মুহাম্মাদ আবদুল গণি

@agonirajshahi

মা হারা সন্তান
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1375012761000  থেকে আমাদের সাথে আছে

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভূমিকা : আফ্রিকার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন ড. কোয়ামে নক্রুমা। তিনি ঘানার স্বাধীনতা আন্দোলনের স্থপতি । তার দক্ষ নেতৃত্ব ও দূর্বার আন্দোলনে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ঘানার স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হয়। নক্রুমা ছিলেন ঘানা প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপাতি। যিনি একাধারার শিক্ষক, লেখক, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ, শাসক ছিলেন। ঘানার স্বাধীনতার ইতিহাসে ড. নাক্রুমার নাম অবিচ্ছেদ্য হয়ে থাকবে।
ড. নক্রুমার প্রাথমিক পরিচয় :
ড. নক্রুমা আইভোরিকোস্টের সীমান্তবর্তী এনজিমা অঞ্চলের এনক্রফুল নাম ক্ষুদ্র গ্রামে ১৯০৯ সালে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পুরো নাম কোয়ামে নক্রুমা। তাঁর খ্রিস্টান নাম দেয়া হয়েছিল ফ্রান্সিস। তার পিতা কফি নগোনলোমা ছিলেন একজন স্বর্ণকার আর মাতা এলিজাবেথ ন্যানিবা ছিলেন দোকানদার। নক্রুমার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় স্থানীয় মিশন স্কুলে। এর পর তিনি আক্রার আচিমোতা কলেজে অধ্যায়ন করেন। তিনি আমেরিকার পেনসিলভেনিয়ার লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ ও এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীকালে নক্রুমা ইংল্যান্ডের স্কুল অব ইকোনোমিক্স থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি হেলেনা রিজট ফাথিয়াকে বিয়ে করেন।

‪#‎ঘানায়‬ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ড. নক্রুমার ভূমিকা :
ঘানায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ড. নক্রুমার ভূমিকা অনস্বীকার্য। নিচে তা আলোচনা কর হলো-
১। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বিপ্লবের ধারণা প্রদান :
ড. নক্রুমা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত ও সমাজতন্ত্রের দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে ১৯৪৭ সালে ডিসেম্বর মাসে ইংল্যান্ড হতে গোল্ডকোস্টে (ঘানায়) প্রত্যাবর্তন করে। দেশে ফিরে তিনি ইউনাইটেড গোল্ডকোস্ট কনভেনশনের সদস্যসচিব নিযুক্ত হন। তিনি বলেন “গোলকোস্ট বিপ্লবের ফলে গোটা আফ্রিকায় বিশেষত পশ্চিম আফ্রিকায় মুক্তি তরান্বিত হবে।” এই বক্তব্যে ব্রিটিশ শাসন বিরোধিতার স্পষ্ট ইঙ্গিত বিদ্যমান। ব্রিটিশ শাসন বিরোধী প্রচারণা অভিযোগে তাকে গোল্ডকোস্ট কনভেনশন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
২। রাজনৈতিক দল গঠন :
ড. নক্রুমা ১৯৪৯ সালে জুন মাসে “কনভেনশন পিপলস পার্টি” ও কমিটি অন ইয়ূথ অর্গানাইজেশন প্রতিষ্ঠা করেন। নক্রুমা ও তার দল দেশের শ্রমিক,কৃষক, যুবক, মহিলা সবার সমর্থন আদায়ে সক্ষম হন।
৩। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদান : 
১৯৪৯ সালে ডিসেম্বর মাসে কাঙ্খিত স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ইতিবাচক কর্মসূচি গ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে ঔপনিবেশিক সরকারের দমননীতির প্রতিবাদে নক্রুমার দল কনভেনশন পিপলস পার্টির নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। রাজধানী আক্রায় বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশে গুলি বর্ষণ করলে ২৯ জন আফ্রিকান নিহত হয়।
৪। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সদর দপ্তরে দাবি পেশঃ
মিছিলে কর্মি হত্যার প্রতিবাদে ড. নক্রুমার ইংল্যান্ডে ঔপনিবেশিক সদর দপ্তরে তার দাবি সম্বলিত পত্র টেলিগ্রাম করেন। তাঁর দাবিগুলো ছিল-
দাবি-১ : অবিলম্বে গভর্ণরকে পদচ্যুত করতে হবে।
দাবি-২ : ঘানায় (গাল্ডকোস্টে) স্বায়ত্বশাসন অবিলম্বে দিতে হবে।
দাবি-৩ : ভবিষ্যৎ ঘানার সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কমিশন গঠন করতে হবে।
৫। ড. নক্রুমাকে নির্বাসনে প্রেরণ :
ড. নক্রুমার দাবি অগ্রাহ্য করে ১৯৫০ সালে ফেব্রুযারি মাসে ঘানার গভর্ণর দেশে জরুরী অবস্থা জারি করে এবং ড. নক্রুমা সহ ব্রিটিশ বিরোধী কয়েকজন নেতাকে বন্দী ও নির্বাসন দেয়া হয়। কিন্তু নক্রুমাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে গণঅসন্তোষ আরও প্রবল হয়।
৬। ড. নক্রুমার দাবির আংশিক বাস্তবায়ন 
ড. নক্রুমার দাবির প্রেক্ষিতে ঔপনিবেশিক শাসক আফ্রিকানদের সমন্বয়ে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করে। গভর্ণর পদে রদবদল হয়। গোল্ডকোস্টে নতুন গভর্ণর হয়ে আসেন চার্লস আর্ডেন ক্লার্ক।
৭। গভর্ণরের সাথে সংলাপ:
নতুন গভর্ণর ক্লার্ক নক্রুমাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিরসনে গভর্ণর তাকে গভর্ণর হাউসে সংলাপের আহবান করেন। এই সংলাপে ড. নকুমা গভর্ণর কর্তৃক ঘানার জনস্বার্থ বিরোধী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। 
৮। নক্রুমারের কারাবরণ :
১৯৫০ সালে সংলাপ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলে ড. নক্রুমার সারাদেশে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেন। সারকার তাকে গ্রেফতার করে ২ বছরের কারাদন্ড প্রদান করে। এই পরিস্থিতিতে নতুন সংবিধান রচিত হয়।
৯। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ ও কারমুক্তি:
১৯৫১ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ড. নক্রুমা কারাবন্দি থাকা অবস্থায় গোল্ডকোস্টে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি কারাগারে থেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। ড. নক্রুমার দল “কনভেনশন পিপলস পার্টি” ৩৮ টি আসনের মধ্যে ৩৪ টি আসন লাভ করে। নির্বাচনের ফলাফলে বিস্মিত হয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তাকে কারামুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
১০। প্রথম নির্বাচিত সরকার গঠন :
সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত দল “কনভেনশন পিপলস পার্টি কে ব্রিটিশ সরকার স্বাধীন সরকার গঠনের অনুমতি প্রদান করে। ড. নক্রুমার নেতৃত্বে গোল্ডকোস্ট প্রথম নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়। নক্রুমা প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন অব্যহত রাখেন।
১১। গণভোটে নির্বাচিত :
১৯৫৪ সালে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ সংবিধান সংশোধন করে গোল্ডকোস্টের সার্বভৌমত্ব দ্রুত ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ১৯৫৬ সালে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ গোল্ডকোস্ট ও টগোল্যান্ডের স্বাধীনতা প্রদানের বিষয়ে জনমত যাচাই করতে গণভোট দেয়। এই গণভোটে ড. নক্রমার স্বাধীনতা প্রত্যাশীদের পক্ষে জয়ী হন।
১২। স্বাধীনতা অর্জন :
১৯৫৭ সালে ৬ মার্চ গোল্ডকোস্ট ও টগোল্যান্ড ”ঘানা” নাম ধারণ করে স্বাধীনতা অর্জন করে। এসময় জনগণ ড. নক্রুমাকে ‘ঘানার ঈগল’ ‘ঘানার বিরাট পুরুষ’ ‘ঘানার সিংহ’ প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৬০ সালে ড. নক্রুমা ঘানাকে “রিপাবলিক অব ঘানা” ঘোষণা করেন। 
উপসংহার ঃ 
ঘানায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও স্বাধীনতা অর্জনে ড. কোয়ামে নক্রুমা এর অবদান বিশ্ব ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৬০ সালে তিনি ঘানায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেন। ক্রমান্বয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন এবং ঘানার স্বাধীনতার মহানায়ক হয়ে উঠেন স্বৈরাচারী শাসক। তার স্বৈরশাসনের অবসানের জন্য সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে ১৯৬৬ সালে। তিনি ১৯৭২ সালে মারা যান।
বিষয় : ইতিহাস (ঔপনিবেশিক আফ্রিকার ইতিহাস)

*ইতিহাস* *স্টাডি*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইট-পাথর-সিমেন্ট-বালু আর টাইলস্ এর শহীদ মিনার ফুল মালা দিয়ে কী লাভ....
এর চেয়ে ভাল কিছু কি আমরা করতে পারি না?
শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাভাষার রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে। কিন্তু সেই শহীদ রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত শফিউর দের মত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আমরা একটি দিবসে শুধু ফুল দিয়ে কথিত শ্রদ্ধা জানাচ্ছি....
কিন্তু বাস্তবতা বড়ই কঠিন....
আমরা কী ভাষা শহীদদের পরিবারের খোঁজ-খবর রাখি। তারা কিভাবে দিনাতিপাত করে...তাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়া হয়েছে কিনা? আমরা সেই জাতি ...যারা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে পৃথিবীতে এর নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।
আচ্ছা একটা কাজ করলে কেমন হয়....
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়/সমাজকলাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা যে প্রতিষ্ঠানের নাম হবে
“ভাষা শহীদ পরিবার কল্যাণ ট্রাস্ট”
এই ট্রাস্টের মাধ্যমে সরকার ভাষা শহীদ পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন।
অর্থের উৎস : ফুল দিতে গেলে পাঁচ টাকার নিচে গোলাপ ফুল হয় না....শহীদ মিনার নির্মাণের প্রকল্প পাঁচ লাখ টাকার নিচে হয় না। কিন্তু পাঁচ পয়সাও উপকার হয় না....ভাষা শহীদদের ও শহীদ পরিবারগুলোর।আচ্ছা ঐ ট্রাস্টকে প্রতি একুশে ফেব্রুয়ারিতে ষোল কোটি জনগন যদি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালবাসার স্বরূপ হিসেবে 1 (এক) টাকা ডোনেট করি তাহলে তা বার্ষিক ষোল কোটিতে দাঁড়াবে। 
কিভাবে সংগ্রহ কর যাবে : এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটর রা ভূমিকা রাখতে পারে যে প্রতি গ্রাহকের কাছে 1 (এক)টাকা ব্যালেন্স থেকে কেটে ট্রাস্টে জমা দিতে পারে।এছাড়া অফিস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পৃষ্টপোষকতায় অফিসার-অন্যান্যদের নিকট থেকে অর্থের যোগান আসবে।
একুশ অজুহাতে কত শ্রেণির লোক নিজেদের স্বার্থে অনেক কাজ করে, লেখক বই লেখে, প্রকাশক বই প্রকাশ করে, সরকারি আমলা আর রাজনীতিবিদরা নিজেদের সুবিধা নিয়ে নেয়....শহীদ মিনার প্রকল্পে প্রকৌশলী/ ঠিকাদাররা নিজেদের সুবিধা বুঝে নেন। কিন্তু ভাষা শহীদ পরিবারের কী উপকার হয়....শুধু মরণোত্তর একুশে পদক দিয়ে দায়িত্ব খালাস....ছি আমাদের নেতৃত্ব আর নীতি নির্ধারকরা এতটা অকৃতজ্ঞ।
*অমরএকুশ*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

18 ফেব্রুয়ারি কে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়....পালন করে শিক্ষক দিবস, হুজুগে রা পালন করে জোহা দিবস হিসেবে....আমার মতে এটা ইতিহাস বিকৃত করণ দিবস।....কালকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গিয়েছিলাম....দেখলাম....ড. জোহার মাজার টা পুষ্পস্তাবকে ভরে আছে......অপর দিকে গত পরশু টিকাপাড়া গোরস্তানে গেছিলাম....মাত্র চার-পাঁচটা পুষ্পস্তাবক আছে...ঐ একই দিনে শহীদ তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা...শহীদ নূরুল ইসলামের সমাধীতে... আজকে আমাদের একটা স্বভাব হয়ে গেছে তেলে মাথায় তেল দেওয়া.....ড. জোহা ছিলেন...রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক....তাই এত কদর...এত নাম...আর আরে..সবচেয়ে দুঃখজনক হলেও সত্যি...
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেখা যায়....বিশেষ করে রা.বি সাবেক ভিসি প্রফেসর আব্দুল খালেক সাহেব কে...আমার যিথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে.....উনি কখনো গবেষকের দৃষ্টিকোণ থেকে 1969 এর 18 ফেব্রুয়ারি রাজশাহী শহরের ঘটনাগুলোকে দেখেছেন কি না।
আমি সাধারণ ছাত্র...অনার্স লেভেলের.....
কিন্তু 18 ফেব্রুয়ারি আসলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেখা যায়....তারা ড. জোহাকে নিয়ে....অনেক কলাম লেখেন....পত্রিকায়.....তাতে আমি গবেষণার ছিটেফোটাও দেখি না.....
কারণ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রামাণ্য রেফারেন্স বুক ...“বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিল পত্র ” এর থেকে ইতিহাস তুলে নিয়ে আসা হয় না।
আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ সকল মহান! শিক্ষকদের প্রতি প্রশ্ন করতে চাই...
1. ড. জোহা কোন দলের লোক ছিলেন?
2. ড. জোহা কেন ছাত্রদের আন্দোলনে বাঁধা দিতে আসলেন?
3. ড. জোহার পরিবার কি সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ নিয়েছিলেন?
4. 18 ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর ঘটনা নিয়ে তৎকালীন পাকিস্তান গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টে কার কথা উল্লেখ ছিল?
5. রাজনৈতিক আন্দোলনে একজন প্রক্টরের গুরুত্ব বেশি না একজন রাজনৈতিক আন্দোলনের কর্মির গুরুত্ব বেশি?
6. সিটি কলেজ তো তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল....তাহলে কেন আপনারা ছাত্র-শিক্ষক দিবস পালন করেন না....নূরুল ইসলাম তো সিটি কলেজের ছাত্র ছিল?
7. আপনার কলাম লেখার সময় যারা প্রত্যক্ষভাবে আন্দোলনে জড়িত ছিল...তাদের বক্তব্য গ্রহণ করে লেখেন?
8. তৎকালীন পত্রপত্রিকা....পরবর্তী সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত কলামগুলো পড়ে লেখেন।
9. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ (দলিল পত্র) দ্বিতীয় খন্ড কী পড়েছেন?
10. "Please don't open fire; my student will go back now" এটা কী কোন বিপ্লবাত্মক ভাষা না অফিসিয়াল প্রক্টোরের ভাষা?
11. আর ছাত্ররা কেন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন থেকে বিরত থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে যাবে?
12. ছাত্ররা তো ড. জোহার কথা তো শুনেই নি...বরং...দেওয়াল টপকে....কেরোসিন দিয়ে পাক আর্মির গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছিল....আমার প্রশ্ন ছাত্ররা কেন শুনলো না তার কথা?
13. বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে...কাদের বেশি অবদান সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীদের না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের?
*ইতিহাস* *কুবুদ্ধিজীবি* *আমলা* *বিকৃতইতিহাস* *অকৃতজ্ঞতা*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একজনকে সুপারিশ করেছে "বেশতো তে বেশতো পার্সনা ....মমিতা আফরিন বেশতো বন্ধুরা একে ফলো করুন ......@momita"

♦ মমিতা ♦

@momita

ঝগড়াটে, অশান্ত রাগী, অহংকারী এবং ভীষণ আবেগপ্রবণ একজন
৪৩৬ জন ফলো করছে

মুহাম্মাদ আবদুল গণি বেশটুনটি শেয়ার করেছে
"*ভালবাসা*"

নিজে ভালো থাকা মানেই ভালো নয় ভালো থাকা মানে হল সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: [পিরিতি-আগডুমবাগডুম] মানবিক আচরণের দ্বারা সৃষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত সম্পর্কের সৌন্দর্য আর স্থায়ীত্ব নষ্ট করে ১। অবিশ্বাস ২। অবহেলা ৩। ক্রোধ

*ভালবাসা* *রিলেশন* *রোমান্স* *ভ্যালেন্টাইন্সডে*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিসিএস পরীক্ষার গনিত সিলেবাসঃ১৫ নাম্বার ১। বাস্তব সংখ্যা, ল.সা.গু,গ.সা.গু, শতকরা,সরল ও যৌগিক মুনাফা,অনুপাতও সমানুপাত, লাভ ও ক্ষতি। = ০৩ নাম্বার ২। বীজগাণিতিক সূত্রাবলি,বহুপদী উৎপাদক , সরল ও দ্বিপদী সমীকরণ, সরল ও দ্বিপদী অসমতা, সরল সহসমীকরণ।= ০৩ নাম্বার ৩। সূচক ও লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধরা। =০৩ নাম্বার ৪।রেখা, কোণ, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য , বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য, পরিমিতি-সরল ক্ষেত্র ও ঘনবস্তু= ০৩ নাম্বার ৫।সেট, বিন্যাস ও সমাবেশ পরিসংখ্যান্ব সম্ভাব্যতা= ০৩ নাম্বার বাংলাঃ ৩৫ নম্বরঃ বাংলার সিলেবাসে দুটি অংশ। ভাষা – ১৫ নম্বর, সাহিত্য – ২০ নম্বর। ভাষাঃ ১৫ নম্বর প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্যশুদ্ধি, পরিভাষা, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দঃ এগুলো এইচএসসির যে কোন ব্যাকরণ বইয়ে আছে। এর মধ্যে ‘ভুল-শুদ্ধি’ আর ‘পরিভাষা’ আগের সিলেবাসে লিখিত পরীক্ষায় ছিল। তাই আগের বাংলা বিসিএস লিখিত পরীক্ষার গাইড (যে কোনটা) দেখতে পারেন। অবশ্যই লিখিত পরীক্ষায় যে বাক্যশুদ্ধি আর পরিভাষা এসেছিল, সেগুলো আগে দেখুন। সিলেবাসে ‘বানান ও বাক্যশুদ্ধি’ আছে। তো এর জন্য এইচএসসির ব্যাকরণ বই তো দেখবেনই। সেই সাথে অবশ্যই নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ডের ব্যাকরণ বই থেকে কয়েকটা অধ্যায় দেখতে পারেনঃ ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান, বাক্য (বাক্যের গুণ মানে আকাংক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতার চাপ্টারটা), বচনের চাপ্টারেও কিছু নিয়ম আছে। ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়, সন্ধি, সমাস: এগুলোর জন্য নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ডের ব্যাকরণ বই যথেষ্ট। এখন কথা হলো – সিলেবাসে এই কয়টা জিনিস নির্দিষ্ট করে দেয়ায় একটা ধোঁয়াশা তৈরি হল। সিলেবাসে ‘শব্দ’ উল্লেখ আছে। এর মানে কি? শুধু শব্দের চাপ্টার নাকি শব্দতত্ত্ব বলতে ব্যাকরণে যা বুঝায় সেটা? আবার লক্ষ্য করুন প্রত্যয়, সমাস এগুলো উল্লেখ আছে। এগুলো দিয়ে কিন্তু শব্দই তৈরি হয়। কিন্তু উপসর্গ, বচন, লিঙ্গ এগুলো উল্লেখ নাই। এগুলোও শব্দতত্ত্বেরই অধীনে। আর আগের প্রিলিমিনারি প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, উপসর্গ, বচন এগুলো থেকে অনেক প্রশ্ন এসেছে। তাই এখানে কি পড়বেন সেই সিদ্ধান্তে একটু জটিলতা আছে। তো আমার পরামর্শ হল – আগে সরাসরি যেগুলো উল্লেখ আছে, সেই চ্যাপ্টারগুলো পড়ুন, তারপর সেই সাথে এগুলোর সাথে সম্পর্কিত জিনিসও অবশ্যই পড়তে হবে। ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ স্থান, ধ্বনি পরিবর্তন, শব্দ, শব্দের শ্রেণীবিভাগ (উৎপত্তি, গঠন ও অর্থ অনুসারে), পদ, বাক্য, প্রত্যয়, সন্ধি, সমাস এগুলোর জন্য আলাদা আলাদা চ্যাপ্টার নবম-দশম শ্রেণীর বইটায় আছে। আর এর সাথে সম্পর্কিত চাপ্টারগুলোও বাদ দেয়া যাচ্ছে না। তার মানে কি? আমার দৃষ্টিতে এর মানে হলো – এই অধ্যায়গুলোর গুরুত্ব বেড়ে গেল। আর আপনি নিশ্চয়ই এতদিনে আগের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করেছেন। সেই আলোকে অন্য অধ্যায় গুলোও পড়ুন। সাহিত্যঃ ২০ নম্বর সাহিত্যের জন্য আমার পছন্দের বই – সৌমিত্র শেখরের ‘জিজ্ঞাসা’। সিলেবাসে সাহিত্যের জন্য আবার ২টা অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগ-৫ নম্বর, আধুনিক যুগ (১৮০০ থেকে বর্তমান)-১৫ নম্বর। এখন আগের রিটেনের সিলেবাসে বাংলার সাহিত্যের কিছু জিনিস উল্লেখ ছিল। এগুলো হলো (আমি আগের সিলেবাসটা থেকে কপি করে দিলাম) – চর্যাপদ, মঙ্গল কাব্য, রোমান্টিক কাব্য, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মধুসূদন, মীর মশাররফ হোসেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দীনবন্ধু মিত্র, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদদীন, বেগম রোকেয়া, ফররুখ আহমেদ, কায়কোবাদ, আধুনিক ও সমসাময়িক কালের কবি, লেখক ও নাট্যকার। এখানে ১১ জন কবি-সাহিত্যিকের নাম সরাসরি দেয়া ছিল। আর সাথে আধুনিক ও সমকালীন কবি, সাহিত্যিকদের কথা উল্লেখ ছিল। এখন ২৭-৩৪ বিসিএসের প্রিলি প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখবেন বাংলার ২০ নম্বরের মধ্যে এগুলো থেকে ১৫ টার মত আসত। তাই এগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন ছিল। তো ৩৫-তম বিসিএসের জন্য লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত সিলেবাস এখনো দেয়নি। যদি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ১৫ দিন আগেও (মানে প্রশ্ন করার সময় হিসেবে বলছি) লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত সিলেবাস দেয়, তাতে এরকম কয়েকজন কবি-সাহিত্যিকের নাম সরাসরি থাকার কথা। তাহলে সেগুলোই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর এখন আগের সিলেবাসের এই ১১ জনের সবকিছু পড়ে ফেলুন। আর আধুনিক ও সমকালীন কবি, সাহিত্যিকদের মধ্যে আগের প্রশ্ন দেখে বাছাই করুন – কারা গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকজনের নাম চোখ বন্ধ করেই বলে দেয়া যায় – শামসুর রাহমান, শহীদুল্লাহ কায়সার, জহির রায়হান, মুনির চৌধুরী, সুফিয়া কামাল, সেলিম আল দীন, সেলিনা হোসেন, নির্মলেন্দু গুণ এরকম আরো অনেকেই। আমি এই মুহূর্তে যা মাথায় আসল, তাঁদের নামই লিখলাম। মানে এখানে আরও অনেকেই আসবে। আর যদি কোন কবি, সাহিত্যিক সাম্প্রতিক সময়ে মারা যান, তাঁর তথ্য যে কোন পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপুর্ণ। এছাড়া আগের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাসটায় বড় একটা ফাঁক ছিল। সেটা হলো – প্রমথ চৌধুরী (চলিত ভাষায় অবদানের জন্য যাকে যে কোন বাংলা বিশেষজ্ঞ অনেক উপরে রাখেন), শরৎচন্দ্র (উপন্যাসকে যিনি দুপুরের ঘুমের ঔষধ বানিয়ে দিয়েছিলেন), ৩-বন্দ্যোপাধ্যায় (মানিক, বিভূতি, তারাশংকর), কবিতার পঞ্চ-পাণ্ডব (জীবনানন্দ, বুদ্ধদেব, সুধীন্দ্রনাথ, বিষ্ণু দে, অমিয় চক্রবর্তী), সুকান্ত ভট্টাচার্য – এরা ছিল না। কিন্তু এদের থেকে প্রশ্ন সব সময়ই আসত। তাই এদেরকে হেলাফেলা না করাই উচিত। পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যে জীবনানন্দ আর বুদ্ধদেবের সব কিছু পড়ে ফেলুন, এরা বাংলাদেশের (পূর্ববংগের) মানুষ ছিলেন। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি বাংলা সাহিত্যে আলট্রা-রোমান্টিসিজম থেকে বের হয়ে বাস্তব জীবনের ছোঁয়া দিয়েছিলেন। আর মানিকের লেখায় পূর্ববাংলা গুরুত্ব পেয়েছিল। তাই মানিকের সব কিছু পড়ে ফেলা উত্তম। শিশু সাহিত্যের কথা ধরলে সুকুমার রায় বাংলার একাধিপতি। তাঁর সম্পর্কেও পড়া উচিত। বিসিএস ইংরেজি সিলেবাসঃ English Language and Literature Total Marks: 35 PART- I : Language 20 A) Parts of Speech: →The Noun: →The Determiner →The Gender →The Number →The Pronoun →The Verb: The Finite: transitive, intransitive The Non-finite: participles, infinitives, gerund →The Linking Verb →The Phrasal Verb Modals →The Adjective →The Adverb →The Preposition →The Conjunction B) Idioms & Phrases: →Meanings of Phrases →Kinds of Phrases →Identifying Phrases C) Clauses: →The Principal Clause →The Subordinate Clause: →The Noun Clause →The Adjective Clause →The Adverbial Clause & its types D) Corrections: →The Tense →The Verb →The Preposition →The Determiner →The Gender →The Number Subject-Verb Agreement E) Sentences & Transformations: →The Simple Sentence →The Compound Sentence →The Complex Sentence →The Active Voice →The Passive Voice →The Positive Degree →The Comparative Degree →The Superlative Degree F) Words: →Meanings →Synonyms →Antonyms →Spellings →Usage of words as various parts of speech →Formation of new words by adding prefixes and suffixes G) Composition: →Names of parts of paragraphs/letters/ applications PART- II: Literature- 15 English Literature: →Names of writers of literary pieces from Elizabethan period to the 21st Century. →Quotations from drama/poetry of different ages. অন্যান্য বিষয় খুব তাড়া তাড়ি দেয়া হবে। আমাদের পাশে থাকেন।
পোষ্টটি লিখেছেন: Ayon Chowdhury

http://bhinno.com/archives/11002
*শিক্ষা* *বিসিএস* *সরকারিচাকুরি*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাস্টার্স ডিগ্রি ঢালাওভাবে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার পক্ষে নয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম কেবল বাছাই স্নাতকদের জন্য উন্মুক্ত রাখার সুপারিশ করেছে উচ্চশিক্ষা তদারককারী প্রতিষ্ঠানটি। ইউজিসির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে (৪১তম বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৪) এই সুপারিশ করা হয়। প্রতিবেদনটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় সংসদের আসছে অধিবেশনে এই সুপারিশমালা তোলা হবে বলে জানা গেছে। সুপারিশে বলা হয়, চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি ‘প্রান্তিক ডিগ্রি’ হিসেবে গণ্য হয়। তাই মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুধু মেধাবী স্নাতকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই নীতি অনুসরণ করছে না উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ফলে মাস্টার্স পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার কাঙ্ক্ষিত গুণগত মান নিশ্চিত করা যেমন সম্ভব হচ্ছে না, তেমনি উচ্চমানের শিক্ষা লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সত্যিকারের মেধাবীরা। ইউজিসি তার পর্যবেক্ষণে জানায়, অনেক সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা কিংবা যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক নেই। তার পরও মাস্টার্স ডিগ্রি কোর্স চালু করা হয়েছে। এসব কারণে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাস্টার্স পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষাদান হচ্ছে না। সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রতিষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্টার্স প্রোগ্রাম সীমিত রাখার সুপারিশ করে ইউজিসি। উচ্চশিক্ষা তদারককারী প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবছর দেশের সদ্য স্নাতক ডিগ্রিপ্রাপ্ত সেরা শিক্ষার্থীরা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার জন্য দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। তাদের বেশির ভাগই আর দেশে ফেরেন না। ফলে এসব মেধাবী তরুণের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। সেই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে দেশে এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে গবেষণার উৎকর্ষ সাধন। মেধাবী স্নাতকদের দেশেই পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষা নিতে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে উচ্চতর গবেষণার সুযোগ-সুবিধা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় বৃত্তি প্রবর্তন করা প্রয়োজন বলে মনে করে ইউজিসি।
ইউজিসির এই সুপারিশ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামান বলেন, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করা সমীচীন নয়। কারণ সেখানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ থাকে না। তবে শিক্ষা সংকুচিত হয় এমন উদ্যোগ গ্রহণ করাও ঠিক হবে না বলে মনে করেন তিনি। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, “আমি চাইব, শিক্ষা যাতে দিন দিন প্রসার লাভ করে এমন উদ্যোগ নেয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষা লাভের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করতে হবে।”
*শিক্ষা*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনার সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, পড়া মনে রাখতে না পারা। সাধারণত অতিরিক্ত লেখাপড়ার চাপে তাদের এই সমস্যা হয়ে থাকে। দেখা যায় যে অনেক পরিশ্রম করে পড়া মুখস্ত করে পরীক্ষা দিতে গেলেন, কিন্তু পরীক্ষা হলে গিয়ে সব বেমালুম ভুলে বসেছেন। তাই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায় হিসেবে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে হবে। আসুন জেনে নিই সহজ কয়েকটি উপায়, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং পড়া অনেকক্ষণ মনে রাখতে সাহায্য করবে।

মনোযোগ তৈরি করাঃ মানুষের সমস্ত ক্রিয়াই নিয়ন্ত্রণ করে মন। আর মনটিকেই প্রথমত বুঝিয়ে নিতে হবে যে এখন আমি এই কাজটি করব এবং এই কাজটি আমাকে মনে রাখতে হবে। তাই পড়ার বিষয়ে আগে মনোযোগ বসিয়ে নিতে হবে। যে পড়াটি পড়বেন সেই পড়াটিতে মনোযোগ স্থাপন করতে হবে।
মেডিটেশন করে নিনঃ পড়াশোনায় মনোযোগ পুরোপুরি বসাতে চাইলে ব্রেন থেকে যাবতীয় যত চিন্তা তা মুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ব্রেনটিকে রিফ্রেশ করতে হবে। এর জন্য মেডিটেশন সবচেয়ে উপযোগী। মেডিটেশন ব্রেনকে সতেজ ও চিন্তামুক্ত করে তোলে এবং এর কাজ করার ক্ষমতাকে হাজার গুল বাড়িয়ে দেয়। এর জন্য স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তুলতে মেডিটেশন করে নিতে পারেন।
জটিল টপিকগুলো বারবার পড়ুনঃ মনে রাখার জন্য ছোটবেলা থেকেই বারবার পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে বলেন বাবা মায়েরা। একটি বিষয়ে অনেক জটিল টপিক থাকতে পারে। এই জটিল টপিকগুলো একবার পড়ে মনে রাখা সম্ভব না। তাই এই ধরনের জটিল টপিকগুলো বারবার পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রয়োজনে অবসর সময়ে তা আওড়াতে পারেন। এতে বিষয়টি মনে থাকবে বেশি।
বাস্তবের সাথে মিলিয়ে পড়ুনঃ কোনো কিছু মনে রাখার জন্য তা যদি বাস্তব কোনো বিষয়ের সাথে মিলিয়ে পড়া যায় তাহলে তা অনেক বেশি মনে থাকে। এজন্য যতটা সম্ভব বাস্তব কোনো বিষয়কে উদাহরণ হিসেবে ধওে পড়াটি মুখস্ত করুন।
পড়াটি কাউকে বোঝানঃ স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে বা পড়াটি মনে রাখতে সবচেয়ে উপযোগী মাধ্যম হল যে পড়াটি আপনি পড়েছেন তা অন্যকে যদি বুঝিয়ে বলা। এমন অবস্থাতে আপনি যদি কাউকে কোনো জটিল বিষয় বুঝিয়ে বলেন যেমনটা টিচাররা স্টুডেন্টদের বুঝিয়ে থাকেন তাহলে বিষয়টি আপনার ব্রেনে এমনভাবে গেঁথে যাবে যা কখনই আপনি ভুলবেন না।
এভাবেই পড়তে পারলে অবশ্যই এই পদ্ধতি আপনাকে আপনার পড়া মনে রাখতে সাহায্য করবে।

*স্মৃতি*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: http://www.gobanglabooks.com/2015/05/bangla-translation-wings-of-fire.html

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: *প্রেম* ami chekar ashepase ghorafera korchi....cheka khea jeteo pari....(মনখারাপ)

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: http://www.grontho.com/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D/

*শোকেরমাস* *বঙ্গবন্ধু* *সাহিত্য*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 পছন্দের ভার্সিটিতে এডমিশন টেস্টের রেজাল্টে অনেক সময় আমরা কাংখিত সাবজেক্ট পাইনা । শুধুমাত্র নামকরা ভার্সিটিতে পড়তে ইচ্ছুক এ কারণে অনেকেই তারপরেও অপছন্দের সাবজেক্টে ভর্তি হয়। এটি কি ক্যারিয়ারের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে ? বা তার করণীয় কি হতে পারে ?
*কাউন্সেলিং* *ক্যারিয়ার* *ভার্সিটিলাইফ* *ক্যারিয়ারটিপস*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৪১৫

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

+ আরও