আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্বপ্নরাজ্য আমেরিকাতে গিয়ে পড়ার ইচ্ছা হয়তবা সকলেরই আছে। কিন্তু স্বপ্নতো আর সব সময় পূরণ হয়না! আবার অনেকের সাধ ও সাধ্য দু’টাই ঠিক থাকা সত্ত্বেও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারনে আমেরিকাতে যাওয়া হয়ে ওঠেনা। তবে ভিসা সংক্রান্ত সব জটিলতার নিষ্পত্তি করে কিভাবে আপনার স্বপ্নকে পূরণ করবেন সে সম্পর্কৃত সব তথ্য আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। চলুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে আমেরিকার স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায় ও ষ্টুডেন্ট ভিসার আবেদন কোথায় ও কিভাবে করতে হয়, কি কি কাগজ পত্র লাগে ইত্যাদি সম্পর্কে।

স্টুডেন্ট ভিসা পাবার জন্য আবেদনের বিস্তারিত বিষয়াবলী

উদ্দেশ্য ভেদে ভিসার ক্যাটাগরি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। USA এর কোন ষ্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হলে F-১ এবং ভোকেশনাল লেভেলের ক্ষেত্রে M-১ ক্যাটাগরিতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। আবেদন করার কয়েকটা ধাপ থাকে। যা দেশ ভেদে U.S.Embassy/Consulate অনুসারে ভিন্ন হতে পারে। এবার জানি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক।

১. প্রথমে অনলাইনে আপনাকে পড়াশুনার ক্ষেত্র অনুযায়ী USA এর Student and Exchange Visitor Program (SEVP)আওতাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে (পছন্দ অনুসারে) আবেদন করতে হবে। যোগ্য বিবেচিত হলে সেই প্রতিষ্ঠান থেকে স্বাক্ষরযুক্ত “SEVIS-Form I-20″ ফরম পাঠাবে। যেখানে আপনাকেও স্বাক্ষর করতে হবে এবং এর নির্ধারিত ফি অবশ্যই ভিসার আবেদনের পূর্বে পরিশোধ করতে হবে।

২. এরপর ভিসার আবেদন। Non-immigrant ভিসার আবেদন সাপেক্ষে অনলাইনে ফরম “DS-160″ পূরণ করে সাথে সম্প্রতি তোলা ছবি সংযুক্ত করতে হবে। ফরম পূরণের পর প্রতিটি স্তর কয়েকবার পড়ুন, কোন ভুল যেন না থাকে।

৩. তারপর U.S.Embassy/Consulate এর কাছে সাক্ষাৎ-সূচির আবেদন পালা। যা ভিসা ক্যাটাগরি, মৌসুম, অঞ্চল ইত্যাদির ভিত্তিতে হয়ে থাকে। তাই আপনাকে অপেক্ষা করতে হতে পারে। অনেক সময় সাক্ষাৎকারের পূর্বে আবেদন ফি দেয়া লাগে। তাই তৈরী থাকুন।

৪. ইন্টারভিউ তারিখ পেলে কিছু দলিল নিজের কাছে গুছিয়ে নিন। যা সাথে রাখা জরুরিঃ
-“SEVIS-Form I-20″ যা আপনাকে সাথে রাখতে হবে।
-ভিসার আবেদন ফরমে যে ছবি সংযুক্ত করেছেন সেই একই ছবির কপি।
- ফি পরিশোধ রসিদ।
-পার্সপোর্ট
-DS-160 ফরমের কনফেরমেশন পেইজ এর প্রিন্ট কপি।
-শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সার্টিফিকেট(স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়) যেভাবে পড়াশুনা,থাকা, ও যাওয়ার খরচ পরিশোধ করবেন তার সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র।

সাক্ষাৎকারে যা আপনাকে খেয়াল রাখতে হবেঃ
-আপনি শুধু মাত্র পড়তে যাচ্ছেন। এই ভিসা প্রাপ্তি কোন ভাবেই স্থায়ী বসবাসের অভিপ্রায়ের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। কথোপকথনের মাধ্যমে তা কনসাল অফিসারকে নিশ্চয়তা দেয়া।

-আপনি একজন bona fide ছাত্র/ছাত্রী তা প্রমাণ স্বরূপ TOEFL/SAT স্কোর দেখাতে পারেন। পাশাপাশি কেন বাইরে পড়তে চান,যেকোন ভাবেই হোক আপনি পড়া শেষ করবেন, কোন কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করলেন, কেন করলেন ইত্যাদি প্রশ্নের সুন্দর উত্তর তৈরী রাখবেন।

-সাথে এটাও প্রদর্শন করতে হবে যে আপনার অর্থনৈতিক অবস্থাও ভাল। এর জন্য আপনি ব্যাংকিং কাগজপত্র দেখাতে হতে পারে। তাই সেগুলো সাথে রাখুন।

সব দলিল ঠিক থাকলে , যোগ্য বিবেচিত হলে ক্লাস শুরুর বেশ কিছু আগেই ভিসা পেয়ে যাবেন। তবে USA প্রবেশ করতে পারবেন ক্লাস শুরুর ৩০ দিন আগে থেকে অর্থাৎ আপনি চাইলেও ২মাস আগে প্রবেশ করতে পারবেন না বা দিবে না ।তাই তারিখ দেখে ফ্লাইং টিকেট কাটবেন।

ভুয়া দলিল বা তথ্য প্রমাণ পেলে সাথে সাথে ভিসা বাতিল হবে.....
এছাড়া কাজের অনুমোদন, SEVP-ফি, ছবির সাইজ-রং সহ আপনার আরো প্রশ্নের বিস্তারিত জানতে U.S. Visas- U.S. Department of State- Bureau of Consular Affairs এর নিম্নক্তো লিংকে ভিজিট করুন
http://travel.state.gov/content/visas/english/study-exchange/student.html

এই লিখার তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ওয়েবসাইটের স্টুডেন্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য সংক্রান্ত লিংক থেকে নিতে পারেন। লিংকটি নিম্নরুপ-
http://dhaka.usembassy.gov/student_visas.html

ফেসবুকে সহযোগিতা নিতে পারেন NexTop-USA (Higher Study in USA) পেইজ ও HigherStudyAbroad™ Bangladesh Chapter গ্রুপ থেকে। গ্রুপটির লিংক আমি নিচে দিয়ে দিলাম।
https://www.facebook.com/nextop.usa?pnref=story
অথবা
https://www.facebook.com/groups/HigherStudyAbroad/
বন্ধুরা তাহলে তো সব কিছুই জেনে গেলেন তাহলে আর দেরী কেন। চেষ্টা চালিয়ে যান মনে প্রাণে সফল হতে পারলেই আপনার স্বার্থকতা।


*ভিসা* *পড়াশুনা* *উচ্চতরশিক্ষা*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত