২০১৬

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

পাওয়া না পাওয়া মধ্য দিয়ে পার হয়ে গেল আরও একটি বছর। তবে জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়াটা ২০১৬ সালেই পেয়েছি। ধন্যবাদ সৃষ্টিকর্তাকে বড় উপহারটা দেবার জন্য। না পাওয়ার কথাগুলো নাইবা বললাম...
*বিদায়বছর* *২০১৬* *বছরশেষ*

দীপ্তি: নাই বা পেলাম সব, সুখের মাঝে না হয় দুঃখ এসে তার ভাগ বসিয়েছে........তবুও হাল ছাড়বো না l বছরের ৩৬৫ দিন কি একই যায় নাকি আসছে বছর আবার হবে......সুখ, দুঃখ সাথে রবে...এই তো জীবন! :) "এখান থেকেই চলার শুরু, এখান থেকেই স্বপ্ন দেখা এখানেই মেঘ-রোদ্দুর, আলো-ছায়া মায়ার ডোরে বাধা জীবন এখানেতেই ভোরের আকাশ এখানেই নীল স্বপ্নের রঙ" আজকের পরে ২০১৬ হয়ে যাবে *বিদায়বছর* হারিয়ে যাবে কালের অতল গর্ভে তবুও ২০১৬ সালটি অমলিন হয়ে রয়ে যাবে (খুকখুকহাসি) তোমায় হৃদ মাঝারে রাখবো (হার্ট)

*২০১৬* *বিদায়বছর* *বিদায়বছর*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

পৃথিবীতে সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবণাময় কিছু প্রাকৃতিক ঘটনা নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই ঘাটাঘাটি করছিলাম। গত ৬/৭ মাস এসব নিয়েই আছি,এর সাথে আছে কিছু কাল্পনিক ঘটনাও।যদিও এসব নিয়ে কথা বলার মত জ্ঞান আমার নাই তারপরো আমার সাধারণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে যতটুকু সো ফার বুঝেছি তার একটা সংকলন করার ইচ্ছা থেকেই এই লেখা।যাতে কেউ যদি উৎসাহিত হয়ে, আমার মত “অন্যের” কথা বিশ্বাস করা থেকেও নিজে ঘেটে দেখাতে বেশি বিশ্বাসী হন,যেন তা শুরু করার একটা বেইস পান।আমার মত যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই, এসব যেন করতে না হয়।হাহাহাহা...

তারপর আসবে মানসিক গঠনের পরিবর্তণ।কোনকিছু জানার প্রথম ধাপ,শূন্য করে নেয়া নিজেকে।আমার বিশ্বাস বা হাইপোথিসিসের সাথে ম্যাচ করানোর জন্য উপাত্তর ভুল ব্যাখ্যা না করা।কিছুটা ছায়া দেখে ভূত না ভাবার মত আর কি।হাহাহাহা...আপনি যা দেখছেন বা সম্ভাবণার মধ্যে পড়ে তার সবটুকুই কনসিডার করা।এরপর এক করে বাদ দেয়া উপাত্তর উপর নির্ভর করে।শেষ পর্যন্ত যা আর বাদ দেবার মত উপাত্ত থাকবে না তা ঝুড়িতে রাখতেই হবে।এর সাথে আপনার বিশ্বাসের সম্পর্ক না, সম্পর্ক জ্ঞানের।হাহাহা...এবার শুরু করা যাক।

আমরা কি একা বা এক্সট্রা টেরেস্টিয়াল লাইফ বা এলিয়েনঃ মানুষের অদিমতম এবং সবচেয়ে বেশি উৎসুকের সৃষ্টি করে এই বিষয়টি।যদিও নানা ভুল উপাত্ত,ভিডিও,ছবি খুজে পাবেন এবং এর অধিকাংশই বুজরুকি।কিন্তু প্রতি ১০,০০০ ঘটনায় হয়ত ৪/৫টা ঘটনা বা ছবি বা ভিডিও দেখবেন যার ব্যাখ্যা করা বেশ দূরহ।

প্রথমেই একটা ভ্রান্ত ধারণা থেকে মুক্ত হতে হবে,এলিয়েন থাকা মানেই কেবল আমরা একা নই তা কিন্তু না।যে কোন রকম লাইফ ফর্ম যদি পৃথিবী ছাড়া অন্য কোন সিস্টেমে পাওয়া যায়,তাহলেই কিন্তু অনেক কিছুই পরিবর্তিত হয়ে যাবে।আবার এলিয়েন মানেই যে মানুষ নয় তা ভাবারই বা কি কারণ আছে?আমরা মানুষ নিজেদের ইতিহাস কতটুকুই বা জানি?হাহাহা...

প্রথমত,পৃথিবীই একমাত্র লাইফ সাস্টেইনিং গ্রহ নয়।তার মানে আবার এই না যে আমরা মানুষ,ঐ গ্রহে গিয়ে থাকতে পারব।কারণ বিজ্ঞানীরা গভীর সমুদ্রের নীচে এমন এমন পরিবেশে জীবনের সন্ধান পেয়েছেন যা তাদের আগের অনেক ধারণাকেই পালটে দিয়েছে।তাই যা আপাতদৃষ্টিতে জীবন প্রস্ফুটিত করার অনুকূলে নয়,সেখানেও লাইফের প্রসার হতেই পারে।যেমন- মনে করা হতো,অতিরিক্ত তাপমাত্রা লাইফের জন্য অনুকূল পরিবেশ না।কিন্তু গভীর সমুদ্রের গ্যাস নির্গত হয় এমন মুখগুলো যদি ফ্ল্যাট ফিশ দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে তাহলে সেই ধারণা পাল্টাতে কতক্ষণ লাগে।আর সেটাই বিজ্ঞানীরা খুজে পেয়েছেন “mid ocean ridge”এ,বৃহত্তম নিমজ্জিত পর্বতমালার হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট-এ,তাপমাত্রা ৪০০ডিগ্রী সেঃ এবং সূর্যরশ্মি পৌছায় না।মজার ব্যাপার হচ্ছে,এতদিনের অর্জিত জ্ঞান দ্বারা এর ব্যাখ্যা করা যায় না।শুধু তাই নয়,লাইফের এনাটমিকাল যে ধারণা করা হত সো ফার,সেটাও পালটে দিয়েছে।মনে করা হচ্ছে,এই আবিষ্কার বাইয়োলজিকাল সায়েন্সের জন্য অন্যতম।সোজা কথা, here life doesn’t follow the book, a new life form in our own planet.এর মানে ভিনাস গ্রহে লাইফ থাকতে পারে,থাকতে পারে জুপিটারের মুন টাইটানে অথবা অন্য কোন সিস্টেমে যা এতদিন অসম্ভব মনে হয়েছিল।“হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট” নিয়ে একটু ঘাটলে নিজেও অবাক হবেন।

এবার আসুন কি দেখে আসলে ইন্টেলিজেন্ট লাইফ ফর্ম বলে ধারণা করা হয়।

আকৃতিঃ একসময় “সসার” শব্দটি বেশ সংযুক্ত ছিল এই রিসার্চের সাথে কিন্তু পরবর্তিতে শব্দটি উচ্চারণ করা মানেই সবার কাছে হাসির পাত্র হওয়া,এমন অবস্থায় চলে আসে।উলটানো পিরিচের মত দেখতে, গোলাকৃতি কিছু দেখলেই চলে আসত সসার তথা এলিয়েন।হাহাহা...অর্থাৎ এমন আকৃতির কোন উড়ন্ত যন্ত্র যা মানুষের পক্ষে তৈরী করা সম্ভব না বা তৈরী করছে না।আর পরবর্তিতে তাই এর উপর ভিত্তি করে সসার পালটে হয়ে গেল “UFO-Unidentified Flying Object” আর নতুন যুক্ত হয়েছে “USO-Unidentified Submergible Object”।

বৈশিষ্ট্যঃ কোন প্রকার শব্দ না করে দ্রুত গতিতে উড়তে পারা। দ্রুত গতি মানে ৭০০০ কিঃমিঃ/ঘন্টা (রেকর্ডেড) কিন্তু আমাদের সর্বোচ্চ রেকর্ডেড গতি ৬.৭০ মাক (শব্দের গতির ৬৭০% বা ৬.৭গুণ) নর্ত আমেরিকান হাইপারসনিক বিমান “এক্স-১৫”, প্রায় ৮,২৭৩.১৬ কিঃমিঃ/ঘন্টা।

তাই আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যর উপর ভিত্তি করে সহজেই বলা যায়, UFO সম্পর্কে সীদ্ধান্ত নিতে হলে আপনাকে মানুষের সো ফার আবিষ্কৃত সকল বিমান সম্পর্কে জানা থাকতে হবে,জানা থাকতে হবে টেকনোলজিকাল এডভান্সমেন্ট সম্পর্কে।আর কিছু অপ্রাসঙ্গিক বিষয় জানতে হবে,তা হচ্ছে ইঞ্জিন সম্পর্কে,এরো ডাইনামিক্স সম্পর্কে,জি-ফোর্স সম্পর্কে এবং আমাদের বায়োলজিকাল লিমিটেশান সম্পর্কে।

তবে এর কোনটা সম্পর্কেই আমি নিজে তেমন কিছু জানি না এবং আমি UFO রিসার্চো করি না।তবে এই ঘটনা নিয়ে ঘাটতে ঘাটতে আমার যা মনে হয়েছে তা কেবল উল্লেখ করছি।আবারো বলছি,আমি এলিয়েন আছে কি নাই তা নিয়ে কিছুই বলছি না,আমি আমার সীমিত জ্ঞান দিয়ে যা অযৌক্তিক বা যৌক্তিক অর্থাৎ যা ঝুড়িতে রাখা যায় তেমন কিছু কথা বলব যাতে ভবিষ্যতে কারো উৎসাহ হলে কাজে লাগাতে পারেন।হাহাহা...

প্রথমেই কিছু সহজ প্রশ্ন নিয়ে আসি।মানুষের পক্ষে কি কি বর্তমানে করা সম্ভব...

গোলাকৃতি বিমান কি সম্ভব?হুমম সম্ভব...

নিঃশব্দ ফ্লাইট কি সম্ভব? হুমম সম্ভব...

শুনেছি,UFO লাইটের মত জ্বলে,এটা কি সম্ভব? হুমম সম্ভব...

শুনেছি,UFO খুব গতিতে চললেও হঠাৎ মুহুর্তেই থেমে যেতে পারে,দিক পরিবর্তণ করতে পারে,এটা কি সম্ভব? আমার জানামতে সম্ভব না।তবে অধিকাংশই অতিরঞ্জিত করে বলা হয়ে থাকে,ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে। কিন্তু ব্যাখ্যা করা যায় না এমন কোন ভিডিও তে ওরকম সায়েন্স ফিকশান টাইপ গতিবিধি পরিলক্ষিত হয় না।তবে মনে রাখবেন,মাছির গতিবিধি আপনার কাছে সায়েন্স ফিকশনাল সসারের গতিবিধি মনে হয়ে কারণ গতি এবং আমাদের দেখার সীমাবদ্ধতা বা আমাদের ভিডিও ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা।আমরা মাছির গতিপথ ফলো করতে পারিনা বলেই মনে হয় হঠাৎ বিদ্যুৎগতিতে সরে গেল।কিন্তু মাছি কি এলিয়েন টেকনোলজি ব্যবহার করে?হাহাহাহা...

তাহলে গতিবিধি দেখে বলা যেতে পারে,কোনটা এলিয়েন টেকনোলজি আর কোনটা মানুষের তৈরী, যদিও কিছুটা প্রশ্ন থাকেই।

প্রথম তিনটি প্রশ্নের উত্তর যদি আপনি বুঝতে চান তাহলে নিকোলা টেসলার কাজ নিয়ে রিসার্চ করুন বুঝতে পারবেন।ইলেক্ট্রো ম্যাগ্নেটিক ওয়েভ,ঘুরায়ে ফিরায়ে যা গ্রেভিটিরি ছোট রূপ,তার ব্যবহার কয়া মানেই কমবাশ্চান ইঞ্জিন বা প্রচলিত ইঞ্জিন থেকে বের হয়ে আসা আর তা করা মানেই শব্দ কমে যাওয়া।যেহেতু কারেন্ট পাস করবে কয়েলের ভেতর দিয়ে তাই হয়ত হিট তৈরী হবে যা উপরের মেটালিক কাভারকে উত্তপ্ত লোহার মতই উজ্জ্বল করে তুলবে যেহেতু এনার্জি ধ্বংস হয়ে যায় না।

এত কথা বলার অর্থ হচ্ছে, প্রচলিত টেকনোলজিকাল উন্নতি হয়ত ভুল পথেই এগিয়েছে এতদিন কিন্তু যারা তা অনুসরণ করেননি বরং ভিন্ন পথেই ছিলেন তারা হয়ত এগিয়েছেন সঠিক দিকেই।এখন অনেক গবেষণাই হচ্ছে অলটারনেটিং কারেন্ট নিয়ে এবং নতুন সব বিমানের ডিজাইন নিয়ে,ফলে আগামী দশকে বা তার পরে হয়ত ব্যতিক্রমধর্মী উড়োজাহাজ দেখা যাবে যা আজকে দেখলে UFO বলেই মনে হতে পারে।

তবে গ্রেভিটি যেদিন আমরা হাইড্রো ড্যানামিকসের মত বুঝতে এবং ব্যবহার করতে পারব,তখন গতির সীমাও অনেক বাড়বে আমাদের এবং বর্তমানে বিমানের গতিবিধির যে সীমাবদ্ধতা তাও অনেক কমে যাবে।আরো জানতে এন্টিগ্র্যাভিটি নিয়ে রিসার্চ করুন,নিজেই অবাক হবেন দেখে আমরা মানুষ কতদূর এগিয়েছি,এলিয়েন আর লাগবে না।হাহাহাহা...আর বিমানের গতিবিধির সিমাবদ্ধতার বড় একটা অংশ আসে আমাদের ব্লাড সার্কুলেশানের কারণে।কেবল মনে করে দেখুন,বিমানের অবস্থান যেমনই হোক না কেন,আপনি যদি সবসময় একই পজিশনে থাকতে পারেন, অর্থাৎ আকাশে বিমান উলটে  থাকলেও চালক যদি সোজা বসে থাকতে পারেন তাহলে বর্তমান বিমানের গতিবিধি কত পালটে যেতে পারে।হাহাহাহা...তবে সায়েন্স ফিকশান থেকেও বাস্তবতা কিন্তু অনেক আশ্চর্য্যের।আর তাই আমরা দ্বিতীয় বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।

পৃথিবী ও তার রহস্যঃ আমরা ছোট বেলা থেকেই পড়ে আসছি পৃথিবী কমলালেবুর মত এবং আমরা পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশে থাকলেও পড়ে যাই না মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে।এরপর জেনেছি আমরা ওজনস্তর নিয়ে যা আমাদের পৃথিবীর চারপাশে একধরনের বেষ্টনী তৈরী করেছে এবং সূর্‍্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করছে।তারপর জেনেছি পৃথিবীর ম্যাগ্নেটিক ফিল্ডের উপস্থিতি তথা উত্তর-দক্ষিণে কম্পাসের কাটা ফিক্সড থাকে যাতে আমরা পথ না হারাই।আমরা যতই জেনেছি ততই নতুন নতুন কেয়ামতের আলামতের মত সতর্কবাণী শুনতে পেয়েছি আর এই জানতে গিয়ে আমাদের টেকনোলজির উন্নতি করতে হয়েছে আর তা করতে গিয়ে গ্রীণ হাউজ ইফেক্টের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আর গ্রীণ হাউজ ইফেক্টের কারণে গ্লোবাল তাপমাত্রা বাড়ছে।সেই কারণে এন্টার্কটিকার বরফ গলছে,এতে সমুদ্রর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে ফলে সমুদ্র তীরবর্তি স্থান সমূহ পানির নীচে চলে যাবে।মাত্র ১০ভাগ এন্টার্ক্টিকার বরফ গলে গেলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১২-১৯ফুট বাড়বে বলে সন্দেহ করা হয়।

এই সুযোগে পৃথিবী নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়।পৃথিবী নিজেই হয়ত একটা সসার,হাহাহাহা...আমরা সবাই জানি পৃথিবীর কেন্দ্রে আছে একটি মেটাল বল (২৭৬০ডিগ্রী সেঃ,১২০০কিঃমিঃ ব্যাস),তাকে ঘিরে আছে মোল্টেড আয়রণ বা গলিত পাথর(২৩০০ কিঃমিঃ),তাকে ঘিরে আছে ম্যান্টেল বা কঠিন পাথর (২৯০০কিঃমিঃ),এর উপরের স্তরের ঘন গলিত পাথর আছে আর তার উপরে শীতল শক্ত আবরণটি হচ্ছে ক্রাস্ট।সমুদ্রের নীচে এই ক্রাস্টের থিকনেস ৫ থেকে ১০ কিঃমিঃ আর তাই সমুদ্রের নীচের ভূমিকম্প বেশি ক্ষতির কারণ হয়।আর এত কথা না বলে,খুব সহজ করে বললে, পৃথিবী একটা বার্থডে কেকের মত।তবে পৃথিবী ঠান্ডা হবার সময় ভারী পদার্থ সব সেন্টারে এবং হালকা পদার্থ সারফেসে এই সাধারণ নিয়মই ফলো করেছে।তাই উপরের সারফেস দ্রুত শীতল হয়েছে এবং আজো সেন্টারের তাপমাত্রা ২৭৬০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড।তবে দোয়া করেন যেন এই তাপমাত্রা না কমে।হাহাহা...

কারণ গলিত পাথর বা লাভার ঘূর্ননের কারণেই পৃথিবীর চারপাশে একটি ম্যাগনেটিক শেলের তৈরী হয়েছে যা পৃথিবীর সাউত বা দক্ষিণ প্রান্তে বহির্মুখি এবং উত্তরমেরুতে অন্তর্মুখী।এই মেগনেটিক বলের কারনেই আমরা সূর্যের তথা মহাশুণ্যের সকল রেডিয়েশান থেকে নিরাপদে থাকি।জিজ্ঞেস করতে পারেন কেন? কেন এই মেগনেটিক ফিল্ড পৃথিবীকে ঘিরে থাকছে?উত্তর হচ্ছে ইলেকট্রিক কারেন্ট বা তড়িৎপ্রবাহ।আর তা আসছে কোথা থেকে পৃথিবীতে?আসছে এই মেগনেটিক প্রবাহের কারণেই।মেগনেটিক প্রবাহ কেন্দ্রের ঘূর্ণণ গতির সাথে মিলে রূপান্তরিত হচ্ছে তড়িৎপ্রবাহে যা আবার জন্ম দিচ্ছে আরো মেগনেটিক প্রবাহের, যা আবার জন্ম দিচ্ছে আরো তড়িৎপ্রবাহের।সেই চিরাচরিত একই ঘটনা, “মুরগী আগে নাকি আন্ডা আগে”।হাহাহাহা...আগে মেগনেটিক প্রবাহ নাকি আগে তড়িৎপ্রবাহ।হাহাহা...তা আমি জানার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছি।হাহাহাহা...আর পৃথিবীকে আপনি এসব তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে সহজেই বলতে পারেন একটি “self-sustaining dynamo” হাহাহাহা...

আবারো বলছি,আমি কেবল ঘেটে বের করেছি,কিছুই নিজের করা নয়।তাই আপনি নিজেও ঘেটে দেখতে পারেন যদি ইতিমধ্যেই দেখে না থাকেন।

একধরনের এনার্জি(মেগনেটিক প্রবাহ) জন্ম দিচ্ছে আরেক ধরনের এনার্জি(তড়িৎপ্রবাহ) যা আবার প্রথম এনার্জিতে(মেগনেটিক প্রবাহ) রূপান্তরিত হচ্ছে।সহজ পদার্থবিদ্যার নিয়ম অনুসরণ করছে।

আমাদের পৃথিবীর মেগনেটিক ফিল্ড নির্ভর করছে পৃথিবীর কেন্দ্রের ঘূর্ণনের উপর আর এই ঘূর্ণণ নির্ভর করছে কেন্দ্রের গলিত লাভার ঘনত্বের উপর আর এই ঘনত্ব নির্ভর করছে তাপমাত্রার উপর।পৃথিবী প্রতি বিলিয়ন বছরে ১০০ ডিগ্রী তাপমাত্রা হারাচ্ছে আর এই হিসাবে পৃথিবীর মেয়াদ আছে এখনো প্রায় ২৮ বিলিয়ন বছর (কেন্দ্রের তাপমাত্রা ২৭৬০ডিগ্রী ধরে)।হাহাহা...এখনি ব্যাগ গোছানোর কিছু নাই...হাহাহা...

তাহলে আমরা কম্পাসের কাটায় যা দক্ষিণ মেরু বা উত্তর মেরু বলে জানি তা আসলে মেগনেটিক প্রবাহের শুরু এবং শেষ প্রান্ত কেবল,আসল উত্তর মেরু বা দক্ষিণ মেরু না।গবেশণায় দেখা গেছে,এই মেগনেটিক ফিল্ড দূর্বল হয়ে যাচ্ছে খুব দ্রুত।আর দূর্বল হচ্ছে মানেই আরেক অশনিসংকেত,যাকে বলে “পোলার ফ্লিপ” বা “পোলার শিফট”।এই প্রবাহের পরিবর্তণ হয় এই প্রবাহটিকেই ধরে রাখার জন্যই আর তার সিম্পটমই হচ্ছে এই দূর্বল মেগনেটিক ফিল্ড।এই রকম ফ্লিপ পৃথিবীর ইতিহাসে আগেও হয়েছে এবং তা বেশ নিয়মিত ঘটনাই ছিল।প্রতি ২০০,০০০ বছর পর পর এই পোলার ফ্লিপ হতো কিন্তু গত প্রায় ৭০০,০০০বছর ধরে হয়নি।এর দুটো দিক আছে।এক, কেন হয়নি?দুই,তাহলে সামনে কবে হবে?গবেষণাতে দেখা গেছে,প্রসেস ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে এবং চলছে।

প্রসেসটি স্বাভাবিক,নিরক্ষরেখা বরাবার মেগনেটিক ফিল্ডটিকে দুই ভাগে ভাগ করুন।উত্তর ভাগের মাঝে দক্ষিণভাগের ছোট ছোট দ্বীপ বা তার উলটো হলেই পৃথিবীর পুরো মেগনেটিক ফিল্ড দূর্বল হওয়া শুরু করে এবং এক পর্যায়ে এসে ফ্লিপ করে।কিন্তু মাঝের সময়টিতে কি হয় তা পরিষ্কার করে জানা না গেলেও কিছুটা ধারণা করা যায় বৈকি।গবেষণায় দেখা গেছে,যত বেশি দ্বীপের জন্ম হবে মেগনেটিক উত্তর বা দক্ষিণ তত বেশি ছোটাছুটি করবে,দৈনিক ৬ ডিগ্রী করে সরে যেতে পারে বলে ঐতিহাসিক ডাটা ঘেটে বলা যায়।

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বা ১৯০০ শতাব্দীর শেষ দশকে দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রাঞ্চলের উপর মেগনেটিক প্রবাহের ব্যাতিক্রম পরিলক্ষিত হয়,যার কারণে পৃথিবীর মেগনেটিক ফিল্ড স্বাভাবিকের থেকে ২৫-৩০% দূর্বল হয়ে যায়।আর এসমস্ত দ্বীপের ভেতর দিয়ে জাহাজ বা বিমান চলাচলের সময় কি হবে বা কি হচ্ছে কে জানে?তাই যারা কম্পাস নির্ভর কাজে নিয়োজিত তারা ঐসকল স্থানে কি কোণ গোলকধাধায় পড়ছেন কিনা, কে জানে?

এই ফ্লিপের মাঝের সময়ে নিরক্ষরেখাতেই হয়ত নর্দান লাইট দেখা যাবে।দুই মেরুর পরিবর্তে হয়ত গন্ডাখানেক বা ডজনখানেক পকেট মেরু তৈরি হবে। আর তাতে মানুষের যে সকল ক্ষতি হবে,তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে রেডিয়েশান,যা থেকে আমাদের নিরাপদ রাখার কাজ করছে এই মেগনেটিক ফিল্ড।বর্তমানে সোলার রেডিয়েশান মেগনেটিক ফিল্ডের কারণে যেদিকে মানুষ কম,অর্থাৎ, দুই মেরুর দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়।যখন নিরক্ষরেখাতেই পকেট মেরু তৈরী হয়ে যাবে তখন সেখানেই রেডিয়েশান ট্রান্সফার হবে।আর ফ্লিপ হবার পরে সন্দেহ করা হচ্ছে বেশ কিছুদিন এই মেগনেটিক ফিল্ড থাকবে না কিন্তু আবার একটা সময় পরে ফেরত আসবে।আর ঐ সময়ে কেন্সারের মত রোগ খুব বেশি হবে,বছরে ১০০,০০০ থেকে ১৫,০০,০০০ মানুষ হয়ত কেন্সারে মারা যেতে পারে।যেহেতু দক্ষিণ আটলান্টিকের যে মেগনেটিক ফিল্ডের ব্যাতিক্রমের কথা বলা হয়েছে,তার কোন সঠিক অবস্থানের কথা খুজে পাইনি,তাই চেক করতে পারিনি পৃথিবীতে কোন একটি নির্দিষ্ট অঞ্ছলে কেন্সারের আক্রমণ বেড়েছে কিনা।

তবে আরো যা যা হবে তার মধ্যে অনেক কিছুই ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে, যেমন-আবহাওয়ার খামখেয়ালী, ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত,বন্যা ইত্যাদি...

খামখেয়ালী আবহাওয়া মানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা।হঠাৎই গরম পরদিন হঠাৎই ঠান্ডা।বজ্রপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি বা থানডার স্টর্ম (Thunder Storm), বড় শক্তিশালী সাইক্লোন বা টর্নেডো।মোট কথা, এলোমেলোভাবেই ঋতুর চক্রের আসা যাওয়া এবং শক্তিশালী ঝড়-তুফান।

আর যত খারাপ হবে মেগনেটিক ফিল্ড ততই এসব খারাপ থেকে খারাপতর হতে থাকবে।

আরো যা দেখা যাবে, তা হচ্ছে অদ্ভূত মেঘের গঠন,নাহ ওসব এলিয়েনদের বিমান লুকিয়ে রাখার স্থান না।দেখে মনে হতে পারে মেঘগুলো কিছুর সাথে আটকে গেছে,যদিও বাতাস বইছে কিন্তু মেঘগুলো আটকে আছে বা কোন কারণে ইউ টার্ন নিচ্ছে।মেগনেটিক ফিল্ডের এনোমেলি বা ইলেকট্রিক ডিসচার্জের কারণে হতে পারে এমন।কেন যেন এই ব্যাপারটি আমার মাথায় ঠিক ঢোকেনি,তারপরো উল্লেখ করলাম যাতে কেউ উৎসাহি হয়ে ঘেটে দেখতে পারেন।

আরো যা দেখবেন প্রাণিদের ভেতরে, সর্বোপ্রথমে আক্রান্ত হবে পাখি।কারণ তারা মেগনেটিক পোল দ্বারাই দিক নির্দেশণার কাজ করে থাকে।বলা যায় না,মানুষের মত তারাও দূর্ঘটনার স্বীকার হতে পারে আর তা নির্ভর করছে দ্বীপ বা পকেট মেরু অঞ্চল কোথায় তৈরী হয়েছে তার উপর।

আজকে এই পর্যন্তই বাকি কিছু জানার থাকলে একটু সামান্য ঘাটাঘাটি করলেই জানতে পারবেন।

Please keep an open mind and look through everything. Knowledge was a single piece of bread, just like the way the land was on this earth once upon a time. It got broke and got scattered everywhere. Got mixed with imagination or misunderstanding, like the land of this beautiful earth, knowledge also got scattered everywhere (in myth, in story, in religion, in fairytale, in paintings, in news, in physical elements). So, we have to go through everything to pick the right pieces to solve the puzzle that drives you.

আশা করি বেশি বাড়াবাড়ি ঔদ্ধত্য দেখাইনি।নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন ভুল কথা বলে থাকলে আর শুধরে দেবেন।হাহাহা...তবে সাহস তো করতেই হয় কাউকে না কাউকে, ভুল তো হতেই পারে।তাই বলে চোখ খুলে না দেখারতো কোন মানে নাই।

শুনেছি কারো কার মতে ইতিমধ্যে ২০ থেকে ৩০ডিগ্রী সরে গেছে মেগনেটিক পোল;কেউ কেউ বলছেন আরো বেশি।আর তাই নানাবিধ প্রাকৃতিক ব্যতিক্রম চিত্র দেখা যাচ্ছে সারা পৃথিবী জুড়ে।এমনকি আমাদের সূর্যও প্রতি ১২ বা ১১ বছর পর পর ফ্লিপ করে।হাহাহাহা...আর মাঝের সময়টাতেই বড় বড় রেডিয়েটিভ সোলার বার্স্ট হয়।আজিব শোনালেও সত্য।এই পুরো সৌরজগৎ একটা টাইম বোম কেবল এবং এই ঘড়ি এক মুহুর্তের জন্যেও থেমে নেই...হাহাহাহা...তাই সময় ফুরোবার আগেই যদি মানুষ নিজেদের জন্য কোন ব্যবস্থা করতে না পারে তাহলে কি হবে কে জানে?হাহাহাহা...এসব নিয়ে পরবর্তীতে লেখার চেষ্টা করব।ততদিন ভাল থাকবেন সবাই...তবে ভবিষ্যতের সবই কেবল রূপকথার মতই শোনাবে কারণ আপনি বা আমি কেউই থাকব না তা দেখার জন্য,তাই হু কেয়ারস...হাহাহাহা...

 

2016 IS STRANGE Part 7 // MARCH

https://www.youtube.com/watch?v=ksES08Hr6HA

*পৃথিবী* *ভূমিকম্প* *মানুষ* *রেডিও-প্যাঁচা* *বিজ্ঞান* *ভবিষ্যৎ* *রূপকথা* *সুডোসাইন্স* *২০১৬*

মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবীব): একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ওয়ার্ল্ড কাপ টি-টুয়েনটি ২০১৬ সালে বাংলাদেশ টিম কতদূর পর্যণ্ত পৌছাতে পারবে ? আপনি কি আশা রাখেন ? ১) সেমিফাইনাল । ২) ফাইলান । এবং ৩) চাম্পিয়ন ।

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ওয়ার্ল্ডকাপ* *টি-টুয়েনটি* *২০১৬* *সাল* *বাংলাদেশটিম* *কতদূর* *পর্যণ্ত* *পৌছাতে* *আশা* *সেমিফাইনাল* *ফাইলান* *চাম্পিয়ন*
ছবি

ফারজানা সিদ্দিকী নম্রতা: ফটো পোস্ট করেছে

গল্পের হাট ৩

আলহামদুলিল্লাহ :) বইমেলা ২০১৬ তে তৃতীয়বারের মত প্রকাশিত হতে যাচ্ছে সোহান রেজা সম্পাদিত "গল্পের হাট ৩" এবং দ্বিতীয়বারের মত আমার লেখা একটি ছোট গল্প বইটিতে স্থান করে নিয়েছে :') এবারের সংকলনে যাদের লেখা থাকছে, ১। অমিত রজক সৌরভ ২। প্রসেনজিৎ রায় ৩। তীর্থ ৪। মারুফ ইমন ৫। ইমতিয়াজ ইমন ৬। সাবিকুন নাহার কেয়া ৭। প্রাঞ্জলিকা গোমেজ ৮। শাহরিয়ার বিশাল ৯। কামরুন নেছা লিমা ১০। সুজানা আবেদীন সোনালী ১১। সাবিহা বিনতে রইস ১২। সুরাইয়া হেনা ১৩। পুলক কুমার ১৪। পারভেজ এম রবিন ১৫। সাইদ জামান ১৬। আহমেদ ইমরান হালিমী ১৭। নীলাঞ্জনা কাবেরী বৃষ্টি ১৮। মাহী ফ্লোরা ১৯। নাসির খান ২০। গাজী মোনাম্মদ মোমিনুল হক ২১। মোঃ মাহজুব হাসান ২২। শোভন আহমাদুজ্জামান ২৩। সাঈদ আহমেদ ২৪। নাঈমুল হাছান হিমু ২৫। অভ্র ২৬। তাসনিম চৈতি ২৭। বিধান রায় ২৮। সোহেল নওরোজ ২৯। আইভান আমিন ৩০। জাহিন গালিব ৩১। কুহেলিকা চৌধুরী ৩২। আশরাফ মামুন ৩৩। মাহিম আদনান ৩৪। ফারজানা সিদ্দিকী নম্রতা ৩৫। ওয়ামিয়া আযিন ৩৬। এহসান তানিম ৩৭। এস এম মামুনুর রহমান ৩৮। কিশোর পাশা ইমন ৩৯। তাহমিদ রহমান ৪০। নাঈমা মাহফুজা ৪১। সোহান ইসলাম ৪২। অসীম পিয়াস - ৪৩। সুমাইয়া রহমান কান্তি ৪৪। রুদ্র কায়সার ৪৫। অনিমেষ দিপু ৪৬। আশরাফুল সুমন ৪৭। রা'দ রহমান ৪৮। সাব্বির জাদিদ ৪৯। আসিফ উর রহমান ৫০। আলী অয়ন ৫১। রশীদ আবরার রিয়াদ ৫২। মাদিহা মৌ ৫৩। সাঈদ শিহাব ৫৪। নাযিফ হাসান চৌধুরী ৫৫। ফারিয়া রহমান ৫৬। লিমন আহমেদ ৫৭। আকতার উজ জামান মুন্না ৫৮। শুভাগত দীপ . রাজশাহীর নতুন প্রকাশনী 'হৃদি প্রকাশ' থেকে প্রকাশিত হচ্ছে আমাদের এই সংকলন।বই কবে থেকে বাজারে পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে পরবর্তীতে আপডেট দেয়া হবে। এবার প্রথমবারের মত হৃদি প্রকাশ ও গল্পের হাটের সৌজন্যে পাঠকদের জন্য থাকবে প্রি-অর্ডার সিস্টেম।

*গল্পেরহাট৩* *বইমেলা* *২০১৬*

দস্যু বনহুর: [পিরিতি-তোমারজন্য] আবার পেছনে ফেলে পথ, হেঁটে হেঁটে সামনে এগিয়ে, কিছুটা ফুরিয়েছে সারাংশ। সারমর্ম কুড়িয়ে নিতেই, নতুন সময়ের পিছু, আমি, আমার অতীত এবং ভবিষ্যতের অবশিষ্টাংশ। !! সবার জন্য ইংরেজী নতুন বছরের *New-Year* শুভেচ্ছা। বাংলার আসেনি নববর্ষ।

*২০১৬* *New-Year*
ছবি

সগীর খান: ফটো পোস্ট করেছে

২০১৬

আমার ছোট্ট একটা কাজ

*2016* *my-paint* *free-software*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপহার পেতে কে না ভালবাসে ? আর বিভিন্ন উপলক্ষ্যে উপহার দেয়া ও নেয়া তো রীতিমতো আনন্দে উদ্ভাসিত করে দেয়ার মতো একটি মুহুর্ত। নতুন বছরের শুরুতে প্রিয়জনের মাঝে উপহার আদান-প্রদান আরো কয়েকগুন বেড়ে যায়। এ সময়ে অনেকে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগেন যে তার প্রিয় মানুষটিকে কি উপহার সে দিবে বা কোন ধরনের উপহার তার জন্য ভালো হবে ?
 
এসব প্রশ্নের উত্তর হতে পারে অনেক কিছুই। তবে আপনার সীমিত বাজেট ও রুচির সাথে মিল রেখে এই নববর্ষে প্রিয়জনের মন রাঙাতে পারে নিচের উপহারগুলি। চলুন দেখে নিই নতুন বছরে প্রিয়জনের জন্য কিছু উপহার





















*নতুনবছর* *২০১৬* *গিফট* *স্মার্টশপিং*

♦ মমিতা ♦: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আরেক টি বছরের বিদায়, কেমন কেটেছে ২০১৫ তোমাদের অনুভূতি জানতে চাচ্ছি (খুশী২)
*২০১৬*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★