মার্ক শুভ্র সরকার

@markshubhro

অলস, বই পড়তে ভালবাসি(ক্লাসের বই বাদে)
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1426592064000  থেকে আমাদের সাথে আছে
ছবি

মার্ক শুভ্র সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

মার্ক শুভ্র সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

আপনি জানেন কি

সুরসুরি

ছবি

মার্ক শুভ্র সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

আপনি জানেন কি

https://www.facebook.com/NeverStopLearningOfficial/

মার্ক শুভ্র সরকার: অদ্ভুত যত মিথ -৫ "টমিনোর হেল " জাপানের একটি মিথ যেটা হল কবিতা সম্পর্কে,কবিতাটা তাকেই মারে যে এটা উচ্চ স্বরে পাঠ করে। এই পৃথিবিতে এমন কিছু আছে যেটা উচ্চ স্বরে বলা উচিৎ নই, জাপানি কবিতা "টমিনো" এদের মধ্যে অন্যতম। জাপানিজ কিংবদন্তিরর মতে আপনি যদি এটা জোরে পাঠ করেন তাহলে আপনি ইনজিউর করবেন নিজেকে আর সবচেয়ে খারাপ পরিণতি হল আপনার মৃত্যু।

মার্ক শুভ্র সরকার: #greek myth★centaur chiron............ কায়রন হল গ্রীক মিথের নামকরা মহীয়ান একজন সেন্টর,,চারিত্রিক এবং জন্মগত ভাবে অন্যান্য সেন্টর থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্যের।যদিও অন্যান্য সেন্টররা ছিল বন্য-উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির সেদিক থেকে কায়রন সম্পুর্ণ বিপরীত।মিথে কায়রণ ছিল একাধারে একজন শিক্ষক,একজন চিকিৎসক,হান্টার,তীরন্দাজ,বাজনা বাদক এবং একজন সম্মানিত ওরাকল।শিকার এবং তীরন্দাজ হিসাবে কায়রনকে এ্যাপোলোর সমকক্ষ হিসাবে ধরা হত।

মার্ক শুভ্র সরকার: pegusus গ্রীক মিথের অমর উড়ন্ত ঘোড়া।

মার্ক শুভ্র সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

ইংল্যান্ডের একটি বিখ্যাত আরবান লেজেন্ড হল,

সত্তরের দশকে বার বছর বয়সী একটা বাচ্চা বাড়িতে একা ছিল। সাথে ছিল তার কুকুর। কুকুরটা অনেক শক্তিশালী আর হিংস্র জাতের ছিল তাই কুকুরের কাছে বাচ্চাকে রেখে যেতে মা বাবার কোন সমস্যা ছিলনা। তো মা-বাবা বাচ্চাটিকে বলেছিলেন যেন সে ঘুমানোর আগে সব জানালা সে লাগিয়ে ঘুমায়। বাচ্চাটি সব জানালাই লাগালো কিন্তু বেসমেন্টের জানালা লাগল না। কোন একটা অদ্ভুত কারনে এটি লাগছিল না। তো বাচ্চাটি এইভাবেই ঘুমাতে গেল। কুকুরটা ঘুমালো তার বেডের নিচে।

রাত ২.৩০ টার দিকে বাচ্চাটা শুনল বাথরুমে পানি পরছে। সে একটু ভয় পেয়ে বিছানার নিচে হাত দিল যাতে করে কুকুরটি তার হাতটা চেটে দেয়। হাত চেটে দিল কুকুরটা। সে আমার ঘুমাল। ৪.৩০ টা দিকে আবার শব্দটা পেল সে। এবারো সে হাত ঢুকাল খাটের নিচে। এবারো কুকুরটি তার হাত চেটে দিল। এরপর ৬.৩০ টায় আবার শব্দ হল। এবার সে হাত ঢুকালে দেখল নিচে কিছু নেই! ভয়ে ভয়ে বাথরুমে গেল বাচ্চাটি। গিয়ে দেখল তার কুকুরটিকে ফাসিতে ঝুলান আর কুকুরটির গায়ের চামড়া তুলে ফেলা হয়েছে! আর বাথরুমের দেওয়ালে কুকুরটির রক্ত দিয়ে লেখা , "People can lick too"

পরে ডাক্তারি পরীক্ষাতে জানা যায় কুকুরটির মৃত্যু রাত দুটার আগেই হয়েছে! তাহলে বাচ্চাটির খাটের নিচে কে বা কি ছিল? আর তার হাত চেটে দিচ্ছিল। আর অত্তবড় কুকুরকে হত্যা করা কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব কিভাবে? তাও কোন গোলমাল ছাড়াই.

মার্ক শুভ্র সরকার: কিছু মজার প্রশ্ন এবং তার উত্তর !!! 1. গরু আর শিশুদের মধ্যে পার্থক্য কি জানেন?? . উঃ গরু পানি খেয়ে দুধ দেয়,আর শিশু দুধ খেয়ে পানি দেয়। 2. নিউটন আপেল না খেয়ে চিন্তা করতে লাগলেন কেন জানেন? . উঃ আপলটি পঁচা ছিল। 3. কৃষ্ণ মানে কালো তাহলে কৃষ্ণচূড়া লাল হয় কেন? . উঃ অশিক্ষিত গাছ তো তাই ভুল করে ফেলেছে।

মার্ক শুভ্র সরকার: ফেসোভূত রুদ্র কায়সার ********** রুম অন্ধকার করে একা একা মনযোগ সহকারে ফেসবুক ব্রাউজ করছে রুকা। আধুনিকতার পরশ পেয়ে অন্যান্যদের মত সেও পিছিয়ে নেই। রাতে কিছুটা সময় জেগে ফেসবুকিং করে। তবে পার্থক্য হলো এই, সে শুধু নিউজ ফিডের উপর থেকে নিচের দিকে যায় আর রিফ্রেশ মেরে আবার শুরু করে প্রথম থেকে। রাশি খারাপ তাই চ্যাটিং হয় না। উপর নিচে ঢু মারার সময় সানি থেকে নানি, যুয়ান থেকে বুড়া সবার ছবিতে লাইক দেয় সে। কারণ, লাইক দিতে তো তার আর পয়সা খরচ হচ্ছে না। ইন্টারনেট ডট ওআরজি দিয়ে ব্রাউজ করে। আর একটা কাজ সে করে তাহল, বসে বসে লুলায়িত পোস্ট পড়া। যাইহোক, প্রতিদিনকার মত একরাতে লাইক দিয়ে যাচ্ছে একের পর এক ছবিতে। হঠাৎ একটা প্রোফাইল নেইমে চোখ আটকে যায় তার; ফেসোভূত। "একে আবার কখন এড করলাম", মনে মনে ভাবে সে। মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায় একটাই বিষয় ফেসোভূত। ঝট করে দুই টাকা খরচ ক'রে তিন মেগাবাইটের একটা ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে ফেলে। আর যাইহোক, ইন্টারনেট ডট ওআরজি দিয়ে তো ফাউ ছবি দেখা যায় না। তাই এইবার পয়সা খরচের উদ্যোগ নিলো সে। তাও এক দুই পয়সা নয়, একেবারে দু'শো পয়সা। কনফার্মেশন মেসেজ আসতে দেরি হয়নি খুব একটা। তবুও রুকার কাছে মনে হলো কত শতাব্দী পেরিয়ে যাচ্ছে তিন মেগাবাইট আসতে। কয়েক সেকেন্ড সময়ে মনে মনে বকে সিম কোম্পানির গুষ্ঠি উদ্ধার কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়ে গেল। -"শালার পো সিম কোম্পানি! দুইশ পয়সা কি পয়সা না! নাকি এটা ছাগলের নাদি যে ছাগল ল্যাদাইলেই বাইর হয়। মনডায় চায় শিরিষ কাগজ দিয়া সিম কোম্পানির তলায় দুইটা ডলা দেই।" কনফার্মেশন মেসেজ আসলে ফ্রি বদলে পয়সা খরচ করে ফেসবুকে লগ ইন করে রুকা। সার্চ বারে ফেসোভূত আইডি সার্চ ক'রে টাইমলাইনে গিয়ে চোখ আটকে যায় তার। অপরূপ সুন্দরী এক রমণী। চোখ সরাতে চেয়েও সরাতে পারে না সে। বাংলা সিনেমায় প্রথম দর্শনে ক্যাবলাকান্ত ভিলেন যেমন নায়িকার দিকে তাকিয়ে থাকে, তেমনি ভিলেনের রোলে নিজেকে নায়ক ভেবে তাকিয়ে রইল প্রোফাইলের দিকে। অন্ধকার রুমে যেন চাঁদের আলো প্রবেশ করেছে মোবাইলের স্ক্রিনের আলো ধরে। মুখ দিয়ে অস্ফুটস্বরে বেরিয়ে এল, "আহ! কি সুন্দর! চোখ ফেরানো যায় না।" হঠাৎ করেই পাশ থেকে একজন ফোনের স্ক্রিণের দিকে মুখ বাড়িয়ে বলল, "সত্যই আমাকে খুব সৌন্দর লাগছে!"

মার্ক শুভ্র সরকার: একটি মানসিক পরীক্ষা . ডক্টর ফিলস টেস্ট নামে একটা টেস্ট আছে, যেটাতে আপনার ব্যক্তিসত্ত্বার উপর মানুষ একটা ধারণা পেয়ে যায়। আজকাল অনেক জব সেক্টরেও এই টেস্ট করে আপনার সম্পর্কে ধারণা নেয়। এখানে প্রশ্নকর্তা আপনাকে ১০ টা প্রশ্ন দিবেন, সাথে কিছু উত্তর দিবেন। উত্তর মিলিয়ে শেষে দেয়া নাম্বার থেকে আপনি আপনার স্কোর জানতে পারেন। . তবে এই টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হলে, আপনাকে যে বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে, সেটা হল আপনি অতীতে কেমন ছিলেন সেটা ভুলে যান, আপনি বর্তমানে কোথায় কেমন আছেন, সেটাই মুখ্য বিষয়। . নিচে সেই দশটি প্রশ্ন ও কিছু উত্তর দেয়া আছে। আপনার উত্তর মিলিয়ে নিন। শেষে আপনার উত্তরের জন্য যে নাম্বারিং করা আছে, সেখান থেকে আপনার স্কোর কত তা দেখে নিন। এবং কত স্কোরিং এ একজন মানুষ আপনাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে, তাও জেনে নিন। . ১। আপনি কোন সময়ে নিজেকে সবচেয়ে সুখী অনুভব করেন? ক) সকালে খ) বিকাল ও সন্ধ্যার মাঝামাঝি সময়ে। গ) মধ্যরাতে। ২। আপনি সাধারণত কীভাবে হাঁটেন? ক) দ্রুত, বড় বড় পায়ে। খ) দ্রুত, ছোট ছোট পায়ে। গ কম দ্রুত, মাথা উঁচু করে চারপাশের প্রকৃতি দেখে। ঘ) কম দ্রুত, মাথা নিচু করে। ঙ) খুবই আস্তে। ৩। আপনি কারো সঙ্গে কথা বলার সময়- ক) দুই হাত বুকের উপর গুটিয়ে রাখেন। খ) দুই হাত হ্যান্ডশেক এর মতো করে বা মুষ্টিবদ্ধ করে রাখেন। গ) একহাত বা দুই হাত আপনার হিপে রেখে বা পকেটে ঢুকিয়ে রাখেন। ঘ) যার সাথে কথা বলছেন, তাঁকে স্পর্শ করে কথা বলেন। ঙ) আপনার হাত দিয়ে আপনার কান, ত্বক বা মাথায় স্পর্শ করে কথা বলেন। ৪। আপনি যখন বিশ্রাম নেন, তখন যেভাবে বসে থাকেন- ক) দুইহাঁটু ভাজ করে মুখের সামনে এনে বসেন। খ) দুই পা কোনাকোনিভাবে মাটিতে রেখে বসেন। গ) পা দুটো সোজা সামনের দিকে দিয়ে বসেন। ঘ) এক পা ভাজ করে অন্য পা সোজা করে বসেন। ৫। যখন কোনো কিছু আপনাকে সত্যিকারের আনন্দ দেয়, তখন আপনি; ক) জোরে হাসি দিয়ে স্বাগত জানান। খ) অল্প শব্দ করে হাসি দেন। গ) আপনি নীরব থাকেন ঘ) মুচকি হাসি দেন। ৬। আপনি যখন কোনো পার্টিতে উপস্থিত হন, তখন, ক) সবাইকে ওয়েলকাম করে ভিতরে প্রবেশ করেন। খ) নীরবে প্রবেশ করেন, এবং পরিচিত কাউকে খোঁজেন। গ) নীরবে প্রবেশ করে এক কোনায় একা দাঁড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন। ৭। আপনি কোনো কাজে অনেক বেশি মগ্ন, হঠাৎ কেউ আপনাকে নক করলে, ক) আপনি তাকে স্বাগত জানান। খ) আপনি খুবই রেগে যান গ) মাঝে মাঝে স্বাগত জানান, মাঝে মাঝে রেগে যান। ৮। আপনার পছদের রঙ কোনটি? ক) লাল অথবা কমলা খ) কালো গ) হলুদ অথবা হালকা নীল। ঘ) সবুজ ঙ) গাঢ় নীল অথবা বেগুনী চ) ধূসর অথবা বাদামী। ৯। রাতে ঘুমানোর আগে আপনি কীভাবে বিছানায় শুয়ে থাকেন? ক) সোজা হয়ে। খ) উপুর হয়ে। গ) একপাশে কাত হয়ে। ঘ) একহাতের উপর মাথা রেখে। ঙ) মাথা বালিশের নিচে রেখে। ১০। আপনি প্রায়ই কীরকম স্বপ্ন দেখেন? ক) আপনি কোনো কিছু থেকে পড়ে যাচ্ছেন। খ) আপনি কারো সাথে মারামারি করছেন বা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গ) আপনি কাউকে খুঁজছেন। ঘ) আপনি উড়ছেন বা ভাসছেন। ঙ) আপনি স্বপ্ন দেখেন না বললেই চলে। চ। আপনি সবসময় আনন্দের স্বপ্ন দেখেন। . নাম্বারসমূহঃ ১। ক=২, খ= ৪, গ=৬ ২। ক= ৬, খ= ৪, গ= ৭, ঘ= ২, ঙ=১ ৩। ক=৪, খ=২, গ=৫, ঘ=৭, ঙ=৬ ৪। ক=৪, খ=৬, গ=২, ঘ=১ ৫। ক=৬, খ= ৪, গ=৩, ঘ=৫, ৬। ক=৬, খ=৪, গ=২ ৭। ক=৬, খ=২, গ=৪ ৮। ক=৬, খ=৭, গ=৫, ঘ=৪, ঙ=৩, চ=২ ৯। ক=৭, খ=৬, গ=৪, ঘ=২, ঙ=১ ১০। ক=৪, খ= ২, ঘ=৩, ঘ=৫, ঙ=৬, চ=১ . আপনার স্কোর যখন ৬০ এর উপরে, তখন- অন্যরা আপনাকে জানবে আপনি আত্মকেন্দ্রিক, আপনি ডমিন্যান্ট করতে পছন্দ করেন। আপনি প্রশংসিত হবেন, কিন্তু সবসময় বিশ্বাসযোগ্য হবেন না। আপনার সাথে কেউ ঘনিষ্ঠ হতে অনেক দ্বিধায় ভুগবে। আপনার স্কোর যখন ৫১-৬০, তখন- অন্যরা আপনাকে জানবে আপনি একজন আকর্ষণীয়, প্রাণবন্ত, আবেগী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, দলনেতা, দূরদর্শী, যেকোনো কিছুর সিদ্ধান্ত অনেক তাড়াতাড়ি নিতে পারেন, সেটা ভুল হোক আর ঠিক হোক। আপনি সাহসী, অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়, আপনার সঙ্গ পেতে সবাই পছন্দ করবে। আপনার স্কোর যখন ৪১-৫০, তখন- অন্যরা আপনাকে জানবে আপনি সতেজ, জীবনঘনিষ্ঠ, সুন্দর, বাস্তববাদী একজন মানুষ। আপনি দয়ালু, সুবিবেচক, মানুষকে সাহায্য করতে পছন্দ করেন। আপনার স্কোর যখন ৩১-৪০, তখন- অন্যরা জানবে আপনি বিচক্ষন, সতর্ক, যত্নশীল, বাস্তববাদী, চালাক, মেধাবী এবং বিনয়ী। আপনার সাথেই সহজে একজন বন্ধুত্ব করে ফেলবে। আপনি সহজেই কাউকে বিশ্বাস করে ফেলবেন, কিন্তু কেউ আপনার বিশ্বাস ভাঙলে তাঁকে আর কখনোই বিশ্বাস করতে পারবেন না। আপনার স্কোর যখন ২১-৩০, তখন- অন্যরা জানবে আপনি বিরক্তিকর এবং ব্যস্ত। আপনাকে সবাই অত্যন্ত কৌশলী বলেই জানবে। আপনি প্রতিভাবান নন, কিন্তু উদ্যমী। যখন আপনার স্কোর ২১ এর নিচে, তখন- অন্যরা জানবে আপনি অনেক লাজুক, নার্ভাস, সবসময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। কেউ আপনাকে শুধুই বিরক্তির উপকরন হিসেবে দেখবে। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হবেন। . ~সংগৃহীত

মার্ক শুভ্র সরকার: হ্যালোইনের কুমড়া বাতি বা Jack-o-lantern( জ্যাকের বাতি) ... কথিত আছে "জ্যাক" ছিল ভীষন মাতাল আর ধুর্ত। একবার সে খোদ শয়তানকে ধোকা দিয়ে এক গাছে ওঠাল আর গাছের গোড়ায় একে দিল ক্রুশ। এতে করে শয়তান গাছ থেকে আর নামতে পারেনা। শয়তান আর তাকে জ্বালাতন করবেনা এরকম একটা শপথ করার পর তাকে মুক্তি দিল। বিপত্তি বাধল যখন সে মারা গেল। ঈশ্বর তাকে স্বর্গে ঢুকতে দিলনা কেননা সে ছিল পাজী, আর শয়তান তাকে নরকে ঢুকতে দিলনা কেননা সে খোদ শয়তানের সাথে বদমাইশি করেছে। কিন্তু শয়তান তাকে সঙ্গে দিল একটা এম্বারের বাতি আর সেটা যাতে নিভে না যায় সেজন্য দিল টার্নিপ নামের মিষ্টি আলু জাতীয় সবজির খোলস। এই বাতি নিয়ে জ্যাকের যাত্রা অন্ধকারের দিকে। আমেরিকাতে হ্যালোইন প্রথা চালু হওয়ার পর টার্নিপের পরিবর্তে লাল কুমড়ার ব্যবহার শুরু হয়, দামে সস্তা আর প্রচুর পাওয়া যায় বলে। The Date is 31st october ... Trick or Treat Lutful Kaiser

জোকস

মার্ক শুভ্র সরকার: একটি জোকস পোস্ট করেছে

মৃত্যুর পর সব বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ স্বর্গে একসঙ্গে আছেন!! স্বর্গে তো কোনো জ্বালাযন্ত্রণা নেই, তাই আবিষ্কারের কোনো ঝামেলাও নেই।বিজ্ঞানীরা তো আর আরাম করে বসে থাকতে পারেন না!তখন হঠাৎ বিখ্যাত গণিতবিদ কার্ল ফ্রেডরিক গাউস বললেন, ‘ছোটবেলায় আমাদের পাশের বাড়িতে মেয়েগুলোকে দেখতাম চোর-পুলিশ খেলত। কিন্তু বাসা থেকে নিষেধ করার কারণে আমি ইচ্ছা থাকলেও ওদের সঙ্গে মিশতে পারতাম না। চলো, এবার আমরা চোর-পুলিশ খেলি।’ সবাই রাজি হলেন। প্রথম চোর নির্বাচিত হলেন মাইকেল ফ্যারাডে। তিনি একটি গাছের পেছনে লুকালেন এবং এক থেকে ১০ গুনতে থাকলেন। এর মধ্যে সব বিজ্ঞানী লুকিয়ে পড়লেও নিউটন লুকানোর জায়গা পাচ্ছিলেন না। হঠাৎ করে তাঁর মাথায় কি এল, তিনি মাটিতে এক মিটার দৈর্ঘ্যের চারটি দাগ টেনে একটি বর্গক্ষেত্র বানালেন। তারপর বর্গটির মাঝে সোজা দাঁড়িয়ে থাকলেন। ১০ গোনা শেষ করে গাছের আড়াল থেকে বের হয়ে এসেই তো ফ্যারাডের চক্ষু চড়কগাছ! নিউটন সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি চিৎকার শুরু করলেন, ‘নিউটনকে দেখেছি, নিউটন এখন চোর, নিউটন এখন চোর।’ ফ্যারাডের হর্ষধ্বনি শুনে বাকি বিজ্ঞানী ও গণিতবিদেরাও চলে এলেন। নিউটন বললেন, ‘না, আমি চোর না।’ সবাই তো হতবাক! স্বর্গে তো কেউ মিথ্যা কথা বলে না। সবাই নিউটনকে চোর হয়ে খেলা চালিয়ে যেতে বললেন।নিউটন বললেন, ‘না, আমি চোর না, এই যে প্রমাণ দেখাচ্ছি। আপনারা বলছেন, আমার নাম নিউটন।তাহলে নিউটন এখন দাঁড়িয়ে আছে এক বর্গমিটার ক্ষেত্রফল জায়গার ওপর। তার মানে তো আমি নিউটন না, আমি আসলে প্যাস্কেল!’ (প্যাস্কেল হলো চাপেরএকক। এক বর্গমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে তাকে বলা হয় এক প্যাস্কেল চাপ)। এবার তো ফ্যারাডের মাথা চড়কগাছ!!! Lutful Kaiser
খবর

মার্ক শুভ্র সরকার: একটি খবর জানাচ্ছে

গুগল কত বড়?
m.prothom-alo.com/technology/article/635284/গুগল-কত-বড়
গুগল কত বড়? কেউ হয়তো এ প্রশ্নের উত্তর দেবেন টাকার অঙ্কে বা ব্যবহারকারীর সংখ্যা হিসাব করে। মানুষের ওপর এর প্রভাব বিবেচনা করেও উত্তর দিতে পারেন। কিন্তু গুগলকে সফটওয়্যারের বিশাল এক সাম্রাজ্যও বলা যেতে পারে। গুগল কত বড়—এ প্রশ্নের উত্তর কোডের হিসাব করেও দেওয়া যায়। গুগল হচ্ছে ২০০ কোটি লাইন কোডে তৈরি। এই কোডগুলো সব এক জায়গায় বা একটি সিস্টেমে মিলেই তৈরি গুগল। গুগলের কর্মকর্তা র্যাচেল পটভিন গত সোমবার সিলিকন ভ্যালিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে গুগল সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই বিলিয়ন কোড দিয়ে যে গুগল সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে, তা গুগলের সার্চ ইঞ্জিন থেকে শুরু করে ম্যাপ সেবা পর্যন্ত পুরো ইন্টারনেট সিস্টেমটি পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়। গুগলে বর্তমানে ২৫ হাজার প্রকৌশলী রয়েছে যাঁরা এই কোড নিয়ে কাজ করেন। বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা হিসেবে পরিচিত মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে এর তুলনা করলে গুগল তৈরিতে অনেক বেশি কোড ব্যবহার করার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে দাবি করেন গুগলের কর্মকর্তা। আশির দশক থেকে তৈরি কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা জটিল সফটওয়্যার টুল হিসেবে উইন্ডোজে মাত্র পাঁচ কোটি লাইন কোড ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে গুগলে রয়েছে ২০০ কোটি লাইন কোড। অর্থাৎ মাইক্রোসফটের চেয়ে ৪০ গুণ বড় গুগল। ফেসবুকে ব্যবহৃত হয় দুই কোটি লাইন কোড। সূত্র: উইয়ার্ড ...বিস্তারিত
১১৬ বার দেখা হয়েছে

মার্ক শুভ্র সরকার: ভুতূরে_জাহাজ - ফ্লাইং ডাচম্যান . # প্রথম_পর্ব . ভুতূড়ে জাহাজ নিয়ে যত লোককাহিনী প্রচলিত আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত দি ফ্লাইংডাচম্যান। . এই “ফ্লাইং ডাচম্যান” নামটি আসলে জাহাজটিকে উদ্দেশ্য করে নয়,বরং জাহাজের ক্যাপ্টেন কে উদ্দেশ্য করে দেয়া। . লোকমুখে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত কাহিনী থেকে জানা যায় যে দি # ফ্লাইং_ডাচম্যান জাহাজের ক্যাপ্টেন ছিলেন হেনড্রিক ভ্যানডার ডেকেন। হেনড্রিক ১৬৮০ সালে এই জাহাজে করে আমস্টার্ডাম থেকে বাটাভিয়া (ডাচ ইস্টইন্ডিয়া পোর্ট) এর দিকেযাচ্ছিলেন। . যখন জাহাজ আফ্রিকা এর কেপ টাউনে পৌছালো, ততক্ষণে আবহাওয়া খারাপ হয়ে পরেছিল। তা দেখে হেনড্রিককে জাহাজের অপর নাবিকরা নিষেধ করল জাহাজ ছাড়ার জন্য। কিন্তু হেনড্রিক যেন উন্মত্ত হয়ে পড়েছিলেন। সবার নিষেধাজ্ঞা– হুঁশিয়ারি বাণী উপেক্ষা করে তিনি জাহাজ ভাসালেন কেপ টাউনের উত্তাল সাগরের বুকে। . হারিকেন এর মাঝে পরলো ফ্লাইংডাচম্যান। হেনড্রিককেও যেন হারিকেন এর সাথেযুদ্ধ করার নেশায় পেয়ে বসলো। . তখনও জাহাজের সব নাবিকেরা হেনড্রিককে অনুরোধ করেছিল কেপ টাউনে ফিরে যাবার জন্য, কিন্তু তাঁর যেন কোন কথাই কানে গেল না। . হারিকেন এর সাথে লড়াই অব্যাহত রাখলেন। মাঝে মাঝে ঝড় এতই বেড়ে যেত যে হেনড্রিক নিজেকে জাহাজের নেভিগেশন হুইলের সাথে বেঁধে রাখতেন, যাতে ঢেউ তাঁকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে না পারে। . এভাবে ঝড়ের সাথে যুঝতে যুঝতে হেনড্রিক সৃষ্টিকর্তাকে অভিসম্পাত করেছিলেন যে যত বড় বাধাই সৃষ্টিকর্তা তৈরী করুন না কেন, হেনড্রিক থামবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌছান। এই অভিসম্পাতই হয়তো হেনড্রিকের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। . তাঁর এই পাগলামি দেখে নাবিকদের মধ্যে বিদ্রোহী দল গড়েওঠে এবং তারা জাহাজ দখল করার প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু বিদ্রোহী দলের নেতাকে হেনড্রিক গুলি করে মেরে ফেলেন ও পানিতে তারলাশ নিক্ষেপ করেন। . পরবর্তীতে জাহাজটিকে ঘিরে কিছু অংশে ঝড় স্তিমিত হয়ে যায় আর জাহাজের উপর এক ভূতের আবির্ভাব ঘটে। . সেই ভূতের আবির্ভাবের সাথে সাথে কোন কারণ ছাড়াই জাহাজের সকলনাবিক মারা যায়, শুধু হেনড্রিক ছাড়া। . হেনড্রিক দমবার পাত্র ছিলেন না। তিনি ভূতটিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে চেষ্টা করেন। গুলি ছোড়া মাত্রই হেনড্রিকের হাতে বন্দুকের ভিতরে বিস্ফোরণ হয় এবং তাঁর হাত অবশ হয়ে যায়। . তারপরে হেনড্রিকের কিহয় তা জানা যায়নি। কেবল জাহাজটি ঝড়ের মাঝে হারিয়ে যায়। . পরে ভুতূড়ে জাহাজ হিসেবে এই জাহাজটিকে সমুদ্রে দেখা যায়। . এটিই ফ্লাইং ডাচম্যানকে নিয়ে গড়ে ওঠা একমাত্র লোককাহিনী না। অপর লোককাহিনী বলে যে টাউনেরদিকে বাণিজ্য উপলক্ষে যাবার পথে ক্যাপ্টেন এর মনে হয় যে ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানিরসাথে এই বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি পাকা চুক্তি করে নেয়া প্রয়োজন। . কিন্তু ভাবতে ভাবতেই জাহাজটি ঝড়ের মাঝে পরে যায়, জাহাজ ঘুরানোর সুযোগ আর হয়না। পরে ঝড় এর মাঝে জাহাজ টিকে থাকলেও ঝড় থামার পর ডুবোপাথরে ধাক্কা খেয়ে জাহাজটি ডুবে যায়,কিন্তু জাহাজের ক্যাপ্টেন নিজেই অভিসম্পাত করে যান যে তিনি এই জাহাজকে কেপ টাউনের দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেনই, সেটা যেভাবেই হোক। . ব্যস, সেই থেকে ফ্লাইং ডাচম্যানকে ভুতূড়ে জাহাজ হিসেবে দেখা যায়। ফেবু পেইজ [সংগ্রহীত] থ্রিলার পাঠকদের আসর

মার্ক শুভ্র সরকার: নয় রহস্যময় মানব সাধক। প্রায় দু’হাজার বছরেরও বেশি পুরাতন একটি গুপ্ত সংঘের সদস্য তাঁরা। খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ সালে প্রাচীন ভারতের সম্রাট অশোক এটি প্রতিষ্ঠা করেন। পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে প্রাপ্ত রাজ্যজয়ের দুর্দমনীয় নেশা সম্রাট অশোককে কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণে প্ররোচিত করে। ফলে যা হবার তাই হল। এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বাঁধল বর্তমান ভারতের কলকাতা আর মাদ্রাজের মাঝামাঝি অবস্থিত তৎকালীন কলিঙ্গ রাজ্যে। প্রায় ১ লক্ষ কলিঙ্গান এতে প্রাণ হারায়। কলিঙ্গ যুদ্ধের বিভীষিকা সম্রাট অশোককে সলজ্জ বিচলিত করে তোলে। সম্রাটের এই অনুশোচনাই পরবর্তীতে জন্ম দেয় কিংবদন্তিতুল্য সেই গুপ্ত সংঘের ৷ খ্রিষ্টপূর্ব ৩০৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন সম্রাট অশোক মৌর্য্য। বিন্দুসার ও ধর্মার সন্তান আর মৌর্য্য সাম্রাজ্য (Maurya Empire) -এর প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যের নাতি ছিলেন অশোক দ্যা গ্রেট। ভারতের ইতিহাসে দুজন রাজাকে গ্রেট উপাধি দেয়া হয় তাদের একজন হলেন এই সম্রাট অশোক আরেকজন মুঘল সম্রাট আকবর। আজব তথ্য হল- হিন্দু অধ্যুষিত ভারতে একজন হিন্দু রাজাও এই গ্রেট উপাধি পাননি। অশোক প্রথম জীবনে বৈদিক ধর্মের অনুসারী ছিলেন। তার শাসনকাল ছিল ২৯৮ থেকে ২৭২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। রাজা হবার পর থেকেই অশোক সাম্রাজ্য বিস্তারে মনোযোগী হন। তিনি পূর্বে বর্তমান আসাম ও বাংলাদেশ, পশ্চিমে ইরান ও আফগানিস্তান, উত্তরে পামীর গ্রন্থি থেকে প্রায় সমগ্র দক্ষিণ ভারত নিজের সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। এরপর অশোক কলিঙ্গ প্রজাতন্ত্র দখলে উদ্যোগী হন যা তার পূর্বপুরুষেরা কখনোই জয় করতে পারেনি। খ্রিষ্টপূর্ব ২৬১ (মতান্তরে খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৩) সালে দয়া নদীর ধারে ধৌলি পাহাড়ের কাছে এক ভীষণ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। লক্ষাধিক মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অশোক কলিঙ্গজয় করেন। কিন্তু যুদ্ধজয়ের এই বীভৎসতা সম্রাট অশোককে মানসিকভাবে পরাজিত করে দেয়। অনুশোচিত সম্রাট অশোক বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হন। রণাঙ্গনপ্রিয় যুদ্ধবাজ রাজা নিজেকে রুপান্তরিত করেন শান্তিপ্রিয় অহিংসার মানুষে। প্রতিষ্ঠা করেন এক রহস্যময় সমাজের যাদের কাজ ছিল জ্ঞানের এমন কিছু ধারাকে সংরক্ষণ করা যেগুলো কিনা মন্দ লোকের হাতে পড়লে মানবসভ্যতার সাড়ে সর্বনাশ হবার প্রভূত সম্ভাবনা থাকে। বলা হয়ে থাকে যে, সম্রাট অশোক যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন; তাই তিনি চাইতেন মানুষ যেন তার বুদ্ধিমত্তাকে খারাপ কাজে ব্যবহার না করে। তাঁর শাসনামলে বিজ্ঞানের চর্চা অনেকটা গোপনীয়তার সাথে করা হতো। এই গোপনীয়তার অভ্যাস আজ অবধি চলে আসছে। বিগত শতকের শেষের দিকের থেকে ব্যাপক আকারে বের হয়ে আসে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন গোপন সংঘের সাথে অন্তরঙ্গ সংশ্লিষ্টতা। ইতিহাসের রক্তাত্ত পথচলা যে শুধু যুদ্ধ, প্রেম আর দুর্যোগের হাত ধরে তা কিন্তু না; এর অনেকটা যাত্রাপথ বিজ্ঞানের চর্চার সাথে ওতপ্রোতভাবে বিজড়িত। আমরা সাধারণ মানুষজন একটা আবিষ্কার দেখি বা তার কথা শুনি, কিংবা ফলিত চর্চার মাধ্যমে এর সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করি। ব্যস, আমাদের কাজ এইটুকুই। কিন্তু এই আবিষ্কারের পিছনে যে কতটা রহস্যময়, গা শিউরানো ইতিহাস আছে তা আমরা কতজনই বা জানি। অবশ্য এখন আমরা অল্প অল্প জানতে শুরু করেছি সেইসব রহস্যময় গোপন সংঘগুলোর সম্পর্কে। বাভারিয়ান ইলুমিনাটি, নাইট টেম্পলার , ফ্রি ম্যাসন , রসিক্রুসিয়ান , প্রিওরি অব সাইওন কিংবা অদূরবর্তী অতীতের ওপাস দেই, বিল্ডারবার্গ গ্রুপ - অনেক কিছু আজ আমরা জানি। কিন্তু যা আমাদের অনেকরই জানার অগোচরে রয়ে গেছে তা হল অশোক দ্যা গ্রেটের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের প্রাচীনতম সেই গুপ্তসংঘ যার সদস্য সংখ্যা ছিল নয়। তাই অনেকের কাছেই এই সংঘটি নাইন আননোওন মেন ( The Nine Unknown Men ) নামে পরিচিত। ইতিহাস ঘাঁটলে এই নয়জন মানুষ সম্পর্কে খুব একটা জানা যায় না। এমনকি তাঁরা আসলে কারা কারা ছিলেন, তাঁদের নামই বা ঠিক কি ছিল তা আজও রহস্যের চাঁদরে মোড়া। তবে অনেকের মতে এই নয়জন মানুষ নাকি অমরত্ব লাভ করতে পেরেছিলেন। পেরেছিলেন তাঁদের উপর অর্পিত নিজ নিজ বিভাগে জ্ঞান অন্বেষণের আতিশয্যে পৌঁছাতে। সম্রাট অশোক এই নয়জন মানুষকে নয়টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণা করার আদেশ দেন। সম্রাটের আদেশমতে এই নয় জ্ঞানী পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে তাঁদের স্বীয় স্বীয় ক্ষেত্রের উপর যাবতীয় জ্ঞান সংগ্রহপূর্বক এক জায়গায় সন্নিবেশিত করেন। শুধু তাই নয়, এসব জ্ঞান যাতে ভুল লোকের হাতে না পড়ে তার জন্যও নিখুঁত নিরাপত্তা ও নিখাদ গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়। সবচেয়ে অবাক হতে হয় এটা জেনে যে, এই নিশ্চয়তা কেবল সম্রাট অশোকের আমলেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি আজ অবধি প্রবহমান! কি ছিল সেই নয়টি বিষয়!!! প্রোপ্যাগান্ডা ও মনোবিদ্যাগত যুদ্ধকৌশলঃ বলা হয়ে থাকে এটিই ছিল নয়টি বিদ্যার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর। সাধারণ্যের চিন্তাভাবনা এমনকি স্বভাব-চরিত্র পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল এই বিদ্যার অন্তর্গত ছিল। এই বিদ্যার অধিকারী যে হবে সে নাকি সারা দুনিয়া শাসন করার ক্ষমতা রাখে। ড্যান ব্রাউনের লস্ট সিম্বলে নোয়েটিক সায়েন্স নামক এক বিদ্যার কথা বলা হয়েছে। কে জানে এই নয়েটিক সায়েন্সই সেই প্রাচীন গুপ্তবিদ্যার কোন ধারা কি না! শারীরবিদ্যাঃ প্রাণী ও উদ্ভিদবর্গের জীবনধারা- সংক্রান্ত বিজ্ঞান; যেখানে জীবদেহের যাবতীয় কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু প্রাচীন জ্ঞানরহস্যের এই শারীরবিদ্যা ছিল অন্যধারার। এখানে জীবশাস্ত্রের এমন কিছু দিক অতি সযতনে লুক্কায়িত ছিল যা আমাদের মতো ম্যাংগো পিপলদের মাথা নষ্ট করে দিবে সুনিশ্চিতভাবে। এই শাস্ত্রের অল্প কিছু জ্ঞান দুঃখজনকভাবে(!)পরবর্তীতে লিক হয়ে যায়। “টাচ অব ডেথ” যার মধ্যে একটা। মার্শাল আর্টের এক গুপ্ত ঘায়েলবিদ্যা। চাইনিজরা এটাকে “ডিম মাক” বলে থাকে। বর্তমান পৃথিবীর খুবই অল্পসংখ্যক (আসলেই খুবই অল্পসংখ্যক) মার্শাল আর্টিস্ট এই বিদ্যা জানেন। অনেকেই সন্দেহ করে থাকেন যে বিখ্যাত মার্শাল আর্টিস্ট ব্রুস লির মৃত্যু এই “টাচ অব ডেথ” এর মাধ্যমে হয়েছিল। “টাচ অব ডেথ” হল মার্শাল আর্টের এমন এক ধরণের মারের স্টাইল যার দ্বারা নিউরন পর্যায়ে আঘাত করার মাধ্যমে ভিক্টিমকে সাথে সাথে না মেরে বরং বিলম্ব মৃত্যু ঘটিয়ে হত্যার সঠিক কারণ লুকানো যায়। চাইনিজ মার্শাল আর্টের প্রাণবায়ু বলে পরিচিত “চি” (Qi) এর মতোই “টাচ অব ডেথ” আধুনিক বিজ্ঞান দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়নি। যাবে বলে মনেও হয় না। অণুজীববিদ্যা অর্থাৎ মাইক্রোবায়োলজিঃ কিন্তু আধুনিককালের সাপেক্ষে এটা হবে আমাদের বায়োটেকনোলজি যেখানে বিভিন্ন অণুজীবের ফলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু প্রাচীন সেই বইতে কি ছিল অধুনাতন বায়োটেকনোলজি সম্পর্কে? রূপকথার মতো শোনা যায় যে, সম্রাট অশোকের সেই নয় জ্ঞানবন্ত সাধক গঙ্গার পানিকে এমন কিছু মাইক্রবস অর্থাৎ অণুজীব দিয়ে বিশুদ্ধ করেছিলেন যা কিনা যেকোনো মরনব্যাধি থেকেও মানুষকে সুস্থ করে তুলতো। এক ধরণের ব্যাকটেরিওফাজ দিয়ে করা গঙ্গার সেই পবিত্র জল নাকি হিমালয়ের কোন এক রহস্যময় গোপনস্থল থেকে উৎসারিত। তবে বর্তমান বাস্তবতা হল- ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের এই জাতীয় নদীটি বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত পাঁচটি নদীর একটি। তথাপি একটা কথা কি উড়িয়ে দেওয়া ঠিক হবে আমাদের? হয়তোবা এই দূষিত গঙ্গারই কোন এক জায়গার পানি সেই প্রাগৈতিহাসিক অলৌকিক গুণ আজ অবধি ধরে রেখেছে; হয়তোবা আমাদের চর্ম্মচক্ষুর আড়ালে হিমালয়ের সেই রহস্যময় উৎসমুখ থেকে উৎসারিত হয়ে নীরবে নিরবধি বয়ে চলেছে কোন এক অজানা ধারায়। কে জানে সেই কথা? আলকেমি অর্থাৎ রসায়নঃ এটি যে কেবল সেই সময়ের রহস্যময় বিদ্যা ছিল তা কিন্তু না। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে মুসলিম বিজ্ঞানীদের ব্যাপারে রসায়নশাস্ত্রের উপর করা কিছু অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক গবেষণার কথা শোনা যায়। ধারণা করা হয়, এই নয় জ্ঞানী সাধক পরশমণির সন্ধানলাভ করেছিলেন। এই পরশমণি যেকোনো ধাতব পদার্থকে সোনায় রুপান্তরিত করে ফেলে। এমনকি অমরত্বপ্রাপ্তি পর্যন্ত নাকি এই পরশমণির দ্বারা সম্ভব! প্রত্নতত্ত্ববিদগণ একটা বিষয়ে কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করে থাকেন যে, ভারতে তো তেমন একটা সোনার খনি নেই; তাহলে ভারতের বিভিন্ন প্রাচীন সভ্যতা থেকে এতো স্বর্ণ কিভাবে পাওয়া যায়! আসলে সমগ্র ভারত উপমহাদেশই এক বিচিত্র কারণে বিভিন্ন রহস্যে আবৃত। আরেকটা কিঞ্চিৎ অপ্রাসঙ্গিক কথার অবতারণা করি। জ্ঞান সময়ের মতো বহমান এক বিমূর্ত সত্তা। একে নির্দিষ্ট কোন জাতি, গোষ্ঠী এমনকি সাধকশ্রেণীর মধ্যে আবদ্ধ করে রাখা অসম্ভব। মধ্যযুগের মুসলিম সভ্যতাও রহস্যের চাঁদরে মোড়া এক অধ্যায়। বর্বর তাতার জাতি যখন ইরাক আক্রমণ করে দজলা নদীর পানিতে জ্ঞানবিজ্ঞানের অনেক মূল্যবান তথ্য ফেলে দেয়, কে জানে হয়তো তখন জ্ঞানের অনেক রহস্যঘেরা শাখা চিরতরে হারিয়ে যায়। হয়তো সেই জ্ঞানের কিছু কিছু সম্রাট অশোকের সময়কার সেই জ্ঞানসাধকদের কাছ থেকেই পাওয়া। যোগাযোগবিদ্যাঃ ধারণা করা হয় এই বিদ্যার মাধ্যমে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বহুদূর জগতের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হতো। আমরা যে টেলিপ্যাথির সাথে পরিচিত ওনারা কি তার কথাও জানতেন? না জানার কথা তো না। মহাকর্ষ ও অ্যান্টি মহাকর্ষঃ এখানে বর্ণিত ছিল “ভিমানা” ( Vimana ) নামক এক উড়োজাহাজ সম্পর্কিত কিছু তথ্য যা কিনা ইতিহাসজ্ঞগণ প্রাচীন ভারতের ইউএফও ( ancient UFO of India ) বলে অভিহিত করেন। কসমোলজিঃ স্থান ও কালের এক জটিল জালকের মধ্য দিয়ে অসামান্য দ্রুততায় অতিক্রমণ করার ক্ষমতা যা আমাদের কাছে টাইম ট্রাভেলিং নামে সুপরিচিত। এর মাধ্যমে নাকি অন্তঃ ও আন্তঃমহাজাগতিক ভ্রমণ করা যেতো। স্থান ও কালের যুগ্ম পরিপ্রেক্ষিতে ত্রিমাত্রিক পরিব্যাপ্তির নিরীক্ষায় আধুনিক বিজ্ঞানীদের যে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা তা যদি প্রাচীন সেই সাধকদের নখদর্পণে থেকে থাকে তো তাতে অবাক না হয়ে পারা যায় না। আলোকবিদ্যাঃ এখন পর্যন্ত আলোই সবচেয়ে দ্রুতগামী বলে সবার কাছে স্বীকৃত। আলোর চেয়ে বেশি গতির কোন সুপ্রতিষ্ঠিত কণিকা বা শক্তি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। বলা হয় রহস্যময় সেই গুপ্তসংঘ আলোর গতির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিল। আলোর গতি বাড়ানো আর কমানোর দ্বারা একে এক অব্যর্থ অস্ত্রে পরিণত করার জাদুকরী বিদ্যা নাকি তাঁদের করায়ত্ত ছিল। সমাজবিজ্ঞানঃ কোন সাম্রাজ্যের কখন উত্থান আর কখন পতন ঘটবে তার ব্যাপারে নাকি সুনির্দিষ্টভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা যেতো রহস্যেঘেরা এই সমাজবিজ্ঞানের মাধ্যমে। যারা যারা এই গোপন সংঘ সম্পর্কে আগ্রহী ছিলেন তাদের মধ্যে লুইস জ্যাকলিয়ট, ট্যালবট মুন্ডি, লুইস পাওয়েল ও জ্যাকস বার্গারকে পথিকৃৎ বলা যায়। লুইস পাওয়েল ও জ্যাকস বার্গার তাদের “ The Morning of the Magicians ” বইতে এই নয়জনের তাঁদের সংঘের বাইরের বিভিন্নজনের সাথে বিভিন্ন সময় যোগাযোগের কথা উল্লেখ করেছেন। পোপ দ্বিতীয় সিলভেস্টার ছিলেন সেই বাইরের মানুষদের একজন। বলা হয় যে, পোপ দ্বিতীয় সিলভেস্টার ছিলেন এক রহস্যময় মানুষ। তার কাছে লিজেন্ডারি ব্রোঞ্জ মস্তক ( Brazen Head ) ছিল। মানুষের মাথার মতো দেখতে এই যন্ত্রটি নাকি যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতো। সিলভেস্টারের এই কিংবদন্তি কিন্তু তার জীবনের একেবারে শুরুতেই ছিল না। তিনি একবার ভারত সফরে আসেন। তারপর থেকেই এই রহস্যময়তা। অপ্রাসঙ্গিক তথ্যের অবতারণা করলে বলা যায়, এই একই রকম যন্ত্র দার্শনিক রজার বেকনের কাছেও ছিল যাকে বলা হয় “ডক্টর মিরাবিলিস” অর্থাৎ বিস্ময়কর শিক্ষক। যাই হোক, অনেকেই ধারণা এই কিংবদন্তিতুল্য যন্ত্রের সন্ধান সিলভেস্টার সেই গুপ্ত সংঘের কাছ থেকে পেয়েছিলেন যা সম্রাট অশোক বহুকাল আগে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আরও একটা বইয়ের নাম উল্লেখ করা যায় যেখানে এই ব্যাপারে একটু বিশদভাবে বলা হয়েছে। আর তা হল ১৯২৩ সালে প্রকাশিত ট্যালবট মুন্ডির “ The Nine Unknown” বইটি। অনেকেরই ধারণা কলেরা জীবাণুর প্রতিষেধক আবিষ্কারের পেছনে এই গুপ্ত সংঘের অবদান আছে! এছাড়া র্যাবিস এবং ডিপথেরিয়ার প্রতিষেধক যারা আবিষ্কার করেছিলেন তাঁদের একজনের সাথে নাকি এই সংগঠনের যোগাযোগ ছিল। সেই একজন হলেন- আলেকজান্দ্রে ইয়েরসিন যিনি আবার লুই পাস্তুর এবং এমিল রক্সের খুব কাছের বন্ধু। মিস্টার ইয়েরসিন ১৮৯০ সালে ভারতের মাদ্রাজ নগরীতে আসেন। এই ব্যাকটেরিওলজিস্ট নিজে প্লেগের এক জীবাণু আবিষ্কার করেছিলেন। আলেকজান্দ্রে ইয়েরসিন শুধু তাই নয়, আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর রেডিও ও মাইক্রোওয়েব অপটিকস আবিস্কার এবং ডঃ বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের মহাশূন্য ও মিসাইল প্রতিরক্ষা প্রোগ্রামের অন্তরালেও নাকি সেই একই উৎসের অবদান নিহিত রয়েছে। উল্লেখ্য ডঃ আম্বালালকে ভারতের মহাশূন্য গবেষণার জনক বলা হয়ে থাকে। “ The Nine Unknown Men ” ইতিহাসের এক রহস্যময় নাম। অজানাকে জানতে গেলে, রহস্যময়তাকে ভেদ করতে গেলে অনেক তথ্যই আগাছার মতো ডালপালা গজিয়ে দাঁড়িয়ে যায়। এই সংঘটিকে নিয়েও নানারকম কথা নানা সময়ে শোনা গেছে। অনেকেই ধারণা করেন যে, এই “ The Nine Unknown Men ” নির্দিষ্ট নয়জন মানুষের কোন দল নয়। বরং যুগে যুগে কালে কালে পৃথিবীর অনেক জ্ঞানীগুণী এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন। তবে সংখ্যাটা সবসময়ে নয়ই থাকতো। তবে একটা কথা কিন্তু নিরেট সত্য- “এই বর্তমান পৃথিবী এক বঞ্চিত পৃথিবী। সে এমন কিছু জ্ঞান, এমন কিছু বিদ্যা, এমন কিছু প্রযুক্তি সময়ের স্রোতধারায় হারিয়েছে যা পুনর্বার খুঁজে পাওয়া দুষ্করই বটে। এইসব রহস্যময় জ্ঞানের কোন কোনটা চিরতরে চলে গেছে কালের অতল গহ্বরে, মানুষের হাতের নাগালের বাহিরে। শুনলে অবাক হতে হয়, গা শিহরিত হয় এমন হাজারো তথ্য আছে আমাদের নীলরঙা এই পৃথিবীর মাঝে। তার কতটুকুই বা আমরা জানি!" ---ব্লগ থেকে নেওয়া

জোকস

মার্ক শুভ্র সরকার: একটি জোকস পোস্ট করেছে

ইঞ্জিনিয়ার vs ডাক্তার মজার গল্প........... ........... এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই ভালো একটা চাকরি পেল না। তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর বাইরে লিখে দিল – “৩০০ টাকায় যে কোন রোগের চিকিৎসা করান চিকিৎসা না হলে এক হাজার টাকা ফেরৎ” এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার টাকা রোজকার করার একটা দারুণ সুযোগ! সে সেই ক্লিনিকে গেল… আর বলল, “আমি কোন জিনিষ খেতে গেলে তাতে কোন স্বাদ পাই না ।” ইঞ্জিনিয়ার নিজের নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার বক্স থেকে ওষুধ বার কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও ওনাকে।” নার্স খাইয়ে দিল। রুগী (ডাক্তার) – “আরে, এটা তো পেট্রোল ।” ইঞ্জিনিয়ার – “Congratulation…. দেখলেন তো আমাদের ক্লিনিকের কামাল। আপনি টেস্টটা জিভে পেয়ে গেছেন। এবার আমাকে আমার ৩০০ টাকা ফী দিয়ে দিন।” ডাক্তার টাকাটা দিয়ে দিল এবং চলে গেল মনে দুঃখ আর রাগ নিয়ে। কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর। ভাবল, একে টাইট করতে হবে আর পয়সাটাও উসুল করতে হবে। তাই আবার কিছুদিন পর সে সেই ক্লিনিকে এল। . . . ডাক্তার – “আমার মেমরী কমে গেছে। কিছুই মনে থাকেনা ।” ইঞ্জিনিয়ার – “নার্স, এনাকে ২২ নাম্বার বক্স থেকে ৩ ফোটা খাইয়ে দাও তো।” ডাক্তার – “কিন্তু স্যার, ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার ওষুধ” ইঞ্জিনিয়ার – “দেখলেন তো ওষুধ খাওয়ার আগেই আপনার মেমরী ফিরে এসেছে, দিন আমার ৩০০ টাকা ।” এবার ডাক্তার খুব রেগেই বাড়ি গেল আরও ৩০০ টাকা দিয়ে। আবার কিছুদিন পর ক্লিনিকে এসে বলল, . . “স্যার । আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে গেছে। একদমই দেখতে পাচ্ছি না! ইঞ্জিনিয়ার – “এর কোন ওষুধ আমার কাছে নেই । এই নিন, আপনার ১০০০ টাকা।” রুগী (ডাক্তার) – “কিন্তু এটা তো ৫০০ টাকার নোট।” ইঞ্জিনিয়ার – “দেখুন, আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ এসে গেছে। দিন আমার ৩০০ টাকা।
ছবি

মার্ক শুভ্র সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
৩৯৯

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত