Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

দীপ্তি  আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)

মহাগুরু

সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বা ইনফেকশন জাতীয় রোগে এন্টিবায়োটিক সেবন করা হয়। এন্টিবায়োটিকের ডোজ পূর্ণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটাও ডাক্তার ঠিক করে দেবেন। ধরা যাক, আপনি কোনো এন্টিবায়োটিক সেবন করলেন এবং রোগ ভালো হয়েও গেলো কিন্তু ডোজ সম্পূর্ণ করলেন না। তাহলে শরীরে যদি সামান্য কিছু জীবানুও থেকে যায় তাহলে তারা সেই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষম জীবানু উৎপাদন করবে এবং বংশবিস্তার করে পুনরায় রোগ তৈরি করবে। পরবর্তীতে সেই এন্টিবায়োটিক আর আপনার শরীরে ঠিকমত কাজ করবে না। 

এন্টিবায়োটিকের ডোজের সাথে দিনে কবার খাবেন (ঘন্টা হিসেব করে খাওয়া উচিত) সেটা একজন ডাক্তার জানেন। তিনি জানেন কোন এন্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত এবং কত মাত্রার।তাই উনি আপনার প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন কয়টা টেবলেট কয়ক্ষণ পরপর খেতে হবে। আপনি যদি নির্দিষ্ট সংখ্যক টেবলেট নির্দিষ্ট সময়ানুযায়ী না কান, তবে কোন লাভ হবে না। আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হবে।

তাই আপনি যখন একটা দুটা এন্টিবায়োটিক সময় না মেনে খেয়ে ফেললেন, তাতে হয়তো ব্যাকটেরিয়া কিছুক্ষণের জন্য চুপ থাকবে, আপনি ভাববেন আপনি সুস্থ হয়ে গেছেন কিন্তু আসলে আপনি নিজের ক্ষতি করছেন। অহেতুক এন্টিবায়োটিক খাও্য়া বন্ধ করুন। এন্টিবায়োটিক খেলে কোর্স সম্পন্ন করুন। কম্পাউন্ডার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়া আর রাজমিস্ত্রির পরামর্শ অনুযায়ী ২০ তালা ভবনের নকশা করা একই রকম। পরে হাজার হাজার টাকা খরচের চেয়ে কয়েকশ টাকা খরচ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 

সৈয়দ আতাউর রহমান  সোসাল ওয়ার্কার

গুণী

কেবলমাত্র জীবানু সংক্রমণ ঘটলেই বা জীবানু সংক্রমনের হাত থেকে বাচতেই এন্টিবায়োটিক সেবন করা হয় বা চিকিৎসকগন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এন্টিবায়োটিকের ডোজ পূর্ণ করা এবয় সময়মতো ঔষধ সেবন করা অতি আবশ্যক। তবে তা ঠিক করে দেবেন কেবলমাত্র কজন রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক। 

এন্টিবায়োটিক শব্দটির (এন্টি অর্থ  হলো বিরুদ্ধে আর বায়োস অর্থ জীবন) অর্থ জীবানুর বিরুদ্ধে জীবানু।  আপনি যখন কোনো এন্টিবায়োটিক সেবন করবেন তখন এন্টিবায়োটিক ঔষধটি কয়েকটি ধাপে কাজ সম্পন্ন করে। প্রথমত ঔষধটির হাফ লাইফের উপর নির্ভর করবে আপনি তা কতক্ষন পর পর খাবেন এবং কতদিন খেতে হবে তা নির্ভর করবে আপনার কি রোগ হয়েছে অর্থাৎ আপনি কি ধরনের জীবানু দ্বার আক্রান্ত হয়েছেন তার উপর। ডাক্তার নিশ্চিৎ হবার পরই আপনার ডোজটি নির্ধারন করে দেবেন।

এখন প্রাসঙ্গিক বিষয় হলো আপনি কেন কোর্স  বা ডোজ সম্পন্ন করবেন- এন্টিবায়োটিক ঔষধটি খাবার পর কয়েকটি ধাপে কাজ সম্পন্ন করে থাকে। প্রথমত আপনি ঔষধ খেলেন, ঔষধটি সেবনের পর আপনার দেহে অভ্যন্তরে তা মেটাবলিজম হবে, কিছু নতুন জীবানু সে নিজে তৈরী করবে এবং সর্ব  শেষ ধাপে আপনার দেহের অভ্যন্তরস্থ জীবানু, তার নিজের তৈরীকৃত জীবানু এবং সে নিজেও ধ্বংস হবে। আর এই ধাপগুলো সম্পন্ন হবার পূর্বেই আপনি আরোগ্য লাভ করতে বা বোধ করতে পারেন। আপনি ঔষধ সেবন বন্ধ করে দিলেন তাতে কিন্তু আপনি কিন্তু জীবানুর হাত থেকে মুক্তি পেলেন না। আপনি ঔষধের ডোজ মিসিং কিংবা নির্ধারিত সময় মেইন্টেন না করে ঔষধ সেবন করেন অথবা ডোজ সম্পূর্ণ না করেন তাহলে আপনার শরীরে অভ্যন্তস্থ জীবানুগুলো দ্রুত আপনার এন্টিবডির বিরুদ্ধে, ঐ এন্টিবায়োটিকটির বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধ বলয় সৃষ্টি করবে যে কারনে ঐ এন্টিবায়োটিক আর আপনার দেহের ক্ষতিকারক জীবানুর বিরুদ্ধে কাজ করবে না। 

কাজেই এন্টিবায়োটিকের ডোজের সাথে দিনে কবার খাবেন ঘন্টা হিসেব করে খাবেন। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ  নিয়ে খাবেন।


অথবা,