Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Mahi Rudro  আমি আমার মতই।

মহাগুরু

জেনারেল ইয়াহিয়া জেনারেল মানেকশ’র নিকট একটি আবেদনে জানিয়েছিলেন যে, "পাকবাহিনী আত্মসমর্পনে প্রস্তুত তবে তাদের শুধু একটি প্রার্থনা যে আত্মসমর্পন গ্রহন করবে ভারতীয় সেনানায়কেরা । কারণ ভারত জেনেভা কনভেনশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত । বাংলাদেশ যেহেতু জেনেভা কনভেনশনে সই করেনি তাই বাংলাদেশের জেনেরেলের নিকট আত্মসমর্পন করা সম্ভব নয় ।কারণ মুক্তিবাহিনী যদি প্রতিশোধমূলক হত্যা চালায় তবে আন্তর্জাতিক আইন বা জেনেভা কনভেনশন তাদের রক্ষা করতে পারবে না ।" . পাকিস্তানীরা কেনো মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেনি এটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জেনারেল ওসমানী। ব্যাপারটা এমন যে যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক নীতিমালা আছে যার নাম 'জেনেভা কনভেনশন'। বাংলাদেশ এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় বলেই সেই নীতিমালা মানতে মুক্তিবাহিনী বাধ্য ছিলো না। তাই তাদের হত্যা করলে বা তাদের উপর অত্যাচার করলে বলার থাকতো না কিছু। . ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে) আত্মসমর্পন করেছিল যৌথকমান্ডের অন্যতম অধিনায়ক জেনারেল অরোরার কাছে। আত্মসমর্পণের দলিলে জগজিত সিং অরোরা স্বাক্ষর করেন মিত্রবাহিনীর পক্ষে। বাংলাদেশের পক্ষে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন (এয়ার ভাইস মার্শাল) একে খন্দকার। আরো উপস্থিত ছিলেন ২ নং সেক্টর (ঢাকা) কমান্ডার এ টি এম হায়দার। . আত্মসমর্পনের দলিলের নীচে স্বাক্ষরের নীচে ইংরেজিতে আরোরার পদবি ছিল- General Officer Commanding in Chief, India and BANGLA DESH Forces in the Eastern Theatre. এ শব্দটুকুর না বুঝার কোন কারণ নেই। এ প্রসঙ্গে জেনারেল ওসমানী বলেন, "আমি উপস্থিত থাকলেও আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এই সশস্ত্র যুদ্ধ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ কমান্ডের অধীনে হলেও যুদ্ধের অপারেটিং পার্টের পুরো কমান্ডে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল স্যাম মানেকশ। আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান নই। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার।

আড়াল থেকেই বলছি  সীমানাহীন গন্তব্যে এখনো হাঁটছি একাকিত্বের লাঠি হাতে ....

মহাগুরু

আমি যতটুকু জানি.. দুর্ভাগ্যজনক সত্য হচ্ছে এই আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনি সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানি উপস্থিত ছিলেন না। একমাত্র চিফ ষ্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকার সাহেব উপস্থিত ছিলেন। যেীথ কমান্ড এর কাছে আত্মসমর্পন করলেও বাংলাদেশ এর পক্ষে কেউ সেই দলিলে সাক্ষর করেননি। জেনারেল জ্যাকব এর আত্মজীবনি থেকে আরো জানা যায় যে ভারতে বন্দি অবস্থায় থাকার সময় এই দলিল নতুন করে লিখা হয় এবং নিয়াযি তাতেও সাক্ষর করেন।

কামাল হোসাইন  কিছু জানাতে চাই/ জানতে চাই

বিশারদ

"সেনা বাহিনীর নিয়মে আত্মসমর্পন করতে হয় সমপর্যায়ের অফিসারদের মধ্যে, আর ঐ সময় বাংলাদেশের হয়ে সমপ্ররযায়ের কেউ উপস্থিত না থাকায় , ইন্ডিয়ান অরোরা আর পাকিস্থানি নিয়াজী স্বাক্ষর করেন।" বাংলাদেশের সমপ্ররযায়ের আতাউল গণি উসমানি ঐ সময় সিলেট থাকার কারনে ইন্ডিয়ান জগজিত সিং অরোরা স্বাক্ষর করেন মিত্রবাহিনীর পক্ষে।

নামহীন  বিশেষত্বহীন

বিশারদ

একবাক্যে এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়- সেটি হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান আত্মসমর্পণ করেছিলেন যৌথবাহিনীর কাছে, আর বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী এবং ভারতের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গড়া যৌথ বাহিনীর প্রধান ছিলেন জগজিৎ সিং অরোরা। সঙ্গত কারণেই তিনি সই করেছিলেন, ঐ অনুষ্ঠানে এম এ জি ওসমানী ছিলেন না, তবে মুক্তিবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা এ কে খন্দকার ছিলেন। 

ইউটিউবে এই বিষয়ে জগজিৎ সিং অরোরার সাক্ষাৎকার পাবেন, তাছাড়া বিডিনিউজ২৪ এ এম এ জি ওসমানী কেন ছিলেন না এই বিষয়ে মতামত পাবেন। তাদের কথা বাদ দিয়ে অন্য কারো কথা বোধহয় বিশ্বাস করাটা ঠিক হবে না। 

তথ্যসূত্রঃ যৌথবাহিনীর কাছে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের বিজয়

১ টি উত্তর লুকিয়ে রাখা হয়েছে

অনুভূতিহীন

জ্ঞানী

দুক্ষবিলাসী

হা হা হা ????

অথবা,