বিটলা + আতেল

@bitlaatel

আমি আসছি বিটলামি করতে আর আতলামি করতে
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1436844657000  থেকে আমাদের সাথে আছে
ছবি

বিটলা + আতেল: ফটো পোস্ট করেছে

কানমু না হাসমু

(হাসি২)(হাসি২)

ছবি

বিটলা + আতেল: ফটো পোস্ট করেছে

কবে আইবে আমার পলারে

*বিটলামি* *আতলামি*
ছবি

বিটলা + আতেল: ফটো পোস্ট করেছে

অবিস্কারালাইছি

*বিটলামি* *আতলামি*

বিটলা + আতেল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

জন্মের পরপরই আমাদের মুখে টুক করে যা ভরে দেওয়া হয় তার নাম মধু। মুখে মধু দেওয়া হয় এই আশায় যে বড় হয়ে যেন আমাদের মুখের ভাষাও মধুর মতোই মিষ্টি হয় কিন্তু আমরা কি সবাই জানি, মধু কীভাবে বানানো হয়? চলেন তাহলে আজ জেনে নেই মধু কি ভাবে তৈরি হয়,

০১) কর্মী মৌমাছিরা ফুলে ফুলে ঘুরে ঘুরে ‌মৌরস সংগ্রহ করে। এই মৌরসকে ইংরেজিতে বলে নেকটার। নেকটার আসলে ফুলের রেণুতে থাকা মিষ্টি পানির মতো তরল। মৌমাছির শরীরে দুইটা পাকস্থলি আছে। একটাতে সে এই মৌরস জমা করে আর অন্যটি আমাদের মত স্বাভাবিক, খাবার পরিপাক হয়।

০২) কর্মী মৌমাছি দূর দূরান্ত থেকে পেটে মৌরস নিয়ে এসে মৌচাকে জমা করে। মৌচাকে মধুচকোষ বা Honeycomb বলে অনেক গুলো ছোট ছোট প্রকোষ্ঠ থাকে। মৌমাছিরা এই প্রকোষ্ঠে মধু ঢালার আগে পেট থেকে মধু মুখে নিয়ে আসে। মুখে এনে মধুকে তারা চিবুতে থাকে। এটা মধু তৈরি করার সব চেয়ে জরুরী ধাপ। কেননা, এই কাজটা পৃথিবীর কোনো মেশিন করতে পারে না। পারে শুধু মৌমাছিরাই। মধু চিবানো হয়ে গেলে মধু দিয়ে এক একটি করে প্রকোষ্ঠ ভরতে থাকে।


০৩) এরপরই হয় আরেকটি জরুরী কাজ। প্রকোষ্ঠ গুলো সব ভরে গেলে, কর্মী মৌমাছিরা সবাই মিলে ডানা ঝাপটাতে থাকে। এই সবার একসঙ্গে ডানা ঝাপটানো আসলে একটা বড় ফ্যানের কাজ করে। এভাবে প্রকোষ্ঠে থাকা মৌরসের পানি বাস্প হয়ে উড়ে যেতে থাকে। এভাবে মৌরস গাঢ় ও ঘন হয়। ১৭% আর্দ্রতায় ঘন মৌরস মধুতে পরিণত হয়ে যায়। মধু হয়ে গেলেও কর্মী মৌমাছির একটি দল সবসময় ডানা ঝাপটাতেই থাকে, যেন আর্দ্রতা কিছুতেই বাড়তে বা কমতে না পারে। এই জন্যই আপনি যখনই মৌচাকের কাছে যাবেন শুনবেন একটা ভোঁ ভোঁ আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। এটা আসলে মৌমাছিদের সম্মিলিত ডানা ঝাপটানোর শব্দ।

০৪) যখন মধু পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়, মৌমাছি আবার পেট থেকে একটা মোম বের করে এবং প্রকোষ্ঠ গুলোর মুখ একদম বাতাসরোধী করে আটকে দেয়, যতদিন না তাদের সেই মধু ব্যবহার করা লাগে।

০৫) আমরা যখন মধু সংগ্রহ করি, তখন আমাদের মৌয়ালরা এই সব প্রকোষ্ঠ গুলোকে ভেঙে নিয়ে আসে। পরে মোমগুলো গলে গেলেই মধু বের হয়ে আসে।

আমরা যে মোম ব্যাবহার করি সেগুলো কিন্তু এই প্রকোষ্ঠ বন্ধ করার মোমই। পরে শুধু আমরা একটু পরিষ্কার করে আকৃতিতে নিয়ে আসি। (সংগ্রহিত)


ছবি

বিটলা + আতেল: ফটো পোস্ট করেছে

খেক খেক খেক

(হাসি২)(হাসি২)(হাসি২)

*বিটলামি* *আতলামি*
জোকস

বিটলা + আতেল: একটি জোকস পোস্ট করেছে

(হাসি২)(ভেঙ্গানো)
*বিটলামি* *আতলামি*

বিটলা + আতেল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

[১] সূরা ফতিহা আল্লাহর গজব হতে রক্ষার
কারণ হয়।
[২] সূরা ইয়াসীন কিয়ামতের দিন
পিপার্সাত হওয়া থেকে রক্ষার মাধ্যম
হবে।
[৩] সূরা দুখান কিয়ামতের দিনের ভয়াল
অবস্থা হতে রক্ষার মাধ্যম হবে।
[৪] সূরা ওয়াকি’আ দরিদ্রতা হতে রক্ষার
কারণ হয়।
[৫] সূরা মূলক কবরের আযাব হতে রক্ষার
মাধ্যম হবে।
[৬] সূরা কাওসার শত্রুর অনিষ্ট হতে
রক্ষার কারণ হয়।
[৭] সূরা কাফিরুন মৃত্যুর সময় কুফরী হতে
রক্ষার কারণ হয়।
[৮] সূরা ইখলাস মুনাফিকী হতে রক্ষার
কারণ হয়।
[৯] সূরা ফালাক হিংসুকের হিংসা
হতে রক্ষার কারণ হয়।
[১০] সূরা নাস যাবতীয় ওয়াসাওয়াসা
হতে রক্ষার কারণ হয়।

বিটলা + আতেল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


আমার পুত্র কয়েকদিন আগে আমার একটা হাফ হাতা শার্ট দেরাজ থেকে সরিয়েছে। আমি জানতাম না। সেটা পড়ে ছবি তুলেছে। প্রিন্ট করেছে। তারপর আমার জন্য একটা কার্ড বানিয়েছে। কার্ডটার নিচে লেখা-
“বড়ো হয়ে আমি ঠিক তোমার মতো হতে চাই।“

অফিস থেকে এসে আমি বাথরুমে গোসল করছি। সে বাথরুমের দরজার সামনে একটা চেয়ার পেতে তাতে কার্ডটা রেখে দিয়েছে। যেনো আমি গোসল করে এসেই সেটা দেখতে পাই।
কার্ডটা হাতে নিয়ে বিস্মিত আমি ভাবতে বসলাম আমি আমার আব্বাকে এমন আনন্দের দিন কখনও দিয়েছিলাম কিনা। মনে করতে পারলাম না।

রাতের খাবার শেষে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে...আমি সদর দরজা বন্ধ করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলাম। বাদামী রংয়ের আব্বার পশমী চাদরটা সংগে নিলাম।

বাসার পাশে খোলা মাঠ। রাস্তা থেকে নেমে মাঠের আরো গভীরে চলে গেলাম। ফিনফিনে বাতাস আছে। কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়লো মনে হয়। আমি ঘাসের উপর আসন গেড়ে বসলাম। বড়ো রাস্তার গাড়ীর শব্দ এখন আর শোনা যাচ্ছেনা। আমি চাদর জড়িয়ে বসলাম।
মাথা নিঁচু করে মাটির দিকে তাকিয়ে বললাম-
“আব্বা আমি তোমার মতো হতে চাই। তোমাকে কখনও বলা হয়নি। আজকে বললাম।“
একবার চোখের অপারেশনে আব্বাকে এনেস্থেসিয়া দিতে হয়েছিলো।অচেতন অবস্থায় আব্বা বারবার আমার কথা বলছিলো। আমি আব্বার সবচেয়ে ছোটো সন্তান।
............আমি ঘোরের মধ্যে অন্ধকার মাঠে বসে আছি। আমার মাথা ঝিম ঝিম করছে। মনে হচ্ছে জ্বর আসছে। ছোটো বেলায় আমার ঘন ঘন জ্বর আসতো। আব্বা আমার কপালে হাত দিয়ে টেমপারেচার দেখতো। তারপর ঔষধ আনতে চলে যেতো।

চারিদিকে বাতাসের শো শো শব্দ বাড়ছে মনে হলো। ঠান্ডা বাতাস আমার গায়ে আঁছড়ে পড়ছে। আমার শীত শীত লাগছে। আমি আব্বার রেখে যাওয়া পশমী চাদর আমার বুকের কাছে শক্ত করে জড়িয়ে নিলাম।
আস্তে আস্তে বললাম-
“আব্বা আমার জ্বর আসছে। তুমি একটু দেখবে?”

বিটলা + আতেল: খিদা লাগছে (পেটুক) , তরা কেউ আমাকে কিছু খাওয়া(চিৎকার)

*বিটলামি* *আতলামি*

বিটলা + আতেল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আমষ্টার্ডামের শিফল এয়ারপোর্ট সাগরের মতো। ইউরোপের ফোর্থ বিজিয়েষ্ট এয়ারপোর্ট। এখান থেকে পৃথিবীর ৩০০ এর উপর গন্তব্যে যাওয়া যায়।

প্রথম ইউরোপে এসেছি। ঢাকা থেকে মুম্বাই হয়ে শিফল। এখান থেকে ষ্টকহোম। আমার শেষ গন্তব্য। তিন ঘন্টার ব্রেক পেয়ে ঘুরে ঘুরে এয়ারপোর্ট দেখছি। দেখছি না বলে ভয়ে আছি বলা ভালো। ওয়েদারের কারণে শিফলে এক ঘন্টা সব ফ্লাইট বন্ধ ছিলো। ভয়াবহ অবস্থা। সব কিছু লেঁজে গোবরে। কখন কোন ফ্লাইট ছাড়তে পারবে তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। মানুষ জন পাগলের মতো দৌড়াচ্ছে। আমি কি করবো বুঝতে পারছি না। একটা বিরাট লাইন দেখে দাড়িয়ে গেলাম। এক ঘন্টা পরে কাউণ্টারে পৌঁছাতে পারলাম।

 আমাকে জানানো হলো আমার রেগুলার ফ্লাইট ক্যানসেল। ৭ ঘন্টা পরে নেক্স ফ্লাইট। যেহেতু ওয়েদারের কারনে ডিলে আর আমার কোনো ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স নেই তাই আমার ভাগ্যে হোটেল, খাবার কিছুই নেই। দশ ইউরো’র একটা কুপন ধরিয়ে দিলো। বলে দিলো যে কোনো একটা ইজিচেয়ার খুঁজে শুয়ে বসে কাটিয়ে দাও।
আমি কুপনটা রেখে দিলাম। সারা এয়ারপোর্ট ঘুরে একটা মোটামুটি নির্জন জায়গা খুঁজে নিলাম। ব্যাকপ্যাক খুলে লাঞ্চ বক্সটা বের করলাম। ঢাকনাওয়ালা মাঝারী সাইজের বক্স। ভেতরে নুড্লস। ডিম দিয়ে বানানো। সংগে ছোট্ট একটা কাঁটা চামচ। আসার সময় ছন্দ বানিয়ে দিয়েছিলো। আমি সুইডেনে যাচ্ছি এক বছরের জন্য। এই এক বছর তার সংগে আমার আর দেখা হবে না।

এই অপরিচিত বিশাল এয়ারপোর্টে, বাংলাদেশ থেকে হাজার মাইল দুরে একা একা বসে কাঁটা চামচ দিয়ে নুডুল্স তুললাম। আমার চোখ অহেতুক ঝাঁপসা হয়ে এলো। 

সেটা ২০০১ সালের কথা।
এই ২০১৪তে এসেও প্রতিদিন দুপুরে আমি আমার লাঞ্চ বক্স খুলি। ছন্দ'র তৈরী খাবার থাকে তাতে। একা একা লাঞ্চ সেড়ে তাকে একটা ফোন দেই।
”ছন্দ, ভালো আছো?”

পনের বছর পার হয়ে গেছে। আমাদের বিয়ে হয়েছিলো ১৯৯৯ সালের ১৩ই আগষ্ট।
ধন্যবাদ ছন্দ আমার সংগে পনেরটি বছর কাটিয়ে দেয়ার জন্য। লাঞ্চ বক্সে যে শুধু খাবার থাকেনা এই কথাটি তোমাকে কখনও বলা হয়নি। আজকে বললাম (লজ্জা)

বিটলা + আতেল বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

মাঝে মাঝে মনে হয়। মনে হয়। ইশ্…কেনো যে ক্লাস ফাইভে বৃত্তির সময় পড়াশোনা বাদ দিয়ে পিকনিকের প্ল্যান করেছিলাম…….সেবার নায়ক ফারুক এলো আমাদের সরিষাবাড়ীতে। আমাদের বাসায়! বিরাট হিট নায়ক সে সময়। হাজার হাজার লোক বাড়ীর সামনের রাস্তায়। অনেকে অটোগ্রাফ নিলো। আমাকে কাছে ডাকতেই লজ্জায় দৌড়ে পালালাম। কেনো যে….??

বড় ভাইয়ের এক বন্ধু এলেন আমাদের বাসায়। তিনি পশ্চিম জার্মানী থাকেন। আমি সে সময় যেকোনো দেশের নাম বললেই সেকেন্ডের মধ্যে সে দেশের রাজধানীর নাম বলে দিতে পারতাম। ভাই ডেকে পাঠালেন। গর্ব ভরে আমার গুণপনার কথা বললেন। ভদ্রলোক হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলেন, “পশ্চিম জার্মানীর রাজধানীর নাম কি?” আমি কিছু না ভেবেই কেনো যে বলে দিলাম ”বার্লিন“…ইশ্….

অংকে ভালো বলে অনেকে মনে করতো। এক চাচা আমাকে নিয়ে গেলেন। তিনি জায়গা-জমি কিনবেন। একজন ’অংকে ভালো সংগী’ দরকার। তিনি আলাপ-আলোচনা করছেন। হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, “১০০ থেকে ৪৪ গেলে কতো থাকে?” আমি তাড়াতাড়ি উত্তর দিলাম, “৬৬।” তিনি থমকালেন। অবাক হয়ে তাকালেন। আর কোনো প্রশ্ন করলেন না। কেনো যে....ভুলটা করলাম!!!!কেনো যে…
মেট্রিকে আমাদের অপশনাল সাবজেক্ট ছিলো দুটো। বুক কিপিং অথবা ইসলাম ধর্ম শিক্ষা। আমি ইসলাম ধর্ম শিক্ষা নিলাম। ভালোই নম্বর পেয়েছিলাম..৬৭। স্কুলে সর্বোচ্চ। আমার যে সকল বন্ধু বুক কিপিং নিয়েছিলো তারা সকলেই ৯০+!! কেনো যে..???

অর্থনীতি অথবা সাংবাদিকতা পড়তে চেয়েছিলাম…কেনো যে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে খুলনা গেলাম..জানিনা। এক সময় টুকটাক পত্রিকায় লিখতাম। একজন খুব নামকরা লেখক বলেছিলেন..”লেগে থাকো।” কেনো যে আর লিখলামই না।

তেল কোম্পানীর চাকরীটা ছাড়া কি ভুল ছিলো? ঢাকা ছাড়া? বাংলাদেশ ছাড়া? আরো ছোটো বেলায় আরিফ যে আমার কলার চেপে ধরেছিলো…আমিও ওর কলার চেপে না ধরে কি ভুলই না করেছিলাম। ইশ্….


ব্যালকনিতে বসে ছিলাম। আজকে টিপ টিপ করে সারাদিন বৃষ্টি। সংগে ঠান্ডা বাতাস। ধোঁয়া ধোঁয়া কুয়াশার মতো চারিদিক। যেনো কোনো স্বপ্ন। যেনো আমি বসে আছি মেঘের মধ্যে। যেনো আমি ভাসছি। এই যে আমি বসে আছি। এই যে এইখানে...এই সময়…এই জীবনে….তাবৎ ভুল আর ঠিক, ব্যর্থতা আর সফলতা, জয় আর পরাজয় মিলিয়ে এই যে আমি বেঁচে আছি। এটাই সত্য। আমার ফেলে আসা প্রতিটি মুহুর্ত, প্রতিটি দিন, প্রতিটি রাত মিলে তৈরি করেছে আজকের আমাকে। অদ্বিতীয় আমাকে। এই আমি আর কেউ হবেনা। এই আমার জীবন আর কারো হবে না। আমি আমার ঘরে ফিরে যাবো। প্রিয় নারী অপেক্ষা করছে। প্রিয় সন্তান অপেক্ষা করছে। আমি আমার জীবনে ফিরে যাবো। আমি আমার জীবনে বেঁচে থাকবো।
….আমি বেঁচে থাকবো।
জোকস

বিটলা + আতেল: একটি জোকস পোস্ট করেছে

ওরে মোর খোদা (হাসি২)(খিকখিক)(হাসি২) , হাসিতো থামতেইছেনা
*বিটলামি* *আতলামি* *জোকস* *বেসম্ভব*
ছবি

বিটলা + আতেল ফটোটি শেয়ার করেছে

ওমা সে কি (ব্যাপকটেনশনেআসি) স্বামীর চেয়ে স্ত্রী বেতন বেশি (ঘৃণা) এটা আবার মেনে নেয়া যায় নাকি (চিৎকার) মেনে নিতে পারে না সমাজ, পরিবার এমনকি কখনো কখনো স্বামীও (মনখারাপ) কিন্তু কেন (প্রশ্ন)

http://www.beshto.com/questionid/26933 প্রশ্নটি দীপ্তির @dipty " স্ত্রী স্বামীর চেয়ে বেতন বেশি পেলে সেটাকে সমাজ, পরিবার এমনকি কখনো কখনো স্বামীও খারাপ মনে করেন কেন? স্বামী-স্ত্রীর একক আয় না ভেবে সেটাকে সম্মিলিত আয় কেন ভাবতে পারেন না এদেশের তথাকথিত মানুষেরা? (প্রশ্ন) (চিন্তাকরি) প্রশ্নটির তেমন উত্তর আসে নি (চিন্তাকরি) এতই জটিল কি বিষয়টি (প্রশ্ন) না কি এ নিয়ে মানুষজন লিখতে বা জানাতে নারাজ (বেশীটেনশনেআসি) কিন্তু যতদূর জানি, এই সমস্যা আজ ঘরে ঘরেই (মনখারাপ) দুটি উত্তরের মধ্যে একটি লিখেছিলেন @Dukhomia মাসুম, ওনার মতে, " সংসার একটা অসাধারণ মায়ার বাধন! ........... নিজে বেশি উপার্জন করি সে হিসেবে নিজেকে অনেক উচ্চতায় ভাবাটা যেমন ক্ষতিকর হবে, তেমনি অন্যরাও সেখান থেকে কোনো কিছু ফায়দা লোটার চেষ্টা করবে! "(বেশীটেনশনেআসি) @tarekpau তারেক রহমান তন্ময় লিখেছিলেন যে, " লোকটি তার স্ত্রীকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা শুরু করে, এবং এই মনেভাবের জন্ম কিন্তু আমরা এবং আমাদের এই সমাজই দিয়েছে " (রাগী) এবার আপনার কথা জানতে চাই এ ব্যাপারে (এদিকেআসো) উত্তর দিন এই প্রশ্নের সাথে কমেন্ট করুন এখানে (খুকখুকহাসি) আসুন সকলে মিলে সমাজের এই ভুল শুধরে দেই আমরা (হ্যালো)

ছবি

বিটলা + আতেল: ফটো পোস্ট করেছে

পুরাই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং

*বিটলামি* *আতলামি* *জোকস* *বেসম্ভব*
ছবি

বিটলা + আতেল ফটোটি শেয়ার করেছে

বিবাহিত বা এনগেজড হওয়া সত্ত্বেও ফেসবুকে নিজের স্টেটাস সিঙ্গেল (ব্যাপকটেনশনেআসি) এই ছলছাতুরি কেন বলুন তো (প্রশ্ন)

http://www.beshto.com/questionid/16830 এই বিষয় নিয়ে স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে প্রাথমিক সন্দেহের উদ্রেক, পরে তা ভয়াবহ (রাগী) বিবাহিতদের ফেসবুক ব্যবহারে কি কি বিষয় খেয়াল রাখা উচিত? (বেশীটেনশনেআসি) দীপ্তির মাথা থেকে আসা এই প্রশ্ন আজ যেন জাতির বিবেকের কাছেও (শয়তানিহাসি) এর উত্তরে @hillolsobhan লিখেছিলেন যে, "যার মনে যত শয়তানি সে করে তত চোরামি...পাব্লিক কোন বিষয় না...বিস্তারিত (মিশনেআছি) আবার একই প্রশ্নের উত্তরে, @Mehatab লিখেছিলেন যে, "ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিবাহিত বা অবিবাহিত ব্যাপারটা কেন আসছে তাই বুঝতেছিনা.....স্টেটাস টোটালি নাই লিখে তাহলে কি তাঁকে দোষ দেয়া যায়?".....বিস্তারিত (কুল) হা হা হা (খিকখিক) দেখুন একবার @tmakram ভাইয়ের মনে কি চলে (শয়তানিহাসি) তারই বহিঃপ্রকাশ যেন এই উত্তরে "একদম সহজ, স্বামী তার স্ত্রীর বা স্ত্রী তার স্বামীর আইডিতে ব্লক মারলেই কেল্লা ফতেহ......" অনেকের ভাবনাই তো জানা হলো আপনার, এবার (খুশী২) কি আপনার মনও কি সায় দিচ্ছে নাকি (লজ্জা) লিখে ফেলুন তো ঝটপট এ নিয়ে আপনার মতামত (খুকখুকহাসি)

ছবি

বিটলা + আতেল ফটোটি শেয়ার করেছে

একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আগে আগে প্রেমিক যুগলের মধ্যে কী কী লক্ষণ দেখা যায় (প্রশ্ন)

http://www.beshto.com/questionid/19715 তৌফিক রুদ্রের প্রশ্নটি ছিল এরকম যে (নিচেদেখ) "এ সময়, বিশেষ করে, যে সম্পর্ক ভেঙে দিতে চাইছে সে কী কী লক্ষণ প্রকাশ করে (প্রশ্ন) তার আচার আচরণে কীভাবে বোঝা সম্ভব সে আর সম্পর্ক ধরে রাখতে চাইছে না" (চিন্তাকরি) এর উত্তরে @linajambil লিখেছিলেন "সন্দেহ প্রবণতা, অবিশ্বাস আর সময় না দেয়া এবং বিরক্ত ভাব প্রকাশ করা" (টাইমনাই) @Dangerman মিকু লিখেছেন যে, "যে ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে তার কারণে অকারনে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ....এইসব আমার বাস্তবে দেখা"...বিস্তারিত :( @suraiya লিখেছেন যে, "'তুমি আমাকে স্পেস দাও না... এভাবে আর সম্ভব না' ---- এরপর সেই কাঙ্ক্ষিত 'ব্রেক আপ' ... বিস্তারিত লেখায় গেলাম না। 'উদাসীনতা' লক্ষ করলেই বুঝতে হবে 'ব্রেক আপ' ইজ কামিং!!" (খাড়াআইতাসি) (মাইরালা) মহাগুরু @gaziaziz এর মতে "পরজন যখন জানতে চায় বিভিন্ন ভাবে প্রশ্ন করে, এবং কটাক্ষ করে যখন দু'একটা তীর্যক উত্তর দেয় এথেকেই একজন অপর জনকে বিভিন্ন ভাবে দোষারোপ করবে" ..... বিস্তারিত (ওইসর) আরো জানতে প্রশ্নের লিঙ্কে গিয়ে বিস্তারিত পড়ে ফেলুন (ওদিকে দেখ) তবে এবার আপনার পালা (এদিকেআসো) আমরা জানতে চাই, অন্যদের মত আপনাদের মূল্যবান মতামত এই ব্যাপারে (প্লিইইজ) (খুকখুকহাসি) লিখে ফেলুন তাহলে এখানে এবং প্রশ্নের উত্তরে (হ্যালো) জলদি আসুন (খাড়াআইতাসি)

বিটলা + আতেল: হায় বুদ্ধিহীন মানবহৃদয়! ভ্রান্তি কিছুতেই ঘোচে না, যুক্তিশাস্ত্রের বিধান বহুবিলম্বে মাথায় প্রবেশ করে, প্রবল প্রমাণকেও অবিশ্বাস করিয়া মিথ্যা আশাকে দুই বাহুপাশে বাঁধিয়া বুকের ভিতরে প্রাণপণে জড়াইয়া ধরা যায়, অবশেষে একদিন সমস্ত নাড়ী কাটিয়া হৃদয়ের রক্ত শুষিয়া সে পলায়ন করে, তখন চেতনা হয় এবং দ্বিতীয় ভ্রান্তিপাশে পড়িবার জন্য চিত্ত ব্যাকুল হইয়া উঠে -রবীন্দ্র

*আতলামি*

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৩৯৪

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত