Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview পা ফাটা কিভাবে কমানো যায়?

*পা-ফাটা* *গোড়ালিফাটা* *পাফাঁটা* *হেলথটিপস*
( ১৫ টি উত্তর আছে )

( ১৬,৫৩৯ বার দেখা হয়েছে)

মো আকছাদুর রহমান  যে এখনও নিজেকে চিনেনা...........

মহাগুরু

পা ফাটা (প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিন সকালে গোসলের আগে পায়ে ভাল করে ১ চা চামচ তিল তেল বা নারকেল তেলের সঙ্গে ৩-৪ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল বা আমন্ড অয়েল, ১ চা চামচ গিস্নসারিন, ১ চামচ গোলাপ পানি, সিকি চামচ ভিনিগার মিশিয়ে নিয়ে পুরো হাতে, পায়ে, পায়ের পাতায় লাগিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। সামান্য গরম ঠা-া পানিতে হাত-পা ধুয়ে নিয়ে আলতো করে ময়েশ্চারাইজার ও গিস্নসারিন মালিশ করে নিন। ০ রাতে শুতে যাওয়ার সময় হাল্কা গরম পানিতে পা ধোয়ার পর ১০০ গ্রাম নারকেল তেলের সঙ্গে ৫ গ্রাম কপর্ুর, ২০ গ্রাম প্যারাফিন ওয়্যাঙ্ মিশিয়ে গরম করে একটি পাত্রে রেখে দিন। এই মিশ্রণটি পায়ের ফাটা জায়গায় লাগিয়ে তার উপর কোন সুতির মোজা পরে নিন। ০ বাড়িতে সব সময় সিস্নপার বা সুতির মোজা পরা অভ্যেস করম্নন। ০ ১ চা চামচ পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ১ চা চামচ মধু, ২ চা চামচ গিস্নসারিন, ১ চা চামচ মুগডাল বাটা, ২ চা চামচ গোলাপ পানি দিয়ে পেস্ট বানিয়ে পুরো পায়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে হাল্কা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই প্যাক লাগালে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন। ০ শীতকালীন ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রতিদিন নিয়মিত খান।

রিমি  সাধারণের মধ্যে সাধারণ

মহাগুরু

পা ফাটা সমস্যার সহজ সমাধানের জন্য, মাত্র ২০ টাকায় ১ বোতল “তিব্বত” গ্লিসারিন ও মাত্র ১০ টাকায় ছোট ১টি “ভ্যাসলিন” পেট্রোলিয়াম জেলি কিনে নিবেন। শীতকাল সহ বছরের যেকোনো সময়, রাতে ঘুমুতে যাবার আগে প্রতিদিন পা ভালো করে ধুয়ে, অল্প একটু গ্লিসারিন ও ভ্যাসলিন মেখে ম্যাসাজ করে নিবেন। শীতকালেও একইভাবে পায়ের যত্ন নিবেন। খালি খেয়াল রাখতে হবে, ম্যাসাজ করা শেষে সুতি মোজা পরে ঘুমুতে যেতে হবে।

শাওন  জানতে, শুনতে ও বলতে ভালোবাসি...

গুরু

সাধারনত বংশগত কারনে অথবা শরীরে পানির পরিমান কমে গেলে পা ফাটে। এক-দু দিনের যত্নে পা ফাটা বন্ধ হবে না, এর জন্যে চাই নিয়মিত যত্ন। পা নিয়মিত পরিষ্কার করা, গরম পানি লবন এ ডবিয়ে রেখে মরা, ময়লা চামড়া ঘষে তোলা, পেট্রোলিয়াম জেলী ব্যবহার করা ইত্যাদি অনেক খানি সাহায্য করে। এর সাথে আমার নিজের ব্যবহার করা একটা ঘরোয়া টোটকা হলো, সমান সমান লেবুর রস, গোলাপ জল আর ভিনেগার মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে রোজ রাতে পায়ের তালুতে মালিশ করে মোজা পরে ঘুমানো। যাদের বংশগত কারনে নিয়মিত পা ফাটে তাদের জন্য এটি আশা করি কাজে দেবে।

জুবা ফকির  আস্তাকুড়ের প্রতিবাদী আম জনতা

জ্ঞানী

একটি বালতিতে তিন মগ হালকা গরম পানি নিয়ে, তাতে দুই চা চামচ শ্যাম্পু, এক চা চামচ লেবুর রস ও আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর একটি ব্রাশ নিয়ে পায়ের গোড়ালি ও তালু ভালোভাবে ঘষতে হবে। পা থেকে ময়লা চামড়া উঠে যাওয়ার পর, ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে পা ধুয়ে ফেলে অলিভ অয়েল এবং লোশন মিশিয়ে পায়ে লাগালে ফাঁটা কমতে শুরু করবে।

hridoy sporsho  puran beshto notun rupey...

বিশারদ

অলিভ অয়েল এর সাথে লেবু এবং চিনি মিক্সড করে ১৫ দিন কি ২০ দিন বেবহার করলেই চলে যাবে .

যারা গ্রামে থাকেন অথবা গ্রামে বেড়াতে গেলে কখনো, পুকুরে গোসল করতে গেলে পাথরের উপর ভালো করে পা ঘষুন। কয়েকদিন পর পা ফাটা ভালো হয়ে যাবে।

মাহফুজ  ভাই শিরোনাম মাত্র খুইজা পাইলাম, সময় লাগবে দিতে

গুরু

আজকাল বাজারে একটা নতুন প্রোডাক্ট এসেছে জেটার নাম "ক্রাক" এইটা একটি ইন্ডিয়ান প্রোডাক্ট আর আমার আম্মু বেবহার করে এবং আমি গেরান্তীর সাতে বলতে পারি আপনার পায়ের ফাটা বা কিছু সমস্যা সলভ হয়ে যাবে|

Nasreen Islam  

পন্ডিত

পা ফাটলে কোনো চিন্তা নাই ! পা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন আর পিয়াজ বেটে ফাটা জায়গায় প্রলেপ দিন! কিছু দিনেই ফাটা সেরে যাবে.

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

সহজ সমাধান, প্রতিদিন পা পরিষ্কার রাখুন, যে কোনো আদ্রতা বাড়ায় এরকম লোশন ব্যবহার করুন আর বাইরে বের হবার সময় অবশ্যই মুজা ব্যবহার করুন.

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

পা ফাটায় গ্লিসারিন ইয়ব্যভার করলে ভালো হবে। পাশাপাশি পা ঘষুন।

Lutfun Nessa  সবই অনিশ্চিত, মরিব এটা নিশ্চিত:(

মহাগুরু

উত্তর : পা ফাটা সমস্যাটি অনেক সাধারণ একটি সমস্যা। পায়ের গোড়ালিতে ফেটে যাওয়ার সমস্যায় ঝামেলায় পড়েন অনেকেই। এই সমস্যাটি খুব বেশি মারাত্মক মনে না হলেও এটি খুব বেশি যন্ত্রণাদায়ক একটি সমস্যা। খুব বেশি শুকিয়ে যাওয়া, ময়েসচারাইজারের অভাব, পায়ের সঠিক যত্ন না নেয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক জুতো নির্বাচন না করার ফলে এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যায় পড়তে হয় অনেককেই।

যদি সঠিক কাজে পা ফাটা প্রতিরোধ করা সম্ভব না হয় তবে এই ফাটা অনেক বেশি গভীর পর্যন্ত চলে যায় যার ফলে রক্তপাতও হতে পারে। তাই পা ফাটাকে অবহেলা না করে এটি প্রতিরোধের উপায় খুঁজতে হবে। খুব সহজেই ঘরে বসে আপনি প্রতিরোধ করতে পারেন এই যন্ত্রণাদায়ক পা ফাটা রোগটি। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো।

চালের গুঁড়ার ব্যবহার

একমুঠো চালের গুঁড়ো নিয়ে এতে ২/৩ টেবিল চামচ মধু, ২ তেবিল চামচ ভিনেগার, ১ তেবিল চামচ অলিভ অয়েল/ আলমণ্ড অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুণ। প্রথমে ১০ মিনিট গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিয়ে এই পেস্টটি দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে স্ক্রাব করে নিন। এতে করে পায়ের মরা চামড়া দূর হবে এবং শুষ্ক ভাবও চলে যাবে।

নিম পাতার ব্যবহার

১০/১৫ টি নিম পাতা নিয়ে ধুয়ে ভালো করে বেটে নিন। এতে ৩ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পেস্টটি পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন পুরু করে। ৩০ মিনিট রেখে গরম পানি দিয়ে পা ভালো করে ধুয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান দ্রুত পা ফাটা রোধ করবে।

মধুর ব্যবহার

মধুর ময়েসচারাইজিং এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান পা ফাটা ও শুষ্ক ত্বক দুটোই দূর করতে সাহায্য করে। অর্ধেক বালতি পানিতে ১ কাপ পরিমানে মধু ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে এই পানিতে ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর একটি স্ক্রাবার দিয়ে আলতো করে পা ঘষে নিন।

গোলাপজল ও গ্লিসারিনের ব্যবহার

গোলাপজলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৩, সি, ডি ও ই, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা পা ফাটা দূর করে। এবং গ্লিসারিন ত্বককে নরম ও কোমল করতে সহায়তা করে। সমান পরিমাণ গোলাপজল এবং গ্লিসারিন মিশিয়ে নিয়ে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের গোড়ালি ও পাতায় ম্যাসেজ করুণ।

কলার ব্যবহার

সব চাইতে সহজ পদ্ধতিটি হচ্ছে কলার ব্যবহার। একটি পাকা কলা নিয়ে তা ভালো করে পিষে নিন। পা ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়ে এই পিষে নেয়া কলাটি পায়ের ওপর লাগান। ১০-১৫ মিনিট পড়ে গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে পা খানিকক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন।

লেবুর ব্যবহার

লেবুর এসিডিক উপাদান পায়ের ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে পা ফাটা রোধ করে। একটি লেবু কেটে নিয়ে সরাসরি তা দিয়ে পায়ের গোড়ালিতে ঘষুন। এছাড়া হাল্কা গরম পানিতে লেবুর রস চিপে দিয়ে ১০-১৫ মিনিট ডুবিয়ে রেখে ঝামা ইট দিয়ে ঘষে নিন পায়ের গোড়ালি। পা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

লবণ গরম পানির ব্যবহার

অর্ধেক বালতি গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে এতে পা ডুবিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে পা ডুবান। এতে করে পায়ের ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। এরপর পা ধুয়ে মুছে নিয়ে ফুটক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি ম্যাসেজ করে নিন। খুব দ্রুত পা ফাটা থেকে রেহাই পাবেন।

শুভেচ্ছান্তে ..........................

সূত্র: ইন্টারনেট 

দীপ্তি  আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)

মহাগুরু

শীতকাল অথবা গরমকাল, শরীর যেন পানিশূন্য না হয়, সে জন্য প্রচুর পানি পান করবেন। স্নানের সময় পিউমিস স্টোন ব্যবহার করে শক্ত মৃত ত্বক তুলে ফেলা ভালো। পায়ের গোড়ালিতে বারবার ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন। যতবার পা ভেজাবেন (যেমন অজু করার সময়) ঠিক ততবারই পা মুছে ময়েশ্চারাইজিং লোশন লাগাবেন। খালি পায়ে একদমই হাঁটবেন না এবং শীতে পেছন খোলা জুতা না পরাই ভালো। কেডস বা পাম্প সু ব্যবহার করতে পারেন। ময়েসচারাইজার সমৃদ্ধ লোশন কিংবা পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে একটি সুতি মোজা পরে ঘুমোতে যাবেন। পায়ের তলার মোটা চামড়া তোলার জন্য মাজুনি কিংবা ঝামা ইট ব্যবহার করুন নিয়মিত। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন গরম পানিতে সামান্য লবণ এবং শ্যাম্পু দিয়ে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখবেন। এতে পায়ের ময়লা, ধুলোবালি, ফাঙ্গাস এবং ব্যাকটেরিয়া দূর হবে। এবং পায়ের ত্বক এবং নখ ভালো থাকবে। ডায়াবেটিস, স্নায়ুর সমস্যা বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে তার যথাযথ চিকিৎসা নিন। সেইসাথে পায়ের গোড়ালি ফাঁটার সমস্যা ভয়ানক হলে অথবা কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে এখন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞকেও দেখিয়ে নেবেন।

বলরাম BP  

পন্ডিত

একটি বালতিতে তিন মগ হালকা গরম পানি নিয়ে, তাতে দুই চা চামচ শ্যাম্পু, এক চা চামচ লেবুর রস ও আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর একটি ব্রাশ নিয়ে পায়ের গোড়ালি ও তালু ভালোভাবে ঘষতে হবে। পা থেকে ময়লা চামড়া উঠে যাওয়ার পর, ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে পা ধুয়ে ফেলে অলিভ অয়েল এবং লোশন মিশিয়ে পায়ে লাগালে ফাঁটা কমতে শুরু করবে।

মাহি  

জ্ঞানী

পা ফাটা রোধ করতে হলে আগে কি করনে পা ফাটে সেটা জানতে হবে। প্রচন্ড শীতে পায়ের তক রুক্ষ হয়ে পা ফাটে। তাই পায়ের তক যাতে রুক্ষ না হয় সেদিকে খেয়াল করে অলিভ অয়েল জাতিয় তেল ব্যবহার করলে পা ফাটা রোধ করা সম্ভব।

MD.Masum khan  বদলে যান ,বদলে দিন .আপনি সুরু করুন দেখবেন সবাই সুরু করেছে

বিশারদ

পা ফাটা রোধ করতে হলে আগে কি করনে পা ফাটে সেটা জানতে হবে। প্রচন্ড শীতে পায়ের তক রুক্ষ হয়ে পা ফাটে। তাই পায়ের তক যাতে রুক্ষ না হয় সেদিকে খেয়াল করে অলিভ অয়েল জাতিয় তেল ব্যবহার করলে পা ফাটা রোধ করা সম্ভব।


অথবা,