shahnaz chaudhury

@shahnaz1980

I'm Happy as can be!!
business_center প্রফেশনাল তথ্য নেই
school এডুকেশনাল তথ্য নেই
location_on লোকেশন পাওয়া যায়নি
1408291920000  থেকে আমাদের সাথে আছে

রনি রহমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

স্কুল লাইফে একবার ঠিক করলাম নিজের টাকায় আব্বাকে স্যু কিনে দেব। ঘটনা হল ক্রিকেট খেলতাম, কেডস লাগবে। বাটায় তখন পাওয়ারের এক জোড়া কেডস এসেছিল দাম পনেরশ টাকা। আবদার করে বসলাম আব্বার কাছে
- আব্বা কেডস কিনে দাও।
আমার বাবার সেদিন কেডস কিনে দেবার সামর্থ্য ছিলনা। অনেক রাগারাগি করলাম। না খেয়ে থাকলাম। আম্মা এসে বলল
- তুই জানিস তোর আব্বা গত পাচ বছরে একই জুতা পরে চালিয়ে যাচ্ছে
.
প্রচন্ড ধাক্কা লাগল কথাটা শুনে। আব্বা পাচ বছর ধরে একই স্যু পরে অফিসে যাওয়া আসা করছে। কালের বিবর্তনে যে জুতোর মিউজিয়ামে জায়গা হওয়ার কথা চার কোণা জলছাপ কাগজের দৈন্যে সে জুতা লাইফ টাইম সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে আব্বাকে।
.
আমি তখন ক্রিকেটের খেপ খেলতাম টুকটাক। ঠিক করলাম খেপ খেলে টাকা জমিয়ে আব্বা কে স্যু কিনে দেব। এক খেপে তখন বেশী না ৫০ টাকা দিত কোনটাতে খাওয়াত টাকা দিতনা। তো আমি প্রবল আগ্রহে আব্বাকে জুতা কিনে দিব বলে স্কুল ফাকি দিয়ে খেপ খেলতে লাগলাম। বয়সে কম ছিলাম বলে নিতে চাইতোনা।
.
অনেক কষ্টে খেপ খেইলা জমালাম ৬০০ টাকা। মনে তখন আনন্দ। আব্বারে ঢাকায় ফোন দিয়া বললাম
- আপনি আগামী সপ্তাহে ফেনী আসেন দরকার আছে
.
বাবারে জুতা কিনে দিবে আজ তাই খেপ খেলে জমান ৬০০ টাকা নিয়ে গর্বিত ছেলে গেল বাটার শো রুমে। জানতাম না কি অপেক্ষা করছে। ছয়শ টাকার মধ্যে জুতা পাওয়া যাবে এক জোড়াই। এদিকে আমার আবার যেগুলা পছন্দ হইছে সেগুলার দাম হাজারের উপরে। প্রচন্ড অক্ষমতায় আমি কাদতে লাগলাম। একবার মন চাইল শো রুমের ম্যানেজার কে বলি
- আঙ্কেল বাকি দিবেন মাসে মাসে কিস্তিতে শোধ করে দিব।
.
সেদিন আব্বার জন্য নিজের টাকায় জুতো কেনার স্বপ্ন আমার পূরণ হয়নি। কঠিন বাস্তবতা সেই স্কুল পড়ুয়া কিশোর কে শিখিয়ে দিয়েছিল , সাধ আর সাধ্যের মধ্যে তফাত কতটুকু।
.
.
আপনজনের জন্য মন ভরে কিছু একটা করতে পারার অক্ষমতার কষ্ট সেবারই প্রথম পেয়েছিলাম
.
বাবার ধমকে দিন শুরু করা ছেলেটারও খুব ইচ্ছা করে নিজের টাকায় এক জোড়া জুতো কিনে বাবার পায়ের কাছে বসে প্রাগৈতিহাসিক জুতোজোড়া খুলে নিজ হাতে নতুন জোড়া পরিয়ে দিয়ে বলতে
- এইবার এই জোড়াকে মুক্তি দাও
.
টানাটানির সংসারে শহরে পড়তে আসা ছেলেটারও ইচ্ছা করে এবার ঈদে বাড়ি ফেরার সময় মায়ের জন্য ভালো একটা দামী শাড়ি কিনে নিয়ে যেতে। কলিংবেল বাজানোর পর মা দরজা খুলে দেখবে তার পাগল ছেলেটা শাড়ির জমিন খুলে হাসিমুখে বলছে
- জমিন টা আমার মায়ের সরল মুখটার মত
.
বোনের আবদার মেটাতে অক্ষম ভাইটারও ইচ্ছা করে এবারের ছুটিতে একটা এন্ড্রোয়েড মোবাইল কিনে বোনের কলেজের ব্যাগে ঢুকিয়ে রেখে সাথে একটা চিরকুট লিখে দিতে
- এবার থেকে দেখব হোয়াটস এপে ভাইকে কত জ্বালাতে পারিস
.
মানিব্যাগের খুচরো টাকা দিয়ে কেনা রক্তগোলাপ ছাড়া প্রেমিকাকে আর কিছু দিতে অক্ষম প্রেমিক ছেলেটারও ইচ্ছা করে এক গুচ্ছ চুড়ি না ,চকবাজার থেকে হোলসেলে চুড়ির পুরো গাট্টিটা এনে সেটাকে প্রেমিকার সামনে রেখে কপালের ঘাম মুছতে মুছতে বলতে,
- নে পাগলী। এবার দেখব কত চুড়ি পড়তে পারিস ,আর কত চুড়ি অভিমানে ভাংতে পারিস
.
এই অক্ষম মানুষগুলোর দেয়ার ক্ষমতা হয়ত নেই ,কিন্তু পৃথিবী জেনে রাখুক তাদের ভালোবাসায় এতটুকু খাদ নেই।
.
এ পৃথিবীতে নানান রঙ্গের কষ্ট আছে। কিন্তু আপন জন কে মন ভরে না দিতে পারার মত কষ্ট কিছুতে নেই|

Written by Warish Azad Nafi

অনি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
প্রেমিক প্রেমিকা সিদ্ধান্ত নিল ঠোটের ব্যারিকেড বসাবে শাহবাগ মোড়ে। ঠিক সকাল দশটায়। সেদিন খুব সাজুগুজু করে বের হল ছেলে মেয়ে। শাহবাগে ভালোবাসা দিবসে খুব ভিড়। হাজার হাজার কপোত কপোতিকে সাক্ষী রেখে তারা ডুবে গেল ঠোটের আটলান্টিকে। বলিউডের সিন বাংলার শাহবাগে। সেই রোমান্টিসিজম। আবেগে মেয়ের চোখে পানি এসে গেল সখী ভালবাসা কারে কয়
.
এর কিছুদিন পর
প্রেমিকার কলেজ পড়ুয়া ছোটভাই মোবাইলে পর্ণ নিল ফ্রেন্ডের কাছ থেকে। রাতের বেলা আয়েশ করতে যাইয়া প্রথম ভিডিওটা খুলেই দেখল ছেলে মেয়ে পাবলিকলি কিস করছে। ভিডিও করে পর্ণ সাইটে আপলোড করেছে কেউ। মেয়েটা কে পরিচিত লাগছে না। এইচডি রেজ্যুলুশনে জুম করে ধাক্কা খেল ছেলে। একি এটা তো তার বোন
.
তার কিছুদিন পর
সেই প্রেমিক প্রেমিকার ব্রেক আপ হয়ে গেছে। ছেলে মেয়ে দুজনের জন্যই আলাদা পাত্র পাত্রী দেখছে
ছেলে গেছে পরিবারের সাথে মেয়ে দেখতে। একটু পরই মেয়ে ফিস ফিস করে মায়ের কানে বলল " এই ছেলেরে টিভিতে দেখছি আম্মা আরেক মাইয়ারে চুমা দিতে। "
.
এদিকে সেই প্রেমিকারেও আরেক ছেলে দেখতে গেছে। একটু পরই পাশের বন্ধুরে কানে কানে বলল
" আচ্ছা তুই যে ভিডিও দিয়েছিলি এইটা সে মেয়ে না। "
বাই ওয়ারিশ আজাদ নাফি 

বিম্ববতী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আশির দশকের লন্ডনের এক ব্যাস্ত রাস্তা। এক বাঙ্গালী জাদুকর জাদু দেখানোর অপেক্ষায়। অপেক্ষায় কিছু সাংবাদিক আর শতাধিক ভীনদেশী দর্শক। সে বাঙ্গালী জাদুকরের চোখ বেধে দেয়া হবে এবং তার হাতে গাড়ির চাবি ধরিয়ে দেয়া হবে। অনেকগুলো গাড়ির মধ্য থেকে প্রথম বারেই তাকে সঠিক গাড়িটা নির্বাচন করতে হবে।
.
একজন চোখের ডাক্তার তার চোখে ব্যান্ডেজ বেধে পরীক্ষা করে জানালেন
" তিনি আসলেই কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। "
বাকিটা ইতিহাস। সেই বাঙ্গালী যুবক শুধু সঠিক গাড়িটা বেরই করলেন না ,চোখ বাধা অবস্থায় লন্ডনের ব্যাস্ততম রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দেখালেন। প্রশংসায় পঞ্চমুখ হল নাকউচু খুতখুতে ব্রিটিশরা। কেউ এই জাদুকর কোথায় বাড়ি তার? বাংলাদেশে
.
কে এই জাদুকর?
হুমায়ূন আহমেদ স্যার তার ‘ম্যাজিক মুনশি’ উপন্যাসের উৎসর্গপত্রে এই জাদুকর কে নিয়ে লেখেন
‘জুয়েল আইচ
জাদুবিদ্যার এভারেস্টে যিনি উঠেছেন।
এভারেস্ট জয়ীরা শৃঙ্গ বিজয়ের পর নেমে আসেন।
ইনি নামতে ভুলে গেছেন I

আমাকে যদি বলি হয় পৃথিবীতে তিনজন মানুষের নাম বলো যাদের চেহারা দেখলে মন ভালো হয়ে যায় আমি তার মধ্যে একজনের নাম বলব
জুয়েল আইচ। এই ভদ্রলোক সেই ছেলেবেলা থেকেই তার হাসি দিয়ে আমাকে মুগ্ধ করে রেখেছেন।
.
একবার ঈদ আনন্দমেলা হয়েছিল জুয়েল আইচের উপস্থাপনায়। ইত্যাদি তে সবসময় অপেক্ষায় থাকতাম কখন জুয়েল আইচের জাদু দেখাবে। মানুষ কে দুই ভাগ করে দেখানোর যে জাদুটা সেটার জন্য অপেক্ষায় থাকতাম বেশী
.
আমরা অনেকেই হয়ত জানিনা জুয়েল আইচ স্যার একাত্তরের একজন গেরিলা ফাইটার্। ৯ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা।
.
আমরা আজকাল বিদেশী জিনিসের পাগল। দেশী লেজেন্ডদের খবর রাখিনা। বলিউডের কে কার সাথে ডেট করছে সেই খবর আমাদের মুখস্ত থাকে।
.
কিন্তু আমরা কি এইটা জানি , বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২৯৫ জন জাদুশিল্পীর একজন আমাদের জুয়েল আইচ
.
বিশ্বখ্যাত জাদু বিশেষজ্ঞ ‘ডোনাল্ড ডিউইন্টার’ লন্ডনের বিখ্যাত ‘ডমিনিয়ন থিয়েটারে’ জুয়েল আইচের শো দেখে লেখেন, ‘ এমনই এক অবিস্মরণীয় অনুভূতি যা বর্ণনা করা যায় না, যা শিখে আয়ত্ত করা যায় না।"
.
বিশ্ববিখ্যাত জাদুশিল্পী ডেভিড কপারফিল্ড বলেন, ‘বন্ধু, জোর কদমে এগিয়ে চলো। ম্যাজিক তোমাকে চায়।’
.
এই হল জাদুকর জুয়েল আইচ। একজন মুক্তিযোদ্ধা জুয়েল আইচ। দা বেঙ্গল উইজার্ড।
.
ওয়ারিশ আজাদ নাফি

রনি রহমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর. ছোট ছোট 'sacrifice' অথবা ‘compromise’ দিয়ে.

"মুরগির রান টা ওকে দেই,ওর সবচে প্রিয়. না থাক এখন থেকে আর নাচ করব না ওর ভালো লাগে না. পুরানো দিন এর গান গুলো শুনব না ও বিরক্ত হয় , বাজুক না জোরে জোরে ওর ‘বীট য়ালা ’ গান. না থাক, বন্ধু দের সাথে অলস বিকাল এ গল্প করতে যাব না বাসায় প্রবলেম হবে. খাবার এ ঝাল একটু কম দেই ওর আবার বেশি ঝাল পছন্দ না. শপিং আজকে বাদ দেই, অফিস থেকেই এসেই তো নাস্তা চাবে. সবাই খুশি , আমিও খুশি."

মমতা. ভালবাসা. আহা, কি ভয়ংকর শক্তি এই ভালবাসাতে! এর কারনে বোধই আমরা এখনো মাথা ঠেকানোর জায়গা পাই , এর কারনে বোধই শেষ হয়ে যাইনি জলে পুরে এই নিষ্ঠুর , ক্লান্তিময় জীবন যাত্রায়.

কিন্তু (হায়রে কিন্তু রে !) - একটা বড় কিন্তু আছে. পৃথিবীতে সব সুখের জন্য কোনো না কোনো মুল্য চুকাতে হয়. এই মমতা যে অসীম , নিস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দেই তাকেই বোধই চুকাতে হয় সবচাইতে বেশি - নিজেকে দিয়ে.

এই ছোট ছোট, দিন প্রতি দিনের বলিদান গুলো দেবার সময় কিন্তু ভালই লাগে. ভালবাসার মানুষ কে খুশি দেখে , ঘরের শান্তি ধরে রেখে , কোন মেয়ে না খুশি হয় বলেন? আফটার অল , সবাই কে “manage” করে যদি চলতেই না পারল , সেই মেয়ে হলো কেমন ধরনের? তাই না?

কিন্তু একটা সময় আসে , যখন হুট করে আয়নায় নিজেকে চেনা যায় না. মেয়েটি ভাবে, "আমার স্বপ্ন গুল কি যেন? আমার প্রিয় খাবারটা শেষ কবে যেন খেয়েছি? আমার না এক সময় নাচতে ভালো লাগত, নুপুর পরে? প্রিয় বন্ধুদের সাথে কত দিন আড্ডা দেয়া হয় না, আমাদের সেই কফি সপ টা এখনো কি খোলা আছে?"

ভেতর থেকে চিত্কার আশে, "কে তুমি? কি তুমি? ফিরে আসবানা ?"

মেয়েটি চোখের পানি আটকিয়ে উত্তর দেয় “আমি একজন এর মেয়ে সন্তান.একজন এর লক্ষী বউ. এবং কোনো একদিন হব কারো মা.”

ভেতর থেকে আবার চিত্কার আশে,”হা,হা, বুঝলামতো. কিন্তু তুমি কে ?”

মেয়েটা বিস্ময় তাকিয়ে থাকে আয়নায়.চুপটি করে বলে, “জানিনা. জানিনা. এবং জানতেও চাই না.”

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর...

- Farhana Muna

দস্যু বনহুর বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
""আমি কে?" এটা আদি'তম প্রশ্ন, এর থেকে অনেকেই বের হতে পারেনি। সাহস, দক্ষতা এবং ভালবাসার সৃজনশীলতা দিয়ে পৃথিবীতে অনেক মানুষই নিজেকে খুঁজে পেয়েছে এবং অনন্য হয়েছেন। নিজেকে খুঁজে পেতে হলে নিজেকে ভাঙতে থাকুন অনবরত, তাহলেই অনন্য গঠন হয়ে উঠবেন। "

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর. ছোট ছোট 'sacrifice' অথবা ‘compromise’ দিয়ে.

"মুরগির রান টা ওকে দেই,ওর সবচে প্রিয়. না থাক এখন থেকে আর নাচ করব না ওর ভালো লাগে না. পুরানো দিন এর গান গুলো শুনব না ও বিরক্ত হয় , বাজুক না জোরে জোরে ওর ‘বীট য়ালা ’ গান. না থাক, বন্ধু দের সাথে অলস বিকাল এ গল্প করতে যাব না বাসায় প্রবলেম হবে. খাবার এ ঝাল একটু কম দেই ওর আবার বেশি ঝাল পছন্দ না. শপিং আজকে বাদ দেই, অফিস থেকেই এসেই তো নাস্তা চাবে. সবাই খুশি , আমিও খুশি."

মমতা. ভালবাসা. আহা, কি ভয়ংকর শক্তি এই ভালবাসাতে! এর কারনে বোধই আমরা এখনো মাথা ঠেকানোর জায়গা পাই , এর কারনে বোধই শেষ হয়ে যাইনি জলে পুরে এই নিষ্ঠুর , ক্লান্তিময় জীবন যাত্রায়.

কিন্তু (হায়রে কিন্তু রে !) - একটা বড় কিন্তু আছে. পৃথিবীতে সব সুখের জন্য কোনো না কোনো মুল্য চুকাতে হয়. এই মমতা যে অসীম , নিস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দেই তাকেই বোধই চুকাতে হয় সবচাইতে বেশি - নিজেকে দিয়ে.

এই ছোট ছোট, দিন প্রতি দিনের বলিদান গুলো দেবার সময় কিন্তু ভালই লাগে. ভালবাসার মানুষ কে খুশি দেখে , ঘরের শান্তি ধরে রেখে , কোন মেয়ে না খুশি হয় বলেন? আফটার অল , সবাই কে “manage” করে যদি চলতেই না পারল , সেই মেয়ে হলো কেমন ধরনের? তাই না?

কিন্তু একটা সময় আসে , যখন হুট করে আয়নায় নিজেকে চেনা যায় না. মেয়েটি ভাবে, "আমার স্বপ্ন গুল কি যেন? আমার প্রিয় খাবারটা শেষ কবে যেন খেয়েছি? আমার না এক সময় নাচতে ভালো লাগত, নুপুর পরে? প্রিয় বন্ধুদের সাথে কত দিন আড্ডা দেয়া হয় না, আমাদের সেই কফি সপ টা এখনো কি খোলা আছে?"

ভেতর থেকে চিত্কার আশে, "কে তুমি? কি তুমি? ফিরে আসবানা ?"

মেয়েটি চোখের পানি আটকিয়ে উত্তর দেয় “আমি একজন এর মেয়ে সন্তান.একজন এর লক্ষী বউ. এবং কোনো একদিন হব কারো মা.”

ভেতর থেকে আবার চিত্কার আশে,”হা,হা, বুঝলামতো. কিন্তু তুমি কে ?”

মেয়েটা বিস্ময় তাকিয়ে থাকে আয়নায়.চুপটি করে বলে, “জানিনা. জানিনা. এবং জানতেও চাই না.”

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর...

- Farhana Muna

আমি লাবনী বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর. ছোট ছোট 'sacrifice' অথবা ‘compromise’ দিয়ে.

"মুরগির রান টা ওকে দেই,ওর সবচে প্রিয়. না থাক এখন থেকে আর নাচ করব না ওর ভালো লাগে না. পুরানো দিন এর গান গুলো শুনব না ও বিরক্ত হয় , বাজুক না জোরে জোরে ওর ‘বীট য়ালা ’ গান. না থাক, বন্ধু দের সাথে অলস বিকাল এ গল্প করতে যাব না বাসায় প্রবলেম হবে. খাবার এ ঝাল একটু কম দেই ওর আবার বেশি ঝাল পছন্দ না. শপিং আজকে বাদ দেই, অফিস থেকেই এসেই তো নাস্তা চাবে. সবাই খুশি , আমিও খুশি."

মমতা. ভালবাসা. আহা, কি ভয়ংকর শক্তি এই ভালবাসাতে! এর কারনে বোধই আমরা এখনো মাথা ঠেকানোর জায়গা পাই , এর কারনে বোধই শেষ হয়ে যাইনি জলে পুরে এই নিষ্ঠুর , ক্লান্তিময় জীবন যাত্রায়.

কিন্তু (হায়রে কিন্তু রে !) - একটা বড় কিন্তু আছে. পৃথিবীতে সব সুখের জন্য কোনো না কোনো মুল্য চুকাতে হয়. এই মমতা যে অসীম , নিস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দেই তাকেই বোধই চুকাতে হয় সবচাইতে বেশি - নিজেকে দিয়ে.

এই ছোট ছোট, দিন প্রতি দিনের বলিদান গুলো দেবার সময় কিন্তু ভালই লাগে. ভালবাসার মানুষ কে খুশি দেখে , ঘরের শান্তি ধরে রেখে , কোন মেয়ে না খুশি হয় বলেন? আফটার অল , সবাই কে “manage” করে যদি চলতেই না পারল , সেই মেয়ে হলো কেমন ধরনের? তাই না?

কিন্তু একটা সময় আসে , যখন হুট করে আয়নায় নিজেকে চেনা যায় না. মেয়েটি ভাবে, "আমার স্বপ্ন গুল কি যেন? আমার প্রিয় খাবারটা শেষ কবে যেন খেয়েছি? আমার না এক সময় নাচতে ভালো লাগত, নুপুর পরে? প্রিয় বন্ধুদের সাথে কত দিন আড্ডা দেয়া হয় না, আমাদের সেই কফি সপ টা এখনো কি খোলা আছে?"

ভেতর থেকে চিত্কার আশে, "কে তুমি? কি তুমি? ফিরে আসবানা ?"

মেয়েটি চোখের পানি আটকিয়ে উত্তর দেয় “আমি একজন এর মেয়ে সন্তান.একজন এর লক্ষী বউ. এবং কোনো একদিন হব কারো মা.”

ভেতর থেকে আবার চিত্কার আশে,”হা,হা, বুঝলামতো. কিন্তু তুমি কে ?”

মেয়েটা বিস্ময় তাকিয়ে থাকে আয়নায়.চুপটি করে বলে, “জানিনা. জানিনা. এবং জানতেও চাই না.”

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর...

- Farhana Muna

রনি রহমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর. ছোট ছোট 'sacrifice' অথবা ‘compromise’ দিয়ে.

"মুরগির রান টা ওকে দেই,ওর সবচে প্রিয়. না থাক এখন থেকে আর নাচ করব না ওর ভালো লাগে না. পুরানো দিন এর গান গুলো শুনব না ও বিরক্ত হয় , বাজুক না জোরে জোরে ওর ‘বীট য়ালা ’ গান. না থাক, বন্ধু দের সাথে অলস বিকাল এ গল্প করতে যাব না বাসায় প্রবলেম হবে. খাবার এ ঝাল একটু কম দেই ওর আবার বেশি ঝাল পছন্দ না. শপিং আজকে বাদ দেই, অফিস থেকেই এসেই তো নাস্তা চাবে. সবাই খুশি , আমিও খুশি."

মমতা. ভালবাসা. আহা, কি ভয়ংকর শক্তি এই ভালবাসাতে! এর কারনে বোধই আমরা এখনো মাথা ঠেকানোর জায়গা পাই , এর কারনে বোধই শেষ হয়ে যাইনি জলে পুরে এই নিষ্ঠুর , ক্লান্তিময় জীবন যাত্রায়.

কিন্তু (হায়রে কিন্তু রে !) - একটা বড় কিন্তু আছে. পৃথিবীতে সব সুখের জন্য কোনো না কোনো মুল্য চুকাতে হয়. এই মমতা যে অসীম , নিস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দেই তাকেই বোধই চুকাতে হয় সবচাইতে বেশি - নিজেকে দিয়ে.

এই ছোট ছোট, দিন প্রতি দিনের বলিদান গুলো দেবার সময় কিন্তু ভালই লাগে. ভালবাসার মানুষ কে খুশি দেখে , ঘরের শান্তি ধরে রেখে , কোন মেয়ে না খুশি হয় বলেন? আফটার অল , সবাই কে “manage” করে যদি চলতেই না পারল , সেই মেয়ে হলো কেমন ধরনের? তাই না?

কিন্তু একটা সময় আসে , যখন হুট করে আয়নায় নিজেকে চেনা যায় না. মেয়েটি ভাবে, "আমার স্বপ্ন গুল কি যেন? আমার প্রিয় খাবারটা শেষ কবে যেন খেয়েছি? আমার না এক সময় নাচতে ভালো লাগত, নুপুর পরে? প্রিয় বন্ধুদের সাথে কত দিন আড্ডা দেয়া হয় না, আমাদের সেই কফি সপ টা এখনো কি খোলা আছে?"

ভেতর থেকে চিত্কার আশে, "কে তুমি? কি তুমি? ফিরে আসবানা ?"

মেয়েটি চোখের পানি আটকিয়ে উত্তর দেয় “আমি একজন এর মেয়ে সন্তান.একজন এর লক্ষী বউ. এবং কোনো একদিন হব কারো মা.”

ভেতর থেকে আবার চিত্কার আশে,”হা,হা, বুঝলামতো. কিন্তু তুমি কে ?”

মেয়েটা বিস্ময় তাকিয়ে থাকে আয়নায়.চুপটি করে বলে, “জানিনা. জানিনা. এবং জানতেও চাই না.”

শুরুটা ছিল কিন্তু খুব সুন্দর...

- Farhana Muna

Abul Khayer বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

[উস্তাদ নুমান আলী খানের লেকচার অবলম্বনে অনুবাদ]

টিনেজারদের বাবা-মারা প্রায় সময়ই আমার কাছে আসেন। "জানেন, আমার ছেলেটা না, আমার কথা শোনেই না আজকাল। আপনি ওর সাথে একটু কথা বলবেন?" যেন আমি কোনো মহৌষধ সাথে নিয়ে ঘুরি! যেন সেই ছেলেটা আমার কাছে আসলে আমি ওর গায়ে ফু দিয়ে দেব এভাবে। .. আর সাথে সাথেই সে দারুন লক্ষী ছেলে হয়ে যাবে! "একটু যদি কথা বলতেন। ..." না, বরং আপনি আপনার ছেলের সাথে কথা বলছেন না কেন? কোথায় ছিলেন আপনি যখন তার সাথে কথা বলার প্রকৃত সময় ছিল?

আজকে আমি আপনাদের সাথে বাবা-মাদের নিয়ে একটু কথা বলব, তারপর বলব স্বামী-স্ত্রীদের নিয়ে। আজকে এই দু'টো জিনিস নিয়ে বলারই সময় আছে। দু'টো খুবই মৌলিক সম্পর্ক: একটা আপনার সন্তানদের সাথে, আরেকটা আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে। এই দু'টো সম্পর্কের ব্যপারেই আমরা খুব বেসিক কিছু ব্যপার নিয়ে আলোচনা করব।

আপনার সন্তান যখন ছোট, খুবই ছোট, ধরুন যখন তাদের বয়স পাঁচ, ছয়, সাত, দুই, তিন, চার, তখন তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন জিনিসটা বলুন তো? আমার নিজের পাঁচটা বাচ্চা আছে, তাই আমি খুব ভালো বলতে পারব এ ব্যপারে। তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার সমর্থন। তারা আপনাকে গর্বিত করতে চায়। তারা যা যা করেছে সব আপনাকে দেখাতে চায়। ধরুন, আমি জরুরী কোনো কাজের আলাপ করছি ফোনে, জরুরী একটা ফোন, আর এ সময় আমার দুই বছরের ছেলে এসে বলবে, "আব্বা আব্বা আব্বা আব্বা আব্বা।" ..."ভাই, একটু লাইনে থাকেন" ... "কি হয়েছে?" ... "হে হে হে" ব্যস! আমি আবার ফোনালাপে ফিরে গেলাম, সে আবার আমাকে ডাকা শুরু করল। আমি বললাম, "আচ্ছা ঠিক আছে, কি হয়েছে বলো" ... "আমি তোমাকে একটা জিনিস দেখাবো" ... "কি দেখাতে চাও বাবা?" ... ব্যস এটাই! কিন্তু আমার এ ক্ষেত্রে কি করা উচিত বলুন তো? "আল্লাহ! দারুন তো! আবার করো দেখি" ... "আমি আপনাকে পরে ফোন দিচ্ছি" ... আপনার সন্তানরা যা করে আপনার উচিত তার কদর করা। এটা তাদের পরম আরাধ্য। অন্য যে কোনো কিছুর চেয়ে বেশি তারা এটাই চায় আপনার কাছে।

আমার তিনটি মেয়ে আছে। আর ছেলে আর মেয়েদের মধ্যে পার্থক্য কি জানেন তো? ছেলেরা এক জায়গায় বসে থাকতে পারেনা, আর মেয়েরা কথা বলা থামাতে পারে না। তো আমি আমার মেয়েদের স্কুল থেকে যখন নিয়ে আসি - একজন ক্লাস ওয়ানে আরেক জন ক্লাস থ্রিতে পড়ে - আমি ওদের স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে আসি ২৫ মিনিট গাড়ি চালিয়ে। আর এই পুরোটা সময় তারা কি করে জানেন? "জানো আজকে ক্লাসে কি হয়েছে? আমরা একটা ডাইনোসর রং করেছি, এটা করেছি, ওটা করেছি, প্রথমে আমি বেগুনী রং করলাম, তারপর ভাবলাম একটু সবুজ রং-ও দেই" - এভাবে বলতে থাকলো তো বলতেই থাকলো। থামার কোনো নামই নেই। থামা সম্ভবই না ওদের পক্ষে। আর আমাকেও মনযোগ দিয়ে সেটা শুনতে হবে। শুনতে হবে আমাকে। আমি বললাম, "ও তাই? নীল রং দাও নি?" .."না অল্প একটু নীল দিয়েছি"। আমাকে মনোযোগ দিতে হবে। আর আমি এগুলো কেন বলছি জানেন? আচ্ছা দাঁড়ান, আগে অন্য একটা গল্প বলে নেই। তাতে আপনাদের ঘুমটাও একটু কাটবে।

এই গল্পটা আমি প্রায়ই বলি। আমার বড় মেয়েটা, হুসনা, যখন ছোট ছিল তখন আঙ্গুল দিয়ে ছবি আঁকতে খুব পছন্দ করত। সে তার আঙ্গুলগুলো রঙের মধ্যে চুবিয়ে তারপর সেগুলো দিয়ে হাবিজাবি আঁকত। তো একদিন এক বিশাল কার্ডবোর্ড নিয়ে সে আমার কাছে হাজির! সেখানে নীল রং দিয়ে বিশাল কি যেন আঁকা, আগামাথা কিছুই বুঝলাম না। সে বলল, "আব্বা, দেখো আমি কি এঁকেছি?" আর আমি বললাম, "বাহ, দারুন! একটা পাহাড়!" আর সে বলল, "না, এটা তো আম্মু!" আমি বললাম, "খাইছে!" "আম্মুকে এই কথা বোলো না কিন্তু"

তবে যে কথাটা আমি বলতে চাচ্ছি তা হলো ওরা আপনার সমর্থন পাওয়ার জন্য ব্যাকুল। ব্যাকুল তারা এর জন্য। কিন্তু আপনাদের মধ্যে যাদের সন্তানরা টিনেজার, তাদের যখন স্কুল থেকে আনতে যান, এমন কি হয় যে তারা গাড়িতে উঠে কথা বলা থামাতে পারছে না? হয় এমন? "জানো আজকে স্কুলে কি হয়েছে? টিচার এটা বলেছে, ওটা করেছে, পরীক্ষায় 'এ' পেয়েছি"। না! তারা একদম চুপ! বরং আপনিই বলার চেষ্টা করবেন, "কেমন গেল দিন?" .."মোটামুটি".."কি করলে সারাদিন?" .. "কিছু একটা".. "আজকে কোথায় যাবে?" .. "যাব কোথাও"। কথা বলেই না তারা! তাদের কথা বলানো অনেকটা পুলিশের আসামীকে জেরা করার মত ব্যপার। আপনাকে তারা কিছুই বলে না। আর যখন আপনি তাকে প্রশ্ন করছেন, তখন হয়ত সে তার বন্ধুকে এস,এম,এস পাঠাচ্ছে, "আব্বা আজকে বেশি প্রশ্ন করছে! ঘটনা কি? তুমি ওনাকে কিছু বলেছ নাকি?" ... যা আমি বলতে চাচ্ছি, তা খুবই সহজ। ছোট বয়সে আপনার বাচ্চারা আপনার মনোযোগ পাওয়ার জন্য পাগল থাকে। আর যখন তারা বড় হবে, আপনি তাদের মনোযোগ পাওয়ার জন্য পাগল হবেন।

কিন্তু তারা যখন ছোট থাকে তখন যদি আপনি তাদের মনোযোগ না দেন - তারা খেলনা নিয়ে আপনার কাছে আসলে যদি বলেন, "ঘরে যাও! আমি সংবাদ দেখছি", "খেলা চলছে। এই, তুমি ওকে একটু সরাও তো!", "সারাদিন অনেক কাজ করেছি, এখন ওকে সামলাতে পারব না", "বাসায় আমার বন্ধুরা এসেছে, কি বলবে ওরা? যাও ঘুমাতে যাও। যাও এখান থেকে" - আপনি যখন ওদের সাথে এমন আচরণ করবেন, যেন তারা আপনার জন্য প্রতিবন্ধকতা, আপনার কাজ হচ্ছে চাকরি করা, আর বাসায় এসেছেন শুধু বিশ্রাম নিতে। না রে ভাই! আপনার কাজ শুরু হয়েছে তখনই যখন আপনি ঘরে ফিরেছেন। সেটাই আপনার আসল কাজ। চাকরিতে যে কাজ করেছেন সেটা শুধুমাত্র এজন্য যেন ঘরের আসল কাজটা ঠিকমত করতে পারেন।

একজন প্রকৃত বাবা হন। উপস্থিত পুরুষদেরকে বলছি। একজন প্রকৃত বাবা হন। আপনার সন্তানদের সাথে সময় কাটান। তারা শুধু এ জন্য নেই যে আপনি তাদের স্কুলে ছেড়ে আসবেন, আর বাসায় ফিরে শুধু ঘুমাতে যাবেন, কোনো ঝামেলায় যাবেন না, তাদের সাথে কথা বলবেন না। এবং তাদের সাথে কথা না বলার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তাদের একটা আইপড টাচ অথবা আইফোন ধরিয়ে দিন, তাদের নিজস্ব রুমে একটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে দিন হাই-স্পিড ইন্টারনেট সহ। তাহলে আপনাকে তাদের চেহারাও দেখা লাগবে না। তারা সারাদিন তাদের ঘরে থেকেই ফেসবুকিং করতে থাকবে, অনলাইনেই নিজেদের জন্য নতুন বাবা-মা খুঁজে নিবে না হয়।

সিরিয়াস্লি বলছি। প্রকৃত বাবা হন। প্রকৃত মা হন। আপনার মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের বদলি হিসেবে এইসব জিনিসকে আসতে দিয়েন না। কারণ যদি তা দেন, তাহলে ওরা যখন স্বাবলম্বী হয়ে যাবে তখন বেশির ভাগ বাবা-মার কি হয় জানেন? আপনাদের বেশিরভাগের ছেলেমেয়েরা আপনাদেরকে দেখে কতগুলো টাকার মেশিন হিসেবে। শুধুমাত্র কখন তারা আপনাদের কাছে আসে? - "বাবা, আমাকে ৫ ডলার দাও তো" জানি আজকাল কেউ আর ৫ ডলার চায় না, কমপক্ষে ২০ ডলার। কিচ্ছু বাচ্চাদের চিনি যারা এত কম টাকা দেখেইনি, ৫ ডলারের নোট্ চিনেই না তারা। "আমাকে ২০ ডলার দাও তো", "শপিং মলে যেতে চাই, আমাকে একটু পৌঁছিয়ে দাও তো", "বন্ধুদের বাসায় যাই?" "এটা করতে পারি?" "ওটা কিনতে পারি?" যখন তাদের কোনো কিছুর দরকার তখন তারা আপনার কাছে আসে। এর বাইরে আপনি তাদের খুঁজে পাবেন না। আর যখন তারা বড় হবে, নিজেরাই একটু আধটু কামাই করতে পারবে, তখন কি হবে? তাদের দেখাই পাবেন না আর। কারণ আপনার টাকার মেশিনও এখন আর দরকার নেই। এর প্রয়োজন শেষ। আপনি যদি এই ধরনের সম্পর্ক তৈরী করেন, তাহলে নিশ্চিত বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছেন। আপনাকে এখনই পরিবর্তন আনতে হবে।

আর পরিবর্তনের উপায় হলোঃ জানি এটা অনেকের জন্যই করাটা কঠিন হবে, কিন্তু আমাদেরকে আমাদের সন্তানদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে। আমাদেরকে তাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হতে হবে। আমাদের সাথে সময় কাটানোটা তাদের কাছে উপভোগ্য হতে হবে।

--- :: --- :: ---

অনুবাদ করেছেনঃ আহমেদুল কবির


দীপ্তি: একজনকে সুপারিশ করেছে "দারুন লাগলো আপুটা কে (জোস)"

shahnaz chaudhury

@shahnaz1980

I'm Happy as can be!!
১৫৩ জন ফলো করছে

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

সময়ের সাথে সাথে আমরা আধুনিক হচ্ছি ৷ খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার ৷ কিন্তু অতি আধুনিকতা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে সেটা ভাবার বিষয় ৷ আমার মা বলতেন জীবনে সব কিছু তে একটা লিমিটেশন মেইন্টেন করা ভালো ৷ কোন কিছুতে অতিরিক্ত মাত্রা যোগ হলে সর্বনাশ নেমে আসে ৷

নিচের এই ছবিটি ওয়েডিং ফটোগ্রাফীর একটা পেজ তাদের কাজটাকে প্রমোট করছে এই ছবিটিও দিয়ে ৷ এরকম একটা ছবি দেখতে হবে ভেবে কখনই প্রস্তুত ছিলাম না ৷ আমাদের আধুনিকতার আগে অতি শব্দটা যোগ হয়েই গেল মনে হচ্ছে ৷ কে জানে কয়দিন পর হয়ত নিজের পরিবারের কারোর এমন ছবি দেখবো!!!

অতি আধুনিক হতে গিয়ে আমরা সবকিছুতে নান্দনিকতা হারাচ্ছি ৷ আগে বিয়েতে ছেলে মেয়ে আলাদা স্টেজে বসতো ৷ এখন হলুদের অনুষ্ঠান পর্য়ন্ত এক সাথে পাশাপাশি বসে পালন করে ৷ বর কনে একে অন্যের দিকে হেসে হেসে তাকিয়ে (কোন কোন ক্ষেত্রে হাসতে হাসতে বরের গায়ে কনেকে আছড়ে পড়তেও দেখা যায়) কথা বলতে বলতে শ্বশুড় বাড়ী চলে যায় ৷ আপাতদৃষ্টিতে তাদেরকে বরকনে কম রাজনৈতিক সহযোগী বেশি মনে হয় ৷ স্টেজও আছে, ক্যামেরাও আছে, হাসি আছে, কথাও আছে ৷

ইংরেজী তে একটা ফ্রেইস আছে "butterfly in the stomach" এটাকে ব্যবহার করা হয় ভালোবাসার মানুষ কে কিংবা নতুন জীবনসঙ্গীকে দেখলে একজন ছেলে বা মেয়ের মনের মধ্যে যে শিহরন হয় তা বোঝাতে ৷ একটা প্রজাপতি কে পাকস্হলীর ভেতর ছেড়ে দিলে যেরকম অনুভূত হবে ঠিক সেরকম অনুভূত হয়েছিল আমার নিজেরও ৷ বিয়েরদিন বরের চোখে চোখ রাখতে পারিনি পর্যন্ত ৷ শ্বশুড়বাড়ীর উদ্দেশ্য বিদায় নেবার পর গাড়ীতে বর প্রথম আমার ডান হাতটা আলতো করে ছুঁয়ে দিল ৷ butterfly in the stomach কি তখন টের পেলাম ৷

সময় কখনও বদলায় না ৷ সময় তার নিজস্ব গতিতে চলে ৷ বদলাই আমরা ৷ আধুনিকতার সংজ্ঞাও বদলে ফেলি এই আমরাই ৷ নিচের এই ছবি দেখে একটাই আফসোস হয় ৷ এরকম বিয়ের বরকনে আর কখনও রবীন্দ্রনাথের "হৈমন্তী" গল্পের অপুর মত মনে মনে বলবেনা "আমি পাইলাম… আমি ইহাকে পাইলাম ৷ এযে দুর্লভ, এযে মানবী, ইহার রহস্যের কি অন্ত আছে ৷ "

Happy wedding....

(লেখাটা নুসরাত জাহান তিথি আপুর )

দীপ্তি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

জয়েন্ট ফ্যামিলি তে সব শাশুড়ি কি খারাপ ? কিংবা সব দোষ কি বউ এর ?কার দায়িত্ব বেশি ? বউ না শাশুড়ির ?কিভাবে সম্পর্ক ভালো রাখা যায় ?আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি তোমাদের কি মত ?(এই লিখাটা আমি অনেক আগে এক জায়গায় লিখেছিলাম )

আমি নিজের ১১ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে যেটা বুঝলাম তা হলো এইসব ক্ষেত্রে ছেলেই মাকে বুঝাতে পারে বিয়ে হলেও এখনো সে আগের মতই মাকে গুরুত্ব দেয়.মাকে ভালবাসে .বিয়ের পরে তার জীবনে কিছু পরিবর্তন আসবে কিন্তু কোনো ভাবেই সে মাকে অবহেলা করছে না . আর কথাও যেতে হলে, নতুন কিছু কিনতে হলে , কোনো প্রোগ্র্যাম করতে হলে আগে থেকেই মাকে কিছু হিন্টস দিয়ে রাখা ভালো.তাতে ভুল বুঝাবুঝি হবে না.আর মায়ের অভিজ্ঞতা যেহেতু বেসি সেহেতু ছেলে আর বউ দুজনেই মায়ের কাছ থেকেও কিছু কিছু পরামর্শ নিতে পারে .আবার উনার যদি কোনো গোড়ামি থাকে সেটাও ছেলে তাকে সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতে পারে. ছেলে আর বউ দুজনে মিলে মায়ের পছন্দের খাবার রান্না করতে পারে ,৩ জনে মিলে সপিন্গে যেতে পারে . এখানেই শাশুড়ি / বউ না , ছেলেকেই ভাইটাল রোল প্লে করতে হবে ! আমার হাজ বেন্ড আমাকে প্রথমেই বলে দিয়েছে যেহেতু আমরা জয়েন্ট ফ্যামিলি এবং মেম্বার বেশি তাই প্রবলেম হতেই পারে কিন্তু আমি যেন কাউকে অসন্ম্মান না করি ,সামনাসামনি সম্পর্ক খারাপ না করি টেকনিক্যালি হ্যান্ডেল করি ! আবার একই ভাবে অন্যদের ও বলে দিয়েছে আমাকে যা শিখাবে আমি তাই শিখব ,ভালো ব্যবহার করলে আমিও তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করব ! সংসার জীবনে আমি নতুন কিন্তু উনারা অভিজ্ঞ তাই যেন আমার সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরী করে কারণ আমরা একসাথে থাকতে চাই !মোট কথা মাকে বুঝাতে হবে তিনি এখনো তার ছেলের কাছে আগের মতই গুরুত্বপূর্ণ এবং তার বউ ও এখন তার জীবনের একটা অংশ !!১১ বছর ধরে এভাবেই জয়েন্ট ফ্যামিলিতে আছি .এবং আলহামদুলিল্লাহ ভালই আছি .

ঈশান রাব্বি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

কিছু ফেসবুকীয় শিষ্টাচার
কথাগুলো ভাল লাগলো বলে copy paste করলাম ....
১। কাকে ফ্রেন্ড লিস্টে রাখবেন?
ফ্রেন্ডলিস্টে কাছের মুরুব্বী বাস্তবে যাদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখেন তাদেরকে ফ্রেন্ডলিস্টে না রাখাই ভালো। খোচা মারা বন্ধুদেরও না রাখা উচিত। কারণ ফেসবুক হলো ভাবের জায়গা। এখানে আপনি মাঝে মধ্যে একটু নিতেই পারেন। কিন্তু ওই খোচা মারা বন্ধুর এক কমেন্টে আপনার ভাব ফুসসস করে ছুটে যেতে পারে। আপনি যত বড় অফিসারই হোন, জলিল থেকে জলিল সাহেব হোন বন্ধুদের কাছে আপনি জইল্যা জইল্যাই থাকবেন।
২। কি আপলোড করবেন?
অবশ্যই মার্জিত রূচির যে কোন কিছুই আপলোড করতে পারেন। তবে শুধু আমি আমি আর আমি এই শব্দটা যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ভালো। চিন্তুা করুন কলেজে গাছতলায় সব বন্ধুরা একত্রে আড্ডা দিচ্ছেন। সেখানে আপনি শুধু নিজেকে নিয়ে আলাপ করছেন তখন সবার মনোভাব কেমন হবে? তাই মজার, সামাজিক সচেতনতা মূলক, অকেশনালী নিজের ছবিও আপ করতে পারেন।
৩। কাকে ট্যাগ করবেন?
আগে ট্যাগের মানেটা জানুন। দোকানে প্রতিটি জামার গায়ে একটা কাগজ লাগানো থাকে। যেখানে এর দাম বা প্রয়োজনীয় জিনিস লেখা থাকে। এটাকে ট্যাগ বলে। মোট কথা ট্যাগ মানে তার পরিচয়। এখন আপনি নিজের একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপ করে ১৩ জনকে ট্যাগ করলেন। কেমন হলো ব্যাপারটা? বন্ধুদের নিয়ে গ্রুপ ছবি আপলোড দিলেন। সেখানে সবাইকে ট্যাগ করতে পারেন। অযথা ট্যাগ করলে মানুষ বিরক্ত হয়। আমারতো ইচ্ছে করে দোতলা বাসের নিচে একটা ডলা দেই। তবে প্রয়োজনীয় কিছু হলে আপনি ইনবক্সে লিংক দিতে পারেন কিংবা বড়জোর কমেন্টে ম্যানশন করতে পারেন।
৪। অনেকে দুদিন পর পর স্ট্যাটাস দেন, ফ্রেন্ড লিস্টে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছি। আসলে এর মাধ্যমে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা। উচ্ছেদ অভিযানের আড়ালে বলতে চায় "লাইক কমেন্ট না করলে আনফ্রেন্ড করে দেব"। একটু ভাবুন, মানুষ আপনাকে কেন লাইক কমেন্ট করবে? কোয়ালিটি কন্টেট দিলে মানুষ এমনিতেই লাইক কমেন্ট করবে। এসব ভয় দেখালে নিজের ওয়েট কমে। উচ্ছেদ অভিযান চালালে সেটা স্ট্যাটাস দিয়ে জানাতে হবে কেন? ভেতরে ভেতরে করে ফেলুন না। লাইক কমেন্ট কারো বাপের সম্পত্তি না যে দিতেই হবে। যার ইচ্ছে দেবে যার ইচ্ছে দেবে না।
৫। অনেকেই দামী রেস্টুরেন্টে বসে খাবারের ছবি দেন। অনেকে এটা ভয়াবহ রকমের অভদ্রতা হিসেবে গণ্য করে। তবে আপনি নিজ বাসায় ভালো কিছু রান্না করলেন সেটা অন্য ব্যাপার। কিভাবে রান্না করলেন টোটাল রেসিপি সহ পোস্ট করলে মানুষ বিরক্ত হওয়ার বদলে খুশি হবে।
৬। দাম্ভিকতা বাস্তব জীবনে যেমন বর্জনীয় তেমনি ফেসবুকেও। নিজের তিপান্না জোড়া শার্ট, তেত্রিশ হালি জুতার ছবি আপলোড দিলেন মানে নিজেকে ছোটলোক হিসেবে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন।
কেউ আবার কৌশলের আশ্রয় নেয়। যেমন একটা বইয়ের ছবি দিয়ে লিখলো... "বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। এই বইটা আজ কিনলাম।" অথচ বইয়ের উপর আইফোন সিক্স এমন ভাবে রাখা যে বইয়ের নামটাই ঠিক মতো দেখা যায় না।।
অনেকে আবার ইনডাইরেক্টলি নিজের ঘরে কি কি আছে তা জানিয়ে দেয়। যেমন স্ট্যাটাস দিলো... গত রাতে কি হয়েছে জানেন, আমার বাসায় একটা তেলাপোকা ঢুকেছিলো। আমিতো ভয়ে অস্থির। প্রথমে সেটা আমার দামি বিছানায় এসে বসলো। আমি ভয়ে দৌড়ে গতসপ্তায় ৫২ হাজার টাকা দিয়ে বানানো সেগুন কাঠের সোফাটায় গিয়ে বসলাম। তারপর তেলাপোকাটা আমার ৭২ ইঞ্চি প্লাজমা টিভিতে গিয়ে উঠলো। যেই আমি লাঠি নিয়ে ওটাকে তাড়াতে গেলাম লাঠির বারি গিয়ে পড়লো আমাদের গিজারটার উপরে। ভাগ্যিস এসিটার উপরে পরেনি। তাহলে আপনাদের ভাই আমাকে মেরেই ফেলতো। গত মাসে মাত্র জার্মানী থেকে ও নিজে সেটা কিনে এনেছে।
পাবলিককে কি গাধা মনে করেন? আমার লিস্টে এমন কয়েকটা আছে। ওদের বাসায় নিয়ে আমাকে ছেড়ে দিলে কোন রুমে কি আছে বলে দিতে পারবো। নিজের দামী জিনিস দেখিয়ে নিজেকে দামী বানানোর চেষ্টা একটা অসুস্থতা। এদের চিকিৎসা দরকার।
৭। নিজের ছবি আপলোড
নিজের ভালো ভালো ছবি আপলোড দিতে পারেন। তবে সপ্তায় একটার বেশি না। আমার লিস্টে অনেক আছে ডেইলী বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে ৪-৫ টা ছবি আপলোড দেয়। এদের চেহারা দেখতে দেখতে আমার ঘেন্না ধরে গেছে। আমি আনফলো করে রেখেছি। তবে ভালো একটা শাড়ি পরলেন, কোথাও বেড়াতে গেলেন, কিংবা পরিবারের সাথে সুন্দর একটা মুহুর্তের ছবি আপনি দিতেই পারেন। সাথে সুন্দর একটা ক্যাপশন দিলে ভালো লাগে। কিন্তু এতো এতো ছবি দিলে মানুষ বিরক্ত হয়।
৮। অনেক সেলিব্রেটিরা কমেন্টের রিপ্লাই দেয় না। এটা মোটেও ঠিক নয়। হাতে সময় থাকলে রিপ্লাই দেয়া উচিত। অন্তত একটা লাইক হলেও দেয়া উচিত। এতে পাঠক আবার কমেন্ট করতে উৎসাহিত হয়। তবে নিজের মতের সাথে যায় না এমন কমেন্টে লাইক দেয়া উচিত নয়। অনেকে আবার নিজের পোস্টে নিজে লাইক দেয়, সেটা একেবারেই অনুচিত। আপনার পোস্টকে আপনি পছন্দ করেন বলেইতো পোস্ট করেছেন। আপনি লাইক দিলে মানুষ ভাববে একটা লাইক বাড়াতে আপনি এটা করেছেন। আপনি লাইক ব্যাবসায়ী। কেউ আবার বেশি কমেন্ট দেখানোর জন্য কমেন্টে চ্যাট করা শুরু করে। চ্যাটের জন্যতো ইনবক্স আছে। কমেন্টে চ্যাট করলে মানুষ কমেন্ট পড়ার ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলে।
৯। আপনি সব সময় খুব সুখে থাকেন, আপনার সংসার জীবন অনেক সুখের, আপনি সব সময় আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন। এগুলো বার বার প্রকাশ করাও ছোট মানসিকতার পরিচায়ক। আবার আজকে মন খারাপ, খুব কষ্টে আছি এগুলোও প্রকাশ করা উচিত নয়।
১০। ইনবক্সে কাউকে অযথা জ্বালাতন করা উচিত নয়। তবে প্রয়োজনীয় কিছু হলে সংক্ষেপে বর্ণনা করে নক করা যেতে পারে। আর নিজেও সময় নিয়ে ইনবক্সের রিপ্লাই দেয়া উচিত।
১১। ভুলেও কখনো অপরিচিত কিংবা অশালীন কোন লিংকে ক্লিক করবেন না। এগুলো ভাইরাস। একবার ক্লিক করেছেন তো মরেছেন। বারবার এগুলো অটো আপনার ওয়ালে শেয়ার হতে থাকবে এবং আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের সবাইকে ট্যাগ করতে থাকবে। কি বিব্রতকর অবস্থা একবার চিন্তা করুন।
১২। আপনি প্রফেশনাল রাজনীতিবিদ না হলে রাজনীতি নিয়ে না লিখাই ভালো।
১৩। মাছের গায়ে আল্লাহু লেখা, কিংবা সানী লিয়ন মুসলমান হয়ে গেছে এমন লেখা দেখলেই আপনি হুট করে শেয়ার করে বসেন। এভাবে সত্যতা যাচাই ছাড়া মোটেও কোন কিছু শেয়ার করা উচিত নয়। এতে অন্যরা ভুল ইনফরমেশন পাবে।
মানুষকে বিরক্ত করে হাজার হাজার লাইক পাওয়ার মাঝে কোন কৃতিত্ব নেই। মন থেকে দেয়া একটা লাইকই যথেষ্ট।
হ্যাপি ফেসবুকিং...

মো:আ:মোতালিব বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"লেখাটা খুব মূল্যবান+সময়উপযোগী,বাস্তবধর্মী ১০০%সত্য কথা,লেখাটা সকলকে পরার অনুরোধ রইলো.................."

কিছু ফেসবুকীয় শিষ্টাচার
কথাগুলো ভাল লাগলো বলে copy paste করলাম ....
১। কাকে ফ্রেন্ড লিস্টে রাখবেন?
ফ্রেন্ডলিস্টে কাছের মুরুব্বী বাস্তবে যাদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখেন তাদেরকে ফ্রেন্ডলিস্টে না রাখাই ভালো। খোচা মারা বন্ধুদেরও না রাখা উচিত। কারণ ফেসবুক হলো ভাবের জায়গা। এখানে আপনি মাঝে মধ্যে একটু নিতেই পারেন। কিন্তু ওই খোচা মারা বন্ধুর এক কমেন্টে আপনার ভাব ফুসসস করে ছুটে যেতে পারে। আপনি যত বড় অফিসারই হোন, জলিল থেকে জলিল সাহেব হোন বন্ধুদের কাছে আপনি জইল্যা জইল্যাই থাকবেন।
২। কি আপলোড করবেন?
অবশ্যই মার্জিত রূচির যে কোন কিছুই আপলোড করতে পারেন। তবে শুধু আমি আমি আর আমি এই শব্দটা যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ভালো। চিন্তুা করুন কলেজে গাছতলায় সব বন্ধুরা একত্রে আড্ডা দিচ্ছেন। সেখানে আপনি শুধু নিজেকে নিয়ে আলাপ করছেন তখন সবার মনোভাব কেমন হবে? তাই মজার, সামাজিক সচেতনতা মূলক, অকেশনালী নিজের ছবিও আপ করতে পারেন।
৩। কাকে ট্যাগ করবেন?
আগে ট্যাগের মানেটা জানুন। দোকানে প্রতিটি জামার গায়ে একটা কাগজ লাগানো থাকে। যেখানে এর দাম বা প্রয়োজনীয় জিনিস লেখা থাকে। এটাকে ট্যাগ বলে। মোট কথা ট্যাগ মানে তার পরিচয়। এখন আপনি নিজের একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপ করে ১৩ জনকে ট্যাগ করলেন। কেমন হলো ব্যাপারটা? বন্ধুদের নিয়ে গ্রুপ ছবি আপলোড দিলেন। সেখানে সবাইকে ট্যাগ করতে পারেন। অযথা ট্যাগ করলে মানুষ বিরক্ত হয়। আমারতো ইচ্ছে করে দোতলা বাসের নিচে একটা ডলা দেই। তবে প্রয়োজনীয় কিছু হলে আপনি ইনবক্সে লিংক দিতে পারেন কিংবা বড়জোর কমেন্টে ম্যানশন করতে পারেন।
৪। অনেকে দুদিন পর পর স্ট্যাটাস দেন, ফ্রেন্ড লিস্টে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছি। আসলে এর মাধ্যমে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা। উচ্ছেদ অভিযানের আড়ালে বলতে চায় "লাইক কমেন্ট না করলে আনফ্রেন্ড করে দেব"। একটু ভাবুন, মানুষ আপনাকে কেন লাইক কমেন্ট করবে? কোয়ালিটি কন্টেট দিলে মানুষ এমনিতেই লাইক কমেন্ট করবে। এসব ভয় দেখালে নিজের ওয়েট কমে। উচ্ছেদ অভিযান চালালে সেটা স্ট্যাটাস দিয়ে জানাতে হবে কেন? ভেতরে ভেতরে করে ফেলুন না। লাইক কমেন্ট কারো বাপের সম্পত্তি না যে দিতেই হবে। যার ইচ্ছে দেবে যার ইচ্ছে দেবে না।
৫। অনেকেই দামী রেস্টুরেন্টে বসে খাবারের ছবি দেন। অনেকে এটা ভয়াবহ রকমের অভদ্রতা হিসেবে গণ্য করে। তবে আপনি নিজ বাসায় ভালো কিছু রান্না করলেন সেটা অন্য ব্যাপার। কিভাবে রান্না করলেন টোটাল রেসিপি সহ পোস্ট করলে মানুষ বিরক্ত হওয়ার বদলে খুশি হবে।
৬। দাম্ভিকতা বাস্তব জীবনে যেমন বর্জনীয় তেমনি ফেসবুকেও। নিজের তিপান্না জোড়া শার্ট, তেত্রিশ হালি জুতার ছবি আপলোড দিলেন মানে নিজেকে ছোটলোক হিসেবে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন।
কেউ আবার কৌশলের আশ্রয় নেয়। যেমন একটা বইয়ের ছবি দিয়ে লিখলো... "বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। এই বইটা আজ কিনলাম।" অথচ বইয়ের উপর আইফোন সিক্স এমন ভাবে রাখা যে বইয়ের নামটাই ঠিক মতো দেখা যায় না।।
অনেকে আবার ইনডাইরেক্টলি নিজের ঘরে কি কি আছে তা জানিয়ে দেয়। যেমন স্ট্যাটাস দিলো... গত রাতে কি হয়েছে জানেন, আমার বাসায় একটা তেলাপোকা ঢুকেছিলো। আমিতো ভয়ে অস্থির। প্রথমে সেটা আমার দামি বিছানায় এসে বসলো। আমি ভয়ে দৌড়ে গতসপ্তায় ৫২ হাজার টাকা দিয়ে বানানো সেগুন কাঠের সোফাটায় গিয়ে বসলাম। তারপর তেলাপোকাটা আমার ৭২ ইঞ্চি প্লাজমা টিভিতে গিয়ে উঠলো। যেই আমি লাঠি নিয়ে ওটাকে তাড়াতে গেলাম লাঠির বারি গিয়ে পড়লো আমাদের গিজারটার উপরে। ভাগ্যিস এসিটার উপরে পরেনি। তাহলে আপনাদের ভাই আমাকে মেরেই ফেলতো। গত মাসে মাত্র জার্মানী থেকে ও নিজে সেটা কিনে এনেছে।
পাবলিককে কি গাধা মনে করেন? আমার লিস্টে এমন কয়েকটা আছে। ওদের বাসায় নিয়ে আমাকে ছেড়ে দিলে কোন রুমে কি আছে বলে দিতে পারবো। নিজের দামী জিনিস দেখিয়ে নিজেকে দামী বানানোর চেষ্টা একটা অসুস্থতা। এদের চিকিৎসা দরকার।
৭। নিজের ছবি আপলোড
নিজের ভালো ভালো ছবি আপলোড দিতে পারেন। তবে সপ্তায় একটার বেশি না। আমার লিস্টে অনেক আছে ডেইলী বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে ৪-৫ টা ছবি আপলোড দেয়। এদের চেহারা দেখতে দেখতে আমার ঘেন্না ধরে গেছে। আমি আনফলো করে রেখেছি। তবে ভালো একটা শাড়ি পরলেন, কোথাও বেড়াতে গেলেন, কিংবা পরিবারের সাথে সুন্দর একটা মুহুর্তের ছবি আপনি দিতেই পারেন। সাথে সুন্দর একটা ক্যাপশন দিলে ভালো লাগে। কিন্তু এতো এতো ছবি দিলে মানুষ বিরক্ত হয়।
৮। অনেক সেলিব্রেটিরা কমেন্টের রিপ্লাই দেয় না। এটা মোটেও ঠিক নয়। হাতে সময় থাকলে রিপ্লাই দেয়া উচিত। অন্তত একটা লাইক হলেও দেয়া উচিত। এতে পাঠক আবার কমেন্ট করতে উৎসাহিত হয়। তবে নিজের মতের সাথে যায় না এমন কমেন্টে লাইক দেয়া উচিত নয়। অনেকে আবার নিজের পোস্টে নিজে লাইক দেয়, সেটা একেবারেই অনুচিত। আপনার পোস্টকে আপনি পছন্দ করেন বলেইতো পোস্ট করেছেন। আপনি লাইক দিলে মানুষ ভাববে একটা লাইক বাড়াতে আপনি এটা করেছেন। আপনি লাইক ব্যাবসায়ী। কেউ আবার বেশি কমেন্ট দেখানোর জন্য কমেন্টে চ্যাট করা শুরু করে। চ্যাটের জন্যতো ইনবক্স আছে। কমেন্টে চ্যাট করলে মানুষ কমেন্ট পড়ার ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলে।
৯। আপনি সব সময় খুব সুখে থাকেন, আপনার সংসার জীবন অনেক সুখের, আপনি সব সময় আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন। এগুলো বার বার প্রকাশ করাও ছোট মানসিকতার পরিচায়ক। আবার আজকে মন খারাপ, খুব কষ্টে আছি এগুলোও প্রকাশ করা উচিত নয়।
১০। ইনবক্সে কাউকে অযথা জ্বালাতন করা উচিত নয়। তবে প্রয়োজনীয় কিছু হলে সংক্ষেপে বর্ণনা করে নক করা যেতে পারে। আর নিজেও সময় নিয়ে ইনবক্সের রিপ্লাই দেয়া উচিত।
১১। ভুলেও কখনো অপরিচিত কিংবা অশালীন কোন লিংকে ক্লিক করবেন না। এগুলো ভাইরাস। একবার ক্লিক করেছেন তো মরেছেন। বারবার এগুলো অটো আপনার ওয়ালে শেয়ার হতে থাকবে এবং আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের সবাইকে ট্যাগ করতে থাকবে। কি বিব্রতকর অবস্থা একবার চিন্তা করুন।
১২। আপনি প্রফেশনাল রাজনীতিবিদ না হলে রাজনীতি নিয়ে না লিখাই ভালো।
১৩। মাছের গায়ে আল্লাহু লেখা, কিংবা সানী লিয়ন মুসলমান হয়ে গেছে এমন লেখা দেখলেই আপনি হুট করে শেয়ার করে বসেন। এভাবে সত্যতা যাচাই ছাড়া মোটেও কোন কিছু শেয়ার করা উচিত নয়। এতে অন্যরা ভুল ইনফরমেশন পাবে।
মানুষকে বিরক্ত করে হাজার হাজার লাইক পাওয়ার মাঝে কোন কৃতিত্ব নেই। মন থেকে দেয়া একটা লাইকই যথেষ্ট।
হ্যাপি ফেসবুকিং...

সাদাত সাদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

সৌদিতে খেপসা/খেবসা খুব জনপ্রিয়। খেবসা মূলত ইয়েমেনি খাবার, তবে গলফ দেশগুলুতে সবাই এটা পছন্দ করে। খেবসা হচ্ছে বাসমতি চাল ও বিশেষভাবে তৈরি মাংসের মিশ্রন। চিকেন, বিফ, মাটন এমনকি মাছ দিয়েও খেবসা তৈরি করা হয়। আমরা বিরয়ানী রান্না করতে যেমন চাল ও মুরগি আলাদা কষাই ,খেব্সা তে মুরগি সেদ্ধ করা পানিতে চাল রান্না করে .আর সেদ্ধ মুরগি গ্রিল করে উপরে সাজিয়ে দেয় .আর শুকনা লেবু দেয় এগুলোই মূলত স্পেশালিটি ! খুব সাধারণভাবে ঘরে কিভাবে খেবসা বানানো যায় তার রেসিপি দিলাম। উপকরণঃ
বাসমতি চাল ২ কেজি
মুরগি ৪ টি ২ টুকরা করে ৮ পিস
তেল ১/২ কাপ রান্নার জন্য
ঘি ৩ টেবিল চামচ আমন্ড ও কিসমিস ভাজার জন্য
দারচিনি গুড়া ১ চা চামচ
সবুজ ছোট এলাচি গুড়া ১ চা চামচ
লং গুড়া ১/২ চা চামচ
রোদে শুকিয়ে নেওয়া লেবু - ২ টি
সল্ট স্বাদ মত
পেয়াজ কুচি ১ কাপ
আদা রসুন পেস্ট ২ টেবিল চামচ এর একটু বেশি
টমেটো কুচি ১ কাপ
টমেটো পিউরি ১/২ কাপ
গাজর কুচি ১/২ কাপ এর একটু বেশি
আমন্ড কুচি ও পেস্তা বাদাম ১ কাপ (কম দিলেও হবে )
কমলার খোসা কুচি ১চা চামচ (optional )
গোলমরিচ গুড়া - ১+১ /২ চা চামচ
যেভাবে করবেন :
# যে হাড়িতে রান্না করবেন প্রথমে তাতে তেল গরম করে পেয়াজ দিয়ে ভাজুন .আদা রসুন পেস্ট দিয়ে আরেকটু ভাজুন .মুরগির পিসগুলো দিয়ে ভালো করে নাড়ুন আর ভাজুন ,পানি উঠেনা যেন !
#মুরগির পিসগুলো ব্রাউন হয়ে এলে সল্ট দিন .একে একে গরম মশলার গুড়া দিন .খুব ভালো করে মিক্স করুন আর নাড়ুন .
#এবার টমেটো কুচি ও টমেটো পেস্ট দিয়ে ভালো মত মুরগিটা #এবার চালের প্রায় দ্বিগুন পানি দিন .আমি ৪ লিটার এর একটু কম দিয়েছি .গাজর কুচি দিয়ে দিন .ঢেকে দিন ও চালগুলো ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন .
#এবার একটা প্যানে ঘি দিয়ে পেস্তা বাদাম ও কিসমিস লাল করে ভেজে তুলে রাখুন !
# পানি দেয়ার পরে মুরগির পিসগুলো ২৫ মিনিট ফুটবে .২৫/৩০ মিনিট পরে মুরগির পিসগুলো তুলে গ্রিল প্যানে তুলে নিন .চাল ছেড়ে দিন .শুকনা লেবু দিয়ে ঢেকে দিন !
#ওভেন আগেই প্রি হিট করে রাখবেন .মুরগির পিসগুলোতে ঘি ব্রাশ করে ২৫০ ডিগ্রিতে ৩০ মিনিট বেক করুন .
#এর মধ্যে রাইস হয়ে আসলে দমে বসান .
# সার্ভিং ডিশে প্রথমে রাইস নিন এর উপরে ভেজে রাখা বাদাম ও মুরগির পিস গুলো দিয়ে পরিবেশন করুন দারুন মজার খেবসা !! খেবসা মজাদার খাবার, তাই বুঝতেও পারবেননা কখন বেশী খেয়ে ফেলেছেন। খাবার কম পড়লে দায়ী করবেননা) রান্না করুন .তেল উপরে উঠে আসা পর্যন্ত রান্না করুন

সাদাত সাদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

সৌদিতে খেপসা/খেবসা খুব জনপ্রিয়। খেবসা মূলত ইয়েমেনি খাবার, তবে গলফ দেশগুলুতে সবাই এটা পছন্দ করে। খেবসা হচ্ছে বাসমতি চাল ও বিশেষভাবে তৈরি মাংসের মিশ্রন। চিকেন, বিফ, মাটন এমনকি মাছ দিয়েও খেবসা তৈরি করা হয়। আমরা বিরয়ানী রান্না করতে যেমন চাল ও মুরগি আলাদা কষাই ,খেব্সা তে মুরগি সেদ্ধ করা পানিতে চাল রান্না করে .আর সেদ্ধ মুরগি গ্রিল করে উপরে সাজিয়ে দেয় .আর শুকনা লেবু দেয় এগুলোই মূলত স্পেশালিটি ! খুব সাধারণভাবে ঘরে কিভাবে খেবসা বানানো যায় তার রেসিপি দিলাম। উপকরণঃ
বাসমতি চাল ২ কেজি
মুরগি ৪ টি ২ টুকরা করে ৮ পিস
তেল ১/২ কাপ রান্নার জন্য
ঘি ৩ টেবিল চামচ আমন্ড ও কিসমিস ভাজার জন্য
দারচিনি গুড়া ১ চা চামচ
সবুজ ছোট এলাচি গুড়া ১ চা চামচ
লং গুড়া ১/২ চা চামচ
রোদে শুকিয়ে নেওয়া লেবু - ২ টি
সল্ট স্বাদ মত
পেয়াজ কুচি ১ কাপ
আদা রসুন পেস্ট ২ টেবিল চামচ এর একটু বেশি
টমেটো কুচি ১ কাপ
টমেটো পিউরি ১/২ কাপ
গাজর কুচি ১/২ কাপ এর একটু বেশি
আমন্ড কুচি ও পেস্তা বাদাম ১ কাপ (কম দিলেও হবে )
কমলার খোসা কুচি ১চা চামচ (optional )
গোলমরিচ গুড়া - ১+১ /২ চা চামচ
যেভাবে করবেন :
# যে হাড়িতে রান্না করবেন প্রথমে তাতে তেল গরম করে পেয়াজ দিয়ে ভাজুন .আদা রসুন পেস্ট দিয়ে আরেকটু ভাজুন .মুরগির পিসগুলো দিয়ে ভালো করে নাড়ুন আর ভাজুন ,পানি উঠেনা যেন !
#মুরগির পিসগুলো ব্রাউন হয়ে এলে সল্ট দিন .একে একে গরম মশলার গুড়া দিন .খুব ভালো করে মিক্স করুন আর নাড়ুন .
#এবার টমেটো কুচি ও টমেটো পেস্ট দিয়ে ভালো মত মুরগিটা #এবার চালের প্রায় দ্বিগুন পানি দিন .আমি ৪ লিটার এর একটু কম দিয়েছি .গাজর কুচি দিয়ে দিন .ঢেকে দিন ও চালগুলো ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন .
#এবার একটা প্যানে ঘি দিয়ে পেস্তা বাদাম ও কিসমিস লাল করে ভেজে তুলে রাখুন !
# পানি দেয়ার পরে মুরগির পিসগুলো ২৫ মিনিট ফুটবে .২৫/৩০ মিনিট পরে মুরগির পিসগুলো তুলে গ্রিল প্যানে তুলে নিন .চাল ছেড়ে দিন .শুকনা লেবু দিয়ে ঢেকে দিন !
#ওভেন আগেই প্রি হিট করে রাখবেন .মুরগির পিসগুলোতে ঘি ব্রাশ করে ২৫০ ডিগ্রিতে ৩০ মিনিট বেক করুন .
#এর মধ্যে রাইস হয়ে আসলে দমে বসান .
# সার্ভিং ডিশে প্রথমে রাইস নিন এর উপরে ভেজে রাখা বাদাম ও মুরগির পিস গুলো দিয়ে পরিবেশন করুন দারুন মজার খেবসা !! খেবসা মজাদার খাবার, তাই বুঝতেও পারবেননা কখন বেশী খেয়ে ফেলেছেন। খাবার কম পড়লে দায়ী করবেননা) রান্না করুন .তেল উপরে উঠে আসা পর্যন্ত রান্না করুন
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার ফটোটি শেয়ার করেছে

ঈদ এর জন্য বানালাম লাল মোহন ! এরাবিয়ান খাবার কেব্সা !

ছবি

মো:আ:মোতালিব ফটোটি শেয়ার করেছে

ডিজিটাল লাভ ...................

নাহিন: একজনকে সুপারিশ করেছে

shahnaz chaudhury

@shahnaz1980

I'm Happy as can be!!
১৫৩ জন ফলো করছে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?


অথবা,

আজকের
গড়
এযাবত
১,২৬৮

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত