পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চুল নিয়ে নানা যন্ত্রণার সমাধান দেয় শ্যাম্পু। তাই চুলের পরিপূর্ণ পুষ্টির জন্য সঠিক শ্যাম্পুই ব্যবহার করাটা উত্তম।

খুশকিযুক্ত চুল
সপ্তাহে দুই দিন অলিভ অয়েল গরম করে তুলো দিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। হালকা করে ঘষুন। সারা রাত রেখে পরের দিন ভালো করে চুল ধুয়ে নিন। চুল ধোয়ার আধঘণ্টা আগে স্ক্যাল্পে লেবুর রস লাগান। এতে খুশকি কমবে। মাইল্ড হারবাল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। তবে অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু লাগান। খানিকটা লম্বা চুলের জন্য এক চা চামচ এবং ছোট চুলের জন্য হাফ চা চামচ শ্যাম্পু যথেষ্ট।

নির্জীব চুল
নির্জীব চুলের ক্ষেত্রে মাসে দুই বার হেনা প্যাক ব্যবহার করতে হবে। চুলের বৃদ্ধির জন্য নারিকেল তেলের পরিবর্তে আমন্ড অয়েল ব্যবহার করা যাবে। শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে ভিটামিন 'এ' এবং 'ই' সমৃদ্ধ শ্যাম্পুই ব্যবহার করা শ্রেয়। তবে শ্যাম্পু করার পর এক লিটার পানিতে একটি গোটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

অতিরিক্ত শুষ্ক ও ফ্রিজি চুল
এ ধরনের চুলের ক্ষেত্রে নিয়মিত হট অয়েল ম্যাসাজ করতে হবে। সঠিক শ্যাম্পু ও হেয়ার কন্ডিশনিক ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে হারবাল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এ ছাড়াও এক লিটার পানিতে দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে শ্যাম্পুর পরে ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে হেয়ার স্পা করতে পারেন।

রং করা চুল
কড়া রোদে রং করা চুল সহজেই খারাপ হয়ে যায়। রং করা চুলের ক্ষেত্রে আলট্রাভায়োলেট ফিল্টারসমৃদ্ধ শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। হালকা হাতে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে নিন। জোরে ঘষবেন না। চুলের কিউটিকল নষ্ট হয়ে যাবে। চুলের রং হালকা হয়ে যাবে। মাসে অন্তত একবার কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট করান।

জেনে রাখুন যা যা করা চলবে না 
* তৈলাক্ত চুলে ঘন কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন না। হেয়ার রিনস ব্যবহার করুন।
* শ্যাম্পু করার পর পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। চায়ের পানিও ব্যবহার করতে পারেন।
* শুষ্ক চুলে ভিনিগার, মধু ও ডিমের মিশ্রণ স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করলে চুলের ভলিউম আসবে।
* চুল শুষ্ক হলে রোদে বেরোনোর আগে লেবুর রস স্ক্যাল্পে লাগাবেন না। অ্যালকোহলসমৃদ্ধ শ্যাম্পু চুলে ব্যবহার করবেন না।

*চুলেরযত্ন* *খুসকি* *চুলপড়া*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত