আমিদেবদুত

@amiedebdoot

Guardian Angels
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1408440563000  থেকে আমাদের সাথে আছে

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ছিল একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে আদালতের রায়েও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কথা উঠে আসেনি। আদালতের রায়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে সমগ্র সেনাবাহিনী জড়িত ছিল না। জড়িত ছিল সেনাবাহিনীর চাকরিরত ও চাকরিচ্যুৎ ১০-১২ জন মেজর পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ২টি ইউনিট এই বর্বরতায় অংশ নেয়। অন্যদিকে, এদেশীয় মূল চক্রান্তকারী বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোশতাক সরকার ও সরকারের বাইরে গুটিকয়েক মন্ত্রী এবং আমলা বঙ্গবন্ধু সরকার উৎখাত ষড়যন্ত্রে বিপথগামী সেনা কর্মকর্তাদের মদদ দেয়। আর স্বাধীনতাবিরোধী আন্তর্জাতিক চক্র তাদের এদেশীয় দোসররাই যে বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এবং পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টোর চক্র বাংলাদেশের স্বাধীনতারই শুধু বিরোধিতা করেনি, স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে বিশ্ব মানচিত্রে টিকে থাকতে না পারে তারও চক্রান্ত করেছিল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এবং পাকিস্তানের ভুট্টো যে বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল এর প্রমাণ রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রবল প্রতাপশালী দেশের বিরোধিতা সত্ত্বেও মাত্র ৯ মাসের যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। কিসিঞ্জারের সাবেক স্টাফ এ্যাসিস্ট্যান্ট রজার মরিস এক সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের নেতা শেখ মুজিবের প্রতি তার (কিসিঞ্জার) ঘৃণার কথা স্বীকার করেছেন। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে কিসিঞ্জার তার ব্যক্তিগত পরাজয় বলে মনে করতেন। আমেরিকা ও তার অনুগ্রহভাজন পাকিস্তানকে সত্যিকারভাবে পরাজিত করে বঙ্গবন্ধুর বিজয় ছিল আমেরিকার শাসকবর্গের পক্ষে অত্যন্ত বিব্রতকর - বাংলাদেশ দি আনফিনিশড রেভুলিউশন, লরেন্স লিফসুলজ (পৃষ্ঠা-১৩৬-১৩৮)। ১৯৭৯ সালে মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফসুলজ স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পেছনে সিআইএ’র হাত ছিল এবং মার্কিন সরকারের উচিত এটি তদন্ত করে দেখা। মুজিব হত্যায় সিআইএ সংশ্লিষ্টতার মার্কিন দলিলপত্রই এ বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে। ১৯৭২ সাল থেকে ফারুক নিয়মিতভাবে মার্কিন মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। এমনকি ১৯৭৪ সালে তিনি মার্কিনীদের কাছে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা পেশ করেন। ১৯৯৩ সালে মার্কিন শিক্ষাবিদ ও লেখক স্টেনলি উলপার্ট তার জুলফি ভুট্টো অব পাকিস্তান বইয়ে লিখেছেন, পঁচাত্তরের ২২ মার্চ মিসরের আসওয়ান সফররত কিসিঞ্জারের কাছে একটি টেলিগ্রাম যায়। তার শিরোনাম সিআইএ এবং বাংলাদেশে একটি সম্ভাব্য অভ্যুত্থান।  এর দুইদিন আগে ২০ মার্চ ফারুক রহমান জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে আমেরিকার নীরব সমর্থন থাকলেও মূল ভূমিকা পালন করে পাকিস্তান তথা তাদের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। মুক্তিসংগ্রাম চলাকালে আটক বঙ্গবন্ধুকে দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার অপরাধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিচারে দ্বিতীয়বারের মতো খুব সম্ভব ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রেসিডেন্ট জে. ইয়াহিয়া খান জীবন্ত কবর দেয়ার ব্যবস্থা করে। তখন ভুট্টো খবর পেয়ে লাহোর থেকে রাওয়ালপিন্ডি ছুটে গিয়ে ইয়াহিয়াকে নিবৃত্ত করে এবং বলে, তাকে পাকিস্তানের মাটিতে নয়, তার দেশেই তার লোক দিয়েই কবর দেয়া হবে। আপনি কেন এই দায় নিজে এবং পাকিস্তানের ঘাড়ে চাপাতে চান? ৯৩ হাজার সেনা ও তাদের পরিবার-পরিজন মিলে লক্ষাধিক ভারতের কারাগারে বন্দী আছে। মুজিবকে হত্যা করলে বাঙালীরা তাদের ছেড়ে দেবে না। তারপর ১৯৭৩ সালে ভুট্টো পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর দাওয়াত পেয়ে বিশাল লটবহর নিয়ে ঢাকা সফরে আসে এবং এই সফরসঙ্গীর অধিকাংশই ছিল আইএসআইয়ের লোক। আমাদের গোয়েন্দারা সফররত লোকজনের সন্দেহজনক গতিবিধির জন্য তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। আমাদের দেশের গুটিকয়েক রাজনীতিবিদ ও দল বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বাকশাল চালু হওয়া অর্থাৎ বাকশালের ভালমন্দ যাচাই হওয়ার পূর্বেই বাকশালকে ‘সুন্দরবনের বাঘ’ বুঝিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে। তারা দাবি করে বাকশাল গঠন করার কারণেই নাকি বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। অথচ ভুট্টোর ঢাকা সফরের পর ১৯৭৩ সালের শেষ দিকে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তখন তো বাকশাল ছিল না। ১৯৭৫ সালের ১৭ আগস্ট করাচী থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডন পত্রিকায় রিপোর্টে প্রকাশিত হয়, ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর এদিন সন্ধ্যায় রাওয়ালপিন্ডির সামরিক বাহিনীর হেডকোয়ার্টারে কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে তাদের ঢাকা মিশন সফলে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে মূলত দুটি চক্র কাজ করেছিল, একটি খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে বেসামরিক রাজনৈতিক চক্র ও অন্যটি সামরিক। যেসব সামরিক ব্যক্তি মুজিব হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল ১৯৭৫-এর মার্চে কিংবা এপ্রিলের মধ্যে তাদের মোশতাকের মূল পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়। মোশতাক চক্রের অন্যতম কুশীলব মাহবুব আলম চাষী দীর্ঘদিন ওয়াশিংটনে পাকিস্তান দূতাবাসে এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের মন্ত্রী মোশতাকের পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন। যার ফলে মোশতাকের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিক ও একাডেমিক সহকর্মীদের ঘনিষ্ঠতার ব্যাপারে পাকিস্তান পররাষ্ট্র দফতরের সম্যক ধারণা ছিল। এটি এখন সময়ের দাবী একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিশন গঠন করে তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীদের মুখোশ জনগণের কাছে তুলে ধরা হোক।

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র ও জনবহুল দেশ হিসেবে পরিচিত। আমাদের দেশে জনসংখ্যার আধিক্যতা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। সরকারের সফল উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ আজ সকল বাঁধা অতিক্রম করে মধ্যম আয়ের দেশের পথে। সরকারের এ রকম পথ চলায় নানা বাঁধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বারবার। উল্লেখ্য যে আমাদের দেশের জন্য রোহিঙ্গা ইস্যু দেশের উন্নয়নে এবং ভাবমূর্তিতে বাঁধার অন্যতম কারন হয়ে দাড়িয়েছে। তথাপি বাংলাদেশ সরকারের মহানুভবতার কারণে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে পেরেছে। কিন্তু আমাদের মত ছোট দেশের পক্ষে লাখ লাখ লোকের ভার বহন করা কি আদৌ সম্ভব? মিয়ানমার সরকারের নৈতিক দায়িত্ব তাদের দেশের লোকদের ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিকত্ব প্রদান করা। মিয়ানমারে যা ঘটছে এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। আর বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক দক্ষতার কারণে বিশ্বনেতারা এখন রোহিঙ্গা ইস্যুতে সোচ্ছার হয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব, তুরস্কের প্রেসিডন্ট এরদোগানসহ অনেক বিশ্ব নেতারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করছেন। কিন্তু প্রশংসা করতে পারছে না শুধু বিএনপি। তারা এই মানবিক বিষয়কে ইস্যু করে নোংরা রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। বিএনপি রাজনীতির কাকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল। তারা শুধু চায় কীভাবে একটি ভাল সংবাদকে খারাপ ইস্যু হিসেবে জনগণের কাছে উপস্থাপন করা যায়। তারা সরকারের নানা ধরণের উন্নয়নমূলক কাজকে জনগণের সামনে তূলে ধরছে এক একটা খারাপ ইস্যু হিসেবে। বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী ও কার্যকরী পদক্ষেপে দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ঐ দলটি তাদের বিদেশি বন্ধুদের ইচ্ছা পূরণে ষড়যন্ত্র করেই চলেছে। বিএনপি-জামায়াত চক্র বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ধারায় নিয়ে যেতে চায়। তবে তাদের ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত এদেশের সচেতন জনগণ কখনই সফল হতে দেবে না। অনেক খুনী, কিলারদের বিচার যেমন এদেশের মাটিতে হয়েছে, একইভাবে দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারী বিএনপি-জামায়াতের বিচারও বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। বর্তমান সরকার দেশের বিদ্যুৎ সঙ্কটের সমাধান করেছে। জঙ্গিবাদ দমন করেছে। শ্রমিকের স্বার্থে বন্ধ মিল-কলকারখানা খুলে দিয়েছে। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। আগামী দিনেও বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোট এক সঙ্গে আছে এবং আগামীতেও থাকবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে তারা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি-জামায়াত চক্রের সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত, মিথ্যাচার রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে। জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্যই অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি ইতিহাস বিকৃতি ও নানা মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছিল। তবে তাদের আসল চেহারা বাংলাদেশের মানুষ চিনে গেছে। দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনেই ইতিহাস বিকৃতকারী, অর্থ পাচারের দায়ে অভিযুক্ত তারেক রহমানসহ দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সকল শ্রেনি পেশার মানুষকে দলমত নির্বিশেষে কাজ করতে হবে।  


 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

 সচেতন জনতার প্রতিরোধ আর বর্তমান সরকারের সতর্ক ও দূরদর্শী নানা পদক্ষেপে দেশে যখন তাদের সকল ষড়যন্ত্র বানচাল হয়ে গেছে ঠিক তখনই আগামী নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয়ের আশঙ্কায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখন বিদেশে বসে ষড়যন্ত্রের জাল বোনা শুরু করেছে। গণরায় দিয়ে নয়, ষড়যন্ত্রের চোরাগলি দিয়ে তারা ক্ষমতায় আসার পথ খুঁজছে। এ কারণেই লন্ডন অবস্থানরত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান কী কী বিষয়ে আলাপ করছে, দেশি-বিদেশি কার কার সাথে যোগাযোগ রাখছেন তা সরকার তথা দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী জোরালোভাবে খোঁজখবর রাখছে। তারা লন্ডনে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন লন্ডনে গিয়ে কি করছেন সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তবে সেখানে তাদের সরকারবিরোধী নানা অপ-তৎপরতার বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সমূহে জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এটা নিয়ে প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্য দূতাবাসে সরকারিভাবে এবং দলীয়ভাবে নানা খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। যে সব খবর বেরিয়েছে, সেই খবরের সত্যতা কতটুকু তার খোঁজখবর নেওয়ার পরই সরকারের পক্ষ থেকে গনমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। বিএনপি কোনোদিন বর্তমান সরকারের বিকল্প হতে পারে না – বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন বিগত দিনগুলিতে দেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তার সাথে বিএনপির কুশাসনের তুলনার মধ্য দিয়েই বিষয়টি প্রমাণিত হয়ে গেছে। দেশের সচেতন জনগণ বিএনপিকে কখনোই আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে ক্ষমতায় আনতে পারে না। কারণ বিএনপি যতদিন ক্ষমতায় ছিল তারা কি করেছে, তা দেশের প্রতিটি মানুষই জানে। বিএনপি-জামায়াতের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই ৭১-এর খুনিরা এদেশে নতুন চেহারায় আবির্ভূত হয়েছিল। এই চক্রান্তকারীদের চক্রান্ত শেষ হয়নি বলেই এখনও বাংলাদেশে জঙ্গিরা হানা দেয়। ওরা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। চক্রান্তকারীরা এখনো তৎপর রয়েছে। বিএনপি তো ইস্যু তৈরির কারখানা। তাদের কোনো ইতিবাচক রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। তারা নানা অজুহাতে নানা সময় নানান অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশকে পেছনে ফেলার ষড়যন্ত্র করে চলেছে। বর্তমান সরকারের আমলে যেন তিস্তা চুক্তি না হয়, সেটা ছিল বিএনপির অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মোদির হস্তক্ষেপ কামনাই শুধু নয়, তার সফরের সময় ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের বিরুদ্ধে একগাদা অভিযোগের ফর্দ পাঠ করে শুনিয়েই ক্ষান্ত হননি, তা মোদির হাতেও তুলে দিয়েছিল। ক্ষমতাসীন সরকারকে সহযোগিতা না করার মতো বাক্য উচ্চারণ করেও তারা থামেনি। দেশবাসী তাদের এই ক্রিয়াকলাপকে স্বাভাবিকভাবে নিয়েছে, তা কিন্তু নয়। ক্ষমতার লোভে মিথ্যাকে সত্যে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে তাদের পারদর্শীতা জাতিকে চমৎকৃত করতেই পারে, কিন্তু বাস্তবে তা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। তারা যদি আয়নায় নিজ মুখ দেখতে পেতেন, তাহলে বুঝতেন, কী ক্ষতিকর অবস্থানে তারা আছেন। কিন্তু বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর। তাই তারা চাইলেই কী ষড়যন্ত্রের চোরাগলি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে পারবে?

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিছু বোকা মানুষ মনে করে মিথ্যে চটকদার খবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যেমে ছড়িয়ে দিলেই তা সত্য ও গ্রহণযোগ্যতা পাবে। কিন্তু মানুষ এখন আর বোকা নেই।  ইদানিং দেখা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি চটকদার খবর ভাইরাল হয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক আসল তথ্যটি- মেজর জেনারেল (অবঃ) তারেক সিদ্দিকী এবং সাভারের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসেনেকে নিয়ে নানা মুখরোচক চটকদার খবর ছড়ানো হচ্ছে। যা সম্পুর্ন অবান্তর ও ভিত্তিহীন। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং অনলাইন পত্রিকায় যে খবরগুলো এসেছে বা আসছে তা আসলে উদ্দেশ্য প্রনোদিত এবং অবান্তর। সাভারের জিওসি মেজর জেনারেল আকবর হোসেনের এ ধরনের কোন তৎপরতার সুযোগ নেই কারন তিনি চাকুরিরত রয়েছেন এবং সামরিক বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় সরাসরি কোন প্রকার রাজনৈতিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপের কোন সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বানোয়াট খবরে সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্যু তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে বলা হলেও এ ধরনের হওয়ার সম্ভাবনা মোটেও নেই। যারা এরুপ সংবাদ প্রচার করছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু। একটি সুযোগ সন্ধানী চক্র সাভারের জিওসি মেজর জেনারেল আকবরের নামটি ব্যবহার করেছে। এই কুচক্রী মহল ভাবছে এরূপ অপপ্রচার চালালে হয়তোবা বিশৃংখলার সৃষ্টি হবে এবং তারা এতে লাভবান হবে। কিন্তু সে আশার গুড়ে বালি। বাংলার জনগণ আগের মত বোকা নেই, তারা ভালই জানে আসল ও নকলের তফাৎ। কুচক্রীমহল সাবধান হয়ে যান জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। আপনাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, পালিয়ে বাঁচা যাবে না, ধরা পড়তেই হবে। সেদিন পালানোর পথ খুজে পাওয়া যাবে না। অতএব সময় থাকতেই হুশিয়ার হওয়ার পরামর্শ দিলাম একবারেই ফ্রিতে। বিবেক জাগ্রত করুন, তাতেই মঙ্গল।

 

 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

বলা হয়েছিল তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গেছেন। কিন্তু তাঁর দীর্ঘ লন্ডন সফরে কোনো হেলথ বুলেটিন প্রকাশ করেনি বিএনপি। কমিউনিস্ট দেশগুলোয় যেমন কমিউনিস্ট নেতাদের অসুখের খবর প্রকাশ করা বারণ, যেমন একনায়করা তাঁদের চিকিৎসার খবর গোপন রাখেন, তেমনি বেগম জিয়ার অসুখের খবর নিয়ে বিএনপিতে লুকোচুরি খেলা কম হয়নি। লন্ডনে এক ডিসকাউন্ট শপে বেগম জিয়া, তাঁর ছেলে তারেক জিয়া এবং ছেলের বউয়ের এক ছবিই দেশবাসীর ভরসা। কিন্তু এখন জানা গেল অন্য খবর, বেগম জিয়া তাঁর গুলশানের বাড়ির তাবৎ আসবাবপত্র পাল্টানোর জন্য লন্ডন থেকে অন্তত ১৫০ কোটি টাকার নতুন আসবাবপত্র কিনেছেন। এসব আসবাবপত্র কনটেইনারে ভর্তি করে জাহাজে ঢাকায় পাঠানোও হয়েছে। গুলশানের ভাড়া বাসা আধুনিকায়নের জন্য নতুন খাট কেনা হয়েছে জন লুইস থেকে। খাটের মূল্য ৩০ হাজার পাউন্ড। কেনা হয়েছে ড্রেসিং টেবিল, সোফা ও টেবিল ল্যাম্প। বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল শপ হ্যারডস থেকে কিনেছেন গোটা বাড়ির জন্য পর্দা আর বিছানার চাদর। হ্যারডসে পাওয়া যায় পাখির পালকের বালিশ। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের ধনাঢ্য রাজা-বাদশাহরা এই সব বালিশ কেনেন। বেগম জিয়াও এ রকম ১০টা বালিশ কিনেছেন। কেনার তালিকায় আছে কিচেনের আধুনিক সরঞ্জাম আর বাথরুমের ফিটিংস। এগুলো লাগাতে লন্ডন থেকে উড়ে আসবেন ফিটিংস পারসন। এজন্য তাঁদের দেওয়া হবে আলাদা পারিশ্রমিক। বেগম জিয়ার আসবাবপত্র এবং অন্যান্য আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্রের জন্য লেগেছে ছয়টি বড় কনটেইনার। কনটেইনারগুলো শিপমেন্টের জন্য ঢাকায় আবদুল আওয়াল মিন্টুর গুলশানের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। আবদুল আওয়াল মিন্টুই বেগম জিয়ার বাড়িতে সংস্কার কার্যক্রম তদারকি করবেন বলে জানা গেছে। কেনাকাটার সময় ছিলেন, এরকম একজন জানিয়েছেন, সাদা আর পিংক আবহে সাজানো হবে গুলশানের বাড়ি। দিনের বেলা বাড়ির আবহ থাকবে শ্বেত শুভ্র সাদা আর রাতে বাড়ির রং ধারণ করবে গোলাপী। বেগম জিয়া দামি এসব আসবাবে একাকিত্বে দু:খ কাটাতে পারবেন বলে বিএনপি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে এত টাকার জিনিস কে কিনে দিল, তার হিসাব পাওয়া যায়নি। ধারণ করা হচ্ছে, লন্ডনে বসবাসরত বিএনপি নেতারাই ম্যাডামকে এসব উপঢৌকন দিয়ে ধন্য হয়েছেন। তবে কর্মীদের প্রশ্ন, ম্যাডামের বাসায় তো আর আমরা যেতে পারি না, তাই আমরা কেমনে জানব নতুর রূপে কেমন সাজল বেগম জিয়ার বাড়ি?

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকায় নাম উঠে এসেছে জিয়া পরিবারের। জিয়া পরিবারের সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) মোট প্রাক্কলিত সম্পদের পরিমাণ ১২০ কোটি দিরহাম (১ দিরহাম = ২৩ টাকা মাত্র)। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য দুই হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক বিভাগের তথ্য ভাণ্ডার ‘ফরেন ইনভেস্টারস ক্রাট ইউএই’তে এই তথ্য পাওয়া গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতেই জিয়া পরিবারের সব সম্পদ। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, মুহাম্মদ বিন রশীদ সিটি দুবাইতে বিলাসবহুল সোবাহ হার্টল্যান্ডে বেগম জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর দুই বিলাসবহুল বাড়ি আছে। দুবাই ওয়াটার ক্যানেলে কাছে এই বাংলো বাড়ির প্রতিটির মূল্য পাঁচ কোটি দিরহাম করে, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রতিটি বাংলো বাড়ির দাম ১১৫ কোটি টাকা। গত ২১ জুলাই কোকোর স্ত্রী বাংলো দুটি তাঁর নামে লিখে দেওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী এরকম হস্তান্তরের জন্য জীবিত শরিকদের অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও কোকোর নামে বে স্কয়ারে আট হাজার স্কয়ার ফিটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস আছে। বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে রিগ্যাল টাওয়ারে একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এর মূল্য ৭ কোটি দিরহাম, এই সম্পত্তিটি ২০০৪ সালে কেনা। ২০০৬ সালে এটি নাইমা রহমানের নামে রেজিস্ট্রি হয়। নাইমার নামে আরবেলায় একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট আছে। বেগম জিয়ার ভাই প্রয়াত সাঈদ ইস্কান্দারের নামে দুবাইতে দুটি অ্যাপর্টমেন্ট আছে। এগুলো এখন তাঁর স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে দুবাই মেরিনাতে একটি এবং দুবাই ট্রেড সেন্টারে একটি। বেগম জিয়ার আরেক ভাই শামীম ইস্কান্দারের নামে দুবাইতে আছে একটি অ্যাপার্টমেন্ট। সিলিকন ওয়েসিসের পাঁচ হাজার স্কয়ার ফিট অ্যাপার্টমেন্টের বর্তমান বাজার মূল্য সাত কোটি দিরহাম। এছাড়াও বেগম জিয়ার বড় বোন খুরশীদ জাহান হক চকলেটেরে নামে এমিরেটস হিলস-এ একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে, যার মালিকানা সম্প্রতি তাঁর মেয়ে হাসিনা জাহানের নামে হস্তান্তর হয়েছে। হাসিনা জাহান, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী। বেগম জিয়ার পরিবারের সব সম্পত্তি কেনা হয়েছে ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিটি সম্পত্তির দলিলেই একজন অভিভাবক হিসেবে নাম রয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার। যিনি এসব সম্পত্তির বিরোধ নিষ্পত্তিকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাহলে প্রতিটি সম্পত্তির মূল হোতাই হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া।


 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

শরণার্থী হিসেবে লন্ডনে থাকার শর্ত ভঙ্গ করেছেন তারেক জিয়া। এজন্য তদন্ত শুরু করেছে ‘স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ সহ ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা। সুনির্দিষ্ট পাঁচটি অভিযোগ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে একটি অভিযোগ প্রমাণিত হলে যুক্তরাজ্য ত্যাগ করতে হবে তারেক জিয়াকে। ইতিমধ্যে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার তারেককে চেয়েছে। তারেক জিয়া লন্ডনে চিকিৎসার জন্য গেলেও এখন আছেন শরণার্থী হিসেবে। ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী শরণার্থীদের জন্য রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু বিধি নিষেধ। এসব বিধি নিষেধের অন্যতম হলো, কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা যাবে না। চলাফেরা থাকবে সীমিত। বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো বৈঠক করা যাবে না। অর্থ প্রাপ্তির উৎস সন্দেহের উর্দ্ধে থাকতে হবে। গত মে মাসে ব্রিটিশ সরকারের কাছে ১৫ জন এমপি তারেক রহমানের সন্দেহজনক চলাফেরা এবং অর্থায়নের বিষয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, তারেক লন্ডনে এমন কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, যাদের বিরুদ্ধে  সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়া এবং অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম হলো ব্রিটেনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’। ব্রিটেনে মুসলিম ব্রাদারহুড জঙ্গি  অর্থায়নের অভিযোগে অভিযুক্ত। এই সংগঠনের  প্রধান জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগে দণ্ডিত। মুসলিম ব্রাদারহুডের অর্থ  সিরিয়ায় আইএসকে পাঠানো হয় বলে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা প্রমাণ পেয়েছে। মুসলিম ব্রাদার হুডের একাধিক নেতার সঙ্গে তারেক জিয়ার একাধিক বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও লন্ডনে তারেক জিয়া পাকিস্তান দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। গত ১৪ আগস্ট  ‘পাকিস্তান দিবস’ উপলক্ষে পাকিস্তানি দূতাবাসের অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। একজন শরণার্থী এভাবে কূটনৈতিক দাওয়াতে যেতে পারেন না। এছাড়াও পাকিস্থান দূতাবাসের গোয়েন্দা কর্মকর্তা  ফাহিমউল্লাহ আনসারী নিয়মিত তারেক জিয়ার সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন। ব্রিটিশ গোয়েন্দারা, তারেক জিয়ার আয়-ব্যয়ের মধ্যেও বিস্তর ফারাক পেয়েছেন। তারেকের লন্ডনে কোনো বৈধ আয় নেই, অথচ তাঁর জীবনযাপন বিলাসবহুল। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৩১ জুলাই ব্রিটিশ সিকিউরিটি এ ব্যাপারে তারেক জিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। ৩১ আগস্টের মধ্যে  তারেককে এই নোটিশের জবাব দিতে হবে। এই জবাব যদি সন্তোষজনক না হয় তাহলে  তারেক ব্রিটেনে থাকার অধিকার হারাবেন। আইন অনুযায়ী তাঁকে ব্রিটেন থেকে বহিষ্কার করা হবে। 


 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ক্রমেই বড় হচ্ছে। বাড়ছে আমাদের সক্ষমতা। এখন নিজস্ব অর্থায়নের হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য রেকর্ড ১ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন পেল। এডিপির বরাদ্দ বাড়ছে ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৪ ভাগ। একইসঙ্গে মাথপিছু আয় বেড়ে ১ হাজার ৬০২ ডলার। কিছু কিছু খাতে অসঙ্গতি মনে হলেও সঠিক পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। ‘অর্থনীতির সাইজ বড় হচ্ছে। ২৪৮ বিলিয়ন ডলারের বর্তমান অর্থনীতিতে এডিপির আকার বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকার এডিপির মধ্যে নিজস্ব তহবিল হতে জোগান হবে ৯৬ হাজার কোটি টাকা। ‘এখন আমাদের যা করতে হবে নিজস্ব অর্থায়নেই করতে হবে। কারণ বিদেশি সাহায্য আর ওইভাবে পাওয়া যাবে না। বিদেশি অর্থায়ন যাও আসে তা দিয়ে সেভাবে দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। কারণ যা দেয় তা দিয়ে অল্প অল্প করে এগোতে আমাদের অনেক বছর লেগে যাবে। ’‘সরকারের হাইওয়ে কিংবা বড় বড় ফ্লাইওভারে কম হলেও টোল নেওয়া উচিত। তা না হলে নিজস্ব অর্থায়ন ব্যবস্থা জোরদার করা যাবে না। অন্যদিকে বেসরকারি কিংবা পিপিপির আওতায় বেশি বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে জনগণের জন্য বোঝা হয় এমন প্রকল্পও নেওয়া যাবে না। ’যদিও রপ্তানি ও রেমিটেন্সে প্রতিকূল হাওয়া বইছে। ‘আশার কথা হচ্ছে বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার সীমার মধ্যেই রয়েছে। রপ্তানি কমে আমদানি বাড়ায় ঘাটতি বেড়েছে। রিজার্ভে স্বস্তি আছে। আমাদের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। রাজস্ব আদায়, আমাদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্সসহ সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে। এডিপির আকার দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বিবিএসের হিসাবে চলতি অর্থবছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২৪ ভাগ, যা যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ। ’‘মাথপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৬০২ ডলার, যা আগের বছর ছিল ১ হাজার ৪৬৫ ডলার। বিনিয়োগের পরিমাণ চলতি অর্থবছর বেড়ে হয়েছে ৩০ দশমিক ২৭ ভাগ। বিশ্বে একমাত্র ভারত ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, আর বাংলাদেশ এই অর্জন করল। ২০১৭-১৮ অর্থবছর প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। আমরা এটিও অর্জন করব।’

 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দেশের অর্থনীতিতে একসময় পাটের অবস্থান ছিল প্রাণ ভোমরার মতো। স্বাধীনতার আগে বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ আসত পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে। দেশের শিল্প খাতও ছিল অনেকটাই পাট নির্ভর। সমগ্র পৃথিবীর শতকরা ৮০ ভাগ পাট বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়। স্থানীয় বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। একই সঙ্গে এ পণ্য রফতানির পরিমাণও প্রতি বছর বাড়ছে। চলতি অর্থ বছরে ১১ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার। ইতোমধ্যেই পাটকে কৃষিপণ্য হিসাবে ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ সরকার। সরকারি ও বেসরকারি পাটকলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে এখন। বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করার মাধ্যমে ফিরে এসেছে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য। দেশে এখন ১৩১ ধরনের পাটপণ্য তৈরি হচ্ছে। পাটের চাষ এবং এর ব্যবহারের প্রসারের লক্ষ্যে চাল, চিনি, গম, ধান, ভুট্টা ও সারের মোড়কে পাটের বস্তার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০১০ সালে পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইন করা হয়। বর্তমানে এই চাহিদা মাত্র ৯০ হাজার পিস। অথচ এই আইনের পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হলে পাটের ব্যাগ ব্যবহারের বার্ষিক চাহিদা ৮৪ কোটি পিসে উন্নীত হবে। এছাড়াও সরকার ঘোষিত চাল, চিনি, গম, ধান, ভুট্টা ও সারের মোড়কে পাটের ব্যবহার নিশ্চিত হলে বছরে ৫০ হইতে ৫৫ কোটি পাটের বস্তা প্রয়োজন পড়বে। স্পষ্টতই পাটের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। সুতরাং উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকারের নানামুখী উদ্যোগকে আমরা সাধারণ জনগণ স্বাগত জানাই।

 

 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাওরে অকাল বন্যায় ফসলের ক্ষতি এবং সরকারি গুদামের মজুদ কমে আসার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য জরুরী পরিস্থিতিতে খাদ্য সংকট মোকাবেলা এবং চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানি করছে সরকার। সরকারিভাবে আমদানিকৃত এই চালের বেশ কয়েকটি চালান ইতোমধ্যে দর্শনা আন্তর্জাতিক বন্দরে এসে পৌঁছেছে। দেশের খাদ্য সংকট মোকাবিলায় সরকারিভাবে ভারত থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়। সেই মোতাবেক গত ২ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত কয়েকবারে ভারতের কলকাতা থেকে ৯টি ভারতীয় মালবাহী ট্রেনের ৩৭৭টি বগিতে প্রায় ১০ হাজার ৯শ' ৮৮ মেট্রিক টন চাল নিয়ে প্রথম চালানটি দর্শনা বন্দরে পৌঁছায়। পরবর্তীতে বন্দরে থাকা খাদ্য অধিদফতরের পদস্থ কর্মকর্তারা আমদানিকৃত চালের নমুনা ও চালের গুনগত মান পরীক্ষা করে দেশের জেলা ও বিভাগীয় শহরে পাঠানোর অনুমতি দেয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় খাদ্য মজুদ বাড়াতে বর্তমানে চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে ২% শতাংশে নির্ধারণ করেছে সরকার। এ নিয়ে চলতি বছরে দ্বিতীয় বারের মত চালের আমদানি শুল্ক কমানো হল। এর আগে চাল আমদানি করতে হলে ২৫% শতাংশ আমদানি শুল্কের সংগে ৩% শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি দিতে হত। গত জুনে শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্টেও ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে চাল বোঝাই করে মংলা বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে এসেছিল একটি বিদেশি জাহাজ। ইতোমধ্যে খাদ্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা মংলা বন্দর চ্যানেলের হারবাড়িয়ায় চালবাহী জাহাজটি পরিদর্শন ও চালের নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে চালের গুণগতমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হলে খালাসের কাজের অনুমতি দেয় খাদ্য বিভাগ। প্রতিটি ৫০ কেজি ওজনের পলি ব্যাগে ৯৪ হাজার ২০ ব্যাগ চাল রয়েছে জাহাজটিতে। বিগত দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে এ বন্দরে চাল বোঝাই কোনো জাহাজ ভেড়েনি। এবার দুর্যোগকালীন খাদ্য সংকট মোকাবেলায় ভারত থেকে সরকারের আমদানি করা চালের চালান নিয়ে জাহাজটি বন্দরে এসেছে। এটি এখন একটি চলমান প্রক্রিয়া। বন্দরে আসা চাল এখন লাইটার জাহাজের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলোর বিভিন্ন খাদ্য গুদামে পৌঁছাবে। এভাবেই হাওরে অকাল বন্যায় ফসলের ক্ষতিজনিত দুর্যোগ ও অন্যান্য সংকট মোকাবেলার পাশাপাশি চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানি করে প্রতিটি জেলা পর্যায়ে সুলভ মূল্যে পৌঁছে দেয়া নিশ্চিত করছে বর্তমান জনবান্ধব সরকার।

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

একটা দেশের বিচার ব্যবস্থার অন্যতম অবিভাবক হিসাবে গণ্য হন প্রধান বিচারপতি। একজন প্রধান বিচারপতির কাছে একটা দেশের সমগ্র জাতি সুবিচারের প্রত্যাশা করে সর্বদা। সেকারণে একজন প্রধান বিচারপতির মাঝে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সততা, স্বদেশ প্রেম ও আত্মসংযোমী মনভাবাপন্ন হওয়াটাই একজন বিচারপতির অন্যতম আদর্শ হিসাবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সাহেব কি তা বজায় রাখতে পেরেছেন নাকি প্রধান বিচারপতির সম্মানী আসনকে কলঙ্কিত করেছেন? প্রধান বিচারপতির 'পাকিস্তান প্রসঙ্গ' এক নব মাত্রা যোগ করেছে জাতির বিবেকের কাঠগড়ায়। প্রধান বিচারপতির এমন মানুষিকতাময় বক্তব্যে পুরো জাতি আজ হতাশ। একজন প্রধান বিচারপতির কাছে এমন হটকারিতাময় বক্তব্য জাতি কি কখনও প্রত্যাশা করেছিল..? বিচারপতির এমন হীন বক্তব্য কে সাধারণ জনগণ ভালো ভাবে নেয়নি, কারন সংগ্রাম করে যে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র, সেই পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করাটা একজন প্রধান বিচারপতির পক্ষে কতটা সমুচীন..? প্রধান বিচারপতি এমন মন্তব্যে কি বোঝাতে চান, জাতিকে তিনি কি বঝাতে চান..? যে জাতি যুদ্ধ করে দেশটাকে স্বাধীন করেছে সেই জাতিকে কি জ্ঞান দিবেন বিচারপতি সাহেব..? মনে রাখবেন একটা জাতি-দেশ গঠনে লক্ষ মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার অবদান থাকতে পারে। তবে ঐক্য সৃষ্টির জন্য কোন একক ব্যক্তির অভিপ্রায়ের প্রয়োজন হয়, সে কারণে কোন একক ব্যক্তি হয়ে যান ঐক্যের প্রতীক। আপনার মাঝে কি স্বদেশপ্রেম নেই নাকি আপনার জন্ম বাংলাদেশে হয়নি...?

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিএনপি অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে এবং বর্তমানেও দলটি সহায়ক সরকারের নামে পুনরায় নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আওয়াজ উঠিয়ে বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। ওই সময় তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে পাঁচ জন প্রতিনিধি দেয়ার একটি যৌক্তিক প্রস্তাব দেয়া হলেও তাতে রাজি হয়নি তারা। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার নামক একটি অসাংবিধানিক পদ্ধতির দাবিতে বিএনপি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে এবং বর্তমানেও তারা সহায়ক সরকারের নামে পুনরায় নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। তবে এতে এখনও কোন দৃশ্যমান সফলতা অর্জন করতে না পেরে বর্তমানে তারা নতুন কোনো ইস্যু তৈরির পথ খুঁজছে। সম্প্রতি দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রধান আলোচ্য সূচি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে প্রধান বিচারপতির ভূমিকা নিয়ে। আর এ বিষয়টিকে অন্য মাত্রায় উন্নীত করতে সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নানা অপকৌশল নিয়ে এখন মহাব্যস্ত হয়ে উঠেছে বিএনপি। দেশে চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যাকে কেন্দ্র করেও তাদের অপপ্রচার থেমে থাকেনি। তারা যতটা না বন্যা কবলিত মানুষদের সহায়তার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে তার চেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে। দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে যে কেউ সরকারের ভুল-ত্রুটি নিয়ে সমালোচনা করতেই পারে, তাতে সরকারই উপকৃত হয়। এতে ভুল ত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে সঠিক পদক্ষেপ নেয়ারও সুযোগ সৃষ্টি হয়। সামগ্রিকভাবে দেশবাসীর জন্যও সুফল বয়ে আনে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার যে কোনো গঠনমূলক সমালোচনাকেই সর্বদা ইতিবাচক হিসেবে দেখে। এটাই গণতান্ত্রিক চেতনা। কিন্তু বিএনপির কার্যকলাপ গণতান্ত্রিক ধারার সম্পূর্ণ বিপরীত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে চোখ রাখলেই বিষয়টি স্পষ্ট বুঝা যায় যে, দেশের মানুষের উপকার তাদের মুখ্য ইস্যু নয়। তাদের মুখ্য বিষয় সরকারকে হেয় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমুর্তি তথা সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, দেশের চলমান অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করা। এক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হচ্ছে, ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি যে ভুল করেছিল অনেক দেরিতে হলেও তারা তা বুঝতে পেরেছে। কিন্তু ওই অবৃমিষ্যকারিতার তিক্ত ফলভোগ তাদের সহ্য হচ্ছে না, মেনে নিতে পারছে না। ফলে তারা এখন সরকারের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। অতীতে বহুবার ব্যর্থতার বোঝা কাঁধে চাপার পরেও তাদের কোনো বোধদয় হচ্ছে না, তারা বুঝতে চাইছে না দেশের মানুষ তাদেরকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সবকিছু বুঝেও কেন যেন ক্ষান্ত হচ্ছে না দলটি তাদের নিত্য অপকর্ম থেকে। দেশের বিদ্যমান গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা একগুঁয়েমির মনোভাব ও রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির অপপ্রয়াস ত্যাগ করলেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমুর্তি যেমন ক্ষুন্ন হবে না তেমনি তাদের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে। কিন্তু কবে যে তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে?

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে আদালতের দেয়া রায় নিয়ে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছে। তারা আন্দোলন করার মত কোন ইস্যু না পেয়ে এটাকে ইস্যু বানানোর চেষ্টায় ব্যস্ত। কিন্তু তাদের এই আশা সফল হবে না। বাংলার মানুষ কোন ষড়যন্ত্রে পা দিবে না। বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের যে ধারা অব্যাহত রেখেছে তাতে আর কোন আন্দোলন করে বিএনপি দেশের ক্ষতি করতে পারবে না। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বাসায় গিয়ে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এতে তাদের গাত্র দাহণ শুরু হয়ে গেছে। তারা বলছেন চাপ সৃষ্টি করে রায় পরিবর্তন করবে সরকার। এতে চাপের কিছুই নেই। আর দিবেই বা কেন এটি একটি আইনি ব্যপার, আইনগত ভাবে মোকাবেলা করবে সরকার। বিএনপি নেতিবাচক কথা বলে  মাঠ গরম করার ব্যার্থ চেষ্টায় ব্যস্ত। দেশের জনগণ কখনও বিএনপির অন্যায় আন্দোলনে যাবে না। দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল দুঃশাসনকে পরাজিত করেছে ভবিষ্যতেও উন্নয়নের সরকারের পক্ষেই থাকবে। জ্বালাও পোড়াও এবং জনগণের জানমালের ক্ষতি করে আর ক্ষমতায় আসা যাবে না। বিএনপি নেতারা আরও বলছেন খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর নিয়ে সরকার নেতিবাচক সংবাদ প্রচার করছে। এটি একটি হাস্যকর ব্যপার। সরকার কেন নেতিবাচক সংবাদ প্রচার করবে? বিএনপি নেত্রীসহ দলের যে অবস্থা তাতে সবাই জেনে গেছে বিএনপি শেষ তাদের আর করার কিছুই নেই। বিএনপি এখন বাংলাদেশের নামমাত্র দল, নেতাদের না আছে কোন রাজনৈতিক কর্মসুচী না আছে সভা সমাবেশ, মিছিল মিটিং তারা শুধুমাত্র কিছু বিবৃতি নির্ভর দল। বিএনপির জন্য একটি উপদেশ আপনারা সহিংসতার পথ ছেড়ে জনগণের কল্যাণে আসুন, তবেই আপনাদের ডাকে সাড়া দিবে জনগণ।

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

 

 

দেশের অর্থনীতির জন্য সুখবর।  দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় এবার তৈরি হবে যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন। এজন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সৈয়দপুর রেল কারখানার বিদ্যমান ওয়ার্কশপের সঙ্গে নতুন করে কোচ ওয়াগন তৈরির ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হবে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বছরে ৫৭০টি মিটারগেজ ও ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ ও ৪৩০টি পণ্যবাহী ওয়াগন মেরামতের সক্ষমতা রয়েছে। তবে কোচ-ওয়াগন চাহিদা বাড়ায় কারখানার মেরামত সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। মেরামতের অপেক্ষায় থাকা কোচ-ওয়াগনের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। পাশাপাশি ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সক্ষমতা কমছে। এখানে প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মেশিনারী যন্ত্রপাতি শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজ করছেন। বর্তমানে কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারী ৩১৪১ জনের স্থলে রয়েছে ১২৪৩ জন। কারখানায় ৩৮ ভাগ জনবল নিয়ে কাজ চলছে দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। চাহিদা বাড়ায় গত তিন বছরে ভারত থেকে ২২০টি মিটার গেজ পণ্যবাহী ওয়াগন কেনা হয়েছে। আর ভারত থেকে ১২০টি ব্রডগেজ এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ১০০টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ কোচ কেনা হয়েছে। আরও ৪০০টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ কোচ কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে আরও অনেক কোচ-ওয়াগন তৈরি ও মেরামত করা যাবে। এসব বিষয় সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় উঠে আসবে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপে বিস্তারিত নকশা ও আউটলেটও প্রণয়ন করা হবে। অন্যদিকে সৈয়দপুরে বিদ্যমান ওয়ার্কশপের ভেতরে পতিত জমিতে প্রস্তাবিত ওয়ার্কশপে বছরে ৬০টি কোচ তৈরি করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ৪০টি মিটারগেজ ও ২০টি ব্রডগেজ কোচ। পরে এ সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পটির বিষয়ে নীতিগত সম্মতি পাওয়া গেছে। বর্তমান সরকারের আমলে রেলওয়ের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরত্ব দেওয়া হচ্ছে। এজন্য গত কয়েক বছরে ট্রেনের চাহিদা অনেক বেড়েছে। নতুন বেশকিছু রেলপথও নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে দিন দিন ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বাড়ছে। ভবিষ্যতে রেলকে গতিশীল করার জন্য আরও অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন সংযোজন করা হচ্ছে। ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ২২২ একর জমির মধ্যে ১১০ একর জমির ওপর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। সেখানে ২৬টি শপ রয়েছে যেগুলোতে কোচের বেশকিছু সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। ওয়ার্কশপের ভেতর আরও ১১২ একর জমি পতিত অবস্থায় রয়েছে। স্বাধীনতার আগে মেরামতের পাশাপাশি সীমিত এবং পরে কিছু কোচ তৈরি করা হয় সৈয়দপুরের ওয়ার্কশপে। তবে ১৯৯৩ সালে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমান সরকার যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তাতে রেলওয়ে কারখানার আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসার পাশাপাশি রেল সেক্টরে আমুল পরিবর্তন আসবে।


 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

বিএনপির লন্ডন ভিত্তিক একটি বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আর দেশে ফিরছেন না। জানা গেছে, আগামী নির্বাচন, নেতাকর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও বিদ্যমান মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি ইত্যাদি ইস্যুতে সরকারের সাথে গ্রহণযোগ্য সমঝোতা করতে ব্যর্থ হওয়ায় খালেদা জিয়ার উপর আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে বিএনপির তারেক রহমান পন্থী গ্রুপের। উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ বিচারাধীন দুর্নীতির প্রায় ডজনখানেক মামলায় দায় মাথায় নিয়ে বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান। তারেক রহমান মামলার কারণে দেশে আসতে না পারায় বিশ্ব জুড়ে তার দুর্নীতিবাজ ইমেজ প্রতিনিয়ত আরও বেশি প্রকাশিত ও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা মনে করেন লন্ডন বসে না থেকে তারেক রহমান যদি দেশে এসে এসব মামলা মোকাবেলা করে যদি জেলও খাটতেন তবে একসময় তার দুর্নীতিবাজ পরিচয়  মুছে যেত এবং দেশের বিএনপি সমর্থকদের কাছেও তার জন্য অন্যধরণের সহানুভূতি তৈরি হতো। বিষয়টি উপলব্ধি করে তারেক রহমান নিজেও কয়েকবার দেশে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু ১/১১ এর সময়কার কঠিন অভিজ্ঞতা স্মরণ করে শেষ পর্যন্ত দেশে আসেননি তিনি।  আগামী নির্বাচনের আগে যেকোনো মূল্যে তিনি দেশে ফিরতে চান, তবে কোনোভাবেই জেল খাটতে রাজি নন। দেশে ফেরার জন্যই তিনি বেগম জিয়াকে সরকারের সাথে একটি সমঝোতা করার তাগিদ দিয়েছিলেন। একইসাথে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারকার্যও শেষের দিকে। খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপিপন্থী আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই মামলায় খালেদা জিয়ার নিশ্চিত জেল হতে যাচ্ছে। কিন্তু খালেদা জিয়াও এই বয়েসে এসে জেল খাটতে প্রস্তুত নন। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় খালেদা জিয়াও সরকারের সাথে সমঝোতায় আগ্রহী হয়ে উঠেন। পরবর্তীতে বেগম জিয়া তারেক রহমানের পরামর্শে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সাথে সমঝোতা করার উদ্যোগ নেন। বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারকে তাদের দৃষ্টিতে লোভনীয় সমঝোতা প্রস্তাব দেয়া হলেও সরকার তাদের অগ্রহণযোগ্য কোনো আবদার মানতে নারাজ। তবে বিএনপি নেত্রীর প্রস্তাবে আওয়ামী লীগ জানিয়েছে, তারেক রহমান যেকোনো সময় দেশে আসতে পারেন। তারেকের দেশে আসার পথে আওয়ামী লীগ বা সরকার কোনো বাধা দিবে না। কিন্তু তারেক রহমানের উপর যেসব মামলা চলমান রয়েছে তা আদালতের ব্যাপার, আদালত তার নিজস্ব পন্থায় বিচার করবে। তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার মামলার ব্যাপারে আদালতের উপর কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ না করার কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে সরকার। এমন অবস্থায় তারেক রহমানের সাথে বিএনপি নেত্রী জরুরী বৈঠকের উদ্দেশ্যে চিকিৎসার অজুহাতে লন্ডন সফর করছেন। লন্ডনভিত্তিক সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের সাথে সমঝোতা করার ব্যর্থতার দায় চাপিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে বিএনপির নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমান। সেজন্যই বিএনপি চেয়ারপার্সনকে দেশে ফিরতে না দেওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছে তারেক রহমান। এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএনপির সংস্কারপন্থী নেতারা খালেদা-তারেক দুজনকেই বাদ দিয়ে সাবেক বর্ষীয়ান নেতা ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকেই দলটির নেতৃত্ব দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানা যায়। মোদ্দা কথা বিএনপিতে খালেদা অধ্যায়ের ইতি এখন সময়ের ব্যাপার। বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে মৎস্য ন্যায়ের নীতিতে চলা দলটির ঘরের শত্রু বিভীষণ তারেক জিয়ার ব্যক্তিস্বার্থের যুপকাষ্ঠে বলী হবেন খালেদা – বিষয়টি এখন মোটামুটি নিশ্চিতই বলা চলে। একারণেই বিএনপি চেয়ারপার্সনকে দেশে ফিরতে না দেওয়ার ইঙ্গিত এখন চারিদিকে।

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সম্প্রতি সেন্ট্রাল লন্ডনের সেইন্ট জেমস কোর্ট এরিয়াতে অবস্থিত তাজ হোটেলে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। গত ১৮ এবং ১৯ জুলাই গভীর রাতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে একাধিক গোয়েন্দা সূত্র এবং বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে এ তথ্য জানা যায়। বৈঠকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিল তাঁর ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই বৈঠকে আরও অংশ নিয়েছে লন্ডনে পালিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মঈনুদ্দিন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে এতে যোগ দিয়েছে আরেক যুদ্ধাপরাধী আশরাফুজ্জামান। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিল লন্ডনস্থ জামাত ই ইসলামীর কয়েকজন শীর্ষ নেতা। বৈঠকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়েছে এবং বেগম জিয়া বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার জন্য আইএসআই এর সঙ্গে কোনো ধরণের গোপন সমঝোতা করেছেন। অনুমান করা যায়, বৈঠকে আইএসআই বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে তাদের এজেন্ট বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনগুলোকে আরও তৎপর করার প্রস্তাব দিয়েছে। আর খালেদা জিয়া ও জামাতের প্রতিনিধি আইএসআইকে যেকোনো মূল্যেই হোক না কেন বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আইএসআইকে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহারের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও জানা যায়। বেগম জিয়া লন্ডন যাবার পর থেকেই তাঁর ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রেখে চলেছে ভারত উপমহাদেশীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের তথ্য অনু্যায়ী লন্ডনস্থ পাকিস্তান অ্যাম্বাসীতে কর্মরত জুনায়েদ নামের এক ব্যাক্তি যিনি সম্ভবত পাকিস্তানের আইএসআই এর একজন আন্ডার কাভার অফিসার, খালেদা জিয়া লন্ডনে পৌঁছানোর পরপরই তার সঙ্গে দেখা করেন। ছদ্মবেশী এই জুনায়েদ লন্ডনে থাকা বাংলাদেশের সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক জিয়ার সঙ্গেও খুবই নিবিড় ও গোপন সম্পর্ক বজায় রেখে চলেন। জুনায়েদের প্রত্যক্ষ তদারকিতেই লন্ডনের সেইন্ট জেমস কোর্ট এরিয়াতে অবস্থিত তাজ হোটেলে গত ১৮ এবং ১৯ জুলাই গভীর রাতে এই কুচক্রিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, এই তাজ হোটেলেই তারেক রহমান বাংলাদেশের ২০১৪ সালের নির্বাচন এর পূর্বে ও পরে তার গোপন বৈঠকগুলো পরিচালনা করতেন। এমনকি এই তাজ হোটেলেই ২০১৪ এর নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তারেক জিয়া নিশা দেশাই বিসওয়ালের পূর্ববর্তী দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মার্কিন অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি রবার্ট ব্লেকের সঙ্গে দুবার সাক্ষাৎ করেছিল। তাজ হোটেলটিকে আইএসআই এর আগেও বহুবার তাদের গোপন বৈঠকের জন্য ব্যবহার করেছে। ১৯৯৫-৯৬ সালে আইএসআই এই হোটেলেই শেখ মুজিবের খুনী আব্দুর রশিদ এর সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক করেছিল বলে জানা যায়। সে সময় আইএসআই এর সদস্যরা নেদারল্যান্ডসের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ব্রেডায় গিয়েও শেখ মুজিবের খুনীদের সঙ্গে দেখা করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি নেতা নাজমুল হুদা তখন শেখ মুজিবের খুনি ফারুক-রশিদদের সঙ্গে বৈঠক করে শ্রীলংকার তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠি এলটিটিই এর সঙ্গে যোগাযোগের প্রক্রিয়া খোঁজারও চেষ্টা করেছিল। তার উদ্দেশ্য ছিল, এলটিটিই যেভাবে আত্মঘাতী বোমা হামলায় রাজীব গান্ধীকে হত্যা করেছিল, তেমন কোনো প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা। কিন্তু সেসময় ইসরায়েলি একটি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা সে তথ্য পেয়ে যাওয়াতে এই হত্যা চক্রান্তটি ভেস্তে গিয়েছিল।


 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রম। স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ের মনোভাব গড়ে তুলতে ২০১০ সালের নবেম্বরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে দেশের ৫৭টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৫৬টি ব্যাংকে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম রয়েছে। গত ৭ বছরে এই হিসাবের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে আমানতের পরিমাণও। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেখা গেছে, সারাদেশে বিভিন্ন ব্যাংকে ১৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৩টি স্কুল ব্যাংকিং হিসাব খোলা হয়েছে। এসব এ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। স্কুল ব্যাংকিংয়ের হিসাবের মাধ্যমে শুধু টাকা সঞ্চয় হচ্ছে তাই নয়, শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে অভ্যস্ত হচ্ছে। ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত প্রযুক্তির সঙ্গেও পরিচিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এটিএম কার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারছে। তাদের বেতনের টাকাও এ্যাকাউন্ট থেকে জমা দিতে পারছে। স্কুল ব্যাংকিং হিসাবের বিপরীতে ব্যাংকগুলো এটিএম কার্ড (কেবল ডেবিট কার্ড) ইস্যু করতে পারে। যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা তোলা যায়। তবে অভিভাবকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো যায়। স্কুল ব্যাংকিং হিসাব পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সরকারী ফি ব্যতীত অন্য কোন প্রকার সার্ভিস চার্জ নিতে পারে না। এ কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীরা স্কুলে বেতন-ফি জমা দিতে পারে। বৃত্তি বা উপবৃত্তির অর্থ জমা রাখতে পারে। শিক্ষার্থীদের পরবর্তী জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত ও শিক্ষার ব্যয় নির্বাহ সহজ করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। ছয় থেকে আঠার বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীরা এ হিসাব খুলতে পারে।

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

 

বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আগামী নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর তালিকা থেকে মনোনীত করা হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চারজন নির্বাচন কমিশনারকে। নতুন কমিশনাররা দায়িত্ব গ্রহণের পর কমিশনের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সবকিছু নতুন করে ঢেলে সাজাতে শুরু করেন। তারা উদ্যোগ নিয়েছেন সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে সংলাপের, যা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। লক্ষ্য একটাই, সকল দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন যেন অর্থবহ হয়ে উঠে – অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপক্ষে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ দেশের গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিটি যেন মজবুত হয়। কিন্তু যে চিহ্নিত মহলটি ইতোপূর্বে তাদের নানা অপতৎপরতায় এদেশের গণতন্ত্র তথা সমৃদ্ধির পথে অভিযাত্রাকে বারংবার বাধাগ্রস্ত করেছে আরও একবার তাদের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যেতে শুরু। নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতি আনায়নে সম্প্রতি গৃহিত গণ বদলি আদেশে সৃষ্ট কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসন্তোষকে পুঁজি করে আবারও তৎপর হয়ে উঠেছে তাদের ষড়যন্ত্রের কালোহাত। সম্প্রতি বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে গত মঙ্গলবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসানকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব হিসাবে প্রেষণে নিয়োগ দেয়ায় কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাপক আন্দোলন ও কর্ম-বিরতিজনিত অচলাবস্থায়। এক্ষেত্রে আন্তঃ দপ্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ভূত জটিলতার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করাই অধিকতর কাম্য এবং শ্রেয়তর ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি যে দিকে বাঁক নিয়েছে তা আমাদের গণতন্ত্রের জন্য একটি অশনি সংকেত। প্রমাণিত হয়েছ ষড়যন্ত্রকারীরা চায় না দেশে কোনো নির্বাচন হোক। কারণ তারা বুঝে গেছে, আগামী নির্বাচনে তাদের চূড়ান্ত পরাজয় আর নিশ্চিত ভরাডুবি শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার – এটাই ভবিতব্য, এই অনিবার্য ফলাফল বদলানোর সাধ্য তাদের নেই। কারণ অতীতের নানা হটকারিতা, অপশাসন, দুর্নীতি আর ভ্রান্ত মতাদর্শে আস্থার কারণে তারা শুধু জনগণের আস্থাই হারায়নি, জনগণের মন থেকেও নির্বাসিত হয়েছে। নিশ্চিত ভরাডুবির শঙ্কাতেই তাই তারা একের পর এক ষড়যন্ত্রের জাল বুনে চলেছে। তাদের সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্রের ছোঁয়াতেই নির্বাচন কমিশনে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে আস্থা হারানোর মতো কিছুই হয়নি। বিষয়টি নিতান্তই সাময়িক। মুক্তিযুদ্ধের অনির্বাণ চেতনা যে জাতির চলার পথের পাথেয়, তারা অচিরেই এই ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচণার ফাঁদ থেকে বেড়িয়ে আসবেই। খুঁজে নিবে সঠিক আর সময়োপযোগী সমাধান। আরও একবার ব্যর্থ হবে অতীতের সেই কলঙ্কিত ঘসেটি বেগম আর মীরজাফরের বর্তমান উত্তরসুরীদের সকল ষড়যন্ত্র। মিথ্যাচারের কালো মেঘ সরে সত্যের আলোয় উদ্ভাসিত নতুন সকাল আসবেই। এ যে অনিবার্য – একে রুখবে সে সাধ্য কার?  তাই আগামী নির্বাচনকে অনিশ্চয়তায় ফেলার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে যে অপতৎপরতা চলছে তা ব্যর্থ হবেই, কেটে যাবে সকল সাময়িক স্থবিরতা। সাংবিধানিক নিয়মে যথাসময়েই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, আর সেটা হবে সকল দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ – বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের আন্তরিকতা আর নিষ্ঠায় তাদের এই অঙ্গীকার পূর্ণ হবেই হবে।

 

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে বিজেআরআই উদ্ভাবিত দেশি পাট-৮ জাতের পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। লবণাক্ততার কারণে বছরের পর বছর পরিত্যক্ত থাকা জমিতে পাট আবাদ করে চাষীরাও খুব খুশি। বিজেআরআই উদ্ভাবিত লবণসহিষ্ণু দেশি পাট-৮ এখন উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীদের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে। স্বপ্ন দেখাচ্ছে, এক ফসলী জমিতে এখন দুটি ফসল আবাদের। দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততাকে জয় করেছে নব উদ্ভাবিত এই জাতের পাট। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ১৮ জেলায় মোট কৃষি জমির পরিমাণ ২৮ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ ৩০ শতাংশ। চাষযোগ্য এই জমির মধ্যে ১০ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর জমিই বিভিন্ন মাত্রার লবণাক্ততায় আক্রান্ত। দিন দিন এই লবণাক্তার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতি বছর খরিফ-১ মৌসুমে এই বিশাল পরিমাণ জমি পতিত পড়ে থাকে। এই পতিত জমিতেই গত দুই বছর ধরে বিজেআরআই উদ্ভাবিত লবণসহিষ্ণু দেশি পাট-৮ চাষে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে কৃষক। লবণসহিষ্ণু আমন ধান চাষে সফলতার পর পাট চাষে এই সফলতা কৃষকদের নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। চাষীরা মনে করছে, এখন আর এক ফসলের পর তাদের লবণাক্ত জমি পতিত থাকবে না। এখন থেকে তারা পাট এবং আমন দুটি ফসলই আবাদ করতে পারবে। বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) উর্ধতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে ঘুরে দেখতে পেয়েছেন, পরীক্ষামূলকভাবে লবণ সহিষ্ণু জমিতে পাট চাষে সফলতা আসায় কৃষক এখন ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। এছাড়া সরকার পাট চাষে প্রশিক্ষন দেয়া, নানা উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা দেয়ায় অনেকেই এখন পাট চাষে আগ্রহী হচ্ছে। উপকূলের বিশাল লবণাক্ত জমিকে খরিফ-১ মৌসুমে পাট চাষের আওতায় আনার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট তাদের উদ্ভাবিত মধ্যম মাত্রার লবণসহিষ্ণু দেশি পাট-৮ এবং উচ্চমাত্রার লবণসহিষ্ণু চারটি নতুন জাতের পাট উপকূলীয় অঞ্চলের ৬টি জেলার ৬টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে আবাদ শুরু করে। এই উপজেলাগুলো হলো- বরগুনা জেলার বেতাগী, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর, খুলনার দাকোপ, বাগেরহাট জেলার মোরলগঞ্জ এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা। প্রতি উপজেলায় ৫০ জন কৃষককে নির্বাচিত করে তাদের প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস ও মতবিনিয়ের মাধ্যমে দেশি পাট-৮ ও অপর চারটি নতুন জাত আবাদের উপযোগী করে তোলা হয়। এর মধ্যে পর পর দুই মৌসুমেই দেশি পাট-৮ জাতের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে এ বছর প্রতিটি পর্যবেক্ষণ মাঠেই পাট গাছগুলো যেমন মোটা এবং তেমনি লম্বা হয়েছে। যা উপকূলীয় অঞ্চলে পাট চাষে কৃষকদের নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। নতুন জাতের লবণসহিষ্ণু দেশি পাট-৮ চাষের মধ্য দিয়ে উপকূলের অর্থনীতিতে পাট খাতে একটি বিপ্লব সাধিত হচ্ছে এবং কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে ক্রমশ আরও স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে।

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

 

দেশের অগ্রগতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হচ্ছে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গি দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করে। জঙ্গি দমনে কিংবা সন্ত্রাস দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও প্রসারও বেড়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোটের সময় সন্ত্রাস দমনে র‌্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে ব্যয় বেড়েছে। সরকারও এ বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছে।  দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ বাস্তবায়নকে সামনে রেখে পুলিশের আরও একটি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি সজ্জিত বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করছে সরকার। ‘অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট’ নামের নতুন এ ইউনিটের ৫৮১টি পদ সৃজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকার এই বিশেষ ইউনিট গঠন করছে। ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিট কাজ করছে। সঙ্গে এই ইউনিটটিও কাজ করবে। এই ইউনিটের কার্যক্রম সারাদেশেই থাকবে।  সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করার লক্ষ্যে সরকার নতুন এই ইউনিট গঠন করার পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০০৯ সাল থেকেই এই ইউনিট গঠনের প্রচেষ্টা চললেও নানা প্রতিকূলতার জন্য বাস্তবায়নে পুর্নাগতা পায়নি। তারই অংশ হিসেবে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জঙ্গি দমনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অধীনে ‘কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)’ নামে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকায়ও জঙ্গিবিরোধী বেশ কয়েকটি অভিযানে সফলতা পায় সিটিটিসি। জঙ্গি দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ বাস্তবায়নে দ্রুততার সঙ্গে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট গঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ইউনিট আধুনিক বিশ্বের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। এতে করে বিশেষায়িত হিসেবে গড়ে উঠবে এই ইউনিট, যা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বিশেষ কার্যকর হবে। বর্তমানে অবয়বহীন এবং প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের লক্ষ্যে গতানুগতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে পুনগর্ঠিত করা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গি কার্যক্রম পরিকল্পনা, মদদদাতা এবং বাস্তবায়নকারী অতি সূক্ষ্ম ও সুসমন্বিত পরিকল্পনায় তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয়, ধর্মীয় সংস্কৃতি অনুষ্ঠানগুলোর খোলা জায়গায় হাজার হাজার এবং মাঝে মাঝে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। এসব স্থানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং যেকোনো বিধ্বংসী কার্যক্রম প্রতিহত করার জন্য আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা প্রয়োজন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। জনবল কাঠামোতে অতিরিক্ত আইজিপি-১, ডিআইজি-১, অতিরিক্ত ডিআইজি-২, পুলিশ সুপার-৫, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-১০, সহকারী পুলিশ সুপার-১২, ইন্সপেক্টর-৭৫, এসআই-১২৫, এএসআই-১৪০ ও কনস্টেবল-২০০ থাকবেন। প্রস্তাবিত পদগুলো প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনকৃত ৫০ হাজার পদের মধ্যেই রয়েছে। 


 

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
২,১৭৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত