পিরিয়ড

পিরিয়ড নিয়ে কি ভাবছো?

কঙ্কাবতী : একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পিরিয়ডের সময়ে টয়লেট হ্যাবিট পরিবর্তিত হয় কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*পিরিয়ড* *টয়লেটহ্যাবিট* *নারীস্বাস্থ্য*

কঙ্কাবতী : একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, কি করা উচিৎ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পিরিয়ড* *নারীস্বাস্থ্য*
৫/৫

মাসুম: আপনার সন্তানটিকে তাই আপনিই পুরুষ হবার আগে মানুষ করে তুলুন। আপনিই পারেন। আমরাই পারি। বিশ্বাস করুন পারি।............. লেখাটা ভালো লাগলো! আশা করি আপনি পড়ে বুঝে চললে আপনি একজন মানুষ হবেন, কোন পুরুষ বা নারী নয়!! বাকিটুকু লিংক থেকে পড়ুন (প্লিইইজ) http://www.somewhereinblog.net/blog/TAMANNA8885/30032764

*পিরিয়ড* *ঋতুস্রাব* *স্যানিটারি-প্যাড* *গুপ্তাঙ্গ* *মানুষ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়েদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক নানন পরিবর্তন আসে। সাধারণত এই পরিবর্তন দুটি সময়ে প্রবল হয়ে ওঠে। এক বয়স বয়:সন্ধি কাল, দুই ঋতুনিবৃত্তিকাল। আর এই ঋতুনিবৃত্তি কালকে বলা হয় মেনোপজ।

সাধারণভাবে প্রোঢ়ত্বের শেষে ৪৮ থেকে ৫২ বছর বয়সের মধ্যে মেনোপজ হয়। এই বয়সে যদি সম্পূর্ণ এক বছর টানা পিরিয়ড বন্ধ থাকে তাহলেই তাকে বলা হবে মেনোপজ। আর এই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে মানসিক অবসাদে ভোগে।

অনেক সময় ছেলে, মেয়ে ও অন্যান্য অল্পবয়স্ক আত্মীয়স্বজন থেকে মানসিক দূরত্ব তৈরি করে ফেলেন এবং ক্লান্তি ও বিষাদে মন ভারাক্রান্ত করে ফেলেন। অথচ এই সময়কার পরিবর্তন জীবনের আর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ভেবে নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই বিগত যৌবনের জন্য আকাঙ্ক্ষা ও উদ্বেগ ভুলে যাওয়া সহজ হয়।

কি কি পরিবর্তন হয়:
পরিপূর্ণভাবে ঋতুনিবৃত্তি বা মেনোপজ হয়ে গেলে মেয়েদের প্রজনন ক্ষমতা থাকে না। এ সময় কিছু কিছু দৈহিক পরিবর্তন হয়, হাতে, পায়ে, ঘাড়ে, নিতম্ব ও থাইতে চর্বি জমার সম্ভাবনা থাকে, ওজনও বেড়ে যেতে পারে। কেউ কেউ আবার বেশি রোগা হয়ে যায়। কারও ত্বকের মসৃণতা কমে যায়, বলিরেখা পড়তে পারে। শরীরে কোথাও ব্যাথা অনুভূত হতে পারে। উদ্বেগ, রাগ ও শুচিবাই রোগ দেখা দিতে পারে। এই সকল উপসর্গে মানসিক দুর্বলতা আসে।

রক্ত চলাচলের ক্রিয়ায় পরিবর্তন হয় তাই মাঝে মাঝে হঠাৎ করে গরম বা ঠান্ডার অনুভূতি হতে পারে। দিনে মধ্যে চার-পাঁচবার শরীর ঘেমে ওঠে, যাঁদের হাই ব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস আছে, তাদের এসব উপসর্গ বেশি হয়। এই সময় শরীরে হরমোন নিঃসরণের ক্রিয়ার বিশেষ পরিবর্তন হয়। ওভারি শুকিয়ে ছোট হয়ে যায়, ডিম্বাণুও থাকে না, তাই স্বভাবতই ওভারি থেকে নিঃসৃত স্ত্রী হরমোনের পরিমাণ কমতে থাকে। ওভারির নিঃসৃত হরমোন হ্রাস পাওয়ার ফলে পিটুইটারি ও অ্যাডরেনাল গ্রন্থিসমূহের হরমোন বৃদ্ধি পায়, তাই কারও কারও মুখে বা চিবুকে চুলের মতো লোম দেখা দিতে পারে। এই সকল উপসর্গ কিন্তু সকলের হয় না।

মেনােপজের সময় মেয়েদের কামভাব বৃদ্ধিপায়ঃ
অনেকেরই তেমন কোনও চিকিৎসা দরকার হয় না, তবে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। শরীরের যত্ন, ত্বকের যত্ন, ব্যায়াম এই তিনটি ব্যাপার বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। সুষম আহার, কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা আর ঠিকঠাক ঘুম দরকার। নিয়মিত হেলথ চেক আপ জরুরি। যাদের খুব বেশি উপসর্গ থাকে, যেমন বার বার কান মাথা জ্বালা করছে, গাঁটে গাঁটে খুব ব্যথা বা একেবারে ঘুম হচ্ছে না, অসম্ভব টেনশন, সেই সকল ক্ষেত্রে এইচ-আর-টি বা হরমণ রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির দরকার হতে পারে অল্পদিনের জন্য। এছাড়া এই সময় স্ত্রীরোগ বিশেষঞ্জরা ত্বক, চুল ও শরীর ভাল রাখার জন্য কয়েকটি ওষুধ দিয়ে থাকেন।

কয়েকটি তথ্য:
মেনোপজ হঠাৎ একদিন হয় না প্রথমে হয়তো তিন মাস বন্ধের পর আবার একবার হল, তারপর আবার কিছুদিন বন্ধ থেকে একমাসে দু-বার পিরিয়ড হল, আবার বন্ধ এইভাবে ক্রমশ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এসময় যদি অত্যধিক ব্লিডিং হয় তাহলে বা তা না হলেও গাইনোকোলজিস্ট দেখিয়ে নেবেন। কারণ এই বয়সে মেনোপজ ছাড়াও জরায়ুর টিউমার বা অন্য অসুখ হতে পারে।

যে সব মহিলাদের ৪০-এর নীচে মেনোপজ হয়ে থাকে তাহলে সেই মহিলারাও আরলি মেনোপজ বলা হয়। আজকাল মেয়েদের ১০ বছর বয়সের আগেই পিরিয়ড হয়ে যায়, তার মানে কিন্তু এই নয় যে তাড়াতাড়ি মেনোপজ হয়ে যাবে, আবার এও বলা যায় না যে যাদের প্রথম পিরিয়ড শুরু হয়েছে দেরিতে, তাদের মেনোপজ আরও দেরিতে হবে।

ডায়বেটিস থাকলে মেনোপজের দেরি হতে পারে। তবে মেনোপজের এর কারণে স্বাভাবিক শারীরিক মিলন বাধাপ্রাপ্ত হয় না। অনেক সময় মেনোপজের সময় অনেক মহিলাদের শারিবীক চাহিদা বেড়ে যায়। আর অনেকের কমেও যায়।

এখন আলট্রাসোনোগ্রামের মাধ্যমে মেনোপজের ডায়াগনসিস খুব সহজে করা যায়। এ সময় মহিলারা নিয়মিত পার্লার ও জিমে যাবেন তা না হলে আত্মবিশ্বাস যাবে চলে। মনে রাখবেন মনের জোর ও সঠিক চিকিৎসায় মেনোপজের উপসর্গগুলি অতিক্রম করা যায় এবং নিশ্চিন্ত দাম্পত্যজীবন কাটানো যায়। 
সূত্রঃ এনজেবিডিনিউজ
*মেনোপজ* *পিরিয়ড* *নারীস্বাস্থ্য*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীরা দেরিতে ও অনিয়মিত পিরিয়ড সমস্যার শিকার। তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারা বলছেন, বিভিন্ন কারণে নারীদের অনিয়মিত ও দেরিতে পিরিয়ড হয়। তারা আরো বলেন,  নারীর জীবনে দু’তিনটে পর্বে পিরিয়ড অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। মেনার্কি বা মেন্সট্র–য়েশন শুরুর সময়ে। এ সময় ওভারি ততটা পরিপক্ব হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ কর্মক্ষমতা দেখা যায় না। খেয়াল করে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪ মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে। তবে সন্তানকে ব্রেস্ট ফিডিং করালে এ পর্ব আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ তো সবারই জানা যে মধ্য বা শেষ চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য তৈরি হয়। মেনোপজের আগে তাই পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।

পিরিয়ড ইরেগুলার বা অনিয়মিত কিনা বুঝবেন কীভাবে? উপরে উল্লেখ করা সময় ছাড়া যদি দুই পিরিয়ডের মধ্যে ৫ সপ্তাহের বেশি ব্যবধান হয় তবেই বুঝবেন সমস্যা হয়েছে। তবে জীবনে অনেক ঘটনা আছে যা যৌন হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে। তাতেও পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।

স্ট্রেস : মানসিক চাপ রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেমকে সহজেই প্রভাবিত করে। পরীক্ষার সময় এমন হয়, খেয়াল করেছেন? পিরিয়ডে একটু গোলমাল। কখনও নিকটাত্মীয় মারা গেলে বা দারুণ অসুস্থ হলে। বাড়ি বদলালে অথবা চাকরি চেঞ্জ করলেও দেখবেন প্যাটার্নটা বদলে যায়। স্বাভাবিক সুস্থ জীবনে ফিরে গেলেই কিন্তু সব ঠিক হয়ে যায়।

বডি ওয়েট : ওজন ধুম করে বাড়লে বা কমলে নর্মাল সাইকল ব্যাহত হয়। আগে যা শরীরের ওজন ছিল, সেখানে ফিরে গেলেও পিরিয়ড আবার আগের মতো স্বাভাবিক হতে একটু সময় লাগে।

ডায়েট : হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেলেন বা ক্র্যাশ ডায়েট প্রোগ্রাম শুরু করলেন। আপনি অবশ্যই সমস্যা ডেকে আনলেন। পিরিয়ড ধুম করে বন্ধ হতে পারে কিংবা একেবারে অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।

এক্সারসাইজ : কথা নেই বার্তা নেই, প্রচুর ব্যায়াম শুরু করে দিলেন। পিরিয়ডের যে নিয়মিত চক্র, তা বিঘ্নত হতে পারে। আসলে বডি ফ্যাট হঠাৎ কমলে হরমোনে বৈষম্যের ফলে ওভারির ফাংশন পরিবর্তিত হয়।

ক্রনিক অসুখ : কিছু অসুখ আছে যা লম্বা সময় ধরে ভোগায়। যেমন ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যাজমা, টিবি বা যক্ষ্মা, ক্যান্সার। পিরিয়ড বন্ধ হয়েও যেতে পারে, কমতে তো পারেই।

ড্রাগ : অনেক ওষুধ রয়েছে যা নর্মাল পিরিয়ডকে ব্যাহত করে। যেমন অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট। লিভারে প্রতিক্রিয়ার জন্য হরমোন লেভেলে রদবদল হয়। যেসব কন্ট্রাসেপটিভে প্রজেস্টোরেন রয়েছে তা থেকেও কিন্তু পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড বন্ধও হয়ে যায় অনেক সময়।
মনে রাখতে হবে হরমোনের ভারসাম্যের জন্যও কিন্তু ওভ্যুলেশন ডিসঅর্ডার দেখা দিতে পারে।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম : ওভ্যুলেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ডিম্বাণু আদৌ ম্যাচিওর করে না। আসলে এসব মহিলার একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্নে এগ বা ডিম্বাণু তৈরি হয় না। 

পলিসিস্টিক কেন? একটা আলট্রাসাউন্ড করলেই দেখা যাবে ওভারিকে ঘিরে রেখেছে অসংখ্য ফলিকল বা সিস্ট। ঠিক যেন মুক্তোর মালার মতো। ডিম্বাণুর অনিয়মিত বৃদ্ধির জন্যই পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়। সময়ের ঠিক থাকে না, কবে হবে জানাও যায় না। এরা ওভারওয়েট। ব্রণ থাকবে, তৈলাক্ত ত্বক, মাথার চুলও কমবে। শরীর বেশ রোমশ হয়ে যায়। ওভারিতে হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট হয়, পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজনের মাত্রা বাড়ে। তাই যত বিভ্রাট।

হাইপারপ্রোল্যাকটিনিমিয়া : চাইল্ডবার্থের পর পিটুইটরি গ্ল্যান্ড তৈরি করে প্রোল্যাকটিন। উদ্দেশ্য মিল্ক সিক্রিশন বাড়ানো। ব্রেস্ট ফিড করান না এমন মহিলার যদি প্রোল্যাকটিন বেড়ে যায়, তাহলে পিরিয়ড বিঘ্নিত হবে। বুকে দুধও অস্বাভাবিকভাবে তৈরি হয়। এসব মহিলার পিটুইটারিতে ছোট বিনাইন টিউমার থাকাও অসম্ভব নয়। তাতে মাথাব্যথা হবে, চোখে দেখার সমস্যাও হতে পারে।

প্রি-ম্যাচিওর মেনোপজ : ৪৫ থেকে ৫০, এটাই মেনোপজের গড় বয়স। ১ থেকে ২% মহিলার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে। এরা অসুস্থ, এমনটা ভাবার কারণ নেই। এরা আসলে ওভারিতে কম সংখ্যক এগ নিয়ে জন্মান। তবে ক্রোমোজমে বৈষম্য, ইনফেকশন, সিস্ট/টিউমার, সার্জারি, রেডিয়েশন অথবা কেমোথেরাপিতে ওভারিয়ান ফেলিওর ত্বরান্বিত হয়।

হেভি অথবা অনিয়মিত পিরিয়ড কিন্তু আপনার ওয়েক-আপ কল। দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য নিন। সঙ্গে ওবেসিটি, অস্বাভাবিক হেয়ার গ্রোথ, মিল্ক সিক্রিশন বা মাথা ব্যথা হলে একদম দেরি না। ওভ্যুলেশন প্রবলেম থাকলে যে নারী কনসিভ করার চেষ্টা করছেন, তারা অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ  নিন।
(সংকলিত)
*পিরিয়ড* *নারীস্বাস্থ্য*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্বজুড়ে মানব স্বাস্থ্যের উপর কোন না কোন গবেষণা প্রতিনিয়ত অব্যাহত রয়েছে। তবে বছর ধরে নারী স্বাস্থ্যের উপরে প্রায় শতাধিক গবেষণা চালিয়ে চাঞ্চল্যকর সেরা ২৫টি গবেষণা তথ্য সরবারহ করেছে একদল চিকিৎসা বিজ্ঞানী। নিচে নারীস্বাস্থ্যে বিষযে এবছরের সেরা ২৫টি গবেষণা তথ্য তুলে ধরা হলঃ..

১. বিষণ্নতা আপনার বিপাক ক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটায়।
২. টিনএজ বয়সে সানবার্নের কারণে যেভাবে ভুগতে হয়, বয়স্কালে মেলানোমার কারণে একই ভোগান্তি গতে পারে।
৩. বিশের কোঠায় পরিশ্রমী থাকলে মস্তিষ্ক ভালো থাকে।
৪. চল্লিশের কোঠায় পা দিয়েছেন? তারপরও রোগ প্রতিরোধে কিছু করার রয়েছে আপনার।
৫. ঠাণ্ডা কক্ষে ঘুমালে বিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠু হয়।
৬. মেডিটেরিয়ার খাবার আপনাকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখতে পারে।
৭. কিছু ডায়েটারি ফ্যাট আপনার ওজন কমাতে পারে।
৮. শক্ত ব্যায়াম হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়। এটি কমে আসে বয়সের সঙ্গে।
৯. বাড়িতে মাত্র ৫ মিনিট দৌড়ান, আয়ু বাড়বে।
১০. পিরিয়ড চলাকালীন পিল খেলে তা কাজে লাগতে পারে।
১১. একটি পরিশ্রমের কাজের ধকল সামলাতে সারা দিন বসে থাকুন।
১২. বেশি বেশি কাজ করলে তা ক্ষয়রোগের কারণ হতে পারে।
১৩. কৃত্রিম চিনি বিপাক ক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায়।
১৪. সিগারেটের মতো সোডাও নারীদের দ্রুত বুড়ো বানিয়ে দেয়।
১৫. কফি আপনার দেহকে শুষ্ক করে দেয় না।
১৬. পরিশ্রম করেও ওজন না কমা খুব সাধারণ বিষয়।
১৭. প্রতিদিনি একটি অ্যাপল চিকিৎসককে দূরে রাখতে পারে।
১৮. মনোপজের পর নারীদের কোলেস্টরেলের মাত্রা কম থাকতে পারে।
১৯. ম্যানিকিউর ল্যাম্প থেকে ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও তা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
২০. আলঝেইমার এবং গর্ভকালীন সমস্যা দেখা দিতে পারে ভিটামিন ডি এর অভাব।
২১. খাদ্যতালিকার ওপর নির্ভর করে আপনার ওজন কেমন হবে।
২২. স্ট্রেস নারীর উর্বরতা কমিয়ে দিতে পারে।
২৩. এনএসএইড পেইন রিলিভারস পিঠের ব্যথা দূর করতে কাজে লাগতে পারে।
২৪. সকালে ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে দিলে বডি ম্যাস ইনডেক্স কম থাকতে পারে।
২৫. স্তন নিয়ে নিজে পরীক্ষা করলে তা অনেকটা মেমোগ্রাম করা হয়ে যাবে।  
(সংকলিত)
*নারীস্বাস্থ্য* *মেনোপজ* *পিরিয়ড* *বিষণ্নতা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★