর কান্নায়, নতজানু বীনম্র শ্রদ্ধায়,ক্ষরণের বেদনায়, ঔদ্ধত্য আর চঞ্চলতায়,আর্ত মানবতায়, অথবা না পাওয়ায়,পায়ে হাটা পথ চলায়, তোমরা ছিলে,আছ এবং থাকবে সবসময়। শুধু একবার তোমাদের সাথি করে নাও, আমাকেও একটু ঋণ শোধ করতে দাও!

*১৯৭১* *সোনারবাংলা* *উত্তালমার্চ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★