বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফল রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন এটি যদিও নতুন কিছুই নয়। তবে আম নামের এই লোভনীয় ফলটির কিছু স্বার্থকতার কথা বলতেই হয়। আর এরই মধ্যে অধিক লাভজনক ও পরিবেশ বান্ধব আম হচ্ছে হাঁড়িভাঙা। রংপুরের মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ ও বদরগঞ্জ উপজেলায় উৎপাদিত হাঁড়িভাঙা আমের বিক্রি এবার ২৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সেই সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে এদেশের অর্থনীতি। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্য মতে, রংপুরের তিন উপজেলায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আম চাষ হয়েছে। হাঁড়িভাঙা আমের ব্যাপক চাহিদা থাকায় শিল্পপতিরা এসব এলাকায় জমি কিনে হাঁড়িভাঙা আমের বাগান করছেন। এই আম বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। হাঁড়িভাঙা আমের সু-স্বাদের কারণে রাজশাহীর ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগসহ এ জাতে আম বিক্রিতে ভাটা পড়েছে। রাজশাহী অঞ্চলের আমচাষিরা রংপুর থেকে হাঁড়িভাঙা আমের চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ওই এলাকায় চাষের চেষ্টা চালাচ্ছে। রাজশাহীর দু’এক জায়গায় এ ফলন হলেও রংপুরের হাঁড়িভাঙার মতো স্বাদ নেই। রংপুরের পদাগঞ্জ ও বদরগঞ্জের স্টেশন বাজার এ অঞ্চলের হাঁড়িভাঙা আমের বড় পাইকারি হাট। এই হাট থেকে প্রতিদিন ট্রাকে করে হাঁড়িভাঙা আম নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। হাঁড়িভাঙা আমে রোগবালাই কম হয়। চারা লাগানোর পরের বছরই গাছে মুকুল আসে। আর ৫-৬ বছর বয়সে গাছে পুরোদমে আম আসতে শুরু করে। এ ছাড়া বোঁটা শক্ত হওয়ায় গাছ থেকে তা অকালে ঝরে যায় না। পূর্ণাঙ্গ একেকটি আমের ওজন চারশ থেকে সাড়ে পাঁচশ গ্রাম হয়ে থাকে। সম্প্রতি এই আম প্রচুর পরিমানে উৎপন্ন হচ্ছে এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্য মতে এটি দেশের চাহিদা পুরন করতঃ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর পরিমানে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জিত হবে বলে জানিয়েছেন।