Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

রোদেলা বসন্ত  এটা জীবন, খেলাঘর নয়...

মহাগুরু

আমি সব ধরনের শুটকি খাই তবে আমার লইট্টা শুটকি অসম্ভব পছন্দের। এছাড়া বাসপাতা, ছুরি শুটকি, ফ্রাইংফিসের শুটকি, চিংড়ির শুটকি, নোনাইলিশ আমার পছন্দ। বেগুন+আলু+পেয়াজ+রসুন+মরিচ+একটু আদা হলো সব ধরনের শুটকি রান্নার উওম উপকরন। লইট্টা শুঁটকি ভুনার একটি রেসিপি দিচ্ছি: উপকরণ : লইট্টা শুঁটকি ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ৪ কাপ, রসুন মোটা কুচি দেড় কাপ, টমেটো বাটা ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, চিনি দেড় চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৮টি, তেল ১ কাপ। প্রণালি : শুঁটকি প্রতিটি ৩-৪ টুকরা করে কেটে শুকনো তাওয়ায় ভালো করে টেলে নিয়ে ঘণ্টা খানেক কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর গরম পানি দিয়ে ভালো করে কয়েকবার ধুয়ে নিন। পানি ঝরিয়ে পাটায় সামান্য থেঁতো করে মাঝখানের মোটা কাঁটা ফেলে দিন। তেল গরম করে ২ কাপ পেঁয়াজ কুচি ও সিকি চা-চামচ লবণ দিয়ে ভাজুন। পেঁয়াজ মজে এলে বাকি পেঁয়াজ দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভেজে চিনি, টমেটো বাটা এবং লাল মরিচের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। সামান্য পানি এবং লবণ দিয়ে নাড়ুন। এবার কাঁচা মরিচ ও রসুন বাদে অন্যান্য মসলা দিয়ে অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে শুঁটকিগুলো দিন। এবার রসুন কুচি ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পাঁচ-সাত মিনিট পর নেড়ে আঁচ কমিয়ে দিন। ভুনা ভুনা হয়ে এলে আরও একবার নেড়ে ঢেকে দিয়ে পাঁচ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দিন। পাত্রে বেড়ে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। চিংড়ি শুটকির একটি রেসিপি দিচ্ছি যা আমি চট্টগ্রামে এসে শিখেছি- উপকরণ: ১.দুই কাপ চিংড়ি শুটকি(মাঝারি) ২.আধা কাপ রসুনকুচি ৩.এক কাপ পেয়াজকুচি ৪.এক টেবিলচামচ শরিষার তেল ৫.লবন ৬.পাঁচটি শুকনা মরিচ(বিচিছাড়া) প্রণালি : ১.প্রথমে চিংড়ি শুটকি ঝেড়ে বেছে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ২.একটি ঝুড়িতে চিংড়ি শুটকি নিয়ে কুসুম গরম পানিতে সাবধানে ধুয়ে নিয়ে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে। ৩.কড়াইতে শরিষার তেল দিয়ে তাতে পেয়াজ+ মরিচ+ রসুন দিন।ভাজাভাজা হয়ে আসলে চিংড়ি শুটকি+ লবন দিয়ে ভাল করে ভেজে চুলা থেকে নামিয়ে নিন (বাদামি বর্নধারন করবে) ৪.ঠান্ডা হলে কৌটায় সংরক্ষন করুন। এটি ভাতের সঙ্গে পরিবেশনতো করা যাবেই সাথে ডাল হলেতো কথাই নেই। আর এর আরো একটা মজার বিষয় হলো এটা এমনি এমনি খেতেও অসাধারন।

জোবায়ের রহমান  I am a student of World University of Mistakes.

মহাগুরু

নোনা ইলিশ অথবা ইলিশ শুটকি আমার অত্যন্ত প্রিয়। আমার মা তিনটে আইটেম রান্না করে নোনা ইলিশ দিয়ে। পুঁইশাক দিয়ে নোনা ইলিশ, আলু দিয়ে নোনা ইলিশ আর ঝাল করে নোনা ইলিশ ভুনা। এখানে ২টা রেসিপি দিচ্ছি। নোনা ইলিশ ভুনা উপকরন - নোনা ইলিশ পেয়াজ কুচি রসুন কুচি হলুদ মরিচের গুড়া ধনে গুড়া কাচা মরিচ তেল লবন প্রস্তুত প্রণালী - প্রথমে শুটকি ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর একটা প্যানে তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি রসুন কুচি দিয়ে সোনালি করে ভাজতে হবে হবে। এরপর লবন, হলুদ, মরিচ গুড়া, ধনে গুড়া দিয়ে মশলা ভালো করে কষাতে হবে। প্রয়োজনে একটু পানি দিতে হবে। মশলা তেলের উপর আসলে শুটকি দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। আবারো একটু পানি দিয়ে কষিয়ে কাচা মরিচ দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। আলু দিয়ে নোনা ইলিশ উপকরণ :নোনা ইলিশ ৮ টুকরো, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, আলু আধা কেজি (ফ্রেঞ্চ করে কাটা), কাঁচামরিচ ৬-৭টি, লেবুর রস এক চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া সামান্য। প্রস্তুত প্রণালি : কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাটা ও অন্যান্য মসলা ভালো করে কষিয়ে আলু দিয়ে দিন। আলু সিদ্ধ হয়ে এলে পরিমাণমতো পানি, লেবুর রস ও মাছ দিয়ে ঢেকে দিন। মাছ সিদ্ধ হলে কাঁচামরিচ দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে ঢেকে রাখুন কয়েক মিনিট। তেল উঠে এলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

MD. S R Chowdhury  Try to read me.

গুরু

আমি খাই I অসাধারণ একটা খাবার I বিশেষ করে খিচুরী বা খুদের ভাত দিয়ে শুটকি I জিভে জল চলে এলো I ছুটির দিন গুলোতে সাধারনত এই খাবার তৈরী করেন আমার মা I ইদানিং বউ -ও হাত পাকাচ্ছে I কিন্তু I কিন্তু আমিতো রেসিপি দিতে পারছিনা I দুখখিত I

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল  জাগ্রত বিশ্বকোলাহল-মাঝে গম্ভীর, স্তব্ধ, শান্ত, নির্বিকার

মহাগুরু

খাই শুটকি | সব প্রজাতির মাছের শুটকি ই খাই | যা পাই তাই খাই | তবে সাধারণত যেসকল উল্লেখযোগ্য প্রজাতির মাছের শুটকি হয় তা হলো - পুঁটি, চিংড়ি, কাকিয়া, শইল, গজার, টাকি, বাইম, টেংরা, ইলিশ, কোরাল, লাক্ষ্যা, চাপা, কামিলা, হাঙর, রূপচাদা,পোপা, রাঙাচাকি, মাইট্যা, কালোচাদা ইত্যাদি | শুক্তি বিভিন্ন ভাবে খাওয়া হয়, তাই রেসিপির ও আছে বৈচিত্র | আমি এখানে লাউ পাতা দিয়ে চ্যাপা শুটকি ভর্তার দিচ্ছি একটা রেসিপি | উপকরনঃ লাউ পাতা ৪ টা, ৫০ গ্রাম চ্যাপা শুটকি, ১০ টা কাঁচা মরিচ, দেশি পেয়াজ ২টি, দেশি বড় রসুন ২ টি, সামান্য লবন, ও সরিষার তেল | প্রনালীঃ প্রথমে গরম পানি দিয়ে ভাল করে শুটকি মাছ ও লাউ পাতা ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন | লাউ পাতাগুলো কুচি করে কেটে নিন | তারপর কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে শুটকি মাছ, লাউ পাতা, রসুন, পেয়াজ ও কাঁচা মরিচ হালকা ভেজে নিন | ভাজা হয়ে গেলে অন্য পাত্রে উঠিয়ে পাটায় বেটে মিহি করুন | এবার পরিমান মত লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে গরম গরম ভাত বা চিতই পিঠার সাথে খেয়ে নিন | এবার একটা ভর্তা দিচ্ছি --- ছুরি শুঁটকি ভর্তা উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি | প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে | তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে | হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে | পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে | শুটকিতে আছে প্রচুর প্রোটিন | এতে সব ধরনের অ্যামাইনো এসিড বিদ্যমান | মোট ১০০ গ্রাম শুটকিতে শতকরা ১৪ থেকে ২২ ভাগই প্রোটিন। তাজা মাছের তুলনায় শুটকিতে খনিজ লবনের পরিমান অনেক বেশী থাকে | খনিজ উৎপাদনগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ফেরাস, আয়রন উল্লেখযোগ্য |

সরকার মোমেনূর রহমান  ভালোবাসাকে ভালোবাসি

মহাগুরু

শুটকি আমার খুবই পছন্দের !!!!! এর স্বাদ-ই আলাদা !!! তবে, নির্দিষ্ট কোন নাম তো জানি না ! রান্না-ই জানি না,আর রেসিপি !!!!

অনি  একজন সাধারাণ মানুষ

মহাগুরু

কম বেশী পরিচিত সব শুক্টি খাই বিশেষ করে লইট্টা, ইছা, ছুড়ি শুকটি ভালো লাগে।

নাফিসা আনজুম রাফা  ঠুনকো,সস্তা

গুরু

আম্মু চট্রগ্রামের মেয়ে বলে শুটকি আমাদের বাসার খুবই হিট আইটেম...সব জায়গার শুটকি আমার পছন্দ না...চট্রগ্রামের শুটকিগুলই বেশি ভালো লাগে...কক্সবাজারের থেকে কেনা শুটকিগুলো বেশি লবণাক্ত হয় বলে খুব একটা ভালো লাগেনা। ছুরি,চ্যাঁপা,লইট্টা,চিংড়ি,ইলিশ,ফাইস্যা--এই শুটকিগুলোই বেশি খাওয়া হয়...আম্মুর ছুরি শুটকি অথবা চিংড়ি শুটকি দিয়ে ঝোল ঝোল করে রান্না করা তরকারি(যেমন-বেগুন,আলু,কাকরোল,সিম,টমেটো ইত্যাদি) আমার খুব পছন্দ।লইট্যা শুটকি ভুনা খুব প্রিয়।ইলিশ শুটকি ভালো লাগে বেগুন দিয়ে চচ্চড়ির মতো করলে।আর যেকোনো শুটকির ভর্তাই ভালো লাগে।আর ফাইস্যা শুটকি ঝাল ঝাল করে ভুনা করলে তা দিয়েই কয়েক প্লেট ভাত খেয়ে ফেলতে পারি। চিংড়ি শুটকির আরেকটি মজার রান্না আছে।।এইটা কক্সবাজারে বিভিন্ন দোকানে পাওয়া যায়।শুটকি গুলো ভালো অরে ধুরে টেলে/ভেজে নিতে হবে লবণ,মরিচ,হলুদ দিয়ে...তারপর তা মুখবন্ধ বয়ামে রেখে দিলে যেকোন সময় পেয়াঁজ,কাচাঁমরিচ আর ধনেপাতা দিয়ে মাখিয়ে ভর্তা বানিয়ে খাওয়া যায়। ধন্যবাদ...

আফ্রোদিতির যুবরাজ  বোকাসোকা একজন

মহাগুরু

সব ধরনের শুটকী ভর্তাই খুব পছন্দ করি। তবে আম্মু কিংবা নানুর হাতে তৈরী হলে তো কোন কথাই নেই।

রনি  ভালবাসতে পারি কিন্তু কিভাবে ভালবাসা পেতে হবে জানি না।

বিশারদ

আমিও খুবই শুটকি খাই। কিন্তু রেসিপি তো জানি না।

মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবীব)  প্রযুক্তিকে ভালোবাসি ।

গুরু

শুঁটকি আমি মোটামুটি ভালোয় খায় । কিন্তু শেষ কবে যে খেয়েছিলাম সেটা আর মনে নাই ! - আপনার জন্য একটি রেসিপি রাখলাম। - লইট্টা শুঁটকি ভুনাঃ - উপকরণ : লইট্টা শুঁটকি ২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ৪ কাপ, রসুন মোটা কুচি দেড় কাপ, টমেটো বাটা ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, চিনি দেড় চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৮টি, তেল ১ কাপ। - প্রণালি : শুঁটকি প্রতিটি ৩-৪ টুকরা করে কেটে শুকনো তাওয়ায় ভালো করে টেলে নিয়ে ঘণ্টা খানেক কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর গরম পানি দিয়ে ভালো করে কয়েকবার ধুয়ে নিন। পানি ঝরিয়ে পাটায় সামান্য থেঁতো করে মাঝখানের মোটা কাঁটা ফেলে দিন। তেল গরম করে ২ কাপ পেঁয়াজ কুচি ও সিকি চা-চামচ লবণ দিয়ে ভাজুন। পেঁয়াজ মজে এলে বাকি পেঁয়াজ দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভেজে চিনি, টমেটো বাটা এবং লাল মরিচের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। সামান্য পানি এবং লবণ দিয়ে নাড়ুন। এবার কাঁচা মরিচ ও রসুন বাদে অন্যান্য মসলা দিয়ে অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে শুঁটকিগুলো দিন। এবার রসুন কুচি ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পাঁচ-সাত মিনিট পর নেড়ে আঁচ কমিয়ে দিন। ভুনা ভুনা হয়ে এলে আরও একবার নেড়ে ঢেকে দিয়ে পাঁচ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দিন। পাত্রে বেড়ে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।


অথবা,