★ছায়াবতী★

@Saadiia

ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1393443818000  থেকে আমাদের সাথে আছে

দীপ্তি বেশটুনটি শেয়ার করেছে

হাসতে দেখো গাইতে দেখো অনেক কথায় মুখোর আমায় দেখো দেখো না কেউ হাসির শেষে নীরবতা।। বোঝে না কেউ তো চিনলো না বোঝে না আমার কি ব্যাথা চেনার মত কেউ চিনলো না এই আমাকে।। আমার সুরের বুকে কান্না লুকিয়ে থাকে আমার চোখের কোনে নোনা ছবি আকে আমার গল্প শুনে হয় আলোকিত উত্সব গল্প শেষে আমি আঁধারের মতো নীরব নিজেকে ঢেলে আমি কত সুখ দিলাম

ফিটকিরি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"ভূমিকম্প হলে করণীয় : "

ভূমিকম্প ঝুঁকি
নিজ এলাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা রাখাও প্রস্তুতির একটা অংশ। ভূমিকম্প ঝুঁকি অনুযায়ী ভূ-তাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশকে তিনটি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। সিলেট বিভাগসহ নেত্রকোনা, শেরপুর, কুড়িগ্রাম জেলা এবং ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, গাইবান্ধা, রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার অংশবিশেষ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে। ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ইত্যাদি জেলা মাঝারি ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় পড়েছে। (চিত্র-ক)

চিত্র-কঃ ভূমিকম্প ঝুঁকি অঞ্চল (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

চিত্র-কঃ ভূমিকম্প ঝুঁকি অঞ্চল (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বশেষ সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে তৎকালীন শ্রীমঙ্গল বা সিলেট অঞ্চলে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৬। এছাড়া, ১৮৯৭ এবং ১৯৫০ সালে আসামে যে দু’টো বিশাল ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ছিল সিলেট সীমান্ত থেকে খুব কাছেই। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের খুব কাছে ডাউকি ফল্ট (চিত্র-খ) এবং ইউরেশিয়া-ইন্ডিয়ান প্লেটের সংযোগস্থলের অবস্থান হওয়ায় এ অঞ্চল ভূমিকম্পের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ।

চিত্র-খঃ বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য ভূমিকম্প মাত্রা (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

চিত্র-খঃ বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য ভূমিকম্প মাত্রা (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)


ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হলেও বিশেষ করে ঢাকায় অপরিকল্পিত নগরায়ন, নাজুক দালান-কোঠা এবং অত্যধিক জনসংখ্যা ভূমিকম্পে ক্ষয়-ক্ষতির সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। ১৮৮৫ সালে ঢাকার কাছে মানিকগঞ্জে বিশাল এক ভূমিকম্প হয়েছিল (আনুমানিক ৭ থেকে ৮ মাত্রার) যা ইতিহাসে ‘বেঙ্গল আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত। এখন যদি ঢাকায় এ ধরনের কোনো ভূমিকম্প হয়, তবে অবস্থা কী হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। চট্টগ্রামেও ১৭৬২ সালে চট্টগ্রাম-আরাকান সীমান্তে একটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো। সাম্প্রতিককালে, চট্টগ্রামে ১৯৯৭ সালে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৩ জন লোক নিহত হয়েছিল।

ভূমিকম্পের ফলে ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতার যে মাত্রা রয়েছে সে সূচক অনুযায়ী ঢাকা পৃথিবীর শীর্ষ ২০ টি ঝুঁকিপূর্ণ শহরের অন্যতম। ভূমিকম্প ঝুঁকি অনুযায়ী ঢাকাকে চারটি এলাকায় ভাগ করা যায় (চিত্র-গ)। ম্যাপে দেখা যাচ্ছে উত্তরা এলাকা সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং খিলগাঁও, বাড্ডা, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট এবং পুরনো ঢাকার বুড়িগঙ্গা সংলগ্ন অঞ্চল বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রয়েছে।

চিত্র-গঃ ঢাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি এলাকা (সূত্রঃ ডেইলি স্টার)

চিত্র-গঃ ঢাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি এলাকা (সূত্রঃ ডেইলি স্টার)

ভূমিকম্পের সময় আসলে কতটুকু সময় পাওয়া যায়?
ভূমিকম্পের সময় প্রথম যে কম্পন টের পাওয়া যায় তা হলো প্রাইমারি ওয়েভ বা P-wave. এর গতিবেগ ১-১৪ কিমি/সে পর্যন্ত হতে পারে। এরপর আসে সেকেন্ডারি ওয়েভ বা Shear wave যার গতিবেগ ১-৮ কিমি/সে। এ দু’টো বডি ওয়েভ (চিত্র-ঘ)। এছাড়া লাভ এবং রেলেই নামে আরো দু’টো ওয়েভ আছে যেগুলো সারফেস ওয়েভ এবং তুলনামূলকভাবে শ্লথগতিসম্পন্ন।

চিত্র-ঘঃ ভূমিকম্পের সময় অনুভূত বিভিন্ন প্রকারের ওয়েভ

চিত্র-ঘঃ ভূমিকম্পের সময় অনুভূত বিভিন্ন প্রকারের ওয়েভ

আমরা ভূমিকম্পে যে ঘরবাড়ি, অবকাঠামো ধ্বংস হতে দেখি তার জন্য মূলত দায়ী সেকেন্ডারি ওয়েভ এবং সারফেস ওয়েভগুলো- কারণ, এগুলোই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এখন প্রাথমিক ভূ-কম্পন বা P-wave টের পাবার কতো সময় পর বাকিগুলো টের পাবেন? উত্তর হচ্ছে ব্যবধান খুব সামান্য। ধরুন আপনার অবস্থান ভূমিকম্পের এপিসেন্টার বা উৎপত্তিস্থল থেকে ২০০ কিমি দূরে। সেকেন্ডে যদি ১৪ কিমি বেগে P-wave আসে তবে ২০০ কিমি অতিক্রম করতে সময় নেবে প্রায় ১৪ সেকেন্ড। আর এরপর ৮ কিমি/সে বেগে সেকেন্ডারি ওয়েভ আসতে সময় নেবে প্রায় ২৫ সেকেন্ড। অর্থাৎ আপনি ভূমিকম্প টের পাবার মোটামুটি ১১ সেকেন্ডের ব্যবধানে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়ে যাবে। এর মধ্যেই আপনাকে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রস্তুতি
• আপনি যদি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকেন তবে খোঁজ নিন আপনার ভবনটিতে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা আছে কিনা, থাকলে তা কী মাত্রার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারবে। যদি না থাকে তবে রেট্রোফিটিং-এর ব্যবস্থা নিন। কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পুরনো ভবনেও রেট্রোফিটিং-এর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। জাপানে ভূমিকম্প একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু তাদের ভবনগুলিতে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকায় তাদের ক্ষয়ক্ষতি হয় অতি সামান্য।
• পরিবারের সবার সাথে বসে এ ধরনের জরুরী অবস্থায় কি করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে- মোট কথা আপনার পরিবারের ইমার্জেন্সি প্ল্যান ঠিক করে সব সদস্যদের জানিয়ে রাখুন। ভূমিকম্পের সময় হাতে খুব সামান্যই সময় পাওয়া যাবে। এ সময় কী করবেন তা সবাইকে নিয়ে আগেই ঠিক করে রাখুন।
• বড় বড় এবং লম্বা ফার্নিচারগুলোকে যেমন- শেলফ ইত্যাদি দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখুন যেন কম্পনের সময় গায়ের উপর পড়ে না যায়। আর টিভি, ক্যাসেট প্লেয়ার ইতাদি ভারী জিনিষগুলো মাটিতে নামিয়ে রাখুন।
• বিছানার পাশে সবসময় টর্চলাইট, ব্যাটারী এবং জুতো রাখুন।
• বছরে একবার করে হলেও ঘরের সবাই মিলে আসল ভূমিকম্পের সময় কী করবেন তার একটা ট্রায়াল দিন।

ভূমিকম্পের সময় করণীয়
নিচের পরামর্শগুলো বেশি কার্যকরী যদি ভবনে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকেঃ
১। ভূমিকম্পের সময় বেশি নড়াচড়া, বাইরে বের হবার চেষ্টা করা, জানালা দিয়ে লাফ দেবার চেষ্টা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা উচিত। একটা সাধারণ নিয়ম হল- এ সময় যত বেশি মুভমেন্ট করবেন, তত বেশি আহত হবার সম্ভাবনা থাকবে। আপনার ভবনে যদি ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকে বা রেট্রোফিটিং করা থাকে তবে ভূমিকম্পের সময় বাসায় থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।
২। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন।
কোনো ভবন ভূমিকম্পরোধক হলে তা খুব কমই ধসে পড়ে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিস বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে আহত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এগুলো থেকে বাঁচার জন্য এ সময় কোন শক্ত ডেস্ক বা টেবিলের নিচে ঢুকে আশ্রয় নেয়া জরুরী।
৩। ভূমিকম্পের সময় এলিভেটর/লিফট ব্যবহার পরিহার করুন।
৪। ভূমিকম্পের সময় যদি গাড়িতে থাকেন তবে গাড়ি বন্ধ করে ভেতরে বসে থাকুন। গাড়ির বাইরে থাকলে আহত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৫। ‘মেইন শক’ বা মূল ভূমিকম্পের আগে এবং পরে মৃদু থেকে মাঝারি আরো কিছু ভূমিকম্প হতে পারে যেগুলো ‘ফোরশক’ এবং ‘আফটার শক’ নামে পরিচিত। সতর্ক না থাকলে এগুলো থেকেও বড় বিপদ হয়ে যেতে পারে। সাধারণত কোনো বড় ভূমিকম্পে ‘আফটার শক’ প্রথম ঘণ্টার মধ্য থেকে শুরু করে কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে।
৬। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন।

ধ্বংসস্তুপে আটকে পড়লে করণীয়

১। ধুলাবালি থেকে বাঁচার জন্য আগেই সাথে রুমাল বা তোয়ালে বা চাদরের ব্যবস্থা করে রাখুন।
২। ম্যাচ জ্বালাবেন না। দালান ধ্বসে পড়লে গ্যাস লিক হয়ে থাকতে পারে।
৩। চিৎকার করে ডাকাডাকি শেষ অপশন হিসেবে বিবেচনা করুন। কারণ, চিৎকারের সময় মুখে ক্ষতিকারক ধুলাবালি ঢুকে যেতে পারে। পাইপে বা ওয়ালে বাড়ি দিয়ে বা মুখে শিস বাজিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করতে পারেন। তবে ভাল হয় সাথে যদি একটা রেফারির বাঁশি বা হুইসেল থাকে, তার প্রিপারেশন নিয়ে রাখুন আগেই।

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

ভূমিকম্প ঝুঁকি
নিজ এলাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা রাখাও প্রস্তুতির একটা অংশ। ভূমিকম্প ঝুঁকি অনুযায়ী ভূ-তাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশকে তিনটি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। সিলেট বিভাগসহ নেত্রকোনা, শেরপুর, কুড়িগ্রাম জেলা এবং ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, গাইবান্ধা, রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার অংশবিশেষ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে। ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ইত্যাদি জেলা মাঝারি ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় পড়েছে। (চিত্র-ক)

চিত্র-কঃ ভূমিকম্প ঝুঁকি অঞ্চল (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

চিত্র-কঃ ভূমিকম্প ঝুঁকি অঞ্চল (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বশেষ সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে তৎকালীন শ্রীমঙ্গল বা সিলেট অঞ্চলে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৬। এছাড়া, ১৮৯৭ এবং ১৯৫০ সালে আসামে যে দু’টো বিশাল ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ছিল সিলেট সীমান্ত থেকে খুব কাছেই। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের খুব কাছে ডাউকি ফল্ট (চিত্র-খ) এবং ইউরেশিয়া-ইন্ডিয়ান প্লেটের সংযোগস্থলের অবস্থান হওয়ায় এ অঞ্চল ভূমিকম্পের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ।

চিত্র-খঃ বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য ভূমিকম্প মাত্রা (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

চিত্র-খঃ বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য ভূমিকম্প মাত্রা (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)


ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হলেও বিশেষ করে ঢাকায় অপরিকল্পিত নগরায়ন, নাজুক দালান-কোঠা এবং অত্যধিক জনসংখ্যা ভূমিকম্পে ক্ষয়-ক্ষতির সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। ১৮৮৫ সালে ঢাকার কাছে মানিকগঞ্জে বিশাল এক ভূমিকম্প হয়েছিল (আনুমানিক ৭ থেকে ৮ মাত্রার) যা ইতিহাসে ‘বেঙ্গল আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত। এখন যদি ঢাকায় এ ধরনের কোনো ভূমিকম্প হয়, তবে অবস্থা কী হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। চট্টগ্রামেও ১৭৬২ সালে চট্টগ্রাম-আরাকান সীমান্তে একটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো। সাম্প্রতিককালে, চট্টগ্রামে ১৯৯৭ সালে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৩ জন লোক নিহত হয়েছিল।

ভূমিকম্পের ফলে ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতার যে মাত্রা রয়েছে সে সূচক অনুযায়ী ঢাকা পৃথিবীর শীর্ষ ২০ টি ঝুঁকিপূর্ণ শহরের অন্যতম। ভূমিকম্প ঝুঁকি অনুযায়ী ঢাকাকে চারটি এলাকায় ভাগ করা যায় (চিত্র-গ)। ম্যাপে দেখা যাচ্ছে উত্তরা এলাকা সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং খিলগাঁও, বাড্ডা, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট এবং পুরনো ঢাকার বুড়িগঙ্গা সংলগ্ন অঞ্চল বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রয়েছে।

চিত্র-গঃ ঢাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি এলাকা (সূত্রঃ ডেইলি স্টার)

চিত্র-গঃ ঢাকার ভূমিকম্প ঝুঁকি এলাকা (সূত্রঃ ডেইলি স্টার)

ভূমিকম্পের সময় আসলে কতটুকু সময় পাওয়া যায়?
ভূমিকম্পের সময় প্রথম যে কম্পন টের পাওয়া যায় তা হলো প্রাইমারি ওয়েভ বা P-wave. এর গতিবেগ ১-১৪ কিমি/সে পর্যন্ত হতে পারে। এরপর আসে সেকেন্ডারি ওয়েভ বা Shear wave যার গতিবেগ ১-৮ কিমি/সে। এ দু’টো বডি ওয়েভ (চিত্র-ঘ)। এছাড়া লাভ এবং রেলেই নামে আরো দু’টো ওয়েভ আছে যেগুলো সারফেস ওয়েভ এবং তুলনামূলকভাবে শ্লথগতিসম্পন্ন।

চিত্র-ঘঃ ভূমিকম্পের সময় অনুভূত বিভিন্ন প্রকারের ওয়েভ

চিত্র-ঘঃ ভূমিকম্পের সময় অনুভূত বিভিন্ন প্রকারের ওয়েভ

আমরা ভূমিকম্পে যে ঘরবাড়ি, অবকাঠামো ধ্বংস হতে দেখি তার জন্য মূলত দায়ী সেকেন্ডারি ওয়েভ এবং সারফেস ওয়েভগুলো- কারণ, এগুলোই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এখন প্রাথমিক ভূ-কম্পন বা P-wave টের পাবার কতো সময় পর বাকিগুলো টের পাবেন? উত্তর হচ্ছে ব্যবধান খুব সামান্য। ধরুন আপনার অবস্থান ভূমিকম্পের এপিসেন্টার বা উৎপত্তিস্থল থেকে ২০০ কিমি দূরে। সেকেন্ডে যদি ১৪ কিমি বেগে P-wave আসে তবে ২০০ কিমি অতিক্রম করতে সময় নেবে প্রায় ১৪ সেকেন্ড। আর এরপর ৮ কিমি/সে বেগে সেকেন্ডারি ওয়েভ আসতে সময় নেবে প্রায় ২৫ সেকেন্ড। অর্থাৎ আপনি ভূমিকম্প টের পাবার মোটামুটি ১১ সেকেন্ডের ব্যবধানে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়ে যাবে। এর মধ্যেই আপনাকে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রস্তুতি
• আপনি যদি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকেন তবে খোঁজ নিন আপনার ভবনটিতে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা আছে কিনা, থাকলে তা কী মাত্রার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারবে। যদি না থাকে তবে রেট্রোফিটিং-এর ব্যবস্থা নিন। কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পুরনো ভবনেও রেট্রোফিটিং-এর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। জাপানে ভূমিকম্প একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু তাদের ভবনগুলিতে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকায় তাদের ক্ষয়ক্ষতি হয় অতি সামান্য।
• পরিবারের সবার সাথে বসে এ ধরনের জরুরী অবস্থায় কি করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে- মোট কথা আপনার পরিবারের ইমার্জেন্সি প্ল্যান ঠিক করে সব সদস্যদের জানিয়ে রাখুন। ভূমিকম্পের সময় হাতে খুব সামান্যই সময় পাওয়া যাবে। এ সময় কী করবেন তা সবাইকে নিয়ে আগেই ঠিক করে রাখুন।
• বড় বড় এবং লম্বা ফার্নিচারগুলোকে যেমন- শেলফ ইত্যাদি দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখুন যেন কম্পনের সময় গায়ের উপর পড়ে না যায়। আর টিভি, ক্যাসেট প্লেয়ার ইতাদি ভারী জিনিষগুলো মাটিতে নামিয়ে রাখুন।
• বিছানার পাশে সবসময় টর্চলাইট, ব্যাটারী এবং জুতো রাখুন।
• বছরে একবার করে হলেও ঘরের সবাই মিলে আসল ভূমিকম্পের সময় কী করবেন তার একটা ট্রায়াল দিন।

ভূমিকম্পের সময় করণীয়
নিচের পরামর্শগুলো বেশি কার্যকরী যদি ভবনে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকেঃ
১। ভূমিকম্পের সময় বেশি নড়াচড়া, বাইরে বের হবার চেষ্টা করা, জানালা দিয়ে লাফ দেবার চেষ্টা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা উচিত। একটা সাধারণ নিয়ম হল- এ সময় যত বেশি মুভমেন্ট করবেন, তত বেশি আহত হবার সম্ভাবনা থাকবে। আপনার ভবনে যদি ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকে বা রেট্রোফিটিং করা থাকে তবে ভূমিকম্পের সময় বাসায় থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।
২। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন।
কোনো ভবন ভূমিকম্পরোধক হলে তা খুব কমই ধসে পড়ে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিস বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে আহত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এগুলো থেকে বাঁচার জন্য এ সময় কোন শক্ত ডেস্ক বা টেবিলের নিচে ঢুকে আশ্রয় নেয়া জরুরী।
৩। ভূমিকম্পের সময় এলিভেটর/লিফট ব্যবহার পরিহার করুন।
৪। ভূমিকম্পের সময় যদি গাড়িতে থাকেন তবে গাড়ি বন্ধ করে ভেতরে বসে থাকুন। গাড়ির বাইরে থাকলে আহত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৫। ‘মেইন শক’ বা মূল ভূমিকম্পের আগে এবং পরে মৃদু থেকে মাঝারি আরো কিছু ভূমিকম্প হতে পারে যেগুলো ‘ফোরশক’ এবং ‘আফটার শক’ নামে পরিচিত। সতর্ক না থাকলে এগুলো থেকেও বড় বিপদ হয়ে যেতে পারে। সাধারণত কোনো বড় ভূমিকম্পে ‘আফটার শক’ প্রথম ঘণ্টার মধ্য থেকে শুরু করে কয়েক দিনের মধ্যে হতে পারে।
৬। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন।

ধ্বংসস্তুপে আটকে পড়লে করণীয়

১। ধুলাবালি থেকে বাঁচার জন্য আগেই সাথে রুমাল বা তোয়ালে বা চাদরের ব্যবস্থা করে রাখুন।
২। ম্যাচ জ্বালাবেন না। দালান ধ্বসে পড়লে গ্যাস লিক হয়ে থাকতে পারে।
৩। চিৎকার করে ডাকাডাকি শেষ অপশন হিসেবে বিবেচনা করুন। কারণ, চিৎকারের সময় মুখে ক্ষতিকারক ধুলাবালি ঢুকে যেতে পারে। পাইপে বা ওয়ালে বাড়ি দিয়ে বা মুখে শিস বাজিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করতে পারেন। তবে ভাল হয় সাথে যদি একটা রেফারির বাঁশি বা হুইসেল থাকে, তার প্রিপারেশন নিয়ে রাখুন আগেই।

ছবি

MD MEHEDI HASAN ফটোটি শেয়ার করেছে

.

আপনি দেখছেন বিজ্ঞান-জগতের বিখ্যাত এক ছবি। এই ছবিতে ফ্রেমবন্দী ২৯ জন বিজ্ঞানীর ১৭ জনই নোবেল জয়ী। মেরি কুরি আবার দুইবার নোবেলজয়ী। এখানে আছেন আইনস্টাইন, নিলস বোর,মেরি কুরি,হাইজেনবার্গ, শ্রডিঞ্জার, ম্যাক্স প্লাংক প্রমুখরা। ছবিটি ১৯২৭ সালে 'Solvay International Conference on Electrons and Photons' নামক কনফারেন্সে তোলা। — পেছনের সারি, বাম থেকে ডানে: Auguste Piccard, Émile Henriot, Paul Ehrenfest, Édouard Herzen, Théophile de Donder, Erwin Schrödinger, Jules-Émile Verschaffelt, Wolfgang Pauli, Werner Heisenberg, Ralph Howard Fowler, Léon Brillouin. মধ্যের সারি, বাম থেকে ডানে: Peter Debye, Martin Knudsen, William Lawrence Bragg, Hendrik Anthony Kramers, Paul Dirac, Arthur Compton, Louis de Broglie, Max Born, Niels Bohr. সামনের সারি, বাম থেকে ডানে: Irving Langmuir, Max Planck, Marie Skłodowska Curie, Hendrik Lorentz, Albert Einstein, Paul Langevin, Charles-Eugène Guye, Charles Thomson Rees Wilson, Owen Willans Richardson.

Lutfun Nessa বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

৬৩) ওসি গাংনী- ০১৭১৩৩৭৪২৫০
৬৪) ওসি মুজিবনগর- ০১৭১৩৩৭৪২৫১
বরিশাল বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী বরিশাল-০১৭১৩৩৭৪২৬৭
২) ওসি হিজলা- ০১৭১৩৩৭৪২৬৮
৩) ওসি মেহেদীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৬৯
৪) ওসি মুলাদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭০
৫) ওসি বাবুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭১
৬) ওসি বাকেরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭২
৭) ওসি বানারীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৩
৮) ওসি আগৌলঝাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৪
৯) ওসি গৌরনদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭৫
১০) ওসি উজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৭৬
১১) ওসি ঝালকাঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৬
১২) ওসি নলছিঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৭
১৩) ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৮৮
১৪) ওসি কাঠালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২৮৯
১৫) ওসি ভোলা- ০১৭১৩৩৭৪৩০০
১৬) ওসি দৌলতখান- ০১৭১৩৩৭৪৩০১
১৭) ওসি তজুমুদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০২
১৮) ওসি বোরহানউদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৩
১৯) ওসি লালমোহন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৪
২০) ওসি চরফ্যাশন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৫
২১) ওসি মনপুরা- ০১৭১৩৩৭৪৩০৬
২২) ওসি পটুয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩১৮
২৩) ওসি বাউফল- ০১৭১৩৩৭৪৩১৯
২৪) ওসি গলাচিপা- ০১৭১৩৩৭৪৩২০
২৫) ওসি দশমিনা- ০১৭১৩৩৭৪৩২১
২৬) ওসি দুমকী- ০১৭১৩৩৭৪৩২২
২৭) ওসি কলাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪৩২৩
২৮) ওসি মির্জাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩২৪
২৯) ওসি রাঙ্গাবালি- ০১৭১৩৩৭৪৩২৫
৩০) ওসি পিরোজপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৬
৩১) ওসি ভান্ডারিয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৭
৩২) ওসি নেসারাবাদ- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৮
৩৩) ওসি কাউখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৯
৩৪) ওসি নাজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪০
৩৫) ওসি জিয়া নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪১
৩৬) ওসি মঠবাড়ীয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৪২
৩৭) ওসি বরগুনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৩
৩৮) ওসি আমতলী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৪
৩৯) ওসি পাথরঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৫
৪০) ওসি বেতাগী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৬
৪১) ওসি বামনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৭
৪২) ওসি তালতলি- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৮
সিলেট বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী (সিলেট)- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৫
২) ওসি বালাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৬
৩) ওসি জৈন্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৭
৪) ওসি গোয়াইনঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮
৫) ওসি কানাইঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৯
৬) ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮০
৭) ওসি জকিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮১
৮) ওসি বিয়ানীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৩৮২
৯) ওসি গোলাপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৩
১০) ওসি বিশ্বনাথ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৪
১১) ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৫
১২) ওসি দক্ষিন সুরমা- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৬
১৩) ওসি ওসমানী নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭
১৪) ওসি হবিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮
১৫) ওসি মাধবপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৯
১৬) ওসি চুনারুঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৪০০
১৭) ওসি বাহুবল- ০১৭১৩৩৭৪৪০১
১৮) ওসি লাখাই- ০১৭১৩৩৭৪৪০২
১৯) ওসি নবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৩
২০) ওসি বানিয়াচং- ০১৭১৩৩৭৪৪০৪
২১) ওসি আজমিরিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৫
২২) ওসি শায়েস্তাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৬
২৩) ওসি সুনামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪১৮
২৪) ওসি ছাতক- ০১৭১৩৩৭৪৪১৯
২৫) ওসি জগন্নাথপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২০
২৬) ওসি তাহিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২১
২৭) ওসি বিশ্বম্বরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২২
২৮) ওসি দোয়ারাবাজার-০১৭১৩৩৭৪৪২৩
২৯) ওসি দিরাই- ০১৭১৩৩৭৪৪২৪
৩০) ওসি সালনা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৫
৩১) ওসি জামালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪২৬
৩২) ওসি ধর্মপাশা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৭
৩৩) ওসি মধ্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪২৮
৩৪) ওসি মৌলভীবাজার-০১৭১৩৩৭৪৪৩৯
৩৫) ওসি শ্রীমঙ্গল- ০১৭১৩৩৭৪৪৪০
৩৬) ওসি কমলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪৪১
৩৭) ওসি রাজনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪৪২
৩৮) ওসি কুলাউড়া- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৩
৩৯) ওসি বড়লেখা- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৪
৪০) ওসি জুরি- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৫(শুভেচ্ছাবিনিময়)

Lutfun Nessa বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

৬৩) ওসি গাংনী- ০১৭১৩৩৭৪২৫০
৬৪) ওসি মুজিবনগর- ০১৭১৩৩৭৪২৫১
বরিশাল বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী বরিশাল-০১৭১৩৩৭৪২৬৭
২) ওসি হিজলা- ০১৭১৩৩৭৪২৬৮
৩) ওসি মেহেদীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৬৯
৪) ওসি মুলাদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭০
৫) ওসি বাবুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭১
৬) ওসি বাকেরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭২
৭) ওসি বানারীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৩
৮) ওসি আগৌলঝাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৪
৯) ওসি গৌরনদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭৫
১০) ওসি উজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৭৬
১১) ওসি ঝালকাঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৬
১২) ওসি নলছিঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৭
১৩) ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৮৮
১৪) ওসি কাঠালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২৮৯
১৫) ওসি ভোলা- ০১৭১৩৩৭৪৩০০
১৬) ওসি দৌলতখান- ০১৭১৩৩৭৪৩০১
১৭) ওসি তজুমুদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০২
১৮) ওসি বোরহানউদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৩
১৯) ওসি লালমোহন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৪
২০) ওসি চরফ্যাশন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৫
২১) ওসি মনপুরা- ০১৭১৩৩৭৪৩০৬
২২) ওসি পটুয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩১৮
২৩) ওসি বাউফল- ০১৭১৩৩৭৪৩১৯
২৪) ওসি গলাচিপা- ০১৭১৩৩৭৪৩২০
২৫) ওসি দশমিনা- ০১৭১৩৩৭৪৩২১
২৬) ওসি দুমকী- ০১৭১৩৩৭৪৩২২
২৭) ওসি কলাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪৩২৩
২৮) ওসি মির্জাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩২৪
২৯) ওসি রাঙ্গাবালি- ০১৭১৩৩৭৪৩২৫
৩০) ওসি পিরোজপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৬
৩১) ওসি ভান্ডারিয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৭
৩২) ওসি নেসারাবাদ- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৮
৩৩) ওসি কাউখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৯
৩৪) ওসি নাজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪০
৩৫) ওসি জিয়া নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪১
৩৬) ওসি মঠবাড়ীয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৪২
৩৭) ওসি বরগুনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৩
৩৮) ওসি আমতলী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৪
৩৯) ওসি পাথরঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৫
৪০) ওসি বেতাগী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৬
৪১) ওসি বামনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৭
৪২) ওসি তালতলি- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৮
সিলেট বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী (সিলেট)- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৫
২) ওসি বালাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৬
৩) ওসি জৈন্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৭
৪) ওসি গোয়াইনঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮
৫) ওসি কানাইঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৯
৬) ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮০
৭) ওসি জকিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮১
৮) ওসি বিয়ানীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৩৮২
৯) ওসি গোলাপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৩
১০) ওসি বিশ্বনাথ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৪
১১) ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৫
১২) ওসি দক্ষিন সুরমা- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৬
১৩) ওসি ওসমানী নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭
১৪) ওসি হবিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮
১৫) ওসি মাধবপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৯
১৬) ওসি চুনারুঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৪০০
১৭) ওসি বাহুবল- ০১৭১৩৩৭৪৪০১
১৮) ওসি লাখাই- ০১৭১৩৩৭৪৪০২
১৯) ওসি নবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৩
২০) ওসি বানিয়াচং- ০১৭১৩৩৭৪৪০৪
২১) ওসি আজমিরিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৫
২২) ওসি শায়েস্তাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৬
২৩) ওসি সুনামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪১৮
২৪) ওসি ছাতক- ০১৭১৩৩৭৪৪১৯
২৫) ওসি জগন্নাথপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২০
২৬) ওসি তাহিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২১
২৭) ওসি বিশ্বম্বরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২২
২৮) ওসি দোয়ারাবাজার-০১৭১৩৩৭৪৪২৩
২৯) ওসি দিরাই- ০১৭১৩৩৭৪৪২৪
৩০) ওসি সালনা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৫
৩১) ওসি জামালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪২৬
৩২) ওসি ধর্মপাশা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৭
৩৩) ওসি মধ্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪২৮
৩৪) ওসি মৌলভীবাজার-০১৭১৩৩৭৪৪৩৯
৩৫) ওসি শ্রীমঙ্গল- ০১৭১৩৩৭৪৪৪০
৩৬) ওসি কমলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪৪১
৩৭) ওসি রাজনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪৪২
৩৮) ওসি কুলাউড়া- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৩
৩৯) ওসি বড়লেখা- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৪
৪০) ওসি জুরি- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৫(শুভেচ্ছাবিনিময়)

নাজমুল ইসলাম: একজনকে সুপারিশ করেছে

★ছায়াবতী★

@Saadiia

ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে
১৮,৯৯৮ জন ফলো করছে

chhottopakhi বেশটুনটি শেয়ার করেছে

আমরা প্রতিদিনই বিভিন্ন কাজে অনেক টাকা খরচ করে থাকি।বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে বা কোনো রেস্টুরেন্টে খেয়ে।
আমরা চাইলেই সেখান থেকে কিছু টাকা একদিন খরচ না করে কিছু আসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য খরচ করতে কি পারি না?? আমাদের আশেপাশে রয়েছে অনেক দুস্থ-অসহায় মানুষ,রয়েছে অনেক পথ শিশু এবং এতিম শিশু।আমরা হয়তো সকলকে সাহায্য করতে পারবনা।কিন্তু তাদের একাংশকে চাইলেই সাহায্য করতে পারি।এতে হয়তো তাদের অবস্থার তেমন পরিবর্তন হবে না।
কিন্তু অল্প কিছু সময়ের জন্য হলেও তাদের মুখে হাসি ফুটাতে পারব।তাদের খুশী করতে পারব। তাদের মুখে হাসি ফুটাতে,তাদের একটু খুশী করতে প্রয়োজন আপনাদের সবার একটুখানি সহযোগীতা। আসুন তার জন্য আমাদের একদিনের হাত খরচ ব্যয় করি। দলীয় ভাবে নাহলেও ব্যক্তিগত ভাবে চেষ্টা করি।
জোকস

chhottopakhi জোকসটি শেয়ার করেছে

লোক- আপনার ছেলে কি করে? বাবা-সকাল সন্ধ্যা মেহনত করে। লোক- তাই নাকি কি কাম করে?(ব্যাপকটেনশনেআসি) বাবা- ক্যান্ডি ক্রাশের ২৬৮ লেভেল পার করে ফেলেছে আর ফেসবুকে ২০টা পেজের এ্যাডমিন (হাসি-৩)

Joy Gobinda: একজনকে সুপারিশ করেছে

★ছায়াবতী★

@Saadiia

ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে
১৮,৯৯৮ জন ফলো করছে

মনিরুল: একজনকে সুপারিশ করেছে

★ছায়াবতী★

@Saadiia

ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে
১৮,৯৯৮ জন ফলো করছে
জোকস

Raju Roy জোকসটি শেয়ার করেছে

জলিল -বলতো মাইর হবে কিন্ত সাউন্ড হবেনা এর ইংলিশ কি? মোশাররফ- নো অডিও অনলি ভিডিও [এজে-আমিইস্মার্ট]

ফিটকিরি: একজনকে সুপারিশ করেছে "দীর্ঘদিন ছায়াবতীর ছায়া দেখা যাচ্ছে না বেশতো তে | ফিরে আসুন ছায়াবতী শান্তির ছায়া হয়ে ||| "

★ছায়াবতী★

@Saadiia

ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে
১৮,৯৯৮ জন ফলো করছে
জোকস

MD. FEROJ BHUYAN জোকসটি শেয়ার করেছে

জলিল -বলতো মাইর হবে কিন্ত সাউন্ড হবেনা এর ইংলিশ কি? মোশাররফ- নো অডিও অনলি ভিডিও [এজে-আমিইস্মার্ট]

খুশি বেশটুনটি শেয়ার করেছে

আজ ২রা মার্চ
আজ ২ মার্চ। ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু হয়েছিল বাঙালি জাতির।
একটি পতাকা একটি নতুন পরিচিতি। একটি ভূখন্ডের নিজস্বতা। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাল সবুজে হলুদ মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল সেই স্বাতন্ত্র্যবোধ আর স্বাধীকারের আহবান।

মো:আ:মোতালিব বেশটুনটি শেয়ার করেছে

আজ ২রা মার্চ
আজ ২ মার্চ। ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু হয়েছিল বাঙালি জাতির।
একটি পতাকা একটি নতুন পরিচিতি। একটি ভূখন্ডের নিজস্বতা। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাল সবুজে হলুদ মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল সেই স্বাতন্ত্র্যবোধ আর স্বাধীকারের আহবান।

দীপ্তি বেশটুনটি শেয়ার করেছে
"আজ ২রা মার্চ, পতাকা উত্তোলন দিবস "

আজ ২রা মার্চ
আজ ২ মার্চ। ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু হয়েছিল বাঙালি জাতির।
একটি পতাকা একটি নতুন পরিচিতি। একটি ভূখন্ডের নিজস্বতা। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাল সবুজে হলুদ মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল সেই স্বাতন্ত্র্যবোধ আর স্বাধীকারের আহবান।
জোকস

FARZANA RASHID জোকসটি শেয়ার করেছে

জলিল -বলতো মাইর হবে কিন্ত সাউন্ড হবেনা এর ইংলিশ কি? মোশাররফ- নো অডিও অনলি ভিডিও [এজে-আমিইস্মার্ট]

স্পর্শ করা কষ্ট বেশটুনটি শেয়ার করেছে

সুখ হল -সুখের অনুভূতিকে অব্যক্ত রাখা

মোস্তফা আক্তারুজ্জোহা লাবু বেশটুনটি শেয়ার করেছে

শুভ সকাল صباح الخير Good Morning আজ বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০১৬ খ্রীষ্টাব্দ ২৯ সফর ১৪৩৮ হিজরী ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ এখন হেমন্তকাল আজকের সূর্যোদয় ৬:২৪ ও সূর্যাস্ত ৫:০৯ মিনিটে সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৪৮,৩২৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

***

*

+ আরও