রশিদা আফরোজ

@Rashida4

আমিই আমার প্রিয়!
business_center ফুল প্যাকেজ হাউজওয়াইফ
school জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
location_on চট্টগ্রাম
1412749131000  থেকে আমাদের সাথে আছে

রশিদা আফরোজ: হায়! হায়! বেশতো দেখি "প্রশ্নতো" সাইট হয়ে গেছে। প্রশ্ন আর প্রশ্ন...অনেক প্রশ্ন আবার "ইতিহাস" হয়ে যাওয়া মানে কয়েকবছর আগের পুরনো প্রশ্ন। কী কাণ্ড! কী কাণ্ড!

রশিদা আফরোজ: "হুররে, তুমি বেশতোতে অ্যাকাউন্ট খোলায় আমরা অনেক খুশী। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।" আমি নূতন? আউলা! ই-মেইল এড্রেস চেঞ্জ করেছি এটাই ধরতে পারেনি যেন ১৯৫০ সালের প্রযুক্তিতে আছি! আর "তুমি" "তুমি" আবার কি? অফিসিয়াল বিষয় ফর্মাল হওয়া উচিত, আই রিপিট "উচিত"। নইলে ইংরেজিতে লিখতে হবে। হ্যালো সবাই, কেমন কাটছে? শুভকামনা।

রশিদা আফরোজ: ম‌নে প‌ড়ে গেল অাপনা‌কে। অনুভূ‌তির তীব্রতা টে‌নে নি‌য়ে এল। কেমন অা‌ছেন? ঘু‌মের কাছ থে‌কে কিছুক্ষ‌ণের জন্য ছু‌টি নি‌য়ে এলাম। কই অাপ‌নি? ভা‌লো অা‌ছেন তো? @saptam

রশিদা আফরোজ: রশিদা আফরোজ: এর একটি উত্তর শেয়ার করেছে "প্রশ্নের উত্তরটা এমন ছিল যেখানে অপছন্দ প্রকাশের আসলেই কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু আমাকে "অপছন্দ" দেয়া হয়েছে। তারপরই মূলত প্রশ্নের উত্তর দেবার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। ... যদিও এই উত্তরে "সেরা" হওয়াটা খালি মাঠে গোল দেবার মতো তবু ভালো লাগলো।"

 আপনার প্রিয় বন্ধু/বান্ধুীর নাম কি ?

রশিদা আফরোজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

(কেউ একজন এই লেখাটা লিখেছিলেন। আমার হাতে আসার পর পড়তে শুরু করি। তারপর বলা যায় গোগ্রাসে গিলতে থাকি। পড়ার পর কিঞ্চিৎ ভয় ভয়ও লাগলো। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো লেখাকের নামটা জানা যায়নি। আমা করছি কোনো একদিন লেখকের চোখে আমার এই পোস্ট পড়বে, কমেন্টে এসে তিনি নিজের নাম বলবেন। সেইদিনে অপেক্ষায় থাকলাম)



ইন্টারনেটের বদৌলতে দুই লাইনের ভুতের গল্প সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। বিশেষ করে,“পৃথিবীর শেষ মানুষটি তার ঘরের দরজায় কড়া নাড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন” – এই বিখ্যাত ভৌতিক লাইনটা শোনেননি এমন মানুষের সংখ্যা খুব কমই আছে। যাই হোক, এমনই আরও কিছু গল্প পড়েছিলাম কয়েকদিন আগে। খুব ভালোলাগায় অনুবাদ করে ফেললাম। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

১) “আজ রাত তোমার জীবনের শেষ রাত” – মোবাইলে এই মেসেজটা পাওয়ার পর 'ও' পাল্টা মেসেজ পাঠিয়ে জিগ্যেস করল, “কে আপনি?” ঠিক তখনই ওর ঘরের দরজার বাইরে Message alert বেজে উঠতে শোনা গেল। - ক্যাথরিন ওয়েস্ট

২) সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে আমার একটি ঘুমন্ত ছবি দেখতে পেলাম। আমার বাসায় আমি ছাড়া আর কেউ থাকে না !

৩) ছোট বোনটা পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার পাঁচ বছর পর, তাকে একদিন কাপড়ের আলমারির ভেতর দেখতে পেল তিম্মি। ওর দু’চোখ ভরা জল। - স্টিফেন কিং

৪) অনবরত কাঁচে টোকা মারার শব্দ শুনে ঘুম ভাঙলো আমার। জানালার দিকে তাকানোর পর বুঝতে পারলাম শব্দটা আসছে আমার ঘরের আয়না থেকে।

৫) মুখ ধোয়ার সময় আমি কাকে যেন বলতে শুনলাম, “পেছনে তাকিয়ে দেখ”। অবাক হয়ে আয়নায় তাকাতেই দেখি আমার প্রতিবিম্ব আঙ্গুল তুলে আমার পেছনে কি যেন দেখতে বলছে।

৬) মা বাসায় ফিরতে দেরি করায় আজকে রাতের খাবারটা বাবাই রাঁধলেন। পেট ভরে মাংসের স্টু খাওয়ার পর বাবা মুচকি হেসে আমাদের বললেন, “তোমাদের মা কিন্তু তোমাদের ভেতরেই আছেন”।

৭) আমার ছোট বোন বলে, আম্মু নাকি ওকে খুন করেছিল । আম্মু বলে আমার কোন ছোট বোন নেই!

৮) মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর দেখতে পেলাম জানালার বাইরে থেকে কে যেন আমার দিকে অনেকক্ষন যাবত তাকিয়ে আছে। হঠাৎ মনে পড়ল আমি থাকি ১৪ তলার উপরে।

৯) ফুটফুটে গোলাপি জামা পরে নির্লিপ্ত দৃষ্টিতে 'ও' আমার চেয়ারে বসে ছিল। ওর দিকে তাকিয়ে নিজের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম, কেন যে আমি মৃত সন্তান প্রসাব করলাম !

১০) সারাদিন পরিশ্রমের পর ক্লান্ত আমি ঘরের তালা খুলে ভেতরে ঢুকলাম। অন্ধকার ঘরে বাতি জ্বালাতে গিয়ে সুইচ বোর্ডে হাত রাখতেই কার হাতের ওপর যেন হাত পড়ল!

১১) “এক্ষুনি খেতে আয়”, নীচের রান্নাঘর থেকে মা’র ডাক শুনতে পেলাম। সিড়ি দিয়ে নামতে যাব, ঠিক তখনি ঘরের আলমারির ভেতর থেকে মার গলার আওয়াজ এল, “যাস না খোকা, আমিও শুনেছি ঐ ডাক”।

১২) বাসায় কেউ নেই, আমি ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম। কম্বলটা টেনে উপরে তুলতেই পা বেরিয়ে গেল, আর তখনই ঠাণ্ডা একজোড়া হাতের ছোয়া অনুভব করলাম আমার পায়ে!


*ভুতেরগল্প*

রশিদা আফরোজ: আজকে সকাল থেকে বেশতো বালিকাশূন্য! কুন্তলকে ছাড়া আর কাউকে দেখছি না। ডাকাডাকি করেও সাড়া পাচ্ছি না। মিসিং কমপ্লেইন দিতে হবে কিনা ভাবছি। (ব্যাপকটেনশনেআসি)

*হারানো-বিজ্ঞপি* *হারানো-বিজ্ঞপ্তি*
ছবি

রশিদা আফরোজ: ফটো পোস্ট করেছে

"আল্লা কে বোঝে তোমার অপার লীলে, তুমি আপনি আল্লা ডাকো আল্লা বলে"

লালন মেলা, ২০১৫ মোবাইল ক্লিক: কল্লোল

রশিদা আফরোজ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

অংকের কথা শুনলে অনেকেরই ভয় ধরে যায়। অনেকেই মনে করে দুই তিন লাইনের বড় বড় অংক কখনোই অল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব না। কিন্তু কিছু শর্ট টেকনিক জানা থাকলে বড় বড় অংক গুলোকেউ ২০-৩০ সেকেন্ড সময়ের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব। চলুন আজ নৌকার স্রোতের অংক গুলোর শর্ট  টেকনিক শিখে নেই। 

নিয়ম-১: নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় ১০ কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে ২ কি.মি.। 
স্রোতের বেগ কত?

টেকনিক ১ঃ 
স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ – স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ) /২
= (১০ – ২)/২
= ৪ কি.মি.
বিঃ দ্রঃ স্রোতের বেগ চাইলে বিয়োগ করে দুই দিয়ে ভাগ 

নিয়ম-২: একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় ৮ কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় ৪ কি.মি. যায়। নৌকার বেগ কত?

টেকনিক ২ঃ 
নৌকার বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/২
= (৮ + ৪)/২
= ৬ কি.মি.
বিঃ দ্রঃ নৌকার বেগ চাইলে যোগ করে দুই দিয়ে ভাগ 

নিয়ম-৩: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায় যথাক্রমে ১০ কি.মি. ও ৫ কি.মি.। নদীপথে ৪৫ কি.মি. পথ
একবার যেয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

উত্তর : স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (১০+৫) = ১৫
কি.মি. স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = (১০-৫) = ৫ কি.মি.

টেকনিক ৩ঃ 
মোট সময় = [(মোট দূরত্ব/ অনুকূলে বেগ) + (মোট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)]
= [(৪৫/১৫) + (৪৫/৫)]
= ৩ + ৯
= ১২ ঘন্টা

নিয়ম-৪: একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘন্টায় ৫ কি.মি. যায় এবং ৪ ঘন্টায় প্রথম অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘন্টায় গড় বেগ কত?

টেকনিক ৪ঃ
গড় গতিবেগ = (মোট দূরত্ব/মোট সময়)
= (৫+৫)/(২+৪)
= ৫/৩ মাইল

নিয়ম-৫: এক ব্যক্তি স্রোতের অনুকূলে নৌকা বেয়ে ঘন্টায় ১০ কি.মি. বেগে চলে কোন স্থানে গেল এবং ঘন্টায় ৬ কি.মি. বেগে স্রোতের প্রতিকূলে চলে যাত্রারম্ভের স্থানে ফিরে এল। যাতায়াতে তার গড় গতিবেগ কত?

টেকনিক ৫ঃ 
গড় গতিবেগ = 2mn/(m+n)
= (২ x ১০ x ৬)/(১০+৬)
= ১৫/২ কি.মি

রশিদা আফরোজ: "কাছে যতটুকু পেরেছি আসতে, জেনো দূরে যেতে আমি তারো চেয়ে বেশী পারি। ভালোবাসা আমি যতটা নিয়েছি লুফে তারো চেয়ে পারি গোগ্রাসে নিতে ভালোবাসাহীনতাও।" (তোমার জন্য হুমকিনামা @bimboboti)

*কবিতা* *বন্ধু*

রশিদা আফরোজ: "...শীতের পাখিরা যাচ্ছে পশ্চিম থেকে পুবে, ওরা একটি করে পালক ফেলে আসবে শাপলা পুকুরে, শীতলক্ষায়, বঙ্গোপসাগরে। ব্রহ্মপুত্র শোনো, আমি ফিরব।" @bimboboti

*কবিতা* *বন্ধু*
জোকস

রশিদা আফরোজ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

রেগে অগ্নিশর্মা অফিসের বস। নতুন সেক্রেটারিকে ডেকে বললেন, আমার টেবিলে যে ধুলোর আস্তরণ ছিল, তা গেল কোথায়? আমি তো সেই ধুলোর মধ্যে কয়েকটা টেলিফোন নম্বর লিখে রেখেছিলাম! (সংগৃহীত)

রশিদা আফরোজ পোস্টটি শেয়ার করেছে "ছাগলকে যতোটা 'ছাগল' ভাবা হয়, ছাগল কি আসেলই তা?!!!"

অভি: দারুন https://www.facebook.com/igtelugu/videos/1049504405069526/?fref=nf

রশিদা আফরোজ: @bimboboti "...তোমার হাত ধরে আমি দাঁড়িয়েছি বৃষ্টির ভিতরে গাছ থেকে জল পড়ছে, বৃষ্টিছাট ছুটে আসছে গা-য়, “ভিজে যাবে’ -তুমি বলছ, “সরে এসো ছাতারতলায়’ আমাদের একটাই ছাতা। তাতে দুজনেরই চলে যায়। আরও কালো করে এল, গাছে ডানা ঝাপটায়। দুজনে দাঁড়িয়ে আছি। দুজনে দাঁড়িয়ে থাকব। যতদিন পাশে থাকা যায়।" (জয় গোস্বামীর কবিতা) মোবাইল ক্লিক: Kallol @bimboboti

*কবিতা* *বন্ধু*

রশিদা আফরোজ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
""...ঠিক তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, আমার বঞ্চিত দৃষ্টির অগোচরে কোথাও নিশ্চয়ই কাশফুল ফুটে উঠেছে। ফুলের ভারে নুয়ে পড়েছে শিউলির ডাল। পদ্মের গোলাপি থেকে শিশির পিছলে যাচ্ছে পুকুরের জলে।...""

আকাশে কখনও রোদ, কখনও বৃষ্টি। আশ্বিনের গোড়ার দিকে আকাশ এই রকম খামখেয়ালি হওয়ারই তো কথা ছিল। প্রতিবারের মত এবারও তাই হয়েছে। আকাশের অনুমতি ছাড়াই রোদ-বৃষ্টির ফাঁক গলে ঢুকে পড়েছে পূজার আমেজ। বিছানায় শেষ রাতে হাল্কা শীতল অনুভূতি ঠিক তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, আমার বঞ্চিত দৃষ্টির অগোচরে কোথাও নিশ্চয়ই কাশফুল ফুটে উঠেছে। ফুলের ভারে নুয়ে পড়েছে শিউলির ডাল। পদ্মের গোলাপি থেকে শিশির পিছলে যাচ্ছে পুকুরের জলে। আসলে প্রকৃতির অন্তরে পূজার তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই, শুধু আমারই দেখা হয় নি চক্ষু মেলিয়া। ঘুমের ঘরে হতচকিত হয়ে তন্দ্রাচ্ছন চোখে হাতে কড় গোনা আর কদিন আছে, তারপর থেকে কাউন্ট ডাউন... উৎসবের আয়োজনে কোমর বেঁধে নেমে পরার পালা শুরু l ভাবতেই অবাক লাগে, পূজার শিহরণে কেমন একটা নেশা আছে, যে নেশায় আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই বুদ হয়ে যেতে ভালবাসে, আমিও এর ব্যতিক্রম নয় বরং একটু বেশিই নেশা হয়ে যায় আমার l 


আজও বেশ মনে পড়ে .... ছোটবেলা, বয়সন্ধির পূজার সময়কার কথা l  আমার বয়সন্ধিতে কোকাকোলার একটা ভারতীয় টিভিসি ছিল, হয়ত অনেকের মনে পরে যাবে, সেটি হলো "সপ্তমীতে প্রথম দেখা, অষ্টমীতে হাসি, নবমীতে বলতে চাওয়া তোমায় ভালোবাসি, দশমীতে হঠাত কেমন আকুল হলো মন, প্রাণ প্রতিমা এবার তুমি যাবে কি ভাসান"  ...... টিভিসি দেখলেই খালি মনে হতো ইশ যদি এমন হতো l  আমার সমস্ত চিন্তা জুড়ে থাকত, সপ্তমীতে কেমন সাজব…অষ্টমীতে সবচেয়ে গরজাস সাজ…নবমীতে ফাটাফাটি লুক চাই! মা-বাবার লৌহকঠিন প্রহরা এড়িয়ে পূজার  পাঁচ দিন ছেলেগুলোকে আমার পিছনে দৌড় করাতে হবে তো! হা হা হা....... এখন ভাবলে খুব হাসি পায় l  সেজেগুজে ঠাকুর দেখতে গিয়ে যখন দেখতাম সবাই তাকিয়ে আছে...মিথ্যে বলব না ভালো লাগত...হা হা ! আঙুল তুলে এ ওকে দেখাতে লাগল, ‘‘ওই যে…ওই যে, ওই দিকে…!’’ তখন কিছুটা অস্বস্তি লাগতো। আসলে ওই বয়সে ওই দারুণ ছটফটানিগুলো প্রেম নয়, কেবল ভাল লাগা। সেই আশ্চর্য বদলের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে অনেকগুলো বছর পার করে ফেলেছি। সেই বদল কখন একটু একটু করে বদলে দিয়েছে আমাকেও। আর আমার রাজকুমারের সাথে পূজা প্যান্ডেলে দেখা করার জন্য তো দুজনই ব্যাকুল থাকতাম, কিন্তু দেখা হলেই লজ্জা লাগতো, আর ভালো তো লাগতই l  তারপর তাকে ফেলে মা-বাবার সাথে যখন সেই প্যান্ডেল ত্যাগ করতাম, তখন অস্থির লাগত বটে, তবে খানিক পর পূজার নেশায় তা বুদ হয় যেত, তবে তারপর চলত ফোনালাপ (কেমন লাগলো?......) হা হা হা! লিখতে গিয়েও যেন হাসি পাচ্ছে, লজ্জা লাগছে l  এই ভাল লাগা পরে আমার জীবনসঙ্গী নির্বাচনেও যে ছাপ ফেলেছে, তা বলাই বাহুল্য। সেই রাজকুমারের   স্বপ্নের সেই রাজকন্যাই আজ তার জীবনসঙ্গিনী l এখনো আমি পরিবারের সবার সাথে পূজা দেখতে বের হয়, তবে হ্যা এখন আর রাজকুমারকে লুকিয়ে দেখতে হয় না, সেও এখন আমাদের পূজা দেখতে যাবার সঙ্গী l আমাদের পূজা দেখতে যাবার ব্যাটেলিয়ন ভারীই হচ্ছে দিনকে দিন l  

আমি আজও আশ্বিন ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। আশ্বিন এলেই মনের অজান্তেই ভিতর থেকে প্যান্ডেলে পেরেক ঠোকার শব্দ শুনি। স্বপ্নে দেস্খি বাঁশের গা রঙিন কাপড়ে মুড়ে যাচ্ছে দেখি। এখনো আধো ঘুমে মহালয়া শুনি। ঢাকের বাজনা শোনার জন্য মন প্রাণ ব্যাকুল থাকে । ‘দুগ্গা মাঈকী জয়’ 'আসছে বছর আবার হবে' গলা ফাটিয়ে বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বুকের ভিতর সেই দামালপনা আজও অমলিন ! সেই বয়সন্ধি নেই আর, তবে আমার আমি তো এখনো আছি l  আমি জানি, বয়সের গভীরতায় ঢেউ কম থাকে। আমি জানি, পর পর দাঁড়িয়ে আছে দামাল হৃদয়। আমার পর আরও কেউ, তারও পর আবার কেউ। আজ কোনো কিশোরী মেয়ের মনে ঠিক আমার মতই দোলা দেয়..... আশ্বিনের কোল খালি থাকে না। শুধু জানতে ইচ্ছে করে আমার বয়ঃসন্ধির সেই দূর্গাপূজার কাছে — আমার মতন করে আমাকে কখনও তার মনে পড়ে কি? 

রশিদা আফরোজ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"চমৎকার ব্যাপার। মনে হচ্ছে আর কখনো বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম ভুলবো না। "

বিভিন্ন দেশের মুদ্রা মনে রাখার Exclusive টেকনিক—
১) যে দেশের মুদ্রার নাম “পাউন্ড”
টেকনিক- যুক্তরাজ্যে সিসা মিলে।
যুক্তরাজ্য- যুক্তরাজ্য
সি- সিরিয়া
সা- সাইপ্রাস
মি- মিশর
লে- লেবানন
২) যে দেশের মুদ্রার নাম “শিলিং”
টেকনিক- সোমবারে কেউ তাস খেলো?
সোম- সোমালিয়া
কে- কেনিয়া
উ- উগান্ডা
তাস- তাঞ্জানিয়া
৩) যে দেশের মুদ্রার নাম “ক্রোনার”
টেকনিক- নর-নারি আইছে সুইডেন হয়ে ডেনমার্কে।
নর- নরওয়ে
আইছে- আইসল্যান্ড
সুইডেন- সুইডেন
ডেনমার্ক- ডেনমার্ক
৪) যে দেশের মুদ্রার নাম “লিরা”
টেকনিক- তোর বেটি??
তোর- তুরস্ক
বেটি- ভ্যাটিকান
৫) যে দেশগুলার মুদ্রার নাম “দিনার”
টেকনিক-আকুতি, বাহ!!!
আ- আলজেরিয়া
কু- কুয়েত
তি- তিউনিশিয়া
বাহ- বাহরাইন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৪,৮১৭

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত