Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview ডায়াবেটিস রোগীরা কি মধু খেতে পারবে?

*মধু* *হেলদিফুড* *ডায়াবেটিস*
( ৬ টি উত্তর আছে )

( ২২,০১৬ বার দেখা হয়েছে)

শাহান  Tinkerer

পন্ডিত

না খেতে পারবে না। আসলে ডায়াবিটিস আর মিষ্টির সাথে সম্পর্ক সরাসরি কোনো নেই। জিনিস টা হলো ডায়াবিটিস রুগীরা ইন্সুলিন বা খুব রারে কেস এ গ্লুকাগন বানাতে পারে না। তাই যত অতিরিক্ত গ্লুকোজ বা গ্লায়কজেন ভাঙ্গতে পারে না। শরীরে শক্তির জন্য প্রটিন আর ফ্যাট বাদে বাকি সব খাবার গ্লুকোজ হিসেবে ব্যবহার হয় বা গ্লায়কজেন হিসেবে সংগ্রখ্হন হয়। সুষ্ট মানুষের যখন এই গ্লুকোজ লেভেল বেড়ে যায় রক্তে তখন তার শরীর সেই অতিরিক্ত গ্লুকোজ ইন্সুলিন দ্বারা গ্লায়কজেন বানিয়ে সংগ্রখ্হন করে। আর যখন একটি দায়্বিতিস রুগীর রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ হয়ে যায় তখন সে রক্তে থেকে যায়। এই ভারী রক্ত তখন অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে - কিডনি তে বা হার্ট এ জোর ফেলে। তাহলে কি করা যেতে পারে? যদি দায়্বিতিস রুগী এই গ্লুকোজ টা ব্যবহার করে ফেলে তাহলে তো আর অতিরিক্ত রইলো না। তার মানে যদি ডায়াবেটিস রোগী যদি বেয়াম বা হাটা চলা করে এই গ্লুকোজ টা ব্যবহার করে ফেলে তাহলে মধু কেন সব কিছুই খেতে পারবে। কার্বোহাইড্রেট - যেইরকম ভাত, নুডলস, ফল, এসব খাবারো কিন্তু গ্লুকোজ এ পরিনিত হয়। সংক্ষেপে এই টাই হলো মূল বিষয়। ডায়াবেটিস আসলে রোগ নয় কিন্তু একটা শারীরিক অক্ষমতা। আর ডায়াবেটিস কয়েক ধরনের হয়, বিস্তারিত আসলে ডাক্তারের পরামর্শ নাওয়া উত্তম।

আড়াল থেকেই বলছি  সীমানাহীন গন্তব্যে এখনো হাঁটছি একাকিত্বের লাঠি হাতে ....

মহাগুরু

মোটেও খেতে পারবে না কারণ, মধুতে যথেষ্ট পরিমাণে শর্করা আছে। মধুর ২৫%-৩৭% গ্লুকোজ, ৩৪%-৪৩% ফ্রুকটোজ, ০.৫%-৩% সুক্রোজ এবং ৫%-১২% গ্যালাক্টোজ থাকে। গ্লুকোজ তো আছেই। বাকি শর্করাটুকুও রেচন প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। অর্থাৎ গৃহীত মধুর প্রায় ৭৫% থেকে ৮০% গ্লুকোজে পরিণত হচ্ছে। প্রতি গ্রাম মধু থেকে ১.৮৮ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। এতে সামান্য পরিমাণে প্রোটিনও পাওয়া যায়। মধু একটি ঘন শর্করা জাতীয় খাদ্য। কেউ কেউ বলে থাকেন মধু মিষ্টি জাতীয় খাদ্য হলেও ডায়াবেটিস রোগীরা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ইচ্ছেমাফিক মধু খেতে পারেন। কোনো ডায়াবেটিস রোগী যদি সত্যি সত্যি তা করে থাকনে তবে তিনি নিজের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনবেন। আর তা বাজারের অন্য কোনো মিষ্টিদ্রব্য যেমন— রসগোল্লা, চমচম বা সন্দেশ খাওয়ার চেয়ে বড় মাত্রায় হবে। কেন হবে এমন তা আমরা উপরের দেখানো মধুর উপাদানের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা মধু একেবারেই খেতে পারবেন না তা নয়। তবে যতটুকু মধু খাবেন, তার সমতুল্য পরিমাণ শর্করা জাতীয় খাদ্য তার জন্য নির্ধারিত পরবর্তী বেলার খাদ্য হতে কম খেতে হবে। আর এক সঙ্গে বেশি পরিমাণ মধু কোনোভাবেই খাওয়া উচিত হবে না। এক চামচ মধু খাবার জন্য প্রায় দেড় কাপ ভাত, ছোট একটি রুটি খাওয়া বাদ দিতে হবে। কেউ যদি এরূপ হিসেব মেনে নিয়ে মধু খেতে পারেন, তবে তার জন্য খুব ক্ষতিকর হবে না। তবে এটা করা বেশিরভাগ ডায়াবেটিস রোগীর পক্ষেই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আর তাই ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মধু বর্জন করাই ভাল।

Lutfun Nessa  সবই অনিশ্চিত, মরিব এটা নিশ্চিত:(

মহাগুরু

উত্তর:  কারও রক্তে প্রয়োজনের তুলনায়   অধিক  পরিমানে চিনি বা শর্করা থাকলে ডায়াবেটিস  হয়েছে বলা হয়,,,, মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে চিনি বা শর্করা তাই ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মধু বর্জন করাই বুদ্ধিমানের কাজ.

ধন্যবাদ..............................

chhottopakhi  

পন্ডিত

উত্তর: মধু একটি উত্তম খাদ্য ও পানীয়। অনেক শতাব্দী ধরেই বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশে সাধারণ খাদ্য ও ঔষধি খাদ্য হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধু একটি ভাল বলকারক ও উত্তেজক খাদ্য। অনেকে দীর্ঘসূত্রী সর্দি-কাশিতে বা যাদের ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগে তাদের জন্য মধু উপকারী বলে দাবি করে আসছেন। যে কারণেই খাওয়া হোক না কেন ডায়াবেটিস রোগীদের বেলায় মধু খাওয়া কতটা এবং কিভাবে স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে মৃদু বিতর্ক চলছে। এ আলোচনার মাধ্যমে সে বিতর্ক কিছুটা হলেও অবসান হবে বলে আশা করছি।

মধুতে যথেষ্ট পরিমাণে শর্করা আছে। মধুর ২৫%-৩৭% গ্লুকোজ, ৩৪%-৪৩% ফ্রুকটোজ, ০.৫%-৩% সুক্রোজ এবং ৫%-১২% গ্যালাক্টোজ থাকে। গ্লুকোজ তো আছেই। বাকি শর্করাটুকুও রেচন প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়। অর্থাৎ গৃহীত মধুর প্রায় ৭৫% থেকে ৮০% গ্লুকোজে পরিণত হচ্ছে। প্রতি গ্রাম মধু থেকে ১.৮৮ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। এতে সামান্য পরিমাণে প্রোটিনও পাওয়া যায়। মধু একটি ঘন শর্করা জাতীয় খাদ্য। কেউ কেউ বলে থাকেন মধু মিষ্টি জাতীয় খাদ্য হলেও ডায়াবেটিস রোগীরা স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ইচ্ছেমাফিক মধু খেতে পারেন।

কোনো ডায়াবেটিস রোগী যদি সত্যি সত্যি তা করে থাকনে তবে তিনি নিজের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনবেন। আর তা বাজারের অন্য কোনো মিষ্টিদ্রব্য যেমন— রসগোল্লা, চমচম বা সন্দেশ খাওয়ার চেয়ে বড় মাত্রায় হবে। কেন হবে এমন তা আমরা উপরের দেখানো মধুর উপাদানের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা মধু একেবারেই খেতে পারবেন না তা নয়। তবে যতটুকু মধু খাবেন, তার সমতুল্য পরিমাণ শর্করা জাতীয় খাদ্য তার জন্য নির্ধারিত পরবর্তী বেলার খাদ্য হতে কম খেতে হবে। আর এক সঙ্গে বেশি পরিমাণ মধু কোনোভাবেই খাওয়া উচিত হবে না। এক চামচ মধু খাবার জন্য প্রায় দেড় কাপ ভাত, ছোট একটি রুটি খাওয়া বাদ দিতে হবে। কেউ যদি এরূপ হিসেব মেনে নিয়ে মধু খেতে পারেন, তবে তার জন্য খুব ক্ষতিকর হবে না। তবে এটা করা বেশিরভাগ ডায়াবেটিস রোগীর পক্ষেই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আর তাই ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মধু বর্জন করাই ভাল।

লেখক ডা. শাহজাদা সেলিম এমবিবিএস, এমডি (এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম)এমএসিই (ইউএসএ)হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।কমফোর্ট ডক্টরস্ চেম্বার ১৬৫-১৬৬, গ্রীনরোড, ঢাকা।

সূত্র: ইন্টারনেট 

আমির  

মহাগুরু

না,ডায়াবিটিসের রোগীরা মধু খেতে পারে না..........


অথবা,