আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নবজাতক শিশুরা অনুভূতি প্রকাশে খুব বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয় না। কারণ বেশির ভাগ নবজাতক শিশুর প্রসব ধকল কাটিয়ে ওঠতেই বেশ সময় লাগে। তবে ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে তাকে সুস্থিরভাবে শারীরিক চেকআপ করার মতো সামর্থ্য সে অর্জন করে। তারপরেও নবজাতক সুস্থ না অসুস্থ তা ঝুঝতে খুব কষ্ট হয় । এ সময় তার বেশ কিছু সমস্যা নজরে আসতে পারে।

যেমনঃ

-জন্ডিস  -খিঁচুনি   - শ্বাসকষ্ট  ইত্যাদি।

নবজাতক শিশুর রিফেক্স ক্রিয়াগুলো পর্যবেক্ষণ করে তার সুস্থতা সম্পর্কিত অবস্থার মূল্যায়ন করা হয়। দৃষ্টিশক্তি সম্বন্ধে সম্যক ধারণা পেতে ফানডাস পরীক্ষা করে দেখা হয়। সাধারণভাবে নবজাতক শিশুটি প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম পায়খানা (মিশেনিয়াম) করে থাকে। এবং প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাব করে। এই সময়ক্ষণ পেরিয়ে গেলে কেবল তার জন্য পরামর্শ চাইতে হবে। তার আগে অনর্থক হইচই কর্মকাণ্ড বাধানোর প্রয়োজন নেই। শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যান। নবজাতক শিশুকে হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জের আগে আরো একবার শারীরিক চেকআপ করে ছাড়া উচিত। এ সময়ে হার্টের কোনো রকম জন্মত্রুটিজনিত মারমার ধ্বনির অস্তিত্ব মেলাতে পারে।

সুস্থ নবজাতক শিশুর লক্ষণ
-ভালোভাবে বুকের দুধ চুষে খাচ্ছে।
-দেহের তাপমাত্রা ঠিক আছে
-উষ্ণ শিশু

অসুস্থ শিশুর লক্ষণ
-হাত ও পায়ের তালুর বর্ণ গোলাপি নবজাতক শিশু মারাত্মক অসুস্থ
- বুকের দুধ চুষে খেতে অক্ষম
- শরীর ঠাণ্ডা হয়ে আছে বা জ্বর
- নিস্তেজ-নড়াচড়া কম
- দ্রুত শ্বাস (মিনিটে ৬০-এর বেশি), বুকের নিচের অংশ দেবে যাচ্ছে
- ঠোঁট, জিহ্বা নীলচে বর্ণের
-শ্বাস বন্ধ অবস্থা বা কষ্টকর শ্বাস-প্রশ্বাস
-হাত ও পায়ের তালুতে পর্যন্ত জন্ডিস দেখা যাচ্ছে
-খিঁচুনি  -রক্তপাত  -ডায়রিয়া, বমি, ফোলা পেট
-ত্বকে খোসপাঁচড়া, নাভিতে পুঁজ।

উপরের যে কোনো লক্ষণ থাকলে শিশুকে দ্রুত শিশুচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। কারণ শিশুর সুস্থতাই আপনার শিশুর সুস্থতা।
*নবজাতক* *শিশুরযত্ন* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত