শিমুল হালদার

@ShimulHD

আমি একটু আমার সঙ্গে দেখা করতে চাই, আলোয় কালোয় মন্দে ভালোয় আমায় দেখতে চাই।
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1384158246000  থেকে আমাদের সাথে আছে

শিমুল হালদার পোস্টটি শেয়ার করেছে "রোম যখন আগুনে পুড়ছিল, নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল। আমরাও বাঁশি বাজিয়ে যাচ্ছি। দেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, মানুষের মানসিকতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে; একটা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ আর এমন কি ? তবে সত্যিই এখন আর গর্ব করতে পারি না। বেশতোর ব্যাবসায়িক সাফল্য কামনা করছি।।"

......: এইসব কারনেই এখন আর বেশতোতে আসি না। এখানে আমার স্ত্রী, বোন, মেয়ে কেউ নিরাপদ ফিল করার মত পরিবেশ নাই। হ্যা ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এসব হতেই পারে, তাই এসব এড়ানোর জন্য কেউ লগইন করা বন্ধ করে দিলে দোষ দেয়া যাবে না। আমি আশা করছি না কেউ এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবে। আর আমিও এর পরে কারো কাছে বেশতোর ব্যাপারে পজিটিভ কথা বলার আগে দুইবার ভাববো। এখন আর বেশতো নিয়ে গর্ব করতে পারিনা। বেশতোর ব্যাবসায়িক সাফল্য কামনা করি। সবাই ভাল থাকুক, সম্মানের সাথে থাকুক। ধন্যবাদ।

শিমুল হালদার: ফিরে আসতে হয়... না এসে পারা যায় না।

শিমুল হালদার: শুভ জন্মদিন, বেশতো... (খুকখুকহাসি)

ছবি

শিমুল হালদার ফটোটি শেয়ার করেছে

সকল বেশতো বন্ধুদের উদ্দেশ্যে একটি মানবিক আবেদন

(ভাষণ) বেশতো পরিবারের সকল বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বলছি..(ভাষণ) গত বছরের ন্যায় এবারো *শীতার্তদের-জন্য* শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী নিয়ে বেশতো ইউজাররা কাজ করছে । তোমরা কেন চুপ করে থাকবে ? তোমরাও তোমাদের স্থান থেকে যতদূর সম্ভব কাজ কর। তোমরা চাইলেই পারো কিছু শীতার্ত মানুষের কষ্ট নিবারন করতে। বেশতো পরিবার অনেক বড়, সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে একটু সহায়তা করো আমরা এবারো অনেক মানুষকে উষ্ণতা দিতে পারবো (খুকখুকহাসি) তোমাদের যেকোন ধরনের সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- (নিচেদেখ) #বিকাশ নম্বর: ০১৯১২৫৬২০৭২ (পার্সোনাল) #বিকাশ নম্বর: ০১৮২০৫৮২৬৩৬ (পার্সোনাল) #ডাচ বাংলা মোবাইল একাউন্ট ০১৬৭৪৫৬৫৮৯৮০ #ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নং- Name of the Account: MD. YASEEN KHAN Account No: 105 -101 -70249 Dutch-Bangla Bank Ltd Foreign Exchange Br. Motijheel, Dhaka. ##হটলাইন -০১৯১২৫৬২০৭২ (যেকোন প্রয়োজনে) বি: দ্র: তোমরা আর্থিক সাহায্য ছাড়াও ব্যবহার উপযোগী শীতের কাপড় হটলাইনে ফোন করে পাঠিয়ে দিতে পারো । তোমাদের আশেপাশের মানুষদেরকেও আমাদের কাজের কথা বলবে..তারাও যেন তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় । (খুকখুকহাসি)

শিমুল হালদার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রিয় ঝিমকি,

অভিযান ঝিমকিরখুশি-১ একেবারে পণ্ড হয়নি। একেবারে সকাল থেকে সবকিছু বলব তোকে। এতোবড় কাহিনী পড়ার মতো ধৈর্য অন্য কারো হবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে আমি জানি, তুই তো পড়বিই... গতরাত থেকেই ভেবে কুল পাচ্ছিলাম না কি করব, কুল খুঁজতে খুঁজতেই ঘুমে ডুব। সেই ঘুম থেকে উঠে যখন চোখ খুললাম তখন ঘড়িতে দশটা দশ। ঘুম থেকে উঠেও মিনিটখানিক ঝিমোতে ঝিমোতে ভেবে যাচ্ছি... হঠাৎ টিভির দিকে তাকিয়ে থাকা বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম, “তোমার কাছে পাঁচশ টাকা হবে?” বলে আর বসে থাকার সাহস ছিল না, সোজা বাথরুমে। তবে মুখটুখ ধুয়ে বেড়িয়েই শুনলাম “কেন লাগবে”... মুখটা আমসি করে জবাব দিলাম “এমনি”।
ঠিক তখনই পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্যটা ঘটল। আর কিচ্ছু জিজ্ঞেস না করে বাবা বলল, “প্যান্টের পকেটে আছে নিয়ে যাও”... প্রায় দুবছর পর বিনা জবাবদিহিতায় এভাবে টাকা পেয়ে বেশ খানিকটা “টাশকিত” হলাম। তবে আর কাল বিলম্ব না করে শার্ট-প্যান্টের মাঝে ঢুঁকে ব্যগটা ঘাড়ে ঝুলিয়েই বেড়িয়ে পড়া হল।

প্রায় এগারোটা দশে নিউমার্কেট লেগুনা থেকে নেমে একটু চিন্তায় পড়লাম; দেখলাম, মার্কেট বন্ধ। তবে নিচের কিছু দোকানপাট খোলা থাকবে ভেবে আজিমপুরের দিকে হাটা শুরু করলাম। কিন্তু এরপরে যে আরও বড় চিন্তায় পড়তে হবে, সেটা আগে ভাবিনি। আজিমপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত আসতে দেখি রাস্তার পাশে মানুষজন মিছিলের জন্যে দাঁড়িয়ে আছে। এদের মাঝে যে কিছু হতদরিদ্র ছেলেমেয়ের দেখা মেলেনি তা নয়, তবে তাঁদের দেখে খুশি-ই লাগছিল; তাছাড়া তাঁরা দলে এতোটাই ভারী যে, পকেটে শীর্ণতা অনুভব করে আর সেদিকে যাওয়ার সাহস হল না।
আজিমপুর থেকে পলাশী, পলাশী থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির, সেখান থেকে বকশীবাজার হয়ে ঢাকা মেডিকেল পর্যন্ত হেটে বেড়িয়েও তেমন কাউকে নজরে পড়ল না। শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে একটা সিগারেট জ্বালিয়ে মুখের বিস্বাদ ভাবটাকে চোখের দৃষ্টি দিয়ে চারপাশে ছড়িয়ে দেয়া হল, তবুও তেমন কেউ নেই.. একপাশের উঁচু একটা জায়গায় ঘাসের উপর একটা মধ্যবয়সী শরীরকে শুয়ে থাকতে দেখা গেলও তার হাব-ভাবে তাকে ঘাঁটতে যাওয়া সুবিধার মনে হল না।

শহীদ মিনার থেকে টিএসসির দিকে হাটা ধরলাম, ততক্ষণে ঘড়িতে প্রায় বারোটা বিশ।
জগন্নাথ হলের পাশের বড় রাস্তায় হাটতে হাটতে মনে হল, হয়তো এখনো কিছুটা সংকোচ রয়ে গেছে...
টিএসসি চত্বর পার হয়ে সোহ্‌রাওয়ারদি উদ্যানের গেটে ঢুঁকে এদিক-ওদিক তাকিয়ে হেটে বেড়াতে শুরু করলাম। গেট থেকে একটু সামনেই একটা গোল চত্বরে কংক্রিটের বেঞ্চের উপর খালি গায়ে গোলাপি রঙের ময়লা প্যান্ট পরা দশ-এগারো বছরের একটা ছেলেকে শুয়ে পড়তে দেখা গেল। সংকোচ চেপে সামনে এগিয়ে চোখে চোখ মিলতেই হাতের ইশারায় ডাকলাম। ছেলেটা উঠে একটু এগিয়ে এসে দাঁড়ালো, তার সারা গায়ে আঁচড় আর কাঁটাছেঁড়া দাগ... আমি জিজ্ঞেস করলাম, “নাম কি?”
সে বলল - মোশারফ করিম।

এই নামটাই হঠাৎ করে আমার বাকি সংকোচটুকু মুছে দিয়ে কৌতূহলী করে তুলল। জেনে নিলাম, তার কেউ নেই, সে মানুষের কাছ থেকে টাকা চেয়ে খায় এবং এই পার্কেই থাকে। আমার সাথে সারাদিন ঘুরবে কিনা জানতে চাইলে সে রাজি হল। ভেবে দেখলাম, মার্কেটে নেয়ার আগে প্রথমে একে গোসল করিয়ে সাফসুতরো করে নেয়া দরকার; তাই গোসল করে কোথায় জানতে চাইলে সে জগন্নাথ হলের পুকুরের কথা বলল, এরপর তাকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম জগন্নাথ হলের দিকে।
রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে জানা গেল মোশারফ করিম নামটা তার বাবার দেয়া, বাবার নাম মোহাম্মদ আলি, মা শাহেদা বেগম। মোশারফের বাড়ি ভোলায়; দুবছর আগে তার বাবা-মা বাস এক্সিডেন্টে মারা যায়, তার কিছুদিন পর ওর বোন পানিতে ডুবে মারা যায়। মোশারফের বাবা ভ্যান চালিয়ে ওদের কাকাসহ একত্র পরিবার চালাতো; বাবা-মা আর বোন মারা যাওয়ার পর মোশারফের কাকারা মোশারফের উপর অত্যাচার শুরু করে, তাই সে ভোলা থেকে লঞ্চে করে ঢাকায় চলে আসে প্রায় এক বছর আগে। মোশারফ করিম বেশ ভালো সাঁতার জানে; জগন্নাথ হল পুকুরে তাকে গোসল করিয়ে যখন রোদে ওর গা শুঁকোচ্ছিলাম, আমার চুলের কাট তার মনে ধরল... তখন তাকে নিয়ে বেড়িয়ে গেলাম সেলুনের সন্ধানে। হলের সেলুন বন্ধ থাকায় চুল কাটতে আবার যেতে হল পলাশী, বুয়েট অস্থায়ী বাজারে; সেখানে ঠিক আমার মতো না হলেও অনেকটা কাছাকাছি হেয়ারকাট দেয়া হল তাকে, নতুন হেয়ার কাট নিয়ে সে খুশি হয়েছে বললেও জিজ্ঞেস করল ঠিক হুবহু আমার মতো চুল কবে হবে...।

এরপর রিকশায় চেপে মোশারফ করিম আর আমি রওনা হলাম নিউমার্কেট; মূল মার্কেট বন্ধ থাকায় রাস্তার পাশের দোকান থেকেই একটা শার্ট, একটা জিন্স আর শীতের জন্য হাল্কা একটা মোটা গেঞ্জি কেনা হল। কিন্তু বেচারির জন্য স্যান্ডেল পাওয়া গেল না; মোশারফ বলল, স্যান্ডেল পায়ে হাঁটতে তার ভালো লাগে না।
কেনাকাটা শেষে নতুন গেঞ্জি পড়ে মোশারফ করিম আমাকে সিভিটার সরবত খাওয়ালো। তারপর তাকে নিয়ে যাওয়া হল হোটেলে; কি খাবে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, “ভাত-টাত হইলেই হয়... যাতে পেট ভরে”। আমি কাচ্চির কথা বললে সে খুশি হয়ে রাজি হল; শুনলাম তার বাবা থাকতে একবার সে ঢাকায় এসে কাচ্চি খেয়েছিল। তবে অর্ডার করার সময় আমার শীর্ণ মানিব্যাগ আবার দুশ্চিন্তায় ফেলল, সাতপাঁচ ভেবে অর্ডার করলাম একটা কাচ্চি আর দুগ্লাস বোরহানি। একটা প্লেট আসতে দেখেই মোশারফ করিম জিজ্ঞেস করল “আপনি খাবেন না ক্যান... কাচ্চি থাক্‌, চলেন ভাত খাই...”। আমি বোরহানির গ্লাসে চুমুক দিয়ে তাকে বললাম পেট ভর্তি, তাই শুধু বোরহানি খাচ্ছি। খাওয়ার মাঝখানে আমি ওকে তোর এই জন্মদিনের ঘটনা বললাম; আমাদের কখনো দেখা হবে না শুনে সে বেশ অবাক হল, বলল- “এইটা কেমন বন্ধু হইল...”। একটু পর সে জিজ্ঞেস করল, তোকে কিছু দেব কিনা... আমি না করাতে সে বলল একটা কেক কিনে ছবি তুলে দিতে; কিন্তু আমার কাছে অতো টাকা নেই শুনে সে বলল, শাহবাগে জন্মদিনের সাইনবোর্ড (প্ল্যাকার্ড/ফেস্টুন টাইপ) পাওয়া যায় সেগুলো কিনতে। তখন আমরা দুজনে মিলে বুদ্ধি করলাম আমরা তোর জন্য একটা পোস্টার বানাবো।
আস্তে আস্তে সময় নিয়ে খেতে বললেও মোশারফ করিম পুরোটা শেষ করতে পারল না, বোরহানি খেয়ে সে বলল, প্রথমবার খেলেও এই জিনিসটা তার খুব ভালো লেগেছে। বোরহানি খেতে খেতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, বড় হয়ে সে কি হতে চায়। সে বলল, পুলিশ। কারন জানতে চাইলে বলল, সে দেখেছে পুলিশের অনেক ক্ষমতা।
খাওয়া শেষ করে আমরা আর্টপেপার আর কালার অফসেট কিনলাম পোস্টার বানানোর জন্য। সে সময় জানা গেল মোশারফ করিম লিখতে ও পড়তে জানে। সে পার্কেই টিডব্লিউডির এক স্কুলে ক্লাস টু এ পড়ে। ওর জন্য একটা ভালো কলম কেনা হল।

ঘড়িতে তখন দুইটা পঞ্চাশ, আর মানিব্যাগে পঁচাত্তর টাকা।
কোথায় গিয়ে পোস্টার বানানো যায় জিজ্ঞেস করলে মোশারফ করিম বলল শিশুপার্কের কথা। কিন্তু পকেটের অবস্থা শুনে সে বলল; আটটাকা টিকিট কেটে শুধু শিশুপার্কে ঢুকলেই হবে, সেখানে বসে পোস্টার বানানো ছাড়াও দোলনা-স্লিপার এইসবে চড়তে পারবে। বুদ্ধি মন্দ নয় ভেবে আবার রিকশায় চড়ে শাহবাগ চলে এলাম। তবে আশুরার ছুটিতে শিশুপার্ক বন্ধ থাকায় আমরা রমনা পার্কে ঢুঁকে বসলাম। প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে কাগজ, পেন্সিল, কাঁচি আর গ্লু স্টিক নিয়ে আমরা জন্মদিনের পোস্টার বানাতে লেগে গেলাম।

আমাদের এই মোশারফ করিম-ও বেশ ভালো অভিনয় জানে। সে একই সাথে চোর, পুলিশ ও ভার্সিটির ছাত্রের ভুমিকায় একক অভিনয় করতে পারে। সে অল্পস্বল্প গানও গাইতে পারে। এই সময়ের দুটো ভিডিও মোশারফ করিম নিজেই আমার মোবাইলে রেকর্ড করে রেখেছে। এসময় জানা গেল মোশারফ করিমের পরিকল্পনা হচ্ছে আপাতত একটা চায়ের দোকানে কাজ নিয়ে কিছুদিন পর নিজের একটা চা-সিগারেটের দোকান দেয়া, আর পড়াশুনা করে বড় হয়ে পুলিশ হওয়া। মোশারফ করিমকে আমি তোর কথাও বলেছি। সে জানিয়েছে; তুই যদি কখনো জামাই নিয়ে এইদিকে আসিস, মোশারফ করিমকে শুধু তোর পরিচয় দিলেই এদিকের কোনও ছেলেপেলে তোদের কাছে টাকা চাইতে এসে বিরক্ত করবে না।

আমরা এইভাবে গান-গল্প আর পোস্টার বানাতে বানাতে সন্ধ্যা ঘনিয়ে ফেললাম। পোস্টারটা দেখে মোশারফ করিম বেশ খুশি হয়েছিল। সে বলেছিল; যদি কখনো পারি, তোকে যেন এই পোস্টারটা পৌঁছে দেই। ততক্ষণে অন্ধকার নেমেছে, আমার টিউশনিতে যাবার সময় হয়ে গিয়ছিল। বেশ কিছু ফাও উপদেশ দিয়ে হাতে পঁচিশ টাকা ধরিয়ে দিয়ে মোশারফ করিমকে আমি ফিরে যেতে বললাম।
একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে সে দৌড়ে একটা রিকশার পিছনে ঝুলে চলে গেল।

তোর জন্মদিনে এমন একটা দিনের অভিজ্ঞতা উপহার দেবার কথা আমি কখনো ভাবতে পারিনি। তুই এমনটা ভাবতে পারিস বলেই তোকে ভালোবাসি। এই দিনটায় মোশারফ করিমের সাথে কাটানো কিছু মুহূর্তের ছবি, মোশারফ করিমের রেকর্ড করা দুটো ভিডিও ক্লিপ আর তোর জন্য তৈরি করা পোস্টারটা আমার কাছে আছে। কিন্তু কে জানে? ...তুই কখনো নিবি কিনা।


তোর জন্মদিনটা শুধু তোর জন্য না; আমার মতো, মোশারফ করিমের মতো আর হাজারো মানুষের জন্য খুশির দিন হোক।।


ছবি

শিমুল হালদার: ফটো পোস্ট করেছে

এ বছরের প্রথম শারদ শুভেচ্ছা...

from my মাখনের ডিব্বাস্‌... :)

শিমুল হালদার বেশটুনটি শেয়ার করেছে

শুভ জন্মদিন (আতশবাজি)(কেক)(আতশবাজি) @Kolpokotha @ShimulHD
সাফল্য তোমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ুক (আতশবাজি)(কেক)(আতশবাজি)

শিমুল হালদার বেশটুনটি শেয়ার করেছে
"শুভেচ্ছাটুকু রেখে দিলাম..."

শুভ জন্মদিন
ফেরিওয়ালার ঝুলি হোক অফুরন্ত আর ঝুলি গ্রহণকারীগণ হোক অজস্র। বারবার আসুক এই দিন তব জীবণে @ShimulHD

শিমুল হালদার: [বাঘমামা-যাইগা] *বিছানাকান্দি* ঘুরে আসি... @Rashida4আপু আর @Nipusenদা-র কথা মনে পড়বে... @motalibkhokanভাইয়া আর @SaraMeridaপু এলেন, অথচ এ অধম যথারীতি অসময়ে পগারপাড়...(মাইরালা) যাকগে, অন্যদিন আবার কথা হবে... (খুকখুকহাসি)

শিমুল হালদার: [বাঘমামা-ধইরালাইছি]বেশতোয় কাকে যেন বলেছিলাম "...একসময় ডেকে কথা বলব", কিন্তু তাঁকে ঠিক মনে পড়ছে না। হঠাৎ করে এখন কেন যেন তাঁর সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে... মানবচরিত্র বড়ই বিচিত্র... হে হে...

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৯,১৫০

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

***

+ আরও