আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
business_center লেখালেখি করি
school রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
location_on রাজশাহী
1410668751000  থেকে আমাদের সাথে আছে

মনিরুল: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশটুনটি শেয়ার করেছে

অগ্নিঝরা মার্চ
“মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে...।” দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাঁর নাম "বাংলাদেশ।"

MD Naimul Hossain: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশটুনটি শেয়ার করেছে

অগ্নিঝরা মার্চ
“মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে...।” দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাঁর নাম "বাংলাদেশ।"

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

বছর পাড়ি দিয়ে আবার এসেছে ভাষা অর্জনের মাস ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই ফেব্রুয়ারি মাসেই আমরা আমাদের মাতৃভাষা, আমাদের প্রাণের স্পন্দন বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলাম। আজকে আমরা স্বাধীন ভাবে বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই, বাংলাই হাফ ছেড়ে নিঃশ্বাস নেই। বাংলা ভাষা আজ আমাদের দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের প্রাণের ভাষাকে সম্মান দিয়ে সারা বিশ্ব ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে।

ফেব্রুয়ারি হচ্ছে আমাদের চেতনার মাস। ফেব্রুয়ারি হচ্ছে বাঙ্গালির স্বপ্নপূরণের মাস। সেদিন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষার গৌরবদীপ্ত ইতিহাস রচনার মাস ফেব্রুয়ারি। এ মাসেই বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। বাঙালির জাতিস্বত্তা বিনির্মাণ সর্বোপরি আমাদের মহাণ স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল এ মাসেই।

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তুমুল আন্দোলন ও বহু প্রাণের আত্নত্যাগের বিনিময়ে আমরা মাতৃভাষা বাংলাকে নিজের করে পেয়েছি। ভাষা আন্দোলনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সেদিন রাজপথে প্রাণ দিয়েছিল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ নাম না জানা আরো অনেকে। যাদের জন্য আমাদের এই মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যাদের জন্য আজ আমরা প্রাণ খুলে বাংলায় কথা বলতে পারছি, সেই সব অমর ভাষা শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

প্রকৃতিতে ঋতুরাজ বসন্তের হাওয়া লেগেছে। আমাদের চারপাশ ঘিরে ফুটতে শুরু করেছে হাজারও ফুল। ঋতুরাজ বসন্তে ফুটে থাকা সব ফুলগুলোর মধ্য থেকে জনপ্রিয় একটি ফুলের পরিচিতি আজ তুলে ধরব। ফুলটি আপনাদের সকলের পরিচিত.... নাম পলাশ ফুল। চলুন তাহলে পলাশ ফুল সম্পর্কে জেনে নেই।

পলাশ ফুলঃ
পলাশ ফুলের আরো একটা নাম আছে- অরণ্যের অগ্নিশিখা। এই গাছের পাতা কিন্তু সারা বছর থাকে না। শীত আসলেই সব পাতা ঝরে গিয়ে গাছটি একেবারে ন্যাড়া হয়ে যায়। কিন্তু বসন্তকাল আসতে না আসতেই গাছটি গাঢ় লাল রঙের ফুলে ভরে ওঠে। পাতা জন্মানোর আগে, যখন কেবল ফুল ফুটতে শুরু করে, তখন পলাশ গাছ একদম লাল হয়ে যায়। আর ফুলগাছ হলেও গায়ে-গতরে পলাশ গাছ বেশ বড়োই। তখন মনে হয়, বনে আগুন লেগেছে। তাই পলাশকে বলে অরণ্যের অগ্নিশিখা।  পলাশ ফুল দেখতে অনেকটা সীমফুলের মতো। ফুলের কুঁড়ি অনেকটা বাঘের নখের মতো, কিংবা বলতে পারো কাঁকড়ার পায়ের মতো দুই ভাগে বিভক্ত। পলাশও কিন্তু ঔষধি ফুল; মানে এই ফুলও নানা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আজ ২০ জানুয়ারি, শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা আসাদ।

তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র  ছিলেন আসাদ। তাঁর পুরো নাম মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। আসাদের আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে বেগবান হয়েছিল তৎকালীন স্বৈরাচার আইয়ুববিরোধী আন্দোলন।

আসাদ শহীদ হওয়ার মাত্র ৩ দিনের মাথায় ২৪ জানুয়ারি পতন ঘটে আইয়ুব সরকারের। বাঙালি জাতির স্বাধীনতার দাবি তরান্বিত করতে নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন তিনি।

পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে আসাদের রক্তে লাল হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। রক্তের সেই দাগ মুছে গেলেও মানুষের হৃদয় থেকে মুছবে না তাঁর কীর্তি।

দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। মূলত আজ ভোর থেকেই তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন হাজারও মানুষ। এছাড়াও দিনভর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তার জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনাও অনুষ্ঠিত হবে।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শীত এলেই আমাদের দেশে ব্যাডমিন্টন খেলার জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। যদিও অনেক আগে থেকেই এদেশে ব্যাডমিন্টন বহুল প্রচলিত খেলা হিসেবে সমধিক পরিচিত। শীতের তীব্রতার মাঝে হালকা গরমের আবেশ নিতে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রায় সব বয়সী মানুষেরাই এই খেলায় অংশ নেয়। বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় মেয়েরাও ব্যাডমিন্টন খেলায় অংশগ্রহণ করছে। সবাই এই খেলার সাথে পরিচিত হলেও এর মূল নিয়ম কানুন অনেকেরেই অজানা। খেলার নিয়ম কানুন না জানলে, খেলায় তেমন একটা মজা পাওয়া যায় না। তাই চলুন ব্যাডমিন্টন খেলার নিয়ম কানুন জেনে নেই।

ব্যাডমিন্টনের কোর্ট: ব্যাডমিন্টনের কোর্ট সমতল আয়তাকৃতির হয়ে থাকে। একক ও দ্বৈত উভয় ক্ষেত্রে যার দৈর্ঘ্য ১৩.৪ মিটার (৪৪ ফুট)। প্রস্থের মাপ বাড়ে দ্বৈতের ক্ষেত্রে। দ্বৈতের জন্য কোর্টের প্রস্থ ৬.১ মিটার (২০ ফুট), এককে ৫.১৮ মিটার (১৭ ফুট)। নেটের উচ্চতা ১.৫৫ মিটার (পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি)।

র‌্যাকেট/ব্যাট : BWF(Badminton World Federation) কর্তৃক নির্ধারিত কিছু মাপ রয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই মাপ অনুযায়ী বিভিন্ন র‌্যাকেট প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান বণিজ্যিকভাবে র‌্যাকেট উৎপাদন করে থাকে।

একটি র‌্যাকেটের দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ৬৮ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা, এবং প্রস্থ ২৩ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা। জাল বোনা মাথার দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ২৮ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা এবং জাল বোনা মাথার প্রস্থ সর্বাধিক ২২ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে আধুনিক র‌্যাকেটসমূহের মাপ সর্বোচ্চ মাপের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়।

শাটল (কর্ক): শাটলটির ওজন ৪.৭৪ গ্রামের কম অথবা ৫.৫০ গ্রামের বেশি হবে না। এর মধ্যে ১৪ থেকে ১৬টি পালক থাকবে। খেলোয়াড়: একক ম্যাচে উভয়পক্ষে ১ জন করে সর্বমোট ২ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। দ্বৈত খেলায় উভয়পক্ষে ২ জন করে সর্বমোট ৪ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে।

খেলার নিয়ম ও পয়েন্ট: একক ও দ্বৈত উভয় খেলায় সাধারণত ১৫ থেকে ২১ পয়েন্টে গেম হয়। উভয় খেলোয়াড় বা দল ২০-২০ পয়েন্ট অর্জন করলে সেক্ষেত্রে ২ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়লাভ করতে হবে, অর্থাৎ ২২-২০, ২৫-২৩ ইত্যাদি।

উভয় দলের পয়েন্ট সমান হওয়াকে ডিউস বলে। মনে রাখতে হবে, এভাবে সর্বোচ্চ ৩০ পয়েন্টের মধ্যে অবশ্যই গেম শেষ করতে হবে। তিনটি গেমের মধ্যে যে বা যে দল দুই খেলায় জিতবে, তারাই বিজয়ী হবে।

একক খেলার সময় সার্ভিসকারীর পয়েন্ট শূন্য বা জোড় সংখ্যা হলে খেলোয়াড় তাদের ডান দিকের কোর্ট থেকে সার্ভিস করবে এবং বেজোড় সংখ্যা হলে বাম দিকের কোর্ট থেকে সার্ভিস করবে। প্রতি পয়েন্টের পর খেলোয়াড়রা তাদের সার্ভিস বা রিসিভ কোর্ট বদল করবে।

দ্বৈত খেলার সময় প্রথম সার্ভিসের জন্য ডানদিকের খেলোয়াড় কোনাকুনি বিপক্ষের কোর্টে সার্ভিস করবে। যাকে সার্ভিস করা হবে কেবল সেই খেলোয়াড় সার্ভিস গ্রহণ করবে। কোনো খেলোয়াড় পরপর দুইবার সার্ভিস করতে পারবে না।

প্রথম গেমে বিজয়ী খেলোয়াড় দ্বিতীয় গেমে সার্ভিস শুরু করবে।সার্ভিসের সময় সার্ভারের দুই পা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। সার্ভিস করার সময় শাটল নেটে লেগেও যদি ঠিক কোর্টে পড়ে তবে সার্ভিস ঠিক হয়েছে বলে ধরা হবে।

শাটল দাগ স্পর্শ করলেই শুদ্ধ হয়েছে বলে ধরা হবে। নেট অতিক্রম করে কেউ শাটলে আঘাত করতে পারবে না এবং খেলা চলাকালে কেউ র‌্যাকেট বা শরীরের কোনো অংশ দিয়ে নেট ও পোস্ট স্পর্শ করতে পারবে না।

বন্ধুরা তাহলে তো জেনে গেলেন, ব্যাডমিন্টন খেলার সব নিয়ম কানুন এবার তাহলে খেলার মজাটা একটু ভিন্ন ভাবে উপভোগ করার যাবে তাই না?


দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ক্লায়েন্টের মনোভাব এবং মতিগতি বুঝতে না পারলে পণ্য বিক্রি করে কখনোই সফল হতে পারবেন না। যদি ক্লায়েন্টের চাহিদা বুঝতে পারেন তবেই আপনার পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়ে যাবে। সুতরাং ক্লায়েন্টদের সাথে দুঢ় ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

যেসব ব্যবসায় একের বেশি পণ্য/সেবা থাকে তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হল একই কাস্টমারদের মাঝে তাদের ভিন্ন ভিন্ন পণ্য বিক্রি করা (ক্রস সেলিং)। এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সাথে আলাপ করা জরুরি আর কীভাবে আলাপ করবেন তা এখানে তুলে ধরা হলঃ

১. দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?
প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুইটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মাঝে এই দুইটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘন্টারও বেশি আলাপ করা যায়।

২. নিজের কোম্পানির ব্যাপারে বক্তব্য দিন
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়াও কখন ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনযোগ হারিয়ে ফেলবে।

৩. আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জ গুলো কী কী?
এই ওপেন এন্ড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।

ক্লায়েন্টের সাথে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যতবেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোন প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য কোন সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সাথে পরবর্তীতে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিং এর সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।
(সংকলিত)

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


রাজশাহী ও ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পূর্ব দিকে সুপারী আর নারিকেল গাছে ঘেরা সুবিশাল এলাকায় মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে মন্দিরের এক শহর যার নাম পুঠিয়া। পুঠিয়া রাজবাড়ীর বিশাল চত্বরকে ঘিরে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাচীন স্থাপনা যা সহজেই আপনার নজর কাড়তে সক্ষম হবে। প্রাচীন এই স্থাপনা গুলির মধ্যে রয়েছে মন্দির. রাজবাড়ী, রাজবাড়ীকে চার দিক থেকে ঘিরে রাখা পুকুর-দিঘি সহ নানান স্থাপনা।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক থেকে রিক্সা অথবা ভ্যান ধরে কিছুটা পথ সামনে গেলেই বিশাল একটা চুঁড়া জানান দিবে মন্দিরের অবস্থান। রাজবাড়ীর প্রবেশ পথে পুকুরের পাড়ে নিশ্চুপ দাড়িয়ে থাকা এ মন্দিরটির নাম শিব মন্দির। মহারাণী ভুবন মোহনী দেবী ১৮২৩ সালে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরিসংখ্যান মতে এটিই এশিয়ার সবচেয়ে বড় শিব মন্দির। সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরের দোতলায় উঠলেই দেখা যাবে এর চার পাশের বারান্দা এবং একটি মাত্র কক্ষ যা দুই স্তর বিশিষ্ঠ বারান্দাকে ঘিরে রেখেছে। মন্দিরের মূল কক্ষের অভ্যন্তরে রয়েছে কষ্ঠি পাথরের বিশাল এক শিব লিঙ্গ। সমগ্র মন্দিরের দেয়ালে পৌরাণিক কাহিনী চিত্র খচিত আছে। শিব মন্দিরের কোল ঘেঁষে লাগানো পূর্ব পাশে গোল গুম্বুজ আকৃতির আরেকটি ছোট মন্দির আছে। শিব মন্দির পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে গেলেই চোখে পড়বে চার তলা বিশিষ্ঠ আরেকট্ িমন্দির যার নাম দোল মন্দির। চার পাশে প্রায় ১০০০ টি দরজা সম্বলিত এই মন্দিরটি স্থানীয় লোকজনের কাছে হাজার দুয়ারী ঘর নামে পরিচিত। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী এ মন্দিরটি নির্মাণ করেন। দোল মন্দিরের সামনে ঘাসে ঢাকা বিশাল মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে দাড়িয়ে আছে পুঠিয়ার ঐতিহাসিক রাজবাড়ী।

রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী তাঁর শাশুড়ি মহারাণী শরৎসুন্দরী দেবীর সম্মানার্থে ১৮৯৫ সালে নির্মাণ করেন বিশাল আকৃতির বিখ্যাত এই রাজবাড়ী। পুঠিয়ার এই রাজবাড়ীটি বর্তমানে লস্করপুর মহাবিদ্যা নিকেতনের একাডেমিক ভবন হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাজবাড়ীর পূর্ব পাশে রাজরাণীর গোসল করার জন্য পুকুরের কোল ঘেঁসে তৈরী করা হয়েছিল সান বাঁধানো রাণী ঘাট যার অস্তিত্ব এখনো বিদ্যমান। পুঠিয়া রাজবাড়ীর ভেতরে পোড়ামাটির অলঙ্করণে সমৃদ্ধ একটি মন্দির আছে যার নাম গোবিন্দ মন্দির। বর্গাকারে নির্মিত এই মন্দিরটির চার পাশে চারটি বর্গাকার কক্ষ আছে। মন্দিরটি আড়াইশ বছরের পুরোনো বলে প্রচলিত থাকলেও এর চাকচিক্য দেখে ধারণা করা হয় এটি উনবিংশ শতাব্দীতেই তৈরী করা হয়েছিল। গোবিন্দ মন্দিরের দক্ষিণ পাশে ছোট আরো একটি মন্দির রয়েছে। রাজবাড়ীর পশ্চিম পাশে দিঘি এবং তার পশ্চিম তীরেই রয়েছে কারুকার্য খঁচিত আকর্ষণীয় বড় আহ্নিক মন্দির। আহ্নিক মন্দিরের পাশে দক্ষিণমুখী অবস্থায় আরো একটি মন্দির দাঁড়িয়ে আছে যার নাম গোপাল মন্দির। সুপারী ও নারকেল গাছঘেরা ঐতিহাসিক স্থাপত্য শৈলীর প্রাচীন এই নিদর্শন গুলো দেখার জন্য প্রতিদিন দেশ বিদেশের শত শত পর্যটক ভিড় জমান রাজশাহীর পুঠিয়ায়।

ছবি

দীপ্তি ফটোটি শেয়ার করেছে
"শুভ মহাষষ্ঠী- সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা (খুকখুকহাসি) "

মোঃক্ওসারহোসেন: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে

Md. Shamsul Islam: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে

Md azom Sheikh: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে

গালীবের দুনিয়া: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

চলছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রতিটি দিন আলাদা উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হত। ১৯৭১ সালে ৪ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলেও বাংলাদেশকে নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়; উত্তেজনা দেখা দেয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, একাত্তরের ৪ ডিসেম্বর ওয়াশিংটনে হেনরি কিসিঞ্জার নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে যুদ্ধবিরতি ও পূর্ব পাকিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের দাবি সংবলিত মার্কিন প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এক বিবৃতিতে উপমহাদেশের সংঘাতের জন্য মূলত ভারতকে দায়ী করে।

নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রতিনিধি জর্জ এইচডব্লিউ বুশ অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা, ভারত ও পাকিস্তানের সৈন্য নিজ নিজ সীমান্তের ভেতরে ফিরিয়ে নেয়া এবং ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ মহাসচিবকে ক্ষমতা দেয়ার জন্য এক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুুদ্ধকে পাকিস্তান-ভারতের মধ্যকার যুদ্ধ হিসেবে সবার সামনে উপস্থাপন করা। এতে পাকিস্তানি বাহিনী অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে অবস্থান করার সুযোগ পাবে। তবে সোভিয়েত প্রতিনিধি ওই প্রস্তাব ‘একতরফা’ বলে অভিহিত করে ভেটো দেয়। পোল্যান্ডও প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। অন্যদিকে ফ্রান্স ও ব্রিটেন ভোট দানে বিরত থাকে।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উত্থাপনে মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তান-ভারতের মধ্যকার যুদ্ধ হিসেবে জাতিসংঘে উপস্থাপন করার জন্য পাকিস্তান বিমানবাহিনী ’৭১-এর ৩ ডিসেম্বর ভারতের বেশ কয়েকটি জায়গায় বিমান হামলা চালায় এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে একই তারিখে রাতে ভারত পাকিস্তানের ওপর হামলা চালায়।

এমন উৎকণ্ঠায় তখন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এদিন লিখিত এক পত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব যখন ভেস্তে যায়, তখন পাকিস্তানের পরাজয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গা থেকে পালানোর পথ খুঁজতে থাকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

দখলদার সৈন্যদের যুদ্ধপরিশ্রান্ত ও হতোদ্যম করে তোলার পর মুক্তিবাহিনীর ৮ মাস দীর্ঘ সংগ্রামকে চূড়ান্ত রূপ দেয়ার লক্ষ্যে ৪ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় স্থলবাহিনীর সম্মুখ অভিযান শুরু হয় চারটি অঞ্চল থেকে। পূর্বে ত্রিপুরা রাজ্য থেকে তিন ডিভিশন সমন্বয়ে গঠিত চতুর্থ কোর সিলেট-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা-নোয়াখালী অভিমুখে, উত্তরাঞ্চল থেকে দুই ডিভিশন সমন্বয়ে ৩৩তম কোর রংপুর-দিনাজপুর-বগুড়া অভিমুখে, পশ্চিমাঞ্চল থেকে দুই ডিভিশন সমন্বয়ে গঠিত দ্বিতীয় কোর যশোর-খুলনা-কুষ্টিয়া-ফরিদপুর অভিমুখে এবং মেঘালয় রাজ্যের তুরা থেকে ডিভিশন অপেক্ষা কম আরেকটি বাহিনী জামালপুর-ময়মনসিংহ অভিমুখে অভিযান শুরু করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় ভারতের বিমান ও নৌশক্তি।

মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত হয়। যুদ্ধের পুরোটা সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণের ঘটনায় লক্ষ্মীপুর ছিল বিপর্যস্ত।

একাত্তরের এই দিনে ৩ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা শমশেরনগর বিমানবন্দর এবং আখাউড়া রেলস্টেশন দখল করেন। ৮ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা দখল করেন মেহেরপুর। এছাড়া ১১ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাপক আক্রমণ চালিয়ে কামালপুর নিজেদের আয়ত্তে আনেন। (তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাস সংবলিত তথ্য ইন্টারনেট ও বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে নেওয়া হয়েছে)

MD FARDAUSH: একজনকে সুপারিশ করেছে

আমানুল্লাহ সরকার

@AmanullahSorkar

নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।
৬১,৭৮১ জন ফলো করছে
ছবি

nazrul islam ফটোটি শেয়ার করেছে
"‘বন্ধুত্বের সম্পর্ক চিরসবুজ’ আনন্দ বেদনার স্মৃতি নিয়ে শুধু হারিয়ে যায়...."

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৩০,৮১৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত