Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

গাজী আজিজ  বাংলাদেশের বোকাসোকা একজন মানুষ। ।

মহাগুরু

৮ টায় অফিস এবং কর্মঘন্টা শুরু হয়। আপনি যত আগেই আসেন মালিকপক্ষ সেটা বিবেচনায় নিবেনা। ঠিক প্রস্থান সময়ের বেলাতেও একই বিষয় বিবেচনায় নিবে। আপনি কর্মঘন্টা শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে বের হলে সেটা কর্মঘন্টায় কম হলো। সবচেয়ে ভাল কর্মঘন্টা শুরু হওয়ার ৫ মিনিট আগে প্রবেশ করুন আবার কর্মঘন্টা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট পরে বের হউন।

আশিকুর রহমান  ভাল মানুষ

পন্ডিত

আপনার অফিস টাইম যদি ৮ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত হয়, তাহলে যদি আপনি আগে এসে থাকেন সেটা আপনার ব্যাপার অফিসের প্রয়োজন হচ্ছে ওই সময়ের মধ্যে, আপনাকে কেউ এর আগে আসতে বলেনি বা পরে যেতেও বলেনি। আগে আসাটা সম্পূর্ন আপনার ব্যাপার। তবে আগে আসাটা ভাল সেটা আপনার জন্য। কারন মালিক পক্ষ কখনই আপনাকে ছাড় দিবে না। সেজন্য নিজের খাতিরেই আগে আসা এবং পড়ে যাওয়াটাই ভাল

দস্যু বনহুর  *~ গভীর অন্তহীন তীব্রতা অবিনাশ ~*

মহাগুরু

নিয়ম হচ্ছে আইনের মত। যদি ৮ টায় অফিস শুরু হয় তো সেভাবেই প্ল্যান করে রওনা দিয়ে ঠিক ৮ টার মধ্যে অফিসে প্রবেশ করা উচিত এবং ঠিক একইভাবে প্রস্থান করা উচিত ঠিক সময় মত। কোম্পানি তো চাইবেই লোকজন থাকুক! কিন্তু এই পরিস্থিতি কোনভাবেই চলতে দেয়া ঠিক নয় বরং আমার মতে যারা লেট কামার তাদেরকে বোঝান, তারা যাতে সময় মত আসে সময়মত যায়। এতে আপনার ক্যারেক্টারও ঠিক থাকলো, কোম্পানিও একটা নিয়মের মধ্যে রইল। বাঁধা সময় দিয়ে যদিও মূল্যায়ন সঠিক হবেনা তবুও এটা একটা চাকরি বলেই অফিসের সবারই কর্তব্য। দেশের বাইরে চাকরি করলে এই সময়ের ব্যাপারটা আন্দাজ করা যায়। আপনি বছরে যদি কোনরকম লেট অন/ লেট অফ না হন তো আপনার জন্য নিশ্চয়ই বোনাস ছুটি থাকবে।

অরন্য  জানি না কখন কি???

বিশারদ

প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী তো কর্মচারীই | কর্মচারীর আবার মূল্যায়ন | মালিক পক্ষ চাইলে আছে, না চাইলে নাই... ভাইরে, চাকরি ক্ষেত্রে এমন কত উল্টাপাল্টা নিয়ম দেখতে হয়, সয্য করতে হয় | উনাদের কথা, এগুলো কোম্পানি পলিসি | ভালো লাগলে থাক, না লাগলে নাই...

অনি  একজন সাধারাণ মানুষ

মহাগুরু

মুল্যায়ন বললে শুধু সময়ানুবর্তীতা কে মাথায় নিলে হবেনা, তার সাথে প্রয়োজনীয় বেশ কিছু বিষয় রয়ে গেছে। হ্যা 'সময়', এটা প্রধানত শৃংখলা, পাশাপাশি বিশেষ করে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলুতে এটা অত্যাধিক প্রয়োজনীয় একটি ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হয়, বিশেষ করে যেখানে চেইন ওয়ার্ক গুলু হয়। সার্বিক বিচারে যারা মেন্টাল পরিশ্রম বা ডেস্ক ওয়ার্ক বেশী করে এবং অনেক সময় ২৪ ঘন্টা(রাতে ও ফোনে সাপোর্ট দেয়), তাদের ক্ষেত্রে এটা বিবেচনায় আনা মানে বোকামী, কারণ তখন কর্তৃপক্ষ ও অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।


অথবা,