মেঘ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

:)

ক্লাস নাইনে পড়ার সময় কাজীহাটার স্বপন কুমার স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তাম। উনার কাছে ছেলে এবং মেয়েদের ব্যাচ আলাদা ছিল। কিন্তু এমন হত যখন মেয়েদের ব্যাচ শেষ হত তখন ছেলেদের ব্যাচ শুরু হত কখনোবা এর উল্টোটাও হত। তো এই শুরু শেষের মাঝে এক কন্যার প্রতি 'ক্রাশ' খেয়েছিলাম। ওর নাম ছিল রিফাত। ওর বান্ধবীরা তাই ডাকত ।তার প্রতি আমার এই নীরব ক্রাশের কথা আমি কোনভাবেই তাকে জানাইনি। হেলেনাবাদে পড়ত সে। তার টেলিফোন নম্বর ও পেয়েছিলাম তার খাতা থেকে। কিন্তু কেন জানি ফোন দেইনি। তারপর অনেক দিন তাকে দেখিনি।

আজ অটো বাইকে করে যাচ্ছিলাম পড়ন্ত দুপুরে । পাসপোর্ট অফিসের মোড়ে এক মেয়েকে দেখলাম দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে বহনকারী অটোবাইক টি তার কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই নীল জামা পরা মেয়েটি ক্লান্ত স্বরে বলল, রাজশাহী কলেজ যাবে কিনা। আমি তাকালাম। দেখি রিফাত। ঐতো সেই নাক। কিন্তু অটোবাইক সেদিকে যেত না। তাই ছেড়ে চলে গেল।
যদি সে উঠত অটোবাইকে তবে আমি কথা বলতাম । সে খুব অবাক হত। কারণ সেতো আমাকে চেনেনা। কিন্তু আমি তো তাকে চিনি। তার বাবার একটা ভেসপা ছিল। ঘিয়া কালারের।
রিফাত কিন্তু অনেক গম্ভীর হয়ে গিয়েছে। আগে অনেক উচ্ছল ছিল।
আগের মত উচ্ছলতা যেন আসে আবার তার মাঝে।
ভাল থেকো, রিফাত! 

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত