Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ৬ টি উত্তর আছে )

( ৪,২৭৬ বার দেখা হয়েছে)

শ্রীলা উমা  আমি বরাবরই একজন রাবীন্দ্রিক প্রেমিকা হতে চেয়েছিলাম

মহাগুরু

ভারত একটি হিন্দু সংখ্যাগরিস্ঠ দেশ আর আমরা জানি যে হিন্দু ধর্মে গরু গোমাতা হিসেবে পূজিত এবং গো-মাংস ভক্ষন ও গো-ব্যবসা নিষিদ্ধ । এরই প্রেক্ষিতে ভারতের সংবিধানে বানিজ্যিকভাবে গরু রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে । তাই ভারতে ব্যাপক হারে গরু পালন হলেও বানিজ্যিক ভাবে গরু রপ্তানি করতে আইনি বিধি নিষেধ রয়েছে । আর এই কারনেই আমাদের দেশে সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু চোরালান হয়ে আসে । চো্রাচালানের আর একটি বড় কারন হলো পশ্চিমবঙ্গ ও কেরেলা ব্যতিত অন্যান্য রাজ্যে গরু জবাই আইন করে নিষিদ্ধ করা আছে,কিন্তু এই ব্যাপক হারে পালিত গরু একটা সময়ে রুগ্নপ্রায় হয়ে মৃত্যু্র অপেক্ষায় থাকে যা পালনকারীর জন্য জটিলতার সৃস্টি করে তাই অবৈধ পথে প্রতিদিন অনেক গরু আসে আমাদের দেশে আর সবথেকে বেশি আসে কোরবানী ঈদ উপলক্ষে কিন্তু কখনই সেটা বৈধ ভাবে নয় ।

দস্যু বনহুর  *~ গভীর অন্তহীন তীব্রতা অবিনাশ ~*

মহাগুরু

বাংলাদেশের মাংসের চাহিদা পূরন করে থাকে প্রধানতঃ গরু, মুরগী এবং খাসি। এর মধ্যে গরুর মাংসের দাম অপেক্ষাকৃত কম । লস এঞ্জেলস টাইমস(২০১০ সাল) এর হিসাব অনুসারে বছরে ৫০ কোটী ডলারের বা ৪০০০ কোটী টাকার গরু ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাচালানের মাধ্যমে আসে, যা বাংলাদেশের গরুর মাংসের ৫০% এর ও বেশী চাহিদা পূরন করে থাকে । ঈদের সময় এই চোরাচালান আরো বেশী পরিমানে হয়। পৃথিবীর মধ্যে সবচে বেশী গরু পালিত হয় ভারতে। পশ্চিমবংগ এবং কেরালা ছাড়া ভারতের অন্য সব রাজ্যে গরু জবাই করা নিষিদ্ধ।ফলে বিপূল পরিমান গরু থেকে যায় স্বাভাবিক মৃত্যুর অপেক্ষায়। ভারত থেকে সরকারীভাবে গরু রফতানী করাও নিষিদ্ধ তবুও তা একটা বড় ব্যাবসা।বছরে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ গরু চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। এই গরুর চামড়াই আবার চোরাচালান হয়ে ফিরে যায় ভারতে। এর প্রধান কারন হল ভারতে এবং বাংলাদেশে গরুর দামে পার্থক্য। ভারতে যে গরুর দাম ১০০ ডলার তা বাংলাদেশে ৩০০ থেকে ৩৫০ ডলার মূল্যে বিক্রি হয়। ফলে গরু চোরাচালান সবচে লাভ জনক । বাংলাদেশে গরুর মাংসের চাহিদা আছে, দাম বেশী অথচ চাহিদার তুলনায় গরুর সংখ্যা কম। বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত সুরক্ষিত নয়। কারন হল ৪০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত নিশ্ছিদ্র করা সম্ভব নয়। এর উপর আছে সীমান্ত রক্ষীদের উপরি আয়, ফলে ভারত এবং বাংলাদেশের ব্যাবসায়ীদের জন্য গরু চোরাচালান এক লোভনীয় ব্যাবসা।

বাংলার বেদুঈন  মানুষের অফুরন্ত সম্ভাবনায় বিশ্বাস হারাতে নেই

মহাগুরু

হ্যা বৈধ পথে বাংলাদেশ ভারত থেকে গরু আমদানি করে থাকে. প্রায় প্রতিটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে গরু আমদানি করে থাকে.

মিকু  simple

মহাগুরু

হ্যা আমদানী হয়। আর পথে পথে চাদাবাজি, মাস্তানির কারনে ইন্ডিয়ান গরুর দাম-ও আকাশ ছোয়া থাকে।

বরবাদ  একজন ব্যর্থ মানুষ

গুরু

ইন্ডিয়া থেকে বৈধ পথে গরু আমদানি হয়


অথবা,