Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ১৫ টি উত্তর আছে )

( ৪,৩৭৯ বার দেখা হয়েছে)

মিকু  simple

মহাগুরু

দুই জায়গাতেই হতে পারে। বাবা মা ভালো পরিবেশে মানুষ করলে আর ভালো শিক্ষা দিলেই হলো। তবে সন্তান কি কি ভিন্ন ভিন্ন জিনিশ শিখতে পারে সেটা একক বা যৌথ পরিবারে উপর নির্ভর করে। একক পরিবারের সন্তানরা একটি আদুরে, আরামপ্রিয়, চুপচাপ এবং মেধাবী হতে পারে। যৌথ পরিবারের ছেলেমেয়েরা একটু অলরাউন্ডার টাইপের হয়। তারা সব পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে, একটু চঞ্চল আর ক্ষেত্রবিশেষ একটু ঝগড়াটেও হতে পারে। মেধাবীও হয় তবে সেই প্রবনতা ৫০/৫০। আর ব্যতিক্রম দুই জায়গাতেই আছে।

জাহাঙ্গির আলম  খুবই চুপচাপ, কাউকে কোন বিষয়ে চাপাচাপি করিনা, নিজেও বেশি চাপ নিতে পারিনা।

জ্ঞানী

অবশ্যই যৌথ পরিবার , আপনি যত বড় মাঠ নিয়ে খেলতে পারবেন যত বেশি রিসোর্স নিয়ে চলতে পারবেন আপনার সক্ষমতা তত বেশি বৃদ্ধি পাবে , যৌথ পরিবারে অনেক বেশি মানুষ থেকে শিশু অনেক বেশি কিছু শিখতে পারবে , অনেক বেসি সামাজিক হবার চান্স পাবে , অনেক বেশি সমস্যা দেখে তা কাটিয়ে ওঠার মানসিক শক্তি এবং কৌশল অর্জন করতে পারবে, তাছাড়া সাধারন ভাবে শিশুকে যত্ন নেবার জন্য বেশি বেশি লোক যৌথ পরিবারে পাবেন সেটা বাচ্চা পালন কে সহজ করে দিবে.

সরকার মোমেনূর রহমান  ভালোবাসাকে ভালোবাসি

মহাগুরু

অবশ্যই যৌথ পরিবার !!!!! কেননা এ ধরনের পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরা সকলের সাথে মিলে-মিশে থাকার শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে !!!

মারুফ রুমি  আমি ভালবাসি বই পড়তে, মুভি দেখতে, খেতে আর ঘুমাতে, হি হি হি।

জ্ঞানী

অবশ্যই যৌথ পরিবার। কারণ যৌথ পরিবারে মায়া মমতা, ভালবাসা, দেখা শোনা, নির্ভরশীলতা, শ্রদ্ধা সম্মান সর্বোপরি বহুমুখি সম্পর্কের যে বন্ধন তৈরি হয় তা সন্তানের বেড়ে ওঠাকে পরিপূর্ণ করে। একক পরিবারে এসবের সময় কই, একসাথে থাকাই হয় কতক্ষণ?

Lutfun Nessa  সবই অনিশ্চিত, মরিব এটা নিশ্চিত:(

মহাগুরু

উত্তর: অবশ্যই শিশুর সঠিকভাবে মানসিক বিকাশের জন্য যৌথ পরিবারের বিকল্প নেই! শিশুর বিকাশের জন্য তার পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে সদা সংবেদনশীল করে রাখা! প্রশ্ন হল পঞ্চইন্দ্রিয় কি? আমরা সবাই জানি মানুষের ৫টি ইন্দ্রিয় রয়েছে যাকে পঞ্চ ইন্দ্রিয়, ইন্দ্রিয় শক্তি  বা জ্ঞানীন্দ্রিও বলে - যেমন: চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বককে বলে জ্ঞান বা ইন্দিয় শক্তি!  প্রত্যেকটির  বার বার প্রতিদিন সঠিক ব্যবহার করে শিশুর মস্তিস্ক তথা মানসিক বিকাশে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে: 

১) চক্ষু - সত্যকে দর্শন করা:   শিশুর বিভিন্য বয়সে তার দৃষ্টির সামনে আমাদের ফুল বা বিভিন্য ধরণের খেলনা, ফুল, বিভিন্য রং দেখিয়ে    তার দৃষ্টি শক্তিকে সংবেদহনশীল করা!

২) কর্ণ- সত্যকে শ্রবণ করা: বয়স অনুযায়ী শিশুকে গান, কবিতা গল্প ইত্যাদি শুনিয়ে তাকে আনন্দ দিয়ে তার শ্রবণ শক্তিকে সংবেদনশীল করা!

৩) নাসিকা -  সত্যকে গ্রহণ  করা: বয়স অনুযায়ী শিশুকে বিভিন্য জিনিসের ঘ্রান যেমন ফুল,, খাবার অন্যান্য জিনিসের ঘ্রান নিয়ে তার  ঘ্রাননেদ্রীয়কে  সংবেদনশীল করা!

৪) জিহ্বা - সত্যকে প্রকাশ করা : বয়স অনুযায়ী শিশুকে বিভিন্য ধরণের খাবার দিয়েই তার স্বাদ গ্রহণের ইন্দ্রিয়কে  সংবেদনশীল করা!

৫) ত্বক - সত্যকে অনুভব করা: শিশুকে আদর করা: যেমন তার গালে কপালে, বা শরীরের অন্নান্য জায়গায় চুমু দেয়া,,, সুড়সুড়ি দিয়ে তাকে প্রফুল্ল রেখে তার তার মস্তিস্ককে সদা সর্বদা সংবেদনশীল রাখা!

একটি শিশুর সঠিকভাবে মানসিক বিকাশের জন্য তার পঞ্চইন্দ্রিয় বা জ্ঞানীন্দ্রিয়কে আমাদের আচার আচরণ আর ব্যবহারের মাধ্যমে  সংবেদনশীল করতে হবে! প্রশ্ন হল এটা কি একক পরিবারে যেখানে শুধু মা বাবা আর বড়জোর গৃহস্থহলীর কাজের জন্য একজন সহযোগী (কাজের মেয়ে) থাকতে পারে,,, সেখানে কি সম্ভব!!  এক কথায় জবাব হচ্ছে -- না!

মনে রাখতে হবে পঞ্চইন্দ্রীয়ের কোনটাকে অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহার করা আবার কোনোটাকে কালে ভদ্রে ব্যবহার করলে শিশুর মানসিক বিকাশ ব্যাহত হবে - কোনভাবেই যেন কোন একটা ইন্দ্রিয়ের প্রতি আসক্ত পাশাপাশি আর একটার প্রতি অনাগ্রহের সূষ্টি না হয়! প্রত্যেকটি ইন্দ্রিয়ের সাথে রয়েছে তার মস্তিষ্কের নিগুঢ় সম্পর্ক তাই সবগুলো ইন্দ্রিয়কে সমান ভাবে সংবেদনশীল করে সক্রিয় রাখতে হবে! 

উল্লেখ্য শিশুর মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয়েছে যে প্রতিটি শিশুর ৩.৫ বসর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বসর বয়সীমার মধ্যে তার ভবিষ্যর নির্ধারীত হয়ে যায় - অর্থাৎ একটি শিশু পরিপূর্ণ বয়সে এসে কি হবে তা নির্ধারণ হয়ে যায়... তাই শিশুর বিকাশের সময়টা যেন আমরা ভুল পথে পরিচালিত হয়ে তার ভবিষ্যতকে করে না তুলি বাধাগ্রস্থ বা অপ্রত্যাশিত! 

তাই একটি শিশুর পরিপূর্ণ ও সঠিক মানসিক বিকাশের জন্য চাই একটি ভরপুর কোলাহলময় যৌথ পরিবার - এটাই হোক আমাদের শ্লোগান! ধন্যবাদ দীপ্তি:)

আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী  একজন বোকা এবং অগোছালো মানুষ. বেড়াতে, বই পড়তে ও মজার খাবার খেতে পছন্দ করি . কথা বলতে খুব অপছন্দ করি.

পন্ডিত

যৌথ পরিবারে যে সুখ সেটা একক পরিবারে নেই. শান্তি আছে কিন্তু ওই সুখ কখনো একক পরিবারে হয়না. আমি এখন একক পরিবারে আছি বাধ্য হয়ে. কারণ আমার বাবা ও মা অনেক আগেই মারা গিয়েছেন. মাঝে মাঝে মনে হয় আমার মাথার উপরে কোনো ছাদ নেই. মা বাবা একজনও যদি আজ থাকতেন আমার একটা মাথা গুজার ঠাই হত. আমার সন্তানেরাও একটা আদর ও প্রশ্রয়ের জায়গা পেত. আমি কোনদিন একক পরিবার সমর্থন করিনা. কিন্তু এটা আমার কখনই হবে না.

ডাঃ ইসতিয়াক আহমেদ চৌধুরী  এখনো নিজেকে খুজে পাইনি... খুজে পেলে জানাব...

বিশারদ

অবস্যই যৌথ পরিবার ... একক পরিবারের একাকিত্ব মানসিক বিকাশের অন্তরায় ...

গাজী আজিজ  বাংলাদেশের বোকাসোকা একজন মানুষ। ।

মহাগুরু

মানষিক বিকাশকে যদি প্রাধান্য দেয়া হয়, তাহলে যৌথ পরিবারের কোন বিকল্প নেই। সন্তানেরা আদর ভালোবাসা স্নেহ বেশি পায় যৌথ পরিবার থেকে, আবার বড় ছোট সকলের সাথে কেমন আচারন হবে তার শিক্ষা বেশি পায় যৌথ পরিবার থেকে। যৌথ পরিবারে অনেকের সহচর্যে বড় হয় বলে ছেলেরা বেশ সাহসী হয়। মনের উদারতা বৃদ্ধি পায় সংকীর্নতা লোপ পায়। ছোট বেলা থেকেই বাচ্চারা লেখাপড়ায় উৎসাহ পায় অনেকের কাছ থেকে। আবার অনেকের চোখে চোখে থাকে বলে বিপথগামীতার সুযোগ একেবারেই কম। তাই মানষিক বিকাশের জন্য যৌথ পরিবারকে তীর্থস্থান বলা যায়।

রোদেলা বসন্ত  এটা জীবন, খেলাঘর নয়...

মহাগুরু

আমার কাছে মনে হয় সমগ্র দেশ+পরিবেশ+পরিবারের উপর নির্ভর করে শিশুর বেড়ে উঠা এখানে যৌথ বা একক পরিবার তেমন গুরুত্ববহন করেনা ।তবে এটা মনে হয় যৌথ পরিবারের মানুষগুলো খুব বুঝে, জিবন নিয়ে বিভিন্ন ভাবে হিসাব কষতে পারে। অন্যের কথা চিন্তা করে, সাত পাঁচ ভেবে কাজ করে কখনো কখনো কিছুটা সার্থপর হয়, এরা জিবনের জটিলতায় কম পরে আর একক পরিবারের শিশুরা এত কিছু বুঝে না,তাই বোকামিই বেশি করে সব কিছু নিজের মত করে চিন্তা করে তাই কারনে অকারনে স্বাধীন মনোভাব দূর্যোগে ফেলে দেয়।বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

একক বা যৌথ পরিবার নই প্রয়োজন কেবল বাবা-মার সুষ্ঠ নিয়ন্ত্রন ও আন্তরিকতা।

শাকিল  আমি প্রতিনিয়ত মন খারাপের স্বর্গে ভেসে বেড়াই ....

গুরু

সন্তানের মানসিক বিকাশ ও সঠিক ভাবে বেড়ে উঠার জন্য পিতা-মাতার আন্তরিকতায় যতেষ্ট,এক্ষেত্রে একক কিংবা যৌথ পরিবারের ভুমিকা বোগাস একটা বিষয় -যদি তাই হতো তাহলে ইউরোপ-আমেরিকার দেশ গুলোতে কি হতো একবার ভেবে দেখেন তো .... যৌথ পরিবার তো পরের কথা যেখানে পরিবার প্রথায় বিলীন হওয়ার পথে।

chhottopakhi  

পন্ডিত

আমার দেখামতে যৌথ পরিবারের বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ একক পরিবারের বাচ্চাদের হারিয়ে দেয় -- কারনটা মনে হয় বাচ্চাদের সাথে বাবা মা ছারাও ......দাদা-দাদি, চাচা-চাচী, চাচাতো ভাইবোনদেরও সব কিছুতে অংশগ্রহন করা দরকার ---তাই একক পরিবার থেকে বাচ্চাদের মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে যৌথ পরিবারের   ভূমিকা অনস্বীকার্য! ধন্যবাদ......।

মিনহাজুল ইসলাম  মায়ের আদরের ছেলে ।

গুরু

আমার মতে ''যৌথ পরিবার''এর ফলে সুস্ততা এবং সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য ভাল মানসিক বিকাশ প্রকাশ পাবে।ভাল মানসিক বিকাশ প্রকাশ বলতে আমি বুঝিয়েছি,কোনটা খরাপ,কোনটা ক্ষতিকর,এইটা বুঝার ক্ষমতা নিয়ে বেড়ে উঠবে।ছোট চাচার ছেলেটা (মানে আমার চাচাতো ভাই)চশমা ছাড়া চোখে কিছু দেখে না।শরীলর গ্রদটাও তেমন ভাল না। বয়স ৭,ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে।ছাত্র হিসেবে অনেক ভাল।৭ বছরের একটা ছেলে এত ভাল ইংরেজী পারে তা ওকে না দেখলে আমি জিবনে বিশ্বাস করতাম না।শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে,কিন্তু বাংলা ভাষায় ক্ষেএে অনেক দুর্বল।সাধারন নলেজও মোটামুুটি ভালোই।কথা বল্লে বুঝা যায় সব বইয়ে ভাষায় কথা বলে।কিন্তু নিজের উপস্তিত বুদ্ধি নাই বল্লেই চলে।এই বয়সে এত পড়াশুনার চাপের জন্যই উপস্তিত বুদ্ধিটা নেই আমার মনে হয়।ওর ৫বছর পর্যন্ত আমরা ''যৌথ পরিবার''সবাই একসাথে থাকি।চাচাতো ভাইটা তখন কত সুন্দর সুস্ততা আর ওর বয়স অনুযায়ী অনেক সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠছিল।যদিও আমি তখন অনেক ব্যাস্ত থাকতাম,কিন্তু যখনি বাসায় আসতাম তখন ও সারাক্ষন আমার সাথে থাকত।আমার বড় ভাই বাসায় থাকত সব-সময় আর ও ভাল মেধাবী ছাত্র ও আর ছোট বোন,আর আমার ''মা''সবাই ওকে একটু বেশিই আদর করত ওকে।আমি বেশির ভাগ সময় ঘরে ঢুকার আগেই ও দৌড় দিয়ে দিয়ে ঝাপ দিয়ে আমার কোলে উঠত।চাচা,চাচী সব সময় বলত ওকে হাফেজ বানাবে, শুনে ভালোই লাগতো।জানি না তাদের চিন্তা কেন পরিবর্তন হল তারা ওকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াবে।আমি মোটেও রাজি না,এক কথায় না,আমি চাচা,চাচীকে বল্লাম,মাদ্রাসায় না পড়ালে,বাংলা মিডিয়ামে ভর্তি করান।কথাটা শুনতে খারাপ দেখা গেলেও সত্য...আমার মানসিকতা আমার বংশের সবার থেকে আলাদা(এই মানে এই নয় যে শুধু আমার ভাল মানসিকতা ছিল ভালোর থেকে খারাপটাই বেশি ছিল) যেই কথাই বলি হোক সেটা খারাপ অথবা ভাল সেটাই শুনতে হবে।তারপর চাচা,চাচী ওর উজ্জল ভবিসৎতের কথা চিন্তা করে আলাদা হয়ে গেল।মন খারাপ সবারই একটু হইছে বিশেষ করে বড়ভাই আর ছোট বোনের একটু বেশিই হইছে ওর জন্য। কিন্তু আমাদের সম্পর্ক উপর কোন খারাপ প্রভাব পড়েনি।তারা যেই ফ্লাটে উঠছে তা বাসা থেকে বেশি দূরে ছিল না তাই যাওয়া,আশা হত কিন্তু চাচাতো ভাইটার পড়াশুনার ব্যাপার,বা চাচা,চাচী একক পরিবার হওয়ার ক্ষেত্রে সম্পর্কে অনেক কিছু মিসিং ছিল।যা তখন বুঝা যায়নি কিন্তু এখন বুঝা যাচ্ছে (শুধু আমার কাছে)।আমার কাছে কেন জানি মনে হয় ও ভালো নেই।আর এর জন্য সবচাইতে বেশি দায়ী একমাত্র ''আমি'' এটাই সত্য।

Shykhul islam  পথিক তুমি পথ হারাইয়াছো????

পন্ডিত

মানসিক বিকাশকে যদি প্রাধান্য দেয়া হয়, তাহলে যৌথ পরিবারের কোন বিকল্প নেই। সন্তানেরা আদর ভালোবাসা স্নেহ বেশি পায় যৌথ পরিবার থেকে, আবার বড় ছোট সকলের সাথে কেমন আচারন হবে তার শিক্ষা বেশি পায় যৌথ পরিবার থেকে। সামাজিকীকরণের পেছনে যৌথ পরিবারের ভূমিকা ব্যাপক ।

Tafsir Uddin Suman  ভেরি ভেরি সিম্পল

জ্ঞানী


অথবা,