Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview প্রচন্ড মাইগ্রেনের ব্যথা হচ্ছে, ওষুধ ছাড়া তত্ক্ষনাত কি উপায়ে এই ব্যথা সরানো সম্ভব?

*মাথাব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস* *মাইগ্রেন*
( ১২ টি উত্তর আছে )

( ৮,৬০৪ বার দেখা হয়েছে)

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল  জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার

মহাগুরু

সহনীয় গরম আদা-পানির মধ্যে দু'হাত ভিজিয়ে রাখুন | ১৫ মিনিটের পর আপনার ব্যথা কমে যাবে, এমন কি সম্পূর্ণ প্রশমন হতে পারে | (Source - Reliable source over the Internet)

মাহফুজুল হাসান সোহেল (The Cool)  ভুতের খোজে জীবনের মাঝে।

জ্ঞানী

অনেক কিছু চেষ্টা করেছি তেমন কোন ফলা পাইনি। আমার সয়ে গেছে। তবে মাত্রারিক্ত হলে উদাস হয়ে পানির দিকে তাকিয়ে থাকলে ভালো অনুভূত হয়(অন্যদের ব্যপারে জানিনা কিন্তু আমার ক্ষেত্রে হইছে)।

ভাবুক তন্ময়  একা একা আর ভালো লাগছে না

জ্ঞানী

দারুচিনি বেটে তা সামান্য পানিতে মিশিয়ে পেস্ট করে কপালে লাগালে খুব দ্রুত মাথা ব্যথা কমাতে পারে.

ছায়াসঙ্গী  

মহাগুরু

ঘর ঠান্ডা, অন্ধকার আর শব্দমুক্ত করে ১ ঘন্টা ঘুম দিলেই সেরে যাবে.

সমুদ্র  সাধারণের ভীড়ে একাকী একজন...

গুণী

মেডিটেশন করান। ইনশাল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে...

মো:আ:মোতালিব  আসুন রাজনীতিকে ঘৃণা না করে,আমরা সকলে ...সকলের হাতে হাত রেখে সুস্থ রাজনীতি করি-

মহাগুরু

মাথা ব্যথার যন্ত্রণা অনেক ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তাদের এই যন্ত্রণা টানা ২-৩ দিন ভোগ করতে হয়। মাথাব্যথা এমন একটি সমস্যা যে এটা নিয়ে কোনো ধরণের কাজ ঠিকমতো করা সম্ভব হয় না। যারা অতিরিক্ত মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন তারা খুব ভালো করেই জানেন এর ভয়াবহতা। অনেকেই মাথাব্যথার কারণে ডিসপ্রিন জাতীয় ঔষধ খেয়ে থাকেন যার রয়েছে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এই ধরণের ঔষধ না খেয়ে প্রাকৃতিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন পদ্ধতি ব্যবহার করে মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন আজকে শিখে নেয়া যাক এমনই ৩ টি প্রাকৃতিক পদ্ধতি, যা মাথাব্যথা সারাবে মাত্র ৫ মিনিটেই।লেবুর খোসার পেস্ট লেবুর খোসা মাথাব্যথা সারাতে বেশ কার্যকরী একটি জিনিস। লেবুর খোসার পেস্ট তৈরি করে হাতের কাছে রেখে দিতে পারেন। - প্রথমে ২/৩ টি লেবুর খোসা কেটে আলাদা করে নিন। - এবার শুধুমাত্র লেবুর খোসা বেটে ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। - মাথাব্যথা শুরু হলে এই পেস্টটি কপালে লাগান বামের মতো করে। এতে তাৎক্ষণিক মাথাব্যাথা উপশম হবে। গ্রিন টি ও লেবুর পানীয় গ্রিন টী এর অ্যান্টিইনফ্লেমেশন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান খুব দ্রুত মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি দেয়। - ২ কাপ পানি চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে ১ কাপ পরিমাণ করে নিয়ে তা কাপে ঢালুন। - ১ টি গ্রিন টির টি-ব্যাগ কাপে দিয়ে গ্রিন টি তৈরি করে নিন। - এবার ১ টি গোটা লেবুর অর্ধেকটা রস চিপে গ্রিন টিতে মেশান - এই পানীয়টি ছোটো ছোটো চুমুকে পান করুন। ৫ মিনিটে মাথাব্যথা দূর হয়ে যাবে। দারুচিনি গুঁড়ো ও পুদিনার পেস্ট দারুচিনি দাঁতের ব্যথার পাশাপাশি মাথাব্যথা সারাতেও বেশ কার্যকরী। - ২ টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়ো নিন। - এতে পুদিনা পাতার রস চিপে দিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। - এই পেস্টটি মাথাব্যথা শুরু হলে কপালে এবং নাকের উঁচু অংশে লাগান। খুব দ্রুত মাথাব্যথা থেকে রেহাই পাবেন

শামছুল আলম  জন্ম থেকে জন্ম ভ্রমনরত একজন কসমিক ট্রাভেলার।

জ্ঞানী

মাইগ্রেনের ব্যথা নিরাময়ে মেডিটেশন যেকোন মেডিসিন এর চেয়ে ভালো কাজ করে।

বরবাদ  একজন ব্যর্থ মানুষ

গুরু

যারা ভুক্তভোগী কেবল তারাই জানেন কি ভয়াবহ এই মাইগ্রেনের ব্যথা, শক্তিশালী পেইন কিলার খেয়েও মুক্তি মেলে না প্রচণ্ড এই যন্ত্রণা থেকে। মাইগ্রেনের ব্যথা উঠলে এক গুচ্ছ তাজা পুদিনা পাতা নিয়ে গন্ধ শুঁকতে থাকুন কয়েক মিনিট। এই সময়ে চোখ বন্ধ করে রাখবেন। তাজা পুদিনার গন্ধ উপশম করবে মাইগ্রেনের ব্যথা। এছাড়াও পান করতে পারেন পুদিনার চা। এই চা মাথা ব্যথার সাথে সাথে বমি বমি ভাব থাকলে সেটা কমাতেও সহায়তা করবে।

মুন্তাসির  সব কিছুতেই উৎসাহী মনুষ্য প্রাণী

বিশারদ

ওষুধ ছাড়া ডাক্তার সাধারণত বলবে ঘরের আলো অল্প করে , পারলে এয়ার কন্ডিশনার ছেড়ে ঠান্ডা পরিবেশে শুয়ে থাকতে . এছাড়া ফায়সাল ভাইয়ের উপায়ও কাজ করতে পারে.

অস্পর্শী মায়াবিনী  এই পৃথিবীতে আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো আমি মুসলিম আর আমার রব্বুল 'আলামিনের নগন্য একজন গোলাম।

বিশারদ

আসসালামু 'আলাইকুম। প্রশ্নটা যদিও বেশ কিছুদিন আগে করা তাও উত্তরটা নিজ দায়িত্ব বোধ থেকে দিচ্ছি কেননা আমি নিজে একজন মাইগ্রেনের রোগী এবং আমি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে জাস্ট টিপস দেব ।  চেষ্টা করে দেখতে পারেন, কাজে লাগবে কিনা জানিনা তবে আমার মাইগ্রেনকে আমি এখন এভাবেই হ্যান্ডেল করি।

= মাইগ্রেনের ব্যথাটা খেয়াল করলে দেখবেন, তীব্র হওয়ার আগে যেন জানান দিয়ে আসে। হালকা করে ব্যথা হয়ে পরে এক্কেবারে সিভিয়ার লেভেলে এটাক করে। যাই হোক, যখনি টের পাবেন যে মাইগ্রেনের ব্যথা উঠছে তখন যেখানেই থাকুন না কেন একটা রুমাল ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ঘাড়ের উপর দিয়ে রাখুন। দুই কানে পানি দিন, তবে সাবধান থাকবেন যেন কানের ভিতরে পানি না যায়। যদি বাসায় থাকেন তবে, ঠান্ডা পানিতে হাত পা ডুবিতে রাখুন আর ঘাড়ে ঠান্ডা পানি ঢালার ব্যবস্থা করেন। বাথরুমে গিয়ে টুলে বসে মগ দিয়ে ধাড়ে ঠান্ডা পানিও ঢালতে পাররেন বেশ কিছুক্ষন। দেখবেন অনেক রিল্যাক্স লাগবে। আর মস্তিস্ককে যত তাড়াতাড়ি রিল্যাক্স করতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবেন। 

আচ্ছা, বেশ কিছুক্ষন মাথায় পানি ঢালার পর মাথা সুন্দর করে মুছে বাতাসের নিচে গিয়ে একটা নরম বালিশ নিয়ে ধুম করে শুয়ে পড়ুন ও ঘুমানোর চেষ্টা করুন এমন জায়গায় গিয়ে যেখানে কোনো শব্দ নাই + আলো নাই। মাইগ্রেনের সমস্যায় সামান্য আলো আর শব্দকেও শত্রুর মত মনে হয়। আর হ্যা, ব্যথা শুরু হওয়ার সাথে সাথে হাত থেকে মোবাইল আর চোখের সামনে থেকে ল্যাপ্টপ, টিভি সরিয়ে ফেলবেন বা নিজে ওগুলোর সামনে থেকে কষ্ট করে সরে যাবেন, নাহলে ব্যথা আরও বেড়েই চলবে। আর ব্যথা বাড়ছে মনে হলে এক গ্লাস গ্লুকোজের বা চিনি-লেবুর শরবত বা কিছু কিসমিস বা খেজুর ( যেটা আপনার কাছে এভেইলেবল থাকে) খেয়ে নিতে পারেন। এগুলো খুব দ্রুত ব্রেনে গ্লুকোজ সরবরাহ করে ব্রেনকে শান্ত করতে হেল্প করে। 

বি.দ্রঃ এটা শুধুই আমার ব্যক্তিগত একটা সাজেশন ছিল আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে। আমি না পারতে কখনো ওষুধ খাই না। আর মাইগ্রেনের ব্যথা উঠলে আমি এখন ওই ভাবেই ব্যথা কমানোর ট্রাই করি এবং আলহামদুলিল্লাহ ওষুধ খেতে হয়না। আপনিও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। 

ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাপ্রার্থী☺।

nazrul islam  আমার হিয়ার মাজে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি........

জ্ঞানী

সুখের অভাবই অসুখ। মনে সুখের অভাব হলেই তার প্রভাব পড়ে দেহে। মনের দুঃখ কষ্ট ক্ষোভ হতাশা গ্লানি জমে তা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ব্যথা বেদনারূপে প্রকাশ পায়।

ব্যথা বেদনার বেশিরভাগই মনোদৈহিক। মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, ব্যাকপেইন, বাত ব্যথাসহ ক্রনিক রোগগুলোর অবস্থাও তা-ই। 

মেডিটেশনে এলে মনের ভেতর থেকেই অপ্রয়োজনীয় এ জঞ্জালগুলো বেরিয়ে যায়। বইতে শুরু করে নিরাময়ের সুবাতাস।

মেডিটেশনের ওপর প্রথম পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, গভীর মেডিটেশনের সময় একদল ধ্যানীর দেহে স্টিলের সুই ঢুকিয়ে দিলেও তাদের দেহে কোনো ব্যথাবোধ হয় নি। তারপর থেকে গত ৩ দশক ধরে মেডিটেশনের ওপর পরিচালিত অনেকগুলো গবেষণার মধ্য দিয়ে এ সত্যটিই ফুটে উঠেছে যে সব ধরনের ব্যথা নিরাময়ে ( মাথাব্যথা, মেরুদণ্ডে ব্যথা, পেটে ব্যথা, পেশিতে ব্যথা, গিঁটে গিঁটে ব্যথা, অপারেশন পরবর্তী ব্যথা, ঘাড়, হাত ও পায়ে ব্যথা, পিরিয়ড পূর্ব যন্ত্রণা) মেডিটেশন অব্যর্থ।

আমেরিকার বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী প্রিভেনশন-এর জুন ১৯৯৭ সংখ্যায় সারাদেশে পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে বলা হয়, ২৭% আমেরিকান শিথিলায়ন করে ব্যথা কমান আর ২৩% আমেরিকান জানান যে, ডাক্তার তাদেরকে পেইনকিলারের পরিবর্তে শিথিলায়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

গভীর শিথিলায়ন দেহে ব্যথার অনুভূতি কমায়। জার্নাল অফ দি আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশন-এর জুলাই ২৪-৩১, ১৯৯৬ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় যে, গভীর শিথিলায়ন বা মেডিটেশন পেইনকিলার ও সার্জারির মতোই দ্রুত ক্রনিক ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। সার্জারি ও পেইনকিলারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই শিথিলায়ন বা মেডিটেশনের।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ-এর বাঘা বাঘা ডাক্তারদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল এটি ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো প্রথিতযশা চিকিৎসাবিদরা সরকারিভাবে শিথিলায়নকে কোমর ব্যথা, মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন, আর্থ্রাইটিস, ব্যাকপেইন, পেশির ব্যথা, পায়ের ব্যথা, মহিলাদের মাসিকের সময়ের ব্যথা ইত্যাদি ক্রনিক ব্যথা নিরাময়ে কার্যকর প্রক্রিয়া হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন।

১৯৭৯ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস-এর মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. জন কাবাত জিন তার বিখ্যাত স্ট্রেস রিডাকশন ক্লিনিকে ১৪ হাজারেরও বেশি রোগীকে ওষুধ ছাড়াই ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করেন। রোগীদের অধিকাংশই ক্যান্সার, এইডস বা ক্রনিক ব্যথায় আক্রান্ত ছিলেন। এমনকি জন কাবাত জিনের তত্ত্বাবধানে দুরারোগ্য চর্মরোগ সোরায়াসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও চিকিৎসার সময় মেডিটেশন করে ভালো হয়েছেন অন্যদের তুলনায় ৪ গুণ বেশি হারে।

মিনহাজুল ইসলাম  মায়ের আদরের ছেলে ।

গুরু

আমি এটার ভুক্তভোগী,মেডিসিন ছাড়া আমার কাছে সমাধান নাই।২টা টাফনিল সাথে ১টা গ্যাসটিক এর ট্যাবলেট।


অথবা,