Ritu

@Ritu96

সহজ সরল ভালো মানুষ...
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1494222879000  থেকে আমাদের সাথে আছে

Ritu: চলতে চলতে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি... এখন খুঁজে বেড়াচ্ছি...

Ritu: একটু অন্যভাবে ভাবলে, একটু সহনশীল আজ অন্যরকম হত...

Ritu: এমন ভাবে কেনই বা তুমি অনুভবে?

Ritu: কখনো কখনো কিছু কিছু মানুষের জন্য অদ্ভুত খারাপ লাগে, আপন কেউ নয়; চেনা মুখ-হয়তো কিছুদিন যোগাযোগ ছিলো; হয়তো তখন অনেক আপন ছিলো; হয়তো তখন তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিলো... সময়ের ব্যবধানে আজ হয়তো কেউ নয়; কিংবা এখনো হয়তো অনেক কিছু- শুধু স্বীকার করা হয় না। ভেঙ্গে যাওয়ার পর আয়না হয়তো আর আয়না থাকে না; কিন্তু আয়নার ভাঙ্গা টুকরোগুলোকে কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। অবিরত জানান দেয়, নানা দিক থেকে আলোর এলোমেলো বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে জানান দেয় আমি ছিলাম। (সংগ্রহিত)

ছবি

Ritu: ফটো পোস্ট করেছে

এটা কী ফুল?

*ফুল*

Ritu: মন খারাপের এক একটা দিন...

Ritu: এ বড় এক অদ্ভুত জীবন... না তোমার কাছে যেতে পারি ... না তোমাকে ভুলতে পারি...

Ritu: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

আগের অংশ

কিন্তু আমার স্ত্রী হঠাৎ করে কেন এই পরীকিয়ায় জড়ালো তার আমি কোনো সদ্যুত্তর খুঁজে পাচ্ছি না। দাম্পত্য জীবনে আমরা অসুখী নই। আমরা পরস্পরকে যথেষ্ট সময় দেই। সপ্তাহে একদিন বাহিরে ঘুরতে যাই। কখনো কখনো মুভিও দেখি। সব জায়গায় আমার স্ত্রীর সাবলীলতা কখনো আমাকে ভাবতেও দেয় নি এক দিন এমন হতে পারে।

আমার স্ত্রী যাই হোক যার নাম আফিয়া। আফিয়া আমাকে যথেষ্ট ভালোবাসে। এখনো  ভালোবাসে । তার আচার আচরণে কোথাও কোনো পরিবর্তন আমি এখনো খুঁজে পাই নি। তার দায়িত্বের ব্যাপারে সে যথেষ্ট সচেতন। কোথাও কোনো কিছু সে লক্ষ্য করছে না তা হবে না। এখনো সে আমার প্রিয় খাবারগুলো রান্না করে।

আমার সন্দেরহের শুর হওয়ার আগে যে কাজগুলো করতো তার কোনো ব্যাতায় এখনো হয় না। প্রতিদিন নিয়ম করে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেয়া, বের হওয়ার আগে একটি ছোট্ট করে চুমু দিয়ে মিষ্টি করে হেসে বলা, অফিসে পৌঁছে ফোন দিবে। দুপুরে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করা, খাবার ভালো ছিলো কি না? ঠিক মত খেয়েছি কি না? বাসায় ফেরার পর ফ্রেশ হওয়ার যাবতীয় আয়োজন করা। কোনো কিছুতেই তার কোনো ত্রুটি নাই। এমনি কি অফিস থেকে ফিরে এলে আমার ঘামা গায়ের সাথে তার লেপ্টে থাকাটা এক ধরনের অদ্ভুত সখ বলা চলে। সে কাজটিও সে করছে বিনা দ্বিধায়। বিকালে চা খাওয়া টুকটাক গল্প করা সব কিছুই চলছে আগের নিয়মে। কিন্তু আমার মনের ভিতর সেই সন্দেহের কাঁটা। অনবরত সেই খচখচানি।

আমি নিজেই নিজের শান্তি নষ্ট করছি। কিন্তু আফিয়া তো দিব্যি সুখেই আছে।

আমার সন্দেহের শুরু কেন হলো? কেনই বার আমার এত ভালবাসার স্ত্রীকে সন্দেহ করছি। শুরুটা হলো একটা ফেসবুক মেসেজ দেখে।

তিন চারদিন আগে ওর ল্যাপটপে আমি কাজ করছিলাম। ফেসবুক ও খোলাই রেখেছিলো। এমন সময় তার সেই কাজিনের মেসেজ আসলো। লেখা, সোনাপাখি কেমন আছো? বয়সে আমার স্ত্রীর চেয়ে তার কাজিন ছোট। এই মেসেজ দেখে আমার তাই খটকা লাগলো। তারপরেও আমি আমার কাজে মনোযোগ দিলাম। কিছুক্ষণ পর সে আবার মেসেজ দিলো, আমার তো রাতে ঘুম আসছে না।

খুবই নিরীহ মেসেজ। কিন্তু আমার মনে কুহু ডাকলো। আমি আমার কাজ বাদ দিয়ে তাদের আগের মেসেজ স্ক্রল করা শুরু করলাম। সবই ভালো-মন্দ খোজ খবর নেয়া টাইপ মেসেজ। নির্দোষ টাইপ। কিন্তু হঠাৎ একটা ছবির দিকে চেয়ে আমার মাথাটা ঘুরে যাবার উপক্রম হলো। ছবিটার উপরে আমার স্ত্রীর প্রশ্ন, এই বলতো ব্লো জবস কী? আর সে একটা ছবি পাঠিয়ে দিয়ে বলেছে এটাই ব্লো-জব।

আমি আর কাজে মনোযোগ দিতে পারলাম না। আমার হার্টবিট বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ঘেমে গেছি। যদিও রুমে এসি চলছিলো পুরোদমে। হাজারো প্রশ্নের দৌঁড় ঝাপে আমি আর কিছুই স্বাভাবিক ভাবে ভাবতে পারছিলাম না। অবশ্য নিচে এনিয়ে তেমন আর কোনো আলোচনা নাই। তারপরে টানা কয়েকদিন আর তাদের কোনো মেসেজ কথা হয় নি।

আমি পিসি অফ করে দিলাম। থম হয়ে বসে থাকলাম। জানার আগ্রহ; আমাকে জিজ্ঞেস করলো না কেন? ওকে কেন জিজ্ঞেস করলো কেন। আর তখনই মনে হলো তাদের মধ্যে একটা অবৈধ সম্পর্ক আছে। এই কয় বছরের যৌন জীবনে তাকে কখনো অসুখী মনে হয় নি। তাহলে?

অফিয়া এসে জিজ্ঞেস করলো, কী হয়েছে? কী এত ভাবছো? রাতে খাবে এসো।

খাবার টেবিলে বসলাম। গলা দিয়ে খাবার নামছে না। শুধুই মনে হচ্ছে তাকে আমি বলি সে কেন আমার সাথে প্রতারণা করলো। কিন্তু আমি নির্দ্বিধায় বলতেও পারছি না।

আমার অমনোযোগ সে লক্ষ্য করেই হয়তো বললো, বলোতো কী হয়ছে? তুমি কিছুদিন ধরে খুবই অমনোযোগী। বাচ্চাকেও আদর করছো না।

আমি চমকে তার দিকে তাকালাম।

সে বললো, এত ভয় পাওয়ার কী আছে?

আমি বললাম, একটা কথা বলবো। যদি কিছু মনে না করো।

সে হেসে বললো, বলো, এত ভূমিকা করার কী আছে?

তোমার কি রাকিবের সাথে ফিজিক্যাল সম্পর্ক আছে?

সে অবাক চোখে আমার দিকে তাকালো। খাওয়া বন্ধ করে দিলো। হয়তো আশা করে নি; এমন প্রশ্ন। কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলো। তারপর মাথা নিচু করে ছোট্ট করে বললো, হ্যা।

এক মুহুর্তে আমার কাছে মনে হলো, পৃথিবীর সবকিছু ভেঙ্গে পড়ছে। চারদিকে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়ছে। ২০১২ মুভিটার শেষ দৃশ্যের মত। আমার ভিতরটা কেউ যেন দুমড়ে মুচড়ে ফেলছে। ছুরি দিয়ে ফালা ফালা করে কাটা হচ্ছে জীবিত আমাকে। অনেক কষ্টে আমি বললাম, কেন?

তুমি চট্টগ্রাম ছিলে কিছুদিনের জন্য। সেই সময় সে পরীক্ষা দিতে আসছিলো। তারপর আমি জানিনা, কীভাবে কী হয়ে গেলো। শুধু জানি আমি ভুল করেছি, প্রচণ্ড ভুল করেছি। যে ভুলের মাশুল আমাকে আজীবন দিতে হবে।

আমি আর তোমাকে মেনে নিতে পারবো না; আমি বললাম।

সে জলভরা চোখে আমার দিকে তাকালো। এই চোখ আমি অনেকবার দেখেছি। বিদেশে যাবার সময়, বিমানবন্দরে এই চোখ আমি দেখে অভ্যাস্ত। যতক্ষণ বাহিরে থাকি এই চোখ আমাকে বাসায় ফেরার জন্য ডাকে। আমার ভেতরটা আবারো দুমড়ানো শুরু হলো। কিন্তু আমি আবারো বললাম, আমি তোমার সাথে আর থাকতে পারবো না।

সে কিছুই বললো না, কিন্তু তার নিরবতা আমাকে অনেক কিছু বললো। তারপরেও আমি একই কথা বললাম, আমি পারবো না।

সে কিছু না বলে উঠে বাথরুমে চলে গেলো। খুব জোড় ঝর্ণা শব্দ আসছে। কিন্তু সেই শব্দ ছাপিয়েও তার কান্নার শব্দ আসছে। আমার সবকিছু এলোমেলো করে দিচ্ছে। আমাকে বার বার কে যেনো ভেঙ্গে ফেলছে। প্রায় ত্রিশ মিনিট হয়ে গেলো। সে বাথরুম থেকে বের হচ্ছে না। আমি নির্বিকার বসে আছি।

আরো কতক্ষ্ণ কেটে গেছে আমি বলতে পারবো না। শুধু মনে হচ্ছে যুগ ক্ষ্ণ সব কিছু থেমে আছে। এমনকি আমার হার্টবিট বন্ধ হয়ে আছে।

ভেজা শরীরে সে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললো, আমি কাল চলে যাবো।

আমি উঠে দাঁড়ালাম। জড়িয়ে ধরে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। সে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো। আমার চোখেও তখন সমুদ্রের ঢেউ। একে অপরকে শক্ত করে চেপে ধরছি। এতটাই শক্ত যেনো, আমাদের মাঝে কোনো ফাক না থাকে। আর কেউ আমাদের মাঝে ঢুকতে না পারে।

ঠাণ্ডা শরীরে উষ্ণ ঠোটের পরশ।

*অনুগল্প* *গল্প* *প্রেম*

Ritu: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমার সন্দেহ হচ্ছে আমার স্ত্রীর সাথে তাঁর দূর সম্পর্কে কাজিনের সম্পর্ক আছে। ছোট খাটো সম্পর্ক নয়, গভীর সম্পর্ক।

কিন্তু সন্দেহ হচ্ছে তাই তাকে বলতে পাচ্ছি না। সন্দেহ জিনিষটা খুবই খারাপ জিনিস। যাকে সন্দেহ করবেন তাকে এটা বললে তার সাথে আপনার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে এই ভয়ে তাকে আপনি বলতে পারবেন না। আবার না বলতে পারার যন্ত্রণা আপনাকে কুড়ে কুড়ে খাবে। আমি এই অবস্থা নিয়ে গত কয়েক মাস কাটাচ্ছি। এরকম যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন। আমার বেঁচে থাকাও কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।

আমাদের প্রায় ৪ বছরের সংসার। একটি ফুটফুটে সন্তান আছে। দেখলেই যে কারো মায়া পরে যায়। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে তাকে দেখলে আমার মায়া লাগছে না। মনে কোনো আনন্দ হচ্ছে না। কিরকম একটি অদ্ভুত বিরক্তি আসছে। সে যখনই আমার কাছে আসার চেষ্টা করে আমি তখনই দূরে সরে যাই। সে বোধ হয় আমার এই অবহেলাটা ধরতে পারছে।  কিছুদিন ধরে সে আর আগ্রহ ভরে আমার দিকে আসছে না। এখানে আমার কেমন একটা খারাপ লাগা কাজ করছে।

আমার স্ত্রীর এদিকে কোনো মনোযোগ নাই। আমি যে আমার সন্তানকে আদর করছি না, বা মনোযোগ দিচ্ছে না সেটা সে আজ পর্যন্ত খেয়াল করে নি। এতে করে আমার আরো সন্দেহ তীব্র হচ্ছে। আমি কোনো কিছুতে উদাসীন হয়ে যাচ্ছি সে এটা খেয়াল করবে না কেন? তাহলে তার মনোযোগ কোন দিকে?

আমি একটা কর্পোরেট অফিসে বড় চাকুরীজীবী। যেখানে আমি জব করি সেখানে সহজেই নারী সঙ্গ পাওয়া যায়। শুধু পাওয়ার মত আপনার ইচ্ছে লাগবে।  মেয়ের বয়সী মেয়ের সাথে সময় কাটাতে অনেককেই যেতে দেখেছি। আমার কখনো রুচিতে আসে না। আমাকে সবাই ব্যাকডেটেড বলে। এটাতে আমার দুঃখ হয় না বরং আনন্দ হয়। আমি আসলে ছোট থেকে ভালো থাকতে শিখেছি। অন্য কারো জন্য ভালো থাকতে নয়, নিজের জন্য ভালো থাকতে।

এই আধুনিক যুগে এসেও আমি বদলে যাই নি। এটাই আমার এক ধরনের অহংকার।

পরবর্তী অংশ আসছে...

*অনুগল্প*

Ritu: মিডিয়া নিয়ে নানা কথ উঠে এসেছে সোহানা সাবার সাক্ষাৎকারে। কিছু বিব্রত বিষয়ে আছে অকপট স্বীকারোক্তি। পড়ে ভালোই লাগলো। চাইলে আপনারাও পড়তে পারেন। সাক্ষাৎকার পড়ুন এখান থেকে- http://bit.ly/2rru4tH

*সাবা* *বিনোদন* *মিডিয়া*

Ritu: ভাবছি একটা গল্প লিখবো...

Ritu: কাউকে ছেড়ে যাবার পর যদি নিজেকে দোষী মনে হয় তাহলে তাকে ছেড়ে আসা উচিত হয় নি । তাকেই ছেড়ে আসা উচিত যার সামনে পরে মুখ উচু করে দাড়াতে পারবে... সম্পর্ক টেনে নিয়ে যাওয়াটাই সফলতা ... ভেঙ্গে দেয়ার মাঝে অহংকার থাকতে পারে কিন্তু গর্ব করার মত কিছু নাই । ভালোবাসার প্রতিদানে যদি ভালোবাসা দেয়া নাই যাই তবে তাকে আঘাত না করার চেষ্টায় শ্রেষ্ঠতর । জীবন অসঅম্পূর্ণ ... এই অসম্পূর্ণ জীবনে একটি পূর্ণ সম্পর্ক অনেক দামী ।

Ritu: অশ্লীলতা দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তারপরেও নুসরাত ফারিয়ার গান দেখলে অশ্লীলই মনে হয়...

*ফারিয়া*

Ritu: কে কাকে চায়- সে আমাকে, নাকি আমি তাকে? হয়তো চাওয়ারই কোন অস্তিত্ব নেই!

Ritu: গুণের চেয়ে যখন আমরা রূপকে বেশি গুরত্ব দেই তখনই সমস্যা তৈরি হয়। কখন কোন বিষয়ের দিকে গুরত্ব দিতে হবে এ জিনসটা আজীবনেও মানুষ বুঝে উঠতে পারে না...

Ritu: যেখানে যাই, যতদূরেই যাই ...

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৬৭

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত