Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview রমজান মাসে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার "বড় বাপের পোলায় খায় " এর রেসিপি কি কেউ জানেন ?

*পুরানোঢাকা* *ঢাকাইয়াখাবার* *ভোজনরসিক* *নতুনরেসিপি* *বড়-বাপের-পোলায়-খায়* *চকবাজার*
( ৪ টি উত্তর আছে )

( ৪,৭৩৭ বার দেখা হয়েছে)

আমির  

মহাগুরু

‘বড় বাপের পোলায় খায়’ রমজান মাসে চকবাজারে ইফতার কিনতে গেলে যে কথাটি সবচেয়ে বেশি শোনা যায় তা হচ্ছে, ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়।’ রকমারি ইফতার বাজারের একটি জনপ্রিয় আইটেম ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। ঐতিহ্যবাহী এই পদটি প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো বলে জানা যায়। এটি তৈরিতে ডিম, গরুর মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচ, গরুর কলিজা, মুরগির মাংসের কুচি, মুরগির গিলা কলিজা, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, চিড়া, ডাবলি, বুটের ডাল, মিষ্টি কুমড়াসহ ১৫ পদের খাবার আইটেম ও ১৬ ধরনের মসলা প্রয়োজন। আর মোট ৩১টি পদের যে মিশ্রণ তৈরি হয়, তার নামই ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। একটি বড় গামলায় এই ৩১ ধরনের পদ দুই হাতে ভালোভাবে মাখিয়ে তারপর ঠোঙায় করে বিক্রি করা হয়। এটি কিনতে ছোট-বড় সব বয়সী রোজাদারের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি লেগে যায়। কেবল এই আইটেমটির জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা ছুটে যান চকবাজারে। এখনো পুরান ঢাকার এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের এটি ছাড়া ইফতার জমে না, পূর্ণতা পায় না। নতুন ঢাকার বাসিন্দারাও দিন দিন এই খাবারটির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বর্তমানে মূল্য প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত।

Hillol Sobhan  "যেদিন প্রতিটি উচ্চারিত শব্দ সূর্যের মত সত্য হবে সেই ভবিষ্যতের কথা বলছি..."

মহাগুরু

জঘন্য জিনিস। ইফতারির দোকানে যা থাকে মোটামুটি সব এক সাথে মেশায়। গোপন কোন রেসিপি না। সবার সামনেই বানায়। যেমন ধরেন খাসি/মুরগীর/কবুতর/কোয়েল রোস্ট, মুড়ি, গুগনি, বেগুনি, পেয়াজু, কাবাব (সুতি, শিক ইত্যাদি), লেবুর রস আরো হাবিজাবি যা কিছু আছে সেগুলো খোলা আকাশের নিচে ময়লা হাতে মিশিয়ে বানাতে হয় এই খাবার :-)

উদয়  

মহাগুরু

হিল্লোল ভাইয়ার সাথে একমত, এটি আসলেই দেখতে এবং খেতে, দুটোতেই বাজে l জঘন্য বললাম না, কারণ যারা পছন্দ করেন, তারা পিটুনি দিতে পারেন l রমজান মাসে চকবাজারে ইফতার কিনতে গেলে যে কথাটি সবচেয়ে বেশি শোনা যায় তা হচ্ছে, ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়।’ এটি আসলে আলাদা কোনো রেসিপি নয়, বরং অনেকগুলো রেসিপির সংমিশ্রন, এক কথায় ককটেল ইফতারও বলতে পারেন অনায়াসে l এটি কিনতে ছোট-বড় সব বয়সী রোজাদারের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি লেগে যায়। ঐতিহ্যবাহী এই পদটি প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো l এটি বাসাতে ট্রাই করতে না যাওয়াই ভালো l তবুও আপনার জানার জন্য লিখছি তারা কিভাবে করে থাকে এই বিশেষ পদ টি l এটি তৈরিতে ডিম, গরুর মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচ, গরুর কলিজা, মুরগির মাংসের কুচি, মুরগির গিলা কলিজা, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, চিড়া, ডাবলি, বুটের ডাল, মিষ্টি কুমড়াসহ ১৫ পদের খাবার আইটেম ও ১৬ ধরনের মসলা প্রয়োজন। আর মোট ৩১টি পদের যে মিশ্রণ তৈরি হয়, তার নামই ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। একটি বড় গামলায় এই ৩১ ধরনের পদ দুই হাতে ভালোভাবে মাখিয়ে তারপর ঠোঙায় করে বিক্রি করা হয়। অথচ দেখুন, কেবল এই আইটেমটির জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা ছুটে যান চকবাজারে। এখনো পুরান ঢাকার এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের এটি ছাড়া ইফতার জমে না, পূর্ণতা পায় না। নামের ট্রেন্ড ধরে আজকাল নতুন ঢাকার বাসিন্দারাও দিন দিন এই খাবারটির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন l

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

অথবা,