অনলাইন গেমস

অনলাইনগেমস নিয়ে কি ভাবছো?

sandra: Online casino If you want play casino here is the link http://www.lesacasino.com/. You can play all day long. online casino (হার্ট)

*অনলাইনগেমস*

মু. তারিক সাইফুল্লাহ: [নান্টু-চিপকায়গেলাম] অ্যাডিক্টেড :)

*অনলাইনগেমস*

তৌফিক পিয়াস: রোবটরাও মানুষ ! মজার একটা গেম (ভালো) http://raptjs.com/play/#/rapt/

*গেমস* *অনলাইনগেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনলাইনে টাটকা গেমস খেলতে সবারই ভাল লাগে। যখন যেটা ইচ্ছে হয় তখন সেই গেমসটি খুঁজে বের করে খেলার মজাটা একটু আলাদা ও ভিন্ন আমেজের সৃষ্টি করে। ভিডিও ও কম্পিউটার গেমসকে পিছনে ফেলে অনলাইন গেমস তার দৌরাত্ম দিন দিন বৃদ্ধি করে চলেছে। অনেকেই অনলাইন গেমসের কোয়ালিটি নিয়ে প্রশ্ন করেন কিন্তু এটি সব সময় ঠিক না কারন অনেক অনলাইন গেমস রয়েছে যেগুলো হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন। আজকে আপনাদের সামনে ৫টি মাজার ফাটাফাটি অনলাইন গেমস তুলে ধরব। আমি নিশ্চিত গেমস গুলো আপনার খুব ভাল লাগবে।

১. ড্রাগন বয় ( Dragon  Boy )
এটি অসাধারণ একটি গেমস। অনলাইনে খেলতে আপনার বেশ মজা লাগবে। নিচের লিংক থেকে গেমসটি খেলতে পারবেন।
http://www.newgrounds.com/portal/view/৫১৬৯৫০

২. সনি টু (Sonny ২)
এই গেমসটি অনলাইনে খেলতে অথবা ডাউনলোড করতে নিম্নক্তো লিংক ক্লিক করুন
http://armorgames.com/play/2900/sonny-2 

৩. কিংস আইল্যান্ড (Kings Island )
অসাধারণ একটি গেমস। এটি খেলতে অথবা ডাউনলোড করতে নিম্নক্তো লিংক ক্লিক করুন
http://www.crazymonkeygames.com/Kings-Island.html

৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স টেস্ট থ্রিডি (Driving License Test 3D )
এটি একটি ফানি ও চ্যালেঞ্জিং কার গেমস। সম্প্রতি এই গেমসটি ফ্রিতে অনলাইনে ছাড়া হয়েছে।
http://www.games2win.com/en/car-games/driving-license-test-3d-game.asp

৫. ফ্যাশন লাভ স্টোরি  পার্ট ১ (Fashion Love Story Part ১)

নিচের এই লিংক থেকে ফ্যামন লাভ স্টোরি গেসমটি খেলতে পারবেন।
http://www.games2win.com/en/dress-up-games/fashion-love-story-part-1-game.asp




*অনলাইনগেমস* *গেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সিডি ডিভিডির যুগ শেষ এখন গেমস খেলতে চাই অনলাইনে। বর্তমানে তরুন প্রজন্মের দাবি মেনে ও বাজার সম্প্রসারণ করতে কম্পিউটার ভিডিও গেমস স্থান পাচ্ছে অনলাইনে। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে বসেই সেই সব খেলার নাগাল পাওয়া যায় অনলাইনে। বন্ধুরা চলুন তাহলে ভিডিও গেমস নিয়ে আলোচনা করা যাক।

বার্লিনের এক স্টুডিওতে গেমস-এর ডাবিং চলছে। তাও কৃত্রিম ‘ড্র্যাকানিয়ান' ভাষায়। মাইকের সামনে এ ভাষায় কথা বলে, পরে তা চরিত্রগুলির কণ্ঠে ফুটিয়ে তোলা হয়। ‘ড্র্যাকেনস্যাং' নামের এই কম্পিউটার গেম আজকাল আর ডিভিডি হিসেবে পাওয়া যায় না। কারণ এর স্রষ্টা বার্লিনের বিগপয়েন্ট কোম্পানি শুধু অনলাইন গেম হিসেবেই এটি তৈরি করে। সরাসরি ইন্টারনেট থেকেই সেটি ডাউনলোড করে নেওয়া যায়।

প্রথমে বিনামূল্যেই খেলা যায়৷ তারপর খেলার সময় যে অস্ত্রশস্ত্র বা ঘোড়ার প্রয়োজন হয়, তা একে একে কিনে নিতে হয়। বিগপয়েন্ট কোম্পানির ডেভেলপমেন্ট প্রধান ব্যার্ন্ট বায়রয়টার বলেন, ‘‘অনেকে গেম-এর পেছনে মাসে ১ বা ২ ইউরো খরচ করে৷ অনেক গেমার আছে, যারা শুধু বিনামূল্যেই খেলে যায়৷ আরেকদল কিন্তু অনেক টাকা ঢালে, এমনকি মাসে ১০০ ইউরো পর্যন্ত৷'' এভাবেই বিগপয়েন্টের ব্যবসা চলছে৷

গোটা বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ এই অনলাইন গেম খেলে৷ ইচ্ছে করলেই তারা অ্যামেরিকা বা জাপানের গেমসও খেলতে পারে৷ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জার্মানরা তাই নিজেদেরই নিয়ম ভাঙছে৷ গেম-এর মধ্যে ঐতিহাসিক তথ্য কিছুটা বিকৃত করছে৷ ব্যার্ন্ট বায়রয়টার বলেন, ‘‘দেখুন, জার্মানিতে মধ্যযুগ নিয়ে কল্পনা করলে সেখানে কামান বা সেপলিন উড়োজাহাজ থাকতে পারে না৷ আজকাল কিন্তু আমরাও এসব করছি। বাকিরা তো কবে থেকেই করছে। এতে বেশ একটা নতুনত্ব আসে৷ তাই আমরা সাহস করে এমন রোমাঞ্চকর এক কাল্পনিক জগত গড়ে তোলার প্রেরণা পাচ্ছি।''

বর্তমানে মোবাইলেও অনলাইন গেমস খেলার প্রবণতা বাড়ছে। মোবাইলেও অনলাইন গেমস খেলার প্রবণতা বাড়ছে সারাদিন ধরে খেলা বা নতুন আইডিয়া কাজে লাগানো – শুনতে বেশ রোমাঞ্চকর লাগে৷ কিন্তু বিগপয়েন্ট সহ অনেক কোম্পানি যথেষ্ট কর্মী খুঁজে পাচ্ছে না৷ শিল্পের শাখা হিসেবে কম্পিউটর গেমস শুধু জার্মানিতেই বছরে প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে উঠছে।
প্রায় দুশো কোটি ইউরোর লেনদেন হচ্ছে৷ অর্থাৎ গেমস ডেভেলাপার হলে আর কাজ নিয়ে চিন্তা নেই৷ বার্লিনে গেমস অ্যাকাডেমি-তে সেই সুযোগ রয়েছে। এখানে অনেক ছাত্রছাত্রীই নিজেদের কোম্পানি খুলেছে। কম্পিউটার বা গেমস কনসোল নয় – স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য তারা গেমস তৈরি করছে। যে কোনো জায়গায়, যে কোনো সময়ে খেলার সুযোগ থাকতে হবে – এটাই সময়ের দাবি।

হেলস্টর্ম ইন্টাব়্যাক্টিভ কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ক্রিস্টিনে বারলেবেন বলেন, ‘‘অনেক মোবাইল গেমস কম সময়ের জন্য খেলা হয়৷ তবে টানটান উত্তেজনা সত্ত্বেও মানুষ দ্রুত তা ভুলে যায়৷ আগ্রহ টিকিয়ে রাখাই আসল কৌশল৷ নতুন নতুন উপকরণ ও গুণাগুণ যোগ করে, নতুন গেমিং লেভেল, নতুন ‘স্কিন' চালু করে গেমার-দের আকর্ষণ করতে হয়৷ গেমস আকর্ষণীয় রাখতে অনেক কিছুই করা সম্ভব।'' নিজের কোম্পানি খোলা বা অন্যের হয়ে কাজ করা – মোটকথা ছাত্রছাত্রীদের রুজি-রোজগার নিয়ে ভাবতে হয় না।
তথ্যঃ নিজ ও ইন্টারনেট
*অনলাইনগেমস* *গেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কম্পিউটার আবিষ্কারের শুরু থেকেই ভিডিও গেমস-এর চাহিদাও বেড়েছে। প্রায় ৫০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ‘স্পেস ওয়ার গেমস’ আবিষ্কারের পর বর্তমানে শত শত কোটি টাকার বাণিজ্য এই অনলাইন গেমস-কে ঘিরে।

গার্টনার কনজিউমার টেকনোলজিস-এর গবেষণা পরিচালক ব্রায়ান ব্লাও এএফপিকে বলেছেন, কম্পিউটারের আদি যুগ থেকে গ্রাফিকস ডিজাইন যখন থেকে শুরু হল, ঠিক তখন থেকেই শুরু হলো ভিডিও গেমস তৈরি। মানুষ এসব গেমস খেলে ভীষণ আনন্দ পায়, যেন সত্যিকারের খেলার আনন্দ আছে এতে এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি আসলেই ভীষণ শক্তিশালী একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। গার্টনার এর পূর্বানুমান বলছে, অনলাইন, মোবাইল এবং পার্সোনাল কম্পিউটারে বিশ্বব্যাপী ভিডিও গেমস-এর খাতে আগামী বছর ভোক্তারা ব্যয় করবেন ১০১ বিলিয়ন ডলার থেকে ১১১ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত এবং ২০১৭ সালে এই ব্যয় দাঁড়াবে ১২৮ মার্কিন ডলারে।

ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে এখন প্রায়ই হাই পারফরমেন্স অনলাইন গেম খেলা হয়। আর এই কথা মাথায় রেখেই মাইক্রোসফট, সোনি এবং নিনটেনডো গত ২০ বছরে সবচেয়ে সফল গেমগুলো তৈরি করেছে, যেগুলোকে এক কথায় বলা হচ্ছে ‘ফ্যামিলি হাউসহোল্ড এন্টারটেনমেন্ট’। এই গেমগুলোর অন্যতম হল এক্স বক্স, প্লে স্টেশন এবং উই হার্ডওয়্যার। নতুন প্রজন্মের ‘এক্স বক্স ওয়ান্থ এবং ‘প্লে স্টেশন ফোর’ কনসোলগুলো গত বছর প্রকাশিত হয়েছে। বাজারে যেটি হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে। স্মার্টফোন আর ট্যাবলেটগুলোতে ব্যাপক জনপ্রিয় এই গেমগুলো। কিন্তু নিনটেনডো-র নতুন কনসোল, উই ইউ খেলোয়াড়দের মনোযোগ তেমনভাবে আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়নি। হার্ডওয়্যারে খেলার ক্ষেত্রে কনসোল কিংস অন্যতম ভালো গেম। আর সফটওয়্যারে অন্যতম থার্ড পার্টি স্টুডিও যেমন ব্লিজার্ড, ইলেকট্রনিক আর্টস, ইউবিসফট, ডিজনি ইন্টারঅ্যাকটিভ এবং ওয়ারনার ব্রাদারস। তবে যত যাই হোক মোবাইলে গেমস খেলা যে কোনো কিছুকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।

স্মার্টফোন অথবা ট্যাবলেটের জন্য নতুন নতুন প্রচুর গেম অ্যাপ বাজারে এসেছে, যার সংখ্যাটা বিশাল বলে জানালো গার্টনার। যারাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, যত নতুন নতুন গেম অ্যাপস আসতে থাকে, সেগুলো ডাউনলোড করতে ব্যস্ত থাকেন তারা। ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা গেম তৈরির পেছনে রয়েছে ব্রিটেনভিত্তিক কিং ডিজিটাল এন্টারটেনমেন্ট, যারা খুব শিগগিরই বাজারে ছাড়বে তাদের শেয়ার। কারণ এই গেমটির জনপ্রিয়তা সব গেমকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। এছাড়া মোবাইল গেম-এর মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে রোভিও, ওগা এবং সুপারসেল। সূত্র : ডিডবিল্গউ
*অনলাইনগেমস* *গেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: http://www.kasperwindow.com/2012/07/desktop-racing.html অনলাইনে ডেস্কটপ রেসিং গেমস খেলতে চান। তাহলে উপরের লিংকে ক্লিক করুন।

*অনলাইনগেমস* *গেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গেমস খেলতে সবারই ভাল লাগে! আর তা যদি হয় অনলাইনে তাহলে তো কোন কথাই নেই। কারণ অনলাইনে রয়েছে হাজারও রোমাঞ্চকর সব গেমসের সমাহার যা থেকে আপনি সহজেই আপনার পছন্দের খেলাটি বেছে নিতে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনলাইন গেমস বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তবে আমাদের দেশে ইন্টারনেটের স্পিড কম হওয়ায় অনলাইন গেমস এর জনপ্রিয়তা ততোটা প্রসারিত হয়নি কিন্তু ধীরে ধীরে এর জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আজ আমি আপনাদের এমন কিছু অনলাইন গেমস এর লিঙ্ক দিব যা অনলাইনে ফ্রী তে খেলা যায়। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় তাহল করুন : প্রত্যেকটি গেম ১০০% লোড নেয়ার জন্য জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। গেম লোড নেয়া হলেই খেলা শুরু করতে পারবেন।

গেমস এর ওয়েবসাইট লিংকঃ
http://www.kasperwindow.com/2012/07/play-online-games.html
উপরের এই সাইটটিতে গেলে আপনি অনেক গুলো গেমসের লিংক পাবেন। তাহলে আর দেরী কেন সুরুকরে দিন আপনার অনলাইন গেমস খেলা।

*অনলাইনগেমস* *গেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে আমরা সবাই গেমস খেলতে অভ্যস্ত। তবে আমাদের দেশের বেশির ভাগ গেইমারা ফ্রিতে পাওয়া ও কমদামি গেম গুলোর সাথেই বেশি পরিচিত। নামি দামি অনেক গেমস এর সাথে আমাদের হয়তোবা পরিচয় হয়নি। বন্ধুরা আজকে আমরা ১০টি ব্যয়বহুল ডিডিও গেমসের তালিকা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ১০টি ব্যয়বহুল ভিডিও গেমস সম্পর্কে।

শুরু করলাম শেষ ১০ থেকেঃ

10.DEADPOOL(2013)

এই গেমের মোট বাজেট ছিলো ১০২ মিলিয়ন ডলার। জোক্সে ভরপুর এই গেম সম্পর্কে গেমারদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

9.HALO MMO(2007)
বাজেট ১০৩ মিলিয়ন ডলার। World of Warcraft এর সাথে প্রতিযোগিতা করার জন্য বানানো মাইক্রোসফট গেমসের একটি ব্যর্থ প্রজেক্ট। বের হবার ৩ বছর পর মূল সিরিজ থেকেই বাদ দেয়া হয় এই গেমটিকে।

8.MAX PAYENE 3(2012)
রকস্টারের এই গেমের বাজেট ছিলো ১০৮ মিলিয়ন ডলার। ২০১২ সালের ১৯ তম বেস্ট সেলিং গেম নির্বাচিত হওয়া গেমটি সারা বিশ্বে সাড়ে তিন মিলিয়নেরও বেশি বিক্রি হয়।

7.RED DEAD REDEMPTION (2010)
এই গেমও রকস্টারের, বাজেট ১০৯ মিলিয়ন ডলার। ১২ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হওয়া গেমটি তখনকার টম্ব রেইডারের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলে। দুঃখের কথা হলো এই গেম পিসিতে রিলিজ পায় নাই

6.TOO HUMAN(2010)
এই গেমের নামই শুনি নাই। বাজেট ছিলো ১১০ মিলিয়ন ডলার। ১০ বছর ধরে ডেভেলপ করা গেমটির ১ মিলিয়ন কপিও বিক্রি হয় নাই।মানে পুরাই ফ্লপ ।

5.STAR WARS THE OLD REPUBLIC (2010)
এই গেমের বাজেট একলাফে ২১১ মিলিয়নে উঠে গেছে। মুভির ৩০০০ বছর আগের কাহিনী নিয়ে বানানো গেমটি।এই গেমের স্ক্রিপ্ট বিশাল বড়। আড়াই মিলিয়ন শব্দ বিভিন্ন কথাবার্তায় ব্যবহারের জন্য রেকর্ড করা হইছিলো।

4.FINAL FANTASY VII(1997)
বাজেট ২১৪ মিলিয়ন ডলার। ওইসময় এত বাজেটের গেম! চিন্তা করা যায়?? PS1 এর জন্য বের হওয়া গেমটি প্রায় ১০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হইছিলো। মজার ব্যাপার হলো এই সিরিজেরর নাম ফাইনাল ফ্যান্টাসি,কারন SQUARE ENIX ঠিক করছিলো এই গেমই তাদের বানানো শেষ গেম হবে(আগের গুলায় ফ্লপ খাইয়া দেউলিয়া হয়ে গেছিলো সম্ভবত। কিন্তু এই গেমগুলা এত জনপ্রিয় হয় যে এখনো এই নামেই এই সিরিজ চলতেছে ।

3.GTA V(2013)
টপ টেন লিস্টে রকস্টারের আরেকটা গেম। বাজেট ২৭৫ মিলিয়ন ডলার। আগের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়া গেমটি সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ১ বিলয়ন ডলার আয়ের রেকর্ড অর্জন করে। থাইল্যান্ড এ GTA সিরিজ ২০০৮ সালে ব্যান করা হয়। কারন ১৮ বছর বয়সী এক গেমার এক ট্যাক্সি ড্রাইভারকে GTA স্টাইলে খুন করে. মাথায় সমস্যা ছিলো নাকি!

2. CALL OD DUTY MW2 (2009)
তাজ্জব হয়ে গেলেন তো?? আমারো একই অবস্থা হইছিলো এই গেমের পেছনে খরচ হইছে ২৭৭ মিলিয়ন ডলার। মজার ব্যাপার হলো গেম ডেভেলপ করতে মাত্র ৫০ মিলিয়ন ডলার লাগছে। বাকি ২০০ মিলয়ন ডলার মার্কেটিং, ডিস্ট্রিবিউট এর পেছনে খরচ করছে এক্টিভশান ।তবে বের হবার ৫ দিনের মাথাতেই গেমটা ৫০০ মিলয়ন ডলারের উপর আয় করে ।

1.DESTINY (2014)
এই গেমের বাজেট ৫০০ মিলিয়ন ডলার। মাথা নষ্ট ব্যাপার স্যাপার। এখন পর্যন্ত বানানো সবচেয়ে দামী মুভি 'Pirates of the Caribbean at world's end' বানাতেই তো ৩০০ মিলিয়ন ডলার লাগছিলো ৫ বছর আগেই ডেভেলপাররা Destiny awaits নামে dlc টাইপের কিছু একটা halo 3 তে ছেড়ে এই গেমের কথা প্রথম প্রকাশ করে।
*গেমস* *অনলাইনগেমস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মোবাইল আর কম্পিউটার গেমস বর্তমান  বিনোদনে বাড়তি মাত্র যোগ করেছে। অস্থিরতা, বিরক্তাতা ও মনখারাপের মত বিষয়গুলো দূর করতে মজার মজার কম্পউটার ও অনলাইন গেমস এর তুলনা হয় না। প্রতিদিন সারা বিশ্বের নতুন নতুন হাজারও গেমস তৈরী হচ্ছে যা গেইমারদের জন্য বাড়তি পাওয়া। তবে আজকে আমরা ফিরে যাব ২০১৩ সালের কিছু জনপ্রিয় গেমে। চলুনু জেনে নেই ২০১৩ সালে ১০টি চমকপ্রদ গেম সম্পর্কে।

কম্পিউটার গেসম সহজেই গেইম বিশ্বের জন্য ২০১৩ ছিল নিঃসন্দেহে উত্তেজনাপূর্ণ একটি বছর। যেমনও গেইমারদের জন্য, তেমন গেইম কোম্পানিগুলোর জন্য। গ্র্যান্ড থেফট অটো ফাইভ, দ্য লাস্ট অফ আস-এর মতো গেইম একদিকে গেইমারদের চাহিদা মিটিয়েছে, আরেকদিকে নির্মাতারাদের মোটা অঙ্কের লাভ দিয়েছে। অসংখ্য গেইমের মধ্যে থেকে শীর্ষ গেইম ম্যাগাজিন গেইমরাডার বাছাই করেছে টপ টেন গেমস নিয়ে আলোচনা করা হল।

দ্য লাস্ট অফ আস 
কেবল প্লেস্টেশন থ্রির জন্য বের হওয়া গেইম তালিকার শীর্ষে থাকবে, এ আশ্চর্য বৈকি! কিন্তু এ বছর তা-ই করেছে দ্য লাস্ট অফ আস। মুক্তির তিন সপ্তাহ না পেরোতেই এটি ভেঙেছিল ফিফা ও কল অফ ডিউটির মতো গেইমের রেকর্ড। সারভাইভাল গোত্রের এ গেইমের দুই প্রধান চরিত্র জোয়েল এবং এলিকে নিয়ে আপনি পালিয়ে বেড়াতে হবে শহরভর্তি জোম্বিদের মাঝে। গেমের কাহিনীর হতাশা, খুশি আপনাকে স্পর্শ করবেই। তাই শ্রেষ্ঠ কাহিনীর খেতাবসহ এটি অর্জন করেছে আরো অসংখ্য পুরস্কার।

টুম্ব রাইডার
এটিও সারভাইভাল গেইম, তবে সাথে যুক্ত হয়েছে ফার্স্ট পারসন শুটিং। শুধু জোম্বির বদলে এখানে শত্রু হল মানুষ। আর পটভূমি শহরের বদলে পাহাড় ও গহীন জঙ্গল। লক্ষ একটাই—জীবন বাঁচানো। সেটা করতে গিয়ে কখনো বাইতে হবে পাহাড়, কখনো সমুদ্র। জঙ্গল ও পাহাড়ি পরিবেশের সাথে মানানসই ছোট ছোট ইনটার‍্যাকটিভ দিয়ে এটি ভরপুর।

বায়োশক ইনফিনিটি
অনেকটা ফ্যান্টাসি ধাঁচের বায়োশক ইনফিনিটি এ বছরের আরেকটি বড় আলোড়ন। ফার্স্ট পারসন ক্যামেরায় আপনি খেলবেন বুকার ডিউইট হয়ে। সার্বক্ষণিক সঙ্গী থাকবে বান্ধবী এলিজাবেথ, যে লড়াই থেকে শুরু করে প্রতি পদে সাহায্য করবে । শত্রুদের ধ্বংসের জন্য রয়েছে নানা রকম বিশেষ ক্ষমতা। তবে গেইমার ও সমালোচকরা পরিবেশের পাশাপাশি গেইমটির কাহিনীর বেশি প্রশংসা করেছেন। কাহিনীতে উনিশ শতকের শুরুর দিকের রাজনীতির ছোঁয়া রয়েছে। আর তার ডাল-পালা ছড়িয়েছে মেঘের ওপর রঙিন ও প্রাণবন্ত এক স্বপ্নের জগতে, যেখানে হারিয়ে যেতে বেশি সময় লাগবে না!

গ্র্যান্ড থেফট অটো ফাইভ
যে গেইম দু’দিনেই দ্রুততম বিক্রি হওয়া বিনোদনমুলক পণ্য হিসেবে খেতাব পায়, তার খ্যাতি সহজেই আন্দাজ করা যায়। এ গেইমের ওপেন ওয়ার্ল্ডে প্রধানত তুলে ধরা হয়েছে আজকের আধুনিক আমেরিকান লাইফস্টাইল। সিরিজের প্রতিটি গেইমের মত এতেও ঠিক বাস্তবের মতো ঘুরে বেড়াতে পারবেন। মোবাইলে ই-মেইল চেক করা থেকে শুরু করে প্লেন নিয়ে আকাশে উড়াল দিতে পারবেন যখন-তখন।

সুপার মারিও থ্রিডি ওয়ার্ল্ড
বিশ্বখ্যাত এই ফ্রাঞ্চাইজকে যখন থ্রিডিতে রূপান্তর করা হলো, অনেক গেইমারই আশঙ্কা করেছিলেন সিরিজটির নিজস্বতা হারাতে পারে। কিন্তু ঘটেছে তার উল্টো। অন্য যেকোন মারিও গেইমের চেয়ে এবারেরটি বেশি রঙিন, মজার ও নতুন নতুন বিষয়ে ভরপুর। তবে এটি কেবল উই প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে।

ব্যাটলফিল্ড ফোর
গত কয়েক বছরে ফার্স্ট পারসন শুটিং গেইমে প্রথমবারের মতো পিছিয়ে পড়েছে কল অফ ডিউটি সিরিজ। সেই সুযোগে এবার জায়গাদখল করে নিয়েছে ব্যাটলফিল্ড ফোর। ইলেকট্রনিক্স আর্টসের তৈরি এই গেইমটিকে চোখ বুজে বছরের সেরা শুটিং গেইম বলছেন সমালোচকরা। দারুণ গেইমপ্লে ও গ্রাফিক্সের সমন্বয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ২০২০ সালের এক যুদ্ধের কাহিনী।

অ্যাসাসিন’স ক্রিড ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ

এযাবৎকালের সেরা জলদস্যুর গেইম অ্যাসাসিন’স ক্রিড ফোর ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ। ১৮ শতকের ক্যারিবিয়ান সাগরে গেইমের পটভূমি, আর নায়ক খাঁটি জলদস্যু এডওয়ার্ড কেনওয়ে।

ফায়ার এমব্লেমঃ অ্যাওয়েকেনিং জাপানের প্রতিষ্ঠান নিনটেনডোর তৈরি রোল প্লেয়িং গেইম ফায়ার এমব্লেম অ্যাওয়েকেনিং। মুক্তি প্রথম সপ্তাহে শুধু জাপানেই এটি প্রায় আড়াই লাখ কপি বিক্রি হয়। তবে এটি শুধু নিনটেনডো থ্রিডিএসের জন্য পাওয়া যাবে।

দ্য লিজেন্ড অফ জেল্ডা:   তালিকার নবম স্থান কেড়ে নিয়েছে এই গেমস টি।
গণ হোমঃ ২০১৩ সালে তালিকার দশম স্থানে ছিল গণ হোম গেমসটি।
*গেমস* *অনলাইনগেমস*

Afroza Farhana: *অনলাইনগেমস* ক্রিমিনাল কেস খেলি মোবাইল এ, জটিল লাগছে!!! ধীরে সুস্থে খালা যায় এটা ভালো.

তৌফিক পিয়াস: ইদানীং Hungry Shark Evolution খেলছি। অনলাইনে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মত ফ্রেন্ড পাচ্ছিনা (মনখারাপ) । কে কে আছেন হাংরি শার্ক এর *অনলাইনগেমস* -এ ?

ভালবাসা কবি..!!!: *অনলাইনগেমস* লেটস ফারম খেলি মোবাইল এ... ফেসবুক এ ক্রিমিনাল কেস আর পুল প্রতিদিন ই খেলি তাছাড়া মাঝে মাঝে আরও অনেক গেমস ই খেলি ভালই লাগে... (শয়তানিহাসি)(খুশী২)(খুকখুকহাসি)

কালো মনের মানুষ: *অনলাইনগেমস* এর মধ্যে বেস্ট হইলো "ক্রিমিনাল কেস" তবে,সমস্যা হলো এনার্জি ফিলআপ আর মেডিকেল টেস্ট এর জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা (ঘৃণা) বাকি সবই ঠিক আসে (কুল)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★