Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

প্রথমত আমাদের সবাইকে বুজতে হবে একটা রূমে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ থাকে, হয়ত কিছু কিছু রূমমেন্ট একই শ্রেণীর,  কিন্তু একই শহর বা জেলার নাও হতে পারে।কথায় আছে দুই পাতিল এক সাতে রাখলে আওয়াজ হবেই।তেমনি এক রূমে এক সাথে অনেকজন থাকলে কথা কাটাকাটি হওয়া সাবাবিক। কিন্তু এসব সিচুয়েশন এ আমাদেরকে যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখা, রূমমেন্ট কে বুঝার চেষ্টা করা। হয়ত আমার দোষ নাই,  রূমমেন্ট এর দোষই বেসি। তাতেও নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করবো, প্রয়োজনে রূম থেকে বের হয়ে নিজেকে শান্ত করবো।আর সবসময় চেষ্টা করা উচিত কম কথা বলার। অপ্রয়োজনীয় কথাতে অধিকাংশ সময় কথা কাটাকাটি হয়।

Lutfun Nessa  সবই অনিশ্চিত, মরিব এটা নিশ্চিত:(

মহাগুরু

রুমমেটের সাথে মনোমালিন্য শুধু!! না এই মনোমালিন্য সব স্থানে সব ক্ষত্রেইট কম বেশী থাকে নাকি! মায়ের সাথে মেয়ের,, শ্বাশুড়ির সাথে বৌয়ের,, স্বামী-স্ত্রীতে, ভাই বোনে,,, বন্ধু-বান্ধবের মাঝে কোথায় না আছে মনোমালিন্য  বলতে পারো? এই অবস্থা থেকে উত্তরণের একটাই পথ হচ্ছে কিছু ছাড় দেয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে দীপ্তি! যেমন কারও কোন কাজ/অভ্যাস তোমার পছন্দ নয় অন্য দিকে সেটাযে খুব খারাপ বা ক্ষতিকর তাও নয় কিন্তু একজনের পছন্দ নয়   - সে ক্ষেত্রে চুপ থাকাই ভালো! আর যদি বিষয়টা এমন হয় যে এটা শুধুই কর্তার জন্য ক্ষতিকর সেক্ষেত্রে তাকে তোমার কুফল সম্পর্কে ভালো করে বুজিয়ে দিতে হবে উপস্থিতবুদ্ধি,, বিচার বিবেচনা ও ও দূরদর্শিতার সাথে - তবে তা হতে হবে অবশ্যই খুব বন্ধুসুলভ আচরণ বা কথা বার্তার মাধ্যমে! এভাবে করতে পারলে একদিন দেখবে যার সাথে তোমার  খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে লেগেই থাকত সর্বক্ষণ, কালক্রমে সেই হয়ে যেতে পারে তোমার একজন উত্তম  বন্ধু ও শুভাকাঙ্খী!

সুস্থ থেকো, ভালো থেকো নিরন্তর,,,,, ধন্যবাদ দীপ্তি) 

শাহানাজ সুলতানা  খুব সাধারণ

পন্ডিত

এক সাথে থাকতে গেলে সবার সাথে গেলে মনোমালিন্য হওয়াটাই সাভাবিক। তো আমরা যদি  বিষয়গুলোকে বড় করে না দেখে নিজেরা নিজেদেরকে   সামলে  নিয়ে ভালোবাসা উজাড় করে দেই তবেই না সব কিছু মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।

Ahman  

জ্ঞানী

রুমমেটের সাথে আন্তরিকতা ও ভালবাসার সম্পর্ক তৈরি করুন। সুন্দর ব্যাবহার করুন। 

সর্বোপরি কবি কামিনী রায়ের কবিতাংশটি মনে রাখুন,

"আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে

আসে নাই কেহ অবনী ‘পরে,

সকলের তরে সকলে আমরা

প্রত্যেকে মোরা পরের তরে"

Md Shohidul Islam  

গুণী

একসাথে চলতে গেলে মনোমালিন্য দেখা দেওয়া টা অস্বাভাবিক কিছু নয়। সেজন্য নিজেকে ত্যাগী হওয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং সর্বদাই ভালবাসার মন দিয়ে বন্ধুত্বের মনোমালিন্য কে ধ্বংস করে দিতে হবে। বিশেষকরে যখন কোন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য দেখা দেয় তখন যেকোন একজনকে স্বেচ্ছায় বন্ধুর সাথে তথা রুমেটের সাথে কথা বলতে হবে। তখন দেখাযাবে ও অার অভিমান করে থাকতে পারবে না। এভাবে এক পর্যায়ে দেখা যাবে যে, উভয়ের মধ্যে এক গভীর গনিষ্ঠ সর্ম্পক তৈরি হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যৎতে সহজে কোন মনোমালিন্য দেখা দিবে না।

Syed Al-Amin  অলীক স্বপ্ন নয়,, জীবন গড়তে চাই কঠোর পরিশ্রম আর মেধা দিয়ে:)

বিশারদ

সবাইর সাথেই খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়! উভয় পক্ষের মানিয়ে নেয়ার মনোভাব তৈরী করেই এমন সমস্যার সমাধান করা যায়! ধন্যবাদ!

rabby kawchar  

গুণী

রুমেটের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়েনিন। দেখবেন মনোমালিন্য কমে গেছে আর খুটিনাটি বিষয়গুলো আপনি তখন খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবেন।

Rabiul Hoq Kowser  

জ্ঞানী

রুমমেটের সাথে মনোমালিন্য হলেও আপনি সুন্দর ব্যবহার করুন।

যখন সে রেগে যাবে আপনি চুপ হয়ে যান পরবর্তীতে আপনি তাকে বুঝানোর চেষ্টা করুন, পাশ্ববর্তী রুমমেট সহ তাকে নিয়ে ঘুরে আসুন, আড্ডা দিন 

Jabed Omar  

গুণী

আসলে, এটা একা কখনোই সম্ভব নয়,,,ছোট খাটো যে ভুল গুল হবে, তা ভুল হিসেবে ধরা যাবেনা,,অনেক কিছু ছার দিতে হবে,, নিজের কিছুটা ক্ষতি হলেও মেনে নিতে হবে,,,একতা বজায় রাখতে হলে ওগুলো করতেই হবে,,,

Amir Hossin Robin  

জ্ঞানী

প্রথমত আমাদের সবাইকে বুজতে হবে একটা রূমে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ থাকে, হয়ত কিছু কিছু রূমমেন্ট একই শ্রেণীর,  কিন্তু একই শহর বা জেলার নাও হতে পারে।কথায় আছে দুই পাতিল এক সাতে রাখলে আওয়াজ হবেই।তেমনি এক রূমে এক সাথে অনেকজন থাকলে কথা কাটাকাটি হওয়া সাবাবিক। কিন্তু এসব সিচুয়েশন এ আমাদেরকে যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখা, রূমমেন্ট কে বুঝার চেষ্টা করা। হয়ত আমার দোষ নাই,  রূমমেন্ট এর দোষই বেসি। তাতেও নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করবো, প্রয়োজনে রূম থেকে বের হয়ে নিজেকে শান্ত করবো।আর সবসময় চেষ্টা করা উচিত কম কথা বলার। অপ্রয়োজনীয় কথাতে অধিকাংশ সময় কথা কাটাকাটি হয়।

MD. RAJIB HOSSAIN  

জ্ঞানী

ছাড় দেওয়ার মানষিকতা থাকতে হবে।

Nowrin Sultana  

গুণী

নিজে যেমন ব্যবহার আশা করেন ঠিক তেমন ব্যাবহারটিই করুন রুমমেটের সাথে। ছাড় দিয়ে চলুন এবং রুমমেটের ছোট ছোট প্রয়োজনের উপর লক্ষ্য রাখুন। মনে রাখবেন আপনি বাড়িতে যে সুবিধাগুলো পেয়ে অভ্যস্ত তার সব কিছু রুমমেটের থেকে আশা করা উচিৎ নয়। কিছু গ্রাউন্ড রুল ঠিক করে নিন। সমালোচনা এড়িয়ে চলুন। 

md saiful islam  

জ্ঞানী

খুভ গুরুত্তপুর্ন প্রশ্ন করেছেন আপনি

রুমমেটের সাথে ঝামেলা, মনোমালিন্য হওয়া আমাদের ছাত্র জীবনের জন্য অনেক বেশি খতিকারক, কারন রুমমেটের সাথে  খুটি নাটি ঝামেলার কারনে আমারা বার বার রুম পরিবর্তন করি,এতে আমাদের পড়া লিখার অনেক ক্ষতি হয়ে যায়,                                                                                                     রুমমেট এর সাথে ভালো বন্ধুত্ত তৈরি করুন,           এতে আপনার অনেক লাভ, বন্ধুর ভালোলাগা খারাফলাগা সব কিছুই আমরা মেনে নিতে পারি, তার যে কোন কাজে তাকে সাহায্য করুন, আপনার যে কোন কাজে সে সাহায্য করবেই,                                                রুমমেট কে সাইকো মনে না করে তাকে সময় দেন, তার সাথে বিভিন্য জায়গায় বেড়াতে যান, তাকে মাঝে মাঝে খাওয়ান, তার ভুল গুলো বন্ধুর মত করে ধরিয়ে দেন, তার যে কোন কাজে তাকে বাহ বাহ দিন মানে প্রসংশা করুন, তার বিরক্তিকর আচরন গুলোর পরিবর্তে আপনি খুভ সুন্দর আচরন দেখান, তার কাছে আপনি হিরো বনে জান দেখবেন সে আপনাকে ফলো করবে, তাকে মাঝে মাঝে উপহার দিন,                 যে বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করুন, হেল্প চান, বেশি কঠোর হবেন্না, কঠোরতা মানুষ অপছন্দ করে,                                  সর্বপরি একটাই কথা বুন্ধুত্ত তৈরি করুন,                         আমরা বন্ধুর সব কিছুই মেনে নিতে পারি।

সবাইকে ধন্যবাদ

Hecules  

গুণী

প্রয়োজনের তুলনায় কম আলাপচারিতা করে, রুমে অবস্থানের সময় অবসরে যেকোনো প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যাস্ত থেকে এবং ব্যাক্তিগত কাজ ছাড়া যেসব কাজ রুমমেট এর অংশগ্রহণে করতে হয় সেসব কাজে নিজের দায়িত্বের ভাগ যথাযথ পালন করে। যথাযথ মানে যথাযথ। একটু বেশি বা একটু কম নয়।

লেস ইন্টার‍্যাকশন=লেস আরগুমেন্ট।

সাধুবাবা  ৫.১১ ফুটের এক সাধারন আমি।

জ্ঞানী

জাষ্ট স্যাক্রিফাইস কথাটা অন্তরে ধারন করুন,দেখবেন সামনে থেকে ঝামেলা কম হবে

অঞ্জন আচার্য  সাহিত্যকর্মী

জ্ঞানী

ভালোবাসা মানে কি শুধুই কিছু সুখের স্মৃতি, কিছু ভালো-মন্দ কথা? না, আমার কাছে তা নয়। ভালোবাসার মানুষটির জন্য কষ্ট অনুভব না হলে, সে আবার কীসের ভালোবাসা? উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগহীন ভালোবাসা হয় নাকি?

Rh Hossain  

গুণী

নিজেকে ত্যাগী এবং ধৈর্যশীল করে গড়ে তোলা।

Ataullah Ahmed  

গুণী

সমস্যা সমাধানে ধৈর্য্য থাকতে হবে ! আর সব সময়  হাঁসি মুখে কথা বলা। রুমেটের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়েনিন। দেখবেন মনোমালিন্য কমে গেছে আর খুটিনাটি বিষয়গুলো আপনি তখন খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবেন। এ ছাড়া আর কিছু আছে বলে আমার মনে হয়না।

Md.Rashidul Islam  আমি ভালোবাসার কাঙাল

গুণী

রুমেটের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে নিন। দেখবেন মনোমালিন্য কমে গেছে আর খুটিনাটি বিষয়গুলো আপনি তখন খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবেন।

একটাই পথ তা হলো - ছাড় দেওয়ার মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে I

সমস্যা সমাধানে ধৈর্য্য! আর হাঁসি মুখে কথা বলা ছাড়া আর কিছু আছে বলে আমার মনে হয়না। আরেকটি আছে অন্যের অন্যায় থাকলেও নিজে সরি বলা।

ও যেটা পছন্দ করে যদি ওটা সামাহিকতার মধ্য বা শৃঙ্খলার মধ্য পরে তাহলে তাই কর।আর যদি সে খারাপ হয় তাহলে রুম বদলি কর।

নাইম  

গুণী

Soriful Islam  

গুণী

আসলে এটা কনো ব্যাপারই না । রুমমেট কে মনে প্রানে বিশ্বাস করুন আস্তে আস্তে সমস্যা সমাধান হয়ে যাব্


অথবা,