উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাচ্চারা সাধারণত উচ্ছল প্রকৃতির হয়, একটু চঞ্চলতা বেশিই করে, ঠিক বেঠিক বোঝার বয়স তাদের তেমন থাকেন না। তাই অন্যান্য স্থানের মতো মসজিদে এসেও বাচ্চারা দুষ্টুমি করবে- এটাই স্বাভাবিক। তাই ছোটরা নামাজে এলে তাদেরকে পাশে নিয়ে নামাজে দাঁড়ান, তাদের আলাদাভাবে দাঁড়াতে দেবেন না। ছোটরা আলাদাভাবে দাঁড়ালে দুষ্টুমি করবে, বড়দের সঙ্গে একত্রে দাঁড়ালে আর দুষ্টুমি করার সুযোগ পাবে না। 

তারা কিছু কাজ কিন্তু না বুঝেই করে থাকে যেমন : অজু করতে যেয়ে পানি ছিটানো কিংবা মসজিদে লুকোচুরি খেলা, টুপি কাড়াকাড়ি খেলা, শূণ্য হাতে ক্রিকেট বল অথবা ব্যাট করার ভঙ্গি, দৌঁড় প্রতিযোগিতা, উচ্চ হাসি, চিৎকার, অন্য বাচ্চাদের সাথে খুনসুটি ইত্যাদি। আসলে এসবে তারা খুব মজা পায় বলেই করে কিন্তু তারা যদি বুঝতো যে এসব এখানে করা যাবে না তাহলে নিশ্চয় করতো না। তাদের এই শিশুসুলভ আচরণে অনেকেই বিরক্ত হোন, আবার অনেকেই আছেন এমন  যারা মসজিদে বাচ্চাদের দেখলেই তেড়ে যান। শুধু তাই নোই সেই বাচ্চাদের অভিভাবকের দিকে অভিযোগের দৃষ্টিতে তাকান। এটা মোটেও সমীচীন নয় কিন্তু।  তাই অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে সাথে নিয়ে মসজিদে যেতে চান না এটা না করে বরং তাদের আদর করে, স্নেহ দিয়ে বুঝিয়ে বলুন মসজিদের পবিত্রতা নিয়ে, এখানে কি করা যাবে আর কি করা যাবে না, মসজিদে হাসাহাসি-দুষ্টুমি করলে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হয়, অন্যরা বিরক্ত হতে পারে এই ব্যাপারগুলো আগে থেকেই বুঝিয়ে রাখুন সন্তানকে। 

মনে রাখবেন, আপনার-আমার শিশুদের প্রতি ছোট ও সুন্দর আচরণ এবং দৃষ্টিভঙ্গিই পারে বদলে দিতে তাদের জীবনকে আর তাদের আলোকিত ভবিষ্যৎ পাল্টে দিতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে, সমৃদ্ধ করতে পারে জাতিকে আর গর্বে ভরিয়ে দিতে পারে দেশকে । আগামী প্রজন্মকে আলোর পথে এনে গড়ে তোলার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই।

*আদবকেতা* *শিশুরবিকাশ* *প্যারেন্টিংটিপস* *মসজিদ*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

এক্ষনি একাউন্ট তৈরী কর

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত