দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
business_center চাকরি
school ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
location_on ঢাকা
1349805600000  থেকে আমাদের সাথে আছে

Syed Mizanur Rahman Siddique: একজনকে সুপারিশ করেছে

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

Armaan বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

পৃথিবীর সব মানুষই ভালো আবার সব মানুষই খারাপ। একজন মানুষকে তার জীবনে অনেক role play বা ভুমিকা পালন করতে হয়।  তাই তার ভূমিকা অনুযায়ী একেক জায়গায় মানুষের ভালো-খারাপের বিচার একেরকম হয়, এটাই স্বাভাবিক। কেউ সব জায়গায় এক সাথে ভালো হতে পারে না। এটা সম্ভব না। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে সে শুধু মানুষ নয়, তাকে মহামানব বলাই শ্রেয়। তবে বাস্তবিকভাবে আমার চোখে এখন পর্যন্ত এমন নজিরবিহীন মানুষ দেখি নি। একজন মানুষ একইসাথে যদি সব জায়গায় সমানভাবে ভালো, মহান, উদার হতে পারত তাহলে সেই মানুষটির মত করে এত আনন্দ আর কেউ পেতো না। আর একই মানুষকে যখন কোথাও শুনতে হয় "তুমি মহান, তুমি বড় ভালো" আবার কোথাও শুনতে হয় "তুমি আত্মকেন্দ্রিক, তুমি বড় স্বার্থপর" তখন মানুষটির উপর দিয়ে কি যায় বলুন তো! হ্যাঁ, ঠিক এমন অবস্থার মুখোমুখি হলেই মানুষ identity crisis-এ ভোগে।  শুরু হয়ে যায় অন্তর্দ্বন্দ্ব এই ভেবে কি আসলে সে? কি তার আসল পরিচয়? সে হয়ত পরিবারের কাছে খুব ভালো, কিন্তু হয়ত সমাজে তার অবস্থান খুড়ো, আবার হয়ত সে বন্ধুসমাজের মধ্যমনি, বন্ধুদের দুঃখে সে যথেষ্ট তত্পর কিন্তু একই মানুষ হতে পারে পরিবারের প্রতি উদাসীন। বন্ধুর জ্বর হলে সে অস্থির কিন্তু পরিবারের কারো জ্বর হলে সামান্য নাপা নিয়ে তার সামনে তুলে ধরা তো দূরে থাক, কপালে হাত দিয়ে জ্বর দেখারও ভ্রুক্ষেপ করে না। তাহলে বন্ধুটি তাকে ভালো বলে সুখের অশ্রু ফেললেও পরিবারের মানুষটি তো দুঃখের অশ্রু ফেলবে। তাহলে সে কি খারাপ নাকি সে ভালো? সে দুটোই, তবে দুই তরফে দুই রকম।

আজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ধুমসে আমরা করি আমাদের কদর, হুম, শুধুই নিজের প্রশংসা, নিজের কথা, নিজের স্টেটাস, নিজের সুখস্মৃতি, নিজের দুঃখ স্মৃতি, আড়ালে আবডালে ঢং রং নানা ভনিতার মাধ্যমে অন্যের প্রতি তীর ছোরাও মত কর্মকান্ড। এতে করে হয়ত ভার্চুয়াল জগতে হয়ত হা হা, হু হু, এহে, তাই না কি! স্যাডনেস, সহমর্মিতা, দারুন তো ইত্যাদি বিভিন্ন এক্সপ্রেশনের মাধ্যমে সাপোর্ট পাওয়া যায় ঠিকই কিন্তু আসলে সেই এক্সপ্রেশন ধোয়া জল দিয়ে প্রকৃত সুখ পাওয়া যায়? আমি তো মনে করি যায় না, রিয়েল লাইফের রিলে যার জীবন যত জড়িয়ে তার জীবন ততই সুখের। মিথ্যে মিথ্যে সাপোর্ট পেয়ে নার্সিসিজমকে আরও এক ধাপ উস্কে নিয়ে যাওয়া যায় ঠিকই কিন্তু তাতে তীর ছোরা ব্যক্তিটিকে পাল্টানো যায় কি? যায় না, বরং সে আরো এক ধাপ কষ্ট পায় আমাদের আচরণে। ঝিকে মেরে বৌকে  শেখানোর বিষয়টা বুঝতে পারার ক্ষমতা কম বেশি সবারই থাকে। তাই আমার মতে, হুটহাট কাউকে এতটা সহজে আত্মকেন্দ্রিক বা স্বার্থপর বলায় কোনো বীরত্ব নেই, বোকামি ছাড়া। 

সম্পর্ক জিনিসটা না কাঁচের মত, খালি একটা টোকা লাগার অপেক্ষা করে। আর যে যাই বলুক, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে যেকোনো সম্পর্কে প্রকাশ, সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্পর্কের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন, সম্পর্কের প্রতি রিয়েল লাইফে সহমর্মিতা সম্পর্কগুলোকে আর এক ধাপ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। সম্পর্ক মধুর করে।  পৃথিবী সদা ঘুর্নায়মান, আর পৃথিবীর চেয়েও দ্রুত বদলে যায় মানুষের মন। বিনিময় ছাড়া জগত চলে না, চলে না সম্পর্ক।  এগিয়ে যায় না কোনো কিছুই। মানুষ চায়, মানুষ দেখতে চায়, মানুষ পেতে চায়। আর এই চাওয়াতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু আমরা মানুষরা সব জায়গায় সমানভাবে সবসময় দিতে পারি না বলেই সম্পর্কে ভাটা পরে। চাওয়ারও যে একটা লিমিট থাকে তা আমরা ভুলে যাই।  আর এই চাওয়া যখন পাওয়া না হয় তখনই জমতে শুরু করে অসন্তুষ্টি আর অসন্তুষ্টির পাহাড় এতই উচ্চ উঁচু হয় যে, সেই পাহাড় ছুঁতে পারা পারতপক্ষে কারো পক্ষেই সম্ভব হয় না। আর মৃত্যু ঘটে একেকটি সম্পর্কের। জানি আমরা সব জায়গায় সমানভাবে ভালো হতে পারি না, তবে নিজের কর্তব্যের কথা তাই বলে তো অস্বীকার করতে পারি না। পারি না কাছের মানুষগুলোকে কাছের মানুষ ভেবেই সবসময় কম গুরত্ব দেবার। 


একটা মানুষ যখন দিনের ১৮ ঘণ্টা কাজ, সংসার, পরিবারের জন্য ছোটে বেড়ায় অবিরাম তখন তার ফেরার পর তার হাতে এক গ্লাস পানি তুলে দেয়ার নামই ভালোবাসা, আর এই ভালোবাসা যে কেউ দেখাতে পারে। সে হোক মা, বাবা, ভাই, বোন, স্বামী-স্ত্রী যে কেউ। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা টাইপের ভালোবাসাগুলো না টিভির পর্দাতেই দেখা যায়। এই অসম্ভবকে সম্ভব করা বোধয় সত্যি অনন্তদের মত মহানায়কদের কাজ, আমাদের না। স্বাভাবিক মানুষের স্বাভাবিক জীবনে স্বার্থের জন্যই থাকে ভালোবাসা। 
স্বার্থ শব্দটিকে সবসময়ই কিন্তু খারাপ ভাবার অবকাশ নেই। আমরা কথায় কথায় একে অন্যকে স্বার্থপর তকমা দিয়ে থাকি। কিন্তু কে না স্বার্থপর? আমার তো মনে হয়, স্বার্থপররাই স্বার্থপরদের খুব তাড়াতাড়ি চিনে ফেলে, আত্মকেন্দ্রিরাই আত্মকেন্দ্রিকদের ছায়া দেখেই চিনতে পারে। তাই কাউকে আত্মকেন্দ্রিক আখ্যায়িত করার আগে নিজের কার্যকলাপ সমন্ধে একবার ভেবে নিয়ে বোধয় এই ধরনের দুঃসাহস দেখানোর অসম্ভবতাকে সম্ভব করার প্রচেষ্টা করা উচিত। না হলে মান হানির আশংকা কিন্তু থেকেই যায়। 


একটা পরিবারের ছেলে বা মেয়ে তার উচ্চ শিক্ষার জন্য যখন স্ত্রী নিয়ে বা স্বামী নিয়ে যখন বিদেশে পারি জমায় তখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদেরকেও স্বার্থপরতার তকমা  হয়। আর মেয়ে হলে তো কথাই নেই। একটা ছেলের সকল অর্জন যতটা স্মুথ হয় একটা নারীর ক্ষেত্রে তা হয় না। শুনেছি গবেষণা বলে, পুরুষদের চেয়ে মেয়েদের কর্মদক্ষতা বা পরিশ্রম করার হার দুটিই বেশি। আমার ব্যক্তিগত জীবন থেকেও আমি একটা মানতে পারি। আমার সকাল শুরু হয় সাড়ে ছটা-পোনে সাতটায় আর  একেবারে বিশ্রামের জন্য যাই রাত ১২:৩০ টায়। এই ১৮ থেকে ১৯ ঘন্টাতে আমি অনেকগুলো ভূমিকা পালন করে থাকি। আর ৬ থেকে সাড়ে ৬ ঘন্টা পরিশ্রান্ত আমি শুধু নিজের জন্য পাই। এই ১৮ ঘন্টায় কখনো আমি স্ত্রী, কখনো আমি মেয়ে, কখনো আমি বোন, কখনো আমি রিক্সা, বাসের যাত্রী, অফিসে কখনো আমি কাউকে নিয়ন্ত্রণ করি বা কখনো কেউ আমাকে নিয়ন্ত্রণ করে, অফিস শেষে আমি ছাত্রী, কখনো কারো সহপাঠি, ভার্সিটি শেষে আবারও কখনো আমি স্ত্রী, কখনো আমি মেয়ে, কখনো আমি বোন, কখনো আমি পুত্রবধু, কখনো আমি ভাতৃবধু, কখনো আমি ভাইঝি, কখনো আমি নাতনী, কখনো আমি বোনঝি, কখনো আমি বৌদি । আমি অনেক কিন্তু যার যার কাছে এক, এক ও  অভিন্ন ভেবে সকলে সকলের মত করে আমাকে চায়। তাদের জন্য অস্বাভাবিক নয় মোটেও তবুও আমার জন্য কিছুটা সমানভাবে সমানতালে সমানহারে সকলের মনোনিবেশ করা যথেষ্ট কঠিন। অনুপাত priority অনুযায়ী ভাগ করা তাই আমি কতটা ভালো আর কতটা খারাপ তার ভালো-মন্দ অনুপাত অনুযায়ীই ভাগ হয়ে থাকে। তাই আমি হয়ত কারো কাছে স্বার্থপর, কারো কাছে উদার, 

"কেউ কেউ আমাকে বলে তুমি এতদিক কিভাবে সামলাতে পারো?" "কেউ কেউ বলে তুমি কি মানুষ নাকি অমানুষ (রোবট)?" "কেউ কেউ বলে তুমি একটু বেশি ক্যারিয়ার কম্সাস" "কেউ কেউ বলে তুমি আমার প্রেরণা" "কেউ কেউ বলে তুমি টাকার পেছনে ছুট্ছ, পরিবারকে আরো  উচিত" "কেউ কেউ বলে বয়স হলে টের পাবা" " কেউ কেউ বলে আর কত" আরো কত কত কথা। তবে ইনিয়ে বিনিয়ে সবার কথার মাঝে যে শব্দটি দৌড়ায় তা হচ্ছে "আত্মকেন্দ্রিক" । 

আত্মকেন্দ্রিক! শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কেমন হতে পারে আত্মা + কেন্দ্রিক = আত্মকেন্দ্রিক। আত্মাকে কেন্দ্র করে যে চলে সেই আত্মকেন্দ্রিক। তাহলে এই আত্মকেন্দ্রিক তকমাটি কার কার নেই সেটিই ভাবার বিষয়। মানুষ জন্ম থেকে আত্মকেন্দ্রিক হয় না, পরিবেশ, সম্পর্ক, পরিস্থিতি, আচরণ, স্বভাব মানুষকে একটু একটু করে অন্যের প্রতি  অভিমানের জন্ম দেয়।  আর সবাই বোধয় অভিমানের বিস্তৃতি ঠাওর করে উঠতে পারে না কারণ মানুষ তো আমরা তাই হামবড়া বা নার্সিসিজম আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাই কারো গায়ে আত্মকেন্দ্রিক তকমা লেপ্টে দেয়ার আগে খানিক ভেবে দেখুন, আর তা যদি হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় তাহলে তো ব্যাপারটি একটু তলিয়ে দেখার মতই। 

Md. Shuvo Islam: একজনকে সুপারিশ করেছে "আমি একটা প্রশ্ন করলাম কেউই উত্তর টা দেয় না। অথছ আমি সবার প্রশ্নর উত্তর দিতে থাকি। একটু হেল্প প্লিজ!"

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

younus khan opu বেশটুনটি শেয়ার করেছে

অগ্নিঝরা মার্চ
“মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে...।” দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাঁর নাম "বাংলাদেশ।"

Lutfun Nessa: একজনকে সুপারিশ করেছে "প্রিয় দীপ্তি: ইদানিং অনেকেই আমার সঠিক উত্তরেও লাইক ভোট দেননা! আপত্তি নেই! আবার সঠিক উত্তর দিলেও কেউ ডিসলাইক করেন.... এখানে আপত্তি আছে... যেমন এই লিঙ্কটির উত্তর দেখলেই বুঝতে পারবে .... http://www.beshto.com/questionid/70082"

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

কালবৈশাখী এক ধরনের বজ্রঝড়, যা সচরাচর এপ্রিল-মে (বৈশাখ) মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। স্থানীয়ভাবে এ বজ্রঝঞ্ঝা কালবৈশাখী নামেই অধিক সুপরিচিত। ‘কাল’ শব্দের অর্থ ঋতু, আবার কালো বর্ণকেও বোঝানো হয়ে থাকে। কালবৈশাখীকে কখনও কখনও ‘কালোবৈশাখী’ নামেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে যার অর্থ কালো বর্ণের বৈশাখী মেঘ। ঘন, কালো বর্ণের মেঘ ও ঝঞ্ঝা এবং এর ধ্বংসাত্মক প্রকৃতির জন্যই এ নামকরণ। ধ্বংসকারীকে ‘কাল’ বলেও ডাকা হয়। গ্রীষ্ম ঋতুর সঙ্গে হাত ধরাধরি করে এ ঝড়ের আগমন ঘটে। স্থানীয়ভাবে কোনো এলাকার ভূ-পৃষ্ঠ অত্যধিক তাপমাত্রা অথবা অন্যান্য কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বায়ুমন্ডল যথেষ্ট অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে এবং এ ঝড়ের জন্ম হয়। উত্তপ্ত, হাল্কা ও অস্থির বায়ু উর্দ্ধমুখী উঠতে থাকে এবং সমতাপীয় সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ায় বায়ুস্তর সম্পৃক্ত বিন্দুতে না পৌঁছা পর্যন্ত শীতল হতে থাকে এবং কিউমুলাস মেঘ সৃষ্টি হয়। বায়ুমন্ডলের অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে কিউমুলাস মেঘ উল্লম্বভাবে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ গঠন করে এবং পরবর্তী সময়ে বজ্রঝঞ্ঝার সৃষ্টি হয় যা সবার কাছে কালবৈশাখী নামে পরিচিত। সাধারণ বর্ষণের সঙ্গে এ ঝড়ের মূল পার্থক্য হচ্ছে, এ ঝড়ের সঙ্গে সবসময়ই বিদ্যুৎ চমকায় ও বজ্রপাত হয়। এটি একটি তাপগতিক প্রক্রিয়া যেখানে ঘনীভবনের সুপ্ত তাপ দ্রুত ঊর্ধারোহী বায়ুস্রোতের গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের তাপমাত্রা পূর্ববর্তী মাসগুলির তুলনায় দ্রুত বাড়তে থাকে। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিতে সারা দেশে বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে দৈনিক তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর উপস্থিতি কালবৈশাখী সৃষ্টির অপরিহার্য পূর্বশর্ত। অস্থিতিশীল বায়ুমন্ডল আর দ্রুত পরিচলন ক্রিয়া কালবৈশাখীর উৎপত্তি ও বৃদ্ধির অন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।


কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় নামেও আখ্যায়িত করা যায়। বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ হচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা উর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়। উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টি হয়ে পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়।


কালবৈশাখীর জীবনচক্রকে তিনটি ধাপ বা পর্যায়ে বিভক্ত করা যায় যেগুলি ঊর্ধগামী অথবা নিম্নগামী বায়ুস্রোতের মাত্রা এবং গতিবিধি দ্বারা নির্ণীত হয়ে থাকে। কালবৈশাখীর পর্যায়গুলি হচ্ছে: ১) কিউমুলাস বা ঘনীপূঞ্জীভবন পর্যায়, ২) পূর্ণতা পর্যায় এবং ৩) বিচ্ছুরণ পর্যায়। একটি কালবৈশাখী পূর্ণতা লাভের ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর এর তীব্রতা হ্রাস পেতে থাকে এবং বিচ্ছুরণ পর্যায়ে প্রবেশ করে। অতি দ্রুত হারে তাপমাত্রা হ্রাস, মেঘে প্রচুর জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি এবং বায়ুর পুঞ্জীভূত ঊর্ধ্বচলনের দরুণ কালবৈশাখীর সঙ্গে শিলাপাত একটি সাধারণ ঘটনা। শিলার আকার নির্ভর করে মেঘের ভেতরে বায়ুর উর্ধ্ব চলাচল হার এবং এর উচ্চ জলীয় বাষ্প ধারণ ক্ষমতার ওপর। কালবৈশাখীর সময় অঝোড় ধারায় বৃষ্টিপাত হয়। বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাতও কালবৈশাখীর সাধারণ ঘটনা। মধ্যাহ্নের পরে অপরাহ্নে ভূ-পৃষ্ঠ সর্বাধিক উত্তপ্ত হয় এবং বায়ুমন্ডলে পরিচলন স্রোত সৃষ্টিতে ভূ-পৃষ্ঠের উষ্ণতা প্রধান ভূমিকা পালন করায় কালবৈশাখী সাধারণত শেষ বিকেলে শুরু হয়। বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে শেষ বিকেলে এবং সন্ধ্যার পূর্বে কালবৈশাখীর আগমন ঘটে, কিন্তু পূর্বাঞ্চলে সাধারণত সন্ধ্যার পরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পূর্বদিকে এবং দক্ষিণ-পুর্ব দিক থেকে আগমন করে থাকে। এ ঋতুতে সকাল বেলাটা মোটামুটি শান্ত থাকে। কালবৈশাখীর বায়ুর গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিমি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ গতিবেগ ঘন্টায় ১০০ কিমি-এর বেশিও হতে পারে। কালবৈশাখীর স্থায়িত্বকাল স্বল্পতর, তবে কখনও কখনও এ ঝড় এক ঘন্টারও বেশিকাল স্থায়ী হয়।

সূত্র: বাংলা পিডিয়া

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

বাংলাদেশের বেশিরভাগ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকার মানুষই এলপিজি বা সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করে রান্নার কাজে। কিন্তু একটু অসাবধানতার কারনেই ঘটতে পারে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণের ফলে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এমনকি হতে পারে প্রাণহানিও। তাই আমাদের সব সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লাগলে কি করবেন আর কি করবেন না, চলুন জেনে নেয়া যাক :

  

গ্যাস লিক হলে: সিলিন্ডারের গ্যাস খুবই বাজে গন্ধযুক্ত। কোন অংশ লিক হলেই এই বাজে গন্ধ দ্রুত আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এমন উৎকট গন্ধ পেলেই সাবধান হয়ে যান। কোন প্রকার আগুন জ্বালানো যাবে না এই সময়। পাশাপাশি বাসার বিদ্যুৎ লাইনের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন। বাসার সকল দরজা, জানালা খুলে দিন যাতে বাতাস যাতায়াত করতে পারে। সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করুন এবং সেফটি ক্যাপ লাগান।

 

যেভাবে আগুন নেভাবেন : যদি সিলিন্ডারে আগুন লাগে, আতঙ্কিত না হয়ে নেভানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে। প্রথমে দ্রুত একটি সুতি কাপড় (লুঙ্গি জাতীয় কাপড়) দিয়ে পুরো সিলিন্ডারটি ঢেকে দিন। আগুন হাতে কিংবা শরীরে লাগবে না। তারপর দ্রুত রেগুলেটর ঘুরিয়ে সিলিন্ডারটি বন্ধ করে ফেলুন। দেখবেন আগুন নিভে যাবে।

শরীরে গ্যাস লাগলে : যদি সিলিন্ডারের গ্যাস শরীরের কোথাও লাগে তাহলে ওই স্থান ২০ মিনিট পানি দিয়ে ধুতে হবে। যদি কাপড়ে লাগে তাহলে ওই কাপড় দ্রুত খুলে ফেলতে হবে। চোখে লাগলে পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে হবে। আর যদি কোনভাবে শরীরে আগুন লেগে যায়, তাহলে শরীরের সব জামা-কাপড় খুলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হবে। যতটা দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যেতে হবে। আগুনে পুড়ে যদি শরীরে ফোস্কা পড়ে তা ভুলেও তুলে ফেলবেন না। এতে ঐ স্থানে ইনফেকশন হতে পারে।

সাবধানতা অবলম্বন : সিলিন্ডারের গ্যাস বিস্ফোরণের ফলে মারাত্বক দূর্ঘটনা হতে পারে। তাই নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে সিলিন্ডার লিক হচ্ছে কি না। এই পরীক্ষা করার জন্য পানিতে সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে ফেনা তৈরি করুন। এই ফেনা রেগুলেটর, হোস পাইপ, ভাল্ব ইত্যাদিতে লাগান। যদি কোন স্থানে সাবান পানির ফোঁটা বড় হতে দেখা যায় তাহলে বুঝবেন ঐ স্থান লিক হয়ে গ্যাস বের হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে তখন। কখনো আবদ্ধ সাথে গ্যাস সিলিন্ডার রাখবেন না।

সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণ রোধে আপনাকে আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। কখনো গ্যাসের চুলায় রান্না তুলে দিয়ে অন্যত্র যাবেন না। খাবারে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। রান্নার সময় আপনার পড়নের কাপড়ের দিকেও সাবধান দৃষ্টি রাখতে হবে। 

(সংকলিত) 

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে, আয় রে চলে,   আ য় আ য় আয়।
ডালা যে তার ভরেছে আজ পাকা ফসলে,   মরি   হায়   হায়   হায়॥
          হাওয়ার নেশায় উঠল মেতে   দিগ্‌বধূরা ধানের ক্ষেতে--
রোদের সোনা ছড়িয়ে পড়ে মাটির আঁচলে,   মরি   হা য়   হা য়   হায়॥

আজ পৌষ পার্বণ, পৌষ সংক্রান্তি। বাংলার আরো একটি উৎসবের দিন। পৌষ মাসের শেষ দিনে আয়োজন করা হয় এই উৎসবের। একে আবার অনেকে 'মকর সংক্রান্তি'ও বলে থাকে। মকর সংক্রান্তি শব্দটি দিয়ে নিজ কক্ষপথ থেকে সূর্যের মকর রাশিতে প্রবেশকে বোঝানো হয়ে থাকে। ভারতীয় জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী ‘সংক্রান্তি’ একটি সংস্কৃত শব্দ, এর দ্বারা সূর্যের এক রাশি থেকে অন্য রাশিতে প্রবেশ করাকে বোঝানো হয়ে থাকে। ১২টি রাশি অনুযায়ী এরকম সর্বমোট ১২টি সংক্রান্তি রয়েছে।


মহাভারতেও এই দিনের তাৎপর্য সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে। তাই সামাজিক এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব ছাড়াও এই দিনটি ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে। ধর্মীয় গুরুত্বের জন্য বিভিন্ন স্থানে দিবসটিতে কীর্তন, পালা গানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তিতে মূলত নতুন ফসলের উৎসব ‘পৌষ পার্বণ’ উদযাপিত হয়। নতুন ধান, খেজুরের গুড় এবং পাটালি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি করা হয়, যার জন্য প্রয়োজন হয় চালের গুঁড়া, নারিকেল, দুধ আর খেজুরের গুড়। পৌষ সংক্রান্তির মাধ্যমে আমরা পৌষ মাসকে বিদায় জানাই ও মাঘ মাসকে আলিঙ্গন করি। সংক্রান্তির দিনে বাংলার বধূরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন নকশা ও সুস্বাদু পিঠা তৈরী করে।


পৌষ সংক্রান্তিতে সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি বাড়িতে পিঠা-পুলি তৈরী ও খাওয়ার ধুম পড়ে। সংক্রান্তির দিনে সকালে পিঠা-পুলি, পায়েস, দই-চিড়া, তিলু-কদমা আর নকূল-বাতাসার পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূলের আয়োজন হয়ে থাকে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও আত্মীয়সহ প্রতিবেশীর বাড়ি যান। আর কিশোররা ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে। সংক্রান্তি উপলক্ষে বুধবার বাজারে গুড়-মুড়ি-চিড়া, দই, নারকেল, তিলু, কদমা ও ফলমূলের বিক্রি হয় দেদারসে। পৌষ পার্বণ হলো বাঙালির ঐতিহ্য।


আবহমান কাল ধরে ও গ্রামীণ লোকসমাজ এর চর্চা করে বলে এখনও তার কিছু নিদর্শন লক্ষ্য করা যায়। শহরে এখন পিঠা উৎসব পালন করা হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। মকর সংক্রান্তি নতুন ফসলের উৎসব ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বিদের কাছে ‘উত্তরায়ণের সূচনা’ হিসেবে পরিচিত। একে অশুভ সময়ের শেষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, পঞ্জিকা মতে, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয় এই দিন। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত বাংলা দিনপঞ্জির সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পঞ্জিকার ব্যবধান দু’দিনের। তাই তাদের পৌষ সংক্রান্তি হয় দেশের প্রচলিত বাংলা দিনপঞ্জির মাঘ মাসের ২ তারিখ। পৌষ সংক্রান্তিতে পিঠা উত্সব, পৌষ মেলা এবং বিভিন্ন লোকজ ধারার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়ে থাকে l 


বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ায় এই দিবস বা ক্ষণকে ঘিরে উদযাপিত হয় উৎসব। নেপালে এই দিবসটি মাঘি নামে, থাইল্যান্ডে সংক্রান, লাওসে পি মা লাও, মিয়ানমারে থিং ইয়ান এবং কম্বোডিয়ায় মহাসংক্রান নামে উদযাপিত হয়। অবশ্যিকভাবে দেশ ভেদে এর নামের মতোই উৎসবের ধরণে থাকে পার্থক্য।

 মাঠের বাঁশি শুনে শুনে আকাশ খুশি হল।
          ঘরেতে আজ কে রবে গো,   খোলো   খোলো দুয়ার খোলো।
          আলোর হাসি উঠল জেগে   ধানের শিষে শিশির লেগে--
ধরার খুশি ধরে না গো, ওই-যে উথলে,   মরি     হা য়   হা য়   হায়॥


এছাড়া পৌষ সংক্রান্তির অন্যতম আকর্ষণ হলো সাকরাইন বা ঘুড়ি উৎসব l পৌষ সংক্রান্তির দিন বাঙালির সারাদিনব্যাপি ঘুড়ি উড়ানোর প্রথা ছিল। হাল্কা খেলনা যা সুতা টেনে আকাশে ওড়ানো হয়। পাতলা কাগজের সাথে চিকন কঞ্চি লাগিয়ে সাধারণ ঘুড়ি তৈরি করা হয়। ঘুড়ি ওড়ানো একটি মজার খেলা। বহু দেশে ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে বিশেষ করে পুরনো ঢাকায় পৌষ মাসের শেষ দিন পৌষ সংক্রান্তিতে ঘুড়ি ওড়ানো উৎসব পালন করা হয়। এইদিন ঘুড়ি উড়ানোর জন্য তারা আগে থেকে ঘুড়ি বানিয়ে এবং সুতায় মাঞ্জা দিয়ে প্রস্তুতি নেয়। মাঞ্জা হল ঘুড়ি সূতা প্রস্তুত প্রণালী যা ঘুড়ি উড়াতে এবং কাটাকাটি খেলতে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান সহ ভারতবর্ষের আশেপাশের দেশে ব্যবহৃত হয়। সুতায় আঠা, রঙ এবং কাচের গুড়ার (চূর) প্রলেপ দিয়ে আকাশে ঘুড়ি কাটাকাটির জন্য তৈরি করা হয়। ঘুড়ি কাটাকাটির লড়াই সাড়া বছর ধরে চললেও এ অঞ্চলগুলো ঘুড়ি উড়ানোর উৎসবে বিশেষভাবে অনুষ্ঠিত হয়। দুইজন লড়াকু মাঞ্জা দেওয়া সূতা দিয়ে ঘুড়ি উড়িয়ে একজন আরেকজনকে টানে অথবা ছোড়ে (ঢিল) পদ্ধতিতে কাটার চেষ্টা করেন। বিজয়ী ঘুড়ি আকাশে উড়তে থাকে আর হেরে যাওয়া অর্থ্যাৎ কেটে যাওয়া ঘুড়ি বাতাসে দুলতে দুলতে দুরে মিলিয়ে যায়। কিশোর যুবক বৃদ্ধ সেই কেটে যাওয়া ঘুড়ি ধরার চেষ্টা করেন। ঘুড়ি উৎসব বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব। এই উৎসবে প্রচুর লোক সমাগম ঘটে। 

Md:Almas Ahmed: একজনকে সুপারিশ করেছে

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

উপকরণ: বড় সাইজের নারকেল ২টো (কোরানো), ছানা ১০০ গ্রাম, খোয়াক্ষীর ২০০ গ্রাম, চিনি ৩৫০ গ্রাম, ছোট এলাচের গুঁড়ো ২ টেবলচামচ, বড় এলাচের গুঁড়ো ১ টেবলচামচ, সুজি ২ টেবলচামচ, ঘি ১ টেবলচামচ, কাজুবাদাম কয়েকটা (সাজানোর জন্য)।
 
প্রণালী: কোরানো নারকেল ভাল করে বেটে রেখে দিন। একটি প্যানে নারকেলবাটা, খোয়াক্ষীর, ছানা ও চিনি দিয়ে ভাল করে পাক দিতে থাকুন। চিনির রস শুকিয়ে এলে সুজি দিয়ে পাক দিয়ে মণ্ড তৈরি করুন। মিশ্রণের মধ্যে ছোট এলাচের গুঁড়ো দিন। চন্দ্রপুলির ছাঁচে ঘি মাখিয়ে রাখুন। নারকেলের মণ্ড থেকে লেচির আকারে কেটে নিয়ে ছাঁচে ফেলুন। চন্দ্রপুলি তৈরি হয়ে এলে উপর থেকে বড় এলাচের গুঁড়ো ও কাজুবাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। 

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শীতের সকালে ভাঁপা পিঠা তো খাই-ই, সেই সাথে খেঁজুরের রসও খেয়ে থাকি আমরা। তবে কখনো খেঁজুরের রসে চুবিয়ে ভাঁপা পিঠা খেয়ে দেখেছেন কি ! না খেয়ে থাকলে আজই ট্রাই করে দেখুন। 

উপকরণঃ

খেঁজুরের রস ১ কাপ 

পিঠার জন্য 

২ কাপ চালের গুঁড়ো
১ কাপ খেজুর গুঁড়ো
১ কাপ নারিকেল গুড়ো
স্বাদ মতো লবন
পিঠা বানানোর বাঁটি
একটি পাতিল
একটি ছিদ্রযুক্ত ঢাকুনি


 

প্রণালিঃ


প্রথমে চালের গুঁড়ো চালুনিতে করে চেলে নিতে হবে। এরপর চালের গুঁড়োর সাথে পানি ছিটিয়ে, লবণ দিয়ে হালকা ভাবে মেখে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন দলা না বাঁধে। এখন হাঁড়িতে পানি দিন, হাঁড়ি উপর ছিদ্রযুক্ত ঢাকুনিটি রেখে চুলায় বসিয়ে দিন, চুলাটি খুব অল্প আচে রাখুন, ঢাকুনির পাশে ছিদ্র থাকলে তা আটা বা মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিন। ছোট বাটিতে মাখানো চালের গুঁড়ো নিয়ে তার মাঝখানে পরিমাণ মত গুড় দিন। এরপর ওপরে অল্প চালের গুঁড়ো দিয়ে পাতলা কাপড়ে দিয়ে বাটির মুখ ঢেকে ছিদ্রযুক্ত ঢাকুনির ওপর বাটি উল্টে তা সরিয়ে নিন। ২ থেকে ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পিঠাটিতে নারিকেলের গুঁড়ো ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।  বাটি ওঠাতে দেরি করলে পিঠা বাটিতে আটকে যাবে। সব পিঠা বানানো হলে ঠান্ডা করে ওপরে ঠান্ডা পাতলা রসে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

 

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শীতের নতুন গুড় দিয়ে সন্দেশ না হলেই নয়।, তাই পরিবারের সবাইকে চমকে দিয়ে নিজেই বানিয়েছিলাম খেজুর গুড়ের সন্দেশ। চলুন আপনাদের শিখিয়ে দেই এই সহজ রেসিপিটি।

উপকরনঃ
ছানার জন্য
• দুধ- ৪ কেজি,
• লেবুর রস - ১/২ কাপ (মাঝারি সাইজের দুটি লেবু নিলেই চলবে) অথবা আধা কাপ ভিনিগার
এছাড়া লাগছে খেজুরের গুড় ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঘি ১ টেবিল-চামচ ও এলাচগুঁড়া ১ চা-চামচ।

সময় : সব মিলে এক থেকে দেড় ঘন্টা।

প্রণালীঃ
* দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিন, বলগ আসলে লেবুর রস বা ভিনিগার দুধের চারদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে, তারপর ঢেকে রাখতে হবে।
* দুধ থেকে ঘোলাটে পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছাঁকনির উপর একটি পরিষ্কার সুতি বা মসলিন কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে, তারপর ছানার উপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে যে লেবুর গন্ধ পুরোপুরি চলে যায়, এরপর আবারো ভালো করে চেপে চেপে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে এবং ভালো করে কাপড়টি গিট্ বেঁধে কোথায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা।
* এরপর কাপড় থেকে গোল ছানার পিন্ডটি কোনো বোরো থালা বা ট্রেতে নিয়ে, হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত।
* গুড় ভেঙে নিন। ছানা হাতের তালুতে দিয়ে হালকা মাখান। কড়াইতে গুড় জ্বাল দিন। গুড় গলে নরম হলে ছানা দিন।
*কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে চিনি, ঘি ও এলাচগুঁড়া মিশিয়ে দিন। মৃদু আঁচে ঘন ঘন নাড়ুন। ছানা চটচটে হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
* এবার হাত দিয়ে ভালো করে মেখে মসৃণ করে ট্রে’র মধ্যে ঘি মাখিয়ে ছানা ঢেলে দিন। চেপে চেপে সমান করে নিন। 
* ঠান্ডা হলে পছন্দ মতো ছাঁচের আকারে অথবা স্কয়ার শেপে অথবা বরফি আকারে ছুরি দিয়ে কেটে পরিবেশন করুন।

 

 

SB SANI: একজনকে সুপারিশ করেছে

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

SB SANI: একজনকে সুপারিশ করেছে

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

Saifur Rahman Sahan: একজনকে সুপারিশ করেছে

দীপ্তি

@dipty

আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)
১৩৩,৬৩৩ জন ফলো করছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
২৫,৬১৪

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

***