খুশি

@Panaullah

আমার আমি যেমন তেমন সাদামাটা মনের মতন।
business_center স্টুডেন্ট
school লস্করপুর ডিগ্রী কলেজ, পুঠিয়া
location_on রাজশাহী
1410458288000  থেকে আমাদের সাথে আছে

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দাম বাড়েনি
আরাফাত শাহীন

ঠিক বলেছেন মন্ত্রীমশায় দাম বাড়েনি কিছুর
দাম বাড়েনি পথে থাকা এতিম দু'টি শিশুর।
শিক্ষকেরও দাম বাড়েনি, দাম বাড়েনি শেখার
নইলে কি আর থাকতো দেশে লক্ষ-কোটি বেকার!

ঠিক বলেছেন মন্ত্রীমশায় ঠিক বলেছেন ঠিক
দাম বাড়েনি বলেই তো আজ ছুটছি দিগ্বিদিক।
দাম বাড়েনি তোমার আমার দাম বাড়েনি কারও
উচিত কথা বলছে যেজন দাম কমেছে তারও।

দাম বাড়েনি কোনোকিছুর চলছে ঠিকই বাজার
ঈদের বাজার করতে খালি হচ্ছে পকেট রাজার।
ঠিক বলেছেন মন্ত্রীমশায় এক্কেবারে ঠিক
ঠিককে যারা বেঠিক বলো ধিক্ তোমাদের ধিক্।

*দামবাড়েনি* *কবিতা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডায়াবেটিস (diabetes)৷ নামের মধ্যেই আতঙ্ক জড়িয়ে।  বর্তমানে প্রচুর মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। তবে বেশ কিছু ভেষজ ও প্রাকৃতিক প্রতিকারের সাহায্যে এই রোগের থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এরসঙ্গে সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরী। তাই ডায়াবেটিস রুখতে রইল কিছু টিপস। 

১. প্রতিদিন ফল ও সবুজ সবজি খান। যে কোন ধরণের মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
২. সঠিক সময়ে খাবার খান৷ অতিরিক্ত খাবার খাবেন না।
৩. সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে জল খান। এটি আপনার শরীর থেকে টক্সিন জাতীয় উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
৪. সর ছাড়া দুধ ও ডিম খান। তেল খেলে তা খুব অল্প পরিমাণে খাবেন।
৫. ফাইবার জাতীয় খাবার তালিকায় রাখুন।
৬. দিনে ২বার আপেলের রস খান। 

 
এছাড়াও ডায়াবেটিস রুখতে বেশ কিছু ভেষজ প্রতিকারও রয়েছে...
* ডায়াবেটিস রোধে জাম খুব উপকারি। এটি শর্করাকে শ্বেতসারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়। 
* রসুন এই রোগেরই একটি অন্যতম ভেষজ প্রতিকার। রসুনে অ্যালিসিন থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে দেয়না।
* প্রতিদিন সকালে যদি ৫ থেকে ১০টি তাজা কারি পাতা খাওয়া যায় তবে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
* টাটকা আমের পাতাকে একগ্লাস জলে সেদ্ধ করে সারারাত রেখে দিন। পরদিন সকালে পাতা ছেঁকে যদি সেই জল খেলে তবে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। 

সোর্সঃ কলকাতা২৪/বাংলা

*ডায়াবেটিস* *হেলথটিপস* *বেশতো*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকালে কিংবা রাতে! সবাই জানি যে টুথপেস্ট দিয়ে প্রত্যেকদিন দুবার করে দাঁত মাজলে নাকি ভালো থাকে দাঁত।  কিন্তু আপনি কি জানেন এই সমস্ত টুথপেস্টের মধ্যে এমন কিছু কেমিক্যাল রয়েছে যা অনেক সময় দাঁত ক্ষয়ের কারণ হয়।  কিন্তু সেই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়ে পাওয়া গিয়েছে।  দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা দূর করার জন্য টুথপেস্টের বদলে নারিকেল তেল ও বেকিং সোডার মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।  দাঁতে হলদে ছোপ পড়া, দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া এবং মাড়ি গর্ত হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন নারিকেল তেল দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে।

যা যা লাগবে

  •  ৩ টেবিল চামচ নারিকেল তেল
  • কয়েক ফোঁটা মেন্থল তেল
  • ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা

যেভাবে ব্যবহার করবেন

সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।  মিশ্রণটি ব্রাশে নিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন।  চাইলে শুধু নারিকেল তেল মুখে নিয়ে রাখতে পারেন কিছুক্ষণ।

দাঁতের যত্নে নারিকেল তেল ব্যবহার করবেন কেন?

নারিকেল তেলে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা দাঁতে থাকা ব্যাকটেরিয়া দূর করে। গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, নারিকেল তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি মেলে। নারিকেল তেল দাঁতের মাড়িয়ে ঘষুন নিয়মিত।  মাড়িতে গর্ত হবে না।
টুথপেস্টের বদলে নারিকেল তেল-বেকিং সোডার মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এটিতে কোনও ক্ষতিকারক উপাদান নেই। এই মিশ্রণ দাঁতের হলদে ভাব দূর করে ঝকঝকে করে দাঁত।

সোর্সঃ কলকাতা২৪

*নারকেল-তেল* *দাঁতেরযত্ন*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হোমো সেপিয়েন্স যে সর্বভুক, সে কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন এক পাকিস্তানি৷ শুধু পাতা খেয়েই ইনি কাটিয়ে দিয়েছেন ২৫টিবছর। অবাক মনে হলেও এটাই সত্যি। যে গাছের পাতাই পান খেয়ে নেন মেহমুদ বাট। তবে তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে বট, শিশু গাছের ডাল, পাতা।

আড়াই দশক আগের কথা। একটা পয়সাও ছিল না পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা মেহমুদ বাটের। সামান্যতম খাবার যোগাড় করাও দায় হয়ে উঠেছিল। কোন উপায় না পেয়ে শেষে গাছের পাতা আর ডালপালা খেতে শুরু করেন তিনি। পরে বুঝতে পারেন দিব্যি রয়েছেন, শরীরও খারাপ হয় না। তখন থেকে গাছের ডালপালা আর পাতাই রোজকার খাবার হয়ে দাঁড়িয়েছে মেহমুদ বাটের।

 মেহমুদের বাড়ি পাক পাঞ্জাবের গুজরানওয়ালায়। তাঁর প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, কখনও ডাক্তার দেখানোর দরকার পড়ে না মেহমুদের। সকলে অবাক, স্রেফ ডাল-পাতা খেয়ে কী করে একজন এতদিন সব রোগ এড়িয়ে রয়েছে। যখন তখন নাকি রাস্তার ধারে নিজের গাড়ি থামিয়ে দেন মেহমুদ, শুরু করেন পাতা খাওয়া!

মেহমুদের কথায়, “প্রচণ্ড দারিদ্র্যের সময় ভিক্ষে করা এড়ানোর জন্য শুরু করেন পাতা খাওয়া। এখন রোজগার বেড়েছে। কিন্তু খাদ্যাভ্যাস বদলায়নি।”

নিজের গাধায় টানা গাড়ি চালিয়ে জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দেন মেহমুদ। রোজগার এখন ভালই করেন। প্রতিদিন ৬০০ টাকা করে। এখন ইচ্ছা করলেই রান্না খাবার খেতে পারেন তিনি। কিন্তু, এখন পাতাটাই তার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। তাজা পাতা আর গাছের ডালই তাঁর এখন রোজকার খাবার।

সোর্সঃ কলকাতা২৪

খুশি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

মুশফিক ইজ দ্যা রিয়েল হিরো ৫০*/১০৭ বল
*মুশফিক*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এডভেঞ্চার ট্রিপ হতে পারে পাহাড়ে-জঙ্গলে ট্রেকিং-হাইকিং-ক্যাম্পিং। এগুলোর জন্য প্রস্তুতি একই রকম হলেও পরবর্তীতে তাতে পার্থক্য আসতে পারে। এই বিষয়গুলো নির্ভর করে মূলত কি ধরনের এডভেঞ্চার ট্রিপে যাচ্ছেন আপনি তার উপরে, কোথায় যাচ্ছেন, আবহাওয়া এবং আরও অনেক কিছুর উপরে।

  হাইকিং বলতে বোঝানো হয় তুলনামূলক ভাবে ঝুঁকিমুক্তভাবে, তুলনামূলক সহজভাবে, ঝামেলা-মুক্ত প্রতিষ্ঠিত রাস্তায় পরিকল্পনা-মাফিক চলা, যেখানে লোকালয় থাকতে পারে, বিচ্ছিন্ন মনুষ্য-বসতি থাকতে পারে।

এটা মূলত প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটার জন্যই করে মানুষ, মূল উদ্দেশ্য থাকে আস্তে ধীরে এগিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ এর সৌন্দর্য উপভোগ করা, বিশেষ একটা তাড়াহুড়ো থাকে না সব মিলিয়ে।

তাবুতে থাকার বিষয় থাকতে পারে, আবার নাও থাকতে পারে।

অনেক সময় আশে পাশে হোটেল, মোটেল বা স্থানীয় কারও বাসায় পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকার সুযোগ থাকে।

 ট্রেকিং জিনিসটা এর চেয়ে একটু কঠিন আর সিরিয়াস বিষয়। ট্রেকিং এ একটা মানুষের শারীরিক সক্ষমতার একটা পরীক্ষা হয়, শুধু শারীরিক সক্ষমতাই নয়, মানসিক দৃঢ়তারও একটা পরীক্ষা হয়ে যায় এখানে। ট্রেকিং করা হয় মূলত এমন একটা এলাকা মাথায় রেখে যেখানে মানুষের আনাগোনা কম আছে বা নেই বললেই চলে, সেটা পাহাড় হতে পারে, বন-জঙ্গল হতে পারে।

দুর্গম, যেখানে মানুষ খুব কম যায়, যেখানে প্রতিষ্ঠিত কোন রাস্তা নেই এবং বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় যারা যান, তাদেরকে নিজেদের রাস্তা নিজেরাই বানিয়ে নিতে হচ্ছে জঙ্গল কেটে।

ট্রেকে খাবার পাওয়া যাবার কোন নিশ্চয়তা নেই, মেডিকেল ইমারজেন্সীতে সহযোগিতা পাবার কোন উপায় নেই, যে কোন বিপদে কারও কাছ থেকে সাহায্য পাবার কোন উপায় নেই বললেও চলে। বন্য প্রাণীর কাছ থেকে বিপদ আসতে পারে, স্থানীয় মানুষ সমস্যা তৈরি করতে পারে, এছাড়াও হতে পারে নানা রকম বিপদ আপদ।

তাই ট্রেকিং এর যাবার প্রস্তুতি হতে হয় অনেক বেশি, শারীরিক-মানসিক সক্ষমতাকে দিতে হয় অনেক বেশি প্রাধান্য।

এই পর্বে আমরা সাধারণভাবে ধারণা দেবার চেষ্টা করব হাইকিং এবং ট্রেকিং এর জন্য প্যাকিং প্রস্তুতি কি ধরনের হতে পারে। বিষয়টা অনেক জটিল আর হাইক বা ট্রেকিং এর পরিবেশ এবং ট্রিপের ধরণের উপরে অনেক কিছু নির্ভর করে।

তাই আমরা চেষ্টা করছি সাধারণ ধারনা দিতে, যেন এর উপরে ভিত্তি করে একজন নিজেই চিন্তা করতে পারেন তার কি দরকার হতে পারে।


১. ব্যাগ-প্যাক:

যে কোন ট্রাভেল, তা সে হাইকিং হোক আর ট্রেকিং হোক, একটা ভাল ব্যাগ-প্যাক অত্যন্ত জরুরী। একটি ভাল ব্যাগ-প্যাক একটা সফল আর অসফল অভিযানের পার্থক্য করে দিতে পারে।

সাধারণ ট্রাভেল ব্যাগের থেকে হাইকিং বা ট্রেকিং ব্যাগ-প্যাকের বেশ অনেক গুলো পার্থক্য থাকে। এগুলো অনেক শক্ত পোক্ত করে তৈরি করা হয়, এগুলো অনেক বেশি পরিমাণে জিনিস তুলনামূলক কম কষ্টে বহন করা যায়, আর বিশেষ ভাবে কোমরে ওজন ছড়িয়ে দেবার ব্যবস্থার কারণে কাঁধের উপরে চাপ আসে না বললেই চলে।

তাই একজন অভিজ্ঞ হাইকার বা ট্রেকার এই ব্যাগ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাটতে পারেন বিশেষ রকম ক্লান্ত না হয়েই।


২. জুতা:

হাইকিং বলেন আর ট্রেকিং বলেন, দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার লঙ্ঘিতে হলে আপনাকে একটা ভাল আরামদায়ক জুতা পড়তেই হবে। পরিবেশ আর আপনার নিজস্ব পছন্দের উপরে নির্ভর করবে সেটা কি স্যান্ডেল টাইপের হবে নাকি কনভার্স, কেডস নাকি বুট জুতা।

যেটাই হোক, প্রথম শর্ত হবে সেটাতে যেন ভাল গ্রিপ থাকে। জুতার সোলের নিচে যে কাটা কাটা দাগ করা থাকে, এটাই জুতার গ্রিপ। এই গ্রিপ মাটি আঁকড়ে ধরে রাখে। গ্রিপ ভাল হলে আপনি কাদা-মাটি-পেছল যে কোন জায়গায় নিরাপদে হাঁটতে-ছুটতে পারবেন পড়ে যাবার ভয় ছাড়াই।

একটি নিরাপদ অভ্যাস হল দুই সেট জুতা সাথে রাখা। হালকা কিছু রাখবেন আরামদায়ক পরিবেশের জন্য বা যখন ক্যাম্প করবেন তখনকার জন্য। আর ভারী, বুট বা কেডস জাতীয় জিনিস, যেগুলো দুর্গম ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তার জন্য।

 ৩. স্লিপিং ব্যাগ:

স্লিপিং ব্যাগের ধারনাটিকে মনে হতে পারে একটু বেশি বেশি, সারাজীবন কাঁথা কম্বল গায়ে দিয়ে পার করে এখন স্লিপিং ব্যাগ নিয়ে মাতামাতি! কিন্তু একটা ভাল স্লিপিং ব্যাগ আপনার হাইকিং বা ট্রেকিংকে করতে পারে অনেক বেশি আরামদায়ক।

স্লিপিং ব্যাগগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এগুলো একেকটা রেডিমেড বিছানার মত, বিশেষ ভাবে প্যাক করে এত ছোট আকার বানিয়ে ফেলা যায়, যে ব্যাগের এক কোনায় পরে থাকলেও বোঝাই যায় না। আর এগুলোর ওজনও অনেক কম হয়ে থাকে সাধারণত।

সারাদিন হাঁটার পরে একটা স্লিপিং ব্যাগ সাথে থাকা মানে টেনশন ফ্রি! একটা বিছানা আপনার জন্য প্রস্তুত কয়েক মিনিটের মাঝেই! বিভিন্ন আবহাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্লিপিং ব্যাগ আছে। কোনটা হালকা, কোনটা শূন্য ডিগ্রিতেও সহজে ঘুমানো যায়, আবার কোনটা হয়ত মেরু এলাকার জন্য উপযোগী! আবার কিছু আছে ওয়াটার রেজিস্টান্ট। এলাকা বুঝে নিজের সুবিধা মত পছন্দ করে নিতে পারেন আপনার স্লিপিং ব্যাগ।

 ৪. টর্চ বা হেড-ল্যাম্প:

পথ, তা মানুষের বানানো রাস্তাই হোক আর দুর্গম বন-জঙ্গলই হোক, রাত হলে সবগুলোই কমবেশি অনিরাপদ হয়ে যায়। রাস্তায় খানা খন্দ থেকে শুরু করে নানা রকম বিপদ হতে পারে আলোর অভাবে, যেটা সহজেই কাটানো সম্ভব একটা ভাল টর্চ সাথে রাখার মাধ্যমে। রিচার্জেবল টর্চ হতে পারে, আবার ব্যাটারি পরিবর্তন করা যায় এরকম টর্চও হতে পারে।

কোনটা আপনার ট্রিপের জন্য ভাল হবে নির্ভর করবে আপনি কোথায় যাচ্ছেন আর সেখানকার সুযোগ সুবিধার উপরে। যদি রাতে হোটেল মোটেল বা বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে এমন জায়গায় থাকতে পারেন, তাহলে রিচার্জেবল টর্চই ভাল উপায়। কারণ বাড়তি ব্যাটারি মানে বাড়তি ওজন। কিন্তু আপনি যদি যান ট্রেকিং এ, যেখানে চার্জ করার সুযোগ নেই, তখন উপায় একটাই, বাড়তি ব্যাটারি সাথে রাখা।

তবে আজকাল সোলার চার্জার পাওয়া যায় ছোট আকারে, যেগুলো সহজেই ব্যাগে রেখে দেয়া যায় আর দরকারে মোবাইল ডিভাইস থেকে শুরু করে টর্চ পর্যন্ত চার্জ দেয়া যায় সূর্যের আলোতে। হেড-ল্যাম্প হল কপালে বাঁধা যায় এরকম আলো, এগুলোর সুবিধা হল হাত সম্পূর্ণ ফ্রি থাকে তাই ট্রেকিং এর সময় অন্ধকারে চলাচল অনেক বেশি সুবিধা জনক।

 ৫. খাবার:

হাইকিং এর সময় খাবার নিয়ে বেশি চিন্তা করতে না হলেও ট্রেকিং এর সময় এটা অনেক বড় একটা ঝামেলার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। হাইকেও কিছু হালকা খাবার সাথে রাখা জরুরী, কিন্তু সেগুলো মূলত হয় দ্রুত শক্তিবর্ধক ধরনের খাবার যেমন বিস্কুট, চকলেট, কিসমিস বা এরকম মিষ্টি জাতীয়। পথে ক্লান্ত হলে এগুলো চট করে বেশ ভাল শক্তি যোগায়।

ট্রেকিং এর ব্যাপার ভিন্ন, হালকা খাবারের পাশাপাশি এখানে ভারী খাবার সাথে নিতে হয়, আবার সেই খাবার রান্না করার জন্য ব্যবস্থাও সাথে রাখতে হয়। তাই সাথে নিয়ে যাবার ব্যাগে ওজন বেড়ে যায়। সবচেয়ে ভাল উপায় হল এমন কিছু নেয়া যেগুলো শুকনো, হালকা হয় আর সামান্য কষ্টেই রান্না করা সম্ভব হয়। নুডুলস একটা ভাল উপায় হতে পারে।

আর নুডুলস রান্না করাও সহজ, ছোট্ট একটা পাত্রে ছোট্ট করে আগুন ধরিয়ে কাজ সারা যায়। তবে অনেকে ভারী খাবার খেতে চান সারাদিনের পরিশ্রমের পরে, তারা চাল ডাল ডিম সাথে নিয়ে যান, আর তাই তাদেরকে ভারী রান্নার জিনিসও সাথে নিতে হয়।

 ৬. তাঁবু:

হাইকে যান আর ট্রেকিং এ যান, তাঁবু জিনিসটা দরকার হয় প্রায়ই। একটা ভাল তাঁবু সাথে থাকা মানে হল খুব কম সময়ে একটা তুলনামূলক নিরাপদ রাতের আশ্রয় তৈরি করতে পারা। অনেক রকম তাঁবু আছে, আবহাওয়া এবং পরিবেশের উপরে নির্ভর করে আপনার কোন ধরনের জিনিস লাগবে। শুকনো আবহাওয়ার জন্য হালকা ধরনের তাঁবু আছে, যেগুলো বয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ এবং হালকাও বটে।

হালকা শীতে কাজে লাগলেও কিন্তু এই জিনিস আবার বর্ষায় কাজে আসবে না। আবার ভারী শীতের জন্য আলাদা দরকার। এটা নিয়ে অনেক বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ আছে, চেষ্টা করা হবে ভিন্ন পোস্টে আলোচনা করতে। সোজা কথায় বলতে, এমন একটা তাঁবু আপনাকে পছন্দ করতে হবে যেটা আবহাওয়া উপযোগী হবে আবার হালকাও হবে।

 ৭. মেডিকেল কিট ও সারভাইভাল কিট:

মেডিকেল ইমারজেন্সী ঘটতে পারে যে কোন সময়েই। কাটা ছেড়া, রক্তপাত, মচকে যাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার জন্য একটা ফার্স্ট এইড কিট সাথে রাখা খুব জরুরী।

আবার সারভাইভাল কিট হল এরকম একটা ছোট্ট ব্যাগ বা বাক্স, যাতে থাকবে এমন কিছু টুলস যা আপনাকে বিভিন্ন পরিবেশগত ঝামেলা থেকে রেহাই দেবে। ছুরি-চাকু, সুই-সুতো, দড়ি, আগুন জ্বালাবার জন্য উপযুক্ত কিছু, অনেক কিছুই থাকতে পারে তাতে। এটা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ আছে ভিন্ন পোস্টে।

 এগুলো মোটামুটি সাধারণ ধারণা, এর উপরে ভিত্তি করে আপনি আপনার ট্রিপের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করতে পারবেন বা কি করা উচিত তার ধারণা করতে পারবেন।

ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

ভালোবাসা উপলব্ধি করার বিষয়

আসুন সবাই ভালোবাসতে শিখি(হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)

*ভালোবাসাদিবস* *ভালোবাসা*

খুশি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

" যে চেষ্টা করবে তার জন্য কোনো কিছুই অসম্ভব থাকবে না। " -আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট
*সেরামবচন* *বিখ্যাতউক্তি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লোকটা দেখতে কি ক্ষ্যাত তাইনা? সাদা ময়লা শার্ট, পকেটে আবার পান বিড়ি রেখে কুল ড্যুড মার্কা সানগ্লাস পরে ছবি তুলেছে!! কি হাস্যকর! মানুষ পারেও। সানগ্লাস পরে ইকটু হিরো হবার চেষ্টা আর কি!

হ্যা! হিরোই। সত্যিকারের হিরো। সত্যিকারের একজন লিজেন্ড। আগামি এক শতাব্দি পরে যদি নানি দাদিরা কোন রুপকথার গল্প বলে তার নাতি নাতনী দের এই মানুষটার কথা বলতে হবে। এই মানুষটার নাম #বাদল। হ্যা সত্যিকারের বাদল! সুর্যালোকের প্রতিচ্ছবি। ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার জন্ম তার। রেলের কর্মচারি।

কেন তিনি হিরো জানেন? তিনি গতকাল নিজের জীবন তুচ্ছ করে, বিলিয়ে দিয়ে আরো দুটো জীবন বাঁচিয়েছেন। মৃত্যু নিশ্চিত বুঝেও পিছ পা হননি। কুড়িল বিশ্বরোড রেল ক্রসিং এর এক পাশ হতে মৃত্যু হুঙ্কার দিয়ে দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসছে লৌহ দানব ট্রেন আর এদিকে বেখেয়ালে রেল ক্রসিং পার হচ্ছে এক মা আর তার শিশু সন্তান। কেউ একজন মা কে টান দিয়ে সরিয়ে ফেলে। বাচ্চাটা থেকে যায়। দানব মাত্র ১০/১২ ফুট দূরে! সব ফেলে নিজের জীবন কে বাজি রেখে এই বাদল ছুটে গিয়ে এক ধাক্কা দিয়ে শিশুকে রেললাইনের বাইরে ঠেলে দেয় কিন্তু বাজিতে নিজেকে আর রক্ষা করতে পারেনি। ধাতব ট্রেন চলে যায় পরে রয় বাদলের ছিন্ন ভিন্ন দেহ.....।

আমাদের সত্যিকারের হিরো। আমাদের শতবর্ষের গল্প। আমাদের সন্তানকে যার গল্প শুনিয়ে বলতে পারবো মানুষ হতে হবেনা, বাদল হও। বাদলের মত হও।

(copied)

*বাদল*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছেলেটাকে রোজ 'হাউস বিল্ডিং' ফুটওভারের নিছে পত্রিকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ৷ এদিক দিয়ে যেই যায় তার কাছেই সে দৌঁড়ে যায়, আর করুন সুরে বলে "স্যার,একটা পত্রিকা নেন না,স্যার।"কেউ নেয় আর কেউ তাকে ঠেলে সরিয়ে দেয় ৷ গত দুইদিন ছেলেটাকে দেখতে পেলাম না ৷ তবে কলেজে যাওয়া-আসার সময় তাকে খুঁজতাম ৷ আজ যখন কলেজে যাচ্ছি, দেখি ছেলেটা পত্রিকা হাতে দাঁড়িয়ে আছে ৷ অনেকেই তার সামনে দিয়ে যায়-আসে কিন্তু সব কয়টি দিনের মতো সে আর মানুষের পিছনে ছুটছে না ৷ কাউকে বলছেও না"স্যার,পত্রিকাটা নেন।
আমি কিছুক্ষন সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম কিন্তু তার এই অদ্ভুত আচরন আমাকে আর সামনে যেতে দিলো না ৷ ছেলেটির সামনে গিয়ে দেখলাম "কোনো এক অজানা ধ্যানে সে মগ্ন,সঙ্গে চোখের কোনায় দু-এক ফোঁটা জল "আমি তার গায়ে হাত রাখতেই সে চমকে গিয়ে বলে ওঠলো "স্যার, পত্রিকা!
আজ তার পত্রিকা বিক্রির কোনো আগ্রহ দেখছি না ৷ সে যেনো সব হারিয়ে ফেলেছে ৷ তার কন্ঠে বিষাদের একটা আর্তনাদ ৷ তাকে একটু সামনে ডেকে নিলাম ৷ দুজনে একটা চায়ের দোকানে বসি, তখনো তার চলনে যে বাঁধা, আমি তা বুঝতে পারি ৷
তাকে জিঙ্গাস করি, "কি হয়েছে তোমার?"
সে চুপ করে আছে, কিছু বলছে না,
আবার জিঙ্গেস করায় সে বললো "দুই দিন আগে তার মা মারা গেলো, যার চিকিৎসার জন্যে সে মানুষের হাতে পায়ে ধরে দু-একটা পত্রিকা বিক্রি করতো "পাগলের মতো ছুটতো সে, একটা পত্রিকা বেশি বিক্রি করতে পারলে মায়ের জন্য ওষুধের সাথে একটা প্রান বা জুস নিতে পারবে ৷ মা তার শেষ সময়ে অনেক দধি খেতে চাইলো কিন্তু হতভাগা সন্তান পারলো না তার মাকে এক চামচ দধি খাওয়াতে ৷ এসব কথা সে ধীরে ধীরে বলে যাচ্ছে আর আমি শুনছি ৷ কোনো এক অজানা মায়ার চোখের কোনে আমারো একফোঁটা জল চলে এলো ৷


আজ তার পত্রিকা বেঁচার কোনো তাড়া নাই ৷ পেটে খুদা নাই, নেই দুটা টাকা রোজগারের কোনো আগ্রহ ৷ তার একটাই প্রলাপ, "আজ আর পত্রিকা বেঁচে কি হবে? !! টাকা দিয়ে কি করবে সে? মা যে নেই ৷ কে আজ তাকে রাতে একমুঠো খাইয়ে দিবে ! কাকে জড়িয়ে ধরে সে ঘুমাবে ৷? মা যে আর ফিরবেনা ৷""একটুপর ছেলেটি বলে ওঠলো, "আচ্ছা স্যার. আমার আম্মা বেহেশতে যাবে তো ?""আমি তার কাঁধের উপর হাত দিয়ে বললাম "তোমার মতো একটা সন্তান যে মা জন্ম দিয়ে গেলো,সে কি করে বেহেশতে না যায়, অবশ্যই যাবে। তোমার মায়ের কোনো কষ্ট হবে না, একটু ও না ৷ ছেলেটি জোর করে আমায় জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করলো,আমিও হাত দুইটা বাড়িয়ে তাকে জড়িয়ে ধরি ৷ মা কি জিনিস তা সবাই বুঝে না। কেউ টাকার নেশায় পাগল আর কেউ মায়ের ভালোবাসায় .....

(সংগৃহিত)

*মা*
ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিছু না কিছু বদভ্যাস আমাদের সবারই থাকে, অনেকে চান সেসব বদভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে। কিন্তু অনেক বদভ্যাসের মধ্যে কিছু কিছু আমাদের জন্য বেশ উপকারি। তাই সেসব থেকে মুক্তি নয় বরং সেসব বদভ্যাস ঘিরে ধরেই বাঁচা যেতে পারে অনায়াসেই।

জেনে নিন তেমনই কিছু বদভ্যাসের কথা, যেসব বদলানোর তেমন একটা প্রয়োজন নেই।

দীর্ঘশ্বাস:

অনেকেই এটা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করতে পিছপা হননা। কিন্তু এর উপকারিতার কথা জানেন ক’জনে। দীর্ঘ করে শ্বাস নিলে সেটা শুধু যে আপনার বিরক্তি দূর করে আপনাকে খানিকটা রিলিফ দিবে তাই নয় বরং দীর্ঘশ্বাস অনেকটা স্বাস্থ্যকরও। ন্যাচারে প্রকাশিত একটি খবর থেকে জানা যায় গভীরভাব নেওয়া দীর্ঘশ্বাস লাংসের জন্য খুবই উপকারি। কারণ এতে করে শরীরে অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই অক্সাইড আরো দ্রুত আনা নেওয়া হয়। সেই কাজে দীর্ঘশ্বাসকে যথাযথই ব্যবহার করে শরীর।

চকলেট:

চকলেট খাওয়াটাকেও অনেকে বদভ্যাস হিসেবেই বিবেচনা করেন। তবে একাধিক গবেষণা থেকে জানা যায় চকলেট শুধু মুখের স্বাদের জন্য নয় হার্টের সুরক্ষার জন্য অসাধারণ। আর সেই ক্রেডিটটা দিতে হয় চকলেট বিন কোকো কে। কোকো বিনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শিরা ও ধমনী আরো নমনীয় করে এবং রক্তচাপ কমায়। তাই বলে পুরনো কোনো চকলেট বার না খাওয়াই ভালো। ডার্ক চকলেট সবচেযে বেশি উপকারি। সেখানে একটু কম চিনি থাকে। সপ্তাহে সাত আউন্স মানে চারটি ডার্ক চকলেট বার খেতে পারেন অনায়াসে।

হালকা মানসিক চাপ:

অফিস ও কাজের প্রেসার অনেকেই সারাদিন হালকা কাজের চাপে থাকেন। তবে সেটা খুব বেশি খারাপ না। কারণ হালকা চিন্তা আমাদের শারিরীক ও মানসিকভাবে আরো বেশি কর্মক্ষম করে তোলে। চাপ কখনো কখনো সচেতনতা বাড়ায়, এনার্জি লেভেল বাড়ায় এবং রক্তপ্রবাহে চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। চকলেটের কারণে রক্তপ্রবাহে নিরাপত্তা দেওয়ার মতো হরমোন নি:সরণ হয়। এতে করে শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং কয়েক ধরনের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে।


ক্যান্ডি খাওয়া:

চিনি বেশি এবং কম স্বাস্থ্যকর উপাদান থাকায় অনেকেই ক্যান্ডি খেতে চাননা। খুব বেশি স্বাস্থ্যকর নয় বলে এই খাবারটি একেবারেই খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিবেন না। কিন্তু একটু একটু ক্যান্ডি খেলে আপনার কোমরের পরিধি অত বেশি স্ফিত হবেনা, শরীরও কম কম প্রদাহজনিত সমস্যায় ভুগবে। তাই সুস্থ থাকতে নিজেকে মাঝে মাঝে ক্যান্ডি ট্রিট দিতেই পারেন।

সোর্স: ইন্টারনেট

*বদঅভ্যাস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কাজ অথবা বেড়াতে যাওয়ার জন্য অনেকেই এখন বিমানকেই বেছে নিচ্ছেন৷ কারণ আগের তুলনায় অনেক সস্তা হয়েছে বিমান ভাড়া৷ প্ল্যান করে অফারের সময় টিকিট কেটে এখন অনেকেই চড়ে বসছেন বিমানে৷ কিন্তু বিমানে চড়ার আগে মাথায় রাখুন কিছু কথা৷

 
প্রথমত, একেবারে শেষ মুহূর্তে বহু বিমানেই বিজনেস বা ফার্স্ট ক্লাসে অনেক সহজলোভ্য অফার থাকে তাই বিমানবন্দরে গিয়ে একবার অবশ্যই আপনার এয়ারলাইন্স ডেস্কে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে নেবেন৷ সস্তায় ভাল আসন মিললেও মিলতে পারে৷

দ্বিতীয়ত, বিমান যাত্রার সময়  সব জিনিসই বড় সুটকেসে দেবেন না কারণ ওটা লাগেজে দিতে হবে৷ এটা তো ঠিক বিমান চড়াকালীন বেশ কিছু জিনিসের প্রয়োজন পড়তে পারে৷ সেক্ষেত্রে মাথায় রাখুন কোন কোন জিনিস বিমান চলাকালীন আপনার কাজে লাগবে সেইসব জিনিসগুলি নিজের সঙ্গে হ্যান্ড বাগে রাখুন।

তৃতীয়ত, বিমানে চড়ে যদি মোবাইল বা ল্যাপটপে গেমস খেলা বা অফিসের কাজ সারবেন মনে করেন অবশ্যই সঙ্গে রাখুন পাওয়ার ব্যাংক৷ বাড়ি থেকে বেরনোর সেটিকে পুরোপুরি চার্জ করিয়ে নিন।

চতুর্থ, জানলার ধারের সিট না পেলে বিশেষত মাঝের সিট পেয়ে হতাশ হবেন না। সেক্ষেত্রে বরং ভাবুন আপনাকে প্লেনের ঝাঁকুনি বা খারাপ আবহাওয়ার ছবি দেখতে হবে না।

পঞ্চম, উড়ান সফরকালীন অ্যালকোহল অথবা কফি এড়িয়ে চলুন। তার বদলে বরং বেশি করে জল খান। অ্যলকোহল ও ক্যাফিন দীর্ঘ বিমান সফরে আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাছাড়া, বহুক্ষণ বিমানের এয়ার কন্ডিশনের জেরে স্কিনের ক্ষতি হয় সেখানে জল খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে।

সোর্স: ইন্টারনেট 

*ট্রাভেল* *ভ্রমণটিপস* *বিমানযাত্রা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনার রক্তই বলে দেবে আপনি কতদিন বাঁচবেন। বোস্টন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা এম্নই দাবী করেছেন। ৫০০০ রক্তের নমুনা নিয়ে ৮ বছর ধরে পরীক্ষা চালান এই বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের রক্তের নমুনা পান। পরীক্ষা করে শনাক্ত করেন যে ভবিষ্যতে কোনও রক্তের অবস্থা কেমন হবে। ভবিষ্যতে কার ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে তাও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে শণাক্ত করতে পারেন ওই বিজ্ঞানীরা। গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা ২৬ ধরনের রক্তের বিভাগের জন্য আলাদা আলদা বায়োমেকার আবিষ্কার করেন।

 
এই বায়োমেকারের মাধ্যমে রোগী আগে থেকেই তাঁর সম্ভাব্য রোগ থেকে সাবধান হতে পারবে। সে রোগের কারণগুলিতেও রোগী নিয়ন্ত্রণ আনতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। বয়সজনিত রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগের সম্পর্কেও আগাম জানা যাবে।

সোর্স: ইন্টারনেট 

*রক্তপরীক্ষা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অ্যামাজন এমন এক উড়ন্ত ওয়্যারহাউজের পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছে যেখান থেকে তারা ড্রোনের মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। অ্যামাজনের পরিকল্পনা হচ্ছে বিশাল এয়ারশিপ দিয়ে তারা এই ওয়্যারহাউজগুলো বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে সেসব জায়গায় যেখানে কোনও পণ্যের বেশি ভালো চাহিদা রয়েছে। এরপর সেখান থেকে আকাশপথে ড্রোন দিয়ে এসব পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। অ্যামাজন বলছে, বড় বড় খেলাধূলার ইভেন্টের সময় এরকম উড়ন্ত এয়ারশিপ থেকে খাবার বা ড্রিংস সরবরাহ করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, অনলাইনে জিনিসপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে অ্যামাজন বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর একটি। অনেকদিন ধরে তারা চেষ্টা করছে ড্রোন ব্যবহার করে কিভাবে দ্রুত মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া যায়। এ মাসের শুরুতে ক্যামব্রিজে তারা বাণিজ্যিকভাবে এই কাজে ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছে। অ্যামাজনের ব্যাখ্যা হলো, মাটিতে থাকা কোনও গুদামঘরের চাইতে উড়ন্ত বা ভাসমান গুদামঘর থেকে ড্রোন ব্যবহার করে অনেক দ্রুত পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব। অ্যামাজনের মতো আরও অনেক কোম্পানি ড্রোনের এরকম ব্যবহার নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। কিন্তু এসব ড্রোন খুব বেশি পথ পাড়ি দিতে পারে না তাদের ব্যাটারির শক্তি ফুরিয়ে যায় বলে। তবে অ্যামাজনের দাবি, তাদের টেকনোলজি এক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে আছে।

*ড্রোন* *অ্যামাজন*
ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

অসাধারণ ফটোগ্রাফি

ছবিটি ফেসবুক থেকে হালাত করা...

*ফটোগ্রাফি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নেট ব্যাল্যান্স কম ভাবছেন আশেপাশে কোথাও ওয়াই-ফাই পাওয়া গেলে ভালো হত। ফেসবুকি এবার ওয়াই-ফাই খুঁজে দেওয়ার কাজ করে দেবে আপনাকে। এ-সংক্রান্ত একটি নতুন ফিচার আনছে এই সোশ্যাল সাইট। মঙ্গলবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে আসছে, যাতে রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক তথ্য শেয়ার করতে নিকটস্থ ওয়্যারলেস হটস্পটের তথ্য জানাতে পারবে।

আগে ফেসবুক ‘পেজেস’ থেকে ওয়াই-ফাইয়ের লোকেশান শনাক্ত করত। প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য নেক্সট ওয়েবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া লাইভ ভিডিও কষ্টকর হয়। ওয়াই-ফাইয়ের নিকটতম লোকেশান সম্পর্কে ফেসবুক যতটা পারবে ইনফরমেশন দেবে যাতে তাৎক্ষণিকভাবে ভিডিও কোয়্যালিটি ভালো হয়। খুব তাড়াতাড়ি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মের স্মার্টফোন ইউজাররা এ সুবিধা পেতে পারেন। তবে ফেসবুক এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

*ফেসবুক* *ওয়াইফাই*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মোবাইল পকেটে নিয়ে ঘোরার দিন শেষের পথে। চীনা সংস্থা লেনোভো বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন এক স্মার্টফোন, যেটি নিজের ইচ্ছামতো মুড়িয়ে হাতে ঘড়ির মতো পরে থাকা যাবে। বৃহস্পতিবার বিখ্যাত ইউটিউবার মেগান ম্যাকার্থি কনফারেন্স চলাকালিন এই জাদুকরি হ্যান্ডসেট নিয়ে হাজির হন। দারুণ স্টাইলিশ লুকের হ্যান্ডসেটটি সবার সামনে তিনি বাঁকা করে নিজের কব্জিতে ঘড়ির মতো করে বেঁধে ফেলেন। স্মার্টফোন হাতে কব্জিতে বেঁধেই তিনি অপর হাতে নেন একটি ট্যাবলেট, যেটি দেখতে আর দশটি ট্যাবের মতই।

কিন্তু হঠাৎ দেখা যায়, সেই ট্যাবলেটটিকে মাঝবরাবর বাঁকিয়ে তিনি একটি ফোনের আকারে নিয়ে আসেন এবং কানে ধরে একটি ফোনকলও রিসিভ করেন। টেকনোলজি সাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে লেনোভোর এই ব্যতিক্রমধর্মী বেন্ড টেকনোলজির ব্যাপারে। তবে নতুন ফ্লেক্সিবল ডিভাইসগুলো বাজারে কবে আসছে, এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি লেনোভো। তবে এর দাম যে অনেক বেশী হবে, এ ব্যাপারে ধারণা পাওয়া গিয়েছে সম্মেলন থেকেই। লেনোভোর এসভিপি এবং সিটিও পিটার হর্টেন্সিয়াস দর্শকের উদ্দেশে বলেন, ‘অন্যান্য বাঁকানো স্ক্রিনের ডিভাইসের সঙ্গে লেনোভোর এই ডিভাইসগুলোর রয়েছে এক বিস্তর পার্থক্য। কারণ, লেনোভোর বেন্ড টেকনোলজিতে শুধু স্ক্রিন নয়, বাঁকানো হয় মাদারবোর্ড ও ব্যাটারিকেও।’

 হর্টেন্সিয়াস ঠাট্টা করে ম্যাকার্থিকে বলেন, একটু সাবধানে মোবাইল আর ট্যাবগুলো ধরে রাখার জন্য, কারণ এই ডিভাইসগুলোর দাম বর্তমান বাজারের অন্যান্য স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবের থেকে ‘খানিক’ বেশি। যদি দামটা অনেক বেশি হয়, তাহলে হয়তো শুধু বেন্ড টেকনোলজির কারণে সর্বসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আবার ট্যাব দিয়ে কথা না বলতে পারার বিড়ম্বনাটা সবাই ভোগ করে থাকে। যদি সেটি ভাঁজ করে মোবাইল ফোনের আকারে নিয়ে আসা যায়, তাহলে এই ডিভাইসটির মাধ্যমে একই সঙ্গে ফোন ও ট্যাবের সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে।

সোর্স: ইন্টারনেট

*স্মার্টফোন* *টেকনোলজি* *লেনোভো*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৮,৯৭৯

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও