Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

দীপ্তি  আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)

মহাগুরু

বংশালের ২৯/১ নর্থসাউথ রোডের আল রাজ্জাকে থাকে বহুবিচত্রি নবাবী ইফতারের আয়োজন। এ হোটেলের ইফতার কেবল নয়, খাবারের বিশেষ স্বাদে গুণে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান অনেকে রাজ্জাকের খাবারের স্বাদ চেখে দেখেছেন আর পঞ্চমুখ হয়েছেন প্রশংসায়। ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম সব প্রান্ত থেকেই অসংখ্য মানুষ এখানে নিয়মিত ইফতারি কিনতে আসেন। প্রায় প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এ হোটেলটি রোজার মাসের বাহারি ও বিচিত্র স্বাদের ইফতারির জন্য সমাদৃত। পুরনো ঢাকার ইফতারির মধ্যে যেন মিশে আছে ঐতিহ্যের স্বাদ। আর সে ঐতিহ্যের অনেক পরিচ্ছন্ন ধারক হোটেল আল-রাজ্জাক। বংশালে আল রাজ্জাকের ইফতারে আগাগোড়াই থাকে নবাবী আমেজ। এখানে ঐতিহ্যবাহী মজাদার খাবারের মধ্যে সুতি কাবাব, শাহি জিলাপি আর রাজ্জাকের হালিমের কদর ব্যাপক। ইফতারের অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে রয়েছে শাহি কাবাব, শিক কাবাব, বুটি কাবাব, মুঠি কাবাব, তন্দুর, নান, লেগ রোস্ট, মোগলাই পরোটা, কিমা পরোটা, টানা পরোটা, প্লেইন পরোটা, দই বড়া, বোরহানি, লাবাং, চাটনি, খাজা, মালপোয়া, শিঙ্গাড়া, নিমকি, সমুচা, কচুরি, পিটি, চিকেন নারকেট, ছোলা ভুনা, ঘুঘনি ভুনা, পিঁয়াজু, আলুর চপ, ফুলুরি, তেহারি, মুরগি টিক্কা, মুরগি ঝোল, বড় মাছের কোপতা, গরুর চপ, মালাইকাপ, ফিরনি, মিষ্টি শিঙ্গাড়া, বুন্দিয়া, দই-বুন্দিয়া, সবজি রোল, ব্যানানা রোল, চিকেন কাটলেট, চিকেন স্টিক, নিমকপাড়া, বেগুনি। এছাড়া আরো আছে পাখির রোস্ট, বড় সাইজের মুরগির রোস্ট, 'আনাম খাসি, চিংড়ি, খাসির পায়ের রোস্ট, শাহি দইবড়ার বাটি, টারকি বিফ, কাশ্মিরি শরবত, অ্যারাবিয়ান কাবাব, ডিম চপ, পনির সমুচা। মাটন গাসি, মাটন চাপ, চিকেন কাবাব আর ফালুদা তো আছেই। ১৯৯৩ থেকে মরহুম ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ হোসেন মোল্লার হাতে এর প্রচলন হয়। এরপর প্রায় দুই যুগ ধরে পুরান ঢাকার বিভিন্ন আইটেম দিয়ে পুরো রোজার মাস ইফতারের পসরা এখানে বসে। মাংসের পদগুলোয় শুধু দেশি মুরগি ও খাসির মাংসই ব্যবহার করা হয়। সবচেয়ে বেশি চাহিদা দমাটন লেগ রোস্টের। মাটন লেগ রোস্টটি মূলত ভারতীয় খাবার। ৩০০ প্রাম ওজনের খাসির রানের মাংসের সঙ্গে দই, দুধ, মাওয়া, চিনি, আলু বোখারা, তেল, ঘি, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, কিশমিশ, গরম মসলা প্রভৃতি মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দেয়া হয়। ৭০ থেকে ৮০টি রান দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা ভাঁপে রান্না হয়। প্রকৃত দামটা বলতে পারলাম না, তবে আশা করা যায়, দাম ১০০০ টাকার মধ্যেই হবে।


অথবা,