Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

জোবায়ের রহমান  I am a student of World University of Mistakes.

মহাগুরু

মলা মাছের আম ঝোল উপকরণ: মলা মাছ ৫০০ গ্রাম সরিষার তেল আধা কাপ কাঁচা আম একটি বড় করে কাটা পেঁয়াজ (দুই কাপ) রসুন কুচি (এক চা-চামচ) হলুদ, মরিচ ও ধনে গুঁড়া (আধা চা-চামচ করে) জিরা গুঁড়া এক চা-চামচ কুচি করা টমেটো একটি লবণ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা ও পানি স্বাদমতো। প্রণালি: তেল গরম করে রসুন ফোড়ন দিতে হবে। পেঁয়াজ দিয়ে নরম করে ভেজে গুঁড়া মসলা ও টমেটো একটু পানি দিয়ে কষাতে হবে। মাছ ও লবণ দিয়ে পাঁচ মিনিট রান্না করে পরিমাণমতো ঝোল দিতে হবে। ঝোল মাখা মাখা হলে আম ও কাঁচামরিচ ফালি করে ছড়িয়ে দিয়ে আরও দুই মিনিট দমে রেখে ওপরে ধনেপাতা ও জিরা গুঁড়া দিয়ে নামাতে হবে।

ইসরাত  আমার কাছেই সকল কথা অন্তরঙ্গ বলছি একা এমনি ভাবে বলেই যাব।

মহাগুরু

আমি ছোট মাছ সাধারণত সরিষার তেল দিয়ে রান্না করি | একটু বেশি পরিমান কাচা পেয়াজ ,কাচা মরিচ ফালি ,হলুদ ,লবন দিয়ে মাছ মাখিয়ে অল্প পরিমান পানি দিয়ে চুলে বসিয়ে দেই | চাইলে টমেটো ধনেপাতা দেয়া যেতে পারে | অনেক অঞ্চলে সরিষা বাটা দিয়ে ছোট মাছ রান্না করে | সাথে পালং শাক ও দেয়া যায় |

রশিদা আফরোজ  আমিই আমার প্রিয়!

গুরু

ছোট মাছ শব্দটাই তো মনটা উদাস করে দিল। যেকোনো ছোট মাছ রান্নায় পেঁয়াজ খানিকটা মোটা করে কাটি, পরিমাণেও বেশি দেই। ফালি করা কাঁচামরিচ অবশ্যই থাকতে হবে। আর ধনে পাতা ও টমেটো। মাছে দিতে হবে গরম পানি। রান্না শুরুর আগে মাছ ধোয়ার পর লবণ, গুড়ামরিচ, হলুদ, ধনে+জিরার গুড়া মাখিয়ে রাখি ৫/১০ মিনিট। প্রথমে পাত্রে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ভাজতে হবে, আধামিনিট পর রসুন কুচি দিয়ে দিন। একে একে কাঁচামরিচ, টমেটো ফালি দিন ১৫/২০ সেকেন্ডের ব্যবধানে। এরপর ছোটমাছ দিয়ে কাঠের চামচ দিয়ে খুব সাবধানে নেড়ে পরিমাণমতো গরম পানি ঢেলে তারপর ঢাকনা দিয়ে দিতে হবে। মাছ রান্না হবে মাঝারি আঁচে। ঢাকনা তোলা যাবে না। তেল উপরে উঠে এলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন ৩/৪ মিনিট। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

দস্যু বনহুর  *~ গভীর অন্তহীন তীব্রতা অবিনাশ ~*

মহাগুরু

আমার এই রেসিপিতে কচি কলাপাতা লাগবে, কাচকি মাছ লাগবে, রসুনের আস্ত কোয়া লাগবে, একটু কাঁচামরিচের সস লাগবে, একটুউউ হলুদের গুড়া, পেয়াজের পেষ্ট লাগবে, ভেজা রুমাল লাগবে এবং ভাপা পিঠার পাতিল লাগবে (অন্য উপায়েও করা যায় মাটির চুলার ভিতরে)। এবার চলুন রন্ধন প্রক্রিয়াতে.........। ২০০ গ্রাম কাচকি মাছে আপনার স্বাদ এবং সাধ মত সবকিছু দিন (দয়া করে কোন তেল দিবেন না এবং মাছ ভাল করে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিবেন।( জানেন তো " মাছ ধুইলে মিঠা আর মাংশ ধুইলে তিতা) কিন্তু রসূন দিতে হবে আস্ত আস্ত কোয়া। সব এক সাথে আলতো করে মাখিয়ে কচি কলাপাতায় মুড়িয়ে নিন এবং আবার ভেজা রুমালটা দিয়ে পেচিয়ে নিন। ইতিমধ্যে আপনার ভাপা পিঠার পাতিলের পানি বগল বগল করছে। চাপিয়ে দিন তার উপর এবং ঢাকনা দিয়ে দিন। ৩০ মিনিট পর ঢাকনা উঠিয়ে দেখুন (আগে নয়)। আশা করি স্বর্গীয় কাচকি মাছের একটা গন্ধ আপনার নাকে বাড়ি দিবে। উত্তেজিত হয়ে তখনই খুলবেন না পোটলাটা!! গন্ধ তেই বুঝবেন সেদ্ধ হয়েছে কিনা!! সেদ্ধ হয়ে গেলে পোটলা খুলে দেখেন আমার এই দুর্দান্ত রেসিপি'র চেহারা। খেতে দারুন এই ভাপা কাচকি। বিশ্বাস না হলে রেসিপি ফেরত নিব। ঃ)

ছায়াসঙ্গী  

মহাগুরু

মলা মাছ হালকা লবন আর গোলমরিচ দিয়ে ভেজে ঠান্ডা করে ফেলুন. তারপর গ্রিল করা টমেটো আর পেয়াজ এর সাথে পার্সলে কুচি , লেবুর রস, বালসামিক ভিনেগার, রসুন কুচি, অলিভ অয়েল , গোলমরিচ গুড়া, আর লবন দিয়ে মেখে একটা সালাদ তৈরী করুন. তারপর মাখন দিয়ে টোস্ট করা পাউরুটির ওপর পরিবেশন করুন.

আড়াল থেকেই বলছি  সীমানাহীন গন্তব্যে এখনো হাঁটছি একাকিত্বের লাঠি হাতে ....

মহাগুরু

কই-পালংয়ের ঝাল ঝোল: উপকরণ: কই মাছ ৬টি, পালংশাক ২৫০ গ্রাম, তেল ছোট কাপের ১ কাপ, টমেটো কুচি ১টি, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, কাটা পেঁয়াজ ১ কাপ, রসুন কুচি ১ চা চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া ১ চা চামচ করে, পানি, লবণ ও কাঁচামরিচ পরিমাণমতো। প্রণালি: লবণ ও হলুদ দিয়ে মাছ একটু হালকা আঁচে আধা ভাজা করে রাখতে হবে। এবার ওই তেলেই রসুন ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে টমেটো, বাটা মসলা ও গুঁড়া মসলা সামান্য পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মসলা কষানো হলে এতে শাক দিতে হবে। একটু পরে ভাজা মাছ ও আরও একটু লবণ দিয়ে ৫-৬ মিনিট রেখে পরিমাণমতো ঝোল দিতে হবে। রান্না হয়ে এলে কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ দমে রেখে নামাতে হবে।

ღღ..নাদিয়া..ღღ  শুন্যতায় স্বয়ংসম্পুর্ন আমি :)

গুরু

বেলে মাছ ভাজা উপকরণ: বেলে মাছ ৩০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চামচ, জিরাবাটা আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো, পানি আধা কাপ। প্রণালি: ওপরের সব উপকরণ দিয়ে মাছ একসঙ্গে মেখে রাখুন। ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে মৃদু আঁচে মাছ ভাজুন, এবার উল্টে দিন এবং সামান্য পানি দিন। বেলে মাছ শুকনো শুকনো করে ফেলুন। ভাত বা পোলাওর সঙ্গে পরিবেশন। চিংড়ির বাটি চচ্চড়ি উপকরণ: চিংড়ি মাছ ১ কাপ (মাঝারি), নারকেলবাটা ২ টেবিল চামচ, সরিষাবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ২টি, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ফালি ২-৩টি। প্রণালি: ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে একটি ঢাকনাযুক্ত স্টিলের বাটিতে দিয়ে প্রেশার কুকারে ভাপে সেদ্ধ করে নিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন চিংড়ির বাটি চচ্চড়ি। ট্যাংরা মাছের ঝাল উপকরণ: ট্যাংরা মাছ ৩০০ গ্রাম, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হুলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৩-৪টি, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, আলু কুচি (মাঝারি) ১টি। প্রণালি: মাছ কেটে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। চুলায় ফ্রাইপ্যানে তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজবাটা, রসুনবাটা, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া, লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে কষে নিন। কষানো হলে তাতে মাছ ও আলু কুচি দিন। একটু নেড়ে এক কাপ পানি দিন এবং ঢেকে দিন। মাছ ও আলু সেদ্ধ হলে ধনেপাতা ও কাঁচা মরিচ দিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।


অথবা,