**

Lutfun Nessa: *আঞ্চলিক-ভাষা* *ওরে আল্লাহ মোরে কারেন্টে শট হরছে,, ** মরার কুত্তারে মোগো বাড়ি যাইও খাদা বৈররা ফ্যান দিমু প্যাট বৈররা খাইও, *** হারামজাদার পুৎ মুই কৈছিনা তোর লোগে মোর বিয়া ওইবেনা, **** মোগো মনু গুমানোর সময় এক চাহা মিডা না খাইয়া গুমাইবেইনা,,, :D

Lutfun Nessa: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 জীবনানন্দ দাসের " নাটোরের বনলতা সেন " কি কোনো কাল্পনিক চরিত্র ?
Lutfun Nessa: জীবনানন্দ দাশের "বনলতা সেন" একটা যুগান্তকারী প্রেমের কবিতা! আমিও এক সময় খুব পড়েছি -- আর কবিতার বনলতা সেন কি শুধুই কবির কল্পনা না কি বাস্তবে বনলতা সেনের কোন অস্তিত্ব ছিল, এ নিয়ে অনেক আলোচনা ও গবেষণা হয়...বিস্তারিত

৬ টি উত্তর আছে

*বাংলাসাহিত্য* *কবিতা* ****

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: **** শুভ সকাল **** ২রা মার্চ, ২০১৭ ইং ৩রা জমাদিউস-সানি, ১৪৩৮ হিজরী ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ ( বসন্তকাল ) ##বেশতো এর সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি সালাম ও শুভেচ্ছা ।। দিনটি যেন সুন্দর ও আনন্দময় হোক ।।

*সম্ভাষন* *বেশতো* *বন্ধু* *শুভ-সকাল* *সুপ্রভাত* ****

মোঃ সাব্বির হোসেন চৌধুরী: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 বাংলাদেশ থেকে বাইরোডে ভুটান যাবার বিস্তারিত তথ্য কেউ জানাতে পারেন কি?
মোঃ সাব্বির হোসেন চৌধুরী: **** প্রথম উপায়ঃ**** . ভূটানে যেতে প্রথমেই আপনার ট্রানজিট ভিসা লাগবে । ট্রানজিট ভিসা আপনি শুধুমাত্র ঢাকার গুলশান শাখা থেকেই করিয়ে নিতে পারবেন । তেতুঁলিয়ার বাংলাবান্ধা দিয়ে খুব সহজে বাসযোগে যেতে পারেন।...বিস্তারিত

১ টি উত্তর আছে

*ভুটান* *বাইরোডেভুটান* *বিদেশভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস* ****

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

"Money makes the world go round" কথাটা সবারই জানা কিন্তু তারপরো বলার কি মানে? আপনি যেভাবে জানেন এবং আমি যেভাবে দেখি এই দুইয়ের মাঝের তারতম্যই হয়ত পুরোনো কথা আবারো বলা বা বলতে আসা। কথাটা কতটা লিটারালি সঠিক,সেটাই এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করব, আশা করব আপনি যদি আমার সাথে একমত না-ও হন অন্তত নিজে ঘেটে দেখার জন্য আগ্রহী হবেন। এবার আসল কথাতে আসি।

“Money” বা টাকা বা অর্থ যা বর্তমানে এমন একটি অবস্থানে আছে, যার কাছে দুনিয়ার সব মানুষই বন্দী বা তার সামনে সবারই মাথা নোয়াতে হয়।তাই এই কাগজের নোট নিয়ে বলার তেমন কিছু নেই তবে একটা ব্যাপার নিয়ে বলা যেতে পারে আর তা হচ্ছে এই অর্থের যোগান বা এর সাপ্লাই সিস্টেম নিয়ে।কিভাবে এই ড্রাগ আসছে, কে তৈরী করছে আর এই সিস্টেমটি আসলে যতটা জনহীতকর বলে মনে করি আমরা আসলে তা কতটুকু, এটা কি আসলে আমাদের মুক্তির মাপকাঠি নাকি পরাধীনতার মাপকাঠি। যে বা যারা এটা জেনেশুনে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সংযোজন করেছেন তাদেরকে কি আমরা পূজো করব নাকি গালি দেব। হাহাহাহা...ভূমিকা দিতে দিতেই হয়ত সময় সব শেষ করে ফেলব, হাহাহাহ...

“কেন্দ্রীয় ব্যাংক” সম্পর্কে সাধারণ একজন ব্যাক্তি কতটুকু জানেন, কতটুকু জানেন শীক্ষার নামে যে শৃংখল আমরা শৈশব থেকে তুলে নিয়েছি তা থেকে বের হবার মত মানসিক শক্তি কি তৈরী করা সম্ভব হবে? সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বলছি, আপনার মত উচ্চশিক্ষিত ব্যাক্তির কথা এখনই বলছি না। আপনার কাছে কেমন লাগবে যখন আপনি দেখবেন,একজন ব্যাক্তি অন্যায় করেই যাচ্ছেন এবং একদল মানুষ তা মুক্তির উপায় হিসাবে দেখছেন এবং ঐ ব্যাক্তির হয়ে লড়াই করেই যাচ্ছেন অন্যদের সাথে।পুরো ব্যপারটাকে আপনি তখন কি বলবেন?হাহাহা...

খুব সংক্ষেপে বলি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকার সাপ্লাই বজায় রাখেন।তারা টাকার সাপ্লাই কমানো,বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বলতে পারেন টাকার মান বজায় রাখেন।খুবই মহৎ উদ্দেশ্য। তবে এখনই কোন সীদ্ধান্তে না আসতে বলব।কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই অর্থ দেশের সরকারকে লোন হিসাবে দিয়ে থাকেন।ধরুন, ১০% সুদে বা লাভে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে ১০০টাকা ধার দিলেন, দেশের কর্মকান্ড তথা দেশের জনগণের চাহিদা মেটাবার জন্য। সুতরাং, সরকার আপনাকে যদি ১ টাকা বেতন দেন, মূলতঃ তাহলে দিচ্ছেন ১টাকা ১০ পয়সা...আপনি এই “অদৃশ্য” ১০ পয়সা সুদ বা লাভ কিন্তু নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিচ্ছেন আর তা আপনি শোধ করছেন ইনকাম টেক্সের মাধ্যমে।সরকার এই ইনকাম ট্যাক্স এর মাধ্যমে ঐ ১০% সুদ বা লাভ পরিশোধ করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। এখন প্রশ্ন আসতেই পারে, যেখানে কেন্দ্রিয় ব্যাংক টাকা সাপ্লাই দিচ্ছে সেখানে এই সুদ বা লাভের টাকা কিভাবে হাওয়া থেকে আসবে, কারণ দেশের যত টাকা সরবরাহ হচ্ছে তাতো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই আসছে। সুতরাং এই যে ১০টাকা অতিরিক্ত সরবরাহ করা হচ্ছে তাও তো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই আসছে তাহলে, এখানেও সুদ বা লাভ দিতেই হচ্ছে। মোদ্দা কথা, ১০০টাকা ধার দিলেন ১০% লাভে, তারপর ১০টাকা ধার দিলেন আরো ১০% লাভে,তারপর ১ টাকা ধার দিলেন আরো ১০% লাভে, তারপর সেই ১০পয়সা ধার দিলেন আরো ১০% লাভে......এর শেষ কোথায় আসলে?হাহাহাহা...তাহলে দেশের জণগণ কি কোনদিন এই ধার শোধ করার হাত থেকে বের হতে পারবে আর কিভাবেই বা এমন একটা মরণকামড় সিস্টেম এমন আধুনিক সময়ে প্রচলিত আছে এখনো আর কিভাবেই বা আমরা এটাকে মেনে নিয়ে দিব্যি দিন কাটাচ্ছি?

যদি এই প্রশ্নে আসেন তাহলে এমন আরো একটি সিস্টেমের সাথে আপনাকে পরিচিত হতে হবে আর তা হচ্ছে “শীক্ষা”...হাহাহাহাহা...হুমম, শিক্ষা...আপনার বা আমার মত আরো অনেককেই কিভাবে ছোটবেলা থেকে আমাদের কিছু মানসিক দিককে কিভাবে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে যার ফলে আমাদের DOMESTICATED বা **** করতে সহজ হয়েছে। আপনি যখন অন্ধ তখন আপনাকে একটি বড় খাচায় রেখে আপনাকে স্বাধীন বলে ঘোষণা দিলে,আপনি কি তার প্রতিবাদ করতে পারবেন? আর যে দু’একজন করবে তাদের তো অন্যরাই থামিয়ে দেবে যে এই খাচায় আমাদের রেখেছে তাকে তো সামনেও আসতে হবে না।হাহাহাহা...

আপনাকে যে অর্থনৈতিক শিক্ষা দেয়া হয় সেখানে মেনিপুলেশান...আপনাকে যে ধর্মের শীক্ষা দেয়া হয় সেখানে মেনিপুলেশান...আপনাকে সে ইতিহাসের শীক্ষা দেয়া হয় সেখানে মেনিপুলেশান...আপনাকে যে বিজ্ঞানের শিক্ষা দেয়া হয় সেখানে মেনিপুলেশান...আপনাকে যে গণিতের শিক্ষা দেয়া হয় সেখানে মেনিপুলেশান...হাহাহাহা...তাহলে আপনার এই যে শিক্ষা তা আসলে কতটা আপনার আর কতটা এক শ্রেণির মানুষের তাবেদারী করার জন্য আপনাকে ডিজাইন করা হয়েছে।বলুন তো, আপনি আসলে কি?

“ডায়নোসার” সম্পর্কে আপনি বা আমি কতটুকু জানি।হাহাহা...আমরা যতটুকু জানি তার কতটুকু তথ্য বা উপাত্ত নির্ভর? নাকি আমরা কাউকে বিশ্বাস করছি এবং সে যা বলছে আমরা তা নিয়েই দৌড়াইছি...খুজে দেখুন তো আসলে কয়টা ডায়নোসারের ফসিল বা হাড় পাওয়া গেছে? টি-রেক্স এর যে গঠন বা আকৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে তা আসলে কিসের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে?খুজে দেখুন প্লিজ...

আপনার কি কখনো মনে হয়েছে আসলে এই শিক্ষার প্রচলন কেন হয়েছিল?কি এমন সমস্যা হচ্ছিল যাতে এমন একটা সিস্টেমের দরকার হলো যেখানে সারা পৃথিবীর সকল মানুষকে একটা ছাতার নীচে পাওয়া যাবে। আমার যদি এখন সারা পৃথিবীর মানুষের মাঝে কিছুর বীজ বপণ করতে হয় তাহলে তা শীক্ষার মাধ্যমে সম্ভব আর বর্তমানে নতুন ফেইসবুক বা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক যা শুধুমাত্র যারা শীক্ষায় আগ্রহী তারা নয়,অন্য সবাইকে এর আওতায় আনা গেছে। নতুন টেলিভিশন বা ম্যাস মিডিয়ার কাজ করছে। শিক্ষা আপনার মানসিক উৎকর্ষসাধনের জন্য হওয়া উচিত কিন্তু এর প্রচলন করা হয়েছে আপনার মানসিকতার উৎকর্ষ সাধন যেন না হয় সেজন্য। আর তাই এক শ্রেণির মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য যা যা আপনার জানা প্রয়োজন তা-ই আমরা জানি, তার চেয়ে বেশি কিছু না।

আমরা জানি,প্রাগৈতিহাসিক প্রানীদের কথা যেমন শার্ক...যাকে মেঘলাডন বলা হচ্ছে। আর তার সম্পর্কে যদি আপনারা ঘেটে দেখেন দেখবেন, একটা দাত পাওয়া গিয়েছিল তার এবং সেই দাত থেকে প্রথম যে মডেল তৈরী করা হয়েছিল তা ছিল অতিরঞ্জিত কারণ এসব অতীতের ঘটনা বা নিদর্শন ছিল তখন মিউজিয়াম বা সার্কাসের জন্য আকর্ষণীয় ব্যাপার।অর্থাৎ টাকা উপার্জনের জন্যই এসবের পেছনে টাকা ব্যায় করা হত এবং তার করত কিছু ব্যাবসায়ী শ্রেনীর মানুষ যাদের উদ্দেশ্য টাকা,তথ্য বা নিদর্শনের যথার্থতা নয়।তাই পরবর্তীতে যখন এই কাজে হাত দেয়া হলো,তখন আগেকার সেই মডেলকে কেটে ছেটে কিছুটা কল্পণা, কিছুটা বাস্তবতার সংমিশ্রণে বর্তমান আকৃতি দেয়া হলো।আর তা সম্ভব হয়েছে,কিছু মানুষের কিউরিসিটি এবং অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে। যদি এখন কোন শার্ক বা হাঙ্গর না থাকত তাহলে হয়ত ঐ অতিকায় অতিরঞ্জিত মডেলটিই প্রচলিত থাকত যেমনটা হয়েছে ডায়নোসারের ক্ষেত্রে।হাহাহাহা...টি-রেক্স!!!হাহাহাহা...

এখানে “বিবর্তণবাদ” নিয়ে কিছু না বললেই নয় কারণ ডায়নোসার কিন্তু কিছুটা “লুসি”-র মত। বিবর্তনবাদকে সাপোর্ট করার জন্য যেসব স্কেলিটন পাওয়া গেছে তার অধিকাংশই জেনুইন না বলে প্রমাণ হবার পরো আমাদের পাঠ্যবই এ কেন তা সংযোজিত আছে তা কি আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করেছে? নাহ কারণ হু কেয়ারস...হাহাহাহা...আমরা সবই অন্যের হাতে সোপর্দ করে দিয়েছি অথচ নিজেদের স্বাধীন বা মুক্ত করার জন্য কি হাসফাস আমাদের মাঝে।হাহাহাহা...

এগুলোতে গেল পাঠ্যবই বা এমন কিছু বিষয় যা সবার জন্য হয়ত প্রয়োজনীয় মনে নাও হতে পারে কিন্তু যা আমাদের চোখের সামনে প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত হচ্ছে এবং আমরা দেখেও না দেখে আছি তার কি হবে? প্রতিদিন সূর্য ওঠে দিনের শুরুতে আর চাঁদ ওঠে রাতের শুরুতে। চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে কিন্তু আমরা সূর্যের চারদিকে ঘুরি অথচ চাঁদ আর সূর্যের একই রকম গতিবিধি।সূর্য ৯৩মিলিয়ণ মাইল দূরে আর চাঁদ ২লক্ষ মাইল দূরে কিন্তু উভয়কেই প্রায় একই আকৃতির দেখায়। আবার যদিও একইভাবে, একই নিয়মে দিনের পর দিন তারা আকাশ পাড়ি দিচ্ছে তারপরো আমরা সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরি কিন্তু চাঁদ আমাদের কেন্দ্র করে ঘুরে।হাহাহাহা...যদিও “গ্রেভিটি” ছাড়া কিছুই পৃথিবীতে থাকার কথা না, এতই শক্তিশালী একটি এনার্জি যা কিনা তার এটমোস্ফেয়ার থেকে শুরু করে উপগ্রহ পর্যন্ত সবকিছুকে ধরে রাখতে পারে কিন্তু একটা মাছি চাইলে সহজেই উড়ে যেতে পারে সেই শক্তিকে পরাজিত করে। একটি বিমান উড়তে পারে, পাখি উড়তে পারে। কই পৃথিবীর যদি ঘোরার গতি ১০০০মাইলই হতো তাহলে তো আমরা লাফ দিয়ে শুন্যে উঠলেই কিছুদূর এগিয়ে যেতাম বা পিছিয়ে যেতে পারতাম। বিমান আকাশে ভেসে থাকলেই ১২ ঘন্টা পরে নিজেকে অন্য জায়গায় আবিষ্কার করতে পারতো।এত ইঞ্জিন, গ্যাস, পরিবহন ব্যবস্থার কি দরকার পড়তো।হাহাহাহাহা...এত কিছু হয় না, তারপরো আমাদের মনে প্রশ্ন আসে না।

লাটিমকে ঘুরতে দেখেছি আমরা কিন্তু এই ঘুর্ণণের ফলে কে লাটিম তার সার্ফেসে এক কণা মাটিকে ধরে রাখতে পেরেছিল কোণদিন?হাহাহাহা...চলন্ত কিছু থেকে লাফ দিলে আমরা স্থির অবস্থা থেকে লাফ দিয়ে যত দূরে যেতে পারি তার চেয়ে বেশি দূরে চলে যাই কিন্তু পৃথিবীর ক্ষেত্রে আসলেই আমরা সকল গতিজড়তা বা স্থিতিজড়তার সকল ধর্মকে অস্বীকার করি নির্দিধায়...হাহাহাহাহাহা...

ছোট থেকেই আমরা অন্ধ হয়ে চলতে শিখেছি তাই এখনো সেই চোখ খোলার আর ইচ্ছা জাগে না।অন্ধত্ব আমাদের মুক্তি দিয়েছে, এনে দিয়েছে স্বস্তি।হাহাহাহাহা...আমরা সবাই জন্মেছি দাসত্বের শৃংখলে তাই এর বাহিরের কিছু আমাদের মনে আসেই না। আমরা যার বিনিময়ে এই দাসত্বকে বরণ করেছি তা হচ্ছে “মনুষত্য”...আর তাই আমাদের শীক্ষা অকার্যকর, আমাদের সমাজ অকার্যকর, আমাদের সকল সিস্টেম অকার্যকর কারণ আমরা আমাদের মানুষ হয়ে জন্মেও নিজেদের মৌলিক দিকগুলো বিসর্জন দিয়ে,অন্য কোণকিছুতে নিজেদের রূপান্তর করেছি আর এতেই প্রমাণ করেছি বিবর্তনবাদ সত্য, সত্য যে আমাদেরকে চরম সত্য থেকেও দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব,সত্য যে আমাদেরকে মেনিপুলেট করা সম্ভব। আমরাই আমাদের শৃংখল ঠিক আছে কিনা চেক করে পরে নিচ্ছি।

কিন্তু কেন কেউ বা এক শ্রেণির মানুষ এমন চিন্তা করবে, এমন করবে।কেন করবে? সেটা কি পরিষ্কার নয়? যদি না হয় তাহলে একটা সত্য কথা বলি, আমার কাছেও পরিষ্কার না তবে মানুষ মাত্রই মনে হয় আরেকজন মানুষ থেকে সে ভিন্ন সেটা প্রমাণ করার চেশটা করে, কে কার থেকে উৎকৃষ্ট তা হয়ত খোলামেলা করে না বললেও ভিন্নতা নিয়ে মারামারি করতেও কেউ পিছ পা নয়। হাহাহাহাহা...আমিও মানুষ, আপনিও মানুষ অথচ আমরা একে অন্যের থেকে ভিন্ন...হাহাহাহাহাহাহা...ইউনিক!!!...হাহাহাহা...ডিভাইড এন্ড রুল...এই শীক্ষা কি উৎকর্ষসাধনের শীক্ষা? নাকি উন্নত চিন্তার বিকাশ ঘটায়?হাহাহাহাহা...
ভাল থাকবেন...আমাদের চারপাশের বিরাজিত অধিকাংশ প্রণালীর মাঝে আপনি এই একই অবস্থা দেখতে পাবেন।কেন এই রাখঢাক?কেন এই ভুল দিয়ে ঢাকা এক ভ্রান্ত পৃথিবীকে গড়ে তোলা হয়েছে আমাদের চারদিকে? এসব কার কাজ? ভেবে দেখবেন আশা করি। যারা টাকার জন্য নানা বিষয় তৈরী করেছে, এবং সেই টাকার জন্যই ভ্রান্ত এই পৃথিবী গড়েছে আমাদেরকে শিখিয়েছে, "Money makes the world go round"...তাদের থেকে মুক্তি মানেই হয়ত নতুন জীবনের যাত্রা।সবাইকে সেই জীবনে স্বাগতম...ভাল থাকবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=WdpamCZS2wU

**আমার বাংলা শব্দচয়ণ একটু এলোমেলো মনে হলে নিজ দায়িত্বে ক্ষমা করবেন,কেন যেন শব্দ খুজে পাই না যা বলতে চাই সেজন্য।এতটাই এই ভ্রান্ত পৃথিবী আকড়ে আছে যে চোখের সামনে দেখেও ভাষা খুজে পাই না প্রকাশ করার।কবে আমাদের মুখ সেই ভাষা আসবে?হাহাহাহহা...U think knowledge will free ur mind, but i wonder how? cause, who will free that knowledge?hahahaha

*রেডিও-প্যাঁচা* ****

আল ইমরান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেক আগে শখের বশে গল্প লেখার ব্যর্থ প্রচেস্টা করেছিলাম। সেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে হল। 

"একটি তারার জন্ম"

(১)

আমি আগের ঠিকানায় আছি.........

সময় করে এসো একদিন

দু’জনে কিছুক্ষণ

বসে পাশাপাশি........

গানটা শুনতে শুনতে আনমনা হয়ে পড়ল হাসান। মনে পড়ছে কলেজ জীবনের সেই কথাগুলো। সেই প্রথম দেখা থেকে শুরু করে। অনেককেই বলতে শুনেছে প্রথম দেখায় প্রেম, কিন্তু ওর ক্ষেত্রে তা হয়নি। শ্রাবণের ঝর ঝর বৃষ্টির মত হঠাৎ করেই হাসানের জীবনে শ্রাবণের আগমন। হাসান এবং শ্রাবণ একই কোচিং এ ইংরেজি পড়ত, শ্রাবণ ছিল বি.টি.ভি এনলিস্টেড আর্টিস্ট, আর হাসান খুব সাধারন একটা ছেলে। লেডিস ডিপার্টমেন্ট এ হাসান খুব লাজুক টাইপের ছিল। কারো সাথে কথা তো দূর চোখ মেলানোর সাহস পর্যন্ত ছিল না। সেই দিক থেকে শ্রাবণের মতো মেয়ের সাথে কথা বলার চেয়ে চাঁদে যাওয়া ওর কাছে অনেক বেশী সহজ মনে হত। বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে একদিন হুট করে শ্রাবণ কে ঘুরতে যাওয়ার দাওয়াত দিয়ে ফেলল হাসান। শ্রাবণ তো প্রথমে বিশ্বাস ই করতে পারছিল না যে হাসান ওকে এই অফার করবে।

 

সেইদিনটি ছিল ফেব্রুয়ারির ২ তারিখ। হাসান এবং শ্রাবণের জন্য স্মরণীয় দিন সেটা। শ্রাবণের আসার কথা ছিল নীল শাড়ি পড়ে এবং হাসান নীল পাঞ্জাবী পড়ার কথা। পহেলা ফেব্রুয়ারি রাতেই হাসান মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রাবণ কে ভালবাসার কথা বলার। শ্রাবণ কে নিয়ে একটা কবিতাও লিখেছিল সে,

 

ওগো প্রিয়তমা,

আজ কেন এতো সুন্দর লাগছে তোমায়

মনে হচ্ছে যেন, আকাশ থেকে

কোন নীল পরী নেমে এসেছে

নেমে এসেছে আমার সামনে

আমি কি উপমা দেব তোমায়?

তোমার তুলনা তো তুমি নিজেই।

আজ খুব ইচ্ছে করছে ভালবাসতে তোমায়

কিন্তু দ্বিধা সংশয় মনে

যদি তুমি না মান.......!!

তোমার পাশে আজ তুচ্ছ আমি

ওগো হৃদয়ের রানী

দেবে কি তোমার হৃদয়ে আমারে ঠাই?

নাকি মোর স্বপ্ন, স্বপ্নলোকেই হারাবে

আজ তুমি ক্ষমতায়, আমি বিরোধী

তবু মোর হৃদয় আসনে,

ডাকছি তোমায় ভালোবেসে।

চলে এসো এ হৃদয়ে, শান্ত কর এ মন

কথা দাও ভুলে যাবে না কখনও আমায়

শুধু রাখবে মনে, একজনই ছিল তোমার

ভালবাসত শুধুই তোমাকে।।

 

এর সাথে একটা ছোট্ট চিরকুটে লিখেছিল

* **** ***

এটা আমার হৃদয় নিংড়ানো একটা কথা তোমার জন্য। তুমি হ্যাঁ ও বলতে পার, না ও বলতে পার। বলার আগে মনে রেখ যে “না” বললে কষ্ট পাব।

 

না, শ্রাবণ নীল শাড়ি পড়ে আসেনি। হাসান নির্দিষ্ট জায়গায় দাড়িয়ে ছিল নীল পাঞ্জাবী পরে। কেন জানি ওর মনে হচ্ছিল, এই জন্যই কি কষ্টের রঙ নীল??? 
*গল্প* ****

ঈশান রাব্বি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বেশতো সবাইকে স্বাধীনতা দিয়েছে, দিয়েছে আনফলো অপশন। ঠিক তাই আজ সেলেব্রেটি আপ্পিদের **** করলাম ভাব ভাল লাগে না I am really sorry
****
ছবি

মেঘলা -মেয়ে: ফটো পোস্ট করেছে

***বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার ****

কুয়াকাটা গিয়ে শাওতাল পল্লীর এই কিউট মেয়েটিকে ক্যামেরা বন্ধী না করে পারিনি (ভেঙ্গানো২)

*ফটোকনটেস্ট* *তুমিইসেরা* *শখেরফটোগ্রাফি* ****
জোকস

আর, কে ,সরকার জোকসটি শেয়ার করেছে
"****"

সস্তার টয়লেট দ্র্রব্যমূল্যর উর্ধ গতিতেও ঢাকায় এখনও অনেক কিছুই অনেক সস্তায় পাওয়া যায় .......... ৫/২ টাকায় টয়লেট এর চরম ব্যবস্থা .........তবে অবস্থা .......ট্রেনের থেকে ভাল ...........হা .....হা .....হি ....হি ....(খিকখিক)

কাজী আবদুল ওয়াজেদ: যে দিন থেকে পেন্সিল ছেড়ে কলম ধরেছি, সে দিন থেকে ভুল শুধরানোর সুযোগ টাও হারিয়ে ফেলেছি। ***অকর্মা ওয়াজেদ ****

****

বাবুই: **** the interesting thing is that all the dancers are deaf! Art is the expression of freedom of the soul for all. **** #i share with you this inspiring video, hoping that pass this message to front, also #sharing with your friends! Hugs, Dr. Fabio Augusto (জোস) http://goo.gl/cvHlm7

****

রাজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মনে কর তোমার দেহটা কড়াই। সেই কড়াইয়ে আখের রস জাল দেওয়া হয়। ঊনুনের আচে সেই রস যখন উথলে জাওয়ার উপক্রম হয় ; তখন আচ কমিয়ে রসকে থিথিয়ে দেওয়া হয়। এইভাবে বারবার আচ কমিয়ে-বাড়িয়ে রসকে ঘন করা হয়। একসময় টানা জ্বালেও সে রস আর উথলে পড়ে না। এভাবে তোমার দেহরসকে গরম করছি। এবার তা ক্রমস নিচের দিকে নামছে। আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকো কৃপা । যাতে তোমার মন কামে ডুবে না যায়। না হলে তোমার **** **** ****। এইভাবে তোমার দেহের আচকে কমিয়ে , তোমার দেহরসকে থিথিয়ে দিলাম।

মুভিটা অনেক জটিল....বুঝলাম না.....

যদি ডাউনলোড করতে চান
http://a2zcomputerworld.blogspot.com/2015/02/cosmicsex-movei.html
**** ****

রনি রহমান: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ (আতশবাজি)(আতশবাজি)
আজ শুক্রবার বিকেল ৫টায়, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ১-০ গোলে থাইল্যান্ডকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠল স্বাগতিক বাংলাদেশ।। .ম্যাচের ৪০ মিনিটে গোল করেন ডিফেন্ডার নাসির উদ্দিন . *** আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে মাঠে নামবে বাংলাদেশ ****
*ফুটবল* **** *খেলাধুলা* *গোল্ডকাপ*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১.এলিফ্যান্ট পয়েন্ট>>>>> কক্সবাজার
২.হিরণ পয়েন্ট>>>>>>>>সুন্দরবনের দক্ষিণে
৩.টাইগার পয়েন্ট>>>>>> সুন্দরবনের দক্ষিণে
৪.জাফর পয়েন্ট>>>>>>> দুবলার চরের অপর নাম( সুন্দরবন)
৫.লাবণী পয়েন্ট>>>>>>>কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে
৬.জিরো পয়েন্ট>>>>>>>ঢাকা গুলিস্থান(নূর হোসেন
চত্বর), রাজশাহী শহরে
**** সাগর
১.রাম সাগর >>>>> দিনাজপুর
২.নীল সাগর>>>>>> নীলফামারী
৩.ধর্ম সাগর>>>>>> কুমিল্লা
৪. জয় সাগর>>>>> সিরাজগঞ্জ
৫.বিজয় সাগর>>>> রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৬.শহীদ সাগর>>>>>নাটোর
৭.দূর্গা সাগর>>>>বরিশাল
**** ভ্যালি****
১. ভেঙ্গি ভ্যালি>>>> রাঙ্গামাটি(কাপ্তাই
দ্বারা প্লাবিত)
২.হালদা ভ্যালি>>>>> খাগড়াছড়ি
৩.বলিশিয়া ভ্যালি>>>> মৌলভীবাজার( সংগ্রহ করা )
**** **** *পয়েন্ট* *সাগর* *ভ্যালি*

রনি রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরনোর বিদায় আর নতুনের শুরু, সময়ের হাত ধরে আর কয়েক ঘন্টা পরেই আজকে বিদায় জানাতে হবে বছর ২০১৪কে, ১২টায় ত্রি কাঁটার একত্র অবস্থান আগমনী বার্তা জানিয়ে স্বাগত জানাবে বছর ২০১৫ কে। দেখতে দেখতে আরোও একটি বছর বিদায় নিলো আমাদের মাঝ থেকে। ভালো, মন্দ সব মিলিয়ে বছরটি একেকভাবে কেটেছে একেজনের। কখনো দেখা গিয়েছে আনন্দে উদ্বেলিত হতে, কখনো বিষাধে বিমর্ষিত। পাওয়া ও হারানোর মাত্রাও হয়ত পরিমাপ করা সম্ভব নয়। তবুও সামনে চলতে হয়, চলতে হবে। তবে প্রত্যাশা থাকবে সুন্দরভাবে জীবন যাপনের জন্য ২০১৫ থেকে সুন্দর ও গোছানো বাংলাদেশকে পাওয়ার।

২০১৪ সাল "বেশতো" দৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছে, বেশতো টিম এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে আমরা পেয়েছি বিভিন্ন রকম ফিচার, বেশতো সেজেছে অনেক নতুন রূপে, অনেক রঙিন হয়ে। অনেক নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছে। ভার্চুয়াল আড্ডার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে সরাসরি আড্ডার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন জায়গায়, কখনো বেশতো কতৃপক্ষ, কখনো বেশতোর সদস্যদের উদ্যোগে। ২০১৫ এর মাত্রা আরো দ্বিগুন হবে এই প্রত্যাশা করি। এই প্রথম বারের মত বেশতো সদস্যদের উদ্যোগে " শীতার্তদের জন্য " শীতবস্ত্র প্রদানের কার্যক্রম সকলের প্রচেষ্টায় রাজশাহী ও ঢাকাতে সফলতা অর্জন করেছে, বেশতোর জন্য এটিও একটি বড় প্রাপ্তি বলতে পারি, এই শুরুটাই হয়ত ভবিষ্যতের বহু কাজের পাথেয় হয়ে রইবে।

পুরনো বছরের সকল গ্লানি মুছে যাক নতুন বছরের আগমনী আনন্দ বার্তায়। আরো দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ হোক বেশতোপরিবারের বন্ধন, সেই সাথে পুরো বাংলাদেশের মানুষের। সবার জীবন হোক অনেক সুন্দর। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন এই শুভকামনা করি।

 বিদায় ২০১৪, সকলের সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায় স্বাগত জানাই ২০১৫কে।


      **** সবাইকে ইংরেজি নববর্ষ ২০১৫ এর অনেক  শুভেচ্ছা ****
*বিদায়-২০১৪* **** **** *বিদায়বছর*

মেঘলা -মেয়ে: **** যে চিঠি তোমাকে দেয়া হয়নি*** ভাবিনি কখনো তুমি এমন হবে। না চাইতেই যে অনেক কিছু দিয়েছিলো , তার কাছে সামান্য কিছু চেয়ে যে রিক্তহাতে ফিরতে হবে এ যে আমার কল্পনাই ছিলনা। কোন স্বপ্ন পূর্ণতা না পেয়ে ভেঙ্গে গেলে................... http://i2friendship.blogspot.com/p/blog-page_40.html

****

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: মাঝে মাঝে মনে হয় তোমার সাথে আমার হৃদয়টা পাল্টাপাল্টি করি । যাতে তুমি বুঝতে পারো, "আমি তোমাকে কতটা ভালবাসি" আর যাতে আমি বুঝতে পারি, "তুমি আমাকে কতটা ঘৃণা করো"(ভালবাসি)

****

সেলিম রেজা: [ঈদ-সেমাইখাই]ঈদের দিনে খাইছো কি ? সাবান দিয়ে নাইছো কি ? নতুন কাপড় পড়ে নাও, বেশি বেশি পায়েস খাও! ****ঈদ মোবারক ****

*ঈদমোবারক* ****

মোঃ মহিউদ্দীন সান্‌তু : [বৈশাখ-চরকি] ***** সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ****

****

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★