***

Selim Rizvi chowdhury: ' শিমুল কাঠে'- কুড়াল শক্ত হবে এটাই স্বাভাবিক !!! *****

*****

শহিদুল মিশু: *******ইতিহাস পড়েছি,অনুধাবন করেছি, অনুপ্রাণিত হয়েছি,শিক্ষা নিয়েছি। এবার ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছি *****

*****

Mahbubul Alam: ***** ব্রেকিং নিউজ ***** **** সস্ত্রীক পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলায় মেয়ে ঐশীর ফাঁসি। **** বন্ধু রনির দুই বছর কারাদণ্ড, আরেক বন্ধু জনি খালাস ।

***** ***** ****
ছবি

তারেক হাসান তানিম: ফটো পোস্ট করেছে

***** পরন্ত বিকেল *****

মেঘের আরাল থেকে রোদের লোকচুরি.........।।

*শখেরফটোগ্রাফি* ***** *****

বদমাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি জানি আমি ভদ্র না, অন্তত ভদ্র কেও নিজের নাম মনে হয় বদমাশ রাখা দুরে থাক; রাখার কথা চিন্তাও করেনা । সেখানে ভার্চুয়াল জগতে আমাকে প্রায় সবাই বদমাশ নামেই চেনে। অথচ মজার ব্যাপার হচ্ছে আমাকে খুব কম মানুষই *অভদ্র* বলেছে; হতে পারে আমি মন খারাপ করতে পারি/ তার সম্পর্কে বিরূপ ভাব করতে পারি/ সঙ্গ ত্যাগ করতে পারি ভেবে নিজেকে বলা থেকে বিরত রেখেছে।
যাই হোক কেও অন্তত " আমি নিজেকে ভদ্র প্রমান করবার চেষ্টা করছি" ভাবলে খুবই ব্যথিত হব।

ভদ্রতা আমার সাথে যায়না, আর কখনো যেয়ে থাকলে তা অনেকটা বিশেষ প্রয়োজনে বিশেষ কাওকে দেখানোর জন্যে। আর সব থেকে বড় কথা আমি ভদ্রতা শুধু অপছন্দই  করিনা, ক্ষেত্র বিশেষে ঘেন্নাও করি; আর আমি দেখেছি আমাকে যেমন বেশিরভাগ ভদ্রলোক/ ভদ্রমহিলার পছন্দ হয়না, ঠিক তেমনই তাদের প্রতিও যে আমি খুব একটা আকর্ষণ অনুভব করছি, তাও কদাচিৎঘটেছে!

তবে ইদানীং কালে আমার নিজেকে অনেক অনেক ভদ্র মনে হচ্ছে; ভাবছি নিজের নাম ভদ্র বদমাশ রেখে দেব নাকি। এটা শুধুমাত্র চিন্তাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে আর তাই " বদমাশ কিভাবে ভদ্র হয়" ভেবে কাওকে আর সময় নস্টও করতে হবেনা।তবে যদি কখনো নিজেকে ভদ্র মনে হয় তাহলে ক্ষমাতো করতে পারবোই না, ঘেন্না করাও শুরু করতে পারি।

আমি এত ভদ্রতা/ভদ্রলোক/ভদ্রমহিলা কপ্চায়ে যাচ্ছি সেই তখন থেকে, আর এর  মত সমাজ স্বীকৃত একটা মহান কর্মপন্তাকে ঘেন্নাও বিতৃষ্ণা দেখাচ্ছি!!!!! কেন? এত কিছু বলার পর একটা কারণ যদি অন্তত না বলি, আপনারা যারা ভদ্রলোক তারা অন্তত আমাকে ছাড়বেন না, আপনাদের ভদ্রতা নামে যেই গুনটা আছে তাও আমাকে রক্ষা করতে পারবে কিনা তা নিয়ে আমার মনে ভালই সন্দেহ এবং জট আছে।  অন্তত খাটি বাংলা ভাষায় যাকে গুষ্টি উদ্ধার করা বলে তা যে করবেন এটা আমার মন বলে এবং এটাও জানি না লিখলেও মনে মনে যে " ***** ভাই বোঝে বেশি খায় কম" কেও বলা বাদ রাখবেন না.  আর এতটুকু না বোঝার মত *নির্বোধ* কখনই ছিলাম বলে মনে পরছে না.

একটা না কয়েকটা ঘটনা শেয়ার করতে চাই আপনাদের সাথে, জানাতে চাই কেন এত অভক্তি আর ঘেন্না আমার ভিতরে কাজ করে!

ঘটনা এক: 

আমি তখন স্কুলে পড়ি (সম্ভবত সপ্তম কি অষ্টম, ঠিক মনে আসছে না), আমার খুবই বাজে একটা স্বভাব আছে , বড় ডাকের জন্যে উপযুক্ত স্থান (যে কোনো সাস্থ্যসম্মত বিসর্জনখান) ছাড়া অন্য কোথাও না গেলেও, মুত্র বিসর্জনে ধারে কাছে বেশি মানুষ না থাকলে প্রকৃতির সাথে মিশে যেতে একেবারেই সংকোচ করিনা.
আর তখনতো অনেক কম বয়স, লজ্জা বুঝিনা বললেই চলে. যথারীতি আমি ছিলাম ইন অ্যাকশন; ওই সময় পেছন দিয়ে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক (যার জন্ম ৫০ অথবা ষাটের দশকে হবে) যাচ্ছে না কে যাচ্ছে তা নিয়ে কে আর মাথা ঘামায়।  
আমি না ঘামালেও উনি মনে হয় ঘামাতেন, হিসু করবার সময় ওনার পিছনে সর্বদা সতর্ক ভাবে খেয়াল রাখতেন (একটা  সময় বাঁশবাগানই যে ৯৯ ভাগের বিসর্জন কেন্দ্র ছিল, আশা করছি তা সবাই জানেন)। 
*ভদ্রলোক* আমার আম্মার কাছে নালিশ দিলেন এবং সতর্ক করে গেলেন যে পরের বার আব্বুকে জানাতে বাধ্য!!!! হবেন!
পরের বার ঠিক সে তার বাসায় যে সময় আসে তার অল্পক্ষণ আগে হিসু করা শুরু করলাম তার বাসার দেয়াল সই করে। যথারীতি রাতে বাসায় আসবার পর একটা রাম ধোলাই. পরে 
জানতে পেরেছিলাম উনি আব্বাকে এবং আম্মাকে আমার সম্পর্কে কিছু গুনগান করে গেছেন, " আমি বড় হয়ে ভদ্র হতে পারবনা( ঠিকই বুঝেছিলেন, আমিতো হয়েছি বদমাশ), আমি হব একটা অমানুষ, সন্ত্রাসী!(হিসু করবার সাথে সন্ত্রাসের কি সম্পর্ক আমি এখনো জানিনা), আর পড়া লেখা!! ঐটাতো আমাকে দিয়ে কখনই হবেনা। পরেরদিন সকালে আম্মাজান এই কথা শোনাতে শোনাতে আরেক প্রস্থ দিয়েছিলেন.
আমি তাকে শুধু তারপর থেকেই না, আগেও সম্মান করতাম না, সে ছিল ওই শিক্ষক গুলোর একজন, যারা তাদের কাছে না পড়লে শুধু যে খাতায় ঝেড়ে দেবার ভয় দেখাত তাইনা; স্কুলের  পরীক্ষায় তো ঝেড়ে দিতই, আর যেইগুলো পরীক্ষাতে( যেমন বৃত্তি অথবা বোর্ড পরীক্ষা) খাতায় কিছু করতে পারতনা সেইখানে, বহুত মেধাবী ছেলে মেয়ের খাতার অতিরিক্ত পাতা নিজ দায়িত্বে খুলে রেখে সগর্বে আবার প্রচার করত।
 ভদ্রলোক সামাজিকতা ও ভদ্রতার জন্যে ভালই সুখ্যাত ছিল, এখনো আছেন।এমন একজন আমাকে অভদ্র হতে অনুপ্রানিত না করতে পারলে কে পারবে!

ঘটনা দুই:

তখন কলেজে পড়ি,উত্তরবঙ্গের নামকরা
কলেজে। আব্বুর একান্ত ইচ্ছার কারণে কলেজের হোস্টেলেই থাকি।

আমি তখন রাজনীতির রও বুঝিনা, তবে স্কুলের অনেক বন্ধুই বলত তোদের কলেজ হোস্টেল গুলোতে তো শিবিরের ব্যাপক আধিপত্য.  আমি পাত্তা দিতাম না, ভাবতাম, "পাগলার কিজে বলে! শিক্ষকরা viva নিয়েছেন, টাকাও তাদের সামনেই দিতে হয়েছে, আর আসন বিন্যাসের পরিকল্পনাও তো তাদেরই দিতে দেখলাম)।  বন্ধুরা মনে হয় মজা করছে।
যাই হোক, আমার চিন্তা ভাবনা আর ধারনাতে বিশাল বড় ভুল ছিল। অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার পর প্রথম উঁকি দিল বেপারটা।
আমার এক চাপাইনিবাসী একজন  বন্ধু, শুনতাম সে ওদের কর্মী। ভদ্রলোক একদিন তার রুমে যেতে অনুরোধকরতে এসে কেমন একটা গোপন আর অদ্ভুত ভাব দেখাচ্ছিল; বার বার বলে গেল আমি যেন একা আসি। 
 রুমে গেলাম. সেখানে যেয়ে দেখি আগে থেকেই কিছু খুবই ভদ্র এবং ঘরকুনো ছেলে বসে আছে। তারা অনেকেই আমার প্রতিবেশী ছিল এবং আমাকে দেখে অবাক হয়েছিল
একটু পরে যখন তাদের মাঝের আনন্দিত এক ভদ্রলোকের মুখে শুনলাম শিবিরের কর্মী ঘোষণা চলছে, আমি নিজেই তখন অনেক অবাক হয়েছিলাম
এক ফাকে উঠে পালিয়ে গেলাম। পালানোর পরও তারা কর্মী ঘোষণা করে এমন ভাব দেখাতে শুরু করেছিল, যেন আমি তাদের সাথে থাকতে বাধ্য !
তাই পরেরবার যখন সাথী বানাবার জন্যে আবার জোরাজুরি করলো, তখন আমি রুমের দরজাটাও ইচ্ছে করে খুলিনি, উপরন্তু সুপার স্যার এর কাছে নালিশ করলাম।
সুপারের (এক ভদ্রলোক যিনি সেই সময় কলেজের শুধু মাত্র ভদ্রই না, ভদ্রতার আদর্শ মানা হয় এমন একজন ভদ্রলোক) কাছে গেলাম. উনি আশ্বাস দিলেন, "হোস্টেলে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও যারা এই ধরনের কর্মকান্ড অব্যহত রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে অতিসত্তর উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন, উনি নিজেও নাকি কিছু কিছু শুনেছেন এমনটাও দাবি করলেন।
সেই ভদ্রলোক সুপারকে পরবর্তিতে আবার রাজনৈতিক নিদর্শন দেখিয়ে, ঠেকাতে কি স্টেপ নিতে যাচ্ছেন  প্রশ্ন করতেই বকা ঝকা করেই খান্ত দিলেন না
, উল্টা শিবিরের ছেলেদের নির্দোষ দাবি করলেন, এমনকি আবার এমন কিছু করলে আমাকে বের করে দেবার কথা বলে সতর্ক করলেন।
শুনেছি  আমার সেই ভদ্রলোক শিবির বন্ধুদের অনেকেই পরবর্তিতে নিজেদের নিবেদিতপ্রাণ বিনম্র বঙ্গবন্ধুর সৈনিক পরিচয় দিতেন।

ঘটনা তিন:

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে জড়িয়ে পড়ি ছাত্ররাজনীতিতে, ফলাফল যা হয় আরকি, আশেপাশে সুবিধা নিতে উত্সুক কাকেদের কা কা বাড়তে থাকে।  প্রায় সবাইকে রুক্ষ ভাবে খেদিয়ে দিলেও জন্মদাতা-দাত্রীর সুপারিশে আসা ভদ্রকাক এবং ভদ্রকাকিদের ময়লা খেতে দিতেই হত।  মজার ব্যাপার হচ্ছে রাজনীতিবিদের কাছে নিয়মবিরুদ্ধ ফায়দা নিতে আসা ৯৯ ভাগ সাহায্যপ্রার্থীই এই সমাজে সামাজিক, ভদ্র ও সুশীল নামে পরিচিত এবং বহু ক্ষেত্রেই আমজামের কাছে  সম্মানীয় এবং আদর্শ ব্যক্তিবর্গ।। 
আমার থেকে সুবিধাপ্রাপ্ত ভদ্রলোকদের মত এই ৯৯ ভাগের ১০০ ভাগ ভদ্রলোকই প্রয়োজন শেষ হবার পরবর্তী সময় থেকেই চায়ের কাপে রাজনীতিবিদের ধজ্জা উড়াতে মনোনিবেশ করবেন আর কোনো রাজনীতিবিদের ঝুলি খুলে গেলেই হয়, দেশ না কাপিয়ে ছাড়বেন না। 
নিজেও যে এই গু গোবর মাঝেই চাটাচাটি করতে জান, সেকথা বেমালুম ভুলে বসেন!
বাহ! বাহ! ভদ্রলোক তোমরা আসলেই পারো! 


ঘটনা চার:
আমার বিভাগের কিছু ভদ্রলোক বন্ধু ও জুনিয়র সামাজিক কোনো একটা মাধ্যমে অপকর্ম করে ঢাকতে যেয়ে পুরো মেছাকার করে ফেলছে. বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মেয়ে একত্রে তাদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছে।
অপরাধীর শাস্তি হোক আমাদেরও কাম্য ছিল, কিন্তু ছাত্রত্ব বাতিলের মত কঠোর সিধান্তের বিরোধী ছিলাম আমরা অনেকেই ,আর  ভদ্রমহিলাদের লিপিবদ্ধ করা ২০ অপরাধের বর্ণনা পুরো পুরি সত্যতা তো ছিলই না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভদ্রমহিলারা ব্যর্থ প্রেমের প্রতিশোধ প্রবণতা থেকেই অভিযোগ করেছিলেন।
 চুলচেরা অনুসন্ধানে থেকে বের হয়ে আসে ২০ অপরাধী ভদ্রলোকের ১৮ভদ্রলোকই অপেক্ষাকৃত সুন্দরী ভদ্রমহিলার দেখা পেয়ে, সেই ১৮ ভদ্রমহিলাকে প্রেমের আগুনে ছ্যাঁকা খেতে সাহায্য করেছিলেন
মাত্র দুইজন অপরাধ করে  অপরাধী, ঘটনার ভদ্রমহিলা ও তার ভদ্রলোকের সাথে অপরাধীদের একসময় ভালো সম্পর্ক ছিল, যা সময়ের পরিক্রমায় তিক্ততায় রূপ নেয়. তারই ক্রমে ভদ্রমহিলাকে নির্জন রাস্তায় উত্তক্ত করা;  ভদ্রলোকের পুরনো বন্ধুত্বের দাবি নিয়ে প্রতিবাদ করতে যেয়ে হুমকি ধামকি দেবার প্রচেষ্টা এবং শেষমেষ উল্টো অপরাধীদের হাতে উত্তম মধ্যম খেয়ে ফিরে আসা। 
ভদ্রমহিলা ও তার ভদ্রলোক কিন্তু খুবই ভদ্র ও সুশীল নামে বিখ্যাত ছিল, সাড়াও পেয়েছিল; কিন্তু জনাব/জনাবার  ভদ্রতা বিনম্রতা সত্য গোপন করার মত শক্তিশালী ছিলনা.
আর আমাদের কাছ থেকে সাহায্য পাওয়া ২০ ভদ্রলোকের সবাই কোনো না কোনো ভাবে আমাদের বিপদে ফেলতে দিধা করেনি! ঠিকই তো  আছে, তাদের ফায়দা নেবার প্রয়োজনে তারা কৃতঘ্ন না হলে কি অভদ্র, ইতরগুলো হবে!

ঘটনা পাচ:
 
দুই ভদ্রলোকের সাথে আমার পরিচিত কয়েকজন ( যারাও আমার মত ইতর শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত বললেই চলে) বাসা ভাড়া নিতে গেছে। অগ্রিম চলতি সব পরিশোধ করা শেষ ইতর গুলো যেকোনো সময় বাসায় উঠবে।  বাসায় ওঠার আগের দিন মাঝ রাতে ভদ্রলোকেরা দুক্ষের সাথে জানালেন তাদের দুইজনই আত্তীয়র বাসায় থাকবেন এবং তারা আর্থিক ভাবে এই সেই ব্লাহ ব্লাহ। 
ভদ্রলোকেদের অন্যতম গুন তারা একই ভাবে অজস্র বার ভদ্র ও নম্রভাবে
দুক্ষ প্রকাশে পারদর্শী; ইতর ও অভদ্রলোক গুলো ভদ্রতার "ভ" জানেনা দেখে দুঃখ প্রকাশ করা পরের কথা, ভদ্রের প্রকাশ দেখেই ফাটা বেলুন হয়ে যায়।

আর তাই ভদ্রলোকেরা যখন রাতারাতি আত্তীয়র বাসার পরিবর্তে  অন্য ভদ্রলোকেদের সাথে বিলাস বহুল বাসার সদস্য হয়ে উঠেছিল আর মুখ মিষ্টি করে হাসি দিয়ে দুখী ভাব ধরে বলেছিল," বন্ধু আমার খুবই, খারাপ লাগছে, আমি গোপন রাখতে..........." , ইতর
আর অভদ্র মানুষগুলো ভদ্রলোকদের মত ভদ্রতা জানে না দেখে রাগ করে উঠে চলে এসেছিল.
অতপর ভদ্র সমাজের অনেকের মুখে মুখে শোনা গিয়েছিল, "ইতরগুলো অভদ্র জানতাম, তাই বলে এতটা! এইভাবে কেও রাগ করে চলে যেতে পারে!!"


ভদ্রতার চিরন্তন বাণী:

"যারা ভদ্রলোক তারা নাকি সাদা শার্ট, সাদা শার্টে একবার কালো কালী লাগলে নাকি সহজে যায়না!!"



"এই কালী লাগার ভয়েই ভদ্রলোক জীবিত কোনো কিছুর উপকার করতে পারেন না, তার এই অপারগতার কারণে তিনি আন্তরিক ভাবে মনের গহীনকোন থেকে ক্ষমাপ্রার্থী"

"কালী লাগবার ভয়ে, আমার মা বোন ভদ্রলোক/মহিলার সামনে নির্যাতিত হলে মুখ বন্ধ রেখে সমবেদনা জানান, আর নিজের কারো সাথে হলেতো কথায় নেই, ভদ্রতা আর সমাজের দোহায় দিয়ে দাবিয়ে ফেলেন তাদের কন্ঠ, এমনকি নির্যাতনকারীকে সম্মান দেখাতেও ভদ্রলোকের বাধেনা; বলা যায়না সম্মানের অজুহাতে পশুটি যদি তার সাদা শার্ট খানা ধবধবে সাদা রাখার সুযোগ দিয়ে দেই! "
*ভদ্রতা* *ভদ্রলোক* *ভদ্রমহিলা* *অভদ্র-আমি* *ইতর-শ্রেণী* *ভদ্রতার-কতরূপ* *নির্বোধ* *অভদ্র* ***** *নির্বোধ* *ভদ্র*

মো:আ:মোতালিব: বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী যুদ্ধবিমান পাইলট পাইলট নাইমা হক আর তামান্না ই লুতফী........................................***** শুভেচ্ছা রইলো *****

*****

মিকাত : একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাতের খাবার খেতে বসেছে মীনা, রাজু আর তাদের পরিবার। আজকের খাবারের মেন্যু হচ্ছে সবুজ শাক-সবজি, ডিম, ডাল আর গরুর মাংস ভুনা। মীনা-রাজুর মা সবার পাতে খাবার তুলে দিচ্ছেন। তবে খাদ্য বণ্টন করতে গিয়ে তিনি সামান্য লিঙ্গবৈষম্য করে ফেললেন। রাজুর পাতে দিলেন বেশি আর মীনার পাতে কম। মীনা (তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করে): আমারে কম দিলা ক্যান? আমি কী অপরাধ করছি? মীনা-রাজুর মা: তুমি কী করছ মানে? ঘরে তরকারি যা-ই আসে, তার অর্ধেক তুমি চুলে আর মুখে ঘষাঘষি করো। তাই এইডা তোমার শাস্তি। রাজু (মীনাকে উদ্দেশ করে): আ হা হা হা, তোমার কি আর ঘরে খাওনের দরকার আছে? তোমারে বাইরে চায়নিজ রেস্টুরেন্টে খাওয়ানের মানুষের তো অভাব নাই। মীনা-রাজুর দাদি: রাজু ঠিক কথাই কইছে, চায়নিজ রেস্টুরেন্টে মাইয়ারা খায় আর পোলারা বিল দেয়, তাই পোলা গো ঘরে বেশি বেশি খাওন দরকার। মীনা (চোখের জল ফেলতে ফেলতে): বাঁইচা থাইকা কী লাভ? মাইয়া হইয়া জন্মাইছি বইলা আইজ এই অবস্থা, যে পোলা ঘরের কোনো কাজ-কাম করে না, তার পাতে খাবার যায় বেশি। রাজু (চিৎকার দিয়ে): কী কইলা তুমি? আমি ঘরের কোনো কাম করি না? মীনা: হ, ঠিকই কইছি, সারা দিন খাসদাস আর ঘুমাস, পারলে একটা দিন আমার কাম কইরা দেখ কত কষ্ট। রাজু: আইচ্ছা কাইল তো কলেজ বন্ধ, আসো, কাইলকা আমরা দায়িত্ব পরিবর্তন করি। তুমি সারা দিন আমার কাজ করবা আর আমি তোমার কাজ করুম। মীনা: আইচ্ছা তাইলে সেই কথাই থাকল। টিয়া পাখি মিঠু তখন মনোযোগ দিয়ে রাতের খাবার খাচ্ছিল। মীনা-রাজুর ঝগড়াতে একটু বিরক্ত হয়ে বলল, ‘ওরে এত কথা বলে রে, শান্তিতে একটু খেতেও দিল না।’ পরের দিন সময় সকাল ৮.৩০ মীনা-রাজুর মা: রাজু, ও রাজু। ঘরে আটা-ময়দা কিচ্ছু নাই, নাশতা করবি কী দিয়া? দোকানে গিয়া আটা-ময়দা নিয়া আয়। সঙ্গে চা-পাতা, চিনি, ডিম আর তেল লাগব। রাজু (আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে): আমি পারুম না মা, আইজকে আমরা দায়িত্ব পরিবর্তন করছি। আমার কাজ মীনা করব আর মীনার কাজ আমি। বাধ্য হয়ে মীনা ঘুম থেকে উঠে চোখ কচলে কচলে দোকানে গেল। দোকানে কেনাকাটা করতে করতে বুঝতে পারল, এই কেনাকাটার ব্যাপারটা খারাপ না। বাজার থেকে সরানো টাকাগুলো মুঠোফোনে লোড করা যায়। এদিকে রাজু তখনো আরামসে ঘুমের মধ্যে। ভাবছে চুলা ধরানো, ঘর ঝাড়ু দেওয়া, মুরগিরে খাওন দেওয়া—এগুলা কে করল? আরে, মাস শেষে কাজের মহিলারে কি এমনি এমনি বেতন দেওয়া হয়? রাজুর কার্যকলাপ (সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা) আজকে তো আবার দায়িত্ব পরিবর্তনের দিন। মীনার মতো করে রাজুকে সারা দিন কাটাতে হবে। তাই সকালে নাশতা-টাশতা শেষ করে রাজু পাশের বাসার রহিমের মায়ের সঙ্গে গল্প করতে গেল। এই সময়টাতে মীনা সাধারণত হাবিজাবি গল্প করতে প্রতিবেশীদের বাসায় গিয়ে বসে থাকে। দুপুরের দিকে বাসায় ফিরে রাজু পত্রিকার পাতা ঘেঁটে ত্বক আর চুলের যত্ন নেওয়ার টিপসগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ল। দুটো খাবারের রেসিপি খাতায় টুকে নিল। মীনা প্রায়ই এই রেসিপিগুলো খাতায় টুকে রাখে কিন্তু কোনো দিনও কিছু বানায় না। এমনি দুপুরে খাওয়ার পর মীনা বিছানায় গড়াগড়ি খেতে খেতে তার বয়ফ্রেন্ড দিপুর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ফোনে আলাপ করে। ফালতু টাইপের আলাপ। এই যেমন ‘কী খাইলা, কী করলা? কেমনে খাইলা? কোন হাত দিয়া খাইলা?’ এই টাইপের কথাবার্তা। রাজুর তো আর গার্লফ্রেন্ড নাই, তাই সে তার বন্ধু কুদ্দুসকে ফোন দিয়ে আলাপ শুরু করল, ‘কী খাইলা, কী করলা? কেমনে খাইলা?’ কুদ্দুস বিরক্ত হয়ে বলল, ‘****** (গালি) ***** (গালি), *******(গালি)।’ এরপর তো আর প্রেমালাপ করা যায় না। তাই রাজু সুন্দর করে লাইনটা কেটে দিল। মীনার কার্যকলাপ (সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা) সকালে নাশতা খাওয়ার পর রাজু গলির মোড়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। রাস্তায় যেসব মেয়ে যাওয়া-আসা করে তাদের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। মীনা তাই রাজুর মতো করে চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকল। দুইটা ছেলেকে রিকশা ঠিক করে দিল। সারা দুপুর গায়ে বাতাস লাগিয়ে ফিরল দুপুরের দিকে। দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর টিভিতে ক্রিকেট ম্যাচের কিছু অংশ দেখল। এরপর রাজুর মতো কোচিংয়ে যাওয়ার নাম করে বাসা থেকে বের হয়ে গেল। যাওয়ার সময় বাসা থেকে বাড়তি কিছু টাকা নিয়ে গেল। সারা দিন নানা জায়গায় ঘোরাঘুরি করে বাসায় ফিরল সন্ধ্যার পর। সন্ধ্যার পর সন্ধ্যার পরে রাজু সবার জন্য চা বানাল। আর মীনা পড়তে বসল। এখন রাজুকে একটা কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে। মীনার মতো করে এখন তাকে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত বসে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখতে হবে। রাজু দাঁত কিড়মিড় করে টিভিতে সিরিয়াল দেখতে বসল। আর মীনা পড়ার টেবিলে বসে পড়ার ভান করে মুঠোফোন দিয়ে ফেসবুকে ঢুকে চার-পাঁচটা ছেলেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাল। দু-তিনজনের ছবিতে সুন্দর সুন্দর লাইক কমেন্ট দিল (রাজু ফেসবুকে মেয়েদের সঙ্গে যা করে আরকি)। এদিকে ঘণ্টাখানেক হিন্দি সিরিয়াল দেখার পর রাজু নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারল না। এসে মীনার পায়ে ধরে বলল, আমারে তুমি মাফ কইরে দ্যাও, বইন। আইজ থাইকা আমার পাতের খাবারও তোমার... তাও তুমি আমারে এই শাস্তি দিয়ো না! মীনা (মুচকি হেসে): দেখলা তো রাজু, আমরা সারা দিনে কত্ত কষ্ট করি। আগে আগে মাফ চাইয়া ভালোই করছ, নয়টার সময় আবার ইস পেয়ার কা ক্যায়া নাম দু দেখাবে আর আমি লাইভ টেলিকাস্ট দেখতে পারুম না ভাইবা চউক্ষে পানি চইলা আসছিল। রাজু (চোখের পানি মুছতে মুছতে): যাও বইন যাও, গিয়া টিভি দেখো। মীনা: এই তো ভাইয়ের মতো ভাই। বেচারা মিঠু ভেবেছিল অন্তত একটা দিন মীনার সঙ্গে বসে তাকে সিরিয়াল দেখতে হবে না, তাই সে সুর করে করে বলল, ‘পোড়াকপাল আমার, একটা দিনও শান্তি নাই’।
*****

ফজলে রাব্বি খান: যে বুঝে সে ভাই যে না বুঝে সে ও ভাই যে বুঝেও না বুঝে সে ***** ভাই (রাগী)

*****

সেলিম রেজা: আসস্লামু আলাইকুম,সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই আল্লাহ্‌র রহমতে ভালো আছেন।আপনাদের একটু দেখার ইচ্ছা হল তাই সেহেরী করেই বেশতোতে আসলাম !এবার আসি...কেননা এখন ফজরের নামাজ আদায় করতে যাবো।আসি তাহলে ......ভাল থাকবেন সবাই ***** খোদা হাফেজ ****** (হ্যালো)

***** ******

জয়া হাসান: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

@Dutchman
আমারে চিনোস.....
*****

শ্রীলা উমা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"আমি সব সময়ই নিরপেক্ষ"-- একটি প্রচলিত ডায়লগ l কিন্তু আমি বলি আমি নিরপেক্ষ নই,আর সবসময় নিরপেক্ষ থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না,আমি পক্ষপাতিত্ব করি এবং প্রচন্ড ভাবেই করি l 

যখনি ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গ আসে আমি ন্যায়ের পক্ষে,যখন স্বাধীনতা-স্বাধীনতা বিরোধীর কথা আসে আমি স্বাধীনতার পক্ষে,যখনি মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার নিয়ে কথা হয় আমি মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে,আবার উগ্র ধর্মবাদ-সকল ধর্মের সহাবস্থান প্রশ্নে আমি সকল ধর্মের সহাবস্থানের পক্ষে l 

শেক্সপিয়ার যতই ভালো লেখক হন না কেন আমার কাছে রবীন্দ্র নাথ-নজরুল-জীবনানন্দই শ্রেষ্ঠ l ঠিক তেমনি বাঙালি কালচারকে যতই ব্যাকডেটেড বলে অন্যের সংস্কৃতি কে মহান করা হোক না কেন আমি আমার সো-কল্ড ব্যাকডেটেড কালচারেরই পক্ষে l বাঙালি শাড়ি আর জিন্স-টপসের বিষয়ে কথা হলে আমি আমার আবহমান বাংলার শাড়িকেই কাছে টানবো l বিচ্ছিরি বাংলিশ-আর শুদ্ধ অনেকের মতে "খ্যাত বাংলায়" কথা বলার প্রশ্নে আমি বড্ড বেশি মাত্রায় খ্যাত l 

যদি এতই আমার বাছ-বিচার তবে আমি নিরপেক্ষ হলাম কি করে ! অতএব আমি কখনই এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ নই l অতীতেও ছিলাম না,আজও না এমন কি অনাগত ভবিস্যতেও হব না l তাই মুখে মিথ্যের ফুলঝুরি ফুটিয়ে বলব না আমি নিরপেক্ষ l শুনতে কটু লাগলেও এটাই সত্য "আমি পক্ষপাত দুষ্ট" আর এটা আমি আ-মৃত্যু কখনই বদলাবো না কোনো কিছুর বিনিময়েই না l আমি গর্বিত যে আমি নিরপেক্ষ নই l
*নিরপেক্ষ* *নিরপেক্ষতা* *****

ফাহিম মাশরুর: এই মাত্র একটা ফোন পেলাম 2008 নম্বর থেকে! প্রথমেই সামিনা চৌধুরীর এক লাইন গান শোনানো হলো এবং অনুরোধ করা হলো রেডিও 2008 -এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য . . কিন্তু বলা হলো না কয় টাকা কাটা হবে আমার ফোন বিল থেকে . . প্রতারণার নতুন স্টাইল! আমি রেজিস্ট্রেশন করি নি, কিন্তু অনেকে হয়তো না বুঝেই রেজিস্ট্রেশন করবে এবং তারা বুঝবেনও না তাদের পকেট মারা হচ্ছে!

*প্রতারনা* *****

কবি: ব তে বেশতো ব তে ব্যাপক ব তে বিনোদন ____ বেশতো ব্যাপক বিনোদন!!! (খিকখিক)

******

শিমুল হালদার: বেশতো কারো পারিবারিক ড্রইংরুম নয় যে আপনার পছন্দমতো বাজে কিছু কথা বলে চলে যাবেন। যারা বাজে কথা বলেন তাদের পরিবারে হয়ত সেগুলোর ব্যাবহার প্রচলিত থাকতে পারে, কিন্তু এখানে নেই। যার যেতে ইচ্ছে হবে সে আরামসে চলে যাক; যাওয়ার আগে নিজের একটা খারাপ রূপটা দেখিয়ে যাওয়ার কোন মানে নেই। বেশতোয় আমরা একটা পরিবার, কিন্তু তার মানে এই না যে যাকে যা খুশি বলে ফেললাম। (নিচেদেখ)

*****

মারিয়া আক্তার অর্পিতা: *মোমবাতি* সংগ্রহ করতে আমার অনেক ভালো লাগে...আমি যখনই আড়ং এ যাই তখন ই মোমবাতি কিনি...এখন আমার কাছে ২ টা মোমবাতি আছে...কারণ বাকি গুলি সবাইকে *উপহার* হিসেবে দিয়ে দিছি...এখন যেই ২ টা আছে টা আমি ১ মিনিট এর জন্যে জ্বালাই আবার ফুউউ দিয়ে নিভিয়ে দেই (শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)

*****

Mahbubul Alam: ***** ব্রেকিং নিউজ ***** শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষনা করেছে বিসিবি। দলে ফিরেছে শফিউল ও নাইম। আর আমাদের মুশফিকও ফিট হয়ে দলে ফিরেছে।

*****

মারগুব: শুনলাম আজকাল বলে অনেকে *স্মার্টনেস* দেখায় কথায় কথায় হিন্দী বুলি ছেড়ে (ব্যাপকটেনশনেআসি) আবার বলে এটি বলে তাদের অন্তরের বহিপ্রকাশ (মাইরালা)

*স্মার্টনেস* *****
জোকস

মাসুম: একটি জোকস পোস্ট করেছে

মনে হয় বাহিরের দিক দিয়ে যুবতীদের চেয়ে যুবকরাই বহুরুপী কেন যুবক বয়সের ক্ষেত্রে শেভ হলে এক্কেবারে(জোস) ১দিন শেভ না হলে একরকম ২দিন নাহলে আরেক রকম ৩দিন নাহলে অন্য রকম ৪দিন নাহলে আরো অন্য রকম ৫ম দিন থেকে পরবর্তি ১মাস অবধি-দেবদাস স্টাইল(মাইরালা) এরপর গোফ রাখলে এক রকম দাড়ি রাখলে আরেক রকম এরপর ফ্রেঞ্চ কাটে ভিন্ন রকম আবার চুলের ক্ষেত্রে কাটলে মা-বাবা স্যারের কাছে খুবই ভদ্র রাখলে বন্ধুদের কাছে স্মার্ট, মেয়েদের কাছে বখাটে
*স্মার্টনেস* *দেবদাস* *বখাটে* *ভদ্র* *পুরাইটাস্কিখাইয়াগেলাম* *****

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★