আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দুনিয়াতে যদি সবচেয়ে কষ্টকর কোন কাজ থেকে থাকে তবে সেটি মনে হয় বসের মন জোগানোটাই হবে। কারণ কখনো আপনি সহজেই বসের মন জিতে নিতে পারবেন না। তবে কী করলে পাওয়া যাবে বসের মন সেটা নিয়ে আজ অবধি বহু গবেষনা চলছে। অনেকেই অনেক ভাবে খুশি রাখার চেষ্টা করেন অফিসের বসকে। বসকে খুশি করতে গিয়ে অনেক সময় হিতে বিপরীতও হয়ে যায় অনেক সময়। তবে কিছু আচরণ রয়েছে যা আপনাকে আপনার বসের মন জিতে নিতে সহায়তা করবে। তাহলে চলুন জেনে নেই বসের মন জিতে নেওয়ার  সঠিক কৌশল।

সময়নিষ্ঠা
প্রতিদিন সময় মত কাজে উপস্থিত থাকুন। বস যত শক্ত মানুষই হোক না কেন, সময় মত কাজে আসে এমন কর্মচারীকে তাঁরা ভালোবাসেন সবসময়। সম্ভব হলে ৫/১০ মিনিট আগেই পৌঁছে যান অফিসে। কারণ বস সবসময়েই খেয়াল রাখেন কে সময় মত আসছে আর কে দেরি করছে।

দায়িত্ব
যখন কোনো কাজের দায়িত্ব নেয়ার ব্যাপার আসে তখন অন্যদের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই নিয়ে নিন কাজের ভারটি। কে করবে এই আশায় বসে থাকা কর্মচারীদেরকে বস পছন্দ করেন না। নিজে থেকেই দায়িত্ব নিতে পারে এমন মানুষকেই বসরা পছন্দ করেন সাধারণত।

পরামর্শ
অফিসে যখন কোনো জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং সবার কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া হয়, তখন আপনিও অংশগ্রহন করুন। তবে সেটা হওয়া উচিত বুদ্ধিদীপ্ত পরামর্শ। অফিসের বিভিন্ন সমস্যায় বুদ্ধিদীপ্ত পরামর্শ দিলে অফিসের বসের সুদৃষ্টিতে থাকতে পারবেন সবসময়।

ভদ্র আচরণ
অফিসের বসের সাথে সব সময় ভদ্র আচরণ করার চেষ্টা করুন। কারণ অভদ্র কিংবা অবাধ্য কর্মীকে বস পছন্দ করেন না। বস কোনো কাজের আদেশ দিলে সেটা সম্ভব হলে করার চেষ্টা করুন। আর যদি আপনার কোনো অসুবিধা থাকে সেটা সুন্দর করে বুঝিয়ে বলুন। উচ্চ স্বরে কিংবা অভদ্র ভাবে কিছু বলা থেকে বিরত থাকুন।

অফিস পলিটিক্স
অফিস পলিটিক্স একটি অফিসের কাজের পরিবেশ নষ্ট করে দেয়। তাই চেষ্টা করুন অফিস পলিটিক্স এড়িয়ে চলুন। অফিস পলিটিক্সে একবার নিজেকে জড়িয়ে ফেললে এর থেকে সহজে বের হতে পারবেন না। তখন বসের নজরে আপনার ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এবং কর্মক্ষেত্রে নানান রকম অসুবিধা হবে।
সূত্রঃ নিজ ও ইন্টারনেট
*অফিসঅ্যাটিকেট* *লাইফস্টাইলটিপস*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত