খোরশেদ আলম

@khursad

আমি একজন সাধারন মানুষ।
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1428214529000  থেকে আমাদের সাথে আছে

খোরশেদ আলম বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

বিশ্বাস করো কারু,
সেদিন আকাশে মেঘ-বৃষ্টি ছাড়াই ঝকমকে রঙধনু ছিল।
তুমি-আমি বসে ছিলাম সবুজ ঘাসের চাদরে,
তীব্র ঘ্রাণে ভরে ছিল চারপাশ, শুভ্র-সতেজ-প্রাণময়;
রঙধনুর সাত রঙ বৃষ্টি হয়ে অবিরল ঝরেছিল ঘাসের ডগায়।
কোনটা সুখের, কোনটা দু:খের; কোনটা নিতান্তই ভাল্লাগেনা'র রঙ;
চোখের কোণে দু'টি সাদা বক দিগন্তে জমাল পাড়ি,
দেখলাম আমার পিঠেও ইকারাসের মত গজিয়েছে ডানা
তোমার পিঠেও ডানা! কী আশ্চ‍র্য!

কেবল তোমায় নিয়ে আমিও উড়বো, বেপরোয়া ঘুমটাই ভেঙে গেল!
তাতে কী! বিশ্বাস করো এবার আমার স্বপ্নটা অনেক জীবন্ত ছিল।

- ২৪ বৈশাখ, ১৪২২ (০৭ মে ২০১৫)


{জন্মদিন রবী বাবুর,কিন্তু কবিতার ভূত আমার মাথায়}

খোরশেদ আলম: টক ঝাল মিষ্টি তুই তোকে ভালো লাগে তাইতো নিরব চোখ শুধু তোকে খোঁজে। মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় এলোমেলো সব ভাবনায় তোমার নিরবতায় আমাকে খুব কাঁদায়। এটা কি ভালোবাসা নাকি অন্য কিছু জানতে বড় ইচ্ছা হয় তাইতো আমি তোমার পিছু একটি বার বলে যাও ভালোবাসো নাকি নাকি আমারই ভুল তুমি অপ্সরা নাকি?(হার্ট)

খোরশেদ আলম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি ফোন করতেই আমার আড়াই বছরের মেয়ে  তার মাকে কথা  বলতে না দিয়ে  প্রথমে  আমার সাথে কথা বলবে।ফোন ধরে বলবে পাপা কেমন আছো? আমাকে উত্তর দেওয়ার আগে নিজে নিজে বলবে আমি ভালো আছি। মাঝে মাঝে আমি নিজের অজান্তে হেসে ফেলি। ফোন ধরলে তার নানান বায়নার কথা শুনতে হবে। মাঝে মাঝে শুধু বলবে তুমি আসো না কেন। আমাকে কুলে নেও।তখনই আমার চোখের জল এসে পড়ে। একজন বাবা হয়ে মেয়ের আবদার না রক্ষা করা বড় কষ্ট। সেদিন আমি কিছু ছবি তুলে পাঠিয়েছিলাম এর মধ্যে একটি ছবি ছিল সীবিচে বসে তোলা। আমার ছবি দেখে সেদিন মেয়ে ফোনে জিজ্ঞাস করে তুমি কেন নিচে বসেছো? ময়লা লাগবে তো! আমি সেদিন সত্যিই আবাক হয়েছিলাম আমার আড়াই বছরের মেয়ের চিন্তা ভাবনা দেখে।তাঁর ভালোবাসা দেখে।আমি মেজেতে বসেছিলাম। আর সেখানে ময়লা থাকা স্বাভাবিক। বসাটা উচিত হয়নি। সেটা আমার আড়াই বছরের মেয়ে বুজতে পেরেছিল। আমাদের সমাজে আমরা অনেকে উচিত আর অনুচিত বুজতে পারি না। হয়তো স্বার্থের কারনে সব উচিতকে অনুচিত আবার অনুচিত কে উচিত ভেবে নেই। আর ভালোবাসা! ভালবাসার মধ্য ও ফরমালিন ঢুকে পড়েছে। তবে আমার মা আর মেয়ের ভালোবাসার মধ্যে কোন ফরমালিন নেই।সে ভালোবাসা স্বর্গীয় ও নিঃশ্বার্থ।(হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)

খোরশেদ আলম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হায়রে ভালোবাসা।!ভালোবাসার অনেক গুলো রুপ দেখেছি। কখনো দেখেছি রমনী উত্তাল ভালোবাসার ঢেউ। ক্ষনিকের জোয়ার ভাটার মত চুপসে গেছে ভালোবাসা। কখনো বন্ধুর ভালোবাসা রাজনীতির গোলক ধাঁধাঁয় আটকে গেছে। পত্নীর ভালোবাসা রক্তের বাধনের কাছে যুক্তি হীনতা ভালোবাসার নির্মম মৃত্যু। আত্বীয় স্বজনদের ভালোবাসা স্বার্থের কাছে নৈতিকতা পরাজয়। শুধু দেখেছি পিতা মাতার ভালোবাসা নিঃশ্বার্থ ভালোবাসা। সে ভালোবাসা স্বর্গীয়। মা বাবা ভালোবাসা মধ্য কোন ক্ষত নেই। কোন মা বাবা কখনো যোগ বিয়োগের হিসাব করে না। তাই মনে করি ভালোবাসার উজ্জল দৃষ্টান্ত পিতা মাতা। আসুন সবাই মা বাবাকে ভালোবাসি। কারন মা বাবা ভালোবাসা হলো সত্যিকার অর্থে নিঃশ্বার্থ ভালোবাসা।

খোরশেদ আলম বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


গত শতাব্দীর শীর্ষস্থানীয় দার্শনিক এবং মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস খুব সুন্দরভাবে বলেছেন, আমার প্রজন্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো, দৃষ্টিভঙ্গি বদলে একজন মানুষ পারে তার জীবনকে বদলে ফেলতে। এ কথার সত্যতা সম্বন্ধে এখন বিজ্ঞানীমহলেও মিলছে সমর্থন। নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন, মানুষের মস্তিষ্কের রয়েছে যেকোনো চিন্তাকে বাস্তবায়িত করার এক অসাধারণ ক্ষমতা। মন ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে দশকের পর দশকব্যাপী গবেষণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে সাইকোনিউরো-ইমিউনলজি নামে বিজ্ঞানের নতুন শাখা ।

এ বিষয়ে ডা. অ্যালেন গোল্ডস্টেইন, ডা. জন মটিল, ডা. ওয়াইল্ডার পেনফিল্ড ও ডা. ই রয় জন দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, একজন প্রোগ্রামার যেভাবে কম্পিউটারকে পরিচালিত করে, তেমনি মন মস্তিষ্ককে পরিচালিত করে। মস্তিষ্ক হচ্ছে হার্ডওয়ার আর মন হচ্ছে সফটওয়ার। নতুন তথ্য ও নতুন বিশ্বাস মস্তিষ্কের নিউরোনে নতুন ডেনড্রাইট সৃষ্টি করে। নতুন সিন্যাপসের মাধমে তৈরি হয় সংযোগের নতুন রাস্তা। বদলে যায় মস্তিষ্কের কর্মপ্রবাহের প্যাটার্ন। মস্তিষ্ক তখন নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে নতুন বাস্তবতা উপহার দেয়। নতুন বাস্তবতা ভালো হবে না খারাপ হবে, কল্যাণকর হবে না ক্ষতিকর হবে তা নির্ভর করে মস্তিষ্কে দেয়া তথ্য বা প্রোগ্রাম এর ভালো-মন্দের উপর। কল্যাণকর তথ্য ও বিশ্বাস কল্যাণকর বাস্তবতা সৃষ্টি করে আর ক্ষতিকর তথ্য বা বিশ্বাস ক্ষতিকর বাস্তবতা উপহার দেয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, জীবনের নতুন বাস্তবতার চাবিকাঠি হচেছ দৃষ্টিভঙ্গি বা নিয়ত।

 

বিজ্ঞানীরা বলেন দৃষ্টিভঙ্গি দু’ধরনের।
১) প্রো-একটিভ।
২) রি-একটিভ।

জীবনকে বদলাতে হলে একজন মানুষকে জানতে হবে রি-একটিভ নয়, প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করতে হবে।

একজন প্রো-একটিভ মানুষের বৈশিষ্ট্য ৩ টি :
১. তারা উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

২. তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন।

৩. তারা সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন না।

 

নিচের গল্পটি পড়ুন:


বাবা, ছেলে ও গাধার গল্প

বাবা ও ছেলে বিশেষ প্রয়োজনে বাড়ির পোষা গাধাটিকে বিক্রি করার জন্যে হাটের পথে যাত্রা শুরু করল। বাবা, ছেলে ও গাধা তিনজনই হেঁটে যাচ্ছে। কিছুদূর যাওয়ার পর তাদেরকে দেখে একজন বললো লোক দুটো কি বোকা। গাধা থাকতে হেঁটে যচ্ছে। একজন তো গাধার পিঠে উঠে আরাম করে যেতে পারে। বাবা ছেলেকে গাধার পিঠে উঠিয়ে দিলেন। ছেলে গাধার পিঠে আর বাবা হেঁটে চলছেন। কিছুদূর যাওয়ার পর আরেকজন বলল, কী বেয়াদব ছেলে। নিজে গাধার পিঠে আরাম করে যাচ্ছে আর বুড়ো বাপকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে স্থান পরিবর্তন করলো। বাবা গাধার পিঠে আর ছেলে হেঁটে। আরও কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর আরেক ব্যক্তি মন্তব্য করল, কী নিষ্ঠুর পিতা! নিজে গাধার পিঠে আরাম করছে আর মাসুম বাচ্চাটাকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে দু’জনই গাধার পিঠে উঠল। গাধা চলতে শুরু করল। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর একজন পশুপ্রেমিকের নজরে পড়ল তারা। পশুপ্রেমিক তাদের দেখে আক্ষেপ করে বলতে শুরু করল, কী অত্যাচার! কী অবিচার! একটি গাধা তার উপর দুটি লোক!

বাবা ও ছেলে পড়ল সমস্যায়। কী মুশকিল! গাধার সাথে হেঁটে গেলে দোষ। ছেলে উঠলে দোষ! বাবা উঠলে দোষ! দু’জন উঠলে দোষ! এখন কি করা যায়? বাবা ছেলে দুজন মিলে নতুন এক বুদ্ধি বের করল। বাঁশ ও রশি জোগাড় করল। গাধার চার পা ভালো করে বাঁধল। তারপর পায়ের ফাঁক দিয়ে বাঁশ ঢুকিয়ে দিল। বাবা সামনে আর ছেলে পিছনে বাঁশ কাঁধে নিয়ে হাঁটতে শুরু করল। গাধা রইল ঝুলে। গাধাকে কাঁধে নিয়ে পুল পার হওয়ার সময় গাধা ভয় পেয়ে চিৎকার করে নড়ে উঠল। বাবা, ছেলে ও গাধা পড়ে গেল খালে। গাধার মেরুদণ্ড ভাঙল। বাবা ও ছেলের ভাঙল পা। গাধা আর বেচা হলো না। বাবা ও ছেলে আহত অবস্থায় ফিরে এল ঘরে।

 

এই বাবা-ছেলে হলেন রি-একটিভ। রি-একটিভ হলে নিয়ন্ত্রণ তখন নিজের হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন, অন্যের চাটুকারিতায় গলে যান, অন্যের কথায় নাচেন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর আপনার হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। গল্পের এ বাবা-ছেলের মতোই রি-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি করে।

প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতিতে উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে অন্যের কাজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কোন কাজ বা আচরণ না করা। সর্বাবস্থায় নিজের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আচরণ ও কর্মপন্থা অবলম্বন করা। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে কি কি নেই তা নিয়ে হা-হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করা। প্রো-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় সাফল্য ও বিজয় ছিনিয়ে আনে।
প্রো-একটিভ মানুষই অন্যকে প্রভাবিত করে, পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে। এই জন্যেই মহামানবরা সবসময় প্রো-একটিভ ছিলেন। নবীজী (স)-র জীবন দেখুন। তিনি সবসময় প্রো-একটিভ ছিলেন। ফলে প্রভাবিত করতে পেরেছেন সবাইকে।

এক বৃদ্ধা প্রতিদিন নবীজী (স)-র পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখত। উদ্দেশ্য নবীজীকে কষ্ট দেয়া। নবীজী (স) প্রতিদিন কাঁটা সরিয়ে পথ চলতেন। যাতে অন্যের পায়ে কাঁটা না বিঁধে। একদিন পথে কাঁটা নেই। দ্বিতীয় দিনও পথে কাঁটা নেই। নবীজী (স) ভাবলেন, একদিন হয়তো ভুল করে বৃদ্ধা কাঁটা বিছায় নি। দুই দিন তো ভুল হতে পারে না। নিশ্চয় বৃদ্ধা অসুস্থ। তিনি খোঁজ নিলেন। বৃদ্ধা ঠিকই গুরুতর অসুস্থ। আমরা হলে হয়তো বলতাম, ‘বেটি বুড়ি আমার পথে কাঁটা বিছিয়েছিস! আল্লাহ তোকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে।’ কিন্তু নবীজী বৃদ্ধার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করলেন। তার চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন। বৃদ্ধা সুস্থ হয়ে উঠলেন।

 

সুস্থ হওয়ার পর বৃদ্ধার মনে প্রশ্ন জাগল, যাদের কথায় নবীর পথে কাঁটা বিছিয়েছি, তারা তো কেউ আমাকে দেখতে আসে নি। বরং যাকে কষ্ট দেয়ার জন্যে কাঁটা বিছিয়েছি, তিনিই আমার সেবা শুশ্রূষার ব্যবস্থা করলেন। মানুষ হিসেবে নবীজীই ভালো মানুষ। বৃদ্ধা নবীজীর ধর্ম গ্রহণ করলেন। নবীজী (স) প্রো-একটিভ ছিলেন বলেই বৃদ্ধাকে প্রভাবিত করতে পেরেছিলেন। বৃদ্ধা যা-ই করুক না কেন, বৃদ্ধার আচরণ দ্বারা নবীজী (স) প্রভাবিত হন নি। নবীজী (স) বৃদ্ধার সাথে সেই আচরণই করেছেন, যা তিনি সঙ্গত মনে করেছেন। সে কারণেই বিরুদ্ধাচরণকারী বৃদ্ধা নবী অনুরাগীতে রূপান্তরিত হলো।

 

তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেন।

 

এক ছিলো বুড়ি। তার দুটিই মেয়ে। বড় মেয়ের জামাই একজন ছাতা বিক্রেতা। আর ছোট মেয়ের জামাই সেমাই বানিয়ে বিক্রি করে। এই বুড়িকে কেউ কখনো হাসতে দেখে নি। সারাক্ষণই সে শুধু কাঁদতো। যখন রোদেলা দিন তখন বড় মেয়ের কথা মনে করে। আর বৃষ্টির দিনে ছোট মেয়ের কথা মনে করে। কারণ রোদ হলে বড় মেয়ের জামাইয়ের ছাতার বিক্রি তেমন ভালো হয় না। আর গ্রীষ্ম ফুরিয়ে বৃষ্টির দিন যখন আসে তখন আবার ছোট মেয়ের জামাইয়ের ব্যবসায় মন্দা যায়। দুই মেয়ের কথা ভেবে রোদ বা বর্ষা কোনোসময়ই তার কোনো সুখ ছিলো না।

একদিন এক সাধুর সাথে তার দেখা হলো। সাধু যখন জানতে চাইলেন সে কেন এভাবে সবসময় কাঁদে। সে ঘটনা বললো। সাধু বললেন, এখন থেকে তুমি তোমার চিন্তাটাই বদলে ফেলো। রোদের দিন তুমি তোমার বড় মেয়ের কথা ভাববে না। ভাববে ছোট মেয়ের কথা। কত সুন্দর করে সে এই চমৎকার রোদে সেমাই শুকোচ্ছে। আর গ্রীষ্ম শেষে যখন বর্ষা আসবে, ভাববে বড় মেয়ের কথা। যে এখন দেদারসে ছাতা বিক্রি করছে। তখন ছোট মেয়ের কথা মনে করার দরকার নেই।

বুড়ি তাই করলো। সমাধানও হয়ে গেলো তাড়াতাড়ি। এখন আর তাকে কাঁদতে হয় না।

 

২১ বছর বয়সে তিনি ব্যবসায়ে লস করেন। ২২ বছর বয়সে তিনি রাজনীতিতে পরাজিত হন। ২৩ বছর বয়সে আবারও ব্যবসায়ে লস করেন। ২৬ বছর বয়সে হারান প্রিয়তমা স্ত্রীকে । ২৭ বছর বয়সে তার নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়। ৩৪ বছর বয়সে কংগ্রেস নির্বাচনে হেরে যান। ৪৫ বছর বয়সে সিনেট নির্বাচনে হেরে যান। ৩৭ বছর বয়সে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলো। ৪৯ বছর বয়সে আবারও সিনেট নির্বাচনে পরাজিত হন। এবং ৫২ বছর বয়সে তিনি হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।

 

তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন। এতগুলো হারের পরও যিনি কখনো ভাবেন নি, রাজনীতি আমার জন্যে নয়। আর তাইতো তিনি হতে পেরেছিলেন আমেরিকার সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত প্রেসিডেন্টদের একজন।
সফল মানুষদের জীবনে বাধা বা প্রতিকূলতা নেই, এ কথাটি ঠিক নয়। বরং তাদের জীবনে বাধা বা সমস্যা সাধারণ মানুষদের চেয়েও বেশি এবং বিচিত্রতর। কিন্তু তাদের তফাৎ হচ্ছে তারা কখনো বাধার মুখে ভেঙে পড়েন না। বাধাটাকে জয় করেন।
আসলে কোনো পরাজয়ই পরাজয় নয়, যদি তা মানসিকভাবে আপনাকে পরাজিত করতে না পারে। প্রো-একটিভ মানুষেরা এ সত্যটিই উপলব্ধি করেন এবং সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে না পড়ে কাজ করে যান। ফলে তারা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন।

 

সুতরাং আপনি যেখানে আছেন সেখান থেকেই শুরু করুন। যা আছে তা নিয়েই শুরু করুন। সাময়িক ব্যর্থতায় মুষড়ে পড়বেন না। নেতিবাচক লোকদের কথায় প্রভাবিত হবেন না। আপনি জয়ী হবেনই।

খোরশেদ আলম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অলিম্পিক গেমসকে বলা হয় 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ'। এখানে যা হয় তা-ই যেন গ্রেটেস্ট। এই গ্রেট মঞ্চকেই বিয়ের প্রস্তাবের জন্য বেছে নিলেন চীনের দুই সাঁতারু। রিও অলিম্পিকের আসরে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েই যেন অমর হয়ে গেলেন এই প্রেমিকজুটি! হ্যাঁ, রিওতে এমনই এক সুন্দর এবং বিরল দৃশ্য ধরা পড়লো ক্যামেরায়। দুই চীনা ডাইভারের এহেন ভালবাসার সাক্ষী হয়ে থাকলো গোটা বিশ্ব।
নারীদের ৩ মিটার স্প্রিংবোর্ড ডাইভিং-এ রুপা জেতেন হে জি; কিন্তু রুপার পদকের চেয়েও বড় পুরস্কার যে তার জন্য অপেক্ষা করছিল, সেটা ভাবতেও পারেননি তিনি। পদক নিয়ে হে জি মাত্রই পোডিয়াম থেকে নীচে নেমেছেন, ঠিক তখনই খুব গম্ভীর মুখে তারই সতীর্থ কিন কুই হাজির হয়ে হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়েন জি-র সামনে।
এদিকে কী ঘটতে চলেছে তা দেখার জন্য গোটা পোডিয়ামের চোখ তখন জি-কিন জুটির দিকে। হাঁটু গেঁড়ে বসেই পকেট থেকে একটি লাল রঙের ছোট বাক্স বের করে নিলেন কিন। বাক্সটা খুলে জি-এর দিকে বাড়িয়ে সলজ্জে প্রস্তাব দিলেন, ‘তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?’ অপেক্ষা ছিল উত্তরের। গোটা বিশ্বের সামনে কিন-এর এমন অদ্ভুত কাণ্ড দেখে প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে যান হে জি। এ যেন অবিশ্বাস্য। কোনভাবেই ভাবতে পারেননি তার দীর্ঘদিনের প্রেমিক এমন একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড করে বসবেন। তবে এক মুহূর্তও দেরি করেননি তিনি। সুন্দরী হে জি সম্মতি দিয়ে দিলেন কিনের প্রস্তাবে। সঙ্গে সঙ্গে কিনও জি’র আঙুলে পরিয়ে দিলেন সেই আংটিটা। গোটা পোডিয়াম তখন ফেটে পড়লো করতালির শব্দে। সেইসঙ্গে অপার উচ্ছ্বাসে প্রেমিককে জড়িয়ে ধরেন হে জি।
পরে এক প্রতিক্রিয়ায় জি বলেন, ‘আমরা ছয় বছর ধরে প্রেম করে আসছি। আজকের এ ঘটনার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। সে আমাকে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কিন্তু আমাকে যে বিষয়টি স্পর্শ করেছে, তা হচ্ছে বিশ্বাস। বাকি জীবনটা আমি তাকে বিশ্বাস করতে পারি।’
এদিকে হে জি একাই নন, পদক জিতেছিলেন কিন কুই নিজেও। তবে তার পদক ব্রোঞ্জ। যাইহোক, এই দুই চীনা জুটির সম্পর্ক অর্ধযুগ ধরে, প্রেমও করছিলেন চুটিয়ে। আর সেই সম্পর্কের অনিন্দ সুন্দর মুহূর্তে অলিম্পিকের মত আসরে বিশ্বজয়ী পরিণতিই দান করলেন এই দুই প্রেমিক জুটি।

জোকস

খোরশেদ আলম জোকসটি শেয়ার করেছে

[বাঘমামা-কিকইলি] মানুষের ভালবাসা এতটা যে গভীর হতে পারে তা জানতাম না। . মদপান করতে করতে চিৎকার করে কাঁদছিল এক মাতাল। একজন জিজ্ঞেস করলো, "কি ব্যাপার, কাঁদছেন কেন?" মাতাল বলল, "যে মেয়েটিকে ভোলার জন্য পান করছি, তার নামটা মনে পড়ছে না।।" (মাইরালা২)(হাসি২) (সংগৃহিত)

খোরশেদ আলম: [গ্রীষ্ম-আমাররাজত্ব]আমরা অনেক সহজ জিনিষকে জটিল করে নেই আবার অনেক কঠিন জিনিষকে সহজ করে নেই । কারন আমরা মানুষ! (খুশী২)(খুশী২)(খুশী২)

খোরশেদ আলম: [পিরিতি-কলিজাখানখান]তোমার হতে চাই ও মেঘ বালিকা, শুনতে কি পাও আমার হৃদয়ের কথা । চুপ চাপ বসে কি এতো ভাবো! মেঘের ভেলা ছেড়ে বৃষ্টি হয়ে এসো । ও.. মেঘ বালিকা শুনতে কি পাও আামার হৃদয়ে কথা? মনে জমা হয়ে আছে না বলা কত কথা । কিসের অভিমানে তুমি আজ নিঃচুপ পূর্বে সূর্য মামা তাই বুজি ডুব! আর তো পারি না দুঃখের জ্বালা বহিতে জেগে ওঠ মেঘ বালিকা সুখের পরশে। তোমার হতে চাই ও মেঘ বালিকা, শুনতে কি পাও আমার হৃদয়ের কথা । (হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)

খোরশেদ আলম বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

যদি জানি ভালো আছো
ছেড়ে দেবো সব দাবী
যদি বুঝি বদলে গেছো
রেখেছো অন্য হাতে হাত
চোখে এঁকেছো অন্য কারো ছবি
শুনে রাখো, হাসবো খানিক
বলবো, ভালোবাসা তোমার জন্য নয়
তোমার জন্য মোহ
তোমার জন্য এই আমি নই 
নিজেকে ভুলে তোমাকে চাওয়া এই আমি
কিছুতেই আর তোমার জন্য নই
তারপর নির্দ্বিধায় সরিয়ে নেবো হাত
মানিয়ে নেবো একলা প্রহর
মিথ্যে ভালোবাসা, মিথ্যে মায়া'য় ভুলে বলবো না আর, 
ভালোবাসি!
শুধু ভালো থেকো
যদি জানি ভালো আছো 
ছেড়ে দেবো সব দাবী
ফিরিয়ে নেবো তোমায় দেয়া মনের ঘরের চাবি!

খোরশেদ আলম: [পিরিতি-কলিজাখানখান]তোমার ভালোবাসা দেখে আমি বড্ড অবাক হই তোমার মত ঠুনকো আমার ভালোবাসা নয়! অতি সহজে পাল তুল অজানায় ছুটে বেড়াও ভালোবাসার পরশ ফেলে আকাশের মত রঙ বদলাও । তোমার মত ঠুনকো আমার ভালোবাসা নয়।

খোরশেদ আলম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সরকার পীচ টিভি বন্ধ করে দিয়েছে। কারন ডা:জাকির নায়েক নাকি পীচ টিভির মাধ্যমে জঙ্গী সৃষ্টি বা তাদের কাজে উৎসাহ প্রধান করছে। আমরা জানি দেশের আইনের ব্যবস্থা আছে। তার কিছু কার্যপ্রণালী ও আছে। যেমন একজন মানুষ যদি অন্যায় করে তা প্রথমে প্রমান সহকারে অন্যায়কারী অন্যায় করেছে কিনা দেখে তারপর আইনের ব্যবস্থা তার প্রতি রায় দিবে। কিন্তু দু:খের বিষয় আমাদের সরকার ডা:জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে কোন প্রমান ছাড়া কয়েক মিনিটের মাধ্যমে পীচ টিভি বন্ধ করে দিয়েছে। আর সরকারের সাথে কিছু সায় দিচ্ছে বিধাআত পন্থী লোক। ডা:জাকির নায়েক এমন এক লোক যে বিভিন্ন ধর্মের তার অসাধারান জ্ঞান। আর সে জ্ঞানের মাধ্যমে সে প্রমান করে দেখিয়াছে সত্যর ধর্ম আসলে কোনটি। আমাদের সমাজের মাওলানারা বছরের পর বছর একজন অমুসলিম কে দাওয়াত দিয়ে ও মুসলমান বানাতে পারে না। আর ডা: জাকির নায়েক কয়েক মিনিটে বস্তুনিষ্ট বক্তব্যর মাধ্যমে অমুসলিমকে মুসলিম বানিয়াছে। আর আজ তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে এ দেশে কিছু মুখোশ দারী বিধাআতপন্থী। যদি তারা জাকির নায়েকের ইসলামের দাওয়াতের কাজ বন্ধ করতে পারে তাহলে তারা নতুন করে পীর,কবর পূজা এবং বিভিন্ন শেরেকী কাজে লিপ্ত হতে পারবে। আমি জাকির নায়েকের অনেক লেকচার দেখেছি। সে সব সময় জঙ্গী বিরুদ্ধে কথা বলেছে। সে কখনো আই, এস এর পক্ষে কথা বলেনি। বরং আই.এসের কার্যপ্রনালী সঠিক নয় সে ব্যপারের সব সময় কথা বলেছে। অথচ আজ সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপব্যাখা দিচ্ছে।যা একান্ত ভাবে দু:খের বিষয়। কিছুদিন আগে ও আমাদের নাট্যকর্মীরা ভারতের ষ্টার ,জলসা বন্ধ করারা জন্য মানব বন্ধন করেছে। অথচ সরকার কোন ব্যবস্থা নেই নি। ষ্টার ,জলসা দেখে আমাদের সমাজ কি শিখতে পারছে। বউ শাশুড়ি কুটনামি,যৌথ ফ্যামিলি বাধ দিয়ে একক ফ্যামিলি।পর্দা বাধ দিয়ে শরীর দেখানো আষ্টে পিষ্টে ছোট্ট পোশাক। আর সে পোশাকের জন্য মাঝে মাঝে আত্মহত্যা করতে দেখা যায় আমাদের বোকা ছেলে মেয়েদের। অথচ এসব কাজ আমাদের মুসলিম সমাজের জন্য কাম্য নয়। অথচ সরকার সব সময় ঘুমিয়ে থাকে। অথচ পীচ টিভির মাধ্যমে আমরা কোরআন এবং হাদীসের এলেম জ্ঞান অর্জন করতে পারি। মা বোনেরা ঘরে বসে পর্দা এবং তাদের পরিবারের কতর্ব্য শিখতে পারে । ইসলাম নারীকে কি ভাবে সম্মান দিয়েছে তা তারা পীচ টিভির মাধ্যমে জানতে পারে। আমরা শয়তানের টিভি চালু রাখি এবং সমাজকে অর্ধপতনের দিকে নিয়ে যাই আর পীচ টিভি বন্ধ করে আল্লাহর নিমকহারামী করি এবং আল্লাহর রহমত থেকে দূরে থাকি। আল্লাহ তালা আমাদের সরকারকে সত্য বুজার তফিক দান করুক। ইনশাআল্লাহ পীচ টিভি বন্ধ করে রাখতে পারবে না। সত্যকে কখনো চাপা দিয়ে রাখা যায় না। আল্লাহ তালা আমাদের সকলকে সত্য বুজার ক্ষমতা দিক এবং তা আমল করার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

খোরশেদ আলম: [পিরিতি-কলিজাখানখান]আম জাম কাঠালের অনেক গল্প শুনেছি শুনেছি বৃষ্টির গান গান শুনে মন ভরে না। মন ভরে না কোকিলের গান এখন আর হরর বা রোমাঞ্চ মুভি ভালো লাগে না। ভালো লাগেনা সারাদিন কম্পিউটারে গেমস খেলা বা রাত জেগে ফেসবুক চেট । ইচ্ছে হয় না বন্ধুদের সাথে আড্ডা বা স্কুল পালিয়ে অনেক দূর যাওয়া। ইচ্ছে হয়না কবিতা ,গল্প লিখা বা রঙ পেন্সিল দিয়ে মনের ক্যানভাস আঁকা সব কিছুতেই ধরেছে মরিচিকা । শুধু ভালো লাগে তোমার চোখে চোখ রেখে হাতে হাত রেখে ভালোবাসা কথা বলা।

খোরশেদ আলম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ কেন জানি কবিতার এ লাইনটি কানে বাজছে।যখন পত্রিকার মারফতে জানতে পারলাম সোহাগী জাহান তনুর লাশ নতুন করে ময়নাতদন্ত করা হবে।একটা মানুষকে আর কতবার ময়নাতদন্তের পর আমাদের আইন শৃংখলা মানুষ জানতে পারবে তনুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে,নাকি ধর্ষন করা হয়েছে। সাগর রুনীর মত আর কত কাল আইন শৃংখলার বাহিনীর দৌড়ঝাপ দেখব। এগুলো কি শুধু লোক দেখানো নাটক নাকি অন্য কিছু।যারা এ ঘটনা ঘটিয়াছে। তারা কি সাগর রুনীর হত্যা কারীদের মত পার পেয়ে যাবে। তারা কি আনন্দে আত্মহারা হয়ে আবার নতুন করে নাম না জানা কোন তরূনীর উপর অসামাজিক কাজে লিপ্ত হবে।অন্যায়কারীর যদি সাজা না হয় তাহলে সে একের পর এক অন্যায় করতে থাকবে। তাই আমাদের আইন শৃংখালার বাহিনী উচিত সৎ ভাবে দেশের মানুষের কথা ভেবে তদন্তের কাজ খুব দ্রুত করা হোক এবং প্রকৃতি অন্যায়কারীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।।অন্যায়কারী যত বড় হোক না কেন দেশের কল্যানের সাথে অন্যায়কারীকে তার পাপের সাজা ভোগ করতে হবে

খোরশেদ আলম: একটি বেশব্লগ লিখেছে



প্রায় ১০ বছর ধরে ইন্ডিয়ানদের সাথে কাজ করছি। ইন্ডিয়ানদের ভালোমন্দ বুজতে শিখেছি। নিজ জাতি ছাড়া অন্য জাতিকে তাড়া  সম্মান করতে জানে না। অন্য জাতির গৌরব তারা সহ্য করতে পারে না। অনেক ইন্ডিয়ানরা বলে তারা আমাদের কে যুদ্ধে সহযোগিতা করেছে । তাই আমরা পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে জয়লাভ করিছি। আমি একদিন এর প্রতিবাদ করিছি। কারন ইন্ডিয়ানরা সহযোগিতা করে ছিল কারন আমরা যদি পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে যাই তাহলে পাকিস্তান দূর্বল হয়ে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতি যদি দেখেন তাহলে বুজতে পারবেন পাকিস্তান থেকে ইন্ডিয়ানরা  সামাজিক, অর্থনিতী,রাজনিতী সব দিক দিয়ে ইন্ডিয়ানরা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। ইন্ডিয়ান জাতি  লাভ ছাড়া কিছু বুজে না। যেখানে লাভ আছে সেখানে তারা আছে। অনেকে ভাবতে পারেন আমি হয়ত পাকিস্তান বা বি.এন.পি দালাল হিসাবে কাজ করছি।কারন আমাদের দেশে বর্তমানে  পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কথা বললে মনে করে আওয়ামী প্রাথী। আসলে ভাই আমি কোন দলের নয়। একজন সাধারন বাঙ্গালী হিসাবে কথা গুলো বলছি। তবে মনে প্রানে আমি পাকিস্তানকে অনেক ঘৃণা করি কারন তারা যা করেছে। তাদের ঘৃণা ছাড়া আর কিছু নেই। আসলে আমি এ সব কথা বলার জন্য আজ কলমটি ধরি নাই। আমার মূল কথা বর্তমানে আই.সি.সি বা ইন্ডিয়ান চিটিং করপোরেশন যা করল বাংলাদের দলের দুই প্রতিভাবন খেলোয়ার আরাফাত সানি ও তাসকিন আহমেদকে সব ধরণের বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করেছে তারা। যেখানে পত্রিকায় লেখা মারফত জানতে পারি তাসকিন আহমেদের সব ডেলিভারি বৈধ নয়। একজন  তরুন খেলোয়ারের কিছু ভুল থাকতে পারে। তাকে প্রথম অবস্থায় কিছু নিয়মনিতী বা দিক নির্দেশন দিতে পারতো আই সি সি.কিন্তু তা না করে তাসকিন আহমেদকে গলাটিপে এভাবে হত্যা করার কোন মানে হয় না। আসলে তারা তাশকিনের হত্যার মাধ্যমে বাঙ্গালিী জাতিকে হত্যা করল। তাসকিন আহমেদএখন ভালো বোলিং করছে। ইন্ডিয়ান এবং অস্ট্রলিয়াদের মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়াছে বাংলাদেশ। তাই তারা সুনিপূন কৌশলে আরাফাতসানী এবং তাসকিন আহমেদকে অপসারণ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে দূর্বল করে দিল।নিজেদের স্বার্থের জন্য ইন্ডিয়ানরা সব করতে পারে। তাই ইন্ডিয়ানরা আমাদের কখনো প্রকৃতি বন্ধু হতে পারে না।     

খোরশেদ আলম: [পিরিতি-কলিজাখানখান]সময়ের পরিক্রমে হয়তো এখন আমি অনেক দূরে দূরে বহু দূরে হয়তো বা আর হবেনা দেখা কোন কালে। কোন কালে হবেনা বলা ভালবাসি তোমায় তারপর ও নিরবে তোমাকে ভালোবেসে যাই।

খোরশেদ আলম পোস্টটি শেয়ার করেছে

----: আমায় যদি জিজ্ঞাস কর,এতদিন কি করেছি? তবে শুধু বলতে পারি,জগের ভেতর জল ভরেছি .. উঠোনটাতে মাঝে মাঝে একটু আধটু ঝাট দিয়েছি.. ঘরের কোণে মাকড়সার জাল,তাতে বেশ চেয়ে থেকেছি.. আমায় যদি প্রশ্ন কর,জীবনভর কি করেছি? আমি তখন বলতে পারি,আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকেছি.. মেঘ দেখেছি,নীল রং দেখেছি,সাদা-নীলের ভালবাসা দেখেছি, রোদ দেখেছি,রাস্তার মাঝে হঠাত দাড়িয়ে গাছের ছায়ায় রোদ খুজেছি, খুব খুজেছি.. সূর্যটার ডুবতে চাওয়া,চাঁদটার স্নান করে ভেসে ওঠা,তাও দেখেছি.. তাও দেখেছি ফ্ল্যাট বাড়ির জঙ্গল গ'লে ... আর অনেক আকাশ দেখেছি...যখন পারি,যেভাবে পারি.... আমায় যদি প্রশ্ন করো, এতটাকাল কি করেছি? তবে আমি বলতে পারি,বেশ করে মানুষ দেখেছি.. তাদের হাসি,কান্না,রান্না-বান্না--- চোখের ভাষা,ভালবাসা,ঘৃনা---- তাদের চলন-বলন,,তাদের মুখের ধরন... সেই ছেলেটি ,দাড়িয়ে আছে,,খাবার চাই তার মুখের কাছে... দাড়িয়ে আছে ডেকচির কাছে,গরম গরম ফুলকো সিঙ্গারা,ও তাওয়ায় রুটি,,তরকারির সুগন্ধের মাঝে দাড়িয়ে আছে... মানুষ দেখি,,,দেখি শিশুর ছোট্ট দুহাত দুজনেতে ধরে আছে... দেখি মানুষ ,,শুনি কথা,,শুনি তাদের ভালোমন্দ,,দুঃখ-ব্যথা... যখন পারি এতটাকাল তাই মানুষ দেখেছি,তাদের কথাও শুনেছি.... আমায় যদি প্রশ্ন করো,কি বুঝেছি? তবে তুমি উত্তর পাবে,কি বুঝেছি সারাজীবন তাইই খুজেছি... তাই খুজেছি......... বলতে পারো এক কথাতে সারাজীবন,এতটাকাল ধাঁধায় ধাঁধায় পার করেছি...অলস-বিরস দিন গুনেছি.... হু হু ...বলতে পারো....এ তুমি বলতেই পারো ....

খোরশেদ আলম: উড়াল দিল বেজি.... এ বছরের সব চেয়ে আলোচিত ছবি।

খোরশেদ আলম বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আমরা যখন ভাল কোন কাজ কিংবা উদ্যোগ নেয় তখন সেটাতে হাজার বাঁধা আসে। নানান মানুষের নানান কটুক্তি, নানান সমালোচনার মাঝে এগিয়ে যাওয়া টাই কষ্টকর হয়ে উঠে। আসলে আমাদের মাঝে বিশ্বাস জিনিস টা খুবই কম। আমরা বিশ্বাস কাউকে বিশ্বাস করিনা, কারো উপর ভরসা ও রাখি না। কেউ কোন ভাল কাজ করতে তাতে সহযোগিতা ও করিনা। মূল কথা আমরা কারো ভাল চাইনা। কিন্তু কেন আমার প্রশ্ন সেটা।

গতবারের কথা
 আমার তিন বন্ধু রাফসান, তন্ময়,  দিগন্ত। এই তিন জন মিলে শীতবস্ত্র বিতরণে সতস্ফুর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেছি, নিজের সামর্থ্য থেকেই। যেহেতু আমরা তিন জনই নিজের উপর ভর করে চলে সেহেতু এই কার্যক্রম কে সফল করতে আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে, অর্থের দিক থেকে শুরু করে  পরিশ্রম। সর্বোপরি এমন কঠিন একটা কাজ আমরা তিন কিশোর বয়সী ছেলের জন্য বড় বোজা বলা যায়। তবুও শত কষ্টে আমরা সফল হয়েছি।

আমাদের এই ছোট্ট কার্যক্রম কে ঘিরে অনেক সমালোচনা ও শুনেছি যেমন, অনেকে বলেছেন, এইগুলা লোক দেখানো/ নাম কামাইতেছে / পরোপকারী / ইত্যাদি ইত্যাদি। এত আলোচনা সমালোচনার পরও আমরা ভেঙ্গে পড়িনি, আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে গেছি সামনের দিকে।
গতবারের মতো এবারও ইন শা আল্লাহ আমাদের শীতবস্ত্র কার্যক্রম চলবে। এবারও গতবারের ন্যায় অনেক সমালোচনা হবে, মনেহয়। কারণ কিছু কিছু মানুষের জন্মই হয়েছে অন্যের সমালোচনা করার জন্যে। 


সবার উদ্দেশ্যে কিছু কথা, আপনারা যারা অর্থশালী আছেন তাঁরা অন্তত নিজের গ্রামের কিছু মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণ করুন। আপনাকে দেখে অন্যরা ও আশা করি এগিয়ে আসবে সাহায্যের হাত বারিয়ে দিতে। আমাদের একটু সদিচ্ছা পারে হাজার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।

ধন্যবাদ সবাইকে
২৬.১১.২০১৫
সাদাত সাদ

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৩,৮৮৩

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত