Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

মো আকছাদুর রহমান  যে এখনও নিজেকে চিনেনা...........

মহাগুরু

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি আমাদের দেশের একটা কমন রোগ। আসলে এটা কোন রোগ না। এটা সাধারণত কিছু বদভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। অন্য যেকোন রোগের চেয়েও এটা মাঝে মাঝে খারাপ আকার ধারণ করতে পারে। কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একদিনে হয়তো পুরোপুরি নিরাময় হবেনা। কিন্তু ক্রমাগত অভ্যাস করে গেলে আপনি একদিন পুরোপুরি অ্যাসিডিটি মুক্ত থাকবেন ইনশাল্লাহ। আসুন দেখে নেই নিয়মগুলো কি কি ১। আজ যে সময় খাবার খেলেন কালও ঠিক সেই সময়েই খাওয়ার অভ্যাস করুন। এভাবে প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে দিনের ৩ বেলার খাবার গ্রহণ করুন। ২। তৈলাক্ত খাবার যথাসম্ভব বর্জন করুন। যদি তা নাও পারেন সমস্যা নেই। তবে তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার আগে বা পরে পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। তৈলাক্ত খাবার খাবার অন্তত ৩০ মিনিট পরে এক গ্লাস পানি খান। ৩। মাংস, ডিম, বিরিয়ানী, মোঘলাই, চাইনিজ খাবার যাই খান না কেন; সেটা দুপুরের মেনুতে অন্তর্ভুক্ত করুন। রাতের খাবারটি যেন হয় হালকা টাইপের। শাক-সবজি,ছোট মাছ এসব দিয়ে রাতের মেনু সাজান। ৪। যদি সাইনাসের সমস্যা না থাকে তবে অবশ্যই ঠান্ডা পানি খান। খুব বেশী ঠান্ডা পানি যেন না হয়। তবে গরম পানি না খাওয়াটাই মঙ্গলজনক। ৫। ভাত খাওয়ার আগে এক বা দু গ্লাস পানি খেয়ে নিন। তারপরে ভাত খান। খাওয়ার পরপরই অনেক বেশী পানি খাওয়ার প্রবণতা আমাদের মাঝে বেশী করে দেখা যায়। এটা বর্জন করুন। ভাত খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পরে পানি খান। ৬। প্রতিদিন খাবারের মেনুতে অন্তত একটি হলেও যেন ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার থাকে তা নিশ্চিত করুন। সেটা ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করবে। অর্থাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে। এতে গ্যাস তৈরী হবেনা। যেমন- শাক-সবজি, কলা, ঢেড়শ ইত্যাদি। ৭। সরাসরি গ্লুকোজ অর্থাৎ চিনি যথাসম্ভব কম খান। তাও যদি খেতে হয় চেষ্টা করুন গুড় দিয়ে চিনির অভাবটা পুরণ করতে। ৮। বাজারে পাওয়া যায় দেশে তৈরী সমস্ত জুস যথাসম্ভব বর্জন করুন। ৯। দেশে তৈরী আইসক্রীম অনেকে রাতে খাওয়ার পরে খেতে পছন্দ করেন। এটা বাদ দেয়াটাই মঙ্গল। ১০। দিনে কিংবা রাতে- খাওয়ার পরপরই অনেকে শুয়ে পড়তে পছন্দ করেন। এটা বর্জন করুন। কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে হাঁটাচলা করতে পারেন অথবা বসে থাকতে পারেন সোজা হয়ে। অন্তত ৩০ মিনিট পর শুতে যান। নিয়মগুলো মানার চেষ্টা করুন। আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

মন্টি মনি  আড্ডা দিতে ভালোবাসি, ভালোবাসি প্রিয় মানুষটির হাত ধরে ঘুরতে | আর ভিষণ কষ্ট পাই কেও অবহেলা করলে....

মহাগুরু

অ্যাসিডিটি নামটির সাথে বর্তমান সময়ে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত, আর এই অ্যাসিডিটি সমস্যায় কষ্ট পায় নাই এমন মানুষ আমাদের চোখে কমে পরে। অনিয়মিত খাবার খাওয়াটাই এর প্রধান কারণ। তবে আরো কিছু বিষয় শরীরের অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। পেটের গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ডগুলো অ্যাসিড নিঃসরণ করতে থাকলে অ্যাসিডিটির সৃষ্টি হয়। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অ্যাসিড নিঃসরিত হলে আমরা সাধারণভাবে বুকজ্বালা অনুভব করি। বিশেষ করে মসলাযুক্ত খাবার বেশি গ্রহণ করলে এটা দেখা যায়। তবে এ অবস্থা থেকে রেহাই পাওয়া যায় সহজেই।অ্যাসিডিটি দূর করার উপায় সমূহ:- অ্যাসিডিটি দূর করতে লবঙ্গ খুব উপকারী একটি উপাদান। এটা খাওয়ার পর একটি করে লবঙ্গ চুষে খেলে অ্যাসিডিটি থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যাবে। অ্যাসিডিটি রোগীরা চা-কফি খাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চা-কফি খাওয়া ছেড়ে দিন। অতিরিক্ত মসলা যুক্ত খাবার, তেল, মাংস, গরম খাবার, ঝাল খাবার, ভাজা পোড়া খাবার, মদ, কলাইয়ের ডাল ইত্যাদি অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত রোগিদের খাওয়া উচিত নয়। প্রতিদিন খাওয়ার পর ছোট এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে চুষলে মুখে টক ঢেঁকুর আসা বন্ধ হবে। খাওয়ার আগে অন্তত ১০ মিনিট আগে ১/২ গ্লাস পানি খেয়ে নিন। তারপরে খানা খান। অনেকই খাওয়ার পরপরই বেশী পানি পান করে থাকে। এটা অবশ্যই বর্জন করুন। ভাত খাওয়ার অন্তত আধা ঘন্টা পরে পানি খান। প্রতিদিন সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো আর অর্ধেক লেবুর রস এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে মিশিয়ে নিয়মিত খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে। অ্যাসিডিটি দূর করতে জায়ফলের সঙ্গে সৌঠচূর্ণ মিশিয়ে খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হবে । রান্নার একটি অতি প্রয়োজনীয় মসলা হলো আদা। আর অ্যাসিডিটি দূর করতে এই আদা গরম পানির মধ্যে ফুটিয়ে সেই পানি পান করুন। দুধ সাধারনত আমরা হালকা গরম গরম পান করে থাকি। কিন্তু অ্যাসিডিটি দূর করতে যখনই দুধ পান করবেন সব সময় ঠাণ্ডা দুধ পান করুন। কলা, তরমুজ, শসা, ডাবের পানি ইত্যাদি অ্যাসিডিটি হ্রাস করে। আমলকী, মৌরী এবং গোলাপফুল সমপরিমাণে মিশিয়ে গুড়ো করে নিন। এটা সকাল-বিকালে খাবার পর খাবেন। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে নিজেকে মুক্ত রাখুন ভালো থাকুন।

সাব্বির  সাধারণ মানুষের মাঝে অতি সাধারণ একজন

বিশারদ

আপু, যদি প্রচন্ড অ্যাসিডিটি অনুভব করেন প্রায়ই সময়, তাহলে দিনে ২ তা করে omeprazol ২০ mg খেতে পারেন. এতে আপনার অ্যাসিডিটি অনেক কমে যাবে....আর খাওয়া দাওয়া নিয়ম অনুযায়ী করতে হবে, পানি যথেষ্ট পরিমানে পান করবেন.....

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল  জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার

মহাগুরু

অনিয়মিত খাবার খাওয়াটাই এর প্রধান কারণ | তবে আরো কিছু বিষয় শরীরের অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয় | পেটের গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ডগুলো অ্যাসিড নিঃসরণ করতে থাকলে অ্যাসিডিটির সৃষ্টি হয় | অ্যাসিডিটি দূর করতে লবঙ্গ খুব উপকারী একটি উপাদান | খাওয়ার পর একটি করে লবঙ্গ চুষে খেলে অ্যাসিডিটি থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যাবে | এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো আর অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত খান | এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে | কলা অ্যাসিডিটির একটি দুর্দান্ত প্রতিষেধক | পটাশিয়াম একটি ক্ষরযুক্ত খনিজ পদার্থ যাতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় পিএইচ ভ্যালু | যে খাবারে পিএইচ ভ্যালু যত কম, সেই খাবারে অ্যাসিডিটির মাত্রাও তত কম | আদা অথবা পটোল গরম পানির মধ্যে ফুটিয়ে সেই পানি পান করুন।জায়ফলের সঙ্গে সৌঠচূর্ণ মিশিয়ে খান | এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে | দুধ সাধারনত আমরা হালকা গরম গরম পান করে থাকি | কিন্তু অ্যাসিডিটি দূর করতে যখনই দুধ পান করবেন সব সময় ঠাণ্ডা দুধ পান করুন | চা-কফি খাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন | যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চা-কফি খাওয়া ছেড়ে দিন | সুত্র - টাইমস অব ইন্ডিয়া

শামছুল আলম  জন্ম থেকে জন্ম ভ্রমনরত একজন কসমিক ট্রাভেলার।

জ্ঞানী

খাবার পর ৩ - ৪মিনিট করে বজ্রাসন (একপ্রকার যোগ ব্যয়াম) করতে পারেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দাঁত ব্রাশ না করে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে ভালো রেজাল্ট পাবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই রাতে ঘোমনোর পূর্বে দাঁত ব্রাশ করে নিতে হবে। নিয়মিত বিশেষ করে সকালের দিকে অনুলোম-বিলোম প্রানায়াম করতে পারেন। এটি করলে অ্যাসিডিটি সহ আরো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।সবসময় প্রানবন্ত থাকতে পারবেন। আসুন ইউটিউব থেকে শিখে নেই কিভাবে অনুলোম-বিলোম প্রানায়াম করতে হয়। http://youtu.be/zfaLAg-AYwQ

তাহমিদ আহমেদ  একজন মানুষ

জ্ঞানী

সকালে ঘুম থেকে উঠে পান্তা ভাত খেলে ভাল হবে।আমি এতে অনেক উপকার পেয়েছি।

Mynul Hassan Limon  

গুণী

কাচা পেপে নিয়মিত খান সকাল এবং বিকাল ,,খুব উপকার পাবেন ....try করুন ১৫ দিন...

Md. Parvez Ahmed  সময় গেলে সাধন হবে না.......

গুণী

নিয়ম করে পানি খাবেন.মানে?সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১ গ্লাস পানি র ঘুমাতে যাবার আগে ঠিক একই ভাবে.....

১ টি উত্তর লুকিয়ে রাখা হয়েছে

আরিফ ইসলাম

গুণী

.......... তুই সেচ্ছাচারী, যা ইচ্ছা করিস তাই করি!

বিড়ি ধরতে পারেন। শুনেছি বিষে বিষক্ষয়। যেই সেই বিড়িতে চলবে না। বিড়ি বলতে ”গোল্ডলিফ” সিগারেট ধরতে হবে। তাহলেই হবে। এতদিনের প্রচলিত কথা কী মিথ্যা হতে পারে? আপনিই বলেন!!

অথবা,