Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

ইমতিয়াজ আহমেদ  বিজ্ঞান লেখক

বিশারদ

প্রথমত, অনিয়ন্ত্রিত এন্টিবায়োটিক সেবন, এই ওষুধের প্রতি জীবানুর সংবেদনশীলতা কমিয়ে দেয়। দ্বিতীয়ত, সব এন্টিবায়োটিক সব জীবানুর জন্য কাজে না-ও লাগতে পারে। আপনার শরীর কোন জীবানু (ব্যাক্টেরিয়া) দ্বারা আক্রান্ত সেটা ডাক্তারই পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করবেন এবং সেই জীবানুর জন্য কোন এন্টিবায়োটিক কার্ষকর সেটাও তিনিই ভালো জানবেন। এন্টিবায়োটিকের ডোজ পূর্ণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটাও ডাক্তার ঠিক করে দেবেন। ধরা যাক, আপনি কোনো এন্টিবায়োটিক সেবন করলেন এবং রোগ ভালো হয়েও গেলো কিন্তু ডোজ সম্পূর্ণ করলেন না। তাহলে শরীরে যদি সামান্য কিছু জীবানুও থেকে যায় তাহলে তারা সেই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষম জীবানু উৎপাদন করবে এবং বংশবিস্তার করে পুনরায় রোগ তৈরি করবে। পরবর্তীতে সেই এন্টিবায়োটিক আর আপনার শরীরে ঠিকমত কাজ করবে না। এই কথা বলা যায় ভুল এন্টিবায়োটিক সেবনের ক্ষেত্রেও।

ছায়াসঙ্গী  

মহাগুরু

ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট অসুস্থতা জন্য এন্টিবায়োটিক ঔষুধ দেয়া হয়. এন্টিবায়োটিক খাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ বাধতামূলক এই কারণে যে, বিশেষজ্ঞ সঠিক ভাবে ধরতে পারবে আপনি কোন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত আর সেই অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক দেয়া হবে. তাছাড়া ডাক্তার বুঝতে পারবে ব্যবস্থাপত্রে কতটুকু পরিমান এন্টিবায়োটিক লিখে দিলে শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ঔষুধ এর সাথে যুদ্ধ করে পরাজয় বরণ করবে. তাড়াতাড়ি এন্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করা হলে অথবা সঠিক এন্টিবায়োটিক গ্রহণ না করলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ পুনরায় আরম্ভ হতে পারে অথবা ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে. এন্টিবায়োটিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা অ্যালার্জীর কারণ হতে পারে আর ভুল অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের ভাল ব্যাকটেরিয়া দমন সহ আপনার মৃত্যুর ও কারণ হতে পারে. তাই সব রিস্ক পর্যালোচনা করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করা উচিত.

সেলিম রেজা  সুন্দর একটি হৃদয় আছে আমার,যেখানে আছে শুধুই ভালোবাসা

গুরু

ধন্যবাদ আপনাকে ....আসলে কোনো "মেডিসিন "ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা উচিত না....কেননা..এতে হিতে বিপরীত হতে পারে....

ফজলে রাব্বি খান  আমি অনেক দুষ্টু

বিশারদ

ভাই দয়া করে দাক্তার দের পেটে ***** দিবেন না। উনারাও মানুষ। হাহাআহাহাহাহাহ। আসলে এই জাতীয় ওষুধ এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে অনেক। আপনাকে মেরে ফেলবেও না আবার সুস্থ ও থাকতে দিবে না । আর সাবধানতার মার নাই। কি বলেন ?

Helen Ahmed  হেলেন একটি ফুলের নাম. আমি এক জন মা, এটি আমার বড় পরিচই

মহাগুরু

'এন্টিবায়োটিক' ঔষুধ খাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নির্দেশনা বাধ্যতামূলক. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শুরু করলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে,

Pankaj  ACHROMATIC

গুরু

এন্টিবায়োটিক ঔষুধ খাওয়ার সময় অবশ্যয় ডাক্তার বা বিশষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে । না হলে নিউটনের তৃতীয় সূত্র হয়ে যাবে।

অনি  একজন সাধারাণ মানুষ

মহাগুরু

মনে হয় আমরা প্রকৃতিদত্ত ভাবেই ডাক্তার, আর নাহয় দেখে দেখে ডাক্তার। এই দুই প্রজাতির ডাক্তার রা চিন্তাই করিনা ঔষধ এর বিভিন্ন রকম এফেক্ট থাকতে পারে। অবশ্যই কোন রকম ডাক্তারী পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন উচিৎ নয়। যদি ও আমি নিজে ও সবসময় মানিনা। একটি মজার ব্যাপার হল আমার ডাক্তার বন্ধুর কাছে গেলে লোক বেশী থাকলে, তাঁকে বলি - জ্বর, সরধি, কাশি, ব্যথা ইত্যাদির জন্য তোর চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিস।

Nazifa Tabassum অনন্যা  আমি পাগল বা পাগলি না (কারণ সত্যিকার পাগলরা নিজেদের পাগল বলে না) আমি নাজিফা(পবিত্র) তাবাসসুম(বেহেস্তের ফুল) আর অনন্যা তো অনন্যা ই!! :D

পন্ডিত

খেলে সমস্যা নাই কিন্তু কোনো রোগী নিজে নিজে ডাক্তারি করবে এটা ডাক্তাররা পছন্দ করে না . আর ভাইরাস জনিত কোনো রোগ হলে সেটা এন্টিবায়োটিক খেলে অসুখ সারবে না...

মিঃ খান  এক কথার মানুষ

পন্ডিত

"অতি চালাকের গলায় দড়ি" এই টাইপের সমস্যায় ভুগতে পারেন।


অথবা,