Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

★ছায়াবতী★  ছায়ামানবী ...ছায়া ছায়া অনুভবে

মহাগুরু

আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে এই মৌসুমে শরীরে বাড়তি ক্যালরি ও রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদাও বাড়বে কিছুটা। তাই খাবার বাছাইয়ে অভিভাবকদের সচেতনতা জরুরি। একই সঙ্গে সচেতনতা তৈরি করে দিতে হবে শিশুদের মধ্যেও। যেহেতু দিনের একটা বড় অংশ কম বয়সী ছেলেমেয়েরা স্কুলেই কাটায় তাই স্কুলের টিফিন হওয়া চাই স্বাস্থ্যসম্মত। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে বাড়ির খাবারেও। এই গরমে আপনার স্কুলগামী সন্তানদের জন্য খাবার বাছাই আর স্কুলের টিফিন তৈরিতে খেয়াল রাখতে পারেন নিচের বিষয়গুলোর প্রতি। স্কুলের টিফিনে ১. দিনের কতটা সময় বাইরে থাকতে হবে সে অনুযায়ী পানি দিয়ে দিতে হবে শিশুকে। পানির পাত্রটা নিয়মিত পরিষ্কার করাটাও জরুরি। ২. মৌসুমি ফল থেকে ঘরে তৈরি জুস দিয়ে দিতে পারেন টিফিনের সঙ্গে। তরমুজ, বাঙ্গি, পেঁপে, বেল থেকে বেছে নিন পছন্দ মতো। ক্লাসের প্রথম দিকের বিরতিতেই খেয়ে নিতে হবে জুস। নইলে জুসের স্বাদ, তারল্য খানিকটা বদলে যেতে পারে। ৩. মাঝে মাঝে ডাবের পানি দিতে পারেন পানীয় হিসেবে। আগে থেকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে দিলে ডাবের পানির সঞ্জীবনী গুণ থাকবে আরেকটু বেশি সময় ধরে। ৪. টিফিনে কেবল আপেল কমলা না দিয়ে পেয়ারা, আমের মতো অন্যান্য মৌসুমি ফলও স্লাইস করে দিয়ে দিতে পারেন। দিতে পারেন বরই, কামরাঙার মতো ফলও। ফলের সঙ্গে একটু গোলমরিচ বা সরিষার মণ্ড বানিয়ে দিলে খেতে ভালো লাগবে। ৫. তেলে ভাজা স্ন্যাকস এড়িয়ে চলুন। মাংসের বদলে সবজির প্রাধান্য রাখুন খাবারদাবারে। ৬. খাবারে বৈচিত্র্য আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিফিন একঘেয়ে হয়ে গেলে শিশুর যেমন আকর্ষণ কমে যায় তেমনি তা বাইরের খাবারের প্রতি আকর্ষণও বাড়িয়ে দিতে পারে। ৭. টিফিন তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই সন্তানের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি বিবেচনায় রাখুন। বাড়ির সময়টুকু ১. বাড়িতে থাকার সময়টুকুতেও শিশুর পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করুন। ২. প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন শাকসবজি ও কোনো না কোনো মৌসুমি ফল। খেয়াল রাখবেন, সেখানে যেন থাকে সবুজসহ অন্য দুই তিনটি রঙের সবজি বা ফল। সবজি ও ফলের এই ভিন্ন ভিন্ন রং আসলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিন্ন ভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেয়। ৩. দিনে-রাতের প্রধান খাবারের পাশাপাশি নাশতা হিসেবে তরল ও জলীয় খাবার বেশি রাখুন। আর দুপুর বা রাতের খাবারেও দুষ্পাচ্য ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন। গরমের দিনে খাবারে অসাবধানতার কারণে স

রোদেলা বসন্ত  এটা জীবন, খেলাঘর নয়...

মহাগুরু

গরমে শিশুর খাদ্যতালিকায় হাল্কা, পুষ্টিকর, টাটকা এবং সহজপাচ্য খাবার রাখুন। শিশুর খাদ্যতালিকায় থাকতে হবে পর্যাপ্ত পানীয়, যতটা সম্ভব বাইরের খাবার এড়াতে হবে।মৌসুমি ফল থেকে ঘরে তৈরি জুস দিয়ে দিতে পারেন টিফিনের সঙ্গে। তরমুজ, বাঙ্গি, পেঁপে, বেল থেকে বেছে নিন পছন্দ মতো। মাঝে মাঝে ডাবের পানি দিতে পারেন পানীয় হিসেবে। আগে থেকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে দিলে ডাবের পানির সঞ্জীবনী গুণ থাকবে আরেকটু বেশি সময় ধরে।টিফিনে কেবল আপেল কমলা না দিয়ে পেয়ারা, আমের মতো অন্যান্য মৌসুমি ফলও স্লাইস করে দিয়ে দিতে পারেন। দিতে পারেন বরই, কামরাঙার মতো ফলও। মাঝে মাঝে চার-পাচঁ রখম ফল দিয়ে ফলের সালাদ/ ফলাহার করে দিতে পারেন।ফলের সঙ্গে একটু গোলমরিচ বা সরিষার মণ্ড বানিয়ে দিলে খেতে ভালো লাগবে।তেলে ভাজা স্ন্যাকস এড়িয়ে চলুন। মাংসের বদলে সবজির প্রাধান্য রাখুন খাবারদাবারে। খাবারে বৈচিত্র্য আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টিফিন একঘেয়ে হয়ে গেলে শিশুর যেমন আকর্ষণ কমে যায় তেমনি তা বাইরের খাবারের প্রতি আকর্ষণও বাড়িয়ে দিতে পারে।টিফিন তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই সন্তানের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি বিবেচনায় রাখুন।তাই কখনো বেশি করে শাকসবজি দিয়ে নরম খিচুড়ি আবার কখনো সবজি রোল/ সান্ডুইচ বা বেশি করে শাকসবজি দিয়ে নুডুলসও তৈরি করে দিতে পারেন।বাড়িতে থাকার সময়টুকুতেও শিশুর পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করুন।প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন শাকসবজি ও কোনো না কোনো মৌসুমি ফল। খেয়াল রাখবেন, সেখানে যেন থাকে সবুজসহ অন্য দুই তিনটি রঙের সবজি বা ফল। সবজি ও ফলের এই ভিন্ন ভিন্ন রং আসলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিন্ন ভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেয়। দিনে-রাতের প্রধান খাবারের পাশাপাশি নাশতা হিসেবে তরল ও জলীয় খাবার বেশি রাখুন। আর দুপুর বা রাতের খাবারেও দুষ্পাচ্য ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন। ধন্যবাদ

Ahetesham Uddin  কমপিউটার জগতের মাসুম ভাই

গুরু

মৌসুমী ফল, ভাত টাটকা সবজি ও প্রচুর বিশুদ্ধ পানি দিতে পারেন।

হাসনাহেনা  কথা কম, কাজ বেশী....

জ্ঞানী

আমাদের সময়ে টিফিন ছিলো দুটো শুকনো রুটি, তার ভিতরে চিনি দিয়ে মোড়ানো, আর একটা করে কলা, তবে এখন অনেক টিফিন আইটেম বাজারে পাওয়া যায় বলে মনে হয় যা স্বাস্হ্যসম্মত বলেই বিজ্ঞাপনে বলা হয়...এই আর কি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

মৌসুমি ফল থেকে ঘরে তৈরি জুস দিয়ে দিতে পারেন টিফিনের সঙ্গে। তরমুজ, বাঙ্গি, পেঁপে, বেল থেকে বেছে নিন পছন্দ মতো। মাঝে মাঝে ডাবের পানি দিতে পারেন পানীয় হিসেবে। আগে থেকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে দিলে ডাবের পানির সঞ্জীবনী গুণ থাকবে আরেকটু বেশি সময় ধরে।টিফিনে কেবল আপেল কমলা না দিয়ে পেয়ারা, আমের মতো অন্যান্য মৌসুমি ফলও স্লাইস করে দিয়ে দিতে পারেন। দিতে যেহেতু দিনের একটা বড় অংশ কম বয়সী ছেলেমেয়েরা স্কুলেই কাটায় তাই স্কুলের টিফিন হওয়া চাই স্বাস্থ্যসম্মত। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে বাড়ির খাবারেও। এই গরমে আপনার স্কুলগামী সন্তানদের জন্য খাবার


অথবা,