বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

বিশ্ববাসীর কাছে টাইটানিক ইতিহাস হয়ে আছে তার বৃহৎ অাকৃতি এবং মর্মান্তিক পরিসমাপ্তির জন্য। সেই সময়কার অনেকে বলেছিলেন টাইটানিকের মত বড় জাহাজ বানানো অনেকটা অসম্ভব। তবে এখন আর সেই যুগ নেই। আধুনিকতার এ যুগে তৈরি হয়েছে টাইটানিকের চেয়ে ৫ গুণ বড় জাহাজ। আর তা সমুদ্রে যাত্রা শুরু করবে কাল থেকে।

রোববার ফ্রান্স থেকে ইংল্যান্ডের উদ্দেশে শুরু হবে এ যাত্রা। ১৬ তলা উঁচু আর ৩৬২ মিটার দীর্ঘ জাহাজটির নাম হারমোনি অফ দ্যা সিস। মার্কিন প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ক্যারিবিয়ানের জন্য এই প্রমোদতরী নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান এসটিএক্স।

বিলাসবহুল প্রমোদতরী মানেই টাইটানিক। ১৯১২ সালে সাগরে পাড়ি জামনো জাহাজটির পরিণতি সুখকর না হলেও এখনো বিশ্বের বড় জাহাজ বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে টাইটানিকের ছবি।

এবার সেই টাইটানিকের চেয়ে ৫ গুণ বড় জাহাজ নিয়ে এলো যুক্তরাষ্ট্রের রয়্যাল ক্যারিবিয়ান প্রতিষ্ঠান। যার নাম হল হারমোনি অব দা সিস। এর ১৬টি তলায় একসঙ্গে ভ্রমণ করতে পারবে ছয় হাজার যাত্রী। তাদের সেবা দিতে জাহাজে থাকবে দুই হাজার ক্রু।

আইফেল টাওয়ার দেখতে প্যারিসে আনাগোনা চলে সারা বছর। সেই আইফেল টাওয়ারের চেয়েও এই জাহাজের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার বেশি। লম্বায় ৩৬২ মিটার আর উচ্চতা ৭০ মিটার। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১১০ কোটি ডলার।

রোপ স্লাইড, মিনি গল্ফ, ক্যাসিনো, প্রায় দেড় হাজার আসনের থিয়েটার, চোখ ধাধানো সব আয়োজনের পসরা রয়েছে এই প্রমোদতরীতে। রয়েছে ১২ হাজার প্রজাতির গাছপালা। অন্যতম আকর্ষণ দশ তলা বিশিষ্ট ওয়াটার স্লাইড।

যুক্তরাষ্ট্রের রয়্যাল ক্যারিবিয়ান কোম্পানির জন্য, ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে, প্রায় সোয়া লাখ টন ওজনের জাহাজটির নির্মাণ শুরু করে ফ্রান্সের জনপ্রিয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসটিএক্স। আড়াই হাজার শ্রমিকের এক কোটি কর্মঘণ্টায় শেষ হয় কাজ

*টাইটানিক* *জাহাজ*