Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview সাগরের পানি লবনাক্ত কেন?

*সাধারনজ্ঞান* *লোনাপানি* *লবণাক্ত* *সাগরেরপানি*
( ৭ টি উত্তর আছে )

( ১০,৪৪৬ বার দেখা হয়েছে)

রিংকু  প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে :P

মহাগুরু

সমুদ্রের পানিতে হ্যালোজেন মৌল ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন এর সোডিয়াম/পটাশিয়াম এর লবণ বিদ্যমান। এর মধ্যে সোডিয়াম ক্লোরাইড এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (২.৫৬%) . এজন্য সমুদ্রের পানি সাধারণত লবণাক্ত হয়। ধন্যবাদ :)

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল  জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার

মহাগুরু

প্রথম যখন পৃথিবীর মাটিতে বৃষ্টি হয়, তখন এই বৃষ্টির পানি ভূ-ত্বকের উপরিস্থ বিভিন্ন খনিজ পদার্থের সাথে মিশ্রিত হয়ে সাগরে পড়ে, পাশাপাশি এই পানি অনেক পাথর ভেঙ্গে সাগরে ফেলে, এতে সাগরের পানি লবনাক্ত হয়। ধারণা করা হয় মিঠা পানির নদী বছরে প্রায় চার বিলিয়ন টন লবন সাগরে প্রবাহিত করে। সূর্যের তাপে সাগরের পানি বাষ্প হয়, পরে বাষ্পকৃত পানিও মেঘ হয়ে উড়ে যায়। এতে সাগরের পানিতে লবন ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়।৩২৬ মিলিয়ন ট্রিলিয়ন গ্যালন পানি রয়েছে পৃথিবীতে। কিন্তু এর এক শতাংশেরও কম পরিমাণ সুপেয়। বাকি অংশের ৯৮ শতাংশ লোনাপানি আর ১.৫ শতাংশ জমে আছে মেরু অঞ্চল আর হিমবাহে....

যাযাবর পথিক হিমাদ্রী  মানুষ ও মানবতা ( Human & Humanity).

মহাগুরু

উত্তরঃ সাগরের পানি লবনাক্তের জন্য পরিবেশের বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া দায়ী। লক্ষ বছর আগে প্রথম যখন পৃথিবীর মাটিতে বৃষ্টি হয়, তখন এই বৃষ্টির পানি ভূ-ত্বকের উপরিস্থ বিভিন্ন খনিজ পদার্থের সাথে মিশ্রিত হয়ে সাগরে পড়ে, পাশাপাশি এই পানি অনেক পাথর ভেঙ্গে সাগরে ফেলে, এতে সাগরের পানি লবনাক্ত হয়। ধারণা করা হয় মিঠা পানির নদী বছরে প্রায় চার বিলিয়ন টন লবন সাগরে প্রবাহিত করে। সূর্যের তাপে সাগরের পানি বাষ্প হয়, পরে বাষ্পকৃত পানিও মেঘ হয়ে উড়ে যায়। এতে সাগরের পানিতে লবন ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়।

আমির  

মহাগুরু

প্রথম যখন পৃথিবীর মাটিতে বৃষ্টি হয়, তখন এই বৃষ্টির পানি ভূ-ত্বকের উপরিস্থ বিভিন্ন খনিজ পদার্থের সাথে মিশ্রিত হয়ে সাগরে পড়ে, পাশাপাশি এই পানি অনেক পাথর ভেঙ্গে সাগরে ফেলে, এতে সাগরের পানি লবনাক্ত হয়। ধারণা করা হয় মিঠা পানির নদী বছরে প্রায় চার বিলিয়ন টন লবন সাগরে প্রবাহিত করে। সূর্যের তাপে সাগরের পানি বাষ্প হয়, পরে বাষ্পকৃত পানিও মেঘ হয়ে উড়ে যায়। এতে সাগরের পানিতে লবন ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়।৩২৬ মিলিয়ন ট্রিলিয়ন গ্যালন পানি রয়েছে পৃথিবীতে। কিন্তু এর এক শতাংশেরও কম পরিমাণ সুপেয়। বাকি অংশের ৯৮ শতাংশ লোনাপানি আর ১.৫ শতাংশ জমে আছে মেরু অঞ্চল আর হিমবাহে।

উত্তম অনির্বাণ  সত্যবাদী যুধিষ্ঠির

জ্ঞানী

সাগরের পানিতে থাকে হ্যালোজেন মৌল ( ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, অ্যাস্টাটিন...) অপরদিকে নদীর পানি, বৃষ্টির পানি হয়ে ধাতব খনিজ ( সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম...) সাগরের পানিতে আসে। সকল প্রকার লবণ হচ্ছে ধাতব হ্যালাইড যা ধাতু আর হ্যালোজেনের সংযোজন বিক্রিয়ায় ( আয়নিক বন্ধন) উৎপন্ন হয়।

Pankaj  ACHROMATIC

গুরু

পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার পূবে অগ্নিকুন্ড ফলে ভূ-ত্বকের উপরিস্থ বিভিন্ন খনিজ পদার্থের পরিমান ছিল অসংখ্য অসংখ্য, প্রথম যখন পৃথিবীর মাটিতে বৃষ্টি হয়, তখন এই বৃষ্টির পানি ভূ-ত্বকের উপরিস্থ বিভিন্ন খনিজ পদার্থের সাথে মিশ্রিত হয়ে সাগরে পড়ে,খনিজ পদার্থের মিশ্রণের ফলে সমুদ্রের পানিতে আয়োডিন, সোডিয়াম,পটাশিয়াম এর লবণ বিদ্যমান।সূর্যের তাপে খনিজ মিশ্রণগুলোকে অধিকতর আয়োডিনের পরিমান বারিয়ে তোলে এইকারনে সাগরের পানি সব সময় লবনাক্ত থাকে।


অথবা,