Preview
প্রশ্ন করুন

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ৩ টি উত্তর আছে )

( ১৫,২৫২ বার দেখা হয়েছে)

Mahi Rudro  আমি আমার মতই।

মহাগুরু

ম্যাগনা কার্টা অর্থ মহাসনদ। ইংল্যান্ডের রাজা জনের বেশ কিছু জমি ছিল ফ্রান্সে। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ওই সম্পত্তির অধিকাংশই তিনি হারান ১২০৪ সালের মধ্যে। সেগুলো ফিরে পেতে যুদ্ধের মতলব আঁটেন তিনি। এতে রাজকোষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রসারণ করা হয় করভিত্তি, আর সে ব্যয়ভার বহন করতে হয় ব্যারনদের। অর্থ সংগ্রহ হয়, যুদ্ধও হয়। তাতে জিততে পারেননি জন। এই যুদ্ধ তার জীবনে দেখা দেয় এক ব্যয়বহুল ব্যর্থতা হিসেবে। ব্যক্তি ভাবমূর্তিও জনের পক্ষে ছিল না। রাজা ও ব্যারনদের মধ্যে আস্থা ছিল না। তত্কালে রাজা কর্তৃক অন্যায়ভাবে সম্পদ-সম্পত্তির জবরদখল, ক’দিন পর পর নতুন কর চালু প্রভৃতি নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত ছিলেন ব্যারনরা। জনকে বিদ্রোহী ব্যারনদের শান্তি প্রস্তাব মেনে নিতে হয়। ১২১৫ সালের ১৫ জুন ম্যাগনা কার্টা স্বাক্ষর হয়। ক্ষমতা লিপ্সু রাজা সহজেই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে চান নি। কিন্তু সকল সামন্ত মিলে রাজা জন কে লন্ডনের কাছে এক দ্বীপে বন্দি করে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। . চুক্তির বিস্তারিত : সনদে প্রত্যেকের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার রাখা হয়। স্পষ্ট বলা হয়, সামন্তরা কোন শর্তে কী পরিমাণ অর্থ দেবেন রাজকোষাগারে। এও বলা হয়, দলিলটি বাস্তবায়ন করবে ২৫ জন ব্যারনের সমন্বয়ে গঠিত পর্ষদ। চার্টারের একটি ধারা ইংল্যান্ডের অর্থনীতি এবং আরো পরে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটকে প্রভাবিত করেছে ব্যাপকভাবে। ওই ধারায় বলা আছে, রাজ্যজুড়ে অরিষ্ট, যব-সুরা ও খাদ্যশস্য পরিমাপের একটা প্রমাণ ব্যবস্থা থাকতে হবে; ইচ্ছেমতো পণ্য বিনিময় চলবে না। চুক্তির সম্পত্তির অধিকার-সংক্রান্ত ধারায় বলছে- ‘কেবল দেশের প্রচলিত আইনের আওতা অথবা আইনগতভাবে প্রাপ্যতার সমান ভাগ অনুযায়ী সমান মর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তির এখতিয়ার ভিন্ন কোনো স্বাধীন মানুষকে গ্রেফতার কিংবা কারাগারে পাঠানো যাবে না বা নিজ অধিকার অথবা সহায়-সম্বল থেকে তাকে বঞ্চিত করা যাবে না বা নির্বাসন কিংবা বিতাড়ন করা যাবে না বা সামাজিক অবস্থান থেকে দূরে রাখা যাবে না বা তার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ করা যাবে না অথবা আমাদের দ্বারা নিযুক্ত এমন কোনো ব্যক্তিও তাদের বিরুদ্ধে তদ্রূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে না।’ . ব্রিটিশ সিংহাসনের চারপাশে চিরতরে সীমারেখা এঁকে দেয় ম্যাগনা কার্টা; রাজার শাসনের বদলে বসিয়ে দেয় আইনের শাসনের ধারণা। এই সনদের আলোকে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ তাদের সংবিধান প্রণয়ন করে।

আড়াল থেকেই বলছি  সীমানাহীন গন্তব্যে এখনো হাঁটছি একাকিত্বের লাঠি হাতে ....

মহাগুরু

১৫ জুন ১২১৫ সালে ইংল্যান্ড এর অজনপ্রিয় রাজা জন এবং বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে সাক্ষরিত চুক্তিই ম্যাগনাকার্টা চুক্তি নামে পরিচিত। এটাকে মানব অধিকারের মহাসনদও বলা হয়। এই ম্যাগনাকার্টা চুক্তির ধারাগুলো বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলো যা অসংখ্য সংবিধানের মূলভিত্তি গড়ে দিয়েছিলো। এই চুক্তির মাধ্যমেই আইনের শাসনের সূচনা হয় চুক্তিটি হয়েছিল বৃটেনে রাজা জন এবং সম্পদশালী ও ধনী ভূম্যাধিকারী বা ব্যারণদের মধ্যে.. বিস্তারিত : বিবৃতিতে হ্যামন্ড বলেন, ম্যাগনা কার্টা গতিশীল অর্থনীতি সমর্থন করে আধুনিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সমর্থন করে। আর গ্রেট ব্রিটেন এরই উদহারণ। ১২১৫ সালে ব্রিটেনের রাজা জন ম্যাগনা কার্টার অনুমোদন দেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে উত্তরণের ক্ষেত্রে ম্যাগনা কার্টাকে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রথম অমূল্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের পাশাপাশি আইনের শাসনের ধারণার যাত্রাও শুরু হয় এই ম্যাগনাকার্টা চুক্তির মধ্য দিয়েই। এই ঐতিহাসিক সনদেই বিশ্ব ইতিহাসে সর্বপ্রথম ঘোষণা করা হয় কোনো দেশের রাজাসহ সে দেশের সবাই রাষ্ট্রীয় আইনের অধীন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

অথবা,